নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

সাহিত্য

সৌমিত্র শেখরের "সৃজনশীল শিক্ষাব্যবস্থা"র সমালোচনার বিপরীতে আমার কিছু কথা


গত ২২/০১/১৭ তারিখের 'দৈনিক প্রথম আলো' পত্রিকায় স্যার সৌমিত্র শেখরের 'সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতির' সমালোচনা করে লেখা একটি সম্পাদকীয় পড়ে মনে হল কিছু লেখা উচিত, সেই তাগিদ থেকেই এই ব্লগ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল-অধ্যাপক উপাধিতে ভূষিত শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সৌমিত্র শেখরের মতামতের সমালোচনা করার কোন যোগ্যতা বা অধিকার কোনটাই আমার নেই।শুধু স্যারের সাথে আমার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য তুলে ধরছি।স্যার আমাদের 'সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি' কে 'সৃষ্টিছাড়া সৃজনশীলতা'য় অভিহিত করে সমালোচনা করেছেন।তিনি এটির সমালোচনা করেছেন কারণ এতে প্রশ্নের উত্তর লেখার ক্ষেত্রে কিছুটা নির্দিষ্ট সীমা আছে এবং কবিতা তারা যেটা প্রায়শই মুখে আওড়াতে পার

বইকথন: ২০১৬ তে আমার পড়া সেরা বইগুলো


২০১৬ তে খুব বেশি বই পড়িনি। এবছরেও পড়তে পারবো খুব বেশি, এমনটা মনে হচ্ছে না। তবুও কিছু অসাধারণ বই এসেছিল হাতে। পড়েছি। আলোকিত হয়েছি। খুলে দিয়েছে তারা মনের অনেক রুদ্ধদুয়ার। আলো ফেলেছে হৃদয়ের অচেনা কোন কোনে।
আমারএই পোস্ট, আমার সবচেয়ে বেশি ভাল লাগা পাঁচটা বই নিয়ে। যে-বইগুলো নিয়ে লিখবো বলে ঠিক করেছি- আমার উচিৎ ছিল, তাদের প্রত্যেককে নিয়ে পূর্নাঙ্গ একটা করে রিভিউ লেখা। মুগ্ধতা প্রকাশ করা। কিন্তু পারিনি। আলস্য এই অপারগতার কারণ- এটা বলা মিথ্যে হবে। বোধকরি কারণটা আমার অক্ষমতা। বইগুলো এতোটাই আবিশ্ট করে রেখেছিল যে, সেমুহূর্তে কিছু লিখলে তা হত বইগুলোর নির্জলা প্রশংসা। রিভিউ নয়। কিছুসময় চিন্তা করে, ভাবনাগুলো গুছিয়ে নিয়ে, হৃষ্টশান্ত মনে না লিখলে- "রি-ভিউ" শব্দটার প্রতি, টার্মটার প্রতি সুবিচার করা হয় না ঠিক।

জোছনা


জোছনায় অালোকিত রাত,
নিমগ্ন তোমার উষ্ণতায়।
কল্পনায় তোমায় ছুঁতে পারি,
প্রচন্ড শীতের থরথর কাঁপি।
তোমার অপেক্ষায় রাত জেগে থাকা,
তোমার স্মৃতিতে শব্দছক অাঁকি।
শিউরে ওঠে অনুভুতিগুলো,
ক্ষণে ক্ষণে সম্মোহিত হই।
তোমার ভয়ংকর রূপসুধায়,
মুগ্ধতায় লুটোপুটি খাই।
তুমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন,
আমি তোমার ছায়া খুঁজে যাই।
কিছু অপেক্ষা মধুর হয়,
অনুভবের কড়া ঘ্রাণ পেলে।
এ অদ্ভুত সুন্দর শীত জোছনায়,
তুমি এসো উষ্ণ অালিঙ্গনে।

হে ধরণী, আমরা অবিচলঃ তীর্থের কুহকের কবিতাগুচ্ছ (২)


অবিচল , ও ধরণী, আমরা অবিচল -

নিপীড়নে দারিদ্র্য এসে দুয়ারে হাজির
খাদ্যশস্য নেই বরাদ্দ আমাদের জন্য কোন
আবহমান এ অবক্ষয় যেন সামাজিক আখ্যান ।

তরুণদের একটি প্রস্তাবনা ছিল
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থেকে জবাবদিহিতা হোক শুরু
সরকার কেন জনবিরুদ্ধ রাজনৈতিক দাবার চালে-
জনতাকে আবদ্ধ করেছে শেকলে ।

যদি আমরা দাড়াতে পারি- নির্ভয় চিত্তে
আওয়াজ উঠবে বজ্রকন্ঠে-
রাজনৈতিক ধনতন্ত্রের পাপাচার –ধ্বংস ও মৃত্যুর ব্যালট নিয়ে আসে ।

অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল
অবিচল, হে ধরণী, আমরা অবিচল।

চোখের আঁড়াল মানেই মনের আঁড়াল নয়


ধর্মপুর, কুমিল্লা।
১৭/১০/১৬ইং
প্রিয় রাত্রি,
আজ সন্ধ্যেবেলা যখন ঘুম থেকে উঠলাম, তখন মাথাটা কেনো যেনো ধরে ছিলো।
পড়ার রুমে ঢুকে কিছুক্ষণ বসে রইলাম।
সন্ধ্যের নাস্তা শেষ করে কিছুক্ষণ একটা সাহিত্য সাময়িকী ঘাটার পর যখন দেখলাম সাতটা বাজে, তখন বই নিয়ে বসলাম পড়তে। কিন্তু মনোযোগ যে আজ কিছুতেই আসছে না।
তাই ছাদে এলাম। একবার ভাবলাম তোকে ফোন দেই। কিন্তু পরক্ষণেই মনে হলো, তুই বলেছিলি যে তোর ফোন কয়েক সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে। তাই তোকে আর ফোন দিলাম না।

যেই সাহিত্য জাগায় না, সেই সাহিত্যের প্রয়োজন নেই আমার


প্রাতিষ্টানিক শিক্ষার পাঠ চুকিয়েছি ছোট বেলায়। এদেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রাতিষ্টানিক শিক্ষা বলতে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত। আমার তারো একধাপ নিচে। বলা যায় আর্থিকাভাবে পড়তে পারিনি। জীবিকার তাগিতে কর্মজীবন বেছে নিতে হয়েছিল। পরিবার থেকে ঠেলে পাঠিয়েছিল হাতের কাজ শিখতে। ঐ কাজ শিখা অবস্থায় দীর্ঘ পাঁচ বছর বই থেকে যোজন যোজন দুরে ছিলাম। কাজ যখন শিখা হয়েছে, নিজে যখন স্বাধীন, তখন আবার বইয়ের দিকে ঝুকে (নিজের কাজ ও অর্থের বারোটা বাজিয়ে) পড়েছিলাম। প্রথম বই মেলায় গিয়ে বই কিনি জীবনানন্দের কবিতা সমগ্র। বইয়ের কবিতাগুলো যখন পড়ি কিছুই বুঝিনা! হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি...

বাঙালির আবার নিজস্ব সংস্কৃতি


ইদানীংকার বাঙালিদের ভেতর আবার নিজেস্ব সংস্কৃতি নামক একটা ধারণার চুলকানি শুরু হয়েছে।যেখানে সংস্কৃতির প্রধান অংশ ভাষাটাই তাদের নিজেদের দখলে নেই, সারাদিন এই ভাষা ব্যবহার করলে কম করে হলে ও ১০০ বার বিদেশি ভাষার শব্দের লিঙ্গ চুষতে হয়ে, সেখানে বাঙালি এসেছে নিজের সংস্কৃতির বড়াই করতে!!

ভাঁড় আমি


আজকাল মনে হয় হয়ে গেছি ভাঁড়
তাই করি চাহে যাহা জগত সম্রাট।
বেঁচে দিছি দিনরাত্রি, ঘোডার খুরের
শব্দস্বপ্ন, জন্মাবধি কাম্য পিরীতের
পিরামিড আরোহণ। বহু-যত্নে-জ্বালা
আনন কানন নিভে গেছে। সাংগ্রিলা
যেতে পারতাম যদি, সহজ পাখির
মতো উড়ে স্বপ্ন নিয়ে মিষ্টি জোছনার।

ভাঁড় আমি। সময়ের সমারোহে চলি
যেমন চাহেন তারা। হরদম বলি
যেমন চাহেন তারা। মস্করায় মাতি
সারাক্ষণ; নিজেকে ও ছাড়ি না। প্রভাতি
রাগের মাতমে পরিষ্কার ঠাঁটে যদি
আর একবার প্রকৃত প্রবলে জাগি!

২০১৬র কাজঃ লাল আগস্টের গান ও সোনাবরু


২০১৬তে আমি উল্লেখযোগ্য কাজ করেছি মাত্র দুটো। দুটি গান লিখেছি। সুর করে গেয়েছে স্বরব্যাঞ্জো, তাঁদের জন্য ভালবাসা, যারা শুনেছেন এবং শোনেননি তাঁদের জন্য গানদুটি লিরিকসসহ আবার দিলাম।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর