নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • ইকারাস
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • দুরের পাখি
  • দীপঙ্কর বেরা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • ফারুক
  • রাফিন জয়
  • রাহাত মুস্তাফিজ
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

রাজনীতি

রাষ্ট্র ও ধর্ম : পরিপূরক নাকি ক্ষতিকারক?


আমাদের রাষ্ট্রভাষা বাংলা এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। একটা অর্জনের জন্য আমাদের পূর্ব প্রজন্মের লোকেরা জীবন দিয়েছেন এবং অন্যটা পাওয়ার ফলে আমাদের প্রাণের অপচয় হচ্ছে। দ্বিতীয়টা নিয়েই লিখবো।

প্রশ্ন - ১


আচ্ছা কমুনিস্ট পার্টির কর্মীরা তো দলান্ধ নয় তাহলে তারা তাদের লিডারের এভাবে আদর্শ চ্যুত হওয়াতে চুপ করে আছে কেন?? কাহিনী কি?? এবার বলুনতো দলান্ধ কোথায় নেই??

সিরিয়াস ট্রিটিজ অন ফেমিনিজম-২, এসএসএসএম পর্ব - প্রথমাংশ


বাংলাদেশের প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোর খুব অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেখা যায় । যেমন ধরেন, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, রয়াল ইউনিভার্সিটি ; ইত্যাকার নানান বর্ণালী । এমন একটা আন্তর্জাতিক ভার্সিটি বানালে কেমন হয় ? নাম হবে ইউনিভার্সিটি অফ প্রাইম মিনিস্টারস । এই ভার্সিটি থেকে যারা পাশ করবে তারা বিভিন্ন দেশে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চাকরি পাবে । ছাত্র/ছাত্রী কোন দেশের নাগরিক, সেটাও ব্যাপার না, কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী হলো সেটাও ব্যাপার না । ঐ ভার্সিটি থেকে পাশ করলেই হলো ।

ব্যাপারটা উদ্ভট হলেও বাস্তবের তুলনায় উদ্ভট নয় । উদ্ভটতার দিক থেকে বাস্তবতা প্রায়ই কল্পণাকে হার মানায় । নিয়মিত ।

হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল


জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

তবে কি আমরা আরেকটি স্নায়ু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে?


১৯৮৭ সালে Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty (INF) সাক্ষর করেন গর্বাচেভ এবং রোনাল্ড রিগ্যান। এই চুক্তিই ছিল স্নায়ু যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত। ৩ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে গর্বাচেভ এবং রিগ্যানের উত্তরসূরি জর্জ হোয়াইট ডাব্লিউ বুশ, 'মাল্টা সামিটে' "স্নায়ু যুদ্ধ"র সমাপ্তি ঘোষণা করেন। একবছর পর গাল্ফ যুদ্ধে ইরাকের বিপক্ষে দুই শত্রু একসাথে যুদ্ধ করে। কিন্তু ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়। আদতে বিশ্বে মাত্র একটু শক্তিধর রাষ্ট্র থেকে যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশাল রাশান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে।

রাজনীতির জাঁতাকলে সংখ্যালঘু- 'ভোলা'-নির্বাচন পরবর্তী ২০০১


বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ, পূর্ব নাম শাহবাজপুর- এখনের নাম ভোলা। ভোলার উত্তরে বরিশাল জেলা ও মেঘনা নদী, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে নোয়াখালী, লক্ষীপুর জেলা ও মেঘনা নদী এবং পশ্চিমে বরিশাল, পটুয়াখালী জেলা ও তেঁতুলিয়া নদী অবস্থিত।

ভোলা জেলায় ২০০১ সালে হিন্দু ছিল ৭২ হাজার ২৭৫ জন। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় হিন্দু জনসংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ১৬২ জনে।

ট্রাম্প এবং পুতিন বিশ্বকে কোন দিকে নেবে?


অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, এমনকি আমাদের মত সাধারণ মানুষও ধারণা পোষন করেন যে আমেরিকা মিখাইল গর্বাচেভ কে নোবেল শান্তি পুরস্কারের টোপ গিলিয়ে দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন কে ভেঙে টুকরা টুকরা করে দিয়েছিল। যা ছিল সোভিয়েত রাশিয়া এবং তার তৎকালীন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির জন্য বিশাল ধাক্কা বা এক ধাক্কায় ধরণী প্রপাত অবস্থা। ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিকে জনাব পুতিন অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তাকে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে তা তাদের বর্তমান সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডে স্পষ্টভাবেই পরিলক্ষিত।

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (দ্বিতীয় অংশ)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ। জেরুজালেম।
রাশিদুন খলিফা উমর ইবনে খাত্তাব।

একহাজার একশো রাতের গল্পঃ নির্বাচন সরকার গণতন্ত্র


আপনি বই পড়তে, গান শুনতে, সিনেমা দেখতে ভালোবাসেন। আমিও ভীষণ ভালোবাসি। শিল্পসংস্কৃতির প্রতি মানুষের তৃষ্ণা আদিম ও সার্বজনীন। কারণ মানুষের ভেতরে কমিউনিকেট করার আকাঙ্ক্ষা আছে। অন্যের ভেতরে নিজেকে আবিষ্কার করার আকাঙ্ক্ষাও আছে। শিল্পসংস্কৃতির নানা মাধ্যম মানুষের সেই আকাঙ্ক্ষা মেটায়। প্রাচীন পুঁথিসাহিত্য থেকে আধুনিক বিশ্বসাহিত্য, অতীতের যাত্রাপালা থেকে বর্তমান থিয়েটার, মানুষের সাথে মানুষের কমিউনিকেট করার আকাঙ্খারই সাক্ষ্য।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর