নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

ধর্ম,রোহিঙ্গা এবং ইত্যাদি (২য় পর্ব)


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে হিটলার লক্ষ লক্ষ ইহুদি হত্যা করার পর কেউ ইহুদিদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনাই।কেউ সেদিন বলেনাই যে,তাদের হত্যা করা উচিৎ নয়,কেউ বলেনাই যে,তারা মানুষ। অমানবিক ভাবে জাতিগত নিধন কার্যে যখন হিটলার বাহিনী ইহুদিদের হত্যায় নেমেছিল, তখন অনেক মুসলিম দেশ প্রকাশ্যে অথবা পর্দার আড়ালে হিটলারকে সমর্থন করেছিল। ইহুদিদের করুণ অবস্থায় মুসলিমরা আনন্দ -উল্লাস করেছিল।

মানবতা কি খালি অমুসলিমদের দেখাতে হবে ? মুসলিমদের কোন মানবতাবোধ নেই ?


আই এস এর তান্ডবে যখন লক্ষ লক্ষ মুসলমান , ইয়াজিদি , খৃষ্টান বাড়ী ঘর ছেড়ে শরনার্থী হচ্ছিল , পাশের তুরস্কই প্রথমে তাদেরকে আশ্রয় দিতে চায় নি। পরে অবশ্য আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে দিয়েছে। সৌদি আরব , কুয়েত , কাতার ইত্যাদি আরব দেশের কেউই তাদেরকে আশ্রয় দেয় নি। যদিও ৯০%ই ছিল মুসলমান শরনার্থি। সেই মুসলমানদেরকে আশ্রয় দিয়েছে হাজার কিলোমিটার দুরত্বের ইহুদি নাসারা কাফেরদের দেশ জার্মানি , ফ্রান্স , ইতালি ইত্যাদি। ইহুদি নাসারা কাফেররাই তাদেরকে মানবতা দেখিয়েছে। মুসলমানরা মানবতা দেখায় নি।

বিবেকের চৌকাঠে ধর্মের তালা ঝুলছে!!


ঈশ্বরের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা ভাঙ্গা মূর্তি গুলোর নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা দেখে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়। সত্যি বলতে দেবদেবী গুলো কোনো নির্দিষ্ট শক্তির অধিকারী নয়, তা ধার্মিকরা একটু চিন্তা করলে বুঝতে পারে। তবে সেটা তারা মানতে রাজি না, মানবে বা কেন? ধর্ম মানে তো অন্ধবিশ্বাস,মনে হাজারটা প্রশ্ন জাগলেও প্রশ্ন করা যাবে না!

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : শেষ পর্ব


আমাদের সভ্যতার প্রাচীন মিথ গুলোতেও মাতৃগর্ভে প্রত্যাবর্তনের আকুলতা নানান ব্যঞ্জনায় রঞ্জিত হয়ে আছে। এই ব্যঞ্জনাই পরবর্তীতে আমাদের বিচিত্র আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নানান ভাষ্যে অনুরনন তুলে এসেছে যুগের পর যুগ। আনুমানিক ২০০০০০-৭৫০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দের প্রাগৈতিহাসিক নিয়াণ্ডারথাল মানুষদের ক্ষেত্রেও দেখছি তারা যখন কোন মৃতদেহ কবরস্থ করতো তখন কবরে সেই দেহ শুইয়ে দিত হাঁটু ভাঁজ করে প্রায় বুকে ঠেকিয়ে অবিকল ভ্রূনের ভঙ্গীতে। সেই কবরে বলির পশুর হাড়ের সাথে শুকনো ফুলের মালার অস্তিত্ব জানায় মৃত্যুপরবর্তী একটা পারলৌকিক জীবনের বোধ সেই আদিম যুগের মানুষের মধ্যেও ছিল। জন্ম অভিজ্ঞতার স্মৃতির তাড়নাতেই কি তারা ভেবেছিল মাত

কোরানের আল্লাহই আসলে শয়তান


প্রতিটা ধর্মে দেখা যায় , শুভ শক্তির আধার সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর , আর অপশক্তির আধার শয়তান বা এ জাতীয় কেউ। কোরানে সেই ইশ্বরকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এখন কোরান পড়লে আল্লাহর যে চরিত্র বা কাজ কর্ম দেখি , তাতে দ্ব্যর্থহীন ভাবে প্রমানিত হয় যে , এই আল্লাহই আসলে শয়তান। যেমন - আল্লাহ হবে ন্যায়বান , সমদর্শী , ন্যায় বিচারক , দয়ালু ইত্যাদি। কিন্তু কোরানের আল্লাহকে দেখা যায় , সে নির্মম নিষ্ঠুর কুটিল অনৈতিক এবং এমন কি অপরাধ কার্যক্রমের দোসর- যা আসলে শয়তানের বৈশিষ্ট্য হবে। নিচে বিভিন্ন পয়েন্ট দেখান হলো , কেন আল্লাহই আসলে শয়তান।

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : চতুর্থ পর্ব


মাতৃগর্ভের আকাঙ্খা ভারতীয় মিস্টিকদের ধারনায় যে ভাবে অধ্যাত্মবাদের রক্তমাংসে মূর্ত হয়ে উঠেছে তা অন্য ক্ষেত্রেও দুর্লভ নয়। আদিম সংস্কৃতিতেও আমরা ঠিক এই ভাবধারাকেই দানা বেঁধে উঠতে দেখি। আধ্যাত্মিক উপলব্ধীর খুব গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বারবারই আমরা সদ্যজাত শিশুর জন্ম অভিজ্ঞতা ও তৎসঞ্জাত অনুভবের স্ফুরণ বিভিন্ন ভাবেই চিত্রিত ও বর্ণিত হতে দেখি। প্যাগান ধর্ম থেকে সেমিটিক ধর্মে এসেও বিভিন্ন মানব সম্প্রদায় আধ্যাত্মিক উপলব্ধী বলে যে অনুভব আর অভিজ্ঞতাকে আবিস্কার করেছে তার মধ্যেও এই মাতৃগর্ভের অভিজ্ঞতার স্মৃতি প্রকট হয়ে ওঠে। মানব মনের স্বাভাবিক ও চিরন্তন আকাঙ্খাই যেন তার অধ্যাত্ববাদী চেতনায় বার বার দেখা দিয়ে

নাস্তিকরা কেন ইসলাম নিয়ে বেশি লেখে ?


বিভিন্ন নাস্তিক বনাম আস্তিক ফেসবুক গ্রুপে বা ব্লগে ইসলামধর্মকে কটাক্ষ করে লিখলে, মুমিন-মুসলিমরা প্রায়ই এই অভিযোগ তোলেন যে,
নাস্তিকেরা শুধু ইসলামকেই কেন আক্রমণ করেন, নাস্তিকতা মানেই কি শুধু ইসলামবিরোধিতা, পৃথিবীর আরো হাজারটা ধর্ম নিয়ে কেনো আলোচনা করা হয় না, শুধু ইসলামকে কেন অাক্রমনের লক্ষ্যবস্তু করা হবে, অনেকে এও বলেন গ্রুপের নাম বদলে নাস্তিকতা বনাম ইসলাম রাখা হোক ইত্যাদি ইত্যাদি।
এ প্রসঙ্গেই কিছু কথা।

নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বহিস্কার করছে


নবী মুহাম্মদের শিক্ষা হলো -যদি কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠি দেশ ও জাতির জন্যে ক্ষতিকর মনে হয় , তাদেরকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করে দিতে হবে। মুহাম্মদ যখন মদিনায় একটা ইসলামী রাজ্য গঠন করল, তখন সে ইহুদিদেরকে তার প্রধান শত্রু মনে করল , কারন তারা কোনভাবেই মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মানল না। সুতরাং মুহাম্মদ সিদ্ধান্ত নিল গোটা আরব থেকেই ইহুদিদেরকে তাদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটা মাটি থেকে বহিস্কার করবে ও সেটা অত:পর সে নিজে , পরে তার সাহাবিরা আন্তরিকতার সাথে পালন করে। মায়ানমার সরকার নবী মুহাম্মদের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর