নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মওদুদ তন্ময়
  • অপ্রিয় কথা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু
  • মিশু মিলন
  • দেবজ্যোতিকাজল
  • সৈয়দ আহসান
  • ফারজানা সুমনা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

গল্প

একটি তেঁতুল গল্প!


দীর্ঘদিন ইস্টিশন ব্লগ থেকে দূরে ছিলাম। আমার একটি লিখা মুমিনদের অনুভুতি ছিদ্র করে সাত আসমানে আল্লাহর কাছে জিব্রাঈল পৌছে দিয়েছে!! আল্লাহ্ এখনো আমায় তার চরণের তলে ডাকে নাই, ডাকিলে বেক্কেরে জানাইবো। "সেসব কথা থাক"

কিছুদিন আগে সিলেটের এক চায়ের দোকানে বসে সিগারেট খাচ্ছিলাম, পাশেই বসা ছিলো এক মুরব্বী টাইপের সাদা "দড়ি" থুক্কু দাড়ি, পরনে সাদা পাঞ্জাবী ও পায়জামা, আর আমার সামনে মধ্য বয়স্ক দুই ব্যাক্তি আর আমার ডান পাশে বৃদ্ধ চা বিক্রেতা।

আলোচনার ট্রফিক ছিলো "আল্লামা শফি"

অবতংস


অন্ধকারের বিদায় রাগিণী বাজছে গোলকের মা’র মোরগ আর দুখিরামের মায়ের কণ্ঠে; মোরগের কণ্ঠটা কর্কশ হলেও খুব একটা বিরক্তিকর নয়, মানিয়ে যায় ভোররাতের সাথে; আর দুখিরামের মায়ের কণ্ঠে সুর, সাথে করতালের সঙ্গত। কার্তিক মাসে ল‏ক্ষ্মীপূজা পেরোলেই টহল দিতে আসে দুখিরামের মা; কার্তিক থেকে ফাল্গুন টহলের মরশুম, এ সময় মাসে অন্তত একবার দেখা যায় তাকে। তারপর ফাল্গুনের পর সে-ই যে ডুব দেয়, এরপর আবার উদয় হয় লক্ষ্মীপূজার পরে; এ মরশুমে আজই প্রথম।

আমি বাঁচবো তো?


পঞ্চম শ্রেণীতে উঠেছি আমরা। আমরা বৌচি,লুক,হা-ডু-ডু খেলায় উদগ্রীব ছিলাম। বিকালে স্কুল ছুটির পর বাড়িতে এসে ব্য্গ,স্কুল ড্রেস পরিবর্তন করে সবাই আসতাম জয়দের উঠানে। কিন্তু, খেলাধুলায় সবাই আমার চাইতে জোহরাকে দলে ভিড়ানোর জন্য আগ্রহ করত। জোহরা ছিল খুবই বুদ্ধিমতি , তীক্ষ্ণ মেধাবী এবং ডানপিটে। স্কুলের শিক্ষক, পাড়ার প্রতিবেশী হতে শুরু করে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় স্বজনের প্রিয়মুখ জোহরা।

কথাঅনৃত


অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা রেজাউল তালুকদারের সময় এখন শুয়ে-বসেই কাটে; বই-খবরের কাগজ পড়ে, টিভি দেখে। স্ত্রী গত হবার পর সারাদিন বলতে গেলে একাই থাকেন বাসায়। দুই ছেলে আর ছোট ছেলের বউ চাকরি করে, তারা সকালে বেরিয়ে যায় আর সন্ধ্যায় কি রাত্রে ঘরে ফেরে। বড় ছেলের বউ বাচ্চাদের নিয়ে সারাদিন স্কুল আর কোচিং সেন্টারে ছুটোছুটি করে।

'সেদিন কবিগুরুর সাথে দেখা হয়েছিলো'


সাজিদ একদিকে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলো। আজ পাবলিক হলে প্রচুর মানুষ। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে একটা প্রোগ্রাম হচ্ছে। স্টেজে গান হচ্ছে। শিশুতোষ গান। কবিগুরু শিশুদের জন্য ভালো গান লিখেছেন। এই গান এখন বড়রাও শুনে। আচ্ছা রবীন্দ্রনাথ বড়দের নিয়ে যেসব গান লিখেছেন তা কি শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখতে হবে। সাজিদ চায়ে চুমুক দেয়ার পর খেয়াল করলো এক অতিবৃদ্ধ লোক গেইট দিয়ে ঢুকছে। তিনি ঝুঁকে হাঁটছেন। প্রচুর মানুষের ভীড়েও লোকটি অতি স্বাচ্ছন্দ্যে হেঁটে যাচ্ছে। লোকটি এরপর একদিকে গিয়ে বসলো। সাজিদ সিগেরেটটা ফেলে দিয়ে লোকটির দিকে এগিয়ে গেলো।

ভুলে গেছি


শিমু আর রাফির প্রেমটা আই.বি.এ তে পড়ার সময় থেকেই। শিমু ছিল বাংলা বিভাগে।ওদের বিয়ের প্রায় দুবছর হতে চলেছে।
সিনিয়র ব্যাংক কর্মকর্তা মি. রাফির ছোটবোন মৌরির গায়ে হলুদ আজ। মৌরি এম.বি.বি.এস শেষ করে ইন্টার্নিশিপ করছে। রিমুর বাবা মাকেও দাওয়াত দেয়া হয়েছে।রাফির কলেজ জীবনের বান্ধবী রিমু।রিমুর ডিভোর্সের খবরটা রাফি লোকমুখে শুনেছিল।

মধ্যরাতের স্বপ্নেরা বেঁচে থাকুক ...!


যে ছেলেটা রোজ বিকেলে একতাড়া গোলাপ ফুল নিয়ে মাথা নিচু করে পার্কের ওই শেষ বেঞ্চিটাতে বসে থাকত চুপচাপ, আনমনে চিন্তা করত, কিভাবে মেয়েটাকে বলবে ওর ভালোবাসার কথা, কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে সদ্য কেনা তাজা গোলাপগুলোকে আলগোছে রেখে যেত বেঞ্চির উপরে, পার্কের ওই শেষ বেঞ্চিটাতে এখন আর কেউ বসে না,কেউ না!
.

সোনারগাঁয়ের একাল-সেকাল


পানাম নগর পৃথিবীর ১০০টি ধ্বংসপ্রায় ঐতিহাসিক শহরের একটি যা নারায়ণঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এ অবস্থিত। পানাম বাংলার প্রাচীনতম শহর। এক সময় ধনী হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের বসবাস ছিল এখানে। ছিল মসলিনের জমজমাট ব্যবসা। প্রাচীন সেই নগরীর তেমন কিছু আর অবশিষ্ট নেই। এখন আছে শুধু ঘুরে দেখার মতো ঐতিহাসিক পুরনো বাড়িগুলো। ২০০৬ সালে পানাম নগরকে বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০টি ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় প্রকাশ করে। ঈসা খাঁ এর আমলের বাংলার রাজধানী পানাম নগর। বড় নগর, খাস নগর, পানাম নগর প্রাচীন সোনারগাঁর এই তিন নগরের মধ্যে পানাম ছিলো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। এখানে কয়েক শতাব্দীর পুরনো অনেক ভবন রয়েছে, যা বাংলার বার ভূঁইয়াদের ইতিহাসের স

নীল শার্ট


সামনে নববর্ষ!
বাবা আমাকে একটা নীল শার্ট কিনা দিবা?

রোগ


আমাদের পাড়ায় ঢুকে বাঁ দিকের তৃতীয় বাড়িটা অর্থাৎ যে বাড়িটার একটা মোটা সজনেগাছ স্যাঁতা পড়া দেয়ালের ওপর দিয়ে কুয়োর জলে নিজের ছায়া দেখতে থাকা কোনো বেভুলো মানুষের মতো রাস্তার ওপর ঝুঁকে আছে, যে বাড়িটায় বেশ বড় একটা বর্গাকার পুকুর আর পুকুরের পাড়ে একটা পুরনো স্যাঁতা পড়া সমাধিমঠ আছে, ওই বাড়িটাই মিত্তিরবাড়ি। পদবী মিত্র হলেও লোকমুখে তা মিত্তিরবাড়ি নামেই পরিচিত ছিল, আর মিত্তিরবাড়ির মানুষ অমুক মিত্তির-তমুক মিত্তির।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর