নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

দর্শন

পাথুরে শিবলিঙ্গের উপর দুধ, ঘি, মধু, দই, ডাবের জল ঢেলে মেয়েগুলো কি উপকৃতই বা হচ্ছেন?


আজ শুক্রবার বন্ধের দিন ছিল। বন্ধ থাকলেও আজাইরা বসে থাকার জো নেই। এই বন্ধের দিন শেভ করা হয় আমার। সময় পায় এই একটা দিন। এরপর পুরো সপ্তাহের ব্যবহৃত নিজের কাপড়গুলো পরিস্কার করে ছাদে শুকাতে দিলাম। ফেসবুক আর ব্লগে গিয়ে আজকের কি কি লেখা পোস্ট হল তা পড়লাম। এরপর স্নান সেরে মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে ছোট্ট একটা ঘুম দিলাম। তখন বিকেল সাড়ে চারটা। প্যান্ট-শার্ট পড়ে পরিপাটি হয়ে বের হলাম হাঁটার উদ্দেশে। এই প্রতিটি শুক্রবার একটি দিন আমি বিকেলে ৩-৪ ঘন্টা হাঁটি। বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় এসে দেখি পানের দোকানের সামনে গোল গোল কচি ডাব!

ফেসবুকে এখনও ‘রোহিঙ্গানির্যাতন’-এর ছবি এবং বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক-অপশক্তির অপরাজনীতি


বর্তমানে অং সান সুচী নামক যে নেত্রী আছে—সে বার্মার সামরিকজান্তাদের তল্পিবাহক। আর সুচীদের অনুমোদনেই বার্মার সেনাবাহিনী রাখাইন-রাজত্বপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নৃগোষ্ঠীকে নির্যাতন করছে। আবার অনেকে বলেছে, এদের চিরতরে বার্মা থেকে বিদায় করতে চাচ্ছে। এই ঘটনার কিছুটা সত্যতা রয়েছে। আর মিয়ানমারে কিছুটা রোহিঙ্গানির্যাতন হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের কিছুসংখ্যক দালাল ও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীবংশজাত-কুচক্রীমহল যা-বলছে তা আদৌ সত্য নয়। এরা রোহিঙ্গানির্যাতনকে সারাবিশ্বের ইস্যু হিসাবে দাঁড় করানোর জন্য নিজেরা ঘরে বসে যে যেখানে যে-সব আজেবাজে ছবি বা মানুষহত্যার ছবি পাচ্ছে তা-ই নিয়ে অপপ্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর তারা সম্পূর্ণ অসৎউদ্দেশ্যে এগুলোকে বার্মার রোহিঙ্গানির্যাতনের ছবি বলে অপপ্রচার করছে। এদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। এরা সাম্প্রদায়িকপশুশক্তি।

প্রার্থনা কি ও উহার কার্যকারিতা কিসে?


প্রার্থনা কি ও উহার কার্যকারিতা কিসে?

O my God! There is no God. He is in nowhere but in human belief.

ঈশ্বর থাকুক বা না থাকুক; উহা আছে মানুষের বিশ্বাসে কিংবা নিঃশ্বাসে। ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা মূলত অবচেতন ও চেতন মনের মিথোষ্ক্রিয়ায় ইতিবাচক ফল লাভের আকাঙ্খা। একজন নাস্তিক কিংবা অজ্ঞেয়বাদী অন্যের শুভকামনা কিংবা মঙ্গলকামনা করেন সেটাও প্রার্থনা।

মানুষ যা চায় তা সে পাবেই পাবে যদি এবং কেবল যদি উহা মনছবি আকারে উহা চেতন মন থেকে অবচেতন মনে প্রোগ্রামিত হয়।

আমি অপ্রিয় বলছি- শুনো হে মুর্খের দল!


আমাদের রাষ্ট আর সমাজের অধিকাংশ শিক্ষিত (মাথামোটা শিক্ষিত) অভিভাবকগন মনে করে- ছেলে হোক মেয়ে হোক ডিগ্রি পাশ করলেই সেই শিক্ষিত! ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অনার্স, মাস্টার্স, বিবিএ, এমবিএ, পাস করলে সেই অধিক শিক্ষিত! কোনো ছাত্র বাইরে গিয়ে পি এইস ডি পড়ে এসে নামের আগে "ডক্টরেট" লাগালে তাদের দৃষ্টিতে সেই তো আরো অনেক বড়ো শিক্ষিত! ডক্টর অমুক, ডক্টর তমুক! আহারে কতো বড়ো শিক্ষিত মানুষ! এসব অভিভাবকরা নির্ধারণ করে দেয় কারা শিক্ষিত, কারা অশিক্ষিত। এরা মনে করে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট ওলারা শিক্ষিত বাকি সব অশিক্ষিত! এরা ভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিতরাই মানুষ, বাকি সব অমানুষ!

অপদ্য বচন (২০৬-২১৫)


২০৬. At times good friends are like good prostitutes - a rare source of brainless entertainment.

২০৭. ২০২০ সাল বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। এ বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ইসলামের ত্রাতা আওয়ামীবন্ধু শফী হুজুর, উভয়েরই জন্ম শতবার্ষিকী।

২০৮.বাংলাদেশে যারা স্টার জলশা, জী বাংলা এই চ্যানেলগুলো নিষেধের পক্ষে, তাঁদের কমন আর্গুমেন্ট হলো অপসংস্কৃতি বা বাঙালি সমাজের সাথে সাংঘর্ষিক আইডিয়োলজির আত্মীকরণ। খুব জানতে ইচ্ছে করে, গেইম অফ থর্নস বা স্পার্টাকাস-এর ঠিক কোন কোন দিক থেকে আমাদের সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পাকিস্তানে ছিল এক জিন্না। আর এখন স্বাধীনবাংলাদেশে অসংখ্য জিন্না!


এখন বাংলাভাষার অনেক শত্রুও লোকদেখানো ও স্বার্থসিদ্ধির-আনুষ্ঠানিক ভাষাপ্রেম দেখানোর জন্য শহীদমিনারে গিয়ে বেদীতে ফুল দেয়। তারপর ছবি তুলে কিংবা বিশাল একটা ভিডিও করে বাসায় ফিরে আসে। তারপর এগুলো দিয়ে ব্যবসা করে খায়। অনেক ভণ্ড এখন শহীদমিনারে গিয়ে ফুল দিচ্ছে। অথচ, এদের মনের মধ্যে বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ নাই। এদের মনে যদি বাংলাভাষার প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকতো—তাহলে, বাংলাভাষা কি এতোদিনেও বাংলাদেশে উপেক্ষিত থাকতো?

ডিপ্রেশন


চারদিকের অসংখ্য মানুষের মধ্য থেকে যে
কটা মানুষের সম্পর্কে জানছেন, তাদের
প্রায় সবার মধ্যে একটা ব্যাপার কমন,,,
খেয়াল করলেই দেখবেন, পাশের মানুষটি
বলতে চাইছে সে ভালো নেই,,,,
.
আপনার সামনের মানুষটি তিনবেলা করে
খাচ্ছে, টিভি দেখছে, পত্রিকার পাতা
উল্টাচ্ছে,,,,
কিন্তু সে ভালো নেই,,
আপনাদের সম্পর্কটা যদি 'মন ভালো নেই'
কথাটা শেয়ার করার মতো হয়, তাহলে
সামনের মানুষটি বারবার বলতে চাইবে 'মন
ভালো নেই'।
.
যদিও আপাতদৃষ্টিতে সে ভালোই আছে,
কিন্তু সবার মতোই তারও কিছু ছোট ছোট না

মন


আপাতদৃষ্টিতে একটা মানুষের দুরকম বয়স থাকে। একটা হচ্ছে শারীরিক আর অন্যটা মানসিক।
তবে একটা বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে কোন স্বাভাবিক মানুষেরই এই শারীরিক আর মানসিক বয়স এক না।

মনোবিদ্যার সুরে বলতে গেলে, কোন বিশ বছরের যুবকের মানসিক বয়স বিশের অনেক উর্ধ্বে থাকে।

দৈহিক পরিবর্তনের দিকে আমরা সবাই খেয়াল করি।বয়সের সাথে সাথে দেহের বৃদ্ধি।কিন্তু আমার মানসিক বৃদ্ধি কতটা,, এটা কেউ বুকে হাত দিয়ে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবো না।
কারনটা কি জানেন????
আমরা দেহের মায়ায় অবচেতন মনের এই চিন্তাটাকে নিজের কল্পনার জগতে আনার চেষ্টাই করি না।

হিন্দু ধর্মের ইতি বৃত্ত, পর্ব ০৭


যদিও বলা হয় হিন্দুদের প্রধান ধর্ম গ্রন্থ বেদ কিন্তু জীবন ধারনের সকল পদ্ধতি যেমন প্রতিমাপূজা , উপসনা, ব্রতাচারণ,বিবাহের নিয়মাবলী,শ্রাদ্ধবিধি,খাদ্য বিধি,বর্ণাশ্রম বিধি,সম্পত্তি বন্টন যাবতীয় সব কিছুই ‘মনুসংহিতা’ বা ‘মনুস্মৃতি’র নিয়ম মেনে করা হয়। একজন হিন্দু জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কী করলে ইহলোকে ও পরলোকে পুরুষ্কৃত হবেন এবং কী না করলে দুনিয়া আখেরাতে শাস্তি ভোগ করবেন তার বিষদ বর্ণনা আছে ভগবান মনুর এই মনুসংহিতায়। এটাই হিন্দুদের জীবন বিধান তথা কোড অফ লাইফ। বেদে কী আছে আর কী নাই তাতে কিছুই যায় আসেনা বাস্তবে কী আইন মানা হয় সেটাই আসল কথা। আমরা নারীদের প্রতি মনুর দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আগেই আলোচনা করেছি এবার কিছুটা ফিডব্যাক করা যাক।

অপদ্য বচন (১৯৬-২০৫)


শুনেছি মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান অস্ত্র হচ্ছে আশা বা Hope. প্রবাদ-ও আছে বোধ হয়, যতক্ষণ আশ ততক্ষণ শ্বাস বা Vice Versa. প্রবাদটাকে সত্যি মানলে বাঙালি এখনো বেঁচে আছে। কারণ, তাঁরা আশা করে তনুর ধর্ষক আর এসপি বাবুলের বিরুদ্ধে চক্রান্তকারী-রা একজোট হয়ে দেশটাকে 'সোনার' বাংলাদেশ বানাবে। যদি-ও ভদ্রস্থ এবং অভদ্রস্থ মিলিয়ে 'সোনা' শব্দটির অনেক অর্থ রয়েছে। সেদিকে আর না যাই।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর