নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজিব আহমেদ
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

গল্প

চাকা এবং আশ্চর্য সোনার মেডেল


শরীরটা জ্বলে যায়, পুড়ে যায়! বড় আমগাছটার বুনট ছায়ায় বসিয়ে টিউবয়েলের ঠাণ্ডা জলে ঘন ঘন গামছা ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিলেও জ্বালা কমে না; ভেজা গামছা গায়ে জড়িয়ে রাখলেও স্বস্তি মেলে না। চামড়ার নিচে রক্ত যেন টগবগ করে ফুটতে থাকে, আর কাতরাতে থাকে বাদল। রোদ যতো চড়ে রক্তের টগবগানি ততো যেন বাড়ে!

প্রবাসের অখ্যাত গল্প-৮


সুইডেনের শীতকালটা নিয়ে আমাদের মত প্রবাসীদের মনের মাঝে একটা ভয় ভীতি আর আতঙ্কের ছায়া বিরাজ করে, নিজেদের সঙ্কীর্ণ মানসিকতার কারণেই এখানকার সমাজ, পরিবেশ, প্রকৃতি ও তাদের আচার আচরণের উপর এক ধরনের বিরূপ ধারণা মনের মাঝে স্থায়ী ভাবেই বাসা বাধে |

সখ্যতার সঙ্গিনী


এখানে মরুভূমির মতো গলা শুকোনো রোদ, ভরদুপুরে সবুজ রঙ থেকে হালকা টিয়েতে রুপান্তর হয় যুবক বয়সী পাতাগুলো। ফাঁকা চারপাশ সারি সারি বিন্যস্ত বাড়িগুলোতে কিছুটা পূর্ণ। এক মাইলের মতো ভেতরে ঢুকলে তখন দেখা যায় আবাদি জমির বিস্ফোরণ। মস্ত এলাকা জুড়ে খাঁ খাঁ মাঠসমুদ্র। বৈশাখের শুরুতে এখন গাছপাকা ফল, জমিতে প্রাপ্তবয়স্ক হতে শুরু করা হলুদ-সবুজাভ ধান, গ্রামের বুক ছুঁয়ে চলে যাওয়া শান্ত শীতল নদী। সবকিছুর সাহচর্যে এসেছিলো লাবণ্য। অনেকটা নিজের ইচ্ছায়, কিছুটা নিতুর প্রলোভনে পরে; তার মুখে মামার বাড়ির গ্রামের বর্ণনা শুনে। আজ মধ্যসকালে পল্লবপুরে এসে পৌঁছেছে দুজন। নিতুর থেকে শোনা তার মামাবাড়ি সম্বন্ধীয় বর্ণনা নিরপেক্ষই

প্রবাসের অখ্যাত গল্প-৬


উত্তর মেরুতে গ্রীষ্মের আমেজটা ফুরিয়ে আসতেই উত্তরের হওয়া সুইডেনের উপর দিয়ে এ বছর প্রবল তুষারপাতের আগাম জানান দিয়ে যাচ্ছে, গাছের পাতাগুলো তাদের রং বদলাতে শুরু করেছে, পৃথিবীটা যে কত রঙ্গিন হতে পারে তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করার উপায় নাই, হলুদ আর ধুসর লাল রঙের ছড়াছড়ি চতুর দিকে, এমন মনোরম শুভ্র সুন্দর প্রকৃতি সেই সাথে গ্রীষ্মকালীন সময়টা হুট করে বিদায় জানাচ্ছে।

নিমগ্ন ধ্যানে জেগে থাকার গল্প।



ভেজা সকাল। ঠাণ্ডা মুড। শরীরে এবং মনে উত্তাপ নেই। এক কাপ চায়ের তৃষ্ণা আছে। ঘুম ঘুম আলস্য আছে। নূর দুটো সিঙ্গারার অর্ডার দেয়। তারপর, কিছুক্ষন অপেক্ষা! দু একটা ভাবনা খুব হালকা ভাবে একে অপরের সাথে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। করুক। নূর হাই তোলে। অদূরে কোথাও কুকুর ডেকে যাচ্ছে। ডাকুক। দুটো সিঙ্গারা, একটি পেঁয়াজ এবং একটি মরিচ-চলে আসে নূরের কাছে। নূর মরিচে কামড় বসায়। তারপর সিঙ্গারায়! নূর ভেজা সকালটা ঠাণ্ডা মুডে ভোগ করতে শুরু করে। ভোগ থেকে উপভোগ।

মানুষ এবং সাপের গল্প


গল্পটা পূর্ব-পাকিস্থানের নোয়াখালী, ঢাকা, রাজশাহী, ফরিদপুরের অথবা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, উত্তর চব্বিশপরগণা, নদীয়া, বর্ধমানের। স্যার সিরিল র‌্যাডক্লিফ যখন তার নির্দয় কলমটা অথবা কলমের অবয়বে মানবজাতির ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্টতম ছুরিটা ভারতবর্ষের মানচিত্রের ব্যবচ্ছেদের কাজে ব্যবহার করলেন, যাকে আমরা বলি র‌্যাডক্লিফ লাইন; র‌্যাডক্লিফ লাইনের দাগটা আসলে কালির নয়, ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষের তাজা রক্তের দাগ ওটা; শিশুর রক্ত, নারীর রক্ত, টগটবগে তরুণ-তরুণীর রক্ত, প্রৌঢ় কিংবা বৃদ্ধ-বৃদ্ধার রক্ত; হিন্দুর রক্ত, মুসলমানের রক্ত, শিখ, জৈন কিংবা বৌদ্ধ’র রক্ত; মাথার রক্ত, বুকের রক্ত, যোনির রক্ত, সারা শরীরে

প্রবাসের অখ্যাত গল্প-৫


উত্তর মেরুর দেশ সুইডেনের গ্রীষ্মকালটা যদি প্রকৃতি সহায় থাকে তবে টেনেটুনে তা মাস তিনেক, দিনের বেশিরভাগ সময়টাই থাকে আলোকোজ্জ্বল মনে হয় সূর্যটাকে কেউ যেন দড়ি দিয়ে মধ্য আকাশে বেধে রেখেছে, আলোর যন্ত্রণায় রাতে ঘুমাতে খুবই অসুবিধা হয় |

প্রবাসের অখ্যাত গল্প-৪


সুইডেনে আমার গতবারের সাথে এবারের অভিজ্ঞতার বিস্তর দূরত্ব | ইউরোপে চলে আসার পর মনের মাঝে যে স্বপ্নটা ছিল “আমাকে ইউরোপীয় হতেই হবে” সেটা থেকে আমি বিন্দু মাত্র সরে আসিনি, ইতিমধ্যে নিজেকে আধুনিকতার সাজে বাস্তবায়নের জন্যে আমার সকল প্রচেষ্টা সঠিক ভাবেই এগিয়ে চলছে |

প্রবাসের অখ্যাত গল্প-৩


সুইডিশদের তথা স্কেন্ডেনেভিয়ানদের সাথে প্রকৃতির এক নিবিড় সম্পর্ক, মনে হয় জন্মসূত্রেই প্রকৃতির সাথে তাদের সম্পর্ক এক নিবিড় সুতার বাধনে আবদ্ধ, তাদের নামের সাথে পাহাড় পর্বত, নদী বাতাস আকাশ আলো শব্দগুলো জড়িত থাকে, অতএব বুঝতেই পারছেন প্রকৃতির সাথে তাদের সম্পর্কটা অনেকটা জন্মগত |

সুখের অভাবে সুখ মহড়া


আজকাল শর্মী নিজেকে আর একা মনে করে না। তার মনে হয় কে যেন একজন, একজোড়া কচি হাত সব সময় তার চারপাশে ঘিরে থাকে, ঘুরঘুর করে। সর্বদা একটা ডাক তাকে অস্থির করে তোলে। তাকে আলোড়িত করে রাখে।একটা সময় সে নিজেকে ভীষণ একা মনে করতো। পৃথিবীর কোন এক জনশূণ্য দ্বীপের একমাত্র বাসিন্দা মনে করতো। এখন আর একা একা লাগে না। এখন তাকে নিয়ে তার সারাটা দিন ভালোভাবেই কেটে যায়। শর্মীর নিঃসঙ্গ সময়ের এমন একটা মূহুর্তে সে আসলো যখন শর্মীর নিজেকে নিয়েও ভাবনার ইচ্ছেটুকু ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু এখন। এখন সে ছোট্র দুটো হাতের পরশে ঠিকই কাটিয়ে দিচ্ছে তার ব্যস্ত সময়। জাগতিক সকল ব্যস্ততা এখানে ম্লান। এক পরিচ্ছন্ন ভালোবাসার নির্মল আবহ সব সময়

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর