নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

কেন আপনি একজন খ্রিস্টান,হিন্দু, বৌদ্ধ বা মুসলিম?


মুসলিমরা অন্যান্য ধর্মাবলী থেকে অনেক অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হয় যখন তাদের বিশ্বাস কে সমালোচনা করা হয়।আবার এখন দেখা যাচ্ছে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং যারা ঈশ্বর ও ধর্ম বিশ্বাস করে তারা সবাই একই উগ্রতা প্রকাশ করে। তারা ও প্রচণ্ড ঘৃণা করে যখন তাদের বিশ্বাসগুলিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়।

কিন্তু যখন কেউ আপনার বিশ্বাসকে প্রশ্ন করে তখন কেন রাগ করেন? কেন আপনারা গঠনমূলক সমালোচনার এবং বিশ্বাসযোগ্য আর্গুমেন্টের উত্তর দেন না? যে ব্যক্তি আপনার বিশ্বাস প্রশ্নবিদ্ধ করে। প্রমাণ করেন যে এই ব্যক্তি ভুল।কিন্তু এর পরিবর্তে এই ব্যক্তিকে কেন শূকর, কুকুর, নাস্তিক, কাফির বলে আক্রমণ করেন?

মেডিকেল সায়েন্স পড়া মানুষ কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব বলে বিশ্বাস করে ?


বাংলাদেশে যে ডাক্তার সম্প্রদায় আছে , মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়ে নামকরা ডাক্তার হয়েছে , তারা কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব হিসাবে বিশ্বাস করে , তা এক বিস্ময়কর ব্যপার। যারা মেডিকেল কলেজে পড়ে , যখন এনাটমি পড়ে , তখন সহজেই তাদের বোঝার কথা যে জীব জগত আসলে বিবর্তনের ফলে আজকের পর্যায়ে এসেছে। যুক্তির খাতিরে ধরা যাক , বিবর্তনবাদ মিথ্যা , তাহলেও কি কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয় ? এবার দেখা যাক , কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে আসলে কি বলে।

প্রতিটি ধর্মে স্বর্গের পাশাপাশি নরকের অস্তিত্তই প্রমাণ করে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও তাঁর হুকুমমতের উল্টো মতাদর্শের মানুষ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।


একই মাতৃ জঠরে জন্ম নেয়া দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যেও মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে। একই মাতৃস্তন্যে লালিত, একই পিতার ঔরষে জন্ম, সেই একই জল-হাওয়ায় আশৈশব বেড়ে উঠা। একই পারিবারিক অনুশাষনে যাপিত জীবন, অথচ চিন্তায়-চেতনায়, আদর্শে, মতাদর্শে বহু যোজন দুরত্ব। একজন প্রথাগত সংস্কারাবদ্ধ, ধর্মীয় অনুশাষনে অত্যন্ত কনজার্বেটিভ অন্যজজন যুক্তি শাস্ত্রের ধারক। সংস্কার, ধর্ম, সামাজিক রীতিনীতি সর্বক্ষেত্রে যুক্তির প্রাধান্যে বিশ্বাসী। এর থেকে এটাই প্রতীয়মান যে, প্রতিটি মানুষই সাতন্ত্র সংস্কার দ্বারা গঠিত।

ইসলামের বিধান: দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই হারাম , কারন ইসলাম হলো Death Cult


ইসলামের বিধান অনুযায়ী, এই দুনিয়া দুই দিনের জন্যে পরীক্ষা ক্ষেত্র মাত্র। মরার পরের জগতই আসল। দুই দিনের দুনিয়াতে থাকার সময় যেসব নেক কাম কাজ মুমিন বান্দারা করবে, যাকে বলে পরীক্ষা , তার ভিত্তিতে কেয়ামতের মাঠে বিচার হবে , যারা পাশ করবে , তারা সোজা বেহেস্তে চলে যাবে। দুনিয়াতে সেই পরীক্ষা দিতে হলে অনেকগুলো কাজ করা যাবে না , যাকে হারাম বলা হয়েছে। সেইসব হারাম কাজের ভিত্তিতে বিচার করলে দেখা যায়, দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই একটা মহা হারাম কাজ।

ধার্মিক ও অসাম্প্রদায়িক : পারষ্পরিক সম্পর্ক


ধার্মিকতা এবং অসাম্প্রদায়িকতা একসাথে যায়না। এই থিসিসটা শুনতে খারাপ এবং ভাবতে নির্বোধের মতো মনে হয় অনেকের কাছে। তবুও একবার ভেবে দেখা যাক।

তার আগে একটা কথা বলে রাখি।কলহপ্রিয় মানুষেরা বলেন যে ধর্ম বলতে বোঝায় কোন কিছুর অর্ন্তগত বৈশিষ্ট্য। যেমন আগুনের ধর্ম উত্তাপ, বাতাসের ধর্ম প্রবাহমানতা ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের জন্য জ্ঞাতব্য হচ্ছে পদার্থের বৈশিষ্ট্য (Properties) আর মানুষ কর্তৃক মান্য সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাকেন্দ্রিক ধর্ম (religion) - এ দুটোকে একসাথে গোলাবেন না। যদি না গোলান তাহলে পরের কথায় আসি।

কুরআন অনলি: (৮) কুরআানে অবিশ্বাস ও তার কারণ!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার আল্লাহর রেফারেন্সে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ব্যাপী (৬১০সাল- ৬৩২ সাল) যে বানীগুলো প্রচার করেছিলেন তার এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, একই বাক্য বা বিষয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বার বার উপস্থাপন করা। তিনি তার জবানবন্দি ‘কুরআনে’ ঘোষণা দিয়েছেন যে, অবিশ্বাসীরা তার দাবীকে নাকচ করতেন এই অভিযোগে যে তিনি যা প্রচার করছেন তা তাদের কাছে ‘পূর্ববর্তীদের কিচ্ছা-কাহিনী ও উপকথা বৈ আর কিছু নয়।’

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর