নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • নুর নবী দুলাল
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সামসুল আলম
  • এস. এম. মাহবুব হোসেন
  • ইকরামুজ্জামান
  • রবিউল আলম ডিলার
  • জহুরুল হক
  • নীল দীপ
  • ইব্রাহীম
  • তারেক মোরশেদ
  • বাঙলা ভাষা
  • সন্দীপন বিশ্বাস জিতু

আপনি এখানে

আইন-আদালত

ধর্ষণ এবং ধর্ষণবিষয়ক আইন প্রক্রিয়া


বাংলাদেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের বহু ঘটনা ঘটছে কিন্তু তার বিচার এবং শাস্তি হচ্ছে খুবই কম। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন ধর্ষণের বেশিরভাগ ঘটনাই ধামাচাপা পড়ে যায়।
ধর্ষণের শিকার নারীকেই দোষী করার একটা প্রবণতা এদেশের সমাজে আছে সেটিও এ ভিকটিমের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার মেয়েদের সারাদেশে ৮টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে কাউন্সেলিং, পুলিশি ও আইনি সহায়তা দেয়া হয়। ২০০১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠিত এসব কেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৩শ ৪১টি যৌন নির্যাতনের মামলা হয়েছে যার মধ্যে ৫শ ৭৮টি বিচার হয়েছে এবং সাজা হয়েছে মাত্র ৬৪টি ঘটনার।

ইস্পা হত্যা:সুরতহাল ময়নাতদন্ত ফরেনসিক রিপোর্ট এবং কিছু কথা


সুরতহাল রিপোর্টের নির্ধারিত ফরমের (মৃতদেহ প্রাপ্তির স্থান তারিখ ও সময়)কলামে সুরতহাল প্রস্তুতকারী অফিসার ইস্পা হত্যা মামলার আসামী লিটনের বাড়ির সামনে লাশবাহী এম্বুলেন্সসের কথা উল্লেখ করেছেন।পোষাক লিখা কলামে প্রিন্টের সূতি কামিজ পরিলক্ষিত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যান্য কলামে শরীরের ৮০ ভাগ স্থান পোড়ে যাওয়ার কারণে সনাক্তকরণ চিহ্ন, তরল পদার্থ নির্গত নিঃসারিত হওয়া পরিলক্ষিত হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে পোড়ে যাওয়ার কারণে মৃত্যু হলেও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্তের প্রয়োজন আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।ছবি আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ।

সখি! আদালত অবমাননা কারে কয়!



আদালত অবমাননা কাকে বলে তা কি আমরা বুঝি? আদালতের রায় সরকার বা কেউ লিখে দিচ্ছে, এটা আসামী বা তার পক্ষের লোকেরা বললে তা কি আদালত অবমাননা হয়? ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত আসামী রায়ের আগের দিন প্রেস কনফারেন্স করে আদালতকে রীতিমত থ্রেট দিলে তা কি আদালত অবমাননা হয়? বেগম জিয়ার রায় ঘোষণার পর বিএনপি অনেক নেতাই বলেছেন, রায় সরকার লিখে দিয়েছে। এটা কি আদালত অবমাননা?
:

ইস্পা হত্যা:ওসি সাহেব মামলা না নিয়ে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানভিত্তিক পরামর্শ


(ছাতকে আগুনে পুড়ে গৃহবধূর মৃত্যু)এই শিরোনামে ০৮ মে ২০১৭ সমকাল অনলাইন পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে ঘটনার সময় উল্লেখ করা হয়েছিল রাত ১১.০০ ঘটিকা, আগুনে দগ্ধ হওয়ার স্থানটি রান্না ঘর ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদে,রান্না ঘরের কাজ করার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল মুলত সেই বিষয়েই খবর প্রচার হয়েছিল সেদিন ।জন্ম মৃত্যু হারানো ঘোরানোর সংবাদগুলো মূলত ইচ্ছুক মানুষের মনমত করেই প্রকাশিত হয় এটা আশাকরি সবারই জানা,পারিবারিক সায়সংবাদ প্রকাশ করার জন্য মিডিয়া কর্মীরা ছোট কিংবা বড় শহরের আবাসিক এলাকার অলিগলিতে কাগজ কলম ক্যামেরা লইয়া ঘুরাঘুরি করেনা এটিও কিন্তু সত্য।পরিবারের লোকজন উক্ত গৃহবধূ আত্মহত্যা কর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ঃ কী কালো, কী সাদা?



ইতিমধ্যে বিখ্যাত ৩২ নং ধারাতে আছে, "সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনো ধরনের তথ্য উপাত্ত, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে এবং এ অপরাধে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডর বিধান রাখা হয়েছে।" প্রথমেই প্রশ্ন আসলো বেআইনিভাবে প্রবেশ মানে কী হবে? অনুমতি ছাড়া স্বশরীরে প্রবেশ? নাকি নেটওয়ার্ক দিয়ে ঢুকে কাম তামাম করবার ব্যাপারস্যাপার? ধরে নেই দুটাই এর আওতায়, যেহেতু এখনো এই বেআইনিভাবে প্রবেশের বিস্তারিত জানি না। অফিশিয়াল সিক্রেসি এক্ট এদেশে কার্যকর ছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই। এই প্রস্তাবিত ধারার ধারেকাছেই কিছু একটা। এই ধারাটা ভাল আদর্শ পরিবেশের জন্য। যেখানে আপনি ধরে নেবেন, সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম হয় না, সবাই টোটো লেভেলে সৎ ও আদর্শবান। এমনভাবে চালিত হলে সেখানে সবকাজ ভালই হবার কথা এবং সেখানকার কার্যক্রমের সব তথ্যই বিশেষ সুরক্ষার আওতায় আসতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এদেশে কিংবা বিশ্বের কোথাও তো এমন অবস্থা নেই কমবেশি অনিয়ম, দুর্নীতি এসব সব জায়গায় আছে। এখন অনিয়ম, দূর্নীতি এসব যদি থাকে, আর সেটা যদি কোনোভাবেই প্রকাশ না করা যায়, তাহলে তো আপনি সকল কাজের জন্য এমনেস্টি ডিক্লেয়ার করে দিলেন। এই ধারাকে কিছুটা বর্ধিত করা যেত হয়ত। বলা যেত, "যদি কেউ একদম বিনা কারণে, অসৎ উদ্দেশ্যে ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের জন্য প্রবেশ ও রেকর্ড করেছে বলে 'প্রমাণিত' হয় তবে শাস্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হবে" এবং "জনগুরুত্বপূর্ণ, সত্য উন্মোচন ও ন্যায়প্রতিষ্ঠার স্বার্থে প্রবেশ করেছিল বলে 'প্রমাণ উপস্থাপন করলে শাস্তিযোগ্য হবে না"। কাছাকাছি এমনকিছু ক্লজ কিংবা মতামত নিয়ে অন্যকিছু যোগ করলেও চলতো।

আজকের নির্বাচিত চুটকি "সাক্ষী" !


বরিশাল জজ কোর্টে অনেকদিন আগে একটি মামলায় সাক্ষী হিসেবে নারীবাদি "রমা দি"র ডাক পড়েছে। বাদীপক্ষের উকিল বিজন মজুমদার রমা দি'কে ঘাবড়ে দেবার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন :

“আপনি আমায় চেনেন মিস রমা? রমা দির কুইক উত্তর:

৫৭ ধারা বাতিল কর


মানুষ সামাজিক জীব।
সমাজের রীতিনীতি ও নিয়মের প্রতি তাকে অনুগত থাকতে হয়। এই অনুগত্যই সুশৃঙ্খল জীবন নিশ্চিত করে। সামাজ মানুষেরই সৃষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন হচ্ছে রাষ্ট্র।
রাষ্ট্রীয় জীবনে উন্নতি ও সুশৃঙ্খল নিশ্চিত করার জন্য নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান প্রণীত হয়। সৃষ্ট হয় আইন। আইন বলতে নিয়ম-কানুন, বিধি বিধানকে বুঝায়। সাধারন ভাবে সমাজে যে বিধি-বিধান মানুষ মেনে চলে তা হল সামাজিক আইন। আর সমাজের মানুষের আচার-আচরনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার যে সকল বিধি বিধান চালু করে সেগুলোকে বলে রাষ্ট্রীয় আইন। আইন মানুষের বাহ্যিক আচরন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি আইন রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর