নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

অর্থনীতি

অর্থনীতি

আমাদের দেশের বিশাল একটা জনগোষ্ঠি ডিপ্রেশনে ভুগছে।


আজ অব্দি এতবড় লিখা লিখেছি বলে আমার জানা নেই তবে আজ লিখলাম। হয়তো এটা কারও ভালোও লাগতে পারে আবার কারও বা নাও লাগতে পারে তবুও বলবো একটু পড়ার জন্য। আমি তাদের অনেকের সাথে কথা বলেছি। নিজেকে ডিপ্রেশন বিশারদ টাইপ কিছু মনে করি না, কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা যদি কারো কাছে নিজেদের কথাগুলো বলে হালকা হতে পারে, এতোটুকু তো আমি করতেই পারি। সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা নিয়ে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছে – সেটা বেকারত্ব। বিডি জবসে লক্ষ লক্ষ সিভি, চোখের সামনে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার।

কোন তন্ত্র, কোন নীতি মানুষের জন্য আদর্শ?



স্বাধীনতার পর দেশ এগিয়েছে, বছরে আমাদের মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার হয়েছে পড়লাম। ভেনেজুয়েলার মানুষের মাথাপিছু আয় এখনো সম্ভবত ৮-১০ হাজার ডলার। ভেনেজুয়েলাকে বিশ্ব বাতিল অর্থনীতির দেশ, ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা শুরু করেছে। অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের স্বচ্ছতার দিক থেকে আমাদের তো তাদের ধারেকাছে যেতেও অনেকটা পথ বাকি, সেটুকু পথের দূরত্ব এখনও দশক দশকের পথ যদি প্রবৃদ্ধির হার দুই অংকেও পৌঁছায়। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র এসব বাজে কথা, দেশের মানুষ আগে নিজেদের কিভাবে চালাবে সেই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র স্বচ্ছতার সাথে ঠিক করুক।

নিজস্ব অর্থায়নে সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ


বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ক্রমেই বড় হচ্ছে। বাড়ছে আমাদের সক্ষমতা। এখন নিজস্ব অর্থায়নের হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য রেকর্ড ১ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন পেল। এডিপির বরাদ্দ বাড়ছে ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৪ ভাগ। একইসঙ্গে মাথপিছু আয় বেড়ে ১ হাজার ৬০২ ডলার। কিছু কিছু খাতে অসঙ্গতি মনে হলেও সঠিক পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। ‘অর্থনীতির সাইজ বড় হচ্ছে। ২৪৮ বিলিয়ন ডলারের বর্তমান অর্থনীতিতে এডিপির আকার বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকার এডিপির মধ্যে নিজস্ব তহবিল হতে জোগান হবে ৯৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে গর্বিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা


দেশের শিক্ষিত মেধাবিরা অত্যন্ত গর্বিত যে, লেখাপড়া শেষ করে নিজের দেশের পাওয়ার প্ল্যান্টে কাজ করার সুযোগ পাবে। ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে রাশিয়ায় নিউক্লিয়ার বিষয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এই অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছেন। বর্তমান সরকার রাশিয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সুযোগ করে দিয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাসী হতে সহযোগিতা করেছে। এজন্য শিক্ষার্থীরা রাশিয়ান শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাঁরা অত্যন্ত আন্তরিক। ভাষাগত কোনো বিষয়ে বুঝতে অসুবিধা হলে ক্লাসের বাইরেও তাঁরা আমাদের বোঝানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। এক্ষেত্রে রাশিয়ান সহপাঠী বন্ধুদেরও সহযোগ

উন্নয়নের বন্যা


উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। সবসময়েই উন্নয়ন, সবজায়গাতেই উন্নয়ন। যারা বলছেন, দেশে উন্নয়ন হচ্ছে, তারা কি একবার উন্নয়নের সংজ্ঞা কী এটা খোলসা করে বলবেন জাতির কাছে। উন্নয়ন মানে কি আটাশ বিলিয়ন ডলারের ফরেন রিজার্ভ, টেনেটুনে ছয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি,সুউচ্চ সুরম্য প্রাসাদ, মেট্রোরেল আর পদ্মাসেতু এবং চৌদ্দশ ডলার মাথাপিছু আয়? উন্নয়ন মানে কি চার লক্ষ কোটি টাকার বাজেট, সাবমেরিন, মিগ টুয়েন্টি নাইন?

ওষুধ রফতানিতে সফল বাংলাদেশ


স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ওষুধপ্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ওষুধ ক্রয় করতে হত। কিন্তু বাংলাদেশ বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ দেশে উৎপাদন করছে। বর্তমানে শুধুমাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট যেমন ব্লাড বায়োসিমিলার, অ্যান্টিক্যান্সার ড্রাগ ও ভ্যাকসিন ইত্যাদি আমদানি হয়। বর্তমান সরকারের আমলে গত আট বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওষুধ রফতানির পরিমাণ সাতগুণ বেড়েছে। ২০০৯ সালে ৭৩টি দেশে ওষুধ রফতানির পরিমাণ ছিল ৩শ’ ৪৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ২০১৬ সালে এসে ১২৭টি দেশে ওষুধ রফতানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২শ’ ৪৭ কোটি পাঁচ লাখ টাকায়। বর্তমানে বাংলাদে

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর