নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জান্নাতুল নাইম শাওন
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নীল কষ্ট
  • আরিফ ইউডি
  • নুরুন নেসা
  • এম ইউ রাকিব

নতুন যাত্রী

  • আবুল কালাম
  • ইমরান আহমেদ সৈকত
  • উন্মাদ কবি
  • রাহাত মাকসুদ
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • অপূর্ব দাশ
  • এল্লেন সাইফুল
  • বাপ্পি হালদার
  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের

আপনি এখানে

প্রবন্ধ

সত্যবাদী স্বাগতম


সত্য বলতে গিয়ে যদি আমাকে নাস্তিক ইহুদি-নাসাদের এজেন্ট হিসেবে কেউ ভূষিত করে তবে আমি তাই।কারো কথায় যায় আসে না।আমার আদর্শের জন্য প্রিয় এক বন্ধুর সাথে সম্পর্ক হারিয়েছে।যাকে ভালোবেসেছি তার সাথে বিচ্ছেদ হয়েছে।চক্রবাক তার আদর্শের জন্য সর্বহারা হতে রাজি শুধু আদর্শ বিসর্জন দিতে রাজি না।আমি চক্রবাক শুভ বুদ্ধির ফুল ফোটাতে এসেছি,যারা সত্য বলে তাদের স্বাগতম জানাতে এসেছি।

আজ একুশের চেতনা সুবিধাবাদী, ধর্মজীবি নষ্টদের কাছে বন্দি!


১৯৫২সাল। পাকিস্তানী শাসকরা পুর্ব বাংলায় যখন তাদের ভাষা উর্দুকে বাঙালীর উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা করছিল। সেই বছর তখন ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে পাকিস্তান সরকারের ১৪৪ ধারা জারি ভঙ্গ করে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার... রা ''রাষ্ট ভাষা বাংলা চাই" এই দাবীতে মিছিল বের করে। তখন সেই মিছিলে শফিক রেহমান আর আবদুল গাফফার চৌধূরী ও ছিল। মিছিলের মাঝখানে। সামনে ছিল সালাম রফিক বরকতরা....এরপর পাকিস্তানী পুলিশরা গুলি করে সালাম রফিকদের..... বুক ঝাঝড়া করে দেয়, মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়! সবাই দিকব্ধিদিক ছুটতে থাকে। ছত্রভঙ্গ মিছিল থেকে আব্দুল গাফফার চৌধূরী প্রাচীর টপকাতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে জ্ঞাণ হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞাণ ফিরে দেখেন তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিদ ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লার বাড়িতে। ভাষাবিদ তখন তাঁর পায়ে বরফ লাগাছিলেন। পরদিন ২২ই ফেব্রুয়ারি আব্দুল গাফফার চৌধূরী তাঁর ব্যাচালার বাসায় বসে বসে লেখেন--

বাঙালি বুদ্ধিজীবীর দাসত্বের সন্ধানে :ইতিহাসের পাতায় এক ঝলক


ইতিহাস রচনা শুধুই দিন তারিখ আর রাজা বাদশার বংশানুক্রমিক শাসনের ধারাবাহিক কাহিনী লিখে যাওয়ার ব্যাপার না। ইতিহাস গভীর অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে বিশ্লেষণের ব্যাপার। ইতিহাসের বিশ্লেষণ সবসময়ই অবজেক্টিভ হয়না। তবুও অবজেক্টিভিটির কাছে পৌছানোটাই একজন ইতিহাসকারের আরাধ্য। বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে প্রধান বিষয়টা হচ্ছে বিশ্লেষনকারীর দৃষ্টিভঙ্গি, তার আইডিওলোজি। একই ঘটনা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির বিশ্লেষকের বিশ্লেষণে ভিন্ন ভিন্ন তাৎপর্য নিয়ে হাজির হতে দেখা যায়। যেমন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ একজন বাংলাদেশী বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে যেমন, একজন পাকিস্তানির কাছে একেবারেই বিপরীত। আমাদের মধ্যযুগের ইতিহাসকে আমাদের বাঙালি ইতিহাসকারেরা কী চোখে দেখেছেন এবং পাঠ্য বইয়ে কীরূপে উপস্থাপন করেছেন তার সামান্য কিছু আলোকপাত করতে চাই। এই আলোচনা থেকে কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় কিনা সেটাও বিবেচনা করবো।

উন্নতির মানসিকতা (Growth Mindset) কি, শিশুদের এই মানসিকতা গড়ে তোলা কেন জরুরী এবং কি করে আমরা সেটা করতে পারি?


আমাদের সমাজে বাচ্চারা যে পরিবেশে বড় হয়, তাতে তাদের উন্নতির মানসিকতার বদলে স্থির মানসিকতা গড়ে ওঠার প্রবণতা থাকে বেশি। ব্যর্থতা বিষয়টাকে আমাদের সমাজে খুব নিচুচোখে দেখা হয়। আমরা ক্লাসের ফেল্টু ছেলেটাকে নিয়ে হাসাহাসি করি। আবার যে ছেলে দিনরাত পড়ে ভালো ফল করে তাকে নিয়েও হাসাহাসি করি। বলি, ব্যাটা ছাগল দিনরাত খালি পড়াশুনা করে। যেন বেশি চেষ্টা করে কিছু করাটা একটা বোকামি। আবার যে ভান করে পড়াশুনা না করেই ক্লাসে প্রথম হচ্ছে, তার দিকে মুগ্ধচোখে তাকিয়ে থাকি।

প্রেমের রূপান্তর : যৌনতার তেপান্তর


মানুষের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা গুণগত, পরিবর্তন এসেছে সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। পরিবার, বিয়ে, শ্রেণী, ধর্ম, এবং প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের মূল্যবোধ এবং প্রত্যাশার পরিবর্তন ঘটেছে। সমাজের সকল প্রাচীন ও প্রথাগত সম্পর্কের বন্ধন শিথিল হয়ে এসেছে। আবার মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতার বোধ প্রবল হয়েছে। অথচ এতোদিনের প্রচলিত সম্পর্কের বন্ধন শিথিল হয়ে যাওয়ার ফলে মানুষের মধ্যে একধরনের অনিরাপত্তাবোধও কাজ করে। যে সময়ে এসে মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে সেই সময়টাকে সমাজবিজ্ঞানী Zygmunt Bauman নামকরণ করেছেন Liquid Modernity.

ভাল্লাগে না সিনড্রোম


বেশ কিছুদিন আগে পাওলো কোহেলোর ‘দি আলকেমিস্ট’ বইয়ে একটি চমৎকার কথা পড়েছিলাম।তিনি লিখেছেন,“পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলঃ জীবনের একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে গিয়ে আমারা নিজেদের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলি এবং ভাগ্য সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।”প্রথমবার যখন বইটি পড়েছিলাম তখন কথাটি ভাল লাগলেও ধারণ করতে পারি নি। এরপর যত দিন গিয়েছে কথাটির তাৎপর্য তত ধরা দিয়েছে একটু একটু করে।

কেন নিষিদ্ধ হবে না 'ফেয়ারনেস ক্রিমের' বিজ্ঞাপন? নিজেদের তবে রেসিস্ট বলেই ডাকি?


কোন একটা জাতি, ধর্ম, গোত্র, উপগোত্র, বর্ণ থেকে নিজ জাতি, ধর্ম, গোত্র বা বর্ণকে উচ্চ মনে করাই বর্ণবাদ বা রেসিজম। ভিন ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ, উগ্র জাতিয়তাবাদ এই রেসিজমের আওতায় পড়ে। পৃথিবীর সব ধর্মের মানুষই অন্য ধর্মাবলম্বীদের ছোট করে দেখে, অন্য ধর্মকে ভ্রান্ত মনে করে। এই সাম্প্রদায়িকতাই রেসিজম। উগ্র জাতিয়তাবাদ কতোটা বিধ্বংসী হতে পারে তা দেখেছে বিশ্ববাসী ২য় বিশ্বযুদ্ধে। জার্মানদের মধ্যে হিটলার এই উগ্র জাতিয়তাবাদ জন্ম দিয়েই হত্যা করিয়েছেন ৪০ লাখ ইহুদিকে। তিনি তাদের বুঝিয়েছিলেন, জার্মানরাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি- তারা উচ্চতর যেকোন জাতিগোষ্ঠী থেকে; সারা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ তাই জার্মানদের হাতে থাকা উচিৎ। এই শ্রেষ্ঠত্বের নেশায় মরিয়া হয়ে উঠেছিল তারা। ঠিক এমন প্র্যতয় ফুটে ওঠে ইসলামী জিহাদিদের কণ্ঠে। ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম, ইসলামের পথ ছাড়া মুক্তি নেই কিছুতেই- এই বিশ্বাস থেকেই তারা মেতে উঠেছে ধ্বংসলীলায়। সারা দুনিয়াকে ইসলামের ছায়াতলে আনার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। হত্যা করছে- মানুষ মারছে। নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ মনে করে অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি যে ঘৃণা- এসবকে রেসিজম ছাড়া আর কীই বা বলা চলে?

ইন এ রিলেশনশিপ


♥#তারা_কেনো_ডাবল ? ♥
কোন এমন শক্তি মানুষকে প্রভাবিত করে একাকীত্ব কে বিসর্জন দিতে?
থিওরি আর বাস্তবতার নিরিখে দেখা যাক মানুষ কেনো সিংগেল থাকতে চায়না...!

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সাথে মা-বাবার কথোপকথন



ছেলেটে স্যুট-টাই বা মেয়েটি শাড়ি পরে 'প্রেজেন্টেশন' দিতে যাচ্ছে।
ঠিক সেই সময়, মা কল করলেন।

সাময়িক কথোপকথনের পর...

মা: কি করছো? / কই যাচ্ছো?
শিক্ষার্থী :মা,ক্লাসে যাচ্ছি। (ইচ্ছা করে ছেলেটি/মেয়েটি 'প্রেজেন্টেশনে যাচ্ছি' বলে নাই,কারণ মা বুঝবেন না)

আবার,
মা:কি করছো? / কই যাচ্ছো?
শিক্ষার্থী :মা,প্রেজেন্টেশনে যাচ্ছি।
মা: ওহ,আচ্ছা। ('ওহ আচ্ছা' বলছেনে একেবারে না বুঝে। কারণ,উনি জানেন না প্রেজেন্টেশন কি একইসাথে লজ্জাও লাগছে ছেলে/মেয়েকে জিজ্ঞেস করতে 'প্রেজেন্টেশন কি?')

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর