নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

অধিকার

ধর্মের দোহাই দিয়ে মানবতা কে আর কতকাল অস্বীকার করবেন?


আমাদের দেশটি হলো বৈচিত্র্যতায় ভরা, অসম্ভব কৌতুকে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এদেশে সবাই ধর্মভীরু, ধর্মের হানি হলে ঘরে ঘরে জিহাদী তৈরি হয়, ধর্মের কোনো বিধান নিয়ে যৌক্তিক কোনো বিশ্লেষন করলে বলে তুই ব্যাটা নাস্তিক, তোর ঈমান নাই। আমার না হয় ঈমান নাই, কিন্তু যারা ধর্মের পক্ষে দাঁড়ি আমাকে নাস্তিক বলে ট্যাগ দেয় তাদের ঈমানের পরীক্ষা যদি তখন নিতে যাই, বলে তোর মত নাস্তিকের কাছে আমার ঈমানের পরীক্ষা দিবো না। হাস্যকর বিষয়টি হলো, অনলাইন ভিত্তিক ধর্মী অবমাননার যে আইনটি আছে, আরেকটু পরিষ্কার করে বলতে গেলে, ধর্মী অনুভূতিতে আঘাতের যে বিধানটি আছে, সেটিকে ব্যবহার করে যতগুলো মামলা হয়েছে, যারা ওইসব মামলার বাদী, তাদের ধর্মচর্চার ফিরিস্তি তুলে ধরতে গেলে ধর্মও লজ্জা পাবে। সত্য তো এটাই, যারা ধর্মকে লালন-পালন করে, ধর্মকে নিত্যদিন তারাই ধর্ষন করে।

একরামুল হক ও বঙ্গবন্ধু


একরামুল যখন নিশ্চিত হলো,যে কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে ঠান্ডা মাথায় খুন করবে রাষ্ট্রের পালিত হিংস্র হায়েনারা। তখনই একরামুল শেষবার যখন তার মেয়ের সাথে কথা বলার সময় মেয়েকে বলতেছিলো, 'মা" আমি বাসায় ফিরে আসমু, একটু সময় লাগবে মা.....। তখন একরামুল ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেছিলো। তার মেয়ে বাবার কান্না শুনে চিৎকার করে উঠে 'বাবা তুমি কাঁদতেছো যে......'!!

এই অডিওটা শুনে আমার কেবল বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়লো। ১৫ আগষ্টে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে দাঁড়ানো অবস্থায় শেখ হাসিনা যদি বঙ্গবন্ধুকে কল দিতেন তবে এই কন্ঠটাই শুনতে পেতেন।
আমাদের দুর্ভাগ্য যে শেখ হাসিনা সেই কান্নাটা শোনেনি। তার শোনা দরকার ছিলো।

ফুটো নৌকোয় পারাপার


এই পৃথিবীর স্মরণসভায় যখন জমা হয় কালো বিদ্যতা,
আমাদের স্বেছামৃত্যু ও স্বেচ্ছাভোটদান যখন একই পেয়ালায় চা খায়।
দেখি নির্বাণলালাভ করতে চায় কতক মোনাফেক,
রাস্তায় জমে জল,ভেঙেপড়ে অসুস্থ গার্মেন্টসের কঙ্কাল;সাভার ট্রাজেডি।
গুলশান হয়ে যায় মৌলবাদের শস্যক্ষেত্র।
আমরা তবু নিরপেক্ষ হয়ে থাকি নিজস্ব বেডরুমে-যতক্ষন না-গরম এসে পড়ে আমাদের তীব্র উপহাস ফেটে পড়ে অট্টহাস্যে।
যতক্ষণ না চাপাতির ধার এসে লাগে আমাদের ঘাড়ে,
কেটে যায় কয়েকটা শিরা-উপশিরা,রাস্তায় নামে রক্তের বান।
আমরা দেখি আর অট্টহাস্যে ফেটে পড়ি,দেখি সঙমবিহীন ফুল ফুটে থাকে বারান্দায়-

জরুরী আবেদন: বাংলাদেশী সমকামী অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব তনয় হত্যা ঘটনার যথাযথ তদন্তপূর্বক অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক!


প্রিয় সহকর্মী,

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান রাইটস (বিআইএইচআর), জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ এবং বৈচিত্র.বাংলা যৌথভাবে যৌন প্রবৃত্তিগত সংখ্যালঘু/সমকামী ব্যক্তির সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবীর আন্দোলনে বলিষ্ট ভুমিকা পালনকারী সমকামী অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব তন্বয়কে মৌলবাদী জঙ্গি গোষ্টী কর্তৃক নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা যথাযথ তদন্তপূর্বক অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে আপনার জরুরী ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

এবং এন্টেনা গিয়ে স্যাটেলাইট এলো


শুনি এত টকশো(যদিও ঘরে দূরদর্শনের বালাই নেই এবং অপটিক ক্যাবল ও বিতাড়িত),
তবে অনলাইনে,সোস্যালে দেখি দেশটা তালেবানি উটের কুঁজে হেলেদুলে চলছে,
বাপ এবং স্বামীর নামে তসবী জপসে কয়েকজন,
সারাদেশবাসী শামিল সেই শ্রাদ্ধবাসরে,
ওদিকে কারো গলায় কেউ দিচ্ছে চপ্পল ও মতান্তরে কেউ দিচ্ছে ফুলেল সংবর্ধনা।
চাকুরীর পরীক্ষায় টেবিলের ওপাশ থেকে প্রশ্ন আসে-
“আপনি কি রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়েছেন অথবা পৌরনীতি”।
-থোরা,থোরা,সাব।
“কি!উর্দু,বিদেশী ভাষা,অপসংস্কৃতি”।
-আইজ্ঞে না,হিন্দি ছিল জনাব।
“মারহাবা!মারহাবা!তাইলে ঠিক আছে।বলুন গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সংসদ কি?”

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর