নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • গোলাম সারওয়ার

নতুন যাত্রী

  • অনিক চক্রবর্তী
  • অনুভব রিজওয়ান
  • মোমিন মাহদী
  • নাঈম উদ্দীন
  • সাইফ উদ্দীন
  • সংগ্রামী আমি
  • মোঃ নাহিদ হোসোইন
  • পাপেন ত্রিপুরা
  • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
  • রজন্ত মিত্র

আপনি এখানে

সমালোচনা

ধর্মীয় কুযুক্তি


মাঝে মাঝে ধর্মীয় চ্যানেল গুলো দেখি। না আমি ধার্মিক না যে ধর্ম জানার জন্য দেখি। আমি দেখি যে ধর্ম প্রচারকরা কত টুকু অযুক্তিক যুক্তি দিতে পারেন আর মানুষ কিভাবে কুযুক্তি গুলো গ্রহণ করে। ধর্ম প্রচারকরা আজকাল ধর্মকে বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কে কতটুকু বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করতে পারেন তা নিয়া তাদের মাঝে প্রতিযোগিতা চলছে। আর এ কাতারে তাদের প্রধান হাতিয়ার হলো বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আমরা জানি যে আজ বিজ্ঞান সব রহস্যের সমাধান করতে পারে নাই। বিজ্ঞান আজ অনেক অনেক কিছু জানে না। আর এটাকেই ধর্ম প্রচারক রা তাদের কাজে লাগান। আজ বিবর্তনবাদ যদিও পরিক্ষিত ভাবে প্রমানিত যে প্রকৃতির সবকিছ

প্রশ্নপত্র ফাঁসঃ প্রতিকারের কার্যকর উপায় কি নেই?



প্রকৃতির লোকজন। যেভাবে এখন ইন্টারনেটের সুবিধা নিয়ে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে ইন্টারনেট বন্ধেরই চিন্তাভাবনা চলছে। আজকে করবারও কথা ছিল বেশ দীর্ঘ একটা সময়। কালকে এই ব্যাপারে আধঘন্টার মহড়াও করা হলো। এই অল্প সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকবার কারণে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণটা কি যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারেন? সম্ভবত পারেন না। টাকার অংকে এই ক্ষতির পরিমাণটা বিশাল হবার কথা, সেই সাথে দেশে ও দেশের বাইরে জরুরী যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভোগান্তি তো বোনাস। অনেক সময়ই দেখা যায় ব্যবসার জন্য, প্রাতিষ্ঠানিক কাজে এই সময়ে তাৎক্ষণিক ইমেইল কিংবা ডকুমেন্ট পাঠাবার প্রয়োজন হয়। গতকালের আধঘন্টাতেই কতজন এমন ভোগান্তিতে পড়েছেন কে জানে।

ধিক্কার ইসলাম ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলোকে| ইকরামুল শামীম


রাগ কিভাবে হ্রাস করবো খুঁজে পাচ্ছি না। মনে মনে ইচ্ছে মত জামায়াত-শিবিরের চৌদ্দগোষ্টি উদ্ধার করছি। তবুও কিছুতে রাগ কমছে না। শিবিরের এক কর্মী এমনকি পাঞ্জেগানা ও জুমা মসজিদের ইমাম, যার পিছনে দৈনিক শত শত মুসল্লী নামাজ পড়ে। তার থেকে বেগম জিয়ার নিকট উড়ো চিঠি কেমন যেন বেমানান। তিনি বা তার দল যে ইসলাম ধর্মের জন্য রাজনীতি করছেন না উক্ত চিঠি দ্বারা প্রমাণিত।

মাদ্রাসায় হুজুর দ্বারা সংগঠিত ঘটনা গুলো সমকামীতা নাকি শিশুকামীতা?


সমকামীতা, নাউজুবিল্লাহ। সক্কাল সক্কাল “ইস্টিশন দল” নামক একটা নাস্তিকদের গ্রুপে দেখলাম একভদ্দর লোক একটা লেখা শেয়ার করছেন “ইসলামিক রিসার্স ফাউন্ডেশন” পেইজ লিঙ্ক নামক একটা পেইজ থেকে। একটা শিশুর মস্তছিন্ন দেহ আর আর আলাদা মস্তকের দুটা ছবিও পোষ্টের সাথে শেয়ার করা আছে। ঘটনা আলহামদুলিল্লাহ্ একজন হুজুর ঘটিয়েছেন। তো সেই পোষ্টে বলা হয়েছে হুজুরের অপকর্ম দেখে ফেলেছিলো বলে ছেলেটিকে হত্যা করা হয়েছে। কি অপকর্ম করেছিলো হুজুর? একজনের সাথে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলো সমলিঙ্গের, যাই হোক সেই পেইজে এটাকে সমকামীতা বলে আখ্যা দেয়া হলেও আমার ঘোর আপত্তি আছে একটা রিসার্স পেইজ পেডোফিলিয়ার বা শিশুকামীতার মতো ইস্যুকে সমকামীতা বলে আখ্যা দেয় কিভাবে!

খালেদা জিয়ার রায় জনমনে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে?


ব্যাংকলুটের হোতাদের বহাল তবিয়তে রেখে, শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারির হোতা দরবেশ বাবাকে খুশি রেখে, দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকে কারাগারের অন্ধকারে নিক্ষেপ করা প্রশ্নবিদ্ধ হবে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

জগতের সমস্ত সাফল্য সিগারেটখোরদের অধিকারে যাবে


জীবনে তো একটাও সিগারেট খাইলি না। কি করলি এই জীবনে?
বন্ধুর এই বাচ্যে আমি রীতিমত আৎকে উঠলাম। অবশ্য মুখে কিছু বললাম না। কপালে তৎক্ষণাৎ চিন্তার ভাঁজ পড়ল। আচ্ছা, আমি কি সত্যি জীবনে কিছু করিনি? আমার জীবনটা কি এই সিগারেট না খাওয়ার জন্যই ব্যর্থ হয়ে গেল? হায় হায়! এ তো বড় চিন্তার বিষয়!

কারাদন্ডের নামে অপরাধী বানানোর প্রক্রিয়া বন্ধ হোক।



ধরুন ধর্ষনের অপরাধে কোনো ব্যক্তিকে ১৪ বছরের সাজা দেয়া হলো, কিন্তু এতে করে ঠিক কি লাভ হয়? মৃত্যুদন্ড নামক সাজাটা হলো একজন অপরাধীর জীবনাবসান ঘটানো। কিন্তু কারাদন্ড মানে আমি যা বুঝি তা হলো একজন অপরাধীর অপরাধমূলক মানসিকতার পরিবর্তন করার চেষ্টা, সম্ভবত ক্রিমিনালজীর ভাষায় একে "Reformative Theory" বলা হয়।

বাঙালির স্বভাব ও হিপোক্রিসি।


বাঙালির স্বভাবটাই হিপোক্রিসিতে ভরপুর।বাঙালির কোনো কথায় বিশ্বাস করা যায় না।বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও তাদের মধ্যে হিপোক্রিসি অবস্থান করে।বিশ্বাস করতে গেলেও হিপোক্রিসি।কাউকে তার উপর বিশ্বাস করতে বাধ্য করলেও হিপোক্রিসি।সবক্ষেত্রেই হিপোক্রিসি।

নারীকে কেন আলাদাভাবে সম্মান করতে হবে? নারী কি রুগ্ন?


নারীকে অপদস্থ করা, নারীর কাপড় চোপড় টেনে হিঁছড়ে লাঞ্চিত করা, অপমান করা, পণ্য করা, দুর্বল ভেবে তাকে নির্যাতন করা এটা নারীর প্রতি সহস্র সহস্র বছর ধরে চলা পুরুষতান্ত্রিকতার ইতিহাস। এখনো এই সমাজে নারীকে পুরুষের সমকক্ষ ভাবা হয় না। ভাবা হয় এক দুর্বল, অক্ষম, রুগ্ন প্রজাতি। গত কয়েকদিন আগে শায়লা শ্রাবনী নামক যে মেয়েটি আরেকটি মেয়ের বস্ত্র হরণ করার যে প্রয়াস চালিয়ে ছিলেন। তা দেখে মনে হয়েছিল, শায়লা শ্রাবনী নিজেই একজন পুরুষতন্ত্রের একনিষ্ঠ সেবাদাসী! যেন আরেক জন মেয়ের কাপড়-চোপড় টেনে খোলায় মধ্যে তিনি পুরুষতন্ত্র চর্চার অমৃত স্বাদ পেয়েছিলেন! পুরুষতান্ত্রিকতা কি শুধু পুরুষরা চর্চা করেন?

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর