নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী

আপনি এখানে

সমসাময়িক

পুরুষ বিদ্বেষী না হলে পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না।


কোন কিছু নিয়ে আজকাল লিখছি না। লিখছি না অবশ্য তা নয় বরং অনেক কিছু লিখতে চাইলেও সময়ের অভাবে লিখতে পারছি না। অনেক কথা-ই মস্তিস্কে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবুও আজ খানিকটা সময় পেলাম বলে লিখতে বসলাম। সমসাময়িক নানা বিষয় আছে, অনেকে তুমুলভাবে লিখছেও বটে। তাই আমার মত মামুলি লোকজন তা নিয়ে না লিখলেই বোধ করি ভাল হয়।
যা হোক, আসল কথায় আসি।
গত কয়েক দিন যাবত বেশ দৌড়াদৌড়িতে আছি।

ইতু কি তবে আত্মরক্ষার নামে আক্রমণাত্মক হতে উৎসাহ দিচ্ছে আমাদের..!!


আত্মরক্ষা কি...!!!?

মনে করুন কোন নারী জোরপূর্বক তার স্তন কোন পুরুষকে স্পর্শ করাচ্ছে। কিন্তু পুরুষটি কোন মতেই নারীটির স্তন স্পর্শ করবে না। ঠিক এই সময় পুরুষটি নারীটির হাত থেকে বাঁচার জন্য বা আত্মরক্ষার জন্য কি নারীটির স্তন ব্লেড দিয়ে কর্তন করবে ..?? এটা কি আত্মরক্ষা হলো নাকি আক্রমণের প্রতি উত্তরে আক্রমণ হলো..?

এখানে নারীটি তার স্তন স্পর্শ করার জন্য পুরুষটিকে বাধ্য করায় পুরুষটি রাগে, ক্ষোভে অথবা উত্পীড়িত অবস্থায় নারীটির স্তন ব্লেড দিয়ে কর্তন করতেই পারে, তবে তা কখনই আত্মরক্ষা হবে না। আত্মরক্ষা মানে আক্রমণ করা না। আত্মরক্ষা মানে তাৎক্ষনিক ঐ অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়া।

একটি স্বেচ্ছামৃত্যু ও তার অযাচিত আলোচনা


একটি স্বেচ্ছা-মৃত্যু সবার মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করে। আর সেই মৃত্যুটা যদি হয় প্রেম ঘটিত কারণে, তবে হৈ হৈ রৈ রৈ শুরু হয়ে যায়। একদল ছুটে যায় মেয়েটির জাত উদ্বার করতে, আরেকদল ছুটে ছেলেটির জাত উদ্ধার করতে। জেনে না জেনে শুরু হয় এক মহাযুদ্ধ। দলে দলে যোগ দেয় ‘অ-চেতনাধারীরা’ সেই যুদ্ধে (‘অ-চেতনাধারী’ হলো তারা; যাদের চেতনা যেখানে প্রয়োজন সেখানে কাজ না করে, যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে কাজ করে) ।

একজন সু চি-র শান্তিকামনা


একটি দেশ। সুন্দর এবং গোছানো ভাবধারার মানুষেরা সে দেশে বাস করেন। দেশের ছোট্ট এক কিশোরী মানুষকে ভালোবাসে। সে মানুষের উপকারের কথা ভাবে। সে এই পৃথিবী এবং তার চারপাশের সব কিছুতে মুগ্ধ। কিশোরী বড় হয় এবং যৌবন পেরিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছায়। সে গণতন্ত্র আর মানবতাবাদ নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই পৃথিবীতে শান্তি ফেরানো তার স্বপ্নে পরিণত হয়। একসময় সে নিজের দেশে গণতন্ত্রের ধ্বজা উড়িয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়াসী হয়।

ফোর জি সেবা যেন নামেমাত্র না হয়



আমি ফোরজি নেটওয়ার্কে ডাটা ইউজ করতে থ্রিজির থেকে দশগুণ স্পিড চাই না। লাইসেন্স দেরীতে হলেও দিচ্ছে, বা এইদেশে সব ভাল দেরিতে হয় সেটাও মানা গেল। কিন্তু ভাল হবে নাম দিয়ে আসবার পর মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও চালাইলে আমার মোবাইল স্কিনে যেন গোল্লা চাক্কা ঘুরতে না থাকে অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী।

দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্যান্য


আমি আপনি না বদলালে সমাজ আমাদের বদলে দিতে পারবে না।কতদিন নিজেদের পক্ষে সাফাই গাইবেন?একচোখা বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে চাইবেন? আপনার ভেতরকার পশু স্বত্বা কখনো বদলাবে না,যদি না আপনি নিজের মানসিকতা বদলাতে পারেন।আপনি হয়তো বা একজন সুশীল শ্রেণীর মানুষ।সমাজে আপনি ভালোমানুষ বলেই পরিচিত। কিন্তু আপনি কথা বলার সময় মুখ সামলাতে পারেন না।

আপনি পোশাক নিয়ে ব্যাপক চিন্তাশীল। ধর্ম বর্ণ এক করে আপনি শালীনতা নিয়ে ভাবেন।ভাবেন,এই পোশাক কিবা চলা ফেরাই বদলে দিবে আমাদের সমাজ।

বাংলাদেশের সামরিক শক্তি ৷


জিএফপি র্যাংকিং - ৫৭ (১৩৩)

বাংলাদেশকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশসমূহ:

স্টকহোমভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপরির

হিসাব অনুযায়ী- ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল

পর্যন্ত বাংলাদেশ সাতটি দেশ থেকে অস্ত্র

সংগ্রহ করেছে। এগুলো হচ্ছে- চীন, ইতালি,

পাকিস্তান, রোমানিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক ও

যুক্তরাজ্য। আবার ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের

হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১১টি

দেশ থেকে অস্ত্র কিনেছে বাংলাদেশ। এগুলো

হলো- চীন, ইতালি, রাশিয়া, তুরস্ক,

কথা ছিল পরমত সহিষ্ণুতা শিখবো


ধর্ষকদের শিশ্ন কেটে দেবার দাবীতে অনেককেই বলতে দেখি। মনে রাখা দরকার, কারও শিশ্ন কেটে দেয়াটাও অঙ্গহানি, এটা বর্বরতা, অসভ্যতা। কারও হাত কেটে ফেলা যেমন মানবাধিকারের লংঘন, তেমনি কারও শিশ্ন কেটে দেয়াটাও মানবাধিকারের লংঘন। হ্যাঁ, ধর্ষককে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে, সেটা তাঁর আমরণ বন্দি থাকা হতে পারে। মানবধিকার বলে, তাকে মেরে ফেলা যাবে না, তার অঙ্গহানি করা যাবে না।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর