নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • ফারুক
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

অধিকার

চকচকে ঝকঝকে হিপোক্রিসি


"একটা ছেলের পাবলিকলি স্মোক করাটা নরমাল কিন্তু একটা মেয়ে করলে সেখানকার এনভায়রন্মেন্ট খারাপ হয়"
এই মুহুর্তের সবচে আলোচিত ডায়ালগ।দুঃখজনক ভাবে অসংখ্য মানুষ বৈষম্য শর্ট ফিল্মের এই লাইনটার সাথে একমত পোষন। পাবলিক প্লেসে থাকলে এই লেখাটা পড়ার সময় ডানে তাকান বামে তাকান। ১০ জনের ভিতর এটলিস্ট ৬ জন এই কথাটা ঠিক মনে করে।
"এনভায়রনমেন্ট যে পুরুষের কামলোলুপতার কারনে হচ্ছে সেটা তারা চিন্তা করতে চায় না।অনেক টা "কাপড় এরকম পড়লে তো রেপ হবেই" যুক্তি।

পাব্লিক স্থানে নারীর সিগারেটের ধোঁয়ায়, পুরুষের ফুসফুস কালো৷


একটা ভিডিওতে দেখা গেলো পুরুষের পাব্লিক জায়গায় সিগারেট খাওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু নারীর হলে নষ্টামি৷
বেশ লাগলো ভিডিওটা, হ্যাঁ তুমিতো নারী তুমি সিগারেট খাবা কেন? ভিডিওটাতে তুলে ধরেছে আমি পাব্লিক প্যালেজে গেঞ্জি শার্ট খুলে হাঁটতে পারবো, তুমি পারবা? তারপর গাড়ির সিট, কোটা এবং শক্তিতে পুরুষ এগিয়ে এরকম আরো যুক্তি ছিলো৷ বাহ বাহ, বেশ বেশ, খুব ভালো৷ এই না হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী বা শিক্ষিত সমাজ? আমরা তেমন লেখাপড়া করিনি, তাই শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা যা বলেছে তা বুঝেই বলছে, আমরা এর কি বুঝি? খারাপতো বলেনি৷৷

অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে


'I Want 2 Love U' একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। লিঙ্ক

যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না।

আমাদের মা বাবারা সম্মান চিনে, সন্তান চিনেনা৷


মেয়েরা ঘরে বন্ধী থেকে শোর করে আমি বন্ধী৷ আমিকে বের করতে বললে চিন্তা আমার মা বাবা দুঃখ পাবে, আত্মীয় স্বজনের কাছে ছোট হবে, দুঃখ পেয়ে মরে যাবে, এটা সেটা কত কী?

আচ্ছা মা বাবা কি বাংলা সিনেমার আনোয়ার হোসেন? যে আহ্ করে হঠাৎ দুঃখ পেয়ে স্ট্রোক করবে? কোন পিতা মাতা সন্তান মরলেতো শোকে শোকে মরেনি, সন্তান বাহির হলে মরে যাবে এত অনুভূতি আসে কোত্থেকে?

নিজের কাছে নিজেকে স্বীকার করুন


সমাজে প্রবহমান নিয়মের ভয়ে নিজেকে প্রকাশ না করার মানে এই নয় যে, আপনি নিজে যা, তা আপনি ভুলে যাবেন।

সকল মুক্তমনা নাস্তিক অবিশ্বাসীদের প্রতি আমার প্রস্তাব


সকল মুক্তমনা নাস্তিক অবিশ্বাসীদের প্রতি আমার প্রস্তাব

==========================

এদেশে নাস্তিক অবিশ্বাসীদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তাঁরা কোনো না কোনো ভাবে পরিবার সমাজ কিংবা রাষ্ট দ্বারা প্রতিনিয়ত নিগৃহীত হচ্ছেন বা লাঞ্চিত হচ্ছেন। কখনো কখনো নির্যাতিত বা মৃত্যু বরন করে নিচ্ছেন। যার প্রমান হুমায়ুন আজাদ, রাজীব হায়দার, অভিজিৎ রায়। শুধুমাত্র ধর্মের সমালোচনা আর ভীন্নমত পোষন করায় ইসলামি মৌলবাদীরা তাঁদেরকে নিশংসভাবে হত্যা করেছে। যা একবিংশ শতাব্দীতে কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায়না। এভাবে আর কতো সহ্য করা যায়?

আসাদ নূরকে মুক্তি দিন রাষ্ট্র- এটা সভ্যতার দাবি!


আসাদ নুর কি ধর্ষণ করেছিল? না। কাউকে খুন করেছিল? না। ধর্মের নামে সহিংসতা চালিয়েছিল? না। অমুলিম নাগরিকদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল? না। কাউকে কুপিয়ে মারার হুমকি দিয়েছিল? না। কারো কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে দুর্নীতি করেছিল? না। রাষ্ট্রের সম্পদ লুন্ঠন করেছিল? না। ব্যাংক ডাকাতি করেছিল? না। এসব তো কিছুই করেনি আসাদ নুর। সেই ছেলেটা ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার ও ধর্মের সহিংসতার বিরুদ্ধে বলতো। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হলে সেই প্রাণবন্ত তরুনটি ইউটিউবের নিজের চ্যানেলে অভিরাম চিৎকার করতো। লিখতো। তবে তাকে কেন গ্রেপ্তার করা হলো? শুধু কথা বলার অপরাধে?

আমি যতটুকু পুরুষ, ততটুকুই নারী



আজ আমি আর উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র অভিজিৎ নই, যে চেয়েছিল ফুল হাতা শার্ট পরে নিজেকে পুরুষ হিসেবে প্রকাশ করতে । বরং আজ, এই লেখার মাধ্যমে আমি সবাইকে নিজে থেকে নিজের পরিচয় জানান দিচ্ছি, আমার দেহে যেমন পুরুষের চিহ্ন আছে ঠিক তেমনি আছে নারীর ।

খুব সম্ভব আমি XXY । কিন্তু আমি নিশিৎ নই । পরীক্ষা করাইনি, করাতে চাইওনা । কারন আমি সত্যিই XXY কিনা তা জেনে আমার কোন কাজ নেই । কারন যে কারনে কোন মানুষ পুরুষ অথবা নারী কিংবা তৃতীয় লিঙ্গ হয়, ঠিক সেই কারনেইতো আমি এমন । আমি XXY পুরুষ হই বা না হই, এ লড়াই আমি লড়তে চাই । কে বলল এ লড়াই কেবল আমার ? এ লড়াই কেবল আমার নয়, এ লড়াই যতটুকু আমার তার চেয়েও বেশি তথাকথিত হিজড়াদের । এবং সব চেয়ে বেশি এ লড়াই সাধারণ নারী এবং পুরুষের; কারন সমাজ ওদেরকে নারী ও পুরুষ করে বড় করেছে, মানুষ করে নয় ।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর