নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

প্রবন্ধ

বাংলাদেশও পাকিস্তান


পাকিস্তান
==============
১৯৩৩ সালে, দি পাকিস্তান ন্যাশনাল মুভমেন্টের ব্যানারে ( The Pakistan National Movement )
হয় এখন নয়তো কখনো না, শিরোনামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় যার উপশিরনাম ছিল,
আমার কি চিরদিনের জন্য বাঁচবো না মৃত্যুবরন করবো।
“NOW OR NEVER”
“Are we to live or perish for ever?”

তিনটি অন্তর্বাস ও পাঁচটি বস্তা



মানব সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পিছনে ইয়াহুয়ে, আল্লাহু, ভগবান ১, ২, ৩, কার হাত রয়েছে না এটি শুধুই অনু পরমানুগত পদার্থবিদ্যার নিয়মের নুতন সংযোজন সেটি নিয়ে বিতর্ক করবার জন্য কোটি কোটি লোকের দেখা পাওয়া গেলেও এইমাত্র সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুটি যে কোন ধরনের পোশাক পরে জন্মায়নি সেটি নিয়ে কেউ বিতর্ক করবে না (মানুষিক ভারসাম্যহীন বাদে)

উন্নয়ন ও শাসনব্যবস্থার সম্পর্ক



স্বাধীনতা। আমি স্বাধীনতাকে প্রথমত মোটা দাগে দুইভাগে ভাগ করে নিচ্ছি : রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। বহুলকথিত বাকস্বাধীনতা বা মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রাজনৈতিক স্বাধীনতার অর্ন্তভূক্ত ।

কজ, দ্যা ওয়ার্ল্ড ইজ অনলি ফর ফিটেস্ট এন্ড ফাইটারস!


মেধা! প্রতিটি মানুষের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। জীবন চলার পথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষ তার মেধার বিকাশ ঘটায় বিভিন্ন উপায়ে। কেউ পরীক্ষায় নম্বর তোলায় মেধাবী, কেউ শিল্প সাহিত্যে মেধাবী, কেউ ক্রীড়া নৈপূন্যে, কেউ সংগিত চর্চায়, কেউ আবৃতি শিল্পে, কেউ সাংগঠনিক কাজে, কেউ রাজনীতিতে। মেধা বিকাশের এত এত উপায়ের মধ্যে সব থেকে কম উপযোগিতাপূর্ণ উপায় হচ্ছে পরীক্ষায় অধিক নম্বর তোলা। বস্তুত এটা কোন মেধা নয়, এটা একরকম কৌশল। এই কৌশল রপ্ত করতে না পেরে অনেক মেধাবীকে 'খারাপ ছাত্র' তকমা নিয়ে ঘুরতে হয়।

ক্ষমতার লোভে সরকারের বর্বর ও ভয়াবহ রাজনীতি: ব্লগারদের কে বাঁচাবে?


গত দুই বছর আগে ১৫ সালটা ছিল ব্লগার হত্যার সাল। এদেশের ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম একে একে সেই বছর স্লিপার সেল দ্বারা মুক্তচিন্তক ব্লগারদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। তখন ব্লগার হত্যা নিয়ে এদেশের সরকারও ছিল নিরব। শুধু নিরবই ছিলনা, যখন ১৫ সালে ইসলামিস্ট কিলাররা একটার পর একটা ব্লগারর হত্যা করে যাচ্ছে, তখন শেখ হাসিনা সরকার নাস্তিক হত্যার এই দায় নেবে না বলে ইসলামি জঙ্গীদের পরোক্ষভাবে আরো উস্কে দিয়েছিল ব্লগার হত্যা করার জন্য। এতে সরকারের লাভ আছে। সরকার দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯০% মুসলমানকে বোঝাতে সক্ষম হচ্ছে, "-দেখো আমরা নাস্তিক ব্লগারদের পাশে নেই, আমাদের সরকার ইসলামের পাশেই আছে। দেখো আমরা

নাস্তিকের লেখালেখি :বিষয়বস্তু নির্বাচন


ঘটনা এক

এপিসোড এক :
ধরা যাক আমি বেশ দরিদ্র একজন মানুষ, গ্রামে বসবাস। ভোট দিই বটে তবে কোন দলের সাথে, গ্রামের নেতা গোছের কারো সাথে আমার কোন খাতির নেই। কোন এক সময় গ্রামের একজন প্রভাবশালী নেতা এবং তার সহচরদের দ্বারা আমি আক্রান্ত, অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং শারিরীকভাবে নিগৃহীত হলাম।

এপিসোড :দুই
আমি গেলাম থানায়। পুলিশ মামলা নিল না। উল্টো আমাকেই ধমকালো। আবার সেই নিপীড়নকারী নেতার হাতে আমি দ্বিতীয় দফা নিগৃহীত হলাম।

ধার্মিক ও অসাম্প্রদায়িক : পারষ্পরিক সম্পর্ক


ধার্মিকতা এবং অসাম্প্রদায়িকতা একসাথে যায়না। এই থিসিসটা শুনতে খারাপ এবং ভাবতে নির্বোধের মতো মনে হয় অনেকের কাছে। তবুও একবার ভেবে দেখা যাক।

তার আগে একটা কথা বলে রাখি।কলহপ্রিয় মানুষেরা বলেন যে ধর্ম বলতে বোঝায় কোন কিছুর অর্ন্তগত বৈশিষ্ট্য। যেমন আগুনের ধর্ম উত্তাপ, বাতাসের ধর্ম প্রবাহমানতা ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের জন্য জ্ঞাতব্য হচ্ছে পদার্থের বৈশিষ্ট্য (Properties) আর মানুষ কর্তৃক মান্য সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাকেন্দ্রিক ধর্ম (religion) - এ দুটোকে একসাথে গোলাবেন না। যদি না গোলান তাহলে পরের কথায় আসি।

ইসলাম অবমাননার নামে টিটু রায়কে গ্রেপ্তারঃ এটা সরকার-প্রশাসনের নির্লজ্জতাই ফুটে উঠে!


আওয়ামিলীগ সরকার (ও তার প্রশাসন) মুসলমানের সমর্থনের জন্য এতোটা নগ্ন ও নির্লজ্জ হয়েছে যে, তাদের এই নির্লজ্জতা ঠিক কোন ভাষায়, কোন শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করবো, সেইটুকু ভাষা ও শব্দ আমার জ্ঞাণ ভাণ্ডারে নেই। রংপুরের ঠাকুর পাড়ার টিটু রায়কে ঠিক কোন অপরাধে গ্রেপ্তার করলো আওয়ামিলীগ সরকারের প্রশাসন? আমি বুঝে উঠতে পারছি না টিটু রায়ের অপরাধটা কি? যে ছেলেটা ফেইসবুকের 'ফ' ও বুঝেনা, সেই ছেলে কি করে ইসলাম ও নবী অবমাননা করবে?

সিকি শতাব্দী পেরিয়ে ৯০'র গণআন্দোলন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি, নিখাদ সন্ধ্যা ছাড়া আর কি?


তারুণ্যের একটা ভাষা আছে। আছে আলাদা একটা মাত্রা। কিন্তু সেই ভাষা ও মাত্রাও সব তারুণ্য ধারন করে না। অনেকে করে। আমাকে-আমাদের করেছিল। সেই তারুণ্য সন্ধি ও আত্মসমর্পনের ছিল না, ছিল আপোষহীন ও বেপরোয়া। ছিল দারুণ দূর্বার, তুমুল তুখোর! ছিল চোখে আগুন, বুকে বারুদ আর মুঠে প্রচন্ড ঘৃনা ও প্রতিবাদ। যে স্পর্দ্ধিত তারুণ্য লড়েছিল নিরস্ত্র এক বিশ্ব ব্যহায়া সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে! সে এক রক্ত হিম করা গল্প! সিকি শতাব্দী পার হয় যে গল্পের! সেকি কেবলি গল্প নাকি এক দুস্বপ্নের রুপকথা?

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর