নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

'বৈষম্য' নারীকে যেভাবে আটকে রাখতে চায়!


সমাজ যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখান থেকে ‘বৈষম্য’ নামের যে শর্ট ফিল্ম বানানো হইছে তা সমাজের অন্ধকার দিক কে উপস্থাপন করে। প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমাজ অনেক অধুনিক হইছে ঠিকই কিন্তু চিন্তার ক্ষেত্রে? আমরা স্মার্টফোন ইন্টারনেট ফেসবুক টুইটার এসব ব্যবহারে দুনিয়ার কোন দেশ থেকে কোনভাবেই পিছিয়ে নেই, পিছিয়ে আছি কোন ক্ষেত্রে? সামগ্রিক চিন্তা জগতের বিকাশের ক্ষেত্রে। নারীর প্রতি দুনিয়ার অন্যান্য দেশের দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেও আজকের বাংলাদেশের দৃশ্য কী? আজকের তরুণ পুরুষ ছেলেরা তার বোন আত্মীয়া বা প্রেমিকাকে কোন জায়গায় দেখতে চায়?

আমাদের দেশের বিশাল একটা জনগোষ্ঠি ডিপ্রেশনে ভুগছে।


আজ অব্দি এতবড় লিখা লিখেছি বলে আমার জানা নেই তবে আজ লিখলাম। হয়তো এটা কারও ভালোও লাগতে পারে আবার কারও বা নাও লাগতে পারে তবুও বলবো একটু পড়ার জন্য। আমি তাদের অনেকের সাথে কথা বলেছি। নিজেকে ডিপ্রেশন বিশারদ টাইপ কিছু মনে করি না, কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা যদি কারো কাছে নিজেদের কথাগুলো বলে হালকা হতে পারে, এতোটুকু তো আমি করতেই পারি। সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা নিয়ে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছে – সেটা বেকারত্ব। বিডি জবসে লক্ষ লক্ষ সিভি, চোখের সামনে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার।

অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে


'I Want 2 Love U' একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। লিঙ্ক

যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না।

অাস্তিক হতে হবে না, অপরাধ বন্ধে সচেষ্ট হউন।


ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য দুর্বলের পক্ষে কিংবা দুর্বল শারীরিক শক্তি নিয়ে শক্তিশালী ভয়ংকর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মানুষের যুদ্ধকরার অাত্মবিশ্বাস আর বিবেকী তাড়নাকেই অামি জানা কিংবা চূড়ান্তভাবে অজানা কোন শক্তির উপর অাস্থা স্থাপনের অনুরূপ মনেকরি। এই অাস্থা স্থাপন থেকেই মূলত: অাস্তিক্যের জন্ম - যা শুধু নিজের শান্তি নয়, পুরো মানব সমাজে পশুত্বকে পরাস্ত করে ন্যায্য দাবী সমূহ প্রতিষ্ঠায় একেবারে দুর্বলদেরকেও সম্মানিত ও পরিতৃপ্ত করে। একারনেই আমার মনে হয়, অনেক নাস্তিকের মধ্যেই অাস্তিক্য রয়েছে এবং বেশ মজবুত ভাবেই থাকে।

বিয়ে প্রথাটি আজকের নতুন প্রজন্মের কাছে একটি নোংরা প্রথা হিসেবে দাড়ালো কেন?


বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন৷ বন্ধনটা শুধু দুটি বিপরীত পরিবারের দুজনকে এক করার নয়, হতে পারে দুই পরিবার, দুই গ্রাম, বহু গ্রাম, দুই থানা, জেলা, দেশ এভাবে আত্মীয়ের বন্ধনে মিলিত হবার একটা প্রদক্ষেপ৷ খুব সুন্দর একটি নিয়ম যদি ভাবতে যাই এবং আচার অনুষ্ঠান হৈ হুল্লোর ধুমধাম বিনোদন৷ মোটামুটি একটি সুন্দর উৎসবে মানব বন্ধন বলা যায়৷ পিতা মাতারা সন্তানকে বড় করেন, ভাই বোন একসাথে বড় হওয়া একটা সময় সবাই একসাথে মিলে আনন্দ বিনোদনের আয়োজন করে দুজনকে এক করে দেয়া বেশ সুন্দর প্রয়াস৷

কথা হলো এই বিয়ে প্রথার উপর আমাদের আজকের নতুন প্রজন্ম এতোটা বিরক্ত কেন?

আল্লাহর অস্তিত্ব-ই নাই


"আমি আল্লাহ বিরোধী নই,তবে আল্লাহ মানি না।মনুষ্য বৈশিষ্ট্যের কারনে, আমি অস্তিত্বের বিরোধীতা করতে পারি।কিন্তু যার অস্তিত্ব-ই নাই তার বিরোধীতা করার কি আছে?কল্পনা এবং অস্তিত্বহীনকেতো মানা যায় না।"

কৃষ্ণ মহম্মদ

নারীর বেলায় আস্তিক নাস্তিকের মনোভাবনা প্রায়ই স্ব-গোত্রীয়৷


নারী মা, নারী বোন, নারী স্ত্রী, নারী কন্যা এর চেয়ে বড় উদাহারণ লাগে না ভদ্র বা সাধু হতে৷ যখনই ভদ্র হবার প্রয়োজন পরে, তখনই নারী আসে মা হয়ে, বোন হয়ে, স্ত্রী-কন্যা হয়ে৷ নোংরা ঢাকতে নারী, নোংরা করতে নারী, হাসতে নারী, বাঁচতে নারী, ফাঁসাতে নারী, ভাসাতে নারী, অভদ্রতায় নারী, ভদ্রতায় নারী, সাধুতে নারী, যাদুতে নারী! চলছে সব কিছুতেই নারী৷

হুজুর হিট নারী বয়ানে, সমাজ হিট নারীর প্রয়াণে, নারী হিট পোষাকের শালিনতায়, বাহাদুরি হিট নারী চোষায়, যুক্তি হিট নারী দেখে হলেও খাড়া, মন্দ ভালো সবখানে হিট- নয়তো নারী ছাড়া৷

মানুষ ধর্ম ছাড়েনা, উল্টো ধর্মই মানুষকে ছেড়ে দেয়৷


আমি জন্মগতই একজন নাস্তিক৷ পারিবারিক ভাবে ধর্ম আমার ছিলো কিন্তু নিরীশ্বরবাদী ছিলাম বুঝ হবার পর থেকে৷

ধর্ম ছিলো আবার নাস্তিক এ কেমন কথা!? হ্যাঁ ঠিক এ কারণসহ আরো কিছু কারণে প্রচলিত ধর্ম হতে আলাদা হওয়া৷ পারিবারিক আমি বৌদ্ধ পরিবারের সন্তান৷ আগে তর্ক চলত মাঠে ময়দানে বন্ধুর আড্ডায়, পরে আসি অনলাইনে৷ তবে সেটা ছিলো শুধু ঈশ্বর ঘিরে৷

মানুষের জন্মগত ধর্ম ও...


প্রত্যেকটা মানুষই জন্মগতভাবে হিংসুটে, হিংস্র, স্বার্থপর । এগুলোই মানুষের আসল ধর্ম । মানবধর্ম । এসবকিছু ভুলিয়ে যদি ভালোবাসা, স্নেহ, মমতা ইত্যাদীর মত মিথ্যে ইত্যাদীকে মানবধর্ম বলে মগজে রোপন করা ভালো হয়ে থাকে, তাহলে সামান্য মানসিক প্রশান্তির জন্য ঈশ্বরে বিশ্বাসী হওয়া খারাপ হবে কেন ?

প্রকৃতির নিয়মের উল্টোটাই যদি একান্ত চাওয়া হয়ে থাকে, তাহলেতো এক নম্বরেই ঈশ্বর । মানুষের সমগ্র সভ্যতাটাইতো অনেকগুলো মিথ্যার উপর খাড়া । সব মিথ্যা মুছে দিলেই, যে কে সে, আদিম হিংস্র সত্যি সত্যি মানুষ ।

ঈশ্বর নেই
ঈশ্বর নেই
ঈশ্বর নেই

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর