নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অভিজিৎ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মাইকেল অপু মন্ডল
  • সজীব সাখাওয়াত
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী
  • শুভ্র আহমেদ বিপ্লব
  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল

আপনি এখানে

প্রবন্ধ

নাস্তিকতা কি ধর্ম অপেক্ষা উত্তম?


ধরুন আপনি একটি বিলাশবহুল প্রমোদতরীতে ভ্রমন করছেন, সবকিছু ঠিকভাবে চলছিল যতক্ষন প্রর্যন্ত না প্রমোদতরীটি একটি পাথরের সাথে ধাক্কা খায় এবং ডুবতে শুরু করে এবং সম্পূর্ন ভাবে ডুবে যায়, কিন্তু আপনি বেঁচে যান এবং একটি দ্বীপে এসে পড়েন। আপনি বিদ্ধস্ত এবং আপনার, জল, খাবার এবং আশ্রয়ের প্রয়োজন। আপনি দেখতে পেলেন যে দ্বীপটিতে তিনটি বাড়ি আছে। আপনি ক্লান্ত আপানার জল, খাবার ও আশ্রয়ের প্রয়োজন এবং আপনাকে সেটি এই তিনটি বাড়ির যেকোন একটি বাড়ি থেকে পেতে হবে।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিংহার বিদায়, তবে কি আওয়ামিলীগ নৈতিকভাবে পরাজিত?


বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে সভ্য ও সুস্থ পার্লামেন্ট হচ্ছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। যেখানে সংবিধান, গনতন্ত্র ও ব্রিটিশ-জনগনের কিভাবে সর্বোচ্চ মৌলিক অধিকার রক্ষা করা যায়, তার জন্য সাংসদরা নতুন নতুন আইন পাশ করেন। ব্রিটিশ সাংসদীয় ব্যবস্থা এতো আধুনিক ও সংস্কারময় যে, তারা ৫০-১০০ বছরের পুরোনো আইন বহাল (যদি উপযোগী হয় তাহলে অন্য কথা) রাখেন না। তারা জনগনের অধিকার তথা গনতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার জন্য সংসদীয় ব্যবস্থা সবসময় সচল রাখেন। এই জন্য ব্রিটিশের পার্লামেন্টকে বিচার বিভাগের চেয়েও জৈষ্ঠ আদালত হিসেবে ধরা হয়।

তৃতীয় শ্রেনীর নাগরিক।



আপনি যদি এমন কোন রাষ্ট্রের নাগরিক হন যে রাষ্ট্রের রষ্ট্রধর্ম আছে রাষ্ট্রভাষা আছে, এবং আপনি সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রধর্ম অনুসরন করেন না ও সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা জানেন না তখন আপনি সে রাষ্ট্রের স্বীকৃত দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক।

আমি যে রাষ্ট্রের নাগরিক তার নাম বাংলদেশ ( বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ায় আমি লজ্জিত ) বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একটি রাষ্ট্রভাষা আছে এবং একটি রাষ্ট্রধর্ম আছে।

অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ সপ্তম পরিচ্ছেদ (৩) [শেষ পর্ব]


স্রষ্টায় বিশ্বাসই চূড়ান্তভাবে যৌক্তিক, বিশ্বাসী হয়ে উঠুন।

জীবন মত্ত আবেগ নয়

কাম নিয়ে বলতে বলতে গলা শুকিয়ে আসাতেই বোধহয় মদের কথা মনে পড়ে যাওয়ায় আমার অবিশ্বাস গ্রন্থে মদ নিয়ে হুমায়ুন আজাদ লিখেছিলেন-

‘মদ্যপান একেবারেই খারাপ নয়। আমি খাই, শামসুর রাহমান খান এবং খায় লাখ লাখ বাঙালি ও মুসলমান, এবং খেয়েছেন, নিউটন, শেক্সপিয়র, তলস্তয়, রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন; খান অজস্র সচিব, সম্পাদক, অধ্যাপক, মন্ত্রী, সেনাপতি, রাষ্ট্রপতি, উপাচার্য বিচারপতি, দূত, পুলিশ।’

বিবাহ!!! হা হা হা কেন করবো?



আমি বির্বতনবাদ তত্ত্বে বিশ্বাস করি। আমি মনে করি আজকের মানব সভ্যতা বির্বতনবাদের ফসল। আমি বিশ্বাস করি বিবাহ প্রথাটি বির্বতনের কোন একটি সময়ে কেন দুজন মানুষ বা কোন মানব সমাজ গ্রহন করেছে, পরে প্রায় পুরো মানব সভ্যতা এই প্রথাটিকে গ্রহন করেছে। আবার বিবাহ প্রথার একাধিক উৎস থাকাও অসম্ভব নয়, হয়তো বিবাহ প্রথাটি একাধিক সমাজ দ্বারা পৃর্থক ভাবে গ্রহন কারা হয়েছে।

অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ সপ্তম পরিচ্ছেদ (২)


যৌক্তিক তথ্যে নিজেকে সমৃদ্ধ করুন। আপনি বদলে যাবেন। আপনার দৃষ্টিভঙ্গী বদলে যাবে।

মুখ্য তবে কাম?

পর্ণোতারকাদের মাথায় তুলে নাচো !



পর্ণোতারকাদের মাথায় তুলে নাচতে পছন্দ করেন একদল বিকৃত মস্তিষ্কের বুদ্ধিজিবী মানুষ । সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যই নাকি এমনতর কাজ করেন বহু পর্নস্টার । কিংবা হয়তো প্রতিভাধর অভিনেত্রীরা ফিল্মে অভিনয়ের সুযোগ না পেয়ে বেছে নেন পর্ণো ফিল্মে অভিনয়ের সুযোগ । যুক্তি আর যুক্তি, যুক্তির কোনো অভাব নেই ।

অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ সপ্তম পরিচ্ছেদ (১)


‘যদি বিতর্কের জন্যে আমাদের একজন নাস্তিকের দরকার পড়ে, তবে আমরা দর্শন বিভাগে যাই। পদার্থ বিভাগ এ বিষয়ে কোনো উপকারে আসে না।’- রবার্ট গ্রিফিথস

ডোভার সৈকত ও অবিশ্বাসের দর্শন

সাহিত্যে সোভিয়েত:নয়া দুনিয়ার নতুন পাঠ


'ইউরোপ ভূত দেখেছে - কমিউনিজমের ভূত! কথাটি মার্কস -এঙ্গেলস বলেছিলেন ১৮৪৮ সালে ' কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো ' রচনায়।১৬৯ বছর আগে তাদের উল্লেখিত সেই ভূত কোন অশরীরী কিংবা নিছক কাল্পনিক ছিল না। তার সাক্ষাৎ মেলে ১৮৭১ সালে প্যারী কমিউনে।এই ভূত হচ্ছে আর কিছু নয় - ইউরোপের নব উত্থিত মজদুর শ্রেণি।যার ভয়ে ভীত কম্পমান রেনেসাঁ ও ফরাসী বিপ্লবের ধ্বজাধারী বুর্জোয়া সমাজ এবং ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত ও অভিজাততন্ত্র। প্যারীতে ব্যর্থ হওয়া শ্রমিক শ্রেণির রাষ্ট্র গঠনের সেই চিন্তা কমিউন ভেঙ্গে যাওয়া মাঝেই থেমে থাকে নি।উৎপাদন যন্ত্র ও শক্তি বিকাশের প্রতিযোগিতায় ক্রমান্বয়ে পিষ্ট হওয়া নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকাঙ্খাই সেই স্বপ্নকে জাগিয়ে রাখে।পুঁজিবাদ যত বিকশিত ও শক্তিশালী হতে থাকে ততই সংঘবদ্ধ হতে থাকে শ্রমিকদের ধর্মঘট - আন্দোলন। প্যারীর এই শিক্ষা শ্রমজীবী মানুষের মুক্তির লড়াইকে ছড়িয়ে দেয় দেশে দেশে। তারই এক পর্যায়ে ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর (পুরানো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর) বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়ালো সোভিয়েত রাশিয়া।কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে এই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কাঁপিয়ে দিলো পুরো দুনিয়া। বিপ্লবের ঢেউ আছড়ে পড়লো সমস্ত বিশ্বে।দেশে দেশে শোষিত নিপীড়িত মানুষের মুক্তির কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ালো সোভিয়েত ইউনিয়ন।

অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ (৩)


আপনি স্রষ্টা ব্যতীত আর সব কিছুতেই বিশ্বাস স্থাপনে প্রস্তুত?

হকিং-ডারউইন সমাচার

হুমায়ুন আজাদ হকিংয়ের বেশ ভক্ত ছিলেন, এটা তার লেখা পড়ে বেশ বোঝা যায়। তো তিনি ‘আ ব্রিফ হিস্টোরী অব টাইম’ এর নিম্নোক্ত বক্তব্য দিয়ে ‘আমার অবিশ্বাস’গ্রন্থের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ শেষ করেছেন-

‘যতোদিন আমরা মনে করছি মহাজগতের একটা শুরু আছে, ততোদিন আমরা মনে করতে পেরেছি যে এর একজন স্রষ্টা আছেন। কিন্তু মহাজগত যদি হয় স্বয়ংসম্পূর্ণ, যার কোনো সীমানা নেই, তখন তার কোনো শুরু থাকে না, শেষও থাকে না; তখন শুধু থাকে মহাজগত। তখন স্রষ্টার/বিধাতার কী দরকার?’

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর