নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

দর্শন

আদৌ স্বাধীনতা বলে কিছু আছে?


স্বাধীনতা !!
আমরা কি এখনো স্বাধীন ? আমার কাছে মনে হয় স্বাধীনতা শব্দটি এখন এদেশে শুধুই একটা গালি।এ শব্দটি এখন শুধু লোকমুখেই বন্দি!
এদেশে স্বাধীনতা মানে জঙ্গিবাদ,অসাম্প্রদায়িকতা,ধর্ষণ,খুন,আর শোষন করা।আপনার স্বাধীনতা কী আছে?
আমি হরফ করে বলতে পারি,নেই,আপনার বিন্দু মাএ স্বাধীনতা নেই।
সাধারণ জনগন অস্বাধীনতার মধ্যে থাকলে এত সংগ্রাম করে স্বাধীনতা অজর্নের দরকারেই কি ছিল?
আজও আমাদের স্বাধীনতা রাজনৈতিক অপশক্তির নিকট জিম্মি।
আমরা তনুর মতো হাজারো বোনকে হারাচ্ছি।আমরা মুক্তচেতনার লেখককে (abijit ray,humayun azad) মেরে ফেলা হচ্ছে।আমরা এখনো বিচার এর মুখ দেখে নি।

আমাদের মানসিকতাই প্রধান সমস্যা


গত তিন-চারদিন ধরে বাংলাদেশের অনলাইন সমাজে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটে গেছে। রাতারাতি হঠাৎ আমরা টের পেলাম, অনলাইনে ফেইসবুকনিবাসী হাজার হাজার মিলিটারী স্ট্রাটেজিস্ট, প্যারা মিলিটারি কমান্ডো, জেমস বন্ড, মাসুদ রানা, মেজর, কর্নেল, ব্রিগেডিয়ার, জেনারেলে উপচে পড়ছে। এই এসপিওনাজ এজেন্টরা ১০ তলার এসিরুমে বসে পায়ের উপর পা তুলে ফেইসবুকে একটু পর পর হাঁক দেন, শালার কয়েকটা চুনোপুটি জঙ্গীরে তিন দিনেও মারতে পারে না আর্মি! নিশ্চয়ই এইটা ইন্ডিয়ান আর্মি। নাটক নাটক, সব নাটক!

হে মুমিন, আসো , যারা খাটি জিহাদীদেরকে জঙ্গি বলে অপমান করে , তাদের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি


হে মুমিন , আজ খাটি মুমিন তথা জিহাদীদেরকে জঙ্গি বলে অপবাদ দিয়ে ইসলামকেই অপমান করা হচ্ছে। আল্লাহ ও তার নবীকে অপমান করা হচ্ছে। আর এভাবে ইসলামকে একটা জঙ্গি বা বর্বর ধর্ম হিসাবে প্রচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইহুদি নাসারা কাফেররা। তাই আমাদেরকে দেখা উচিত , যাদেরকে তারা জঙ্গি বলছে তারা খাটি ও সহিহ ইসলামী পথে আছে কি না , প্রথমেই দেখা যাক ----

ধর্মানুভূতি কারে কয়?


এই উপমহাদেশের লোকের ধর্মানুভূতি এত প্রবল কেন? বড় অদ্ভুত অদ্ভুত কারণে তাদের ধর্মানুভূতি খাড়া হয়, আবার কখনও কখনও কিছুতেই খাড়া হয় না। অনেকটা কিছু পুরুষের sexual appetite এর মত। কখনও অতীব সুন্দরী নারী দেখলেও তার যৌনাকাঙ্ক্ষা জাগে না, আবার রাস্তাঘাটে জরিনা-ছখিনারে দেখলেই দাড়ায়ে যায়!

ইসলাম কোন ধর্ম না , এটা একটা চুড়ান্ত একনায়ক তান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রদের ব্রেইন ওয়াশ


যারা ইসলাম জানে , তারা কিন্তু কখনই বলে না ইসলাম শুধুই একটা ধর্ম। তারা দাবী করে ইসলাম একটা সম্পূর্ন জীবন ব্যবস্থা। ধর্ম ও সম্পূর্ন জীবন ব্যবস্থার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। কিন্তু কোরান হাদিস তাফসির সিরাত ও ইতিহাস পড়ে আমার মনে হয়েছে ইসলাম আসলে ধর্মের মোড়কে একটা চুড়ান্ত একনায়কতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা। যে ব্যবস্থায় নেই কোন গনতন্ত্র , বাক স্বাধীনতা , ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা। যে ব্যবস্থায় আছে শুধুই মুহাম্মদ কর্তৃক প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত সমাজ ব্যবস্থার সব রকম আচার আচরন , বিধি , নিষেধের প্রতি বিনা শর্তে , বিনা প্রশ্নে আত্মসমর্পন। আর সে কারনেই ইসলাম অর্থ হলো আত্মসমর্পন আর মুসলিম অর্থ হলো আত্মসমর্পনকারী।

ইসলাম যে কিছু মানুষের বানান গাল গল্প ও কিচ্ছা কাহিনী, ভুয়া, তার ১০০% সহিহ প্রমান


আমরা জানি ইসলামের বিধি বিধান আচার আচরন প্রায় ২০% নেয়া হয়েছে কোরান থেকে ৮০% নেয়া হয়েছে হাদিস থেকে।ইসলামের প্রধান স্তম্ভই হলো সালাত বা নামাজ। কোরানে সালাতের কথা বলা আছে , কিন্তু ৫ বারের কথা বলা নেই। কিভাবে নামাজ পড়তে হবে , ওজু করতে হবে এসব কিছুই বলা নেই কোরানে। এসব বলা হয়েছে হাদিসে। কিভাবে হজ্জ করবেন , কোরবানী করবেন , আয়ের কত অংশ যাকাত দিবেন এসব কিছুই বিস্তারিত বলা আছে হাদিসে , কোরানে এসবের খালি উল্লেখ আছে। হাদিস থেকে জেনেই একজন মুমিন তার নামাজ পড়ে , হজ্জ করে , যাকাত দেয় , কোরবানী করে ইত্যাদি। তার অর্থ হাদিস ছাড়া ইসলাম বিরাট এক শূন্য।

কবির কলমের খোঁচায় মড়ক লেগে ধ্বংস হোক সকল সাম্প্রদায়িক-নরপশু


এই দেশে এখন প্রায় সবাই জ্ঞানী। এদের কথা শুনলে মনে হয়—এরা কত যেন জানে! আর এরা এমন সব আজগুবি-কথা বলে যে তা শুনলে মনে হবে—এরা কোনো বিজ্ঞানী! আসলে, এইসব অপদার্থের কথার কোনো মাথামুণ্ডু নাই। এরা এমনই গোমূর্খ! কিন্তু ভাব দেখাবে সবজান্তার। অনেকে আবার ‘ইউটিউব’ দেখে-দেখে জ্ঞানী! এখানে, সস্তা কতকগুলো বাঁদরের কথাবার্তা কিংবা সস্তা-লোকের সস্তা-ওয়াজ-নসিহত শুনে এরা এখন সবজান্তা। কিন্তু এই পাষণ্ডগুলো জীবনে একটিবারের জন্যও একটি ভালো-বই কিনবেও না, আর তা পড়বেও না। এদের প্রধান খাদ্য ও আকর্ষণের বিষয় হলো—এদেশীয় কিংবা বিদেশী সস্তা-টিভি-চ্যানেলগুলো। এরা এসবকেই তাদের জীবনের সবকিছু জানার একমাত্র হাতিয়ার, মাধ্যম বা উপকরণ মনে করে থাকে। এগুলো দেখে নানারকম মূর্খের সস্তা-কথাবার্তা শুনে এরা দিন-দিন আরও বেশি মূর্খ হচ্ছে। আরও বেশি জাহেল কিংবা অজ্ঞ হচ্ছে। আর তারা এখানকার জাহেলদের ওয়াজ-নসিহত শুনে কথায়-কথায় মানুষকে বলছে—কাফের, নাস্তিক, মুরতাদ! তবুও এরা মানুষ হওয়ার জন্য জ্ঞানের আধার বইপুস্তক পড়বে না। তবুও এরা কবিতা পড়বে না, গল্প পড়বে না, প্রবন্ধ পড়বে না, আর ভ্রমণকাহিনী পড়বে না। এরা এমনই এক অধম আর নরপশু।

কেন মুহাম্মদ আব্রাহামিক ধারায় কোনভাবেই নবী হতে পারে না


মুসা নবি যখন মিশর থেকে তার গোত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে সিনাই উপত্যকায় বেদুইনদের মত ভ্রমন করছিল , তখন তার ঈশ্বর তাকে ১০টা নির্দেশ দেয়, যা পরবর্তীতে সকল নবী অনুসরন করবে ও সেসব সমাজে বাস্তবায়ন করবে। মুহাম্মদ যদি ইব্রাহীম , মুসা , ইসা ইত্যাদির ধারায় শেষ নবী হয় , তাহলে তার ওপরেও উক্ত বিধান অনুসরন করা ও তার বাস্তবায়ন করা বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। প্রথমেই সেই বিধান গুলো জানা যাক (সূত্র- যাত্রাপুস্তক, অধ্যায় -২০, বাক্য :০১- ১৭), যা সংক্ষিপ্ত আকারে নিম্নরূপ: ---------

রম্য লেখক মার্ক টোয়েনের কয়েকটি উক্তি, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


প্রারম্ভিকা :
রাষ্ট্র নামক নামক সীমাবদ্ধ ধারণার বাইরে বিশ্বসাহিত্যের যে কয়জন শক্তিধর রচনাকার সারা পৃথিবী নিজের আলোয় আলোকিত করতে পেরেছিলেন মার্ক টোয়েন সেই অনেকের মধ্যে একজন। তাঁর তূলনা তিনি নিজেই।

যাদেরকে আমি মা-বাবা ডাকি , তারাই যে আমার প্রকৃত জন্মদাতা , সেটা কি আমি নিশ্চিত ?


মুমিনদেরকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় , আল্লাহ যে আছে তার প্রমান কি ? মুহাম্মদ যে নবী তার প্রমান কি ? প্রায়ই দেখা যায় মূর্খ ও উন্মাদ মুমিনরা তোতাপাখির মত উক্ত প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করে। আর ভাবে , এই প্রশ্ন করেই বোধ হয় জিতে গেল । যাইহোক , এবার তাদেরকে উত্তর দেয়া হবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর