নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

ইসলাম কি হত্যা সমর্থন করে ?


বিশ্ব ব্যাপি ধর্মীয় হত্যা কান্ড বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলাম কি হত্যা সমর্থন করে ? অনেকে নিজ নিজ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষয়টা নিজের মত করে ব্যাখ্যা করছেন। অন্যান্য ধর্নের মত ইসলামেও বিভিন্ন মতবাদ ও দর্শন রয়েছে। তাই সবাই নিজের সুবিধে মত ধর্ম যুদ্ধ বা জিহাদ বা কিতাল বা হত্যা করাকে উপস্থাপন করছেন।

আধুনিক ইসলামিসটরা সরাসরি বলেন ইসলাম বা কোরআন হত্যা সমর্থন করে না। আবার অনেকে ইনিয়ে বিনিয়ে স্বীকার করলেও সেটাকে ১৪০০ বছর আগের জন্য প্রযোজ্য বলে যুক্তি তুলে ধরেন।

জঙ্গির আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢাললে লাভ হবে?


এই দেশে বর্তমানে জঙ্গিদের আগা কেটে গোড়ায় নিয়মিত পানি ঢালা হচ্ছে। এই কথাটি শোনামাত্র হয়তো কেউ-কেউ রাগান্বিত হতে পারেন। আবার অনেকেই সমর্থনও করবেন—এও জানি। আমাদের দেশে বর্তমানে জঙ্গিদমনের নামে মাঝে-মাঝে বিভিন্নরকমের বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়। আর এতে মাঝে-মাঝে দেখি দুই-চারজন জঙ্গি ক্রসফায়ারে মারাও যাচ্ছে। আসলে, এগুলো জঙ্গিদমনের নামে এই দেশে আগাছার মতো গজিয়ে ওঠা জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষের সামান্য কয়েকটি আগা বা ডালপালা কেটে এর গোড়ায় পানি ঢালা। এভাবে, মাঝে-মাঝে দুই-চারজন জঙ্গি মারলেই জঙ্গিদমন হয় না। এজন্য দেশের ভিতরে জঙ্গিউৎপাদনে সমস্ত বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে বা এই বিষবৃক্ষ শিকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলতে হবে। আসুন, আমরা এবার এই দেশের জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষগুলোকে চিনে নিই।
বাংলাদেশে জঙ্গি নামক জঙ্গিউৎপাদনকারী-বিষবৃক্ষের শিকড়গুলো হচ্ছে—

একজন মুসলমান জঙ্গি হতে পারেনা?


শুরুটা হয়েছিল রাজীব হায়দারকে হত্যার মধ্য দিয়ে। সেটা ২০১৩ সালের কথা। এর পর পর্যায়ক্রমে ঘটতে থাকে ধর্মের দোহাই দিয়ে হত্যাকান্ড। ব্লগার, মুক্তচিন্তাবিদ, পুরোহিত, চার্চের ফাদার, স্কুল শিক্ষক; শেষ পর্যন্ত বাদ যায়নি মসজিদের ইমাম। তখন, অনেকেই যুক্তি দিয়েছে যে, ধর্ম নিয়ে লেখালেখি করলে এমনি হবে। তাদের হত্যা করা ঠিক বলেও অনেকে ফতোয়া দিয়েছেন।

বাংলাদেশ কি তবে একটি জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে?


প্রত্যেকটা হামলার পরেই অনেক মডারেট মুসলমান কিবোর্ড যোদ্ধা হিসেবে হাজির হয়ে যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে। ”ইসলাম শান্তির ধর্ম”, ” ইসলাম এইসব সাপোর্ট করেনা”, ”জঙ্গীরা মুসলিম নয়”, ” এগুলি ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র” ইত্যাদি ইত্যাদি লিখে মাখিয়ে ফেলেন। কেউ কেউ মনে করেন কোন ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্যেই এগুলি কোন সাজানো নাটক। এগুলি লিখে মনের শান্তিতে ইসলামকে রক্ষা করে ফেলেছেন ভেবে শান্তিতে ঘুমাতে যান। তবুও কোনভাবেই ধর্মের দোষ দেয়া যাবে না।

নিধার্মিকের কোরআন পাঠ!-১২


সূরা আত-তাহরীম:5 - যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী।
# নবীর গৃহকোন্দল, তালাক, বহুবিবাহ, এসব জেনে মানুষের কি লাভ?

বাংলাদেশে মানব-ইতিহাসের নিকৃষ্ট, নির্লজ্জ ও ঘৃণ্যপন্থায় ইয়াবাপাচার (নারীর যৌনাঙ্গে ইয়াবাপাচারের ভিডিওলিংকসহ)


দেশের বইবিমুখ-যুবসমাজ এমনিতে আজ রসাতলে যেতে বসেছে। তার উপরে নতুন করে আঘাত হেনেছে জীবনীশক্তিধ্বংসকারী এই ইয়াবা। এর ছোবলে দেশের যুবসমাজ ধীরে-ধীরে অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যেতে বসেছে। আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষাবাহিনী অনেক ইয়াবা-ব্যবসায়ীকে মাঝে-মাঝে গ্রেফতার করছে। কিন্তু এতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সবসময় সম্পূর্ণ ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে একটি প্রভাবশালীচক্র—গডফাদারগোষ্ঠী। এবার এদের গ্রেফতার করতে হবে।

ধর্মানুভূতি কারে কয়?


এই উপমহাদেশের লোকের ধর্মানুভূতি এত প্রবল কেন? বড় অদ্ভুত অদ্ভুত কারণে তাদের ধর্মানুভূতি খাড়া হয়, আবার কখনও কখনও কিছুতেই খাড়া হয় না। অনেকটা কিছু পুরুষের sexual appetite এর মত। কখনও অতীব সুন্দরী নারী দেখলেও তার যৌনাকাঙ্ক্ষা জাগে না, আবার রাস্তাঘাটে জরিনা-ছখিনারে দেখলেই দাড়ায়ে যায়!

হেরা গুহার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া


পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী, মুমিনদের প্রিয় নবী, আল্লাহর রাসুল হুজুরে পাক হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল হেরা গুহায় ধ্যান শুরু করা । যার ফলশ্রুতিতে নতুন আরেকটি আব্রাহামিক ধর্মের গোড়াপত্তন এবং সাথে সাথে তার জীবনে নিয়ে আসে ব্যাপক ভিত্তিগত পরিবর্তন। যেটা প্রবর্তিতে অনেকের কাছে তাকে একজন ভণ্ড, প্রতারক, ধর্ষক, যুদ্ধবাজ, লুটেরা এবং নারীলিপ্সু ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

প্রচারণা পর্যালোচনায় হেফাজত, জামাত শিবির ও ক্বওমী সম্পর্ক


জিহাদে (আসলে ওরা বোঝাচ্ছে ‘ক্বিতাল, খুন হত্যা, রক্তপাত”) উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কোন কোন ধরণের মানুষের বিরুদ্ধে; শাসক, যারা নবী ও রাসুলকে অর্ধেক মানে অর্ধেক অন্য জাতির বৈশিষ্ট্যে চলে-সিভিল সোসাইটির অগ্রসর মানুষেরা যারা বাঙ্গালয়িনার পক্ষে, যারা নবী রাসুলকে বিদ্রুপ করে (ব্লগার, লেখক, এথেয়িস্ট, অনলাইন এ্যাকটিভিস্ট), যারা কাফের (ইবনে তাইমিয়াহ মতে), মুনাফেক (বিশ্বাসঘাতক, নিশ্চিতভাবেই ৭১ এ যারা বিশ্বাসঘাতকরূপে চিত্রিত হয়েছিল-আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতার সমর্থকগণ), এবং যারা শেরক করে (হেফাযত মতে হিন্দু তো বটেই বৈশাখ পালনকারী বাঙ্গালী মুসলিম পর্যন্ত শিরককারী,আল্লাহর সাথে প্রতিতুলনায় আর কাউকে ভজনা করা শিরক)।

ইসলাম কোন ধর্ম না , এটা একটা চুড়ান্ত একনায়ক তান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রদের ব্রেইন ওয়াশ


যারা ইসলাম জানে , তারা কিন্তু কখনই বলে না ইসলাম শুধুই একটা ধর্ম। তারা দাবী করে ইসলাম একটা সম্পূর্ন জীবন ব্যবস্থা। ধর্ম ও সম্পূর্ন জীবন ব্যবস্থার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। কিন্তু কোরান হাদিস তাফসির সিরাত ও ইতিহাস পড়ে আমার মনে হয়েছে ইসলাম আসলে ধর্মের মোড়কে একটা চুড়ান্ত একনায়কতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা। যে ব্যবস্থায় নেই কোন গনতন্ত্র , বাক স্বাধীনতা , ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা। যে ব্যবস্থায় আছে শুধুই মুহাম্মদ কর্তৃক প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত সমাজ ব্যবস্থার সব রকম আচার আচরন , বিধি , নিষেধের প্রতি বিনা শর্তে , বিনা প্রশ্নে আত্মসমর্পন। আর সে কারনেই ইসলাম অর্থ হলো আত্মসমর্পন আর মুসলিম অর্থ হলো আত্মসমর্পনকারী।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর