নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

♦মনোজগত♦


প্রশ্নহীন আনুগত্য, পরম বিশ্বাস বা কারও ওপর পুরোপুরি ভর করে থাকা অনেক আরামদায়ক। বিশ্বাস ভরসা দেয়, আশ্রয় দেয়। অনেক উদ্বেগ থেকে বাঁচায়। নিরাপত্তা আর নিশ্চয়তার বোধ এনে দেয়। মানুষের এই বিশ্বাস ধর্মবিশ্বাস থেকে শুরু করে সরকার, নেতা, মা-বাবা, শিক্ষক, কোম্পানি, মিডিয়া, বস পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। শিশুরা যে নিশ্চিন্ত নিরুদ্বেগ থাকতে পারে, তার বড় কারণ তাদের কাছে দুনিয়ার অনেক তথ্য থাকে না, তা ছাড়া তারা পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে মা-বাবার আশ্রয়ে নির্ভার থাকে। একটু বড় হলে সেই বিশ্বাসের মধ্যে একটু ফাটল ধরতে পারে, কিংবা মা-বাবার ওপর বিশ্বাস তার কাছে যথেষ্ট মনে না-ও হতে পারে। দুনিয়ার আরও তথ্য তার কাছে আসে। তখন ক্

নারী স্বাধীনতা না প্রবঞ্চনা?


অশ্লীলতা এবং বেহায়াপনা পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলেছে। অপসংস্কৃতির স্রোত বাঁধ ভেঙ্গে বন্যার ন্যায় মানব সমাজকে আষ্টে পৃষ্টে বেঁধে ফেলছে। নারী সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হলো তাদের সতীত্ব। কোনো একসময়ে এই সতীত্বেরর জন্য নারী জীবন দিতেও প্রস্তুত। কিন্তু সভ্যতার এই যুগে নারী জাতির এই সতীত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে। ঘর থেকে বের হলে সংশয় না জানি কখন কি হয়ে যায়। পত্র পত্রিকা খুললে চোখে পড়ে বিভিন্ন পন্থায় নারী নির্যাতেনর বিভৎস চিত্র। যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে, কিশোর যুবক তরুণরা নষ্ট করে ফেলছে স্বীয় পৌরষত্ব। নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশার পরিণতিতে কিশোরী যুবতী আর তরুণীরা হারিয়ে ফেলছে কুমারী সতীত্ব। ব্যভিচারে

সমাজের নারী-দি বস এর বশ্যতা....


সকাল ৭.২৩ এর "মাগি লোকাল" এ দৌড়ে "মালটা" উঠল। দশ মিনিট লেট হবে আজ। বস হাসতে হাসতে বলবে "কি করো সারা রাত। আমাদের ও একটু গল্প বলো।" "মাল" আড়ষ্ট হয়ে বসে। বস এর অমায়িক চোখ মাল এর বুকের দিকে। সরল হাসি চোখে।

আর একজন "মাল" কলেজ এ যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে। কাল অনেক রাত অবধি ন্যাকাপনা করে কান্নাকাটি করেছে। যে ছেলেটাকে ফাঁসিয়েছিল সে মায়ের কথা শুনে বলেছে পড়াশোনার অসুবিধে করে প্রেম করবেনা। আই পিল খেলেই "মাল" এর "মাল" খসে যাবে। ফালতু কান্নাকাটি যেন বন্ধ করে।

কোরান নিজেই প্রমান করে যে সে একটা বিভ্রান্তকারী গ্রন্থ যা মানুষকে বর্বর বানায়


মুসলমানরা তাদের ধর্ম নিয়ে শত শত দল উপদলে বিভক্ত। প্রতিটা দলই নিজেদেরকে একমাত্র খাটি দল মনে করে অন্য দলকে কাফির মুনাফিক হিসাবে গণ্য করে আক্রমন করে , মারামারি খুনাখুনিতে লিপ্ত হয়।এটা নিয়ে যখন আলোচনা করা হয় , তখন সব দোষ সেই লোকগুলোর ওপর দেয়া হয় , আর কোরানকে রাখা হয় নির্দোষ। কিন্তু বিষয়টা কি তাই ? আসলে দোষটা কার ? মানুষের , নাকি কোরানের? সেটা দেখা যাক এবার ----

ইসলামই হলো মুসলমানদের সব সমস্যার মূল


ইসলাম নিজেই এমন এক অপরিস্কার , বিভ্রান্তিময়, স্ববিরোধী আদর্শ ও বিধি বিধানের সমাহার , যার দ্বারা মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে , নিজেদের মধ্যেই বিবাদ বিস্বম্বাদ ঘটায় ও পরিশেষে নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে , যা পরিশেষে মুসলমানদেরকে একটা বর্বর, অসভ্য ও জঙ্গি জাতিতে পরিনত করে।

ড: জাফর ইকবাল একজন ভাল মানুষ কিন্তু ভাল মুসলমান নন


ড: জাফর ইকবাল ব্যাক্তিগতভাবে একজন ভাল মানুষ,কিন্তু মুক্তমনের কারনে , ইসলামের সমালোচনা সহ নবীদের নিয়ে ব্যঙ্গ করার কারনে তিনি কোনভাবেই একজন ভাল মুসলমান না। ইসলামের দৃষ্টিতে তিনি মুনাফিক এবং মুনাফিকের শাস্তি যে মৃত্যুদন্ড সেটা সবাই জানে। পক্ষান্তরে, ফয়জুল একজন খাটি মুমিন, যে কোরান হাদিসের বিধান অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে , আর সেই কারনেই সে ড: জাফর ইকবালকে হত্যা করতে চেয়েছে, যার অর্থ সে একজন ভাল মুসলমান, কিন্তু যারা ইসলামের প্রকৃত স্বরূপ জানে না , তাদের কাছে সে একজন হত্যাকারী তথা খারাপ মানুষ।

বন্ধুটি হঠাত বলে বসলো, তুমি যে ট্রান্সসেক্সচুয়েল সেটা কিন্তু বোঝার উপায় নেই।


এবার বন্ধুটি যা বললো তাতে নিজেকে একটি উৎকৃষ্ট শ্রেণীর গর্দভ বৈ অন্য কিছুই মনে হচ্ছে না, যে রমণীর সাথে এতক্ষণ বসে গল্প করে তার বাসায় উঠে পরবো মনে করে সব ঠিকঠাক করে ফেলেছি, আসলে কোন ভাবেই বোঝার উপায় নেই যে সে একজন ট্রান্সসেক্সচুয়েল। তিন গ্লাস বিয়ারের একটু নেশা নেশা ভাব যাও ছিল নিমিষেই সব নেশা উবে গেল। ডিস্কোটেকে বাড়ি খুঁজতে এসে সে যাত্রায় সাক্ষাত বাড়িওয়ালী হাত ছাড়া হয়ে গেলও অন্তত বন্ধুটির কাছে প্রমাণ করতে পেরেছিলাম আমি ট্রান্সসেক্সচুয়েল বা সমকামী কেউ নই।

দেশে মাথা থাকবে ভোটের জন্য, কিন্তু মগজ থাকবে না..!


কথাগুলো অনেক আগে থেকেই বলছি, বরং কোপাকোপির এই ঘটনায় যারা আকাশ থেকে পড়ছেন.., তাদের কান্ড দেখে বড়ই করুণা হচ্ছে..! চাপাতি’র কাজ শুরু হয়েছে অনেক আগেই, সামান্য বিরতিতে আবার তারই ধারাবাহিকতা এটা..! তবে এটা কিছুই না.., দেশে কয়েক কোটি কষাই তৈরী হয়েছে এই কাজ করার জন্য..! যা হচ্ছে, এগুলোকে চাপাতির জং বা মরিচা ছাড়ানোর মহড়া বলতে পারেন!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর