নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • হাইয়ুম সরকার
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • তা ন ভী র .
  • কেএম শাওন
  • নুসরাত প্রিয়া
  • তথাগত
  • জুনায়েদ সিদ্দিক...
  • হান্টার দীপ
  • সাধু বাবা
  • বেকার_মানুষ
  • স্নেহেশ চক্রবর্তী
  • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

আপনি এখানে

স্যাটায়ার

আফগান সিরিয়া আর কতদূর পাঞ্জেরী?


বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিগ্রুপ জেএমবি "রোজা পালন কমিটি" নামে আত্মপ্রকাশ করেছে। কল্যাণপুরে তারা হোটেলে ঢুকে ভাতের প্লেটে, চায়ের কাপে মুতে দিচ্ছে। আফগান সিরিয়া আর কতদূর পাঞ্জেরী?

তার্কিক


দিতে পারো তাহাকে হয়তো উপাধি তর্করত্ন
তাহাতেই খুশি সে;
সারাদিন তা-ইতো করে যায় যত্ন।
তর্কই পেশা তার
নেই কাজ কোনো আর;
ভালোটাও ভালো নয়
বলিবেন মহাশয়,
কারণ,মতলব একটায়
তর্কটা করা চাই।

সত্য কথন


প্রাক ইসলামিক যুগে আরবে ছিলো মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা। অনেক গোত্রের নামও ছিল স্ত্রীবাচক । মহিলারাই ছিল তখনকার সমাজে সম্পত্তি ও পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক। পুরুষরা শুধু পরিশ্রমই করতো কিন্তু পরিবারকে নিয়ন্ত্রণ করতো মহিলারা। মোহাম্মদের স্ত্রী খাদিজাও ছিলেন একজন সম্ভ্রান্ত প্রভাবশালী নারী। নিজের বিশাল ব্যবসা নিজেই দেখা শোনা করতেন। তার বানিজ্য বিস্তারিত ছিলো দামেস্ক, সিরিয়া সহ তৎকালীন মধ্যপ্রাচ্যের অনেক প্রদেশে।

বাংলা সিনেমায় 'সিঁড়ি'তে ধারণকৃত দৃশ্যে দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অসমতার প্রতিচ্ছবি


অনেক বাংলা সিনেমায় ‘সিঁড়ি’র অংশে ধারণ করা দৃশ্যগুলো সিনেমার টার্নিং পয়েন্ট হয়ে থাকে। এই ‘সিঁড়ি’ তে ধারণকৃত দৃশ্য গুলো নানান রূপের হয়ে থাকে সিনেমার কাহিনী অনুযায়ী। বলা যায় আধুনিক কালে বাংলা সিনেমায় আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক অসমতার সকল হৃদয়ভাঙ্গা গল্প এই ‘সিঁড়ি’র আগায় শুরু হয়, শেষ হয় ‘সিঁড়ি’র গোঁড়ায়!

করতালি


করতালি দিতে দিতে
করতলে ব্যথা
বক্তা সাহেব খোঁজেন তবু;
হাঁতড়ে যান -- কথা।

বক্তিতার শেষ নেই
বক্তার ভাবলেশ নেই
বলছেন আসে মনে যা-তা-
তবু, করতালি দিতে দিতে
করতলে ব্যথা।

বিষয়ের ঠিক নেই
মনে তাই 'ধিক' দেই
বলি ছাড় না এবার- ওরে নচ্ছার নেতা(!)
তবু, করতালি দিতে দিতে
করতালে ব্যথা।

আষাঢ়ে বুলি সব
বুঝে শুনেই (!)মারে ঢপ;
ব্যাটা বজ্জাত,আস্ত ব্যাঙের ছাতা(!)
তবু,করতালি দিতে দিতে
করতলে ব্যথা।

পাগলের প্রেমেই মজা!


পাগল নিয়ে ঘর করা যায়?
যা করা যায় তা মজা।
তাই বলে কি ছাড়বো তারে
ইচ্ছে মতো রঙ্গ করে
দিবো তারে সাজা।

প্রবল প্রাণের এমন মানুষ
পাগল করায় কী -যে মজা-সুখ
কাঁদবে কেহ আমার তরে-
তা- তে উন্নত নয়(?)এ বুক।

ইচ্ছে হলে বহুচারে ব্রতী হবো
বুঝবে পাগল তবু আমি সতী রবো!
লোকের কাছে ক্ষতি যতো
পাগল টারই হবে-
বলে দিবো - কখন কী যে বলে পাগল
তা কি তোমরা সত্যি বলে নেবে?

আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, বিশ্বাস রাখুন



হুম, বাংলাদেশ এখন এমন এক নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হয়েছে যেখানে প্রশ্ন পত্র ফাঁস, গুম, ধর্ষণ, ইম্পিউনিটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অর্থনীতি এগুচ্ছে, মাথাপিছু আয় বাড়ছে(উভয়ই সম্পূর্ণ পরিসংখ্যানগত ব্যাপার)- এটাই মুখ্য ব্যাপার, হাতে গোনা মানুষের হাতে আয়ের সিংহভাগ যাচ্ছে, তাতে কোন উপায় অবলম্বন করা হচ্ছে তাতে কিছু আসে যায় না।

কাশেম বিন আবু বাকার এবং তার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম


#বুক_রিভিউ
বই:ফুটন্ত গোলাপ
লেখক: কাশেম বিন আবু বাকার
পৃষ্ঠা:১৩৭
মুদ্রিত মূল্য:১২০ টাকা মাত্র
ধরণ:রোমান্টিক উপন্যাস

দু’পয়সার পাহাড়ী রমেল বিখ্যাত, সেনাবাহিনীকে পুরস্কার দিন।


ওহে বিবেকহীন বাঙ্গালী কবে বুঝবে! যে রমেল চাকমার পুরো ৫৬ পূর্ব পুরুষ অনেক পূর্ণ করেছিল। আর সে কারণে একচোখে না দেখতে পাওয়া রমেল দেশের এ-লি-ট বাহিনীর হাতে মারা গেছে। আরে বাবা, রমেলের বংশের সবাই তো বিখ্যাত হয়ে গেল।

তারুণ্যের সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গাঁজার দর্শন


বর্তমান সাহিত্য ও সংস্কৃতি সমাজে মাদকের মধ্যে সেলিব্রিটি দুইটা মাদক হল তামাক আর গাঁজা।
ব্রিটিশরা আসার আগে তামাকের নামগন্ধ কিছুই ছিল না।গাঁজার একচ্ছত্রবাদে গমগম করত উপমহাদেশ।ভারতবর্ষের আদি উপাখ্যানগুলোতেও গাঁজার ধর্মীয় মূল্য অফেরতযোগ্য।ব্রিটিশরা ভারতে এসে নেশার রাজ্যেও হাত লাগিয়ে রাজা হিসেবে গাঁজার রিপ্লেসমেন্টে তামাককে বসালো।তাদের শাসনামলে বেশ কিছু দশক ভারতে গাঁজার চাষ নিষিদ্ধ ছিল।কারণ গাঁজার তুলনায় তামাক-বানিজ্যে মুনাফা বেশি।স্বাস্থ্যের দিক থেকেও তামাক সাইলেন্ট কিলার।আনন্দ ক্ষণস্থায়ী,অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর