নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

ইসলাম ধর্মে কোন জবর দস্তি নেই, কারন যুদ্ধ , খুন এসব কোন জবর দস্তি না, এটা হলো জিহাদ


ইসলাম হলো চুড়ান্ত শান্তির ধর্ম। আর সেটা অর্জন করতে হলে যুদ্ধ , তরবারি চালাতে হবে , অমুসলিমদের কণ্ঠ রোধ করে তাদেরকে ইসলামের পতাকাতলে আসতে বাধ্য করতে হবে , আর তাহলেই অর্জিত হবে চুড়ান্ত শান্তি। যেমন কোরানে বলেছে ---

মুহাম্মদকে কি ডাকাত দলের সর্দার বলা যাবে?।


মুহাম্মদ সম্পর্কে কেউ, কোন সমালোচনামূলক বক্তব্য দেয়া মাত্রই মুমিনরা সেটাকে ইসলামের অবমাননা বলে অভিহিত করে থাকে। কিন্তু একটা ডাকাত বা চোর বা লুইচ্চাকে যদি ডাকাত বা চোর বা লুইচ্চা বললে সেটা কিভাবে সেই লোককে অপমান করা হলো? সাধারনত: সমাজে হয়ত আমরা সেটা করি না, কিন্তু কেউ যদি নিজে ডাকাত সর্দার হয়ে পরে দাবী করে, সে হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ, তখন কি তাকে ডাকাত সর্দার বলা যাবে না? এবার দেখা যাক, মুহাম্মদ ডাকাত সর্দার ছিলেন কি না।

ভগবান শ্রী শ্রী আল্লা রক্ষা রহমান ....!


আমার খোদা পিয়ানো বাজায়। আমার প্রফেট, পয়গম্বর, ভগবান ধর্মসূত্রে একজন মুসলমান। তবে নিজের ধর্ম, ব্রাদারহুড আছে। যেরকম লেননের ছিল, সুমনের আছে, ফেলিনি, গদার, কামুর আছে। এদের শেষাংশ অবধি থেকে যাবে চ্যালা চামুণ্ডা হয়ে, যতদিন সুর আছে, শব্দ আছে, মনের কোনে শিল্প আছে, বোধ আছে। যুদ্ধের বদলে গোলাপফুল আছে কুচকাওয়াজ এ। দ্রোহের হাতিয়ার আছে সুর। ক্রিসেন্ডো।

ছোটবেলায় মাথাটা বিগড়ে দিয়েছিল রোজা। তারপর বম্বে,রঙ্গীলা, হামসে হ্যায় মুকাবলা, দিল সে, তাল...... রোমহর্ষক ছেলেবেলা। রহমানি মূর্ছনা।

জাহান্নাম তুমি কার?


আল্লাহ বা ঈশ্বর আছে বা নেই এই নিয়ে তো বিতর্কের শেষ নেই।যেদিন থেকে ঈশ্বর বা আল্লাহ নামক কন্সেপ্টের উদ্ভব হয়েছে সেদিন থেকে এই বিতর্ক চলে আসছে। সবাই যে যার পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছে। এটা চলতে থাকবে সেই দিন পর্যন্ত যেদিন না ঈশ্বরের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায় কিংবা সবাই সর্বসম্মতিক্রমে ঈশ্বরকে মেনে নেয়। কিন্তু সমস্যা টা এই জায়াগাতেই। কারণ যারা ঈশ্বরবাদী তারা তাদের অবস্থানে অটল তারা কোনভাবেই যুক্তি বা বিজ্ঞানকে মানতেই পারে না। তারা গোজামিল দিয়ে হলেও বোঝানোর চেষ্টা করে ঈশ্বর বিরাজমান।এই পৃথিবীতে হাজারের ও অধিক ঈশ্বর আছেন আর লক্ষের ও বেশী ঈশ্বরের অবতার বা পয়গাম্বর আছেন। যেহেতু ইসলাম বর্তমান সময়ের আলোচিত এব

কুরআন অনলি: (১০) নবুয়তের প্রমাণ দাবী - প্রতিক্রিয়া? - এক


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) আল্লাহর রেফারেন্সে তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে যে ৬২৩৬টি বাক্য বর্ষণ করেছিলেন, তার কমপক্ষে ১২৬০টি শুধুই পুরাকালের উপকথা। অর্থাৎ, 'কুরআনে' মুহাম্মদের প্রতি পাঁচ-টি বাক্যের একটি হলো (২০.২%) শুধুই পুরাকালের নবীদের কিচ্ছা-কাহিনী সম্বন্ধীয়; যার বিস্তারিত আলোচনা 'কুরআনে অবিশ্বাস ও তার কারণ (পর্ব-৮)' পর্বে করা হয়েছে!এই কিচ্ছা-কাহিনীগুলো প্রচারের সময় মুহাম্মদ বারংবার পৌরাণিক নবীদের অলৌকিক কর্মকাণ্ডের ('মোজেজা’) উপাখ্যান অবিশ্বাসীদের স্মরণ করিয়ে দিতেন। অতঃপর দাবী করতেন যে তিনিও তাদের মতই

নারীকে বেধড়ক পিটানোর মধ্যেই আছে নারীর প্রতি মহা সম্মান দেখানোর তরিকা



মোল্লা মৌলভিরা ওয়াজ , টিভি সর্বত্র একটা বানী খুব প্রচার করে , তা হলো ইসলাম নারীকে দিয়েছে মহা সম্মান। মোল্লারা বলে - হাদিসে আছে ,মা- এর পায়ের নীচে সন্তানের বেহেস্ত। । কিন্তু তারা এটা বলে না স্বামীর কাছে নারীর অবস্থা কি। কোরান বা হাদিস উভয়ই বলেছে , স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে মারধর করার মধ্যেই আছে নারীর প্রতি মহা সম্মান দেখানোর তরিকা। এ বিষয়ে কিঞ্চিত বর্ননা করা হবে।

কুকুরকে বুদ্ধিমান বানান যেতে পারে , কিন্তু মুসলমানকে মানুষ বানান সম্ভব না


বেশ কিছু অভিজ্ঞতার পর আমার মনে হয়েছে , বরং কুকুরকে প্রশিক্ষন দিলে সে বুদ্ধিমান হতে পারে , কিন্তু কোনভাবেই মুসলমানদেরকে মানুষ বানান সম্ভব না।মানুষ তাকেই বলে যে যুক্তি ও প্রমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। সেই কারনেই মানুষকে বুদ্ধিমান জীব বলা হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে , মুসলমানরা কোনভাবেই যুক্তি ও প্রমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে রাজী না। তার মানে তারা কোন ভাবেই মানুষ হতে রাজী না। দুই একটা ঘটনার প্রেক্ষিতে বিষয়টা ব্যখ্যা করব।

ইমাম মাহাদী তত্ত্ব: পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ


মিশরের মসজিদে যারা বোমা মেরে ৩০৫ জন মুসল্লিকে (এরমধ্যে ২৭টি শিশু ছিলো) হত্যা করেছে তারা সবাই কথিত ইমাম মাহাদীর বাইয়াত প্রত্যাশী মুমিন ছিলো। যে নৃশংসতা তারা ঘটিয়েছে তাতে তারা বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয়। কারণ তারা জানে ইমাম মাহদীর বাইয়াত প্রত্যাশী আল্লার সৈনিকদের নৃসংশতার উদাহরণ হিসেবে পবিত্র গ্রন্থে বলা হয়েছে তাদের ঘোড়ার সিনা পর্যন্ত রক্তে ডুবন্ত থাকবে(মাজমাউজ জাওয়াইদ)। কি পর্যন্ত মানুষ হত্যা করলে ঘোড়ার সিনা পর্যন্ত রক্ত ডুবন্ত থাকে অনুমান করুন…।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর