নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

দর্শন

রোহিঙ্গাইস্যু এবং বাঙালি-মডারেট-মুসলমানদের কতিপয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তাদের স্বরূপ


নামধারীমুসলমানশ্রেণীটির সঙ্গে আধুনিক চিন্তাভাবনার অধিকারী মডারেট-মুসলমানদের খুব একটা পার্থক্য নাই। তবে এরা সবসময় ইনিয়েবিনিয়ে ইসলামের নামে শয়তানী করতে ভালোবাসে। আর এদের অধিকাংশই সমাজের ধনিকশ্রেণী তথা আত্মস্বীকৃত-অভিজাতশ্রেণী। এদের অনেকেই আবার সমাজের ও রাষ্ট্রের পাওয়ার এলিট। কিন্তু চিন্তাচেতনায় ও মন্যুষত্বের পরিচয়ে এরা সাধারণ, মূর্খ, গোমরাহ ও ধর্মান্ধ মুসলমানদেরই প্রতিনিধি। তবে এরা সরাসরি সবকিছুতে সম্পৃক্ত হয় না। সবসময় এরা নিজেদের সাধারণদের মতো সবকিছুতে সম্পৃক্ত করে না। এরা সবসময় কৌশলী, এবং যুক্তিপ্রদর্শনে কিছুটা সক্ষম।

মানবতা কি খালি অমুসলিমদের দেখাতে হবে ? মুসলিমদের কোন মানবতাবোধ নেই ?


আই এস এর তান্ডবে যখন লক্ষ লক্ষ মুসলমান , ইয়াজিদি , খৃষ্টান বাড়ী ঘর ছেড়ে শরনার্থী হচ্ছিল , পাশের তুরস্কই প্রথমে তাদেরকে আশ্রয় দিতে চায় নি। পরে অবশ্য আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে দিয়েছে। সৌদি আরব , কুয়েত , কাতার ইত্যাদি আরব দেশের কেউই তাদেরকে আশ্রয় দেয় নি। যদিও ৯০%ই ছিল মুসলমান শরনার্থি। সেই মুসলমানদেরকে আশ্রয় দিয়েছে হাজার কিলোমিটার দুরত্বের ইহুদি নাসারা কাফেরদের দেশ জার্মানি , ফ্রান্স , ইতালি ইত্যাদি। ইহুদি নাসারা কাফেররাই তাদেরকে মানবতা দেখিয়েছে। মুসলমানরা মানবতা দেখায় নি।

কোরানের আল্লাহই আসলে শয়তান


প্রতিটা ধর্মে দেখা যায় , শুভ শক্তির আধার সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর , আর অপশক্তির আধার শয়তান বা এ জাতীয় কেউ। কোরানে সেই ইশ্বরকে আল্লাহ নামে ডাকা হয়েছে। এখন কোরান পড়লে আল্লাহর যে চরিত্র বা কাজ কর্ম দেখি , তাতে দ্ব্যর্থহীন ভাবে প্রমানিত হয় যে , এই আল্লাহই আসলে শয়তান। যেমন - আল্লাহ হবে ন্যায়বান , সমদর্শী , ন্যায় বিচারক , দয়ালু ইত্যাদি। কিন্তু কোরানের আল্লাহকে দেখা যায় , সে নির্মম নিষ্ঠুর কুটিল অনৈতিক এবং এমন কি অপরাধ কার্যক্রমের দোসর- যা আসলে শয়তানের বৈশিষ্ট্য হবে। নিচে বিভিন্ন পয়েন্ট দেখান হলো , কেন আল্লাহই আসলে শয়তান।

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ


আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে, বৌদ্ধবিহারে আগুন দিবে—তবুও এরা মুসলমান! তবুও এদের কিছু বলা যাবে না। কারণ, এরা মুসলমান! এই নামধারী-মুসলমানরাই এখন রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুল! কুম্ভিরাশ্রু আরকি! তার কারণ, এরা ষড়যন্ত্রকারী। এদের রোহিঙ্গাপ্রীতিও সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে পরিচালিত। এই নামধারী-মুসলমানদের মনে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মানুষের জন্য সামান্যতম মায়ামমতা নাই, অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র ভক্তিশ্রদ্ধা নাই, এদের মধ্যে ন্যূনতম মানবতাবোধ নাই—সর্বোপরি এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্বও নাই। তবুও এরা মুসলমান!

নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বহিস্কার করছে


নবী মুহাম্মদের শিক্ষা হলো -যদি কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠি দেশ ও জাতির জন্যে ক্ষতিকর মনে হয় , তাদেরকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করে দিতে হবে। মুহাম্মদ যখন মদিনায় একটা ইসলামী রাজ্য গঠন করল, তখন সে ইহুদিদেরকে তার প্রধান শত্রু মনে করল , কারন তারা কোনভাবেই মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মানল না। সুতরাং মুহাম্মদ সিদ্ধান্ত নিল গোটা আরব থেকেই ইহুদিদেরকে তাদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটা মাটি থেকে বহিস্কার করবে ও সেটা অত:পর সে নিজে , পরে তার সাহাবিরা আন্তরিকতার সাথে পালন করে। মায়ানমার সরকার নবী মুহাম্মদের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছে।

মুমিনরা , আপনারা কিন্তু আপনাদের থলের বিড়াল বের করে দিচ্ছেন


গত ১৪০০ বছর ধরে ইহুদি খৃষ্টান সহ সব অমুসলিমরা ইসলামের বিরুদ্ধে নানারকম প্রচার করে যতটা না ইসলামের স্বরূপ তুলে ধরতে পেরেছিল , আপনারা গত কয় দশকের মধ্যেই তার চাইতে অনেক বেশী ইসলামের স্বরূপ তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে গত দুই তিন বছরে প্রকৃত ইসলামের স্বরূপ সারা দুনিয়ার সামনে একেবারে দিনের আলোর মত পরিস্কার করে দিয়েছেন। বেশী ঘটনা নয় , মাত্র দুই চারটা ঘটনা দিয়ে সেটা বুঝাচ্ছি।

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : দ্বিতীয় পর্ব


কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনা দিয়েই আরম্ভ হয়েছিল গৌতমবুদ্ধের আধ্যাত্মিক লক্ষ্য অর্জনের পথ চলা। রাজকুমারের জীবনের বিত্ত-সম্পদ আর আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে মাত্র ২৯ বছর বয়সেই সংসার ছেড়ে সন্ন্যাস নেন তিনি। কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনার সময় গৌতমবুদ্ধ সাত দিন পর একদিন, পরে পনেরদিন পর একদিন এভাবে খাদ্য গ্রহন করতেন। যা খেতেন তাও এমন কিছু নয়। কখনও ফেলে দেওয়া পশুর চামড়ায় লেগে থাকা মাংস, হাঁড়ির তলার পোড়া ভাত, কিছুই না পেলে গোবর। কখনও মাত্র একটি চালের কি তিলের বা মুগডালের দানা খেয়েই থাকতেন। এই খাদ্যাভ্যাসের ফলে শরীরের কি অবস্থা দাঁড়িয়েছিল সে বর্ণনাও দুর্লভ নয়। গভীর কুয়োর জলে প্রতিবিম্বিত নক্ষত্রের মত তার চোখ কোটরাগত হয়েছিল। শরী

সামান্য ছাগলও কোরানের আল্লাহর চাইতে বেশী শক্তিশালী বনাম মুমিনদের উত্তর


কোরানের আল্লাহ চ্যালেঞ্জ করে বলেছে -"আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক।(সুরা হিজর-১৫:৯)"। তার মানে আল্লাহ তার নিজের কোরান নিজেই সংরক্ষন করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে , সামান্য এক ছাগল , তার কোরানের আয়াত খেয়ে ধ্বংস করে ফেলেছে , আর সেই আয়াত এখন আর কোরানে নেই। বিশ্বাস হচ্ছে না ? তাহলে দেখুন নিচের সহিহ হাদিসটা --

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : প্রথম পর্ব


আমাদের আধ্যাত্মিক সাধনার ইতিহাস বলে মানুষ মাত্র আধ্যাত্মিকতার বীজ নিয়েই এ পৃথিবীতে আসে। তাই হয়তো আমরা বারবার ঈশ্বরের দিকে ঘুরে যাই, ঈশ্বরকেই খুঁজি। প্রবলভাবে ঈশ্বরের অসীম সত্ত্বার মধ্যেই নিজের অস্তিত্ব মিলিয়ে দিতে চাই। ভাবা হয় যার মধ্যে এই বীজ অঙ্কুরিত হতে পেলোনা, পুষ্টি পেলোনা তার জীবন অর্থহীনতায় তলিয়ে যাবেই। কখনও আবার ঈশ্বর নয় আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তরটিকে মোক্ষ বা নির্বাণ বলে অভিহিত করা হয়। আর এই মোক্ষ বা নির্বাণের অবস্থায় উপনীত হতে সাধককে আত্মসত্ত্বা বিলীন করে দিতে হয় একটা রহস্যময় অনির্বচনীয় কিছু একটার মধ্যে। এই আত্মসত্ত্বার বিলোপকে আবার অধ্যাত্মবাদের জগতে নেতিবাচক বলে ভাবা হচ্ছেন

একাত্তরে বাংলাদেশে কোনো মুসলমান দেখি নাই। এখন হঠাৎ এতো মুসলমানিত্ব!


১৯৭১ সালে, পাকিস্তানীহানাদারবাহিনী জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে মানুষহত্যা করেছিলো। পাকিস্তান ওদের বাপ হয়। ওরা ওদের বাপের পক্ষে ছিল। আর তা এখনও-তখনও। তাই, ইসলামের ধ্বজাধারীদালালগুলো সেদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো কথা তো বলেইনি বরং পাকিস্তানের পক্ষে এরা লড়াই করেছিলো। আজ মিয়ানমারে ‘বার্মিজ-আর্মি’ কর্তৃক রোহিঙ্গামুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে এদের বুকটা একেবারে ফেটে যাচ্ছে। পারলে এরা এখনই একদৌড়ে সীমান্ত পার হয়ে আরাকান-রাখাইন-রাজ্যে ছুটে যায় জিহাদ করতে! এমনই অবস্থা এদের।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর