নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

অভিজিৎ রায়রা হারলে হারবে বাঙলাদেশ!


অমর একুশে গ্রন্থমেলায় এবার কিছু বই কিনলাম। হুমায়ুন আজাদ, তসলিমা নাসরিনের বেশ কয়েকটা বই সংগ্রহ করেছি। এছাড়াও পরিচিত, অপরিচিত অনেক লেখক, কবি'র বই-ই সংগ্রহ করেছি যথা সাধ্য। এক বেলা না খেয়ে ২০০ টাকা বাঁচিয়েছি, কিংবা গুলশান থেকে হেটে সোহরাওয়্যার্দী উদ্যান গিয়েছি এবং আবার হেটে সোহরাওয়্যার্দী উদ্যান থেকে হেটে গুলশান এসেছি। এতে করে যে টাকা বেঁচেছে তা দিয়ে বই কিনেছি। বন্ধু মহলের দু-একজনকে উপহারও দিয়েছি। আমি চাই বই সবাই পড়ুক, যারা পড়ে অহরহ তারাও এবং যাদের বই পড়ায় অনীহা তারাও। আমি চাই মানুষ সত্যিকার অর্থে পাঠক হোক, মুক্তিচিন্তা করতে বই পড়ুক।

অভিজিৎ রায়ের বহুমাত্রিক খুনিরা


অভিজিৎ রায়কে খুন করেছে ফান্ডামেন্টালিস্টরা, আর এই খুনের ইন্ডিমিনিটি দিয়েছে মডারেটরা। অভিজিৎ রায়ের লেখার জন্য একদল খুন করেছে তাকে, আরেকদল তার লেখাকে নিষিদ্ধ করেছে। অভিজিৎ রায় জানত একদল তালেবান টাইপ ইসলামপন্থি তাকে অরক্ষিত অবস্থায় পেলে হত্যা করতেও দ্বিধা করবে না। কিন্তু তিনি যেটা জানতেন না- তার রক্ত মোছার কাজে নিয়োজিত হবে তারাই যারা সাম্প্রদায়িক আর মৌলবাদ বিরোধী…। অভিজিৎ জানতেন কিনা জানি না, সাম্প্রদায়িক পরিচয়ে বিভাজিতরাই এ দেশের অসাম্প্রদায়িকতার সোল এজেন্ট…।

সত্যবাদী স্বাগতম


সত্য বলতে গিয়ে যদি আমাকে নাস্তিক ইহুদি-নাসাদের এজেন্ট হিসেবে কেউ ভূষিত করে তবে আমি তাই।কারো কথায় যায় আসে না।আমার আদর্শের জন্য প্রিয় এক বন্ধুর সাথে সম্পর্ক হারিয়েছে।যাকে ভালোবেসেছি তার সাথে বিচ্ছেদ হয়েছে।চক্রবাক তার আদর্শের জন্য সর্বহারা হতে রাজি শুধু আদর্শ বিসর্জন দিতে রাজি না।আমি চক্রবাক শুভ বুদ্ধির ফুল ফোটাতে এসেছি,যারা সত্য বলে তাদের স্বাগতম জানাতে এসেছি।

মুরতাদ ড. আহমেদ শরীফ


বাংলাদেশে সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতে আহমদ শরীফ এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি সবার কাছে প্রিয় হওয়ার দুর্বলতাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিলেন। আহমদ শরীফ চট্টগ্রামের পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী গ্রামে ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯২১ সালে জন্মেছিলেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে ঢাকায় মারা যান। কলেজে অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু। এরপরে এক বছরের কিছু বেশি সময় রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রে অনুষ্ঠান সহকারী হিসেবে থাকার পর ১৯৫০-এর শেষের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগ দিয়ে একটানা ৩৪ বছর অধ্যাপনা করে ১৯৮৩ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

কবি রবীন্দ্র নাথের সাথে নবী মুহাম্মাদের তুলনা কতটা যৌক্তিক


রবীন্দ্র নাথ মৃনালী দেবীকে ৭ বছর বয়সে ধর্ষণ করেছিল তাই একজন ধর্ষকের গান কবিতা বা জাতীয় সংগীত বাদ দেয়া কেন অযৌতিক হবে ? আমার আগের পোস্ট এর "পড়তে এখানে কিলিক করুন "শেষ দুটি মন্তব্যের বিষয় বস্তু এই পোস্ট টি দিতে অনুপ্রাণিত করলো।

বাঙলার মুক্তচিন্তক আহমদ শরীফের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি


আহমদ শরীফ বাঙলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি, দর্শন, ইতিহাসের অসামান্য পণ্ডিত, বিদ্রোহী, অসাম্প্রদায়িক, যুক্তিবাদী, দার্শনিক, বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব-যাকে সকল সরকার ও দলীয় চাটুকাররা ভয়ের চোখে দেখতো, প্রগতিশীল, মানবতাবাদী, আধুনিকতাবাদী আন্দোলন-মুক্তবুদ্ধির ও নির্মোহ চিন্তার ধারক।

#অযাচিত_বাক্যব্যয়...! পার্ট- #অনুভূতি_জঙ্গল(১)


২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২সালের এইদিনেই রোপিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশে'র বীজ, যে বীজ ১৯৭১এর ১৬ডিসেম্বর-এ এক ফলবান বৃক্ষে পরিণত হয়েছে, প্রত্যাশার সীমা অসীম ছিলনা, হয়তো আরো বেশি হওয়ার প্রয়োজন ছিল, তা কিন্তু হয়নি, কারণ আমরা বাঙালিরা অল্পতে সন্তুষ্ট থাকতে জানি, কিন্তু বেশি প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা মুক্ত নিজেকে রাখতে পারিনা সচরাচর; সত্যি বলতে এ আমাদের স্বভাবজাত, আর এ স্বভাবই হয়তো আজ এই নতুন বাংলাদেশ (অনেকের চোখে ডিজিটাল বাংলাদেশ, আমার চোখে কারিগর দিকেই) দেখতে পাচ্ছি; লা ব্যাকরণাদি, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক আন্দোলন- এ সবই আজ কোন না কোনভাবে বিতর্কের মাঝে পড়ে গেছে, প্রশ্ন হচ্ছে কেন?

ফেসবুকে এখনও ‘রোহিঙ্গানির্যাতন’-এর ছবি এবং বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক-অপশক্তির অপরাজনীতি


বর্তমানে অং সান সুচী নামক যে নেত্রী আছে—সে বার্মার সামরিকজান্তাদের তল্পিবাহক। আর সুচীদের অনুমোদনেই বার্মার সেনাবাহিনী রাখাইন-রাজত্বপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নৃগোষ্ঠীকে নির্যাতন করছে। আবার অনেকে বলেছে, এদের চিরতরে বার্মা থেকে বিদায় করতে চাচ্ছে। এই ঘটনার কিছুটা সত্যতা রয়েছে। আর মিয়ানমারে কিছুটা রোহিঙ্গানির্যাতন হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের কিছুসংখ্যক দালাল ও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীবংশজাত-কুচক্রীমহল যা-বলছে তা আদৌ সত্য নয়। এরা রোহিঙ্গানির্যাতনকে সারাবিশ্বের ইস্যু হিসাবে দাঁড় করানোর জন্য নিজেরা ঘরে বসে যে যেখানে যে-সব আজেবাজে ছবি বা মানুষহত্যার ছবি পাচ্ছে তা-ই নিয়ে অপপ্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর তারা সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে এগুলোকে বার্মার রোহিঙ্গানির্যাতনের ছবি বলে অপপ্রচার করছে। এদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। এরা সাম্প্রদায়িকপশুশক্তি।

প্রার্থনা কি ও উহার কার্যকারিতা কিসে?


প্রার্থনা কি ও উহার কার্যকারিতা কিসে?

O my God! There is no God. He is in nowhere but in human belief.

ঈশ্বর থাকুক বা না থাকুক; উহা আছে মানুষের বিশ্বাসে কিংবা নিঃশ্বাসে। ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা মূলত অবচেতন ও চেতন মনের মিথোষ্ক্রিয়ায় ইতিবাচক ফল লাভের আকাঙ্খা। একজন নাস্তিক কিংবা অজ্ঞেয়বাদী অন্যের শুভকামনা কিংবা মঙ্গলকামনা করেন সেটাও প্রার্থনা।

মানুষ যা চায় তা সে পাবেই পাবে যদি এবং কেবল যদি উহা মনছবি আকারে উহা চেতন মন থেকে অবচেতন মনে প্রোগ্রামিত হয়।

৭১-রে ভারত যদি পাকিদের হাতে আমাদের তুলে দিত তখন কেমন লাগত?


মায়ানমারের বৌদ্ধদের হাতে নির্যাতিত—নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিমরা আজ চরম মানবেতর দিন অতিবাহিত করছে ৷ বাবার সামনে মেয়েকে,ছেলের সামনে মাকে উলঙ্গ করে ধর্ষণ করছে ৷ ছিড়ে ছিড়ে খাচ্ছে মুসলিমদের ৷ 
যাহোক রোহিঙ্গাদের উপরে যখন অমানবিক নির্যাতন শুরু হলো ৷ তখন রোহিঙ্গা মুসলিমরা জীবনের ভয়ে নদী পথে সোনার বাংলাদেশে আসলো আশ্রয়ের জন্য ৷ কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় না দিয়ে ফেরত পাঠালেন বৌদ্ধদের হাতে ৷ হায় রে ! মানবতা ৷ 
শেষ কথা ৭১ সালে পাকিস্তানী বাহিনীরা যখন আমাদের উপর বর্বর অত্যাচার শুরু করলো ৷ তখন আমার জীবন বাচানোর তাগিদে দেশ ত্যাগ করে ভারতে গেলাম আশ্রয়ের জন্য ৷ ভারত সরকার আশ্রয় দিল ৷

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর