নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 11 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আরমান অর্ক
  • উর্বি
  • নুর নবী দুলাল
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • মিশু মিলন
  • সুমিত রায়
  • মিসির আলী
  • হেজিং

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

রাজনীতি

ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত(শেষ পর্ব): মুক্তিসংগ্রাম নাকি সন্ত্রাসবাদ


একটি জাতি যখন তাদের দখলদার শাসকদের বৈষম্য আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বা স্বতন্ত্রতা রক্ষার জন্য লড়াই করে তখনই তাকে মুক্তিসংগ্রাম বলে। এই মুক্তিসংগ্রাম পরোক্ষভাবে হয়তো সেই পুরো প্রতিপক্ষ জাতিটির বিরুদ্ধে ঘটে কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে এই লড়াইটা অবশ্যই সেই প্রতিপক্ষ জাতিটির সসস্ত্র সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধেই হতে হবে। যদি সেই লড়াইটা প্রতিপক্ষের নিরস্ত্র সিভিলিয়ান বা বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় তাহলে তা আর মুক্তিসংগ্রাম থাকে না, সেটা হয়ে যায় সন্ত্রাসবাদ। আর তার সাথে যদি ধর্মীয় আদর্শগত দ্বন্দ্ব জড়িত থাকে তাহলে তো সেটা মুক্তিসংগ্রাম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে প্যালেস্টাইন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম চালাচ্ছে গত প্রায় ৭০ বছর ধরে তা কি মুক্তিসংগ্রাম নাকি সন্ত্রাসবাদ। কিংবা বর্তমানে পুরো পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে মুসলিমরা যে তান্ডব চালাচ্ছে তা কি আসলেই কোন মুক্তিসংগ্রাম বা অত্যাচারীর ইটের বদলে পাটকেল? এই শেষ পর্বে এসে আমরা সেই প্রশ্নগুলোরই উত্তর খুঁজবো।

৫৭ ধারার শিকার এবার ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদ !!!


শিশুর আঁকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্রের কার্ড বানিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি ও অবমাননার অভিযোগে বরগুনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারেক সালমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইমতিয়াজ মাহমুদ নামে সুপ্রীম কোর্টের এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি সদর থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ১৭, তারিখ-২১-০৭-২০১৭।

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি :রাজনীতির ধর্মহীনতা


ধর্মভিত্তিক দল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বেও এই অঞ্চলে সক্রিয় ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নতুন করে আরো কিছু ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব ঘটেছে। তারপরও বাংলাদেশের সবগুলো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের মোট সমর্থকদের সংখ্যা আওয়ামীলীগ বা বিএনপি যে কারোর একক সমর্থকের সমান নয়। জামায়াতের সমর্থক সংখ্যা যতই কম হোক তাদের সংগঠন অত্যন্ত সুসংগঠিত,অর্থকড়ি প্রচুর এবং বিধ্বংসী ক্ষমতা মারাত্মক। সারা দেশের আনাচে কানাচে তাদের অল্পসংখ্যক হলেও সমর্থক এবং আকারে ক্ষুদ্র হলেও সংগঠন আছে। তবুও ভোটের হিসাবে তারা এখনো নগন্য। অন্যান্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ও সংগঠন সম্পর্কে খুব একটা জানা যায়না। প্রশ্ন

ফরহাদ মজহারের অপহরণ ও দিল্লী ওয়াশিংটনের ছায়া যুদ্ধ


ফরহাদ মজহার অপহৃত হওয়ার পর সুস্থ্য শরিরে ফিরে এসেছেন এতে গোস্যা হইছেন পশ্চিমা ‘সেক্যুলারগন’। একইসঙ্গে শাহবাগের একটি অংশ ব্যাপক নাখোশ হইছেন।

ফিরে দেখা আওয়ামী লীগের অতীত (পর্ব-৩)


২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। ২০০৯ সালে ২৪ জুলাই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অষ্টাদশ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এ কাউন্সিলে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দ আশরাফ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েই দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা বাস্তবায়ন করতে শুরু করেন। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশের তৃণমূল থেকে রাজধানী শহর পর্যন্ত সকল মানুষের কাছে তথ্যপ্রবাহ ও প

ঢেকে আছে আঁধারেই


বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যত আঁধারেই ঢেকে রয়েছে। বর্তমানে নিজেদের মধ্যে হানাহানি ও নিজেদের হামলা-মামলায় জড়িয়ে পড়েছে বিএনপিসহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। বিএনপির কর্মীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে, কে কখন কোন মামলায় জড়িয়ে পড়েন। অবিশ্বাস ও প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে মাঠ পর্যায়ে হতাশা বিরাজ করছে। আর এ কারণেই আগামীতে সরকার পতন আন্দোলন জোরদার হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। দলের বিভিন্ন স্তরের কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেছেন, দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় অনেক ত্যাগী নেতা-কর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। ত্যাগী নেতা-কর্ম

পরকীয়া


জঙ্গিরাও মূলত ভিকটিম, যেমন ভিকটিম তাদের হামলায় নিহত মানুষেরা। জঙ্গিরা জীবন নেয়- লেখকের, বিদেশী গোবেচারা নিরপরাধ মানুষের। কিন্তু জীবন চলে যায় তাদেরও। তারাও বাঁচতে পারে না। সুখে থাকে তাদের ব্যবহারকারী রাজনৈতিক শয়তান আর বুদ্ধিজীবী মাস্টারমাইন্ডরা, সুখে থাকে 'টাকার বিনিময় জঙ্গি সরবরাহকারী' ধর্মব্যবসায়ীরা।

জনগণকে দেখানোর জন্য রাজনৈতিক শয়তানরা জঙ্গি দমনের নাটক করে। ক্রসফায়ার হয় অনেক। তাতে জঙ্গি মরে, পুলিশ মরে। অথচ ক্রসফায়ারে একটা ধর্মব্যবসায়ী মরে না। রাজনৈতিক শয়তানদের সাথে ধর্ম-ব্যবসায়ীদের রয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক,
গভীর পরকীয়া।

ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী সরকার বনাম বাংলাদেশ অসম্প্রদায়িক সরকারের নীতি। তবুও আমরা অনেক নিচে!



এদেশের নির্যাতিত হিন্দু সংখ্যালঘুদের পক্ষে দাঁড়িয়ে যখন আমরা গুটি কয়েকজন মুসলিম-সাম্প্রদায়িক আক্রমনের বিরুদ্ধে দু-কলম লিখে প্রতিবাদ জানাচ্ছি, চিৎকার করছি, ঠিক তখন ঐদেশে (ভারতের হরিয়ানা আর ঝাড়খণ্ডে) উগ্র হিন্দুবাদীরা গরুর মাংস বহন করা কিংবা ভক্ষন করার অপরাধে (?) দুই সংখ্যালঘু মুসলিম মানুষকে পিঠিয়ে মেরে ফেলেছে। এটা শুনে লজ্জায় মাথা হেট হয়ে যায়। কি ভয়ানক সাম্প্রদায়িকতা আমরা বহন করে চলেছি এই একবিংশ শতাব্দীতে! মানুষ ধর্মের জন্য কিভাবেই না অমানুষ হয়ে উঠেছে।

খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা জাহিদ সরদার সাদী গ্রেফতার


গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শখ হাসিনা যখন বিশ্বের ১৮ নারী নেত্রীর মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন, দেশকে বিশ্ব দরবারে চিনিয়েছেন ঠিক তখনি দেশের নামকে কলঙ্কিত করেছেন দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা জাহিদ সরদার সাদী ওরফে সর্দার ফারুক। আবারও গ্রেফতার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এটি তার জন্য নতুন কোন ঘটনা নয় অতীতেও বহু ঘটনার সাক্ষী তিনি নিজেই। চেক জালিয়াতি, ব্যাংকের সঙ্গে প্রতারণা, বিভিন্নজনের সঙ্গে ঠকবাজি ইত্যাদি মামলায় এর আগে ২০০৯ সালের ৫ মার্চ একই আদালতে সাদীর ৪০ মাসের কারাদণ্ড হয়। এ দণ্ড ভোগের পর তাকে পাঁচ বছরের সুপারভাইজড রিলিজে (কর্তৃপক্ষের

ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র, প্যান ইসলামিজম এবং বাংলাদেশের অবস্থান


ভারত ভাগের আগে পুরো উপমহাদেশে একমাত্র অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশের ক্ষমতাতেই মুসলিম লীগ ছিল, নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি। পাকিস্তান সৃষ্টির পেছনেও সবচেয়ে বড় অবদান ছিল বাংলার মুসলমানদের। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই সোহরাওয়ার্দি কলকাতা ত্যাগ করেননি। উনি হিন্দুদের দ্বারা কলকাতার মুসলমানদের উপর প্রতিহিংসামূলক আক্রমণের আশংকা করছিলেন, এবং সে কারণে মহাত্মা গান্ধী সহ অনেককে কলকাতায় অবস্থান করতে অনুরোধ করেন। তিনি এবং মহাত্মা গান্ধী একই ছাদের নীচে থাকা শুরু করেন যাতে করে উনাদের অনুসারীদের একইভাবে সৌহার্দ্য নিয়ে সহাবস্থানে থাকতে অনুরোধ করা যায়। মহাত্মা গান্ধীর এ ব্যাপারে বিখ্যাত উক্তি আছে, "Adversity makes strange bed-fellows,"

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর