নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

গল্প

গোধূলিবাড়ি (গল্প: ২৫)


মশাই, বললে বলবেন, আমি মানুষ ভাল না। ভাববেন, আমি একটা অমানুষ। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, একটা মানুষ কখন তার স্ত্রীর মৃত্যু কামনা করতে পারে, তাও আবার সেই মানুষটার বয়স যদি হয় সত্তর, যখন স্ত্রীকে কাছে পাওয়া খুবই দরকার! হ্যাঁ, আমি আমার স্ত্রীর মৃত্যু কামনা করেছি। কিন্তু ঐ একবারই!

ভ্রম ভালোবাসা


বাসে সেদিন রাতে কোনো সিট না পেয়ে দাড়িয়ে আছি শেষের দিকে..পাশের সিট থেকে এক বৃদ্ধা নেমে গেলেন,তার পাশে এক পিচ্চি বাচ্চা কোলে নিয়ে এক মেয়ে বসে আছে আসলে মেয়ে বললে ভুল হবে,বোঝা যাচ্ছিলো না মুখ ওড়না দিয়ে ঢাকা,বাচ্চাটার বয়স ১বছর হয়নি মনে হচ্ছে,আমি অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আছি তারপর সে আমাকে বসতে বললো, যদিও অস্বস্তি লাগছিলো,কিন্ত আরো চার ঘন্টা এভাবে দাঁড়িয়ে থাকা মোটেও সম্ভব না..কণ্ঠটা অনেক বছরের পরিচিত মনে হলো,আমি একটু ঘুম ঘুম চোখে গা এলিয়ে দিলাম..তারপর অপ্রত্যাশিত কিছু..!!

মধ্যবিত্তের বিবেক



মোহভাঙ্গলো সাদিক সাহেবের, হাসপাতাল থেকে বের হবার উদ্যোগ নিলেন ইনজেক্‌শন কিনে না দিয়েই। তবে এবার তার মধ্যবিত্তের বিবেক বন্ধনি তাকে প্রশ্ন করলো এই বলে “একি করছো? একজন মূমুর্ষ মানুষ, যে কিনা তোমারই সহযাত্রী ছিলো, যে তোমার সাথে কয়েক মিনিটের পরিচয়ে কত সুখ,দুঃখের কথা বললো, একটু আগে হাস্যরত ছিলো তোমারই পাশে। সামান্য ক’টা টাকার জন্য তুমি তাকে মৃত্যুশংকায় ফেলে ইনজেক্‌শন না দিয়েই চললে?” দোটানায় পড়লেন সাদিক সাহেব। আবার শুরু হলো মধ্যবিত্তের অর্থ আর বিবেকের যুদ্ধ। এ যুদ্ধে কে জিতলো জানেন? ‘অর্থ’, হ্যাঁ অর্থ ই জিতলো। সেই বিবেকের কাছে, যে বিবেক তার বড় ছেলেকে অর্থ রোজগারের রাস্তা থেকে সরিয়ে এনেছিলো, সম্মানের দোহাই দিয়ে। হায়রে মধ্যবিত্ত!

অামাদের মডার্ন বান্টিপা


বান্টি অাপা, অাল্ট্রামডার্ণ অাপা হিসেবে 'অাপামহলে' তার দুর্নাম অাছে। বান্টিঅাপার স্বামী একটি বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান ব্যবস্থাপক। গায়ের রং ফর্সা হওয়ার সুবাদে বান্টিপার কদর সবসময়ই ছিল এবং অাছে।
স্টুডেন্ট লাইফে বহু পুরুষকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরিয়েছেন। চাইনিজে, পার্কে, শপিংমলে কিছুদিন ঢুঁ দিয়ে পকেট গড়েরমাঠ করে এবার রিপ্লেস করতে হয় গাধা; নতুন গাধার অাগমন ঘটে।

নৈ


জেলেপাড়ার হাড় জিরজিরে কুকুরগুলোর রক্তে আগুন জ্বালিয়ে একনাগাড়ে ডেকে ডেকে কাশবনের হতচ্ছাড়া শিয়ালগুলো ক্লান্ত হলে; ভোঁস-ভোঁস, ফোঁস-ফোঁস, শীৎকার করতে করতে অবশেষে রাত্রি দ্বিপ্রহরে গগনবাবুর রতিপাত হলো! তাতে আমার শুষ্ক নিষ্ফলা জঠর ক্ষণিকের জন্য কিছুটা আর্দ্র হলেও নতুন প্রাণের সঞ্চার হলো না।
চৈত্র-বোশেখের তীব্র দাবদাহে আমার বুকটা ভীষণ জ্বলে গো বাবুমশাই, আমি সইতে পারি না। সূর্যদেবের সঙ্গে আমার আজন্মকালের শত্রুতা! বরাবরই তিনি আমার ওপর রুষ্ট। শীত যেতে না যেতেই তিনি আমার কোল খালি করেন। আর চৈত্র-বোশেখ-জ্যৈষ্ঠিতে তিনি আমাকে জ্বালান, পোড়ান! কী যে সুখ পান!

ঘুম


দণ্ডিত বিবেক


মালগাড়ির শব্দে হাজেরার ঘুম ভাঙে।মধ্য রাতে হাজেরা মাকে জড়িয়ে চিৎকার দেয়।মস্ত বড় এক হাত হাজেরার বুকের উপর।মা আমাকে শক্ত করে ধরো।বুকে ভিষণ ব্যাথা।উঃ মা মরে গেলাম।কোমরে ব্যাথা লাগছে।নড়তে চড়তে পারছি না।উঃ মা আর পারছি না। আলেয়া কপাল চাপড়ে চিৎকার দিয়ে ওঠে। এ্যা খোদা-আমার নাবালক মেয়ের সর্বনাশ কে করলো? আমি এখন কি করব? বলে দাও খোদা।
আলেয়া মেয়ের গালে কয়েটা থাপ্পর বসিয়ে দেয়। বল তোর এ সর্বনাশ করলো কে? সত্যি কথা বল।
হাজেরা কাঁদতে থাকে।আলেয়ার কোন প্রশ্নের উত্তর সে দ্যায় না।

ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্তা


তখন প্রায় সন্ধ্যা৷ বৃষ্টির মৌসুম তাই আঁধার নেমে আসে তারাতারি৷ কাজ শেষে আমি যাব দোকানে কিছু জিনিস লাগবে তাই ভাবলাম বৃষ্টিও নেই যাই কিছু সদাই নিয়ে আসি৷ পাহাড়ে এই একলা একটা বাঙলো৷ আশপাশে লোক হয়তো আসে তাও দিনে যখন আলো থাকে৷ কখনো সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে ময়লা নিয়ে যায়৷ কখনো একটু দূরের বাঙলোয় আরেকজন আছে তাকে আসতে দেখা যায়৷ তাছাড়া আশ পাশে আর কোন লোক নেই৷ এই শীতে যা আটটা কচ্ছপ ছিলো, আমি যাদের সঙ্গে খেলি কথা বলি তারাও মাটির নিচে ধ্যানে বসে গেছে৷ বাকী রইলো শৃগাল, বিড়াল আর পাখি৷ তাদেরও এখন খুব একটা দেখা যায়না৷ এই একা একটা পাহাড়ের পাঁচতলা বাড়ি, বাগান, সুইমিংপুল সহ বিশাল জায়গা জুড়ে আমার সাথে আমিই

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর