নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

কাবুলি ড্রেস কি সুন্নতি পোশাক ? সুন্নতি পোশাক আসলে কি?



অনেকেই জেনে বা না জেনে বিবিধ কথা বলে ইসলাম সম্পর্কে। মানে যে যেভাবে বোঝে। যেমন বাংলাদেশের অধিকাংশ ধর্মভিরু লোক আফগানিস্তানের কাবুলি ড্রেসকে [যা পরে তারা পপি চাষের কাজও করে, ছবি সংযুক্ত] সুন্নতি ড্রেস বলে চালায়, যদিও আরব দেশের কেউই ঐ পোশাক পরে না, নবীও পরেননি। তাহলে সুন্নতি পোশাক কি? ইসলামের নবী যে পোশাক পছন্দ করতেন বা অধিকাংশ সময় পরতেন তা কি সুন্নতি? তাহলে দেখি সে কি করতেন?
:

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২১) মুহাম্মদ এর আল্লাহর বৈশিষ্ট্য - তিন


ইসলাম নামক মতবাদের একান্ত প্রাথমিক ও অত্যাবশ্যকীয় শর্ত হলো "বিশ্বাস (ইমান)!" মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস। ইসলামের এই প্রাথমিক ও অত্যাবশ্যকীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী যে-ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠী স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদের (সাঃ) ও তার প্রচারিত বাণী ও মতবাদে বিশ্বাসী নয়, তাঁরাই বিপথগামী, লাঞ্ছিত, পথভ্রষ্ট এবং অনন্ত শাস্তির যোগ্য। মুহাম্মদ তার স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানস জীবনীগ্রন্থ (Psycho-biography) কুরআনে অত্যন্ত দ্ব্যর্থ-হীন ভাষায় অসংখ্যবার বিভিন্নভাবে তা ঘোষণা করেছেন ।

বিষাক্ত রাজনীতি:- পঞ্চম পর্ব-


বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির বিতর্কটি বহু পুরানো। এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি হল বাবরের সেনাপতি মীর বাকি খান 1528 খৃষ্টাব্দে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন। তবে কট্টরপন্থী হিন্দুদের দাবি ছিল ওই স্থানে আগে একটি মন্দির ছিল যা ভগবান রামচন্দ্রের জন্মস্থান। কট্টরপন্থী হিন্দুদের আরও দাবি হল- বাবরের সেনাপতি মীর বাকি খান রাম মন্দির ধ্বংস করেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। ঐতিহাসিক রেকর্ড থেকে জানা যায় 1853 সালে ওই স্থানটি নিয়ে প্রথম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। 1885 সালে মহান্ত রঘুবর দাস প্রথম এই মন্দির নিয়ে মামলা করেন কিন্তু তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার ও ফৈজাবাদ আদালত মনে করেন প্রায় 356 বছর আগের ঘটনা নিয়ে রায় দেওয়া ঠি

ইহা সহীহ হিন্দুত্ব নহে !


ভারতে ইদানীং ‘জয় শ্রীরাম’ শব্দটা বেশ শোনা যাচ্ছে। ক্রমেই ধর্মান্ধতা চেপে বসছে ভারতের ঘাড়ে। পাকিস্তানের ক্রমাগত ধর্মীয় সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ ভারতবাসীর কাছে হিন্দুত্বের শান্তির বার্তা বিতরণ করছে অারএসএস, শিবসেনা, বিজেপি ও বজরং দল।
রাস্তাঘাট, খোলামাঠ, পরিবহন প্রভৃতি স্থানে হাঁটতে গেলে মাঝেমধ্যে কানে অাসে ‘জয় শ্রীরাম’ নামক শান্তিবাণী (?), যা ক্রমেই খাচ্ছে ভারতীয়দের মননশীলতা ও সৃজনশীলতা।

১৪ গুষ্টির উপাধির পদবি এবং বৈষম্য!


দেশের পরিচয়ে আমাদের সকলের পরিচয় হোক। থাকবে না বনেদি কিংবা কুলীনপনার দম্ভ, থাকবে না অন্ত্যজদের কুঁকড়ে যাওয়া, ন্যূব্জ হওয়া। মানুষের পরিচয় শুধুই মানুষ। ভেবে দেখুন সকলেরই ধর্মহীন, জাতপাতহীন একটা পদবি হলে মন্দ হবে

আজান


আজান নিয়ে আমি আর কিছু বলতে চাইনা। তার কারন এই নয়, যে আমি সোনু নিগম নই, আর কিছু বলে পরে তার প্রায়াশ্চিত্য করার জন্যে মাথা ন্যাড়া করতে হবে। আমি সাধারন মানুষ, ফেইজবুকিং করে আমার মত কিছু মানবসন্তানের সাথে বেকার সময় কাটাই। তার পরেও, আজান, নামাজ, হজ, জাকাত, কালেমা ইত্যাদি নিয়ে কিছু সোজাসাপ্টা কথা বলায় আমার পাঁচহাজার বন্ধুসহ দশ বছরের পুরাতন একটা একাউন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। সেইসাথে ধর্ম-কর্ম ছাড়াই প্রচুর আধ্যাত্মিক, ইহজাগতিক এবং পারলৌকিক গুরুত্বপূর্ন বিষয় সংক্রান্ত কিছু গভীর চিন্তাভাবনা আর উদ্বেগের কথাবার্তাও হারিয়ে গেছে, সম্ভবত চিরতরে। আমি নতুন একাউন্ট খোলা নিয়ে চিন্তিত না। লেখা হারানোর ভয়ও আর পাইনা। ত

চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সাথে ঢাবি উপাচার্য্যের বাসভবন আক্রমনের সম্পর্ক কি ?


বাংলাদেশে সরকারী চাকুরীতে ৫৫% কোটা সংরক্ষিত। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান , উপজাতি ইত্যাদির জন্যে এই কোটা। এর ফলে বিশাল সংখ্যক সাধারন ছাত্র/ছাত্রী চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে , সেটা ঠিক। এর জন্যে আন্দোলনও বে আইনি নয়। কিন্তু ----

“ধর্ম আর ধর্মীয় সঙ্ঘাতের কারনে ইতিহাসের বিখ্যাত প্রচীন মানব সভ্যতাগুলো ধ্বংস হয়েছে।”


ধর্ম যখন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লালিত হয় তখন তা দানবের রূপ নেয় এবং এক সময় ধ্বংস হয় সেই রাষ্ট্র ব্যবস্থা, উদাহরণতো আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে। পৃথিবীতে মানব মুক্তি মিলবেনা ততোদিন যতোদিন ধর্মের নীল নকশার চাবিকাঠি ধুঁয়ে-মুঁছে মানব সমাজে মানবতাবাদের পরম সত্য ও যুগপোযোগী প্রচার ও প্রসার করা হবে না।

মহিদুল্লার অত্যাশ্চর্য ভ্রমন


শীতের শেষদিকে শ্যালকের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শশুরবাড়ি গেছিলাম। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ঘুমও ভেঙ্গে গেল। ব্লাডারের চাপ। টয়লেট মূলবাড়ির উঠান পেরিয়ে আরেক কোনে। উঠানে নেমে সদর দরজার দিকে তাকিয়ে দেখি, একি! সদর দরজা হাট করে খোলা! এরকমতো হওয়ার কথা না! দরজার বাইরে তাকিকে দেখি আরেক আশ্চর্য জিনিষ। সিকিউরিটি চেক করার লাল বাতি জ্বালানো লাঠিগুলির মত, হালকা নীল একটা লাঠি জ্বলতেছে, আবার নাড়াচাড়াও করতেছে। বিষয় কি! কে ওখানে? দরজার দিকে এগুতেই দেখি সেই লাঠি নাড়াচাড়া করতেছে এক আলখাল্লাধারী বৃদ্ধ। সে আমাকে সেই জ্বলন্ত লাঠি নাড়ায়ে কাছে ডাকল। আমি এগিয়ে গেলাম।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর