নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

ইসলামে সন্তান দত্তক নেওয়া কেন কুফরী এবং হারাম !?!


বাংলাদেশে কোন শিশুকে অ্যাডপ্শন বা দত্তক নেওয়ার বিষয়ে কোন আইন না থাকলেও দত্তক বা সন্তান পালক নেওয়ার বিষয়টি থেমে নেই এবং দীর্ঘকাল ধরেই নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে কম-বেশী শিশু সন্তান দত্তক নেওয়া হয়ে থাকে।তবে বাংলাদেশে দত্তক নেয়া ব্যাপারটা খুব একটা প্রচলিত নয়। সামাজিক, ধর্মীয় কিংবা স্রেফ পারিবারিক কারণে অনেকেই দত্তক নেয়ার কথা ভাবেন না।তারমধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হবার কারণে ধর্মীয় জটিলতাও রয়েছে।কারণ ইসলামে সন্তান দত্তক নিতে পারলেও দত্তককারী ব্যক্তি তাকে পিতৃ/মাতৃ পরিচয় দিতে পারবেনা এবং কি দত্তক সন্তান কোন ধরনের উত্তরাধিকারীও হতে পারবেনা ইসলাম ধর্মের রিতী অনুযায়ী।

আকায়েদ উল্লাহর কর্মকান্ডের সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নেই বা সে এ কাজ করতই পারে না


যখনই কোন মুসলমান আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে , ইহুদি নাসারা কাফেরদের হত্যা করার জন্যে বোমা ফাটায় বা গাড়ি চালিয়ে দেয় বা গুলি করে, তখনই এক শ্রেনীর মুসলমানরা দাবী করে , সেই লোকের কাজের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই , আর সেই লোক মুসলমান না। সম্প্রতি আকায়েদ উল্লাহ নামের এক বাংলাদেশ বংশোদ্ভুত যুবক আমেরিকার নিউইয়র্কে আত্মঘাতী বোমা হামলা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে , সাথে সাথেই বলা শুরু হয়েছে , তার কাজের সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই , তার আত্মীয় স্বজন অবশ্য বলছে - সে একাজ করতেই পারে না। কারন সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত।

কুরআন অনলি: (১১) নবুয়তের প্রমাণ দাবী - প্রতিক্রিয়া? – দুই


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে তার চারিপাশের মানুষদের উদ্দেশ্যে পূর্ববর্তী নবীদের যে অলৌকিক কিচ্ছা-কাহিনীগুলো প্রচার করতেন, তার সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যখন অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে তার নবুয়তের প্রমাণ স্বরূপ তাদেরই মত কোন 'অলৌকিকত্ব (মোজেজা)' হাজির করতে বলেছিলেন; তখন তিনি তাদেরকে কীরূপ অপ্রাসঙ্গিক জবাব, অজুহাত, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, হুমকি-শাসানী ও ভীতি প্রদর্শন করেছিলেন, তার আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদের নিজস্ব জবানবন্দির আলোকে আমরা আরও জানতে পারি, অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে শুধু যে পূর্ববর্তী নবীদেরই অনুরূপ কোন প্রমাণ হাজির করতে বলেছিলেন তাইই

ওদের চোখে চোখ রাখতে পারছি না। ধর্মসূত্রে আমিও যে হিন্দু...!!!


খুব গা গুলোচ্ছে। অস্বস্তি হচ্ছে সারা শরীরে।আজকের পর কিছুতেই ফিরোজ, সাবরিনা, ইলিয়াস, আয়েশার চোখে চোখ রাখতে পারছিনা। কিছুতেই তাকাতে পারছিনা ওদের দিকে।

ইসলাম নারীদেরকে কুত্তা ও শয়তানের সমান বলে নারীকে দিয়েছে সুমহান মর্যাদা


বিধি বিধান দ্বারা ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীকে চুড়ান্তভাবে অপমান করেছে। অন্য কোন ধর্মে নারীকে বিধি বিধান দিয়ে অপমান করে নাই, বরং সামাজিকভাবে তাদেরকে নানারকম ভাবে অপমান করা হয় যার সাথে তাদের ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। সেই কারনেই অমুসলিম সমাজে রাষ্ট্র আইন করে নারীদের নানা ধরনের অধিকার বাস্তবায়ন করলে ধর্ম সেখানে বাধা হয়ে দাড়ায় না।সেখানে ইসলাম নারীকে পুরুষের অর্ধেক , নারীরা শয়তান ও কুত্তার সমান ইত্যাদি বলে চুড়ান্ত অপমান করেছে।

কিতাবে নারীর মাহাত্ম্য কার্যতঃ পুরুষের কর্তৃত্ব


ইসলামী চিন্তাবিদ, মোল্লা মৌলবিরা সারাক্ষন প্রচার করে, ইসলামই নারীকে সর্বোচ্চ সম্মান দেখিয়েছে, আর তার সমর্থনে তারা দেখায় একটা হাদিস যাতে বলা আছে - মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেস্ত। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে , সন্তানের সাথে মায়ের সম্পর্ক নারীর সম্মানের মাপকাঠি না , স্বামী বা ভাই এর সাথে স্ত্রী বা বোনের সম্পর্কটাই হলো নারীর সম্মানের মাপকাঠি। দুনিয়ার সব ধর্মেই মা- এর স্থান সন্তানের কাছে অতি উচ্চে। তবে নারীকে প্রহার করা যদি সম্মান দেখানোর মাপকাঠি হয়, তাহলে ইসলাম এক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই নারীকে মহা সম্মান দেখিয়েছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর