নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • নরমপন্থী
  • নরসুন্দর মানুষ
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

দর্শন

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২৬) গুপ্তহত্যা ও বনি কেইনুকা গোত্র উচ্ছেদ!


আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণিত সিরাত ও হাদিস গ্রন্থের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, বদর যুদ্ধে কুরাইশদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৫০ জন আর মুহাম্মদ অনুসারীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩১৩ জন। তা স্বত্বেও কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত করুণভাবে পরাজিত হয়েছিলেন!জগতের প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা বদর যুদ্ধের এই অভূতপূর্ব সফলতাকে 'আল্লাহর করুণা ও অলৌকিকত্বের' এক উদাহরণ হিসাবে বিশ্বাস করেন। তাঁদের এই বিশ্বাসের মূল উৎস হলো স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। মুহাম্মদ তার স্ব-রচিত জবানবন্দি 'কুরআনে' এই সফলতার পেছনের কারণ হিসাবে তার কল্পিত আল্লাহর পরম করুণা ও অলৌকিক

আলেম ওলামারা ভালমতই জানে ইসলাম একটা শয়তানের ধর্ম , পর্ব-১



মুহাম্মদ নিজেকে আব্রাহামিক ধারায় ইব্রাহিম , ইসহাক , ইয়াকুব , মূসা ইত্যাদির পর দাবী করে সে হলো সর্বশেষ নবী। কোরান হাদিসের বক্তব্য অনুযায়ী দেখা যাবে , মুহাম্মদ হলো আসলে ভন্ড নবী , আর তার ইসলাম হলো শয়তানের ধর্ম।মোল্লা, আলেম ও রাজনৈতিক নেতারা কিন্তু বিষয়টা ভালভাবেই জানে , কিন্তু তাহলে কেন তারা ইসলামকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয় ? সেটাই বলা হবে এই সিরিজে।

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর নিজেই ছিল মুনাফিক , মুর্তাদ


কোরানের আল্লাহ ও তার নবী মুহাম্মদের আদেশ নির্দেশ উপদেশ যারা পালন ও অনুসরন করে তারাই হলো মুসলমান। যারা মুহাম্মদের আদেশ নির্দেশ উপদেশ ও সিদ্ধান্ত মানবে না , বরং বিপরীত কথা বলবে , তারা শুধু মুনাফিকই না , বরং তারা হলো মুর্তাদ। সেই দিক দিয়ে খলিফা হযরত ওমর হলো একজন খাটি মুনাফিক ও মুর্তাদ উভয়ই।

একজন আকর্ষনীয় মানুষের যে বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা উচিত..


আমরা সবাই আকর্ষনীয় হতে চাই। ব্যক্তিত্বশীল হতে চাই। চাই সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে। চাই সবাইকে আকৃষ্ট করতে। নিজেকে অসাধারণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য অবশ্যই আমাদের জানা উচিত ঠিক কি কি বৈশিষ্ট্য একজন ব্যক্তিকে আকর্ষনীয় ও অসাধারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। আমি নিজে যে যে বৈশিষ্ট্যগুলো একজন অসাধারণ মানুষের মাঝে দেখতে চাই তার একটা তালিকা নিচে দিলাম।

কথিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী কিভাবে লম্পট হতে পারে ?


লম্পট কাকে বলে ? সাধারন কোন লোক যদি নিজের ঘরে স্ত্রী থাকার পরেও অন্য কোন বিবাহিতা স্ত্রীর সাথে অবৈধ প্রেম করে বা করার চেষ্টা করে , তাহলে তাকে আমরা লম্পট বলে অভিহিত করি। সেই হিসাবে আমাদের দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ছিলেন একজন লম্পট। কারন তিনি ঘরে স্ত্রী থাকার পরেও জিনাত মোশারফের সাথে প্রেম লীলা চালিয়ে গেছেন অনেকটা প্রকাশ্যেই। এবার আসুন দেখি আমাদের কথিত নবী মুহাম্মদ কোন ক্যটাগরিতে পড়েন।

মুক্তমনা শাহজাহান বাচ্চুকে হত্যা: ইসলামের সাথে ইহার কোনই সম্পর্ক নাই!


মাত্রই গতকাল অনলাইন জগতে পরিচিত মুক্তমনা শাহজাহান বাচ্চুকে হত্যা করা হলো। ইসলামের নামে চলা অন্ধ বিশ্বাস, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লিখতেন যা ইসলামী বিধানে ভয়াবহ অপরাধ।সেই অপরাধেই সহিহ মুমিনরা তাকে হত্যা করেছে। যারা অনলাইনে বিচরন করেন ও তাকে চেনেন , সবাই কিন্তু এক বাক্যে এটাই বলবে। কিন্তু এখনই সরকার পক্ষের পুলিশ বলা শুরু করবে - ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্বের কারনে হত্যা কান্ড ঘটেছে , সাধারন মুসলমানরা বলবে - ইসলামের সাথে ইহার কোনই সম্পর্ক নাই।

কথিত ইসলামী পন্ডিতরাই সারাক্ষন প্রমান করে যাচ্ছে মুহাম্মদ হলো ভন্ড নবী


মুসলমানরা যদি একটু ঠান্ডা মাথায় যৌক্তিকভাবে চিন্তা করত, তাহলে বুঝতে পারত , তাদের কথিত ইসলামী পন্ডিতরাই আসলে ইসলাম যে একটা ভূয়া ধর্ম সেটাই প্রবল ভাবে প্রমান করে যাচ্ছে প্রতি নিয়ত। তারা যে একবার তৌরাতে , একবার ইঞ্জিলে , একবার হিন্দুদের ভবিষ্য পুরানে , একবার কল্কি পুরানে মুহাম্মদের নাম আবিস্কার করছে, তারা কি একবারও ভেবে দেখেছে যে , এতে করে চুড়ান্ত ও যৌক্তিকভাবেই মুহাম্মদ একজন প্রকৃতই ভন্ড ও প্রতারক হিসাবে প্রমানিত হচ্ছে ?

মুহাম্মদের নাম বাইবেলে থাকলে , মুমিনদের এই মুহুর্তে ইসলাম ত্যাগ করা উচিত


আহমেদ দিদাত ও ডা: জাকির নায়েক এক সময় বাইবেলে মুহাম্মদের নাম আছে বলে বিপুল প্রচারনা চালাত। সিংহ ভাগ সাধারন মুসলমানরা সেটা বিশ্বাসও করেছিল এবং এখনও করে। এই প্রচারনায় বিভ্রান্ত হয়ে অনেক খৃষ্টানও ইসলাম গ্রহন করেছিল। ঘটনা যদি সত্য হয় ,তাহলে ঠিক এই মুহুতেই সব মুসলমানের ইসলাম ত্যাগ করা উচিত। কেন ত্যাগ করা উচিত , সেটা এখন বলা হবে।

কোচিং ব্যবস্থা বা প্রাইভেট টিউশনিঃ আসলে কি হচ্ছে এতে?


পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা।আর এই পরিবর্তন আমরা সচেতনে হোক বা অবচেতনে হোক সবাইই কম-বেশী চাই।যদিও পরিবর্তনের অনেক দিক আছে। মূলত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক, আবেগিক আর মনোদৈহিক ভাবে পরিবর্তনই অন্যান্য অনেক পরিবর্তনের কারণ।আর এই জন্যই মানুষের জন্য শিক্ষার আয়োজন; স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে ঠিক এই ব্যাপারটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার
প্রাণ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ কতটা গভীরবভাবে উপলব্ধি করে তা প্রশ্নবিদ্ধ। কেননা,যদি তাদের উপলব্ধির পরিধি বিস্তৃত হত তবে বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থায় যত অসংগতি আছে তত হয়তো থাকতো না।সেহেতু প্রশ্ন তুলতেই হচ্ছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর