নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

আমাদের মানসিকতাই প্রধান সমস্যা


গত তিন-চারদিন ধরে বাংলাদেশের অনলাইন সমাজে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটে গেছে। রাতারাতি হঠাৎ আমরা টের পেলাম, অনলাইনে ফেইসবুকনিবাসী হাজার হাজার মিলিটারী স্ট্রাটেজিস্ট, প্যারা মিলিটারি কমান্ডো, জেমস বন্ড, মাসুদ রানা, মেজর, কর্নেল, ব্রিগেডিয়ার, জেনারেলে উপচে পড়ছে। এই এসপিওনাজ এজেন্টরা ১০ তলার এসিরুমে বসে পায়ের উপর পা তুলে ফেইসবুকে একটু পর পর হাঁক দেন, শালার কয়েকটা চুনোপুটি জঙ্গীরে তিন দিনেও মারতে পারে না আর্মি! নিশ্চয়ই এইটা ইন্ডিয়ান আর্মি। নাটক নাটক, সব নাটক!

হে মুমিন, আসো , যারা খাটি জিহাদীদেরকে জঙ্গি বলে অপমান করে , তাদের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি


হে মুমিন , আজ খাটি মুমিন তথা জিহাদীদেরকে জঙ্গি বলে অপবাদ দিয়ে ইসলামকেই অপমান করা হচ্ছে। আল্লাহ ও তার নবীকে অপমান করা হচ্ছে। আর এভাবে ইসলামকে একটা জঙ্গি বা বর্বর ধর্ম হিসাবে প্রচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইহুদি নাসারা কাফেররা। তাই আমাদেরকে দেখা উচিত , যাদেরকে তারা জঙ্গি বলছে তারা খাটি ও সহিহ ইসলামী পথে আছে কি না , প্রথমেই দেখা যাক ----

জঙ্গির আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢাললে লাভ হবে?


এই দেশে বর্তমানে জঙ্গিদের আগা কেটে গোড়ায় নিয়মিত পানি ঢালা হচ্ছে। এই কথাটি শোনামাত্র হয়তো কেউ-কেউ রাগান্বিত হতে পারেন। আবার অনেকেই সমর্থনও করবেন—এও জানি। আমাদের দেশে বর্তমানে জঙ্গিদমনের নামে মাঝে-মাঝে বিভিন্নরকমের বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়। আর এতে মাঝে-মাঝে দেখি দুই-চারজন জঙ্গি ক্রসফায়ারে মারাও যাচ্ছে। আসলে, এগুলো জঙ্গিদমনের নামে এই দেশে আগাছার মতো গজিয়ে ওঠা জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষের সামান্য কয়েকটি আগা বা ডালপালা কেটে এর গোড়ায় পানি ঢালা। এভাবে, মাঝে-মাঝে দুই-চারজন জঙ্গি মারলেই জঙ্গিদমন হয় না। এজন্য দেশের ভিতরে জঙ্গিউৎপাদনে সমস্ত বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে বা এই বিষবৃক্ষ শিকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলতে হবে। আসুন, আমরা এবার এই দেশের জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষগুলোকে চিনে নিই।
বাংলাদেশে জঙ্গি নামক জঙ্গিউৎপাদনকারী-বিষবৃক্ষের শিকড়গুলো হচ্ছে—

১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের জেলখানা ও স্বাধিনতা পরস্পর বিরধি নয়কি?


ইষ্টিশন ব্লগে বড় বড় অক্ষরে,২৬ই মার্চ মহান স্বাধিনতা দিবস লেখা দেখেই লেখাটা শুরু করেছি কোথায় থামবো জানি না,
আমি জানি না এই ধরনের মূর্খ মনতব্যকারির বিপক্ষে ঠিক কি লেখা উচিৎ, কারো কাছে স্বাধিনতার সংগা যদি হয়„ ১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের জেলখানা,তাকে কি বলা যায় ? কেউ যদি মনে করে, মানুষের জাতায়াতকে শিমাবদ্ধ করবার নাম স্বাধিনতা তাকে কি বলবেন ?
কেউ যদি মনে করে সামরিক বাহিনি নামক সন্ত্রাসি গোষ্ঠি পুষবার নাম স্বাধিনতা তাকে কি বলবেন ?
আমার মনে হয়, একমাত্র অতিবর্বর পিশাচ শ্রেনির কেউ না হলে, রাষ্ট নামক জেলখানাকে স্বাধিনতা শব্দের সাথে জুড়তে
পারে না ।

প্রকাশ্য চুমু নিষিদ্ধ; আসুন মুহাম্মদীয় তরীকায় নারীকে গর্ভবতী করি।


অনেক আগে এই লেখাটা আমারব্লগ'এ দিয়েছিলাম। এখানেও দিয়েছিলাম। তবে যে আইডি থেকে দিয়েছিলা সে আইডিটা ডিএক্টিভেট। সুতরাং মুহাম্মদ ও তার নারকীয় ধর্মের বিরুদ্ধে পুনরায় লিখতে এই লেখাটা দিলাম।

একজন মুসলমান জঙ্গি হতে পারেনা?


শুরুটা হয়েছিল রাজীব হায়দারকে হত্যার মধ্য দিয়ে। সেটা ২০১৩ সালের কথা। এর পর পর্যায়ক্রমে ঘটতে থাকে ধর্মের দোহাই দিয়ে হত্যাকান্ড। ব্লগার, মুক্তচিন্তাবিদ, পুরোহিত, চার্চের ফাদার, স্কুল শিক্ষক; শেষ পর্যন্ত বাদ যায়নি মসজিদের ইমাম। তখন, অনেকেই যুক্তি দিয়েছে যে, ধর্ম নিয়ে লেখালেখি করলে এমনি হবে। তাদের হত্যা করা ঠিক বলেও অনেকে ফতোয়া দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!


১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

বাংলাদেশে মানব-ইতিহাসের নিকৃষ্ট, নির্লজ্জ ও ঘৃণ্যপন্থায় ইয়াবাপাচার (নারীর যৌনাঙ্গে ইয়াবাপাচারের ভিডিওলিংকসহ)


দেশের বইবিমুখ-যুবসমাজ এমনিতে আজ রসাতলে যেতে বসেছে। তার উপরে নতুন করে আঘাত হেনেছে জীবনীশক্তিধ্বংসকারী এই ইয়াবা। এর ছোবলে দেশের যুবসমাজ ধীরে-ধীরে অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যেতে বসেছে। আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষাবাহিনী অনেক ইয়াবা-ব্যবসায়ীকে মাঝে-মাঝে গ্রেফতার করছে। কিন্তু এতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সবসময় সম্পূর্ণ ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে একটি প্রভাবশালীচক্র—গডফাদারগোষ্ঠী। এবার এদের গ্রেফতার করতে হবে।

ধর্মে রক্ত চোষক


একটি শিশু যখন বড় হয় ধীরে ধীরে; আমরা তার হাতে বই তুলে দিইনা। তুলে দেই টিভি বা মোবাইল'কে। তাদেরকে শিক্ষামূলক কিছু শিখাইনা; বদলে তাদের অশ্লীল কুরুচিপূর্ণ নাচ কিংবা সিনেমা তুলে দিই। পোশাকের বিবেচনায় অশ্লীল বলছিনা। অশ্লীল বলছি পরিচালকের কুরুচিপূর্ণ বিকৃত চিন্তাধারা'কে; যেখানে নারী মাত্র'ই ভোগ্য পণ্য, কামের পিপাসি- হিসেবে তুলে ধরা হয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর