নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আকাশ লীনা
  • নুর নবী দুলাল
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

কুরআন অনলি: (৮) কুরআানে অবিশ্বাস ও তার কারণ!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার আল্লাহর রেফারেন্সে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ব্যাপী (৬১০সাল- ৬৩২ সাল) যে বানীগুলো প্রচার করেছিলেন তার এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, একই বাক্য বা বিষয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বার বার উপস্থাপন করা। তিনি তার জবানবন্দি ‘কুরআনে’ ঘোষণা দিয়েছেন যে, অবিশ্বাসীরা তার দাবীকে নাকচ করতেন এই অভিযোগে যে তিনি যা প্রচার করছেন তা তাদের কাছে ‘পূর্ববর্তীদের কিচ্ছা-কাহিনী ও উপকথা বৈ আর কিছু নয়।’

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

সংখ্যালঘু নিধনযজ্ঞে বাংলাদেশঃ এর শেষ কোথায়?


গত সপ্তাহে রংপুরে এত বড় একটা ঘটনা ঘটে যাবার পর শুক্রবার রাতে নিকটবর্তী জেলা নওগাঁতে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাংচুর করার ঘটনা নতুন করে একটা বিষয় ভাবতে বাধ্য করে। আসলে এসব কি হচ্ছে!! কেন হচ্ছে!! সরকারের সদিচ্ছা থাকলে যেখানে মাছি পালানোর অবকাশ নেই সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে এসব হচ্ছে!!

যা হচ্ছে একে বলে 'এথনিক ক্লিনজিং' । এথনিক ক্লিনজিং হলো কোনো নির্দিষ্ট জাতি বা গোষ্ঠীকে উক্ত জনপদ থেকে নির্মূলীকরণ। এথনিক ক্লিনজিং তিন ভাবে হতে পারে।
১। সামরিকভাবে
২। রাজনৈতিকভাবে
৩। অর্থনৈতিক কূটকৌশল দ্বারা।

নাস্তিকের লেখালেখি


ঘটনা এক

এপিসোড এক :
ধরা যাক আমি বেশ দরিদ্র একজন মানুষ, গ্রামে বসবাস। ভোট দিই বটে তবে কোন দলের সাথে, গ্রামের নেতা গোছের কারো সাথে আমার কোন খাতির নেই। কোন এক সময় গ্রামের একজন প্রভাবশালী নেতা এবং তার সহচরদের দ্বারা আমি আক্রান্ত, অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং শারিরীকভাবে নিগৃহীত হলাম।

এপিসোড :দুই
আমি গেলাম থানায়। পুলিশ মামলা নিল না। উল্টো আমাকেই ধমকালো। আবার সেই নিপীড়নকারী নেতার হাতে আমি দ্বিতীয় দফা নিগৃহীত হলাম।

ইসলামের বিধান: দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই হারাম , কারন ইসলাম হলো Death Cult


ইসলামের বিধান অনুযায়ী, এই দুনিয়া দুই দিনের জন্যে পরীক্ষা ক্ষেত্র মাত্র। মরার পরের জগতই আসল। দুই দিনের দুনিয়াতে থাকার সময় যেসব নেক কাম কাজ মুমিন বান্দারা করবে, যাকে বলে পরীক্ষা , তার ভিত্তিতে কেয়ামতের মাঠে বিচার হবে , যারা পাশ করবে , তারা সোজা বেহেস্তে চলে যাবে। দুনিয়াতে সেই পরীক্ষা দিতে হলে অনেকগুলো কাজ করা যাবে না , যাকে হারাম বলা হয়েছে। সেইসব হারাম কাজের ভিত্তিতে বিচার করলে দেখা যায়, দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই একটা মহা হারাম কাজ।

ধার্মিক ও অসাম্প্রদায়িক : পারষ্পরিক সম্পর্ক


ধার্মিকতা এবং অসাম্প্রদায়িকতা একসাথে যায়না। এই থিসিসটা শুনতে খারাপ এবং ভাবতে নির্বোধের মতো মনে হয় অনেকের কাছে। তবুও একবার ভেবে দেখা যাক।

তার আগে একটা কথা বলে রাখি।কলহপ্রিয় মানুষেরা বলেন যে ধর্ম বলতে বোঝায় কোন কিছুর অর্ন্তগত বৈশিষ্ট্য। যেমন আগুনের ধর্ম উত্তাপ, বাতাসের ধর্ম প্রবাহমানতা ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের জন্য জ্ঞাতব্য হচ্ছে পদার্থের বৈশিষ্ট্য (Properties) আর মানুষ কর্তৃক মান্য সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাকেন্দ্রিক ধর্ম (religion) - এ দুটোকে একসাথে গোলাবেন না। যদি না গোলান তাহলে পরের কথায় আসি।

তারপরও বলতে হবে শিক্ষার উন্নয়ন..?


কোন দলান্ধ ব্যক্তি ছাড়া, বাংলাদেশে কেউ বলবে না যে সবকিছু ঠিকঠাক মত চলছে। আর মাত্র ৩ বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপিত হবে। এই ৫০ বছরে শিক্ষার মত একটি অতি মৌলিক বিষয়কে আমরা একটি কাঠামোর মধ্যে দাড় করাতে পারিনি। ঠিক করতে পারিনি, শিক্ষার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। এবং তার সাথে সঙ্গতি রেখে একটি শিক্ষাব্যবস্থা। অথবা যে শিক্ষাব্যবস্থা আছে সেখানেও কোন সৃংখলা আনা যায়নি, যা আছে সেখানেও তৈরী হচ্ছে নিয়ত বিশৃংখলা ও নৈরাজ্য!

তবুও টিটু রায়কে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?


বাংলাদেশে ইতঃপূর্বে অনেকবার সাম্প্রদায়িক-দাঙ্গা হয়েছে। তবে ইদানীং বিভিন্ন তুচ্ছবিষয়কে কেন্দ্র করে দাঙ্গার পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে। ২০১২ সালে, পার্বত্যচট্টগ্রামের রামুতে মুসলমান-নামধারী সাম্প্রদায়িকপশুগুলো রাতের আঁধারে, দিনদুপুরে যে যেভাবে পেরেছে রামুর বৌদ্ধবিহারে নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছিলো। তাদের তাণ্ডবলীলা দেখলে যেকোনো মানুষ মনে করবে এখানে হয়তো পৃথিবীর সর্বকালের-সর্বকুখ্যাত ও হিংস্র কোনো শূয়র ভয়ংকর আগ্রাসন চালিয়েছে। আসলে, এগুলো আমাদের বাংলাদেশের আত্মস্বীকৃত-ধার্মিক তথা একশ্রেণীর নামধারী-মুসলমানই ইসলামের নামে এসব করেছে।

বৃক্ষ


আমি বেশ্যা, আমি জারজ, আমি হিজড়া,
ভালোবাসতে জানি, ভালোবাসা বুক ভরা,

এ নাম, আমায় দিয়েছে কারা?
সভ্যতার মুখোশ পরা অসভ্যরা।

আমি পথশিশু, আমি ধর্ষিতা,
আমি দেখেছি নোংরা সভ্যতা।

আজকাল আর কোনকিছুতেই,
কিছু যায়-আসেনা,
শিখে গেছি, হুমড়ি খেয়ে পরে গেলে,
কিভাবে উঠে দাড়াতে হয়,
এ পৃথিবী দুর্বলদের জন্য নয়।
কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে,
জীবন যুদ্ধে যে হার মানে না,
বিজয়ী বলি আমি তাঁকেই।

কোন তন্ত্র, কোন নীতি মানুষের জন্য আদর্শ?



স্বাধীনতার পর দেশ এগিয়েছে, বছরে আমাদের মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার হয়েছে পড়লাম। ভেনেজুয়েলার মানুষের মাথাপিছু আয় এখনো সম্ভবত ৮-১০ হাজার ডলার। ভেনেজুয়েলাকে বিশ্ব বাতিল অর্থনীতির দেশ, ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা শুরু করেছে। অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের স্বচ্ছতার দিক থেকে আমাদের তো তাদের ধারেকাছে যেতেও অনেকটা পথ বাকি, সেটুকু পথের দূরত্ব এখনও দশক দশকের পথ যদি প্রবৃদ্ধির হার দুই অংকেও পৌঁছায়। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র এসব বাজে কথা, দেশের মানুষ আগে নিজেদের কিভাবে চালাবে সেই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র স্বচ্ছতার সাথে ঠিক করুক।

সেদিন মানুষের জন্য আমাদের প্রাণ কাঁদেনি, কেঁদেছিলো ধর্মের জন্য।


মিয়ানমারে উগ্র বার্মিবাদীদের হাতে যখন রাখাইনরা নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো, তখন আমাদের দেশের মানুষের মানবতা অন্তত প্রথম বারের জন্য হলেও উঁকি দিয়েছিলো। আমরা যারা মানুষের জন্য মানুষের মন সিক্ত হওয়ার মতো জগৎশ্রেষ্ঠ সুন্দর দৃশ্যটি দেখার অপেক্ষায় ছিলাম, তারা খুশি হলাম এই ভেবে যে, যাক আমরা শেষ পর্যন্ত মানুষ হতে পারলাম! মানুষের জন্য কাঁদার মানসিকতার মতো মনোহরবৃত্তি জগতে আর কিছু নেই। আমরা সেটা রপ্ত করে ফেলেছি!

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর