নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বুলবুল
  • জাকারিয়া হুসাইন
  • সৌরভ দাস
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

কবিতা

তোমার সৌন্দর্য


তুমি ইদানীং শীতকালগুলোর মতই নির্লিপ্ত, শান্ত, সাদা চাদর পড়া
কখনও কখনও তাই থুড়থুড়ে বুড়ি বলে বিভ্রম হয়।
গ্রাম্য কিশোরীর বাল্যবিবাহে ঝরে পড়া কান্নার মত
নিষ্পৃহ, নিঃস্পন্দ, অনেকটাই নিহত যেন
বুকের ভেতর কোন হৃদপিন্ড নেই।
কখনও ছিল না। একেবারে কিছুই ছিল না।
নো, নেভার, নাথিং!
তোমার ফাটা ঠোঁটে জোড়াতালি দেবার জন্যে পৃথিবীতে কোন সাম্যবাদী আর্দ্রতা রাজি নয় আর!
সরকারি ডাকপিয়ন কুয়াশার ভেতর পথ ভুলে যায় আবার!
যে চিঠি তোমাকে পাঠানো হয়েছিল
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রারম্ভে যে শান্তিচুক্তি গুলির বদলে ওড়াত কবুতর

হলুদ সন্ধ্যা


যদি সমগ্র আকাশটা হয়ে যেত খন্ড খন্ড তুলো
আমি জেনারেল হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলতাম,
আমার এখানে ক্ষত, ওখানে ক্ষত।
তুমি আকাশ দিয়ে ড্রেসিং করে দাও!
দুটো রাজহাঁস দিঘীর জলে সাঁতার কাটার সময়
জলের আয়নায় চেহারা দ্যাখে।
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর আয়না তোমার চোখ।
আমি তো রাজহাঁস না তুমি জানতে!
তারপরও কীভাবে আমাকে ফেলে শরতের মেঘের মত চলে গিয়ে
হেমন্ত আনালে?

জেগে উঠার গল্প - কাঙালী ফকির চাষী


একটু বড় হলাম যখন, বলত তখন মায়!
কাপড়-চোপড় ঠিক করে চল, নজর পড়বে গায়৷
তখনো ঠিক বুক গজায়নি, তবু মায়ের ভয়!
মায়ে বলতো মেয়েরে তোর, সামলে চলতে হয়৷
মায়ের কথা বুঝিনি ঠিক! পাড়ার ছেলের দল
গায়ে পড়ে বলতো কথা, চোখে খেলতো ছল৷
যখন আমার বুক গজালো, ডাঙ্গর গতর গায়
নিষেধ হলো বেড়ে দ্বিগুন, ভয়ে থাকত মায়!!
হাঁটতে পথে পান্ডা ছেলের, চোখ খেলত নেশা
এদিক ওদিক তাকানোটাই, রোজ যাদের পেশা৷
মুখে থাকত লজ্জা আমার, বুকে থাকত ভয়!!
মায়ের বাড়ন মাইয়া মাইনষের, চুপ থাকিতে হয়৷
স্নানের বেলা পুকুর ঘাটে, মারত চোখ উঁকি
লজ্জা আমার সাড়া গায়ে, ঘোর লজ্জামুখি৷

হে ধার্মিক বোকা মানুষ!!



এত দারিদ্রতার মাঝেও কিছু বোকা মানুষ ধর্ম নিয়ে পড়ে থাকে। আহারে ধার্মিকরা তোমরা কেন এত বোকা? একটু চক্ষু মেলিয়া পৃথিবীটাকে দেখলেই সব বুঝতে পারবে। ধর্ম ছাড়া এই পৃথিবীটা কত সুন্দর।

একটু বোঝার চেষ্টা কর হে বোকা ধার্মিকরা। ঈশ্বরের কোন ক্ষমতা নেই। ঈশ্বর বলতে কিছুই নেই। মানুষই ঈশ্বরকে টিকিয়ে রেখেছে হাজার বছর ধরে।

মনে থাকবে ।। আর‍ণ্যক বসু।


পরের জন্মে বয়স যখন ষোলোই সঠিক
আমরা তখন প্রেমে পড়বো
মনে থাকবে?

বুকের মধ্যে মস্তো বড় ছাদ থাকবে
শীতলপাটি বিছিয়ে দেব;
সন্ধে হলে বসবো দু’জন।
একটা দুটো খসবে তারা
হঠাৎ তোমার চোখের পাতায় তারার চোখের জল গড়াবে,
কান্ত কবির গান গাইবে
তখন আমি চুপটি ক’রে দুচোখ ভ’রে থাকবো চেয়ে…
মনে থাকবে?

শান্ত ব্লগার


1.
কেউ চাচ্ছে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠে শৃঙ্গে চড়ার
কেউবা কাঁপছে ভয়ে আবার সিংহাসনটা চুরি হওয়ার।।

আসাদ নূর জেলে পচুক মরছে নাহয় আরও মরুক,
লুকিয়ে থাকা নাস্তিকেরা পুড়ছে নাহয় আরও পুড়োক।
অভিজিতের রক্ত গেছে বাবু ভাইয়ের মুখও চেনা,
আমিতো ভাই মুক্তমনা না আছে কারও রক্তের দেনা।

কে করেছে, কি করেছে কার নামটা আগে আসছে,
যার জন্য এতো কিছু সেতো ভাই জেলে পুড়ছে।।

2.
আমিতো ভাই শান্ত ব্লগার দল করি না কোন,
অনন্ত নীলয় চলে যাওয়ায় দুঃখ হয়েছে ক্ষীণ।
চলছে চলুক আরও চলুক আমার তাতে কি?
জীবনটাকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি।

অবধারিত সত্য


আসলে কি জানো কিছু পথ থাকে খুউ কন্টকাকীর্ণ, তবু আমরা সেই পথ হাঁটি, অন্তরের বিবেক বলে হেঁটোনা, কিন্তু আবেগ হারিয়ে দেয় বিবেক কে, মায়ার বাঁধন কাটা যায় কি?
-- আরো শক্ত করে আমার হাত ধরো, তোমার আমার হাতের কোনো রেখাই না থাকুক, ভাগ্য আমাদের যাই দেখাক, আমরা আমাদের কষ্টই আমাদের মানব জীবনের পরম আনন্দ।

শিল্পীর স্মরণে


ভালোবাসতে ভালোবাসি তোমায়,
বিচ্ছেদে পরিপূর্ণতা পায়।
মিশে ছিলাম পরস্পরের বাহুবন্ধনে,
ওষ্ঠে ওষ্ঠ রেখে গ্রহণ করেছিলাম অমৃতের স্বাদ,
পেয়েছিলাম আমরা নতুন জীবনের পরিপূর্ণতা।

প্রথাগত জীবনে নতি স্বীকার করে
হারিয়ে গেলে জীবনকে অপূর্ণ শূন্যতায় ভরিয়ে।
বিচ্ছেদ ঘটালে আমাদের বাহু বন্ধনের,
ছাড়িয়ে নিলে তোমার ওষ্ঠ আর অধর,
ক্ষণিকের ব্যবধানে অমৃত মনে হতে লাগলো বিষাক্ত বিষ,
পান করতে থাকি,
নিলাভ নীল হয়ে এসেছে শরীর।
ভেবো না আমার প্রস্থানে তোমার মুক্তি,
অথবা তোমার দুরত্বে আমার বিস্মৃতি।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ : একজন দ্রোহ ও প্রেমের ফেরিওয়ালা


ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখোর মতো অসম্ভব সুন্দর আর জনপ্রিয় গান লিখেছেন। গানের দল গড়েছেন অন্তর বাজাও নামে। শেষ জীবনে ফিল্ম বানাতে চেয়েছিলেন। মৃত্যু ঠেকিয়ে দিলো। ভীষণ এক খামখেয়ালীর জীবন ছিলো তাঁর। পারিবারিক স্বচ্ছলতা ছিলো, সেপথে যাননি। চাকরির প্রাতিষ্ঠানিকতায় বাঁধেননি নিজেকে। কয়েকটা রিক্সা ছিলো, তা থেকে আয় হতো, তাতেই চলতেন। ঠিকাদারী করেছেন, চিঙড়ির খামার করেছেন।

জীবন নিয়ে রুদ্র যতো হেলাফেলাই করুক, কবিতা নিয়ে কখনো করেননি। কবিতায় তিনি সুস্থ ছিলেন, নিষ্ঠ ছিলেন, স্বপ্নময় ছিলেন।

তাঁর উচ্চারন ছিল সুউচ্চ। তেমনি তাঁর কবিতার ভাষাতেও
রয়েছে আপন আদর্শের প্রতিচ্ছবি।

কবি এবং প্রেমিকারা


স্বর্গের পানশালায় এক কবির সাথে দ্যাখা হল।
তিনি ইতোমধ্যে তিন প্যাক শেষ করে চতুর্থটি ধরেছেন।
তার হাতের গ্লাসটি রূপোর মত চকচক করছিল।
আমি বললাম, আপনি পৃথিবীতে কি কি ভাল কাজ করেছেন?
কবি প্রথমে মুচকি হাসলেন।
তারপর শব্দ করে হাসলেন খানিকক্ষণ।
ঠিক তখন
একটা পাপিয়া মাথার ওপর দিয়ে উড়ে চলে গেল।
তার পায়ে নখ ছিল না কারণ
স্বর্গে শিকারের প্রয়োজন হয় না।
কবি ঢেকুর তুলে বললেন, পৃথিবীটাকে আমি আস্ত কবিতা বানিয়ে ফেলেছিলাম।
ঈশ্বর আমার কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন।
আমি বললাম, পৃথিবীতে কি কেবল একজনই কবি ছিল?

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর