নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২০) মুহাম্মদ এর আল্লাহর বৈশিষ্ট্য - দুই


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার জবানবন্দি কুরআনে বার বার ঘোষণা করেছেন যে তার আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে অনুগ্রহ করেন, যাকে ইচ্ছা তাকে করেন অনুগ্রহ-বঞ্চিত ও অভিশপ্ত! তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে বিশ্বাসী বানান, যাকে ইচ্ছা তাকে বানান অবিশ্বাসী। তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে চালান সরল পথে, যাকে ইচ্ছা তাকে চালান বিপথে; যাকে ইচ্ছা তাকে করেন ক্ষমা, যাকে ইচ্ছা তাকে দেন শাস্তি! তিনি আরও দাবী করেছেন যে তার আল্লাহ ইচ্ছা করলেই সবাইকে বিশ্বাসী বানাতে পারতেন, কিন্তু সে ইচ্ছা তিনি করেন না। আর কী কারণে আল্লাহর সেই অনিচ্ছা, তাও মুহাম্মদের জবানবন্দিতে সুস্পষ্ট (৩২:১৩)।

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

মানুষ সত্য


ধার্মিক হতে সার্টিফিকেট লাগে,অন্ধ বিশ্বাসী হতে হয়,বর্বর হতে হয়,অজ্ঞ হতে হয়,কঠোর হতে হয়,মাথা মোটা বলদ এবং নোংড়া মানসিকতা থাকতে হয় আর অনুকরণ করতে হয় ।
অথচ অধার্মিক হতে বা ধর্ম ত্যাগ করতে এতো কিছুর প্রয়োজন নেই।শুধু মানুষ হলেই হয়।

কার চরিত্র উন্নততর ? মুহাম্মদের , নাকি তার উম্মতদের ?


মুসলমানদের বিশ্বাস , মুহাম্মদ হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ মানুষ। আর তার আদর্শ অনুসরন করা সকল মুসলমানের কর্তব্য। তাই যদি হয় , তাহলে মুহাম্মদ তার জীবনে যা যা করেছে , তার সবই সর্বকালের জন্যে আদর্শ কাজ হবে এবং সেসব মুসলমানরা অনুসরন করলে হতে পারে খাটি ইমানদার মুমিন। তো এবার দেখা যাক , সেই বিচারে , আজকের উম্মতদের চরিত্র ও মুহাম্মদের চরিত্রের মধ্যে কার চরিত্র উন্নততর বলে খোদ মুমিনরাই রায় দিবে।

বিজ্ঞান বনাম বিশ্বাস


বিশ্বাসপ্রবণ মানুষের সাথে বিজ্ঞানের কোনও সম্পর্ক নেই, বরং ঘোর সাংঘর্ষিকতা আছে। বিজ্ঞান ও বিশ্বাস একে অপরের ঠিক উল্টো, যেন পরস্পর দুই মেরুতে অবস্থান। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় বিশ্বাসপ্রবণ মানুষগুলোর সাথে বিজ্ঞানের কোনও দ্বন্দ্ব নেই। বরং উভয়ের মাঝে দহরম-মহরম সম্পর্ক। গণহারে সবাই বিজ্ঞান পড়ছে, একজন অন্ধবিশ্বাসীও বিজ্ঞান পড়ছে, আস্তিক/নাস্তিক সেও বিজ্ঞান পড়ছে, পরীক্ষায় ভালো ভালো নম্বর তুলে নিচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এটি কিভাবে সম্ভব?

আমার মনে হয়, বিশ্বাসপ্রবণ মানুষেরা গণহারে যা বিশ্বাস করে তাতে বিরাট ভুল আছে, অথবা বিজ্ঞান ভুল, অথবা উভয়ের কোনটি স্ববিরোধপূর্ণ।

বিলুপ্ত প্রজাতির শুক্রাণু


চোখ বুজে খুললাম পৃথিবীর প্রাচীনতম পুঁথি,দেখলাম সেখানে বলা আছে-
“জল বলে কিছু নেই,আপনারা সকলে পানি বলুন।”
এই শুনে পরস্পর ভাইভাই কেটে নিল কয়েক লক্ষ জিহ্বা।
অতএব, প্রসঙ্গত এটাই সত্যি যে-আপনি মানুষের চেয়ে পুঁথির ওপরে বিশ্বাসী।
হয়ত বিগত শতকে আপনিই ছিলেন আরব্য একমাত্র পুথিসাহিত্যিক।
আপনি একান্ত পুঁথিনির্ভর-তাই আপনার কাঁধে আছে যুদ্ধের একমাত্র অস্ত্র-
আপনার আছে কাটাওয়ালা শান্তির বাণী।
আপনার আছে একলক্ষ যৌনদাসী,অগনিত ভোগ্যবস্তু ও যুদ্ধবন্দী রমণী।
আপনি কুকুর পছন্দ করেন না,টিকিটিকি মারতে পছন্দ করেন আঙুলের টিপে,

ধর্ম আর নৈতিকতা


ধর্মের ভিত্তি, শুনতে সুখকর না লাগলেও, লালসা ও ভীতি।

ধর্ম, আমার মনে হয়, প্রথমত ও প্রধানত দাড়িয়ে আছে ভয়ের ওপর ভিত্তি করে। এর অংশবিশেষ হচ্ছে এমন বোধ যে আমার রয়েছে এক জ্যেষ্ঠভ্রাতা, যে বিপদাপদে আমার পাশে এসে দাড়াবে। সম্পূর্ণ ব্যাপারটির ভিত্তি হচ্ছে ভয়—অলৌকিকের ভয়, পরাজয়ের ভয়, মৃত্যুর ভয়। ভয় নিষ্ঠুরতার জনক, এবং এতে বিস্ময়ের কিছু নেই যে নিষ্ঠুরতা ও ধর্ম এগিয়েছে হাতে-হাত ধ’রে।

কিন্তু কেনঃ অবিশ্বাসের পথে যাত্রা


এই টেকনিকটা সেই সব বন্ধুদের জন্য যারা অনেক কিছু সহজে মেনে নেন। তবে এটা যদি শেখেন একটা সমস্যা হবে আর কিছুই বিশ্বাস করতে পারবেন না।অন্তত প্রশ্ন ছাড়া কিছুই মানা সম্ভব হবে না আপনার পক্ষে।
তার আগে একটা কথা বলে নিই, এই পদ্ধতি অনুসরণ করা শুরু করলে খুব কম দিনে আপনি সবখানে কেমন যেন আলাদা হয়ে যাবেন,বলা চলে, খানিকটা বেমানান হয়ে ওঠাবেন। আর এই অবস্থার স্বীকার হতে যদি রাজি থাকেন তবেই আপনি আমার সাথে কিছুক্ষণ থাকুন। আমরা অসচেতন ভাবে অনেকবার হয়তো তাদের প্রয়োগও করেছি।চলুন দেখা যাক -

মাদ্রাসায় দিয়ে হয় ধর্ষক বানান, নয়তো ধর্ষিতা


কুমিল্লার বাহ্মণপাড়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে মসজিদের ইমাম। মক্তবে পড়তে গিয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া সিনিয়র মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ঐ ছাত্রী একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস যাবৎ মক্তবে পড়াকালে ইমাম আবুল বাশার ছাত্রীকে মসজিদের ২য় তলায় ছাদে কয়েক মাস পূর্ব থেকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। গত ২০ মার্চ ধর্ষণের শিকার ছাত্রীটি বাড়িতে গোপনে জন্ময়িন্ত্রণ ওষুধ খাওয়ার সময় তার ভাবি দেখে ফেলে। পরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে ইমাম থাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে জানায়।

ধর্ষণের জন্য পোশাক দায়ী নয়, দায়ী মানুষের মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি।


এ মাসে ১১ তারিখ থেকে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরে 'জাগো বাংলাদেশ' নামে একটি অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে। সপ্তাহে প্রতি রবিবারে সাড়ে আটটায় দেখানো হয় অনুষ্ঠানটি। এই অনুষ্ঠানটি ভারতের "সত্যমেভ জয়তু" থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশে প্রচারিত হচ্ছে।ভারতের 'সত্যমেভ জয়তে' অনুষ্ঠানে উপস্থাপক আমির খান, আর 'জাগো বাংলাদেশে' মোশারফ করিম।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর