নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বাপ্পার কাব্য
  • নীল কষ্ট
  • মুফতি মাসুদ
  • অনন্য আজাদ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কফিল উদ্দিন মোহাম্মদ
  • সংশপ্তক শুভ

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

সাহিত্য

কাঙ্খিত মৃত্যুকে ঘিরে জগতের তাত্ত্বিক আয়োজন


আমি ঘুমিয়ে পড়লে আমার পারিপার্শ্বিক জগৎ জেগে ওঠে। নিত্যকার মতো অফিস যায়, জ্যামে পড়ে, শেষে ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘরে ফেরে। যখন আমি ঘুমিয়ে থাকি, অবচেতনে কর্মরত আমার পারিপার্শ্বিক জগৎকে স্বপ্নে দেখি। ওরা শুধু একজন বা কয়েকজন নয়, হাজার হাজার জন। হাজার হাজারটা স্বপ্নের আদলে গড়ে ওঠে তারা। ধীরে ধীরে তাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রথম যখন আমি ঘুমোতে শিখি, জন্মের প্রথম দিনে মায়ের কোলে ঘুমিয়েছিলাম যেদিন, তখন থেকে আমার পারিপার্শ্বিক জগতের বস্তু কিংবা ব্যক্তিসংখ্যা বাড়তে শুরু করে। তবে এ জগৎ আমি ব্যতীত অন্য সাধারণ মানুষজন নয়, অর্থাৎ সাধারণ পরিবেশে বসবাসরত ব্যক্তিসত্তার মধ্যে তারা নিরস্তিত্ব। কেবল আমার অবচেতন কিংবা অচেতন মনেই তারা বিদ্যমান; যার অনুভব কেবল আমিই টের পাই।

বৃক্ষ


আমি বেশ্যা, আমি জারজ, আমি হিজড়া,
ভালোবাসতে জানি, ভালোবাসা বুক ভরা,

এ নাম, আমায় দিয়েছে কারা?
সভ্যতার মুখোশ পরা অসভ্যরা।

আমি পথশিশু, আমি ধর্ষিতা,
আমি দেখেছি নোংরা সভ্যতা।

আজকাল আর কোনকিছুতেই,
কিছু যায়-আসেনা,
শিখে গেছি, হুমড়ি খেয়ে পরে গেলে,
কিভাবে উঠে দাড়াতে হয়,
এ পৃথিবী দুর্বলদের জন্য নয়।
কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে,
জীবন যুদ্ধে যে হার মানে না,
বিজয়ী বলি আমি তাঁকেই।

একলা নারী


শোনো, একলা নারী,
ভিক্ষুক বলবে, একলা নাকি?
রেট কত তোর? আমার সাথে যাবি?

চেনা নেই, জানা নেই,
হুট করে গা ঘেঁষে কেউ, ফিসফিস করে বলবে,
একা নাকি? রেট কত? যাবে নাকি?

চেনা মানুষগুলো, হঠাৎ বলে বসবে,
তুই তো একলা, কতদিনের অভুুক্ত তুই,
আয় তোর ক্ষুধা মেটাই,
পুষিয়ে দেব ক্ষন,
ওসব নিয়ে ভাবিস না,
তুই যা চাইবি, তাই সই।

বন্ধু বলবে, দূরে থাকিস কেন রে একা?
আয় আদিম উল্লাসে, মাতাল হই দু'জন
সাড়া কেন দিস না তুই? সত্যি'ই তুই বড্ড বোকা!

গল্প : চৌদ্দ নম্বর


ক্যাম্পাসে আমাকে এই চাকরিটা নিয়ে কম ভোগান্তি পোয়াতে হয়নি। ক্লাসের ছেলেমেয়েদের কাছে লাশের চৌকিদার বলে ঠাট্টা-তামাশার রীতিমত ঘুষির বস্তায় পরিনত হয়েছি। কিন্তু এটাওতো মানতে হবে এরকম আরামের চাকরি আমি আর কোথাই বা পেতাম। পড়াশোনার পাশাপাশি রাতের বেলার কয়েক ঘন্টার বসে থাকা। খাটা খাটনি নেই, ইচ্ছে করলে বইখাতা নিয়ে পড়াশোনাটাও শান্তিমত দেখে নেওয়া যায়। আর যেটা খুব জরুরী সেটা হলো বেতন। টাকাটা আমার টিউশনফি যুগিয়েও ভদ্রলোকের জীবন যাপনটা ঠিক রক্ষা করে চলছে, কম কি। মর্গের চাকরি বলে হেলাফেলা করার উপায় নেই। ক্লাসের পড়া নিয়ে রাতে যখন মাথা খুঁড়ে মরি তখনও এই শীতল ঘরের ঘুমন্ত বাসিন্দারা আমাকে বিরক্ত করেনা। অন্তত এত

জীবনানন্দ দাশের প্রিয় পঙক্তিরা


জীবনানন্দকে যতো পড়ি, ততো মুগ্ধ হই। জীবনানন্দের জীবন আনন্দের ছিলো না, অথচ তাঁর কবিতা আজও আমাদের মনকে আনন্দ দেয়। এই আনন্দ আমাদের চারপাশের সমস্ত সৃষ্টি ও সৌন্দর্যকে ভালোবাসার প্রেরণা দেয়। এই ভালোবাসার আনন্দ জাগাতে পারে যে কবি, সে কি কখনো মরে যেতে পারে হৃদয় থেকে?

সাহিত্যে সোভিয়েত:নয়া দুনিয়ার নতুন পাঠ


'ইউরোপ ভূত দেখেছে - কমিউনিজমের ভূত! কথাটি মার্কস -এঙ্গেলস বলেছিলেন ১৮৪৮ সালে ' কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো ' রচনায়।১৬৯ বছর আগে তাদের উল্লেখিত সেই ভূত কোন অশরীরী কিংবা নিছক কাল্পনিক ছিল না। তার সাক্ষাৎ মেলে ১৮৭১ সালে প্যারী কমিউনে।এই ভূত হচ্ছে আর কিছু নয় - ইউরোপের নব উত্থিত মজদুর শ্রেণি।যার ভয়ে ভীত কম্পমান রেনেসাঁ ও ফরাসী বিপ্লবের ধ্বজাধারী বুর্জোয়া সমাজ এবং ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত ও অভিজাততন্ত্র। প্যারীতে ব্যর্থ হওয়া শ্রমিক শ্রেণির রাষ্ট্র গঠনের সেই চিন্তা কমিউন ভেঙ্গে যাওয়া মাঝেই থেমে থাকে নি।উৎপাদন যন্ত্র ও শক্তি বিকাশের প্রতিযোগিতায় ক্রমান্বয়ে পিষ্ট হওয়া নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকাঙ্খাই সেই স্বপ্নকে জাগিয়ে রাখে।পুঁজিবাদ যত বিকশিত ও শক্তিশালী হতে থাকে ততই সংঘবদ্ধ হতে থাকে শ্রমিকদের ধর্মঘট - আন্দোলন। প্যারীর এই শিক্ষা শ্রমজীবী মানুষের মুক্তির লড়াইকে ছড়িয়ে দেয় দেশে দেশে। তারই এক পর্যায়ে ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর (পুরানো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর) বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়ালো সোভিয়েত রাশিয়া।কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে এই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কাঁপিয়ে দিলো পুরো দুনিয়া। বিপ্লবের ঢেউ আছড়ে পড়লো সমস্ত বিশ্বে।দেশে দেশে শোষিত নিপীড়িত মানুষের মুক্তির কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ালো সোভিয়েত ইউনিয়ন।

ভালো আছি, ভালো থেকো


এখন আমি ভালো থাকি, কেন জানোতো...?
তুমি চাও আমি ভালো থাকি।
নিজের জন্য ভালো থাকতে সেই কবেইতো ভুলে গেছি...

তোমার শেষ চাওয়া ছিল আমার ভালো থাকা,
সব চাওয়া পুরন করে এটা কেন ফেলে রাখি!!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর