নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সুমিত রায়
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আরমান অর্ক
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • পিনাকপাণির ডমড়ু

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

দর্শন

আল ফারাবি: ভিন্ন পথে চলা এক আরব দার্শনিক



বলছিলাম বাংলা ব্লগ সহ বিভিন্ন জায়গায় ইবনে সিনা, আল রাজি, ইবনে রুশদ সহ বিভিন্ন দার্শনিক নিয়ে আলোচনা দেখি। কিন্তু আল ফারাবি নিয়ে তেমন কিছুই চোখে পড়ে না। তো একটা গ্রুপে একজন আল ফারাবি নিয়ে প্রশ্ন করায় ভাবলাম তাকে নিয়ে কিছু লিখি।

কুরআনের অনুরূপ সুরা


মুসলমানরা দাবী করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআন স্বয়ং আল্লাহ নামের এক আরবীয় সৃষ্টিকর্তা নিজের হাতে লিখে লাওহে মাহফুজে সংরক্ষন করে রেখে দিয়েছিল সেই বিশ্বজগত সৃষ্টির প্রথম থেকেই। এবং পর্যায়ক্রমে ঈহুদী খ্রিস্টানদের ফেরেশতা জিব্রাইল বা গ্যাব্রিয়েলের মাধ্যমে ইসলামের একমাত্র ধর্তাকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়েছে। কিন্তু মুহাম্মদ ছাড়া অন্য কোন জীবন্ত মানুষই জিব্রাইলকে দেখেনি। শুধু মাত্র মুহাম্মদ দাবী করেছিল তার নিজের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহর আদেশে ফেরেশতা জিব্রাইলের মাধ্যমে তার কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। অথচ কেউই কোনদিন জিব্রাইলকে স্বচোক্ষে দেখেনি। মুহাম্মদ দাবী করেছে তারা অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছে মুহাম্মদের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহরই বাণী। কিন্তু মুহাম্মদ যেমন তার দাবীর কোন প্রমাণ দিতে পারেনি কখনই ঠিক একই ভাবে মুসলমানরাও প্রমাণ দিতে পারেনি কোনদিনই যে কুরআনের বাণীগুলো আসলেই কোন সৃষ্টিকর্তার বাণী কিনা। তারা শুধু বাপ-দাদার কাছ থেকে শুনে শুনে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে এসেছে।

জুম্মার নামাজের আগে মসজিদের ইমাম বললো, “মেয়েরা শয়তানের জাত!”


জুম্মার নামাজ ঘরে পড়া যায় না। তাই, একরকম বাধ্য হয়েই আমাদের মসজিদে যেতে হয়। কিন্তু মসজিদে গিয়েও শান্তি ও স্বস্তি নাই। সেখানে একশ্রেণীর কাটমোল্লা-মার্কা-ইমামদের অত্যাচারে দেশের নিরীহ ও সাধারণ মুসলমান আজ অতিষ্ঠ। সবখানে এইসব অল্পশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত, বেএলেম আর জাহেল-ইমামদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে।

এইটা মসজিদের ইমাম নাকি ডাস্টবিনের আবর্জনা?


সেদিন জুম্মার নামাজের আগে এলাকার মসজিদের ইমাম সংক্ষিপ্ত ওয়াজের জন্য ধরে এনেছে আরেক মসজিদের ইমামকে। সে নাকি খুব বড় আলেম! তার সম্পর্কে মসজিদের বর্তমান ইমামের বয়ান শুনে আর তার ভাবখানা দেখে মনে হলো—ওই আরেক মসজিদের ইমামের বেহেশতো যেন আগে থেকেই ঠিক হয়ে আছে—সে যেন এমনই এক দামি মানুষ!

ভাগ্য- বাস্তবতা না কল্পকাহিনী?


“ভাগ্য” অদ্ভুত রকমের এক বিড়ম্বনার নাম। বিশ্বাসীদের কাছে এক সাধনার নাম। দূর্বলদের সবচেয়ে পছন্দের নাম। এই ভব জগতে ভাগ্যের মতো পাপী আর কেউ নাই।

এই ভব জগতকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়ঃ জড় ও জীব। জড়র যেহেতু প্রাণ নাই তাই তার ভাগ্যও নাই; জীবের প্রাণ আছে, মস্তিষ্ক আছে তাই জীবের ভাগ্য আছে। তবে মানব ব্যতীত অন্য কোন জীব ভাগ্যে বিশ্বাসী না যতটুকু ধারণা করা যায়।

বিবাহ পূর্ব যৌনতা ভাল না খারাপ?


বিবাহ পূর্ব যৌনতা রক্ষণশীল সমাজে অনেক খারাপ কাজ হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনি মিথ্যাবাদি, ঠগবাজ,প্রতারক যাই-ই হন না কেন সমাজে তার সমালোচনা খুব বেশি করে না। কিন্তু কোন মেয়ে যদি বিবাব পূর্ব কোন ছেলের সাথে মেলা-মেশা করে তাহলে তার সমালোচনা হয় অনেক বেশি এবং মেয়েটিকে প্রায় সমাজ বিচ্ছিন্ন করা হয়। যৌণতা কি খারাপ কাজ?রক্ষণশীল সমাজের মানুষের কাছে এ প্রশ্ন করলে- তারা বলবে খারাপ মানে! বিবাহ ছাড়া যৌণতা তো অনেক বড় নিকৃষ্ট কাজ!!

লজ্জা বলতে কী বোঝায়? প্রকৃত লজ্জা কী?


লজ্জা প্রধাণত: দু’প্রকার:
এক (প্রকৃত বা অর্থপূর্ণ লজ্জা): আত্ম সম্মানবোধের লজ্জা।ভিক্ষা বৃত্তি করতে লজ্জা লাগে। হীন কাজে লজ্জা, ইত্যাদি। মিথ্যাচার করতে লজ্জা।সুন্দর ও মার্জিত ব্যবহার ও কথা বলতে না পারার লজ্জা। শ্রেষ্ঠ মানবীয় গুনাবলী অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ার লজ্জা। জ্ঞান,বিজ্ঞান ও গবেষণা পিছিয়ে থাকার লজ্জা। এ প্রকারের লজ্জাবোধ ভাল, এটা সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। এটাই প্রকৃত লজ্জা। যার বা যাদের এ লজ্জাবোধ নেই তারাই প্রকৃতার্থে নির্লজ্জ। কিন্তু ধর্ম যাদেরকে অন্ধ বানিয়ে রেখেছে তারা এ লজ্জাবোধ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নয় যতটা না চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন পোশাকি লজ্জা নিয়ে।

ভণ্ড-শয়তান ফরহাদ মজহারের প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবগণ


সময় যতো যাচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে যে, ফরহাদ মজহারের অপহরণের ঘটনাটি সরাসরি নাটক। আর এই নাটকের রচয়িতা সে নিজেই কিংবা অন্য কোনো দেশদ্রোহী। কিন্তু এর পরিচালক ও প্রযোজক যে কে—তা কিন্তু এখনও পুলিশ খুঁজে বের করতে পারেনি। এর পিছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ঘাতকচক্র। আর এরা জাতে বাংলাদেশী! কিন্তু এদের দেহ-মন-রক্ত সবকিছুই পাকিস্তানী। এদের উদ্দেশ্য ও মতিগতি ভালো ছিল না। আর এরা এই নিয়ে তাদের স্বার্থের জন্য বড় ধরনের নাশকতাসৃষ্টির পাঁয়তারাও করেছিলো। এবার দেখুন ফরহাদ মজহারের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব কারা, আর কী এদের পরিচয়। এদের চিনে নিন:

আমি হিন্দু নই, তুমিও মুসলমান না!


সমস্যা এটাই- যখন সন্ত্রাসবাদিরা এই নশ্বর জীবনকে সত্যি সত্যিই সম্পূর্ন তুচ্ছ ভেবে, স্বর্গের মোহে আত্মঘাতি ভেস্ট বুকে নিয়ে সুইসাইড বোম্বার হয়। মৃত্যুচিন্তা পর্যন্ত সব ধর্মই ঠিক। কিন্ত মৃত্যুপরবর্তী চিন্তাটা সব ধর্মেই রূপকথার মোহজাল এবং তা সুস্থ সমাজের পক্ষে অনেক ক্ষেত্রেই ভয়ংকর সন্ত্রাসবাদীর জন্ম দিতে সক্ষম। তাদের ছোটভাই মৌলবাদিরাও সেই পরকালের মদে বুঁদ।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর