নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

কোরান কার বানী ? মুহাম্মদের নাকি আল্লাহর? পর্ব-৪(নবুয়ত্বের দাবী সঠিক?)


কোরান যে আল্লাহর বানী , সেটার স্বপক্ষে মুমিনেরা একটা যুক্তি দেখায় : "দুনিয়ায় লক্ষ লক্ষ হাফেজ আছে যাদের কোরান মুখস্থ। এটাই প্রমান করে কোরান সৃষ্টিকর্তার বানী।" কোন একটা কিতাব যদি কোটি কোটি মানুষের মুখস্থ থাকে , তাহলে সেটা কিভাবে সৃষ্টিকর্তার বানী হয় ? কিন্তু কোরান নিজেই আসলে প্রমান করে যে সে কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তা প্রেরিত কিতাব হতে পারে না। সেটা কিভাবে ? এবারে সেটাই বলা হবে।

জংগিদের ধর্ম নাই যাহা একটি মিথ্যা বচনঃ


যারা বলছেন জংগিদের ধর্ম নাই আমার মতে তারা মিথ্যা বলছেন;বিশ্বব্যাপি জংগিবাদের উত্থান মুলত ধর্মকে ঘিরে পৃথিবীর প্রায় সব দেশই এখন জঙ্গিবাদের নির্মম থাবায় জর্জরিত,তৃতীয় বিশ্বের মুসলিম দেশে জংগিবাদের বিস্তার ঘটেছে বহু আগেই; কিন্ত এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ছিল ব্যাতিক্রম কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গায়েও আছড় দিয়েছে ইসলামি জঙ্গিবাদের বর্বর থাবা। গত পহেলা জুলাই ঢাকার গুলশানে হলি অর্টিজান বেকারিতে জংগি হামলায় নিহত হয়েছে ২০ জন নিরীহ মানুষ; তার মধ্যে ৯ জন ইতালীয় নাগরিক ৭ জন জাপানি ১ জন ইন্ডিয়ান ৩ জন বাংলাদেশি। এখানে ইতালিয়রা ও জাপানীয়রা ছিল আমাদের উন্নয়নের অংশিদার পরম বন্ধু,পোশাক শিল্প ব্যাবসায়ি ও জাপানীয়র

কোরান কার বানী ? মুহাম্মদের নাকি আল্লাহর ?পর্ব-৩(মূহুর্তের মধ্যে আয়াত পরিবর্তন)


আগের দুই পর্বে মুহাম্মদের মোজেজা প্রদর্শনে ব্যর্থতার কথা বলা হয়েছে। এবার বলা হবে , কিভাবে মুহাম্মদ তাৎক্ষনিকভাবে আয়াত পরিবর্তন করতেন। আল্লাহ প্রথমে একটা আয়াত পাঠাত, কিন্তু এরপর কেউ একজন ভিন্ন কিছু দাবী করলেই সাথে সাথে আল্লাহ ভিন্ন আয়াত পাঠাত, যা প্রমান করে , মুহাম্মদের আল্লাহ বস্তুত: সর্বজ্ঞানী না , আর তাই এই আয়াত মুহাম্মদ ও তার সাহাবীরাই দরকার মত রচনা করত। এবার সেটা দেখা যাক ----

সংখ্যাগুরুর সংখ্যালঘু: আহমদিয়া ও অন্যান্য সম্প্রদায়



২০০২ সালে ঢাকার রাজপথে আহমদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা করা ও হুমায়ুন আজাদের শাস্তি দাবী করা হয়।

অন্ধ বিশ্বাস একটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি।


ছোট বেলায় ভয় পেতাম যখন মা’র মুখ থেকে ভুত প্রেত ভয়ংকর গল্পগুলি শুনতাম। তখন থেকে ভুতের প্রতি দুর্বল, মনে হত এখনি ভুত এসে খেয়ে ফেলবে। সেই যে মনে ভয় ঢুকে গেছে আজও সেইসব ভয় তাড়া করে। রাত্রে বেলা প্রকৃতির ডাকে একা যাওয়া যেত না। মনে হয় চারিপাশে ভুত প্রেত ঘুরাঘুরি করছে। এত ভয় দেখানো হলে একটি শিশু সুষ্ঠ পরিবেশে কি করে বেড়ে উঠবে। আমাদের দেশে বেশির ভাগ পরিবারে অন্ধ বিশ্বাস আছে। শিক্ষিত পরিবার হোক আর অশিক্ষিত পরিবার হোক কুসংস্কার রয়ে গেছে। খুব কম পরিবারে বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা করা হয়। বিজ্ঞানকে সাইড লাইনে বসে রেখে বিভিন্ন অন্ধ কুসংস্কার পরিবারে লালন পালন করা হয়। বর্তমান আধুনিক বিশ্বায়নের যুগে কোনদিন সম

কোরান কার বানী? মুহাম্মদের , নাকি আল্লাহর? পর্ব-২(চাঁদ দ্বিখন্ডন)


প্রথম পর্বে মুহাম্মদের মোজেজা দেখানোর বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কারন মুহাম্মদ নিজেকে আব্রাহামিক ধর্মের একজন নবী দাবী করতেন। আব্রাহামিক ধর্ম যেমন ইহুদি, খৃষ্টান ধর্মের কথিত নবীদের মোজেজা প্রদর্শন ছিল তাদের নবুয়ত্ব প্রমানের প্রধান অবলম্বন। তাই ইহুদি ও খৃষ্টানরা প্রায়ই মুহাম্মদকে মোজেজা দেখাতে বলতেন। কিন্তু তিনি সেটা দেখাতে পারতেন না। তাই তারা তাকে নবী হিসাবে স্বীকার করতেন না। সেই মোজেজার বিষয়ে আরও কিছু বলতে হবে। অবশেষে মুহাম্মদের চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়ার মোজেজা হাজির হলো , সেটা দেখা যাক ----

জঙ্গিবাদ ইসলামের শত্রু


দেশে আরও জঙ্গী-সন্ত্রাসী হামলার হতে পারে। জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকাতে হবে। এরা এখানেই থেমে থাকবে না। এদের নানা ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে। হয়তো তারা একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কিংবা বিভিন্ন মানুষের ওপর তারা আক্রমণ চালাতে পারে। তাই সবাইকে আরও সজাগ ও সতর্ক থেকে সম্মিলিতভাবে এদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সন্ত্রাস-নাশকতা ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। বাংলাদেশে কোন জঙ্গী-সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। বাংলাদেশের মাটিতে কিছুতেই সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের স্থান হতে দেওয়া হবে না। ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করে এ ধ

জঙ্গিবাদ দমনে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ


প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠিতে বলেছিলাম যে- যদি টুপি-দাঁড়ি, পাগড়ী-পাঞ্জাবী মার্কা বকধার্মিকদের বিষয়ে তিনি নীরব ও উদাসীন থাকেন তাহলে অতি শীঘ্রই এ দেশ পরিণত হবে পাকিস্তানে; নজরুল, লালন, আওলিয়াদের এ সোনার বাংলা ধীরে ধীরে চলে যাবে জঙ্গী-জংলীদের দখলে । ঢাকা গুলশানে নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনার মধ্য দিয়ে বোধহয় সেটারই অভিষেক ঘটলো একটু বড়সড় করে ।

এমন বাংলাদেশ কবে, সৃজন হবে


রফিক আজাদের ভুল ব্যাখ্যায় উপস্থাপিত কবিতা ‘ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র খাব’ বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে মিথ্যা প্রমাণিত হলেও, কালের যাত্রায় হুমায়ুন আজাদের ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ অথবা সাম্প্রতিক লেখা ‘এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়’ কবিতার এই অবিনাশী উচ্চারণ আজ ক্রমাগত আমাকে ভাবিয়ে তুলছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র পৃথিবীর ক্ষেত্রে এই উপলব্ধি এখন সবার।

কোরান কার বানী ? মুহাম্মদের , নাকি আল্লাহর ? পর্ব-১


কোরান কার বানী ? মুহাম্মদের নাকি আল্লাহর? আল্লাহর বানী যদি হয়, তাহলে আল্লাহর নামেই কি মুহাম্মদ নিজের কথাকে চালিয়ে দিয়েছিলেন কি না ?

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর