নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী

আপনি এখানে

গল্প

অসমাপ্ত ছবি


কিটি তার হাত ঘড়িতে সময় দেখলো। চারটা বেজে সাত।বিকেল হচ্ছে কেবল। এই সময়টায় এদিকটা ফাঁকাই থাকে।রোজ রোজ ঘরে ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে হয় বলে এখানটা কিটির আপন হয়ে গেছে।ঘরে ফেরার পথে পানির পিয়াস পায় কিটির।অফিস থেকে জল খেয়ে বেরুলে ও সে ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবেই।রোজকার মতো ভাঙা ট্রামটা হেলে দুলে এসে থামল।
....
ভেতরটায় চিরচেনা ভ্যাপসা গন্ধ। এর ভেতর ও কপিলার মুখে রাজ্যের খুশি।
-কদ্দিন বাদে তোকে দেখলাম!কপিলা হা হা করে ওঠলো।
-কই হপ্তা খানিক আগেও তো তোর সাথে দেখা হল।

বৃষ্টি বাদল দিনে।


বৃষ্টি পরছে,,,
আল্হামদুলিল্লাহ,আল্লাহ যখন খুশি হোন তখন বৃষ্টি বর্ষন করেন!
আমার খুব মনে পরে যখন হাফ প্যান্ট পরতাম তখন বৃষ্টিকে খুব উপভোগ করতাম।
বৃষ্টি হলেই কে শোনে কার কথা।
একদৌড়ে নেমে পরতাম বাড়ির বাইরে।
কাঁদায় লাফাতাম,একে অন্যকে ভেঁজাতাম।
গ্রামের মাটি ছিলো নরম,সেই নরম মাটিতে দৌড় দিয়ে Swip করতাম,অর্থাৎ পিছলে যেতাম।সবচেয়ে মজা লাগতো ফুটবল খেলতে,যতো জোরেই কিক মারিনা কেন ফুটবল এগোতো না,
ডিগবাজি খেতাম ভেজা সবুজ ঘাঁসের উপর আর বৃষ্টির পানিতে নিজেকে নিতাম মাখিয়ে,

আলোকলতার গল্প


আমার বিবাহিত জীবন চার বছরের, আর আমার স্বামীর বিবাহিত জীবন দশে পড়েছে। আমরা দু’জনই আগে একবার অন্যত্র বিয়ে করেছিলাম, ডিভোর্সও। দু’জনেই মাঝখানে কিছুদিনের জন্য সিঙ্গেল ছিলাম। আমার স্বামীর আগের পক্ষের সাত বছরের একটা ছেলে আছে, আমার কোনো সন্তান নেই। অবশ্য আমার স্বামীর যে একটা ছেলে আছে সেটা বিয়ের আগে আমাকে এবং আমার পরিবারকে সে বলে নি, এমনকি আমাদের বিয়ের পরও গোপন রেখেছিল। আমি জানতে পারি বিয়ের তিন মাসের মাথায় এক ছুটির দিনের দুপুরে, যখন আমার স্বামী মোবাইল বাসায় ফেলে রেখে সেলুনে গিয়েছিল চুল কাটাতে। তার মোবাইলে একটা ফোন এসেছিল, ফোনটা রিসিভ করে কানে ধরতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসে বাচ্চা ছেলের কণ্ঠ, ‘বাবা, আমাকে

অবেলার কাব্য


আজ জীবনের অবেলায় দাঁড়িয়ে সেই দিনগুলোর কথা বড়ই মনে পড়ে প্রিয়দা। ঘরে আমার ছেলে-বৌমা, একটা নাতনিও হয়েছে। কিন্তু মনেহয় এইতো সেদিন কলেজের অনুষ্ঠানে আমি আবৃত্তি করলাম, তুমি গান গাইলে। সেদিন বলেছিলে, আবৃত্তিটা গুরুত্ব সহকারে করতে। ঈশ্বরের কি ইচ্ছে দেখো, আজ আমি সংবাদ পাঠিকা।

বই: ঋত্বিক ঘটকের গল্প



ঋত্বিককুমার ঘটককে (১৯২৫-১৯৭৬) আমরা বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে জানি, অনেকেই তাকে খুব ভালবাসি। জীবনমুখী এই শিল্পীর জানা-বোঝার পরিধি এতোটাই বিস্তৃত যে তার অসংখ্য সৃষ্টিকর্মই তা প্রমাণ করে। শ্রেণি চেতনা, রাজনীতি ও সমাজ সচেতনতা, সমাজের প্রতি দায়বোধ, সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা স্রষ্টাকারী এই মানুষটার সিনেমা দেখে যেমন মুগ্ধ হই, তেমনই তার গল্প পড়েও মুগ্ধ হই।

সমাধিমন্দির


একটা রাতচরা পাখি ডানা ঝাপটে কদম গাছ থেকে উড়ে সমাধিমন্দিরের চূড়ার উপর দিয়ে দক্ষিণদিকে চলে গেল। কোথায় গেল কে জানে! হয়তো নতুন আবাসনের খোঁজে!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর