নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • নকল ভুত
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম
  • আব্দুর রহিম রানা
  • সৈকত সমুদ্র
  • অর্বাচীন স্বজন

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

আইন-আদালত

৫৪ ধারায় গ্রেফতার ও বাংলাদেশ – সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ


বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে মুক্ত স্বাধীন জীবন যাপনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকেরই আছে। এটি একটি মৌলিক অধিকারও বটে্।রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। কিন্তু এখনো এটি চলছে। আইনের শাসন ও মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এ জাতি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল। কিন্তু আমরা আজও আইনের মাধ্যমে নির্যাতন বন্ধ করতে পারিনি। এটি খুবই হতাশ ও দুঃখজনক বটে।

কোন কোন ক্ষেত্রে ও কতটুকু পর্যন্ত আপনি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন : সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ।



প্রচলিত আইনে কোনো অপরাধ করে থাকলে আপনি শাস্তি পাবেন এটাই স্বাভাবিক। কারণ আপনার মাধ্যমে যদি কোনো আইন ভঙ্গ হয় তাহলে আপনি সেই আইনটি জানেন না বলে পার পাওয়া যাবে না। এটা আইনের একটি স্বীকৃত নিয়ম।

ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন বিষয়ক আইন


যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ কেবল অপরাধ নয়, এটি একটি ব্যাধি। এটি কেবল ব্যক্তি বিশেষের তথা অপরাধীর ব্যাধি নয়, পুরো সমাজেরই ব্যাধি। বর্তমানে পুরো বাংলাদেশে যেভাবে মহামারীর মত এই ব্যাধিটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এর আশু চিকিৎসা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এখান থেকে মুক্তির জন্যে তীব্রে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আন্দোলন দরকার। যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ নিয়ে আইনী আলোচনা এই আন্দোলনের খুব ছোট একটি অংশ, কেননা এটি কেবল দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের উপরে দৃষ্টি দেয়। কিন্তু দুষ্টের দুষ্ট হয়ে ওঠার মনস্তাত্ত্বিক তথা সামাজিক- সাংস্কৃতিক- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যেহেতু আইনের আওতাধীন নয়, সেহেতু সে দুষ্টের দমনের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত তৈরি করে সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলের চেষ্টা করে। সে কারণেই কেবল যথাযথ আইন ও বিচার ব্যবস্থা দিয়েই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কিন্তু আইনের মাঝেই যদি গলদ থাকে, বিচারে যদি ফাঁকি থাকে, তবে সাধারণ মানুষের যাওয়ার আর কোন জায়গাই থাকে না। সে জায়গা থেকেই আইন-আদালতের আলাপটাও খুব জরুরি। আলোচ্য লেখায় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ বিরোধী আইনগুলোর পর্যালোচনা করা হয়েছে, তা করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের এ সংক্রান্ত কিছু আইনের সাহায্যও নেয়া হয়েছে।

ডাক্তারি অবহেলা একই সঙ্গে দেওয়ানি ও ফৌজদারি অপরাধ : সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ



ডাক্তারদের দায়িত্ব :

দীর্ঘদিন ধরে অপচিকিৎসায় লাখ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, জীবন দিয়েছে।
ডাক্তারদের যে সব আচরণ অবহেলা হিসেবে গণ্য হয়, সেগুলোর মধ্যে রোগীকে সঠিকভাবে পরীক্ষা না করা, ভুল ঔষধ বা ইনজেকশন প্রয়োগ, ভুল অপারেশ করা, অস্ত্রপাচারের উপকরণ রোগীর শরীরের ভেতর রেখে দেওয়া প্রভৃতি। এ ছাড়া রোগীর সঙ্গে দূর্ব্যবহার, ফি নিয়ে দরকষাকষিও চিকিৎসকদের অবহেলার মধ্যে পড়ে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা সামপ্রতিক বিতর্ক এবং সাংবাদিকের মানবাধিকার :সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ


বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয়ভাগ মৌলিক অধিকারের সাথে সম্পর্কিত। মৌলিক অধিকারের মধ্যে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা অন্যতম। মৌলিক অধিকারের সাথে সামঞ্জস্যহীন আইন বাতিল ঘোষণা করে সংবিধানের ২৬ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসামঞ্জস্য সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।" ইদানীং উচ্চ আদালতের একটি সিদ্ধান্ত সাংবাদিক সমাজের মাঝে ােভের সঞ্চার করেছে।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিংহার বিদায়, তবে কি আওয়ামিলীগ নৈতিকভাবে পরাজিত?


বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে সভ্য ও সুস্থ পার্লামেন্ট হচ্ছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। যেখানে সংবিধান, গনতন্ত্র ও ব্রিটিশ-জনগনের কিভাবে সর্বোচ্চ মৌলিক অধিকার রক্ষা করা যায়, তার জন্য সাংসদরা নতুন নতুন আইন পাশ করেন। ব্রিটিশ সাংসদীয় ব্যবস্থা এতো আধুনিক ও সংস্কারময় যে, তারা ৫০-১০০ বছরের পুরোনো আইন বহাল (যদি উপযোগী হয় তাহলে অন্য কথা) রাখেন না। তারা জনগনের অধিকার তথা গনতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার জন্য সংসদীয় ব্যবস্থা সবসময় সচল রাখেন। এই জন্য ব্রিটিশের পার্লামেন্টকে বিচার বিভাগের চেয়েও জৈষ্ঠ আদালত হিসেবে ধরা হয়।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সাথে সরকারের দ্বন্দ্বের নেপথ্যে


মাননীয় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার উপর কি কারণে সরকার ক্ষিপ্ত হয়েছে বলে আপনি মনে করেন? ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় কিংবা এর পর্যবেক্ষনণকে কি আপনি এর জন্য দায়ী করবেন? যদি করেন, তবে আমি মনে করি আপনি ভুল ভাবছেন! ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও পর্যবেক্ষণ উসিলা মাত্র! কেননা, আওয়ামীলীগের বিজ্ঞ আইনজ্ঞরাও জানতেন, ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হবেই। এই আওয়ামীলীগই সংবিধানের বেশ কয়েকটি অনুচ্ছেদকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ (অসংশোধনীয়) বলে সংসদে পাস করেছে। সেই হিসেব মতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ছিল অনিবার্য!

আদালতই ন্যায়বিচারের পথ উন্মুক্ত করে দেন


নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ন্যায়বিচার নিয়ে শুরু থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে শঙ্কা ছিল। কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ছিলেন প্রভাবশালী। টাকার বিনিময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ক্ষমতার দাপটে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অপরাধ বিভিন্ন সময়ে মাফ হয়ে যাওয়ার প্রচলিত ধারণা সাত খুনের রায়ে ভুল প্রমাণিত হলো। অভিযুক্ত র্যাযব কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার, মূল পরিকল্পনাকারী নূর হোসেনকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে বিচারের বিভিন্ন পর্যায়ে সারা দেশের মানুষ, আইনজীবী ও গণমাধ্যম সজাগ ছিল। প্রায় তিন বছর তিন মাস ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ে আদালতই ন্যায়বিচারের পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এই মামলার মূল পর

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর