নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • নুর নবী দুলাল
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সামসুল আলম
  • এস. এম. মাহবুব হোসেন
  • ইকরামুজ্জামান
  • রবিউল আলম ডিলার
  • জহুরুল হক
  • নীল দীপ
  • ইব্রাহীম
  • তারেক মোরশেদ
  • বাঙলা ভাষা
  • সন্দীপন বিশ্বাস জিতু

আপনি এখানে

সমসাময়িক

আমেরিকা এবং গং সিরিয়াতে কী উদ্ধার করলো মিসাইল মেরে?



মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করা নিয়ে অনেক কথা চলছে। বর্তমান বিশ্বে আমেরিকার চেয়ে রাশিয়ান মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলা বেশি কার্যকর ও আধুনিক। আবার এসব সিস্টেম খুবই ব্যয়বহুল। আমার ধারণা, রাশিয়া কিছু মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করেছিল, আর বাকীগুলো এমনিতেই করেনি। মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করতেও মিসাইল লাগে, যার একেকট্র মূল্য কোটিকোটি টাকা। শখানেক মিসাইলে যে স্থাপনা ধ্বংস হব, তা ঠেকানোর চেয়ে ওগুলো ধ্বংস হতে দিয়ে আবার গড়ে ফেলা কম খরচের ব্যাপার। পরাশক্তিরা এই গ্যাস হামলার হুমকি পাল্টা হুমকির ও মিসাইল স্ট্রাইক পরবর্তী হিসেব নিকেশে নো উইন সিচুয়েশনে আছে। পশ্চিমারা মুখ রক্ষা করলো কিছু উধার না করেই, আর রাশিয়া মিসাইল হামলা প্রতিহত করবার জন্য সেভাবে কিছু না করেই বাগাড়ম্বর করলো। তাদেরও তেমন লাভ হয়নি, ক্ষতিও না। আসাদ সরকারের সর্বাত্মক বিজয়ের চেয়েও সিরিয়াতে তাদের অবস্থান বেশি জরুরী। সেটা তারা নিশ্চিত করবেই।

বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক


শিক্ষা কী? বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী? জ্ঞান কাকে বলে এসব আর এযুগে এদেশে কেউ ভাবেনা। কোনদিন ভেবেছিলো এমন ইতিহাসও আমি দেখিনি। উপমহাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তথা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হয়েছিলো ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকারের ভারত প্রশাসনে কেরানি সাপ্লাই দেওয়ার জন্য। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হয়েছিল কলকাতার হিন্দুদের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলায় একটা "উচ্চশিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত" শ্রেণী তৈরীর মানসে।মূল উদ্দেশ্য ওই চাকরিবাকরি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবীদাররা এমন কথাই বলেছিলেন ব্রিটিশ প্রভুদের দরবারে। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য স্যার ফিলিপ হার্টগের উদ্বোধনী ভাষণে এই উপরোক্ত কথারই অনুরণন পাচ্ছি।

প্রতিষ্ঠানিক শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে না ?


শুধু একটু ভাবুন আমাদের শিক্ষাপদ্ধতি, পাঠদান পদ্ধতি সরকার পরিবর্তন করছেন, যুগউপোযোগী করে গোড়ে তোলার চেষ্টা করছেন রাত দিন, কিন্তু এর সুফল কখনো কি আসবে যদি শিক্ষার্থীদের মননের মাঝে শিক্ষা গেঁথে না দেয়া যায়? ভয় নিয়ে কখনো শেখা যায় না, শিক্ষা আমরা লাভ করি নির্মল মানসিকতায় থেকে। আমাকে আমার এক স্যার সব সময় তিরস্কার করতো, কারন আমার সমাজের পড়া মুখস্ত না থাকলেও গান কবিতা ঠিকই মুখস্ত থাকতো, থাকবে না কেন বলুন তো? ওটা আমি বিনোদনের মাধ্যমে গ্রহন করছে, গান কবিতার না শিখার জন্য আমার কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেই, কোনো হুমকি নেই পাশ ফেইলের, ওটা আমার বিনোদনের জায়গা। একটু ভাবুন পাঠ্যসূচি ভূক্ত এইসব পড়া কেন আমরা ধারণ করতে পারছি না, কারন ভয় আছে, শাস্তি আছে, পাশ-ফেইল আছে। বিশ্বাস করুন শুধু মাত্র শিক্ষার্থীদের উপর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবারের মানসিক চাপটা সরিয়ে দেয়া যায়, যদি শিক্ষাকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে দেশে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়বে।

ঢাকা নিঃস্ববিদ্যালয়,,,


খুব জানতে ইচ্ছে করে-
এখন প্রধানমন্ত্রীর রাতের ঘুম হয় কি না ? নাকি লন্ডন টাইমের ভেরিয়েশান বলে ঘুম আসতে দেরি হইছে!

না মানে,ওনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- "সাধারন ছাত্রীদের চিন্তায় ওনার রাত্রে ঘুম আসে নি, সারাক্ষণ চিন্তায় থাকতেন,ছাত্রীদের কোন বিপদ আপদ হয় কি না।"

সুফিয়া কামাল হল থেকে রাতের বেলা ছাত্রীদের বের করে দিচ্ছে। এতে কোন ছাত্রীর কোন রকম ক্ষতি হলে এর দায়ভার কে নিবে?
কারা/কাদের নির্দেশে রাতের বেলা ওদের বের করে দিচ্ছে?

আত্মত্যাগী মা


"রাশেদের মা সালেহা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেটারে তোমরা দেখে রেখো। আমার ছেলে কিন্তু তার একার জন্য না, দেশের সব ছেলের জন্য আন্দোলনে গিয়েছে।" মা তোমায় সালাম! তোমাদের মতো নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগী মায়েদের দুঃসাহসী সন্তানদের বদলোতেই আমরা '৭১-এ এদেশ পেয়েছিলাম।

ধর্ষণের প্রতিবাদ করিনা কেন ? | অভিজিৎ


অবশেষে ধর্ষণের প্রতিবাদে একটা পোস্ট করা ট্রেণ্ড । কিন্তু আমি করিনি, কিন্তু সমাজ বিচ্ছিন্নতো আর এখনো হয়ে উঠিনি, তাই ৫০০ শব্দ জোগাড়ের প্রচেষ্টা । প্রতিবাদ না করলেও নাকি ধর্ষক সমতুল্য, ফেসবুক আকাউন্টের যে কটা এখনো কর্তৃপক্ষ এখনো বন্ধ করে দেয়নি এবং পাসওয়ার্ডও ভুলে যাইনি সেখানে বন্ধুদের এমন কথা শুনছি । তাই এই পোস্ট দিয়ে এটাই প্রমান করবো যে আমি ধর্ষণকারী একদমই নই । হা হা হা, ধর্ষিতার জন্য ন্যায় চেয়ে মিছিলে হাঁটলেই যদি ধর্ষক আর ধর্ষক না থাকে তাহলে আর কি বলবো, ব্যাপারটা গঙ্গাস্নানের মত । সব পাপ জলাঞ্জলি । ভুলটাতো আমাদের ওখানেই ।

ছেলেশিশুরা যৌন নির্যাতন থেকে নিরাপদ?


বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষে নিরবে যে অপরাধটি নিবির্ঘ্নে চলছে, যা নিয়ে কখনো কোনো উচ্চবাক্য বিনিময় হয়না তা হলো ছেলে ধর্ষণ। প্রতিদিন হচ্ছে, কেউ বা মানসিক ভাবে ট্রমাটিক হয়ে যাচ্ছে, কেউ হয়ে যাচ্ছে হোমোফোবিক, কেউবা হোমোসেক্সুয়াল, আবার কেউ বা আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে, কিন্তু পরিবার গুলো এইধরনের ঘটনার রেশ ধরে ঘটা আত্মহত্যার ঘটনাগুলোকে সামনেই আসতে দেয় না। কারন সমাজে উঁচু মাথায় বাঁচতে হবে, পোষাকী সমাজে নিজের পোষাকটি উজ্জ্বল রাখতে হবে। অনেক বাচ্চা ছেলে তার পরিবারের কাছে যখন শেয়ার করে তার এমন অভিজ্ঞতার কথা, পরিবার তখন বাচ্চাটিকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয়, কেউই সহজে মানতে প্রস্তুত নয় ছেলে শিশুটিও ধর্ষনের শিকার হচ্ছে, বা অন্য যেকোনো ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

কাঠুয়ার আর উন্নাওয়ের ধর্ষণ | তসলিমা নাসরিন


ইউরোপ আমেরিকা থেকে খবর আসে, ক্যাথলিক গির্জার ভেতরে বালকদের ধর্ষণ করেছেন ক্রিস্টান পুরোহিতরা, ফাদাররা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। অন্য মুসলিম দেশে কতটা হয় তা তলিয়ে দেখিনি, তবে বাংলাদেশের পত্র পত্রিকায় প্রায়ই খবর পড়ছি, ইমাম শিশু ধর্ষণ করেছে মসজিদের আংগিনায়, মাদ্রাসার শিক্ষক মাদ্রাসার ভেতরেই চার পাঁচ ছ বছর মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে। আজ শুনি জম্মু কাশ্মিরের এক মন্দিরে ৮ বছর বয়সী একটি মেয়েকে ধরে এনে গণধর্ষণ করেছে কিছু লোক, ধর্ষকদের একজন সাঞ্জি রাম, মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ছিল যার কাঁধে। ৮ বছর বয়সী আসিফাকে মন্দিরের ভেতর বন্দি করে ধর্ষণ করেছে সাঞ্জি রামের আত্মীয় স্বজন, আর দুজন পুলিশ আধিকার

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর