নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

..........আমি লজ্জিত মুসলিম,,,,,,,,,,,,,,,,,


আমি মুসলিম আমার বোধোদয় হইয়াছে
আমি শুনিয়াছিলাম ধর্ষিতার আর্তনাদ
তাকে রক্ষা করতে পারিনি
আমি দেখিয়াছিলাম নিষ্পাপ ক্ষুদার্থ শিশুর কান্না
মুখে এক লোকমা অন্ন তুলে দিতে পারিনি
আমি মুসলিম বলেছিলাম,
মানব জাতির অবিভাবক হব
কথা রাখতে পারিনি।
আমি মুসলিম আমার উপলব্ধি হইয়াছে!
আমি শ্রেষ্ট আসনে বসার উপযুক্ত নই
আমি মুসলিম আমার উপলব্ধি হইয়াছে !
আমি মুসলিম নিকৃষ্টের সর্বেসর্বা।
আমি মুসলিম আমার বোধোদয় হইয়াছে!
আমার চোখের সামনেই গড়ে উঠেছে
আল কায়েদা, আই এস , জে এম বি
তাদের সুপথে ফিরাতে পারিনি

রোহিঙ্গাইস্যু এবং বাঙালি-মডারেট-মুসলমানদের কতিপয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তাদের স্বরূপ


নামধারীমুসলমানশ্রেণীটির সঙ্গে আধুনিক চিন্তাভাবনার অধিকারী মডারেট-মুসলমানদের খুব একটা পার্থক্য নাই। তবে এরা সবসময় ইনিয়েবিনিয়ে ইসলামের নামে শয়তানী করতে ভালোবাসে। আর এদের অধিকাংশই সমাজের ধনিকশ্রেণী তথা আত্মস্বীকৃত-অভিজাতশ্রেণী। এদের অনেকেই আবার সমাজের ও রাষ্ট্রের পাওয়ার এলিট। কিন্তু চিন্তাচেতনায় ও মন্যুষত্বের পরিচয়ে এরা সাধারণ, মূর্খ, গোমরাহ ও ধর্মান্ধ মুসলমানদেরই প্রতিনিধি। তবে এরা সরাসরি সবকিছুতে সম্পৃক্ত হয় না। সবসময় এরা নিজেদের সাধারণদের মতো সবকিছুতে সম্পৃক্ত করে না। এরা সবসময় কৌশলী, এবং যুক্তিপ্রদর্শনে কিছুটা সক্ষম।

মানবতা কি খালি অমুসলিমদের দেখাতে হবে ? মুসলিমদের কোন মানবতাবোধ নেই ?


আই এস এর তান্ডবে যখন লক্ষ লক্ষ মুসলমান , ইয়াজিদি , খৃষ্টান বাড়ী ঘর ছেড়ে শরনার্থী হচ্ছিল , পাশের তুরস্কই প্রথমে তাদেরকে আশ্রয় দিতে চায় নি। পরে অবশ্য আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে দিয়েছে। সৌদি আরব , কুয়েত , কাতার ইত্যাদি আরব দেশের কেউই তাদেরকে আশ্রয় দেয় নি। যদিও ৯০%ই ছিল মুসলমান শরনার্থি। সেই মুসলমানদেরকে আশ্রয় দিয়েছে হাজার কিলোমিটার দুরত্বের ইহুদি নাসারা কাফেরদের দেশ জার্মানি , ফ্রান্স , ইতালি ইত্যাদি। ইহুদি নাসারা কাফেররাই তাদেরকে মানবতা দেখিয়েছে। মুসলমানরা মানবতা দেখায় নি।

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : শেষ পর্ব


আমাদের সভ্যতার প্রাচীন মিথ গুলোতেও মাতৃগর্ভে প্রত্যাবর্তনের আকুলতা নানান ব্যঞ্জনায় রঞ্জিত হয়ে আছে। এই ব্যঞ্জনাই পরবর্তীতে আমাদের বিচিত্র আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নানান ভাষ্যে অনুরনন তুলে এসেছে যুগের পর যুগ। আনুমানিক ২০০০০০-৭৫০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দের প্রাগৈতিহাসিক নিয়াণ্ডারথাল মানুষদের ক্ষেত্রেও দেখছি তারা যখন কোন মৃতদেহ কবরস্থ করতো তখন কবরে সেই দেহ শুইয়ে দিত হাঁটু ভাঁজ করে প্রায় বুকে ঠেকিয়ে অবিকল ভ্রূনের ভঙ্গীতে। সেই কবরে বলির পশুর হাড়ের সাথে শুকনো ফুলের মালার অস্তিত্ব জানায় মৃত্যুপরবর্তী একটা পারলৌকিক জীবনের বোধ সেই আদিম যুগের মানুষের মধ্যেও ছিল। জন্ম অভিজ্ঞতার স্মৃতির তাড়নাতেই কি তারা ভেবেছিল মাত

কোরানের আল্লাহই আসলে শয়তান


প্রতিটা ধর্মে দেখা যায় , শুভ শক্তির আধার সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর , আর অপশক্তির আধার শয়তান বা এ জাতীয় কেউ। কোরানে সেই ইশ্বরকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এখন কোরান পড়লে আল্লাহর যে চরিত্র বা কাজ কর্ম দেখি , তাতে দ্ব্যর্থহীন ভাবে প্রমানিত হয় যে , এই আল্লাহই আসলে শয়তান। যেমন - আল্লাহ হবে ন্যায়বান , সমদর্শী , ন্যায় বিচারক , দয়ালু ইত্যাদি। কিন্তু কোরানের আল্লাহকে দেখা যায় , সে নির্মম নিষ্ঠুর কুটিল অনৈতিক এবং এমন কি অপরাধ কার্যক্রমের দোসর- যা আসলে শয়তানের বৈশিষ্ট্য হবে। নিচে বিভিন্ন পয়েন্ট দেখান হলো , কেন আল্লাহই আসলে শয়তান।

বাঙ্গালী মুসলমান মানেই সুবিধাবাদী এবং ক্ষমতা লোভী: ইকরামুল শামীম


মাটি দিয়ে তৈরি করলে মূর্তি, পাথর দিয়ে ভাস্কর্য, হাতে কিংবা ক্যামেরায় স্থীর চিত্র।

বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসা ব্যাতীত প্রতিটি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল তথা বড় আলেমের কক্ষে সরকার দলের নেতা নেত্রীর ছবি, বড় বড় রেস্তোরাঁর দেওয়ালে বিভিন্ন প্রাণীর আঁকা চিত্র, হুজুরেরা যে টাকা নিয়ে ঘুরছে তাতেও ছবি আছে। ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট নিষেধ আছে এবং বলাও আছে, যে ঘরে প্রাণী কিংবা কারো ছবি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেস্তা প্রবেশ করে না। এমনকি নামাজ পড়লেও নামাজ হবে না। তাহলে কিভাবে মৌলভীরা ছবি তুলে, টিভির পর্দায় কিংবা খবরের শিরোনাম হয় আমার বোধগোম্য হচ্ছে না।

রোহিঙ্গা সমস্যা : সমাধান কোথায়?


মানবতার খাতিরে এ পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। মায়ানমারে এ নিপীড়ন
বন্ধ না হওয়ায় তাদের আসার এ ধারা অব্যাহত আছে। মানুষ হিসেবে তাদের পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বাঁচার অধিকার আছে। বাংলাদেশের আবেগপ্রবণ মানুষ স্বাগত জানালেও আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য সতর্ক থাকা জরুরী। বাংলাদেশ সরকার কতৃক রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের উদ্যোগ অত্যান্ত সময়োপযোগি একটি সিদ্ধান্ত। সব রোহিঙ্গা লোককে এর আওতায় আনতে পারলে আমাদের জন্য মঙ্গল।

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ


আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে, বৌদ্ধবিহারে আগুন দিবে—তবুও এরা মুসলমান! তবুও এদের কিছু বলা যাবে না। কারণ, এরা মুসলমান! এই নামধারী-মুসলমানরাই এখন রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুল! কুম্ভিরাশ্রু আরকি! তার কারণ, এরা ষড়যন্ত্রকারী। এদের রোহিঙ্গাপ্রীতিও সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই নামধারী-মুসলমানদের মনে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মানুষের জন্য সামান্যতম মায়ামমতা নাই, অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র ভক্তিশ্রদ্ধা নাই, এদের মধ্যে ন্যূনতম মানবতাবোধ নাই—সর্বোপরি এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্বও নাই। তবুও এরা মুসলমান!

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : চতুর্থ পর্ব


মাতৃগর্ভের আকাঙ্খা ভারতীয় মিস্টিকদের ধারনায় যে ভাবে অধ্যাত্মবাদের রক্তমাংসে মূর্ত হয়ে উঠেছে তা অন্য ক্ষেত্রেও দুর্লভ নয়। আদিম সংস্কৃতিতেও আমরা ঠিক এই ভাবধারাকেই দানা বেঁধে উঠতে দেখি। আধ্যাত্মিক উপলব্ধীর খুব গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বারবারই আমরা সদ্যজাত শিশুর জন্ম অভিজ্ঞতা ও তৎসঞ্জাত অনুভবের স্ফুরণ বিভিন্ন ভাবেই চিত্রিত ও বর্ণিত হতে দেখি। প্যাগান ধর্ম থেকে সেমিটিক ধর্মে এসেও বিভিন্ন মানব সম্প্রদায় আধ্যাত্মিক উপলব্ধী বলে যে অনুভব আর অভিজ্ঞতাকে আবিস্কার করেছে তার মধ্যেও এই মাতৃগর্ভের অভিজ্ঞতার স্মৃতি প্রকট হয়ে ওঠে। মানব মনের স্বাভাবিক ও চিরন্তন আকাঙ্খাই যেন তার অধ্যাত্ববাদী চেতনায় বার বার দেখা দিয়ে

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর