নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

এটা স্বত:সিদ্ধ এবং চরম সত্য যে


১. কেউ যখন কোন কিছুর শ্রেষ্ঠত্ব খুজতে থাকে তা প্রকৃতার্থে যত খারাপই হোক না কেন তার দৃষ্টির বাইরে থেকে যায়। যার শ্রেষ্ঠত্ব খোজা হচ্ছে তার কুৎসিত কোন দিক কখনও যদি দৃষ্টিসম্মুখে এসে পড়ে তখন সে গোজামেলির ব্যখ্যা দিয়ে বা তার জবাব তার মত বিশ্বাসের বড় জ্ঞানী থেকে জানা যাবে এমন ধারনা নিয়ে মনকে স্বান্তনা দেয়। এভাবে তার বিশ্বাসকৃত বিষয়ের কুৎসিত দিক চিরদিনই দৃষ্টির আড়ালেই থেকে যায়।

কুরআনের অনুরূপ সুরা


মুসলমানরা দাবী করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআন স্বয়ং আল্লাহ নামের এক আরবীয় সৃষ্টিকর্তা নিজের হাতে লিখে লাওহে মাহফুজে সংরক্ষন করে রেখে দিয়েছিল সেই বিশ্বজগত সৃষ্টির প্রথম থেকেই। এবং পর্যায়ক্রমে ঈহুদী খ্রিস্টানদের ফেরেশতা জিব্রাইল বা গ্যাব্রিয়েলের মাধ্যমে ইসলামের একমাত্র ধর্তাকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়েছে। কিন্তু মুহাম্মদ ছাড়া অন্য কোন জীবন্ত মানুষই জিব্রাইলকে দেখেনি। শুধু মাত্র মুহাম্মদ দাবী করেছিল তার নিজের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহর আদেশে ফেরেশতা জিব্রাইলের মাধ্যমে তার কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। অথচ কেউই কোনদিন জিব্রাইলকে স্বচোক্ষে দেখেনি। মুহাম্মদ দাবী করেছে তারা অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছে মুহাম্মদের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহরই বাণী। কিন্তু মুহাম্মদ যেমন তার দাবীর কোন প্রমাণ দিতে পারেনি কখনই ঠিক একই ভাবে মুসলমানরাও প্রমাণ দিতে পারেনি কোনদিনই যে কুরআনের বাণীগুলো আসলেই কোন সৃষ্টিকর্তার বাণী কিনা। তারা শুধু বাপ-দাদার কাছ থেকে শুনে শুনে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে এসেছে।

জাকির নায়েকের স্ববিরোধী ও হাস্যকর কুযুক্তি!


জাকির নায়েকের লেকচার দেখলাম পিস টিভিতে। ইসলাম ধর্মে পুরুষদের বহু বিবাহের অনুমোদন দেয়া আছে। সেটার পক্ষে তিনি তথ্য পরিসংখ্যান ও যুক্তি (!) দিয়ে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করলেন, পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি! তাই পুরুষের বহু বিবাহ একটি যোক্তিক ইসলামী বিধান। কিন্তু কথা হলো উনার এই যুক্তি মেনে নিলে ইসলামের বহু স্ববিরোধীতার মত আরেকটি স্ববিরোধীতার সম্মুখীন হতে হয়!

ধর্মস্থানগুলোর সদব্যবহার


বাংলাদেশে মসজিদ মন্দিরগুলোর সমাজকল্যাণমূলক ব্যবহার শুধু ও শুধুমাত্র গণ-শৌচাগার হিসেবেই সীমাবদ্ধ ।

গীর্জাগুলোতে তবু কনফেশন বক্স থাকায় মানসিক প্রশান্তি ও পাপবোধ মুক্ত করতে করে কিছু সাইকোলজিক্যাল পজিটিভ ভূমিকা নিতে পারত ; কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা খাতিরে গণস্বেচ্ছাপ্রবেশাধিকার রোধ করে সেগুলো ইউজলেস, মিনিংলেস একটা উদ্ভট স্থানে রুপ নিয়েছ ;যেখানে সপ্তাহে দুদিন ক্ষেত্রবিশেষে একদিন একই ধর্মীয় ঘ্যানঘ্যানানি শুনিয়ে একবিংশ শতকে মানুষের সর্বাপেক্ষা মূল্যবান সময় মাঠে মারা যায়।

ধর্ম শিক্ষক যখন ধর্ম নিরপেক্ষ


শাহবুদ্দিন ছিলেন আমাদের বিদ্যালয়ের ধর্ম ক্লাসের শিক্ষক এবং আমি ছিলাম ধর্ম ক্লাসের ক্যাপ্টিন। ধর্ম এমন একটি বিষয়, যে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জানার কিছুই নেই। শুধু মুখস্থ করতে হয়। আমরা সবাই মাধ্যমিক পাশ করেছি কমবেশি মুখস্থ করেই। সম্ভবত খুব কম মানুষই আছে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষায় ধর্মে এ+ বা লেটার মার্কস পায় নি।

ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?


ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?

প্রচলিত উত্তর – “না, করে না”।

কিন্তু বর্তমান সময়ের বেশ কিছু রিসার্চারেরা তথ্য আর যুক্তির মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে সমকামিতার জন্য ইসলামে যে ধরণের শাস্তির কথা আমরা শুনে থাকি, তার কোন ভিত্তি কুরআন বা সুন্নাহতে পাওয়া যায় না। ।
“Progressive Muslims: On Justice, Gender, and Pluralism” গ্রন্থে যুক্তরাষ্ট্রের এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Scott Kugle দেখিয়েছেন যে জেন্ডার ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যের ব্যাপারে ইসলাম অনেক উদার। Kugle তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, ইসলাম সমকামী মানুষদের পরিত্যাগ করে না। বরং ইসলামে তাদের জায়গা আছে।

ইসলাম নারীদেরকে পুরুষের অধীনস্ত করে পুরুষের ভোগ্য দাস বানিয়েছে


ইসলামে নারীদের উপর পুরুষদেরকে কতৃত্বশীল করেছে৷ পুরুষ পরিচালক,নারী তার অধীনস্ত৷ পুরুষেরা যাতে নারীদের উপর কর্তৃত্ব খাটাতে পারে সে জন্য পুরুষদের হাতে দেয়া হয়েছে অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব৷ এ নীতি সম্পর্কে আল ক্বুরআনের বক্তব্য লক্ষ্ করুন:

ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।


রহমান ভাইয়ের প্রিয় নবী- পর্ব ২

বিষয়:- ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।

আমাদের মসজিদের ঈমাম রহমান ভাই সাথে অনেক দিন পর দেখা। রহমান ভাইকে দেখেই আমি উল্টো দিকে হাটা শুরু করে দিলাম। তবুও রহমান ভাইর চোখে পড়ে গেলাম। ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, " কিরে তুই আমাকে দেখে পালাচ্ছিস ক্যান? "
.

আমি বললাম," আরে নাহ..! পালাবো কেন..? আসলে হুট করে পেটে ব্যাথা শুরু করলো, তাই বাসার দিকে যাচ্ছিলাম.."
.

ইসলাম ত্যাগ করলাম..! প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নিলাম..!


ইসলাম ত্যাগ করলাম....!!!! প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নিলাম..!!! আজকের দিনটার জন্য আমি চার বছর অপেক্ষা করেছি...!!!
আমার কথা হল, আমার কেন ধর্ম পরিচয় থাকতে হবে..! কেন আমাকে মুসলিম হয়ে হিন্দু থেকে আলাদা থাকতে হবে..! কেন আমাকে হিন্দু হয়ে মুসলিম থেকে আলাদা থাকতে হবে..!কেন আমাকে হিন্দু, মুসলিম,বোদ্ধ, খ্রিস্টান সহ এমন হাজারটা ধর্মে ভাগ করা হবে..!! কেন আমাকে জন্মের পর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে বুঝিয়ে দেয়া হবে মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই,অন্যরা শত্রু, কেন..? আমার দোষটা কি...? কেন আমাকে জন্মের পর থেকে আলাদা করা হবে নানানভাবে..? আমি মানি না এই ধর্মীয় প্রথা...!!!

বিরানব্বই পার্সেন্ট মোছলমানের দেশে কী একজন মোসলমানও নাই যে, ফরহাদ মজহারকে ১০০ দোররা মারবে ??


আলোচিত-সমালোচিত ফরহাদ মজহার। যতটুকু শুনেছি ফরহাদ মজহার বিয়ে করেন নি। উনি এবং উনার পার্টনার ফরিদা আখতার বিয়ে না করেই একসাথে থাকছেন। ইংরেজিতে যাকে বলে, লিভ-টুগেদার। ব্যাপারটা আমি নেগেটিভ ভাবে দেখছি না। বিবাহ সামাজিক প্রথা। এই নিয়ে আমার কোন পক্ষ বিপক্ষ নাই। বিবাহ করলে করবে, না করলে নাই।

কিন্তু, ফরহাদ মজহার যখন ইসলামের ঝাণ্ডা হাতে নিয়ে পালন করছেন হেফাজতের বাপের ভূমিকা। ইসলামিস্টরা যখন একের পর এক অনলাই অফলাইন লেখক-ব্লগারদের হত্যা করেছে, তখন এই ফরাদ মজহার সেই হত্যাগুলোকে বৈধতা দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে! তখন তো কিছু কথা আসে এবং সেগুলো বলতে হয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর