নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • এলিজা আকবর
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

দর্শন

কুরআন অনলি: (৯) আল্লাহর ‘জিন ও শয়তান’ প্রতিরোধ প্রকল্প!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার আল্লাহর রেফারেন্সে দাবী করেছেন যে তার আল্লাহ এবাদতের উদ্দেশ্যে মানুষ ছাড়াও 'জ্বিন' নামের আর এক অশরীরী জীবের সৃষ্টি করেছেন (৫১:৫৬), যারা তার কুরআন শ্রবণ করে 'বিস্ময়-বোধ' করেছিল!তিনি আমাদের জানিয়েছেন যে এই জীবেরা পূর্বে আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শোনার জন্য বসে থাকতো। কিন্তু এখন তারা আর সেই কাজটি করতে পারে না এই কারণে যে, সর্বনিম্ন আকাশটি এখন 'কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ড দ্বারা পরিপূর্ণ।' কী কারণে তার সর্বশক্তিমান আল্লাহ এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা-টি চালু করেছেন ও আল্লাহর এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি নস্যাৎ করে যদি কোন “শয়তান” তার অভীষ্ট কার্য সম্পুর্ণ কর

কথিত ড: কিথ মুর-এর ইসলাম গ্রহন, ভ্রুনতত্ত্ব ও ইসলাম


কথিত ড: কিথ মুরের নামে মুমিনরা জিকির করে , কারন সে নাকি দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ট ভ্রুনতত্ত্ববিদ এবং একই সাথে আবিস্কার করেছে কোরানের মধ্যেই সেই বিখ্যাত ভ্রুনতত্ত্ব লুক্কায়িত। সে কারনেই ড: কিথ মুর নাকি ইসলাম গ্রহন করেছিল। সুতরাং কোরান একটা ঐশি কিতাব যাতে কোন ভুল নেই। মুমিনরা এই ঘটনা তাদের নিয়ন্ত্রিত সকল মিডিয়াতে রাত দিন চব্বিশ ঘন্টা প্রচার করে থাকে, এর ফলে জঙ্গি নামি খাটি মুমিনরা আরো ইমানি জোশে কাফের মুর্তাদদের কল্লা কাটে বা গাড়ি চালিয়ে হত্যা করে। এবার পুরো বিষয়গুলো একটু বিবৃত করা যাক।

মানুষের পদাবলি – নাকি ছোট জাত ! ( তৃতীয় পর্ব )


“দি রাইজ অফ ইসলাম অ্যান্ড দি বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার” সূত্র থেকে জানা যায়, মুঘল যুগে কোন্ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের নতুন কারণে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় কৃষকরা ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল এই আকৃষ্ট এতটাই ছিল যে অবিভক্ত বাংলাদেশে মুসলিমরাই সংখ্যাগুরু হয়ে গেল।

কীভাবে ?

মেডিকেল সায়েন্স পড়া মানুষ কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব বলে বিশ্বাস করে ?


বাংলাদেশে যে ডাক্তার সম্প্রদায় আছে , মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়ে নামকরা ডাক্তার হয়েছে , তারা কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব হিসাবে বিশ্বাস করে , তা এক বিস্ময়কর ব্যপার। যারা মেডিকেল কলেজে পড়ে , যখন এনাটমি পড়ে , তখন সহজেই তাদের বোঝার কথা যে জীব জগত আসলে বিবর্তনের ফলে আজকের পর্যায়ে এসেছে। যুক্তির খাতিরে ধরা যাক , বিবর্তনবাদ মিথ্যা , তাহলেও কি কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয় ? এবার দেখা যাক , কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে আসলে কি বলে।

প্রতিটি ধর্মে স্বর্গের পাশাপাশি নরকের অস্তিত্তই প্রমাণ করে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও তাঁর হুকুমমতের উল্টো মতাদর্শের মানুষ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।


একই মাতৃ জঠরে জন্ম নেয়া দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যেও মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে। একই মাতৃস্তন্যে লালিত, একই পিতার ঔরষে জন্ম, সেই একই জল-হাওয়ায় আশৈশব বেড়ে উঠা। একই পারিবারিক অনুশাষনে যাপিত জীবন, অথচ চিন্তায়-চেতনায়, আদর্শে, মতাদর্শে বহু যোজন দুরত্ব। একজন প্রথাগত সংস্কারাবদ্ধ, ধর্মীয় অনুশাষনে অত্যন্ত কনজার্বেটিভ অন্যজজন যুক্তি শাস্ত্রের ধারক। সংস্কার, ধর্ম, সামাজিক রীতিনীতি সর্বক্ষেত্রে যুক্তির প্রাধান্যে বিশ্বাসী। এর থেকে এটাই প্রতীয়মান যে, প্রতিটি মানুষই সাতন্ত্র সংস্কার দ্বারা গঠিত।

ইসলামের বিধান: দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই হারাম , কারন ইসলাম হলো Death Cult


ইসলামের বিধান অনুযায়ী, এই দুনিয়া দুই দিনের জন্যে পরীক্ষা ক্ষেত্র মাত্র। মরার পরের জগতই আসল। দুই দিনের দুনিয়াতে থাকার সময় যেসব নেক কাম কাজ মুমিন বান্দারা করবে, যাকে বলে পরীক্ষা , তার ভিত্তিতে কেয়ামতের মাঠে বিচার হবে , যারা পাশ করবে , তারা সোজা বেহেস্তে চলে যাবে। দুনিয়াতে সেই পরীক্ষা দিতে হলে অনেকগুলো কাজ করা যাবে না , যাকে হারাম বলা হয়েছে। সেইসব হারাম কাজের ভিত্তিতে বিচার করলে দেখা যায়, দুনিয়াতে বেঁচে থাকাটাই একটা মহা হারাম কাজ।

কুরআন অনলি: (৮) কুরআানে অবিশ্বাস ও তার কারণ!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার আল্লাহর রেফারেন্সে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ব্যাপী (৬১০সাল- ৬৩২ সাল) যে বানীগুলো প্রচার করেছিলেন তার এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, একই বাক্য বা বিষয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বার বার উপস্থাপন করা। তিনি তার জবানবন্দি ‘কুরআনে’ ঘোষণা দিয়েছেন যে, অবিশ্বাসীরা তার দাবীকে নাকচ করতেন এই অভিযোগে যে তিনি যা প্রচার করছেন তা তাদের কাছে ‘পূর্ববর্তীদের কিচ্ছা-কাহিনী ও উপকথা বৈ আর কিছু নয়।’

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

তবুও টিটু রায়কে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?


বাংলাদেশে ইতঃপূর্বে অনেকবার সাম্প্রদায়িক-দাঙ্গা হয়েছে। তবে ইদানীং বিভিন্ন তুচ্ছবিষয়কে কেন্দ্র করে দাঙ্গার পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে। ২০১২ সালে, পার্বত্যচট্টগ্রামের রামুতে মুসলমান-নামধারী সাম্প্রদায়িকপশুগুলো রাতের আঁধারে, দিনদুপুরে যে যেভাবে পেরেছে রামুর বৌদ্ধবিহারে নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছিলো। তাদের তাণ্ডবলীলা দেখলে যেকোনো মানুষ মনে করবে এখানে হয়তো পৃথিবীর সর্বকালের-সর্বকুখ্যাত ও হিংস্র কোনো শূয়র ভয়ংকর আগ্রাসন চালিয়েছে। আসলে, এগুলো আমাদের বাংলাদেশের আত্মস্বীকৃত-ধার্মিক তথা একশ্রেণীর নামধারী-মুসলমানই ইসলামের নামে এসব করেছে।

ইসলামের বিধান : লুইচ্চাকে লুইচ্চা না বলে সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ বলতে হবে, না বললেই কল্লা কাটা যাবে


প্রথমেই জানা দরকার , সমাজে লুইচ্চা কাকে বলে ? ঘরে বউ রেখে , যদি কোন পুরুষ মানুষ অন্য লোকের স্ত্রীর সাথে ফষ্টি নষ্টি করে , তারপর নানা কায়দা করে তাকে বিয়ে করে ঘরে তোলে , তাহলে এই ধরনের পুরুষকে লুইচ্চা বলে। লুইচ্চা টাইপের পুরুষকে কেউ সম্মান করে না , সমালোচনা করে , তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এরশাদ এ ধরনেরই একজন লুইচ্চা । ঘরে বউ রেখে , সে অন্যের স্ত্রীর সাথে প্রেমলীলা করে তাকে নিয়ে ফুর্তি করত। তার কারনে কিছু নারীদের সংসার ভেঙ্গে গেছে। তাকে নিয়ে এক সময় দেশের মানুষ রঙ্গ তামাসা করত , সমালোচনা করত।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর