নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 11 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আরমান অর্ক
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • উর্বি
  • নুর নবী দুলাল
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • মিশু মিলন
  • সুমিত রায়
  • মিসির আলী
  • হেজিং

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

গল্প

বড় গল্প: কোথাও নেই (প্রথম পর্ব)


টাকার স্তুপ শুধু ক্লান্তিই বাড়াচ্ছে এখন। এত কষ্ট করে এত টাকা কেন যে আয় করেছি! জীবনের প্রতি পদে পদে যার যা প্রাপ্য দিয়ে দিলে এত জমত না নিশ্চয়ই। কিন্তু কেউই তা দেয় না, আমিও দিইনি।

ব্যাংকের হিসেব দেখলে মাঝে মাঝে মনে হয়, এ যেন পাপ জমছে রোজ। তবু নেশা, এ নেশা ভয়ঙ্কর। প্রতিদিন দশ লক্ষ টাকা ব্যাংক একাউন্টে যোগ না হলে মাথা ঝিম ঝিম করে, মনে হয় কোম্পানির সকল কর্মচারীদের ডেকে বিদায় করে দিই আজই।

অন্য চোখ (উপন্যাস-পর্ব-পাঁচ)


ভোর সাড়ে ছয়টা বাজে।সবাই জেগে ওঠার আগে বাসায় পৌছায়। দুজন বসে আছে।কেউ কোন কথা বলছে না। কারও মুখে কোন ভাষা নেই।মনে হচ্ছে সব ভাষা ওরা হারিয়ে ফেলছে। অবন্তি নিরবে বিছানায় শুয়ে পড়ল।অবসাদে নেমে এলো নিদ্রা। হয়ত জেগে আছে নয়ত ঘুমিয়ে গেছে তা অবন্তি অবধি কারও পক্ষে জানা সম্ভব নয়।আনিস জানাল খুললো।দখিনের হাওয়া জানালায় উকি দিয়েছে।অদ্ভুত পৃথিবীর নিয়মে আনি খুব বিরক্ত। কোন অপরাধ না করেও আজ অবন্তির কাছে আনিস বড় অপরাধী।

অন্য চোখ (উপন্যাস-পর্ব-তিন)


সূর্য্য পশ্চিমা আকাশে ডুবে গেছে। আজকের মত দিনের আলোর ক্ষমতা শেষ। পরিশ্রোমী সূর্য্য সাধারনত রাতে বিশ্রোমে যায়।পৃথিবীর বুকে নেমে আসে রাত।রাতের নির্জনতার সঙ্গী কখনো পূর্ণিমার চাঁদ।আবার অমাবঁশ্যার ঘুটঘুটে আন্ধকার।এভাবেই প্রতিনিয়ত পৃথিবীর বুকে দিন শেষে রাত ধেয়ে আসে।

ছোটগল্প: জবানবন্দী


অভাবে সংসারে স্বামী আজকাল আরো বেশি করে অভাব ডেকে আনছে, হতাশার সাথে পাল্লা দিয়ে তার সিগারেটের নেশা বেড়েছে। মাসে যত টাকার চাল-ডাল লাগে তার চেয়ে বেশি লাগে তার সিগারেট। আমিও অবশ্য এদিক থেকে কচি তুলশী পাতা নই, একটুখানি পান পেঁচিয়ে পান খাওয়ার নাম করে তিনবেলা এক মুঠো করে জর্দা না খেলে আমার জীবন বাঁচে না। কী হয় জানি না, তবে খেতে পারলে ভালো থাকি। সুবিধা হয়, জর্দার খরচ সিগারেটের চেয়ে অনেক কম।

আমি যেভাবে ভূতের কবলে পড়লাম


ঘটনা ঘটে রাত ঠিক একটায়।
আমার বন্ধু মিজান। গিয়েছিলাম মিজানের দাদা বাড়ি বেড়াতে। ছয় বছর আগের ঘটনা। গ্রামের নাম কালা মৃধা। ফরিদপুরের একটি গ্রাম। বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রাম আমার কাছে একই রকম লাগে। একসম সহজ সরল সুন্দর। অনেক গাছপালা, নদী, মাটির রাস্তা, পুকুর, বিশাল ধানক্ষেত। গ্রাম দেশের বাজার গুলো আমার খুব বেশি ভাল লাগে। সময় সুযোগ পেলেই আমি মাছ ধরতে নেমে যাই। বৈঠা হাতে নিয়ে নৌকা চালাই। একবার তো একজন কৃষকের সাথে জমিতে সেচ দিয়েছি। যে ক'টা দিন গ্রামে থাকি অনেক আনন্দ নিয়েই থাকি।

বিকৃত-ব্যবচ্ছেদ


তনুশ্রীর একবার মনে হলো: সে বাস থেকে নেমে যাবে। হাঁটলে সহজে তবুও কেউ তার শরীরস্পর্শ করতে পারবে না। এজন্য সে বাসে সহজে উঠতে চায় না। বাসে আজকাল মানুষের পাশাপাশি শিয়াল, শকুন, নেকড়েও উঠছে দলে-দলে। সে ভাবছিলো: এখন কোথাও একটু বসতে পারলে সে আজ দ্বিতীয়বারের মতো ধর্ষিত হওয়ার অবস্থা থেকে রক্ষা পেতো।

মেয়েটির নাম ছিল রুপা


ছোটবেলায় আমি একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়তাম। আমার থেকে কয়েক ক্লাশ উপরে পড়তো রুপা নামের একটি মেয়ে। খুব রুপবতী মেয়ে। খুব সুন্দর করে কথা বলতো। মেয়েটিকে আমার খুব ভালও লাগতো। বয়সে আমার চেয়ে বড় হলেও আমি তাকে রুপা বলেই ডাকতাম। আমার যুক্তি হচ্ছে পছন্দের মানূষদের তুমি করেই বলতে হয়। আমি আমার মা বাবাকেও তুমি বলি। যাই হোক, আমি সুযোগ পেলেই রুপা'র পাশে ঘুরঘুর করতাম। আমার এখনও মনে আছে- রুপা আমাকে খুব আদর করতো। টিফিন টাইমে আমরা দু'জন একসাথে খেতাম। স্কুলের পোশাকে কি যে সুন্দর লাগতো রুপাকে! বছর শেষে রুপা অন্য কোথাও চলে গেল। আমিও অন্য স্কুলে ভরতি হলাম। তারপর রুপার সাথে আমার আর কোনো যোগাযোগ নেই।

ঈশ্বরের কাছে এক বরপুত্রের প্রার্থনা !


ঈশ্বরের কাছে এক বরপুত্রের প্রার্থনা !
*******************************************
আমি যেদিন থেকে স্বর্গদূতের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলাম, সেদিন থেকেই মনটা ভাল ছিলনা আমার। কারণ আমাকে মানুষের প্রাকমৃত্যু দূত হিসেবে কর্মপ্রদান করা হয়েছিল। মানে পৃথিবীর সকল মানুষের মৃত্যুর প্রাকমূহূর্তে আমাকে উপস্থিত হতে হয় ঘটনাস্থলে। মৃত্যু যদিও খুব বেদনাদায়ক, কিন্তু পৃথিবীর কোটি কোটি শিশু, যুবক, বৃদ্ধের মৃত্যু দেখতে দেখতে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছিলাম আমি। তাই কোন মৃত্যুই আমাকে খুব একটা পীড়া দিতে পারেনি কখনোই।
:

গল্পঃ একটি কবিতার জন্য



১।
নীরবতা ভেঙে উঠে পড়লাম আমি। মানিব্যাগ খুলে ভিজিট দিতে চাইলাম। ডাঃ হিরণ্ময় হাসি মুখে বলে – ‘আজকে আর ভিজিট লাগবে না’। আমি অনিচ্ছা সত্বেও কৃতজ্ঞতার হাসি দিয়ে মানিব্যাগে টাকাটা ঢুকিয়ে ফেললাম। মেডিক্যাল রিপোর্টসগুলো হাতে নিয়ে বেরুতে বেরুতে বললাম – ‘স্যার, আমার ফ্যামিলির কাউকে আপাতত বলবেন না। উনারা খুবই ভেঙে পড়বেন’। ডাঃ হিরণ্ময় বিস্মিত হয়ে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন তারপর বললেন – ‘আচ্ছা…ঠিকাছে। তবে মনে হয় কি তোমার বাবাকে অন্ততপক্ষে জানানো উচিত’। আমি বললাম – ‘চিন্তা করবেন না স্যার, আমি নিজে থেকেই জানাবো। কিন্তু তাদের মানসিক অবস্থাটা একটু শক্ত করি তারপর’

ক্লায়েন্ট



কেন যেন আজকে বেশ সকালেই ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে পড়ব? না শুয়ে থাকব? প্রীতি এখনও ঘুমাচ্ছে। বেশ সুন্দর লাগছে ওকে দেখতে। চুলগুলো এলোমেলো হয়ে মুখের ওপর ছড়িয়ে আছে। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। একবার ভাবলাম ডাকি। রোমান্টিক সকালটা দুজনে মিলে গল্প করি। তারপরে ভাবলাম, থাক। সময়টা বরং একাকীই কাটাই।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর