নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

মুসলিমদের সঙ্গে যোগ নেই বেশিরভাগ জার্মানের-সূত্রঃ আল জাজিরা


কিভাবে থাকবে ? যেখানে আল্লাহ্‌র নিজের নির্দেশ এই রকম ------

সুরাহ আল ইমরান ৩:১১৮
হে ঈমানদারগণ!
তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না,
তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না-তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ।
শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য।
তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও।

ভগবান একজন ধর্ষক


হিন্দু মতে, ভগবানের একটি সরল সংজ্ঞা হচ্ছে : 'জন্মাদাস্য য্তঃ' ‘যাঁর থেকে সমস্ত প্রকাশিত হয়’ (ভা: ১/১/১)। হিন্দু পণ্ডিতদের মতে, 'ভগবান' শব্দটি সংস্কৃত, এবং এর অর্থ বিশ্লেষণ করে তারা বের করেছেন, ‘(১) সমগ্র ঐশ্বর্য (ধনসম্পদ), (২) সমগ্র বীর্য (শক্তিমত্তা), (৩) সমগ্র য্শ, (৪) সমগ্র শ্রী (সৌন্দর্য, রূপবত্তা), (৫) সমগ্র জ্ঞান ও (৬) সমগ্র বৈরাগ্য যাঁর মধ্যে পূর্ণ-রূপে বর্তমান, সেই পরম পুরুষ হচ্ছেন ভগবান’। আর এই ভগবানেরই আরধনা করেন হিন্দুগণ।

আমাদের নবী মুহাম্মদের সংযম শক্তি ছিল অসীম


নবী মুহাম্মদ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মানুষ - তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই তার সংযম শক্তি ছিল অসীম। আমরা তার সেই সংযমের অনুসরন করতে পারি। তাহলে আমরা তার মত সর্বশ্রেষ্ট মানুষ না হলেও কিছুটা ভাল মানুষ হতে পারি। সুতরাং তার একটা সংযম শক্তির উদাহরন দেয়া যাক --

জুলহাজ-তনয় হত্যা, আর নিউজ ফ্যাক্টরির ক্যামেরা (যেভাবে একটা অপ্রাসঙ্গিক ছবি জঙ্গিদের চিনিয়ে দিয়েছিলো তাদের টার্গেট)


এপ্রিলের পঁচিশ তারিখ, বৈশাখের কত?
পঞ্জিকায় কত তারিখ পড়েছিলো সেদিন? যেদিন জুলহাজ মান্নান খুন হলো?
জানিনা কতক্ষণ ভনিতা করা যায়। সোজাসুজি যা বলতে চাই, সেটা বলে ফেললেই তো চলে! তারপরও নানা বাতাবরণ দিয়ে কথাকে সাজাতে হয়।
বহুদিন আগে টিভিতে একটা নাটক দেখেছিলাম। এতোদিন পর সেটার নাম আর মনে নেই। নায়িকা চিৎকার করছিলো সমানে, এই মেক আপ!
কাহিনী হলো, নাটকটাই নাটক বানানো নিয়ে। নাটকের শ্যুটিং চলছে, নায়িকার মেক আপ একটু পর পর জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, নায়িকা চিৎকার করছে, এই মেক আপ!

তবে‬ কি প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন?


প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ চলবে নবীর দেখানো পথে’। নবীর দেখানো পথ মানেই তো সহি ইসলামের পথে দেশ চলবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এমন বক্তব্যটা কি জেনে-বুঝে দিয়েছেন নাকি বলতে হয় তাই বলেছেন? নাকি এটা ধর্মান্ধ গাধাগুলোর নাকের ডগাতে মুলো ঝুলাইলেন?

যদি তিনি বলার জন্য বলা অথবা ধর্মান্ধদের ভোটগুলো তার ব্যাঙ্কে জমা করার জন্য বলে থাকেন, তাহলে নিঃসন্দেহে তিনি একজন ভণ্ড আর প্রতারক। আর যদি তিনি সত্যি সত্যি বলে থাকেন, এবং নবীর দেখানো পথে যদি দেশ পরিচালনা করেন, তাহলে প্রথমেই যে তার নেতৃত্ব ছাড়তে হবে, এটা কি তিনি জানেন? কেন না, ইসলামে নারী নেতৃত্ব সম্পূর্ণভাবে হারাম।

বহু কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র যে ইসলামে নিষিদ্ধ


বাংলাদেশের সংবিধানেই বলা আছে “আল্লাহর উপর পূর্ন আস্থা ও বিশ্বাস”। তাছাড়া আমাদের সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার এবং সকল সম্প্রদায়ের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইসলামকে প্রধান ধর্ম ঘোষণা করে বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম ঘোষণা করে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের মধ্যে কিছুটা বৈষম্যও সৃষ্টিও করা হয়েছে। যা মোটেও ২১ শতাব্দীতে এসে গ্রহণ করা যায় না।

ইব্রাহিম কাকে কোরবানী দিয়েছিল - ইসহাক, নাকি ইসমাইলকে ?


প্রতি বছর মুসলমানরা মহা সমারোহে কোরবানীর নামে লক্ষ লক্ষ পশু হত্যা করে, তারা বিশ্বাস করে, এভাবে পশু হত্যা করলে আল্লাহ খুশি হয়। নির্মমভাবে উৎসব সহকারে পশু হত্যা করলে দয়াময় আল্লাহ কিভাবে খুশি হয় সেটা বোধগম্য নয়। কিন্তু সেটা আসল কথা না। আসল কথা হলো - যে কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এই পশুহত্যার উৎসব , সেটা কতটা সঠিক বা যৌক্তিক। মুসলমানরা বিশ্বাস করে , আল্লাহ ইব্রাহীমের পরীক্ষা নিতে তার পুত্র ইসমাইলকে জবাই করেছিল , কিন্তু বিষয়টা কি ঠিক ? কোরান হাদিস তাফসির কি বলে ?

সম্প্রচার আইন প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি


সমাজের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে এবং প্রতিটি পেশাতে যেমন আচরণ বিধিমালা বা নিতিমালা আছে, ঠিক তেমনি বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠান সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও সম্প্রচার নীতিমালা বা বিধিমালা থাকা একান্ত জরুরী হয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে, মন্ত্রীসভায় সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে খসরা তৈরি হওয়াতে এক শ্রেণীর তথাকথিত, স্বঘোষিত এবং স্বার্থান্বেষী বুদ্ধিজীবীদের আঁতে ঘা লেগেছিল কারন তারা যে টকশোসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভুল তথ্য দিয়ে দালালি করে কিছু টাকাপয়সা রোজগার করত। এখনতো এ সম্প্রচার নীতিমালা তাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভূল তথ্য দিয়ে, যুক্তিতর্কে মেতে উঠে সুশীল বাবুরা এখন আর দেশের সাধারন মানুষদের বিভ্রান্তও করতে প

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একজন স্কুল ছাত্রী'র সাক্ষাৎকার


শময়িতা পাল গুপ্তা (শ্রেয়া), বয়স ১৬, দশম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্রী। পড়ালেখা করছেন রাজধানীর টিকাটুলিতে অবস্থিত কামরুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। নিজের শিক্ষাজীবন এবং সাম্প্রতিক দিনকাল কেমন যাচ্ছে জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আমাদের দেশের এই শিক্ষাব্যবস্থাকে আমি একদমই সাপোর্ট করি না। প্রশ্ন ফাঁস হইতেছে, পড়ালেখার মূল্যায়ন নাই। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস না হইলেও যে মেধার খুব মূল্যায়ন হয়, তাও না। ট্যালেন্ট কোনোভাবেই বাহির হয়ে আসতে পারতেছে না। মূল সমস্যাটা হইলো, ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা করে কোনো কিছু করবে, দেশের জন্য ভালো হয় এমন কিছু করার মতো শিক্ষা কেউ পায় না। সবাই পাস করে কীভাবে টাকা আয় করবে সেইটাই ভাবতে থাকে।

তথ্য ও প্রযুক্তি আইন এবং মানহানি মামলা


তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৭ (১) ধারাতে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাটে বা অন্যকোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে যা মিথ্যা ও অশ্লীল যার দ্বারা কারো মানহানি ঘটে বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় আর এ ধরনের তথ্যগুলোর মাধ্যমে সংলিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হলে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান আছে। যদিও ২০১৩ সালে এই আইনের সংশোধনী এসেছে এবং শাস্তির মাত্রাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর