নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

রাজনীতি

খেলার ভেতরে রাজনীতি মেশান


ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮ কে হোস্ট করছেন রাশিয়া। যেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কিংবা বাকস্বাধীনতা বিশাল হুমকির মুখে রয়েছে ২০১১ সাল থেকে। এটাই এখন উপযুক্ত সময়, রুশ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার আন্দোলনকে দৃষ্টিতে আনার।

কল্পনা চাকমা'র অন্তর্ধানের ২২ বছর -এখনও বিচার নেই , রাষ্ট্র এই লজ্জা কোথায় ঢাকবে!



১৯৯৬ সালের ১২ জুন,ঘড়ির সময় ধর'লে ১১ জুনের মধ্যরাত এক'টার দিকে,একটি ভয়ার্ত চিৎকারের রাত। সেই চিৎকার এখনও বাজে প্রতিটি পাহাড়িদের কানে কানে । ১২ জুন ১৯৯৬, থেকে ১২ জুন ২০১৮।সময় অতিক্রম হল ২২ টি বছরের, কিন্তু দীর্ঘ ২২ বছরেও রাষ্ট্র জবাব দিতে পারল না কল্পনা চাকমা কোথায় এবং বিচারের কাঠগড়াই দাঁড়াতে পারলেন না কল্পনা চাকমা'র অপহরণকারীদের। অপরাধী লেফটেনেন্ট ফেরদৌস এবং তার দলবল'কে , ২২ বছরে কোনো শাস্তি দিতে পারে নি কেন রাষ্ট্র? এত বড় লজ্জা রাষ্ট্র কোথায় ঢাকবে ?

বিষাক্ত রাজনীতি:- দশম পর্ব-



মুম্বাই বিস্ফোরণের এই তদন্ত প্রক্রিয়া চলতে থাকে দাউদ ইব্রাহিম, টাইগার মেমন ও ডি কোম্পানির সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়ায় আর একটি নাম উঠে আসে; আর এই নামটি নিয়েই পরবর্তীকালে দেশ জোড়া বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্ক শুরু হয় আদেও এই মানুষটি মুম্বাই বিস্ফোরণে যুক্ত ছিলেন কি না? মুম্বাই বিস্ফোরণের অন্যতম বহু চর্চিত সেই ব্যাক্তিত্বটি হলেন- ইয়াকুব মেমন।

বিষাক্ত রাজনীতি:- নবম পর্ব-


মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে দেশের অবস্থা বহু পরিবর্তিত হয়। বাবরি ধ্বংসের পর মুম্বাইয়ে দাঙ্গা এবং দাঙ্গার প্রতিক্রিয়া হিসাবে মুম্বাই বিস্ফোরণ হয়। সরকারি হিসাবে 257 জনের মৃত্যু হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে শুধুমাত্র মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জের হামলায় পাঁচশো থেকে হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। তাহলে ওই হামলায় মোট কত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ও কতজন আহত হয়েছিল তা সহজেই অনুমান করা যায়। চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ ও ছিন্নভিন্ন দেহ, শহরে যেন রক্তের বন্যা বয়ে চলেছিল! চারিদিকে শুধু মানুষের হাহাকার ও আর্তনাদ! তবে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি এই রকম হামলা হতে পারে?

একরামুল নয়! আওয়ামির গোস্ত আওয়ামি খাচ্ছে



আওয়ামির গোস্ত যখন আওয়ামি খাচ্ছে তখন দেশজুড়ে চলছে আবেগের ঢল৷ এই সুযোগটা হাত ছাড়া করার নয়, স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারকে ধরার৷ দেশে কখন কোন সরকারের বেলা আইন ছিলো? আমার দেখা সেনা শাষণ এক এগারই বেস্ট ছিলো৷ সে সময়টায় কে কি করেছে জানিনা তবে আমরা ঘরের দরজা খোলা রেখে ঘুমিয়েছি আর ঘুমায়নি গুন্ডা পান্ডার দল৷ তারা গুলি করত না, ধরে হাড়ে হাড়ে মারত৷ মারতে দেখেছি তাদেরকেই যারা গরীব মারত৷

একরামুল হক ও বঙ্গবন্ধু


একরামুল যখন নিশ্চিত হলো,যে কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে ঠান্ডা মাথায় খুন করবে রাষ্ট্রের পালিত হিংস্র হায়েনারা। তখনই একরামুল শেষবার যখন তার মেয়ের সাথে কথা বলার সময় মেয়েকে বলতেছিলো, 'মা" আমি বাসায় ফিরে আসমু, একটু সময় লাগবে মা.....। তখন একরামুল ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেছিলো। তার মেয়ে বাবার কান্না শুনে চিৎকার করে উঠে 'বাবা তুমি কাঁদতেছো যে......'!!

এই অডিওটা শুনে আমার কেবল বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়লো। ১৫ আগষ্টে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে দাঁড়ানো অবস্থায় শেখ হাসিনা যদি বঙ্গবন্ধুকে কল দিতেন তবে এই কন্ঠটাই শুনতে পেতেন।
আমাদের দুর্ভাগ্য যে শেখ হাসিনা সেই কান্নাটা শোনেনি। তার শোনা দরকার ছিলো।

কফিনভর্তি বারুদের নির্যাস


আমার জন্যে কয়েক বিলিয়ন কফিন জমা রেখো,প্রিয়তমা।
গোলাপের চাষ অলাভজনক হতে পারে-
পৃথিবীতে যুদ্ধ কখনো থেমে যাবে না।
বাতাসে বারুদ আর সীসা-রক্তের কালো দাগ দেখে যারা, তারাও একসময় পাহাড়ের স্বপ্ন দেখেন,
ফিরে যেতে চান ঘরে,
দ্যাখেন কমলা রোদে জমাট হয়ে আছে গরম পাথর-ফুলের ঘ্রাণ-
প্রেমিকার চুলের মতো আঁধার নেমে আসে যখন যুদ্ধের ডামাডোলে-
যখন রক্তে ভিজে আসে হাসপাতাল আর সাদা বেডসিট।

ফুটো নৌকোয় পারাপার


এই পৃথিবীর স্মরণসভায় যখন জমা হয় কালো বিদ্যতা,
আমাদের স্বেছামৃত্যু ও স্বেচ্ছাভোটদান যখন একই পেয়ালায় চা খায়।
দেখি নির্বাণলালাভ করতে চায় কতক মোনাফেক,
রাস্তায় জমে জল,ভেঙেপড়ে অসুস্থ গার্মেন্টসের কঙ্কাল;সাভার ট্রাজেডি।
গুলশান হয়ে যায় মৌলবাদের শস্যক্ষেত্র।
আমরা তবু নিরপেক্ষ হয়ে থাকি নিজস্ব বেডরুমে-যতক্ষন না-গরম এসে পড়ে আমাদের তীব্র উপহাস ফেটে পড়ে অট্টহাস্যে।
যতক্ষণ না চাপাতির ধার এসে লাগে আমাদের ঘাড়ে,
কেটে যায় কয়েকটা শিরা-উপশিরা,রাস্তায় নামে রক্তের বান।
আমরা দেখি আর অট্টহাস্যে ফেটে পড়ি,দেখি সঙমবিহীন ফুল ফুটে থাকে বারান্দায়-

মক্কাতে নয় , বরং পেট্রাতেই ইসলামের জন্ম (অকাট্য প্রমান)



মক্কাতে নয় , বরং পেট্রাতেই যে ইসলামের জন্ম সেটা সর্ব প্রথম ড্যান গিবসন নামের এক কানাডিয়ান ভদ্রলোক দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর গবেষণা করে আবিস্কার করেছেন। প্রথমে শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও , আমি নিজে বিষয়টা পরীক্ষা করে দেখেছি এবং দেখলাম ঘটনা সম্পূর্ন সত্য। এবার আমার গবেষণার বিষয়টা উল্লেখ করছি।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর