নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

জাতীয় সম্পদ

কালিবাবু সড়কের পরিবেশগত সমীক্ষা কিভাবে করা সম্ভব।


জমিদার বাড়ির সকাল বেলা। সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। জমিদার কালিপদ পোদ্দার মানুষের সুখ দুঃখ শুনছেন। পাইক পেয়াদাদের প্রয়োজনমত নির্দেশ দিচ্ছেন। হটাত বুড়ো মা ঘর থেকে ছেলেকে ডেকে পাঠালেন। বললেন, বাবা: গঙ্গাস্নানে যাবো। কালিবাবু শুনে হেসে বললেন যাবে তো যাও। কবে যাবে বল, ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। মা শুনে বিরক্ত হয়ে বললেন, কিন্তু যে রোদ রে বাবা!! কালিবাবু বললেনঃ বছর দুয়েক পরে গেলে হবে? মা শুনে বললেন, ক্যান কি করবি তুই? কেন, গাছ লাগিয়ে দেবো। শিরিশ গাছ। বছর দুয়েক যেতে না যেতেই ছায়া দেবে। তোমার কষ্ট কমবে। মা ছেলেকে কাছে টেনে মাথায় হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করলেন।

বামাতী ত্যানা!


‘হিন্দুরা এখনো খুব কুসংস্কারগ্রস্ত’ এমন কথা বামপিন্থদের আমি বহুবার বলতে শুনেছি। কথাটাতে সত্যতা আছে তাই এখানে রেসিজম খোঁজার সুযোগে নেই। তাহলে ‘সব জঙ্গিই মুসলমান’ কথাটাতে বামপন্থিরা রেমিজম খুঁজে পায় কেন? মূলত অনলাইনে বামপন্থি এক্টিভিস্টদের এই আলোচনায় ধরা হচ্ছে। অনলাইনে এইসব লাল কমরেডরা রাজনৈতিক অবস্থানহীন নাস্তিকদের ‘ইসলাম বিদ্বেষী’ এমনকি ‘হিন্দু নাস্তিক’ বলে আক্রমন করছে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ নিয়ে নাস্তিকদের লেখা প্রসঙ্গে।

যশোর রোডের প্রাচীন বৃক্ষঃ কিছু কি করা যায়?



আমার যুক্তিতে যতদূর বুঝি, রোড চারলেন হইতেই হবে আর তা হইতে হবে অতিদ্রুত। এখন কথা হইতেছে গাছগুলা কি বাঁচানো বা রক্ষা করবার কোনো উপায় আছে নাকি নাই। গাছগুলাকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াও অনেক ব্যয়বহুল হবে। তবে প্রতিটা জাতি নিজেদের ভাল জিনিসগুলো ধরে রাখে, ঐতিহ্য ধরে রাখতে চায়, তার জন্য ব্যয় করে। আমরাও হয়ত করতে পারি। যশোর রোডের অন্যরকম সৌন্দর্য এখনো আমার চোখে ভাসতেছে।

আমি অল্পবুদ্ধিতে যা বুঝি, এই গাছ কিংবা আদি যশোর রোড অবিকৃত রাখবার একটাই উপায়, তা হচ্ছে যশোর রোডের পাশাপাশি প্যারালাল দুইলেনের আরেকটা ওয়ান ওয়ে রোড করা। চারলেনই তো প্রয়োজন, একমুখী দুইলেন হোক আদি যশোর রোডের আর অপর অংশ হোক অপরমুখী লুইলেনের। চারলেনের মহাসড়কে নরমালি ডিভাইডার থাকে, দুইলেন থাকে একমুখী আর অপর দুইলেন থাকে বিপরীতমুখী। যশোর রোডের একপাশের গাছগুলা হোক একসাইডের সীমানাপ্রাচীরের মতন আর অপরপাশের গাছগুলো হইতে পারে পাশাপাশি নির্মাল করা প্যারালাল রোডের ডিভাইডার, একটু বেশি প্রশস্ত ডিভাইডার হবে, এই যা। অতিরিক্ত কিছু জমি অধিগ্রহণ লাগবে, প্রকল্পখরচ আর মাস্টার[প্ল্যান বদলাইতে হবে, কিন্তু এইভাবেও তো সম্ভব। আর পুরা চারলেনের মহাসড়কেই যে গাছ বাঁচাইতে হবে এমনও হবে না। কেবল যেই যেই অংশে গাছগুলা বাঁচানোর দরকার, সেই অংশেই এমন করে মহাসড়কের নতুন পরিকল্পনা করলে কি হয় না?

ডুবে যাওয়া এক শহরে


বৃষ্টির শুরুটা হয়েছে বৃহস্পতিবার। শুক্রবারও দিনভর বৃষ্টি ছিল, রাতেও হয়েছে। তবে অফিস না থাকায় শুক্রবারের বৃষ্টি উপভোগই করেছে মানুষ। এমন মানুষের দলে ছিলেন সেলিম সাহেব। শুক্রবার দিনভর বৃ্ষ্টি বাড়িতে খিচুড়ি ইলিশ দিয়ে উৎযাপন করেছেন। তবে এমন উদযাপনের মধ্যেও ছিল সংশয়। কালও না অবার বৃষ্টি হয়। তাহলে অফিসে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়বে।

আমাদের সেনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ সবাই কেবল কিছু চাকমা ছাড়া!


আমাদের সেনারা যখন সিয়েরা-লিয়ন যায়, সেখানের সব মানুষ তাদের আচরণে আপ্লুত হয়ে "আমার সোনার বাংলা" গান গায়, আর তাদের দেশের ২য় ভাষা হিসেবে বাংলাকে গ্রহণ করে।
:
যখন রোহিঙ্গাদের সেবা দিতে যায় কক্সবাজারে, তখন নির্যাতিত বিপন্ন রোহিঙ্গারা চোখের জল ফেলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশ সেনাদের প্রতি।
:
যখন ভেঙে পরা পোশাক কারখানা থেকে উদ্ধার করে বিপন্ন শ্রমিকদের, তাদের স্বজনরা কৃতজ্ঞতা অশ্রু নিবেদন করে আমাদের গর্বিত সেনাদের প্রতি।

বদলে যাচ্ছে পাসপোর্ট সেবা


প্রধান ফটক পেরুতেই চোখে পড়ে বাগানবিলাস ফুলের সতেজ সম্ভাষণ। ভিতরে ঢুকে দেখা যায় ছিমছাম পরিচ্ছন্ন কক্ষ। প্রয়োজনীয় নির্দেশনাগুলো ঝুলিয়ে দেওয়া আছে নোটিস বোর্ডে। নেই দালালের চিরচেনা আনাগোনা। এই সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই এটি একটি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। সরেজমিন উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, যে কোনো তথ্যের জন্য গেট দিয়ে ঢুকতেই রয়েছে অনুসন্ধান ডেস্ক। এখানে কাজের বিষয়ে বললে কাউন্টারের দায়িত্বরত কর্মী জানিয়ে দেন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা। এখানে পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে আসেন মানুষ। কাউন্টারে ফরম জমা দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই ডাক পড়ে ছবি ওঠানো, আঙ্গুলের ছাপ দেওয়া এবং তথ্য পূ

গাছ একমাত্র মানুষের শ্রেষ্ট বন্ধু শুধু দিতেই জানে। গাছ লাগান প্রিয় পৃথিবীকে বাচান।


পৃথিবীতে প্রায় ৩০ লক্ষ কোটি-৪০ লক্ষ কোটি গাছপালা এখনো মানুষ সহ পৃথিবীর সকল প্রানিকে প্রান দায়ক O2/ অক্সিজেন দিয়ে যাচ্ছে।সবুজ বনভূমি আছে বলেই প্রানের অস্তিত এখনে পৃথিবী নামক গ্রহে চলমান....আমাদের বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডে যত পরিমান তাঁরা-নক্ষত এবং আমাদের মস্তিষ্কে যত পরিমান কোষ-শিরা আছে তার থেকেও বেশী। গাছ আমাদের বাসযোগ্য গ্রহে রয়েছে।
একটি গাছ বছরে ২১.৭ কিলো Co2 কার্বণ অক্সাইডকে গ্রহন করে O2 অক্সিজেনে বদল করে দেই। একটি গাছের অক্সিজেন ব্যবহার করে ৪-জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ একবছর বেঁচে থাকতে পারে

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর