নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না , পর্ব-২


পর্ব-১ দেখানো হয়েছে , মুহাম্মদকেই প্রমান করতে হবে , সে ছিল ইব্রাহিমের বংশধর। এ ক্ষেত্রে মুহাম্মদের নিজের বলা কথা ছাড়া আর কোন প্রমান নেই। হঠাৎ করে কেউ একজন এসে যদি দাবী করে যে সে নবাব সিরাজুদ্দৌলার বংশধর , তাহলে সেটা তাকে ওয়ারিশনামা প্রদর্শন করেই প্রমান করতে হবে। কেউ কিছু একটা দাবী করলেই সেটা সত্য হবে না। মুসলমানরা ঠিক এই যায়গাতেই বুঝতে পারে না। তারা প্রতিটা কথার জন্যে কোরানের বানীকে প্রমান হিসাবে তুলে ধরে , কিন্তু তারা বোঝে না , কোরান প্রথমত: মুহাম্মদের বলা বানী। মুহাম্মদই বলেছে কোরান আল্লাহর বানী। সুতরাং কোরানের আগে মুহাম্মদ যে নবী সেটাই মুসলমানদের আগে প্রমান করতে হবে।

কার্যকরী শিখন কৌশলঃপর্ব-৩


অন্যকে শেখালে নিজের শেখাটা আরো মজবুত হয়-এ কথা সবাই জানে।কিন্তু অন্যকে শেখানোর সাথে নিজের শেখার এই সম্পর্ক কেন?
সচেতন ভাবে কাউকে কিছু শেখাতে গেলে প্রথমত আমাদের উদ্দেশ্য থাকে খুব সহজে যেন সে বিষয়টা বুঝতে পারে।আর এ জন্য কোন কিছুকে সরলীকরণ করার দরকার পড়ে,নিজের বুদ্ধির প্রয়োগও করতে হয় নিপুণভাবে।
হয়তো এই জন্য আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন(যদিও উৎস নির্দিষ্ট নয়):
"যদি কোন কিছুকে সহজে ব্যাখ্যা করতে না পারো, তাহলে তুমি তা যথেষ্টভাবে বুঝতে পারো নি।"
এই ব্যপারটিকে বিপরীত চিন্তনের মাধ্যমে আমরা এই বলতে পারি-

মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না, পর্ব -১


যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম , ঈশ্বর আছে আর সে দুনিয়াতে মাঝে মাঝে নবী পাঠায় মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্যে। সে ক্ষেত্রে এই নবী ধারাটা সৃষ্টি হলো কোথা থেকে সেটা জানার পর , মুহাম্মদ কোন ভাবে সেই ধারা মোতাবেক নবী হতে পারে কি না , সেটা বুঝতে হবে। বিষয়টা হলো , আমি একটা সম্পত্তির মালিকানা দাবী করছি , সে ক্ষেত্রে আমাকে প্রমান করতে হবে উক্ত সম্পত্তির মালিক ছিল আমার বাবা , তার পুর্বে আমার দাদা এবং সেই সূত্রে ওয়ারিশ হিসাবে আমি সেই সম্পত্তির মালিক- সেটা আমাকেই প্রমান করতে হবে।

নারীবাদ কথাটাকে আমি ঘৃণা করি


নারীবাদ কথাটাকে আমি ঘৃণা করি । নারী পুরুষতো তাও ভালো, কিন্তু যারা নারী নয়, পুরুষ নয়, তাদের জীবনটা কেমন কাটে? ভালোই, কি বলেন? ট্রেনে ট্রেনে ঘোরে খালি আর টাকা চায় ।
আসলে আমাদের সমাজে কেউ লাঞ্ছিতই নয়, নাতো হিন্দুদের শূদ্র, নাতো নারী । কারো বাড়িতে নিমন্ত্রণ খেতে যাইনা অনেকদিন, জাতপাতের জন্য । বেশ কয়েক বছর আগে পাড়াতো কাকার ছেলের অন্নপ্রাশন, বেশ ঘটা করে করলেন । গেছি খেতে, মা’র জল লাগবে, তাই পিসিকে বললেন, “জল আন” । তিনি আনলেন না, সভার বাইরে দাঁড়িয়ে রইলেন, জল এনে দিল বড়োজাতের এক ছেলে । টাকা ছাড়া আর সব আয়োজন করলেন সেই সব শূদ্ররা যারা ব্রাহ্মণ বাড়িতে গিয়ে কুকুরের সম্মানও পাননা ।

হিজাব পরে নিজেকে ভোগ্যবস্তুর মত উপস্থাপন করে , ধর্ষন রোখা যাবে না


প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে শারিরীকভাবে শক্তিশালী পুরুষরা তাদের বীরত্ব ফলাত , কে কতজন নারীকে নিজের আয়ত্বে রাখতে পারে , তার ভিত্তিতে ।একই সাথে সেই বড় বীর , যে যখন ইচ্ছা খুশি যে নারীকে পছন্দ করত , তাকে ভোগ করার অধিকার রাখত। নারীকে তখন আসলে ভোগ্য বস্তু ছাড়া আর কিছুই ভাবা হতো না। সেই নারীরা আজো হিজাব পরে নিজেদেরকে ভোগ্য বস্তুর মত উপস্থাপন করবে , আবার ধর্ষনের হাত থেকে বাঁচতে চাইবে , সেটা তো সোনার পাথরবাটির মত ঘটনা।

নাগরিক সাংবাদিকতা আমাদের নপুংসক বানাচ্ছেনা তো?


মাদকাসক্তদের এক পুনর্বাসন কেন্দ্রে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক রোগীদের মানসিক স্থিতিশীলতার ক্লাস নিচ্ছেন। তিনি এলকোহল কনজামশনের ক্ষতি উপলব্ধি করানোর জন্য রোগীদেরকে একটি প্রাকটিক্যাল উদাহরণ দিলেন। কাঁচের গ্লাসে আধগ্লাস কড়া এলকোহল ঢাললেন। তারপর একটি কেঁচো এনে গ্লাসের ভেতর ছেড়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর কেঁচোটি টুকরা টুকরা হয়ে গলে যেতে লাগলো। ‍চিকিৎসক রোগীদের দিকে তাকিয়ে মুখে তৃপ্তির মৃদু হাসি তুলে বললেন “দ্যট্স অল আই ওয়ান্ট টু মেইক ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড” রোগীদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন “ এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে তোমরা কি শিখলে? এক মদখোর দাঁড়িয়ে বললো “শিখলাম যে, মদ খেলে কখনো পেটে কেঁচো হবে না”।

সম্প্রদায় হয়ে সম্প্রীতি হয়না, হয় বিচ্ছেদ৷


যেখানে ইসলাম বেশি সেখানে রোজার মাসে যেমন লঘুদের ইফতার বিতরণ ন্যাকামী, ভন্ডামী, চক্রান্ত হয়ে উঠে তেমনি যেখানে হিন্দু বেশি সেখানেও জয় শ্রীরাম বলে সরবত খাইয়ে ফুল ছিটালেও একই অনুভূতি আসে৷ পূর্ব বঙ্গে সংখ্যালঘুর হয়ে কথা বললে যেমন আপনি শত্রু, তেমনি পশ্চিম বঙ্গেও আপনি তাই৷ মূলত এসব তখনই আপনি বাদ দিয়ে সম্প্রীতির কথা বলতে পারেন যখন সম্প্রদায় শব্দটা মন থেকে উচ্ছেদ করতে পারবেন৷ সম্প্রদায় উচ্ছেদ তখনই হবে যখন আপনি প্রচলিত ধর্মটা বাদ দেবেন৷ ধার্মিক হতে পারেন মানুষ হতে পারেন না অথচ-

Motivation !!! WHAT The speaker !!!


মোটিভেশন খুজবেন নিজের বাবার ভেতরে, মায়ের ভেতরে, নিজের কাছের মানুষের ভেতরে, খেটে খাওয়া মানুষের ভেতরে বা যারা অনেক কষ্ট করে আজ সফল তাদের ভেতরে, এমনকি যারা খেটে যাচ্ছেন সফলতার জন্য তাদের ভেতরে।

হে মানব!


হে মানব!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর