নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

সমালোচনা

বিষাক্ত রাজনীতি:- ষষ্ঠ পর্ব-


রাজনৈতিক লাভ লোকসানের বলি হয়ে চন্দ্রশেখর সরকার পড়ে যায়, সেই সঙ্গে রামজন্মভূমি বাবরি মসজিদ বিতর্কের সুষ্ঠ সমাধানের প্রয়াস ও সমাধিস্থ হয়। এমত অবস্থায় কংগ্রেস মনে করে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করা উচিত হবে না তাই তারা নির্বাচনের দিকে যায়, একই সঙ্গে 1991 সালের দশম লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে ওঠে। এই নির্বাচন দুটি আবহে লড়া হয় প্রথমত- মন্ডল কমিশনের সুপারিশ গুলি বাস্তবায়নের ফলে ওবিসি দের 27% সংরক্ষণ দেওয়া হয়, যার ফলে উচ্চবর্ণের মানুষদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। দেশের বহু জায়গায় এই নিয়ে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এর যথার্থ মূল্য দিতে হয় বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং এর জনতা পার্টিকে। যে জনতা পার্টি 1989 এর লোক

প্রতিষ্ঠানিক শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে না ?


শুধু একটু ভাবুন আমাদের শিক্ষাপদ্ধতি, পাঠদান পদ্ধতি সরকার পরিবর্তন করছেন, যুগউপোযোগী করে গোড়ে তোলার চেষ্টা করছেন রাত দিন, কিন্তু এর সুফল কখনো কি আসবে যদি শিক্ষার্থীদের মননের মাঝে শিক্ষা গেঁথে না দেয়া যায়? ভয় নিয়ে কখনো শেখা যায় না, শিক্ষা আমরা লাভ করি নির্মল মানসিকতায় থেকে। আমাকে আমার এক স্যার সব সময় তিরস্কার করতো, কারন আমার সমাজের পড়া মুখস্ত না থাকলেও গান কবিতা ঠিকই মুখস্ত থাকতো, থাকবে না কেন বলুন তো? ওটা আমি বিনোদনের মাধ্যমে গ্রহন করছে, গান কবিতার না শিখার জন্য আমার কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেই, কোনো হুমকি নেই পাশ ফেইলের, ওটা আমার বিনোদনের জায়গা। একটু ভাবুন পাঠ্যসূচি ভূক্ত এইসব পড়া কেন আমরা ধারণ করতে পারছি না, কারন ভয় আছে, শাস্তি আছে, পাশ-ফেইল আছে। বিশ্বাস করুন শুধু মাত্র শিক্ষার্থীদের উপর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবারের মানসিক চাপটা সরিয়ে দেয়া যায়, যদি শিক্ষাকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে দেশে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়বে।

ঢাকা নিঃস্ববিদ্যালয়,,,


খুব জানতে ইচ্ছে করে-
এখন প্রধানমন্ত্রীর রাতের ঘুম হয় কি না ? নাকি লন্ডন টাইমের ভেরিয়েশান বলে ঘুম আসতে দেরি হইছে!

না মানে,ওনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- "সাধারন ছাত্রীদের চিন্তায় ওনার রাত্রে ঘুম আসে নি, সারাক্ষণ চিন্তায় থাকতেন,ছাত্রীদের কোন বিপদ আপদ হয় কি না।"

সুফিয়া কামাল হল থেকে রাতের বেলা ছাত্রীদের বের করে দিচ্ছে। এতে কোন ছাত্রীর কোন রকম ক্ষতি হলে এর দায়ভার কে নিবে?
কারা/কাদের নির্দেশে রাতের বেলা ওদের বের করে দিচ্ছে?

প্রসঙ্গঃ জাকির নায়েক কোন ডাক্তার নন বরং টিভি সম্প্রচার, মোবাইল ও সিডি-ডিভিডি ব্যবসার মাধ্যমে মুসলিমদের থেকে বিপুল অর্থ লুটপাট করা একজন ভণ্ড ধর্ম-ব্যবসায়ী


লেখকঃ মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী

ফেসবুক আইডিঃ https://www.facebook.com/mushfiqueimtiaz

প্রশ্নঃ জাকির নায়েক কী একজন ডাক্তার ?

উত্তরঃ জাকির নায়েক কোনভাবেই একজন ডাক্তার নন।

১) উইকিপিডিয়া এবং জাকির নায়েকের সাইট IRF থেকে জাকির নায়েকের জীবনী থেকে জানা যায় -

বুক রিভিউঃ ওয়েটিং ফর গডো, স্যামুয়েল বেকেট



বুক রিভিউ
বইঃ ওয়েটিং ফর গডো (Waiting for Godot)
লেখকঃ স্যামুয়েল বেকেট
ধরণঃ অধিবাস্তব নাটক
রচনাকালঃ ১৯৪৮-১৯৪৯
প্রথম প্রদর্শনীঃ ৫ জানুয়ারি, ১৯৫৩

কোটা আন্দোলন সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর উষ্মা এবং জাফর ইকবালের চামচামী।


কোটা সংস্কার আন্দোলন ছাত্ররা করেছে নিজস্ব তাড়না থেকে, সেটাকে মিস্টার ইকবাল যথেষ্ট কম গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন বলে আখ্যা দিলেন। যার জন্য ঢাকার রাস্তাঘাট বন্ধ করা নিতান্তই অযৌক্তিক তার কাছে। কিন্তু এই যে গতমার্চেই ৭ই মার্চের ভাষণ উদ্‌যাপন, উন্নয়নশীল দেশের ভুয়া স্ট্যাটাস পাবার উদ্‌যাপনকে ঘিরে সমস্ত ঢাকা শহর যখন আওয়ামী লীগই বন্ধ করে দেয় কই তখন তো দেখলাম কোনো গার্মেন্টস কর্মী, রিক্সাচালক কিংবা এম্বুলেন্সের রোগী নিয়ে কথা বলতে? কখন বললেন? যখন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে একটা ঝাড়ি তাকে দিয়েছে। প্রায় প্রতি সপ্তাতেই ঢাকার কোনো না কোনো এলাকায় আওয়ামীলীগের কোনো না কোনো সমাবেশ চলতেই থাকে, এইতো গেলো ৩১মার্চ সম্পূর্ন মিরপুর বন্ধ করে দিয়ে তারা দূর্নীতি বিরোধী সমাবেশ করলো, তখন তো মিস্টার ইকবাল লিখলো না আহারে, একটা ছেলেমেয়ে যদি পরীক্ষা দিতে যেতে দেরি হয়?

এখানে রয়েছে মিথ্যে মেধা বহনকারী একদল ছাত্র নামে অছাত্রের দল


আমি বরাবর'ই কোটা সংস্কারের পক্ষে ছিলাম, এখনও আছি। তবে বাতিল নয়,এ নিতান্তপক্ষেই সরকারের এক কালো ও নির্মম সিদ্ধান্ত। সবার আগে যা কলঙ্কীত করেছে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার'কে।

তাইবলে, যারা এই প্রতিবাদ'কে প্রশ্নবিদ্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে তাদের পক্ষে ছিলাম না।
আমি দেখেছি অহিংস আন্দোলনের নাম ধারণ করে হাতে বাঁশ,লাঠি ও লৌহ পদার্থ বহন করে বারবার শো-ডাউন করতে।
দেখেছি মুখোশ পরে বারবার উস্কানি মূলোক বক্তব্য দিতে,এবং এই বক্তব্য'কে কোন কিছু না ভেবেই সায় দিতে সাধারণ কোমলময়ি ছাত্রছাত্রী বৃন্দ।
বারবার বলেছিলাম এর ভেতরে লুকিয়ে আছে বিষাক্ত সাপ।সেই সাপের বিষের প্রকট আঘাতে আজ এই অবস্থা।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর