নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • জাহানারা নূরী
  • মোহাম্মদ আল আমীন
  • সজিব আহামেদ
  • সাগর সাহা
  • মাহবুব আলী
  • সাগর স্পর্শ
  • মীর মোহাম্মদ মামুন
  • শাহরিয়ার_খান_রাব্বি
  • শাহ্রিয়ার খান রাব্বি

আপনি এখানে

সাহিত্য

কবির কলমের খোঁচায় মড়ক লেগে ধ্বংস হোক সকল সাম্প্রদায়িক-নরপশু


এই দেশে এখন প্রায় সবাই জ্ঞানী। এদের কথা শুনলে মনে হয়—এরা কত যেন জানে! আর এরা এমন সব আজগুবি-কথা বলে যে তা শুনলে মনে হবে—এরা কোনো বিজ্ঞানী! আসলে, এইসব অপদার্থের কথার কোনো মাথামুণ্ডু নাই। এরা এমনই গোমূর্খ! কিন্তু ভাব দেখাবে সবজান্তার। অনেকে আবার ‘ইউটিউব’ দেখে-দেখে জ্ঞানী! এখানে, সস্তা কতকগুলো বাঁদরের কথাবার্তা কিংবা সস্তা-লোকের সস্তা-ওয়াজ-নসিহত শুনে এরা এখন সবজান্তা। কিন্তু এই পাষণ্ডগুলো জীবনে একটিবারের জন্যও একটি ভালো-বই কিনবেও না, আর তা পড়বেও না। এদের প্রধান খাদ্য ও আকর্ষণের বিষয় হলো—এদেশীয় কিংবা বিদেশী সস্তা-টিভি-চ্যানেলগুলো। এরা এসবকেই তাদের জীবনের সবকিছু জানার একমাত্র হাতিয়ার, মাধ্যম বা উপকরণ মনে করে থাকে। এগুলো দেখে নানারকম মূর্খের সস্তা-কথাবার্তা শুনে এরা দিন-দিন আরও বেশি মূর্খ হচ্ছে। আরও বেশি জাহেল কিংবা অজ্ঞ হচ্ছে। আর তারা এখানকার জাহেলদের ওয়াজ-নসিহত শুনে কথায়-কথায় মানুষকে বলছে—কাফের, নাস্তিক, মুরতাদ! তবুও এরা মানুষ হওয়ার জন্য জ্ঞানের আধার বইপুস্তক পড়বে না। তবুও এরা কবিতা পড়বে না, গল্প পড়বে না, প্রবন্ধ পড়বে না, আর ভ্রমণকাহিনী পড়বে না। এরা এমনই এক অধম আর নরপশু।

রম্য লেখক মার্ক টোয়েনের কয়েকটি উক্তি, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


প্রারম্ভিকা :
রাষ্ট্র নামক নামক সীমাবদ্ধ ধারণার বাইরে বিশ্বসাহিত্যের যে কয়জন শক্তিধর রচনাকার সারা পৃথিবী নিজের আলোয় আলোকিত করতে পেরেছিলেন মার্ক টোয়েন সেই অনেকের মধ্যে একজন। তাঁর তূলনা তিনি নিজেই।

১ বছর ৭ মাস পর আবারো ইস্টিশনে ছোটগল্প নিয়ে


সোবহান সাহেব বাসা থেকে মন খারাপ করে বেরিয়েছেন।
এই মুহুর্তে তিনি রমনা পার্কে। গাছ গুলো আজ তার খুব আপন মনে হচ্ছে। বাচ্চা বাচ্চা ছেলে মেয়ে গুলো কেমন জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে।
সকাল বেলার মৃদু রোদ খেলা করছে ওদের মুখের উপর। কয়েকটা পাখিও মনে হচ্ছে যেন কোথাও ডেকে উঠলো।

পাঠক তাঁর প্রিয় লেখকের সাথে দেখা না করাই শ্রেয়-বিষাদ আব্দুল্লাহ


পাঠক-লেখকের মধ্যে যখন পারস্পরিক মেলামেশা হয়ে যায়। তখন পাঠক তাঁর প্রিয় লেখককে খুঁজতে থাকে, দেখার করার জন্য মন ছুটতে থাকে উসাইন বোল্টের গতিতে। তা স্বাভাবিক। যখন পাঠক তাঁর প্রিয় লেখকের দেখা পেয়ে যায় ,তখন পাঠক কি ভাবে? অথবা পাঠকের তৎক্ষণাৎ কি চিন্তার উদয় হয় তাঁর মন-মগজে? সে কি আনন্দে মাতোয়ারা? সে কি মর্মান্তিকভাবে হতাশ?

শুধুই আরেকটা রাত


ছেলেটা ব্যস্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে।এইখানে জীবন নিষ্ঠুর তাই অন্ধকার আয়নায় টায় জ্বলে থাকা টিমটিমে আলোর মুঠোফোনের দিকে একনিষ্ঠ ভাবে কেউ তাকিয়ে থাকেনা।সবাই দানবের মতন ছুটে আসা পাবলিক বাস গুলার অপেক্ষায় থাকে।একটা বাস আসে আর সবাই ছুটে যায় একটু জায়গা পাবার আশায়।ঘরে,হলে,মেসে যেতে হবে যে।

বাস আসলো।ছেলেটার চিরপরিচিত রাস্তা দিয়েই ছুটে যাবে সে।ছেলেটা উঠে বাসটা মোটামুটি খালিই পেলো।বাসটার পিছে কোনার একটা সিট ধরে জানালার পাশে চুপচাপ বসে গেল।সাথে সাথেই পাশের সিটের জানালার পাশে গিয়ে একটা মেয়ে বসে গেল।তখনই বাসটা ছেড়ে দিল।সেইদিন অবাক করা ব্যাপার হল বাসের মাঝখানের দাঁড়ানো এর জায়গাটা ছিল সম্পূর্ন খালি।

কলকাতার বই, একুশে বই মেলা, আহমদ ছফা ও পাইরেসি


বই নিষিদ্ধ করা, কিংবা বইয়ের কেনাবেচা বন্ধ করে দেয়াটা একধরণের মূর্খতা। এসব সাময়িক বাঁধার সৃষ্টি করে বটে কিন্তু চিন্তার স্বাধীনতার পথ আটকাতে পারে না কোনভাবেই। আমাদের দেশে একজন সর্বজন স্বীকৃত বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফা। তিনি বেশ আলোচিত- কখনো কখনো বিতর্কিতও। কিন্তু তার রচনা, তার সাক্ষাৎকার পড়ে যতটুকু বুঝেছি, জেনেছি, তাতে তাকে স্রেফ ভ্রষ্ট বুদ্ধির সাম্প্রদায়িক মানুষই মনে হয়েছে। পশ্চিম বঙ্গের লেখকদের বই এদেশে প্রকাশ বন্ধ করার পেছনে তার হাত ছিল সবচেয়ে বেশি।

কাব্য হলেও সত্যি!


দুঃসহ এই ক্রান্তিকালে, শোনাবো তোমায় কাব্য আজ
কুচকে ভ্রু, একটু শোনো, বাদটা রেখে সকল কাজ,
ঝড় তো হবেই, মন উঠোনে, শুনলে কবির বক্তৃতা,
মুখোশ খুলেই একটু ভেবো, তোমার আমার সত্যিটা!
গল্প মোদের সাদা-কালো থেকেই গেলো আজীবন,
স্বপ্ন সেতো স্বপ্ন হয়ে খুজে নিলো ভিন্ন ভুবন!
আশা ছিলো তোমায় সাথেই গড়বো দুজন স্বপ্ন-ঘর,
স্বপ্ন ঘরে ঝড় উঠেছে, শনির দশা করছে ভর!
বিশ্বাসেতে চির ধরেছে, দু প্রান্তে আজ মোরা;
কাচের কিছু ভাঙলে কভু যায় না দেয়া তা জোরা!
তা হলে আজ বলেই ফেলি কি চলছে এই মনে,
তোমার সাথেই যাক না জেনে সবটুকু আজ সব জনে!

জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতাঃ রাজনৈতিক বাস্তবতার চাকায় পিষ্ট জীবন!



“উনিশ শ পঁচাশি সনে একদিন লক্ষ্মীবাজারে শ্যমাপ্রসাদ চৌধুরী লেনের যুবক আবদুল মজিদের পায়ের স্যান্ডেল পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতি বিধানে ব্যর্থ হয়ে ফট করে ছিঁড়ে যায়। আসলে বস্তুর প্রাণতত্ত্ব যদি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতো, তাহলে হয়তো বলা যেত যে, তার ডান পায়ে স্পঞ্জের স্যান্ডেলের ফিতে বস্তুর ব্যর্থতার জন্য নয়, বরং প্রাণের অন্তর্গত সেই কারণে ছিন্ন হয়, যে কারণে এর একটু পর আবদুল মজিদের অস্তিত্ব পুনর্বার ভেঙে পড়তে চায়”

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর