নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

বেঁচে থাকুক ছিলটি, চাঁটগাঁইয়াসহ এই ভূ-খন্ডের স্বতন্ত্র ভিন্ন ভাষাগুলো



ছিলটি, রংপুরী কিংবা চাঁটগাঁইয়া ভাষা কি বাংলার আগ্রাসনের শিকার না? এই ভাষাগুলোরও বাংলার মত গুরুত্ব পাওয়া দরকার ছিল। তবে পশ্চিমবাংলার শাসনেও বাংলাভাষী বাঙালিরা আর আমাদের দেশেও তাই। শাসকশ্রেণির মূলধারার লোকেদের প্রভাব অপেক্ষাকৃত সংখ্যালঘুদের উপর পড়ে। জাতিসত্ত্বা এক হওয়া মানেই যে তাদের ভাষা এক হবে তেমনও নয়। ইংরেজরা, আইরিশরা আর স্কটিশরা আলাদা আলাদা জাতি হিসেবে পরিচিত। তাদের ভাষা ইংরেজী তবে ভাষার ডায়ালেক্ট ভিন্ন। আইরশরা আইরিশ ডায়ালেক্টে কথা বলে, স্কটিশরা নিজেদের ডায়ালেক্টে। জাতিগত পরিচয়ের জন্য ভাষা অভিন্ন উপাদান নয়।

বৈচিত্রময় যৌন পরিচয়ের মানুষগুলোর মুক্তিযুদ্ধ।


প্রায় বছর বছর চারেক আগে “রূপবান” নামক একটা ম্যাগাজিন বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষগুলোর থাকার প্রমান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলো। যাত্রার দ্বিতীয় বছরেই সেই ম্যাগাজিনের সম্পাদকে কুপিয়ে মারা হয়েছিলো। কিন্তু রূপবানএকটা কাজ করেছে তা হলো বাংলাদেশে "তারা আছে" এটা ব্যাপক আকারে জানিয়ে গেছে। জুলহাস মান্নান হয়তো দুইবছরে অতটা সাড়া ফেলতে পারে নি, কিন্তু তার মৃত্যু মেইনস্ট্রিম মিডিয়া থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর মানুষে কাছে একটা মেসেইজ দিয়ে ছিলো “তারা আছে”। কিন্তু আহা, মুক্তিযুদ্ধের সাথে যদি কোনো বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষ থেকে থাকে, এবং তারা যদি স্বাধীনতা পরবর্তীতে, স্বপরিচয়ে নিজের পরিচয় তুলে ধরে বলতেন হ্যা আমি একজন বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষ এবং আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা।

ভিনগ্রহের ডুয়েল ও ডি-টুয়েন্টি (বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: প্রথম অংশ)


'এ কোন অপরাহ্ন, এটা পৃথিবীর অন্য ধারান্তর নাকি মনের কোন এক কোনে বিস্ময়ের ভয়? এটা দিন নাকি রাত দোটানায় পরখ করাও কষ্টকর, একবার জানালায় কখনোবা উপরে সদৃশ কাঁচে তাকিয়ে চেষ্টা অনবরত চলছে। তবুও বুঝতে পারছি না। জানালার প্রান্তে গেলে মনে হয় গোধুলি লগ্ন আবার উপরে তাকালে রাত এবং গোধূলি একই সাথে বিরাজমান?' সাত-পাঁচ ভাবতে লাগলো সজল।
.
.

জাতীয়তাবাদ একটা ধর্মের নাম


বাংলাদেশীরা ধর্মভীরু। ইসলাম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ও জাতীয়তাবাদ নামক ধর্মগুলোর প্রতি বাঙ্গালীর দুর্বলতা নতুন কিছু নয়। আমরা যারা মুক্ত-চেতনাকে প্রয়োজনীয় মনে করি, যুক্তিকে ধর্মের ওপরে স্থান দেই তাদের অনেকেই ধর্মের মতই সামনে আসা অন্যান্য প্রতিটি ধারনা ও প্রস্তাবনাকেই যুক্তি দিয়ে বুঝতে চাই, খতিয়ে দেখতে চাই। এই অবস্থান থেকে অন্ধ ধার্মিকের অনেকগুলো সমস্যা আমাদের চোখে পড়ে। যেমন ধর্মের প্রতি নিঃশর্ত বিশ্বাস রেখে যুক্তির পথে হাঁটার উপায় নেই, একথা সত্য জেনেও তারা ধার্মিক। জন্মসূত্রের মত একটি কাকতালীয় ঘটনা তাদেরকে একটি বিশ্বাসের প্রতি অনুরক্ত করতে যথেষ্ট। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে সেই মানুষটির নিজের ধর্মকেই একম

নাস্তিকরা হলো মাথা মোটা, সব এক একটা গাধা!


নাস্তিকরা হলো মাথা মোটা, সব এক একটা গাধা! বয়ানে- ইসলামের নামজাদা মোল্লা৷ তো গাধা কে তাতে পরে আসি আগে একটা মাঠ ধাপাই৷ অস্ত্র জমা দিলেও ট্রেনিংতো জমা দিইনি কি বলেন!?

প্রাকৃতিক থেকে অপ্রাকৃতিক


অনেক দিন থেকেই এইধরনের ট্রল ছবি দেখে আসছি মুমিনবাহিনী তথা আস্তিকদের ৷ প্রথম দেখেছিলাম আরিফ আজাদের প্রফাইলে ৷ টাইমলাইনে ঘুরতে ঘুরতে মাঝেই মাঝেই এইধরনের ছবি চোখে পড়ে এখন ৷
উপরে হেডলাইন "নাস্তিকীয় যুক্তি" লেখা দিয়ে কখনো লোগো তে একদিকে ছাতার স্রষ্টা আছে কিন্তু অপরদিকে বৃষ্টির নাই,
কখনো মোবাইলের স্রষ্টা আছে কিন্তু হাতের আঙ্গুলের নাই আবার কখনো চশমার স্রষ্টা আছে কিন্তু চোখের নাই ৷

ধর্মের মানসিক বিশ্লেষণ পর্ব ১


আমার আরো একটা কাঁচা হাতের লেখা তবে এর উদ্দেশ্য ধর্ম বিশ্বাসের অযৌক্তিকতা প্রমান নয়। যাদের ধর্মে বিশ্বাস নেই বা যারা এইটা বুঝতে হিমশিম খান যে এই রকমের অযৌক্তিক ভিত্তিহীন বিশ্বাস কিভাবে সমাজে জন্মায় বা সমাজে এভাবে টিকে থাকে তাদের হয়তো আগ্রহ উদ্রেক করবে। এই পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম বিশ্বাস হাজারো রকমের সামাজিক প্রথা আগেও ছিল এখনো কিছু আছে। এমনকি কোনো নির্জন দ্বীপে বিচ্ছিন্ন উপজাতীয় জনগোষ্ঠী পাওয়া গেলে তাদের মধ্যেও কোননা কোনো ধরণের ধর্ম বিশ্বাস পাওয়া গিয়েছে । কিন্তু কেন বা কিভাবে ?

ঠিক আজকের এই দিনে পৃথিবী অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে মানবিক


যারা সমাজ নষ্ট হয়ে গেছে বুলিতে বিশ্বাসী আর এই কারণে মনে আশা রাখাও ছেড়ে দিছেন, তারা মানুষের অতীত ইতিহাস জানেন না। মানুষের অতীতের ইতিহাস রক্তপাত, হিংসা, ঘৃণা, দাঙ্গা, জাতিগত বিদ্বেষ, অনাচার, অবিচার এসবের ইতিহাস। আজ থেকে মাত্র ১০০ বছর আগেও দুনিয়ার বুকে উন্নত সভ্যতার দেশে দাস কেনাবেচা হতো। আজ থেকে অল্প কয়েকদশক আগেও পৃথিবীর নানা দেশে রাজা বাদশাহদের হারেম ছিল (এখনো আছে, রয়ে সয়ে, অন্যভাবে), গত শতাব্দীতেই জার্মানরা ৬ মিলিয়ন ইহুদী মেরে ফেললো, জাপানীরা যেদিক দিয়ে গেছে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে গেছে, আমেরিকা হিরোশিমা নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা মারলো (আমার মতে এই বোমা ফেলাটা যৌক্তিক ছিল নানা দিক বিবেচনায়), বাংলাদেশে পাকিস্তানীরা লক্ষ লখ বাঙালি মারলো, কম্বোডীয়ায় নিজ জাতির খেমাররুজ বিদ্রোহীরা নিজের জাতির প্রায় ২০ লক্ষ লোক মেরে ফেললো, ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক বড় ঘটনা ঘটছিল। শুরু থেকে যদি খেয়াল করেন, সময় যত এগিয়ে গেছে, কোনো অনাচারের পর যারা অন্যায় করেছিল তাদের দেশে প্রতিবাদ দিনে দিনে বৃদ্ধি পাইছে। আজকের জার্মানি কি নিজের দেশের একটা ইহুদী মারবার পর আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে পারবে? আজকের দিকে আফ্রিকার কোনো দেশে প্রকাশ্যেও কি আপনি মানুষ কেনাবেচা করতে পারবেন (গোপনে আমেরিকায়ও মানুষ কেনাবেচা হয়)?আজকের দিনে কি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইচ্ছা করলেই আণবিক হামলার নির্দেশ দিতে পারবেন? সবগুলা প্রশ্নের উত্তর আসবে, "না"। এসব তো সামগ্রিক অবস্থার উন্নতির কথাই বলে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর