নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সুমিত রায়
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আরমান অর্ক
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • পিনাকপাণির ডমড়ু

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদের উপর ৫৭ ধারার শানিত তরবারি


মানবতার পক্ষে সোচ্চার একটি কণ্ঠের নাম "সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদ" নিয়মিত ব্লগ ও ফেইসবুকে লেখালেখির জগতে একটি সুপরিচিত নাম আমাদের ইমতিয়াজ ভাই । গত বেশ কিছুদিন যাবত উনার প্রতিটি লেখাই ফেইসবুক জগতে তরুণ প্রজন্মকে দারুণ ভাবে অনুপ্রাণিত করেছে. প্রতিটি লেখাতেই মানবতা আর দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে, সত্যের পক্ষে শানিত কলমের লেখনী মানুষকে করেছে অনুপ্রাণিত, আর আজ তাকেই কিনা ৫৭ ধারার চকচকে শানিত তরবারি খণ্ড বিখণ্ড করে দিতে চাইছে। এক্ষেত্রে আমাদের জানা প্রয়োজন কি এই ৫৭ ধারা ।

কুরআনের অনুরূপ সুরা


মুসলমানরা দাবী করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআন স্বয়ং আল্লাহ নামের এক আরবীয় সৃষ্টিকর্তা নিজের হাতে লিখে লাওহে মাহফুজে সংরক্ষন করে রেখে দিয়েছিল সেই বিশ্বজগত সৃষ্টির প্রথম থেকেই। এবং পর্যায়ক্রমে ঈহুদী খ্রিস্টানদের ফেরেশতা জিব্রাইল বা গ্যাব্রিয়েলের মাধ্যমে ইসলামের একমাত্র ধর্তাকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়েছে। কিন্তু মুহাম্মদ ছাড়া অন্য কোন জীবন্ত মানুষই জিব্রাইলকে দেখেনি। শুধু মাত্র মুহাম্মদ দাবী করেছিল তার নিজের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহর আদেশে ফেরেশতা জিব্রাইলের মাধ্যমে তার কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। অথচ কেউই কোনদিন জিব্রাইলকে স্বচোক্ষে দেখেনি। মুহাম্মদ দাবী করেছে তারা অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছে মুহাম্মদের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহরই বাণী। কিন্তু মুহাম্মদ যেমন তার দাবীর কোন প্রমাণ দিতে পারেনি কখনই ঠিক একই ভাবে মুসলমানরাও প্রমাণ দিতে পারেনি কোনদিনই যে কুরআনের বাণীগুলো আসলেই কোন সৃষ্টিকর্তার বাণী কিনা। তারা শুধু বাপ-দাদার কাছ থেকে শুনে শুনে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে এসেছে।

জুম্মার নামাজের আগে মসজিদের ইমাম বললো, “মেয়েরা শয়তানের জাত!”


জুম্মার নামাজ ঘরে পড়া যায় না। তাই, একরকম বাধ্য হয়েই আমাদের মসজিদে যেতে হয়। কিন্তু মসজিদে গিয়েও শান্তি ও স্বস্তি নাই। সেখানে একশ্রেণীর কাটমোল্লা-মার্কা-ইমামদের অত্যাচারে দেশের নিরীহ ও সাধারণ মুসলমান আজ অতিষ্ঠ। সবখানে এইসব অল্পশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত, বেএলেম আর জাহেল-ইমামদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে।

ধর্মস্থানগুলোর সদব্যবহার


বাংলাদেশে মসজিদ মন্দিরগুলোর সমাজকল্যাণমূলক ব্যবহার শুধু ও শুধুমাত্র গণ-শৌচাগার হিসেবেই সীমাবদ্ধ ।

গীর্জাগুলোতে তবু কনফেশন বক্স থাকায় মানসিক প্রশান্তি ও পাপবোধ মুক্ত করতে করে কিছু সাইকোলজিক্যাল পজিটিভ ভূমিকা নিতে পারত ; কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা খাতিরে গণস্বেচ্ছাপ্রবেশাধিকার রোধ করে সেগুলো ইউজলেস, মিনিংলেস একটা উদ্ভট স্থানে রুপ নিয়েছ ;যেখানে সপ্তাহে দুদিন ক্ষেত্রবিশেষে একদিন একই ধর্মীয় ঘ্যানঘ্যানানি শুনিয়ে একবিংশ শতকে মানুষের সর্বাপেক্ষা মূল্যবান সময় মাঠে মারা যায়।

আপনাকে যা দেখানো হয় আপনি কি শুধু তাই দেখবেন?



মানুষ অনেককিছু দ্বারা প্রভাবিত হয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় সম্ভবত সবচেয়ে প্রভাবশালী, ক্ষমতাশালী, বিত্তশালীরা কিসে নজর দিতেছে তা দিয়ে। এইজন্য আমরা যা দেখি, যাতে বেশি নজর দেই, তা আসলে প্রাধিকারভুক্ত হইয়া নজরদেয়ার লিস্টে সবসময় এক নাম্বারে থাকবার কথা না। যদি থাকতো, তাহলে সিরিয়া নিয়ে যেভাবে সারা বিশ্বে কথা হয় তা ইয়েমেন নিয়েও হইতো। সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় চলতেছে ওই ইয়েমেনেই। এই ইয়েমেনও এক আরব রাষ্ট্র, যেই দেশের মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ের মোটামুটি অর্ধেক।

আরবদেশ বলতেই আমরা বুঝি তেল গ্যাসের টাকা উড়তেছে। ধনী অঞ্চল। ঈশ্বর উনার সম্পদ কৃপা ওই অঞ্চলে ঢেলে দিছেন যাতে তারা সুখে সমৃদ্ধিতে থাকে। নাহ, এই কথা একদম সত্যি না। পৃথিবীর দরিদ্রতম দেশের একটা ওই আরব অঞ্চলেই। ইয়েমেন দেশকে যদি আপনারা এরাবিয়ান পেনিনসুলার অংশ হিসেবে মেনে নেন তবেই, না মানলে আপনার ইচ্ছা।

মুখোশের ভন্ডামী


চলার পথে কিছু কিছু মানুষ দেখে কষ্ট লাগে।,আবার অবাক ও হই।মনে মনে হাসিও পায়।
বুঝতে পারি না আমদের চোখে দেখা কোনটা ভুল,কোনটা সত্য।
প্রতারনার এই পৃথিবীতে সত্য-মিথ্যা যাচা্ই করতে অদ্ভুত লাগে।
কনফিউজ হয়ে যাই কোনটা সত্য,কোনটা প্রতারনা।
জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে মিথ্যের সম্মুখিন হয়ে থাকি।ধীরে ধীরে সত্যটা সমাজ থেকে বিলিন হয়ে যায়।
আমরা কেউই বলতে পারবো না আমরা প্রতারনার স্বীকার হচ্ছি না।
যদি আমরা মনে করি মিথ্যা আমােক কোন প্রকার গ্রাস করে নাই,,তবে সেটা হবে আমার জন্য চরম মিথ্যা,।

ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?


ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?

প্রচলিত উত্তর – “না, করে না”।

কিন্তু বর্তমান সময়ের বেশ কিছু রিসার্চারেরা তথ্য আর যুক্তির মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে সমকামিতার জন্য ইসলামে যে ধরণের শাস্তির কথা আমরা শুনে থাকি, তার কোন ভিত্তি কুরআন বা সুন্নাহতে পাওয়া যায় না। ।
“Progressive Muslims: On Justice, Gender, and Pluralism” গ্রন্থে যুক্তরাষ্ট্রের এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Scott Kugle দেখিয়েছেন যে জেন্ডার ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যের ব্যাপারে ইসলাম অনেক উদার। Kugle তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, ইসলাম সমকামী মানুষদের পরিত্যাগ করে না। বরং ইসলামে তাদের জায়গা আছে।

ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।


রহমান ভাইয়ের প্রিয় নবী- পর্ব ২

বিষয়:- ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।

আমাদের মসজিদের ঈমাম রহমান ভাই সাথে অনেক দিন পর দেখা। রহমান ভাইকে দেখেই আমি উল্টো দিকে হাটা শুরু করে দিলাম। তবুও রহমান ভাইর চোখে পড়ে গেলাম। ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, " কিরে তুই আমাকে দেখে পালাচ্ছিস ক্যান? "
.

আমি বললাম," আরে নাহ..! পালাবো কেন..? আসলে হুট করে পেটে ব্যাথা শুরু করলো, তাই বাসার দিকে যাচ্ছিলাম.."
.

এইটা মসজিদের ইমাম নাকি ডাস্টবিনের আবর্জনা?


সেদিন জুম্মার নামাজের আগে এলাকার মসজিদের ইমাম সংক্ষিপ্ত ওয়াজের জন্য ধরে এনেছে আরেক মসজিদের ইমামকে। সে নাকি খুব বড় আলেম! তার সম্পর্কে মসজিদের বর্তমান ইমামের বয়ান শুনে আর তার ভাবখানা দেখে মনে হলো—ওই আরেক মসজিদের ইমামের বেহেশতো যেন আগে থেকেই ঠিক হয়ে আছে—সে যেন এমনই এক দামি মানুষ!

বহুবিধ পন্থা, নানা তন্ত্রমন্ত্র ও আদর্শগত ভ্রম এবং ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ



ডানপন্থী, বামপন্থী, জামাতি, বামাতি, উগ্রপন্থী, জঙ্গীবাদী, আস্তিক, নাস্তিক, মুক্তমনা, সনাতনী, হেফাজতী, নারীবাদী, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র, পুরুষতন্ত্র, জাতীয়তাবাদী, চেতনাবাদী, মানবতাবাদী এইসব নানান শব্দ এখন অনলাইনে কমন, বহুবিধ ব্যবহার হয়। অনলাইনের কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে কোন কথা বলবো না, তাহলে মান ইজ্জত সব ফ্লোরে গড়াগড়ি খাবে নিজেরও। অন্যকিছু উগড়ানোর মত না পেলে আমিও তাতে জড়িত হই। আমার ফেসবুক এক্টিভিটির অর্ধেকই সেইসব নিয়ে। সাহিত্য নির্মল ব্যাপার হবার কথা, তবে সেখানেও আছে নানা ট্যাগ, দলাদলি, তেলবাজি, গ্রুপিং ইত্যাদি ইত্যাদি। বাপরে বাপ, অনলাইন জমানায় এসে অনেককিছু দেখলাম! অনলাইন প্রেম থেকে শুরু করে অনলাইন পরকীয়া, দলবদ্ধ ক্যাচাল থেকে সঙ্গবদ্ধ আক্রমণ, অনলাইন কেন্দ্রিক জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টা থেকে অনলাইন এক্টিভিটির কারণে জীবননাশের ঘটনা সহ নানান কিছুর সাক্ষী আমি নিজে, নিজের অভিজ্ঞতাও কম না!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর