নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

দুর্নীতি

উন্নয়নের জোয়ারে, ভেসে যায় আহারে!


উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। সব সময়েই উন্নয়ন,সব জায়গাতেই উন্নয়ন। উন্নয়নের মেঘমন্দ্রিত সরকারি গর্জনে কান ঝালাপালা হওয়ার দশা। মাইকের মতো অবিরত যারা কল্পিত উন্নয়নের শিবের গীত গাচ্ছেন তারা কি একবার দয়া করে বলবেন উন্নয়ন বলতে আপনারা কী বোঝেন? কোন স্কেল দিয়ে আপনারা উন্নয়ন পরিমাপ করছেন? উন্নয়ন পরিমাপ করার সূচকগুলো কী? উন্নয়ন মানে কি ত্রিশ বিলিয়ন ডলারের ফরেন রিজার্ভ, ছয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি, সুউচ্চ সুরম্য প্রাসাদের আধিক্য, মেট্রোরেল আর পদ্মাসেতু এবং চৌদ্দশ ডলার মাথাপিছু আয়? উন্নয়ন মানে কি চার লক্ষ কোটি টাকার বাজেট, সাবমেরিন, মিগ টুয়েন্টি নাইন?

বেলাশেষে মিথ্যাচারগুলোই দুর্বল হয়


কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য, শত-সহস্র মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র করেও খালেদা জিয়াকে সত্যের কাছ থেকে মুক্ত করতে পারেনি। সুশাসনের কাঠগড়া থেকে মুক্ত করতে পারেনি। তিঁনি দুর্নীতিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে খালেদা জিয়া এখন কারাভোগ করছেন। মিথ্যে সাজানো মঞ্চায়ন করার পরেও দেশের সচেতন মানুষকে খালেদা জিয়ার পক্ষে মাঠে নামাতে পারেননি।

বাঙলাদেশ সেনাবাহিনী দূর্নীতি করেনা এমন কথা মনেপ্রাণে যে বিশ্বাস করে সে মূর্খ


বাঙলাদেশ সেনাবাহিনী বাঙলাদেশের গৌরব, সেনাবাহিনী ঘুষ-দূর্নীতি মুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। এখন আমি যদি হুট করে বলে ফেলি সেনারা কালোবাজারি অবৈধ কাজের মূলহোতা; জাতি হয়তো মনে মনে বলে উঠবে শালা মাথামোটায় কয় কি?

লজ্জার মাথা খাইয়া নিঃসংকোচে বলছি বাঙলাদেশের সেনাবাহিনী কালোবাজার ও চোরাচালানের সাথে জড়িত।

১৩.০২.২০১৮ বেলা আনুমানিক ১২.০০, ঘটনাস্থল ঘুঘরাছড়ি রাবার বাগান। বিজিতলা সেনাছাউনি থেকে একজন জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারের নেতৃত্বে এক প্লাটুন সেনাসদস্য ঘুঘরাছড়ি রাবার বাগানের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে গহীন অরণ্যে উপযুক্ত একটি পাহাড় খুঁজে বের করে এম্বূসড ঘেড়ে প্রশিক্ষণ করার জন্য।

শেখের বাড়ির পথে শূড়িখানা: ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


হোটেল এরামের ব্যাপারটা ঠিক ঠাক মত প্রথম জানতে পারি ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে।
সকাল দশটার মত বাজে। ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে ফুল প্রদানের পরে উল্টোদিকের রাস্তায় এসে দাড়িয়েছি। প্রচন্ড ভীড়ের ভেতরে প্রায় এক দেড় ঘন্টা যাবত অপেক্ষা করে ফুল দেয়ার পর শরীর ক্লান্ত এবং তৃষ্ণার্ত। আশেপাশের সব দোকান বন্ধ। দাড়িয়ে থাকা দুই ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম এদিকে পানি পাওয়া যেতে পারে কোথায়। দুজনের মধ্যে একজন কেমন রসিকতার ভঙ্গিতে একদিকে ইশারা করে বললেন
" ঐদিকে যান খুব ভাল পানি পাওয়া যায়, হেঃ হেঃ... "

ইসলাম হলো মিথ্যাবাদীতা বা প্রতারনার ধর্ম


সব ধর্মেই কোন না কোন সময় মিথ্যা কথা বলাটাকে অনুমোদন করে, কিন্তু সেটার সাথে ইসলাম অনুমোদিত মিথ্যা কথা বলার আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারের জন্যে মিথ্যা কথা বলা অনুমোদিত নয় , বরং জীবন রক্ষা , স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে মিথ্যা বলার অনুমতি বিদ্যমান। কিন্তু ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাতে বলা আছে , ইসলাম প্রচারের জন্যেই মিথ্যা কথা বলা যাবে। খোদ ইসলামের ঈশ্বর আল্লাহ নিজেকেই কোরানে বলেছে প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। তার অর্থ হলো ইসলামের মূল ভিত্তিটাই হলো মিথ্যা ও মিথ্যাচার।

সত্যিই আমরা অমানুষ হয়ে উঠেছি, মানুষতো খাবোই....


রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে ঘৃনা হয়, তবুও বলার মত বলা৷

বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি আর কেনো ভালোবাসি তা সবার জানা৷ বিশেষ করে ওনার করে যাওয়া মহৎ কাজের জন্যই ওনাকে ভালোবাসি৷ না হলে উনি যে পৃথিবীর একেবারে শেষ ভালো তা নয়৷

আমাদের দেশের রাজনীতি আর কুকুরের কামড়া কামড়ি প্রায় এক আবার তার চেয়ে জঘন্য৷৷ এখন লন্ডনে বিএমপি জামাত বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে যা করলো তা পৃথিবীর কাছে বাঙালি কতটা নোংরা তার প্রমাণ দিলো৷ প্রমাণ দিলো সেই পাকিদের চেয়ে তারা কম নয় এবং তাদের বংশধর হিসেবে বৈশিষ্ট্য জন্মগত৷

অামরা প্রকৃতপক্ষে কোনদিকে যাচ্ছি?


কিছুদিন অাগে কথিত একটি পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলাম।এর পূর্বেও অারো একবার পাবলিক পরীক্ষা দিয়েছি।এই পরীক্ষা সম্পর্কে অামার একটা পরিষ্কার ধারণা অাছে।যতবার এই পরীক্ষা দিয়েছি ততবারই অামি সঙ্কিতবোধ করেছি।এককথায় ভয় পেয়েছি।প্রথম পরীক্ষার দিন অামি পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশের পর চুপ করে নিজের জন্য নির্ধারিত অাসনে বসে ছিলাম। পরীক্ষা শুরুর পূর্বে দুইজন পরিদর্শক অাসলেন।তারা তাদের কাজগুলো নিয়মমতোই করলেন।তারপর ঘন্টা বাজলো।সাথে সাথে নিজের লেখার জন্য খাতা পেলাম।সাধারণভাবেই খাতার প্রয়োজনীয় সকল কাজগুলো করার পরই লেখা শুরু করলাম।লিখতে লিখতে কয়েকঘন্টা চলে গেল।বাড়তি পৃষ্ঠা চেয়ে নেওয়ার জন্য যখন দাড়ালাম তখন চ

ফেসবুকের শক্তি


ফেসবুকের শক্তি সম্পর্কে নিশ্চয়ই কারো কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালীতম মাধ্যম জুকারবার্গের এই ফেসবুক। সত্যাসত্য যাচাই না করে ফেসবুকের নানা জায়গায় আমরা লাইক দিয়ে, শেয়ার করে নানা ধরণের বিপদ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছি প্রতিদিন। আপনার দেওয়া ভুয়া খবরের একটি শেয়ার গোটা একটা সম্প্রদায়কে বিপন্ন করতে পারে, অস্থিতিশীল করে ফেলতে পারে পুরো একটি রাষ্ট্রকে। কে কই লাইক দিলেন, কে কী শেয়ার করলেন; এর উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাও। ফেসবুক ব্যবহারের সময় কমন সেন্স খাটিয়ে নিচের এই গোল্ডেন রুলগুলো মেনে চললে সেইসব বিপদ অনে

সমস্যা সমাধান ও রোগ মুক্তিকারী ভন্ড পীর সাধু হতে বড় ভন্ড হলো স্বর্গ দেখানো ধর্মীয় গুরুরা


বিপদ মুক্ত করার নামে ভন্ডপীর বাবা কিংবা তান্ত্রীক সাধু সন্ন্যাসিরা কটা মানুষ ঠকায়!? তার চেয়ে বহুগুন বেশি ঠকায় ধর্মীয় গুরুরা৷ ধর্মীয় গুরুরা গ্রন্থের লাইন জপে মানুষের পকেট ডাকাতি করে যায় দিনের পর দিন অথচ সাধারণ মানুষ বিশ্বাস নামক শব্দটার কারণে ঠকে যাচ্ছেতো যাচ্ছে৷ এর মূল কারণ অশিক্ষা এবং কুশিক্ষা৷

মুহাম্মদের লুটের মাল


বলা হয়ে থাকে মুহাম্মদ আল্লার দূত এবং আল্লার হুকুমে দ্বীন কায়েম করতে যেয়ে সত্তরের অধিক যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। এটা এখনো বোধগম্য নয় যে - সত্য প্রতিষ্ঠা করতে, মানুষকে সঠিক পথের দাওয়াত দিতে কেন যুদ্ধ করতে হবে? যুদ্ধের নামে হত্যা করতে হবে? নারীকে ভোগ করতে হবে? সম্পদ লুট করতে হবে?
আর সে যুদ্ধ যদি হয় আল্লার নামে, তবে এ আল্লা কেমন সৃষ্টিকর্তা? নাকি পুরোটাই মুহাম্মদের চালাকি!
সত্য বা দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দেওয়া যেতে পারে, জীবন নিয়ে কি সত্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে মুহাম্মদই ভালো জানে?

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর