নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • সজয় সরকার
  • আমি মানুষ বলছি

নতুন যাত্রী

  • নিনজা
  • মোঃ মোফাজ্জল হোসেন
  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী

আপনি এখানে

প্রবন্ধ

কে কার অধীনস্থ?


আমার মাকে আমি কোন দিন দেখিনি আমার বাবাকে নাম ধরে ডাকতে। শুধু মা নয়, চাচী, জেঠি, ভাবি, পড়শী কাউকেই না। সবাইকে দেখেছি তাঁদের স্বামীকে প্রভু হিসেবেই মানতে, সম্মান করতে। এমনকি স্বামীর সাথে ঝগড়া করলেও কোন দিন নাম ধরে ডাকার সাহস দেখায়নি। এটি যে শুধু আমার পরিবার বা আমার এলাকার দৃশ্য তা নয়। আমাদের বাঙালি বা ভারতীয় নারীরা নিজেদের এতো বেশি দূর্বল ভাবেন যে ভুল করেও স্বামীর নাম মুখে আনেন না। যদি স্বামীর অমঙ্গল হয়, যদি স্বামীর অসম্মান হয়, যদি স্বামীর নাম নেয়াতে আল্লা ভগবান অসন্তুষ্ট হয়!

১৯৭৫ সালের১৫ আগস্ট শেখ মুজিবর রহমান স্বপরিবারে হত্যাকান্ডের দ্বন্দ্ব কারণ সমূহঃ একটি ইতিহাস বীক্ষণ।


ইতিহাস একজন মহান শিক্ষক।তাই এই শিক্ষকের শিক্ষা নেওয়াটা যেমন অতীব জরুরি তেমনি এই শিক্ষার সঠিক ব্যাখা থাকাটাও প্রয়োজনীয়। ইতিহাসের এই শিক্ষার একটা বড় দূর্বলতা হলো - কেবল ঘটনাপুঞ্জের সমষ্টি কিংবা ব্যক্তির ভুমিকাকেই উপজীব্য করে ইতিহাসের ব্যাখা তৈরী করা হয়।বাস্তবিকপক্ষে ইতিহাস তেমন ঘটনা কিংবা ব্যক্তিনির্ভর বিষয় নয়।এর মূলে রয়েছে সমাজে বিদ্যমান শ্রেণিসমূহের দ্বন্দ্ব ও ঘটনার আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট।
৭৫'র এই পটভূমিতেও রয়েছে শেখ মুজিবের স্বপরিবারে হত্যার নির্মম বাস্তবতা। মূলতঃ চারটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্ব এই ঘটনার প্রেক্ষিত তৈরী করেঃ

চলচ্চিত্র ভাবনা - ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান : ডন অফ জাস্টিস


আমরা ভাই সাধারণ মানুষ! আমরা কি পারবো ওইরকম ক্ষমতাধরদের বিরুদ্ধে? এই প্রশ্নে ভীত হয়ে সরে আসা মানুষের সংখ্যা নেহাত কম না। আমরা ছোট বেলায় গল্প শুনতাম, হাতি নাকি ওঁর বড় কানের জন্যে নিজের পুরো শরীর দেখতে পায়না। দেখতে পেলে নাকি হাতি আরও এলাহি কাণ্ড ঘটাত। মানুষও ঠিক তেমন। না, মানুষের অত বড় শরীর নেই। তাঁর আছে বুদ্ধি আর দল হয়ে উঠার ক্ষমতা। সংগঠিত দলীয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে মানুষের অজস্র জয়ের কাহিনী আছে। এই দুঃসময়ে সেই কাহিনী থেকেই অনুপ্রেরণা নেওয়ার সময়।

বঙ্গবন্ধুর ক্ষমতার লোভ ও বর্তমান যুবলীগ-ছাত্রলীগের হাস্যকর শোক দিবস পালন!


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তাঁর পরিবারকে যারা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তারা আসলেই বোকা। তারা জানতো না যে, ভবিষ্যতে মৃত শেখ মুজিবের আদর্শ ও দল জীবিত মুজিবের চেয়েও আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এখন হয়েছেও তাই। মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধু এখন এই দেশে এক মহান মানুষ, এক মহান নেতা, স্বপ্নদ্রষ্টা এক রাজনৈতিক দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। অথচ বঙ্গবন্ধু তার যোগ্য কখনোই ছিলেন না। তিনি বড় জোর বক্তৃতার জেড়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে সাড়ে সাত কোটি বাঙালীকে একত্রিত করতে পেরেছিলেন। বক্তৃতার জেড়ে মুক্তি সংগ্রামী মানুষকে যুদ্ধ করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের মনে অদম্য সাহস যুগিয়েছিলেন। কিন্তু একটা রাষ্ট্র পরিচালনা

নীল নকশার জঙ্গিস্থান সৌদি এবং পাকিস্তান।


আইসিস এর মদদ দাতা মূলত সৌদিআরব। নবী মহম্মদ সাঃ যেখানে জন্মেছেন।সে পবিত্র দেশের বাদশাহজাদাই এসবের পেছনে টাকা পয়সা ঢালেন।এখানে পশ্চিমারাও সুবিধা ভোগ করছেন,সৌদিআরব তো গডফাদার অব জঙ্গী অর এগ্রেসিভ টেরোরিজম এর।সৌদির মদদে মার্কিনিরাও সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে নেমেছিলো।আর সৌদিআরব এর শিক্ষা ব্যবস্থাতে শিয়া দের পাপিষ্ঠ বলে উল্লেখ করেছেন।এদের ইজলামের বিষাক্ত কীট বলে আখ্যা দেয়।সে মদদ দাতাদের কে চিহ্নিত করে না দিয়ে টনি ব্লেয়ার যদি বলেন"ইরাকে হামলা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।"মার্কিনিরা তাদের ভুল স্বীকার না করে তালেবানদে

ভালো পুরুষ খারাপ নারী


বিশ্বাস খুবই ভয়ঙ্কর একটা ভাইরাস। এটি মানুষকে না দেয় যুক্তি মানতে না দেয় প্রমাণে আস্তা রাখতে। তেমনি পুরুষতন্ত্র মানুষের জীবনে এমন ভাবে লেপ্টে আছে যে এ থেকে বের হবার উপায় খোঁজে পাওয়া কঠিন। এটি বিশ্বাসের মতো ভাইরাসে আক্রান্ত। এ ভাইরাস এমনই কঠিন ভাইরাস যে এটিই এখন এন্টিভাইরাস বলে মানুষ বিশ্বাস করে।

শহীদ সাবের : জীবন ও সাহিত্য


চিন্তাই কর্মের উদ্দেশ্য। যে চিন্তাকে কর্মের দিকে প্রেরণাা দেয় না, সে পণ্ডশ্রম প্রবঞ্চনা মাত্র। অতএব চিন্তার সেবক যদি আমরা হয়ে থাকি, তবে কর্মেরও সেবক আমাদের হাতে হবে”। উক্তিটি মার্কসবাদের বাস্তবায়নকারী ভ. ই.

পুঁজিবাদী চিন্তাচেতনার মোটিভেশনাল স্পীচ?


কিছু জন উপদেশ দিতে জানে শুধু,ব্যর্থ থেকে যারা জয়ী হয়েছে তারা উপদেশ নয় বরং শিখিয়ে দেয়।"

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবিরোধী আন্দোলনে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়


দেশের দক্ষিণের সীমান্ত জেলা হিসেবে কক্সবাজারের গুরুত্বও ছিলো অত্যাধিক। খেলাফত আন্দোলন ও বৃটিশবিরোধী যুব বিদ্রোহের আন্দোলনে কক্সবাজার জেলার একমাত্র ঐতিহ্যবাহী স্কুল হিসেবে কক্সবাজার মধ্য ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়)’র অবদানও কম নয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর