নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ওয়াহিদা সুলতানা
  • নগরবালক
  • উদয় খান
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • আশিকুর রহমান আসিফ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

দুর্নীতি

ইসলাম হলো মিথ্যাবাদীতা বা প্রতারনার ধর্ম


সব ধর্মেই কোন না কোন সময় মিথ্যা কথা বলাটাকে অনুমোদন করে, কিন্তু সেটার সাথে ইসলাম অনুমোদিত মিথ্যা কথা বলার আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারের জন্যে মিথ্যা কথা বলা অনুমোদিত নয় , বরং জীবন রক্ষা , স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে মিথ্যা বলার অনুমতি বিদ্যমান। কিন্তু ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাতে বলা আছে , ইসলাম প্রচারের জন্যেই মিথ্যা কথা বলা যাবে। খোদ ইসলামের ঈশ্বর আল্লাহ নিজেকেই কোরানে বলেছে প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। তার অর্থ হলো ইসলামের মূল ভিত্তিটাই হলো মিথ্যা ও মিথ্যাচার।

সত্যিই আমরা অমানুষ হয়ে উঠেছি, মানুষতো খাবোই....


রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে ঘৃনা হয়, তবুও বলার মত বলা৷

বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি আর কেনো ভালোবাসি তা সবার জানা৷ বিশেষ করে ওনার করে যাওয়া মহৎ কাজের জন্যই ওনাকে ভালোবাসি৷ না হলে উনি যে পৃথিবীর একেবারে শেষ ভালো তা নয়৷

আমাদের দেশের রাজনীতি আর কুকুরের কামড়া কামড়ি প্রায় এক আবার তার চেয়ে জঘন্য৷৷ এখন লন্ডনে বিএমপি জামাত বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে যা করলো তা পৃথিবীর কাছে বাঙালি কতটা নোংরা তার প্রমাণ দিলো৷ প্রমাণ দিলো সেই পাকিদের চেয়ে তারা কম নয় এবং তাদের বংশধর হিসেবে বৈশিষ্ট্য জন্মগত৷

অামরা প্রকৃতপক্ষে কোনদিকে যাচ্ছি?


কিছুদিন অাগে কথিত একটি পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলাম।এর পূর্বেও অারো একবার পাবলিক পরীক্ষা দিয়েছি।এই পরীক্ষা সম্পর্কে অামার একটা পরিষ্কার ধারণা অাছে।যতবার এই পরীক্ষা দিয়েছি ততবারই অামি সঙ্কিতবোধ করেছি।এককথায় ভয় পেয়েছি।প্রথম পরীক্ষার দিন অামি পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশের পর চুপ করে নিজের জন্য নির্ধারিত অাসনে বসে ছিলাম। পরীক্ষা শুরুর পূর্বে দুইজন পরিদর্শক অাসলেন।তারা তাদের কাজগুলো নিয়মমতোই করলেন।তারপর ঘন্টা বাজলো।সাথে সাথে নিজের লেখার জন্য খাতা পেলাম।সাধারণভাবেই খাতার প্রয়োজনীয় সকল কাজগুলো করার পরই লেখা শুরু করলাম।লিখতে লিখতে কয়েকঘন্টা চলে গেল।বাড়তি পৃষ্ঠা চেয়ে নেওয়ার জন্য যখন দাড়ালাম তখন চ

ফেসবুকের শক্তি


ফেসবুকের শক্তি সম্পর্কে নিশ্চয়ই কারো কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগের শক্তিশালীতম মাধ্যম জুকারবার্গের এই ফেসবুক। সত্যাসত্য যাচাই না করে ফেসবুকের নানা জায়গায় আমরা লাইক দিয়ে, শেয়ার করে নানা ধরণের বিপদ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছি প্রতিদিন। আপনার দেওয়া ভুয়া খবরের একটি শেয়ার গোটা একটা সম্প্রদায়কে বিপন্ন করতে পারে, অস্থিতিশীল করে ফেলতে পারে পুরো একটি রাষ্ট্রকে। কে কই লাইক দিলেন, কে কী শেয়ার করলেন; এর উপর নির্ভর করে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং ক্ষেত্র বিশেষে একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাও। ফেসবুক ব্যবহারের সময় কমন সেন্স খাটিয়ে নিচের এই গোল্ডেন রুলগুলো মেনে চললে সেইসব বিপদ অনে

সমস্যা সমাধান ও রোগ মুক্তিকারী ভন্ড পীর সাধু হতে বড় ভন্ড হলো স্বর্গ দেখানো ধর্মীয় গুরুরা


বিপদ মুক্ত করার নামে ভন্ডপীর বাবা কিংবা তান্ত্রীক সাধু সন্ন্যাসিরা কটা মানুষ ঠকায়!? তার চেয়ে বহুগুন বেশি ঠকায় ধর্মীয় গুরুরা৷ ধর্মীয় গুরুরা গ্রন্থের লাইন জপে মানুষের পকেট ডাকাতি করে যায় দিনের পর দিন অথচ সাধারণ মানুষ বিশ্বাস নামক শব্দটার কারণে ঠকে যাচ্ছেতো যাচ্ছে৷ এর মূল কারণ অশিক্ষা এবং কুশিক্ষা৷

মুহাম্মদের লুটের মাল


বলা হয়ে থাকে মুহাম্মদ আল্লার দূত এবং আল্লার হুকুমে দ্বীন কায়েম করতে যেয়ে সত্তরের অধিক যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। এটা এখনো বোধগম্য নয় যে - সত্য প্রতিষ্ঠা করতে, মানুষকে সঠিক পথের দাওয়াত দিতে কেন যুদ্ধ করতে হবে? যুদ্ধের নামে হত্যা করতে হবে? নারীকে ভোগ করতে হবে? সম্পদ লুট করতে হবে?
আর সে যুদ্ধ যদি হয় আল্লার নামে, তবে এ আল্লা কেমন সৃষ্টিকর্তা? নাকি পুরোটাই মুহাম্মদের চালাকি!
সত্য বা দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দেওয়া যেতে পারে, জীবন নিয়ে কি সত্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে মুহাম্মদই ভালো জানে?

পানামা পেপারসের পর এবার 'প্যারাডাইস পেপার'


গতবছর এমনই সময়ে অফশোর কোম্পানিতে কর ফাঁকি দিয়ে বিনিয়োগের তথ্য ফাঁস করে আলোচনায় এসেছিলো “পানামা পেপারস”। গোপন নথিগুলো ফাঁস করেছিল একটি জার্মান নিউজপেপার- “Suddeutsche Zeitung”। সেই একই কোম্পানি এবার আরো ১৩.৪ মিলিয়ন ফাইল ফাঁস করলো সেই একই অফশোর কোম্পানিতে অর্থ বিনিয়োগ নিয়ে। তবে এবার পানামা না, এবার দেশ বারমুডা।

কেন বাড়ছে উগ্রপন্থা? 01-10-17


রিসার্চ - ১ :
অামার মাদ্রাসার ক্লাসমেটদের কেউ কেউ জিহাদবিরোধী ছিল, যদিও বেশিরভাগই জিহাদের সাপোর্টার ছিল। অামিও ১৯৯৯, ২০০০, ২০০১ সালে জিহাদি ভাবধারার ছিলাম। এসময়ে অামার একজন ক্লাসমেট অামাকে শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরিতে নিয়ে যায়, শুরু হলো বইপড়া। চিন্তার জগতে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিল।

মাদ্রাসা পড়ুয়ারা কি জঙ্গিবাদের সমর্থক? এর উত্তর হবে - হ্যা, তবে বাধ্য হয়ে।

এক যুবকের প্রাসঙ্গিক কিছু স্বপ্ন:পর্ব-১


লাইব্রেরীতে গেলে এমনিতেই মনটা ফুরফুরে থাকে। বইয়ে বইয়ে নিরব পাঠক দেখলেই আমার আবেগটা কেমন যেন উথলে ওঠে। ভাবি,না,এখনো আমরা ধ্বংসের পথে হাটছি না, সভ্যতার রাস্তা দিয়েই যাচ্ছি।
প্রায়ই আমার সামনে বসে ছেলেটি। প্রতিদিনই তাকাতাকি হয়, কিন্তু কথা হয় না। চোখে চশমা।তার নিচে চোখ দুটো খুব তীক্ষ্ণ মনে হলো।আর সেই তীক্ষ্ণতায় একদিন দেখতে পেলাম উঠতি কোন বিপ্লবের টুকটুকে সূর্যটাকে।
সেদিন কি এক প্রসঙ্গে কথা জমে গেল।
একপর্যায়ে জিজ্ঞাসা করলাম, "বন্ধু, হুমায়ুন আজাদের সেই কথা কি আমাদের জন্য সত্য হতে চলেছে যে,সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে যাবে? "

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর