নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

ইসলামই হলো মুসলমানদের সব সমস্যার মূল


ইসলাম নিজেই এমন এক অপরিস্কার , বিভ্রান্তিময়, স্ববিরোধী আদর্শ ও বিধি বিধানের সমাহার , যার দ্বারা মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে , নিজেদের মধ্যেই বিবাদ বিস্বম্বাদ ঘটায় ও পরিশেষে নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে , যা পরিশেষে মুসলমানদেরকে একটা বর্বর, অসভ্য ও জঙ্গি জাতিতে পরিনত করে।

ড: জাফর ইকবাল একজন ভাল মানুষ কিন্তু ভাল মুসলমান নন


ড: জাফর ইকবাল ব্যাক্তিগতভাবে একজন ভাল মানুষ,কিন্তু মুক্তমনের কারনে , ইসলামের সমালোচনা সহ নবীদের নিয়ে ব্যঙ্গ করার কারনে তিনি কোনভাবেই একজন ভাল মুসলমান না। ইসলামের দৃষ্টিতে তিনি মুনাফিক এবং মুনাফিকের শাস্তি যে মৃত্যুদন্ড সেটা সবাই জানে। পক্ষান্তরে, ফয়জুল একজন খাটি মুমিন, যে কোরান হাদিসের বিধান অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে , আর সেই কারনেই সে ড: জাফর ইকবালকে হত্যা করতে চেয়েছে, যার অর্থ সে একজন ভাল মুসলমান, কিন্তু যারা ইসলামের প্রকৃত স্বরূপ জানে না , তাদের কাছে সে একজন হত্যাকারী তথা খারাপ মানুষ।

ড: জাফর ইকবালের ওপর আক্রমন: ইহার সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নাই


৩রা মার্চ'১৮ তারিখে বাংলাদেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবি ও অধ্যাপক ড: জাফর ইকবালকে হত্যার জন্যে এক খাটি ইমানদার বান্দা আক্রমন করেছে। সেই বান্দাকে ঘটনা স্থলে ধরা হয়েছে , দেখলেই বোঝা যায় , সে একজন খাটি মুমিন যে কোনদিন তার দাড়ি কামায় নি। সবাই এটাকে জঙ্গি আক্রমন বলে চালিয়ে দিচ্ছে। ভাবখানা , এই যুবকটা জঙ্গল থেকে এসে জাফর ইকবালের মাথায় কোপ বসিয়েছে।তাই এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। অনেকে আগ বাড়িয়েই হয়ত বলতে পারে , কোরান হাদিসের কোথায় বলেছে যে সিলেটে ড: জাফর ইকবালকে আক্রমন করে হত্যা করতে হবে ?

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৮) ‘আল্লাহর’ হীনমন্যতা ও পাশবিকতা!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার স্ব-রচিত জবানবন্দি কুরআনে তার বশ্যতা অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে বার বার ঘোষণা করেছেন যে অবিশ্বাসীদের বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করার পিছনের যে সত্তা ও শয়তানের যাবতীয় অপকর্মের পেছনের যিনি গডফাদার, তিনি হলেন ‘আল্লাহ' স্বয়ং; যার বিস্তারিত আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে। তিনি আরও দাবী করেছেন যে, তার আল্লাহ স্বয়ং অবিশ্বাসীদের কানে-চোখে-মনে "সিল-মোহর" মেরে বিশ্বাসী হওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেন ও তাঁদের অভিসম্পাত ও ধ্বংস কামনা করেন!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

স্বয়ং আল্লাহ অবিশ্বাসীদের অন্তর-কর্ণ-চক্ষুর ওপর মোহর মেরে করেন বিকলাঙ্গ:

শয়তানের স্রষ্টা যদি ঈশ্বর হয়, তবে ঈশ্বরের স্রষ্টা কে?


“ঈশ্বর থাকেন ঐ গ্রামে ভদ্র পল্লীতে” যদি ভুল না করে থাকি কথাটা সম্ভবত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন। ছেলে বেলা কথাটা পড়ে ভেবে ছিলাম ঈশ্বর কি তাইলে অভদ্রদের মাঝে থাকবে? তাই কি হয় নাকি। আমরা তো সারাদিনই পরিবার থেকে শুনি অভদ্রদের সাথে না মিশতে। কিন্তু তখন বুঝিনি সেই অভদ্র আসলে আমরাই যাদের মাঝে ঈশ্বর থাকেন না। তবু আমরা কি অবলীলায় তার আরাধনা করে যাই। আহা ঈশ্বর অভদ্রদের ছোঁয়ার ভয়ে গুটিয়ে শুটিয়ে থাকতে হয় ভদ্রদের বলয়ে।

বাংলাদেশে ইসলামী জলসাকেন্দ্রিক আন্তঃগোষ্ঠীয় ঘৃণা ও বিভেদের চর্চা।


সিলেটের জৈন্তাপুরে গত সোমবার ৪৫টি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া কোন হঠাত ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। সেখানে ধর্মীয় জলসা চলাকালে বক্তা গোষ্ঠিভিত্তিক ঘৃণা ছড়াচ্ছিলেন। স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই ঘৃণা মানতে না পেরে জলসার উপর চড়াও হয় এবং মারামারির এক পর্যায়ে এক কিশোর নিহত হয়। আহত হয় পঞ্চাশ জনের উপর মানুষ। সিলেট থেকে র্যাব গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনে। স্থানীয় এবং জাতীয় দৈনিকে এই খবর প্রকাশিত হয়। এরকম ঘটনা প্রায় দেড়শো বছর থেকে ঘটে আসছে। শীতকাল বা রোজা এলে মুসলিম পাড়াগুলোতে বিশাল জলসার আয়োজন করা হতো।

ধর্ম কি শুধুই আমাদের পৃথিবী বা সৌরজগত কেন্দ্রিক ?


প্রায় সব ধর্মেই যত তীর্থস্থান বা যত ধর্মীয় ঘটনা ধর্মীয় কাহিনী আছে প্রতিটাই পৃথিবী বা সৌরজগত কেন্দ্রিক। যেখানে এই মহাবিশ্বে পৃথিবী একটা সরষে দানার লক্ষ ভাগেরও সমান নয়

তবেকি ঈশ্বরের আধিপত্য শুধুই পৃথিবী বা সৌরজগতের উপর ?
তবেকি ঈশ্বর শুধুই পৃথিবী কেন্দ্রিক ?

ইশ্বর থাকেন ঐ ভদ্র পল্লিতে!


ইশ্বর থাকেন ঐ ভদ্র পল্লিতে, এইখানে এই বিপন্ন মানবতার মাঝে তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বিশ্বব্যাপী মানুষ আর মানবতা হত্যার সব থেকে বড় অস্ত্র হচ্ছে ধর্ম! এই হন্তারকের তালিকায় ইসলাম ধর্মের নাম সবার উপরে থাকলেও পিছিয়ে নেই দুনিয়ার তাবত ধর্মসমুহও!

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে এ যাবত মানবসৃষ্ট যত মানবতার হত্যার ঘটনা ঘটেছে, তার পেছনে সব থেকে বেশি ভুমিকা রেখেছে "ধর্ম"! কারো ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগার সম্ভাবনায় ইতিহাসের চুলছেড়া বিশ্লেষণ যদি নাও করি, যদি শুধু মাত্র বিশ্বব্যাপী ঘটে যাওয়া অতি সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্বক ঘটনা সমুহের উপরও ফোকাস করি, তাহলেও আমার উপরের কথাটির সত্যতা মেলে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর