নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ইস্টিশন মাস্টার
  • তানভীর রুসমত
  • নুর নবী দুলাল
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী
  • শুভ্র আহমেদ বিপ্লব
  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল

আপনি এখানে

সাহিত্য

সাহিত্যে সোভিয়েত:নয়া দুনিয়ার নতুন পাঠ


'ইউরোপ ভূত দেখেছে - কমিউনিজমের ভূত! কথাটি মার্কস -এঙ্গেলস বলেছিলেন ১৮৪৮ সালে ' কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো ' রচনায়।১৬৯ বছর আগে তাদের উল্লেখিত সেই ভূত কোন অশরীরী কিংবা নিছক কাল্পনিক ছিল না। তার সাক্ষাৎ মেলে ১৮৭১ সালে প্যারী কমিউনে।এই ভূত হচ্ছে আর কিছু নয় - ইউরোপের নব উত্থিত মজদুর শ্রেণি।যার ভয়ে ভীত কম্পমান রেনেসাঁ ও ফরাসী বিপ্লবের ধ্বজাধারী বুর্জোয়া সমাজ এবং ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত ও অভিজাততন্ত্র। প্যারীতে ব্যর্থ হওয়া শ্রমিক শ্রেণির রাষ্ট্র গঠনের সেই চিন্তা কমিউন ভেঙ্গে যাওয়া মাঝেই থেমে থাকে নি।উৎপাদন যন্ত্র ও শক্তি বিকাশের প্রতিযোগিতায় ক্রমান্বয়ে পিষ্ট হওয়া নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকাঙ্খাই সেই স্বপ্নকে জাগিয়ে রাখে।পুঁজিবাদ যত বিকশিত ও শক্তিশালী হতে থাকে ততই সংঘবদ্ধ হতে থাকে শ্রমিকদের ধর্মঘট - আন্দোলন। প্যারীর এই শিক্ষা শ্রমজীবী মানুষের মুক্তির লড়াইকে ছড়িয়ে দেয় দেশে দেশে। তারই এক পর্যায়ে ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর (পুরানো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর) বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়ালো সোভিয়েত রাশিয়া।কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে এই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কাঁপিয়ে দিলো পুরো দুনিয়া। বিপ্লবের ঢেউ আছড়ে পড়লো সমস্ত বিশ্বে।দেশে দেশে শোষিত নিপীড়িত মানুষের মুক্তির কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ালো সোভিয়েত ইউনিয়ন।

ভালো আছি, ভালো থেকো


এখন আমি ভালো থাকি, কেন জানোতো...?
তুমি চাও আমি ভালো থাকি।
নিজের জন্য ভালো থাকতে সেই কবেইতো ভুলে গেছি...

তোমার শেষ চাওয়া ছিল আমার ভালো থাকা,
সব চাওয়া পুরন করে এটা কেন ফেলে রাখি!!

কে ঐ শোনালো মধু বাঁশরীর ধ্বনি


লোকটা বুড়ো সুড়ো, সকাল থেকেই পিছে পিছে ঘুরছে। ছোট খাটো মত, গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। পুরনো একটা কালো প্যান্টের ওপর খাকি একটা শার্ট পরে আছে । খাকি শার্টে একটা পুলিশ পুলিশ ভাব আছে তবে বছর কয়েক হলো পুলিশ খাকি পরা ছেড়ে দেওয়ায় খাকি রঙের মাহাত্ম্যই চলে গেছে। সুতরাং লোকটাকে বিশেষ পাত্তা দেবার কথা মনেও আসেনি। তাছাড়া ব্যস্ততার মধ্যে সকালটা কেটেছে। আমাদের নতুন অফিসের জন্য ছ’তলার একটা গোটা বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছে। রঙের কাজ চলছে। সেই সঙ্গে ইলেকট্রিশিয়ানরাও ব্যস্ত। অনেক গুলো কম্পিউটার আসবে সেসবের জন্য বিদ্যুতের লাইন এখানে ওখানে নতুন করে বসাতে হচ্ছে। অফিসের মালপত্র এখনও এসে পৌঁছায়নি। এসব কাজ শেষ হলেই এসে পড়বে।

সাঁতারু ও জলকন্যা- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়


ভাবলাম ক্লাসিক বাংলা বই দিয়েই রিভিউ লিখব। রিসেন্টলি দুটো পড়া বই শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর "সাঁতারু ও জলকন্যা।" আর মৈত্রিয়ী দেবীর "ন হন্যতে।"
আমি রিভিউ লিখলে স্পয়লার হয়ে যাওয়ার চান্স থাকেই না গ্যারান্টি দিচ্ছি। তাই পড়েই ফেলুন।
সাঁতারু ও জলকন্যা’ বইয়ের ফ্ল্যাপ কথাঃ

ন হন্যতে মৈত্রেয়ী দেবী


বুক রিভিউ না বলে বলছি কেন পড়বেন "ন হন্যতে।"
মৈত্রেয়ী দেবী যাকে সবসময় পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় বিখ্যাত দার্শনিক সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তের কন্যা, রবীন্দ্রনাথের ভাবশিষ্য আর স্নেহে লালিত (protégée) আবার তিনি পরিচিতও হন মির্চা ইলিয়াড (ইউক্লিড) নামের বিখ্যাত রোমানিয়ান দার্শনিক এর "লা নুই বেঙ্গলী" উপন্যাসের নায়িকা হিসেবে। The Bengali Nights নামে মির্চা ইলিয়াডের লেখা নিয়ে সিনেমাও হয়েছিল।

আমি চলতে থাকি


বহির্মুখ চেতনার উষ্ণ অনুভূতি
দৈনিক ঝরে পড়ে-
ইতিহাস বিকৃত;বিকৃত মগজ;
ঠিকানাছাড়া চলন্ত জীবন
চিলেকোঠায় বসে আকাশের স্বাদ নেয়।

আমি প্রান্তিকের কথা বলতে গিয়ে-
সাম্যতার কোন এক প্রচ্ছদে
বিস্মিত হয়ে ওঠি;

প্রত্নতত্ত্বের ধুলো-
স্নায়ুর নিরেট রসায়নে
সঞ্চিত করে রাখে হাজার বছর,
স্তরে স্তরে যার প্রতিহত সভ্যতার
বিমর্ষ ক্লান্তি, যুগের বঞ্চনা, শতাব্দীর প্রাপ্তি।

উন্মুক্ত মানুষের সমাজে-
প্রথাবদ্ধ স্থিরতা
আঁকড়ে ধরে পিছন থেকে;

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী- হাইতু


হাইতু সেই প্রাণী যা আসন্ন ছাবিশ-শ শতকের মানুষের কাছে আশীর্বাদ স্বরূপ এক ক্ষমতাধর প্রাণী। ক্ষমতার দিক অনুসারে মানুষের পরে অবস্থান দিয়েছে বিশিষ্ট নামকরা সংগঠন বিজ্ঞান আকাদেমি; মিরন গ্যালাক্সির অন্তর্গত ত্রৃয়ন গ্রহে গুজে থাকা অভিনব এ প্রাণীগুলোর স্বত্বকে। পৃথিবী যখন নিশ্চিহ্নের পথে; অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফলে ওজন স্তরের পরিমাণ যখন ৭০ শতাংশে গ্রাস করেছে তখন মারণমুখী পৃথিবীকে বাঁচার জন্য নতুন মুখ হিসেবে মানুষ সাহায্য পায় হাইতুদের কাছে। অন্যপাশে অত্যাধুনিক এই যুগে সাধারণ নিয়মের মতোই হাইতুদের পরের অবস্থানে আছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে মানুষের তৈরি বায়ো-রবোট। বায়ো-রবোট দের মাঝে প্রাণ না থাকলেও তারা মা

নেটের মেয়ে


ফিমেল নামে আইডি খোলা পিপিটা তার ডল,
যায় না বোঝা আইডিখানা রিয়েল নাকি ছল!
একটা এমন আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পেয়ে,
বুঝে নিলো আবুল মিয়া সে খুব ভদ্র মেয়ে!
-
তাইতো আবুল ভাবনা ছাড়াই রিকু গ্রহণ করে,
আবুল এখন টপেই আছে! আর কে তাকে ধরে!
সেই রাতে সে আইডি থেকে মেসেজ আসে "হ্যালো",
মেসেজ পেয়ে আবুল মিয়ার ঘুম পালিয়ে গেল!
-
রাত্রি ধরে চলল চ্যাটিং কথা হলো বেশ,
তবু কথা শেষ হলো না রাত্রি হলো শেষ!
চ্যাটিং করা চলতে থাকে রাত্রি এবং দিন,
আবুল মিয়ার মনে সদাই বাজে খুশির বীণ!
-
দিন হতে দিন আবুল মিয়ার দুর্বলতা বাড়ে,

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর