নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ফারুক হায়দার চৌধুরী
  • নরসুন্দর মানুষ
  • শিকারী
  • ফারজানা সুমনা
  • নুর নবী দুলাল
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • মওদুদ তন্ময়
  • অজল দেওয়ান

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

কবিতা

শিলালিপি


ভজনালয়ে প্রভু নাই


কবিতাঃ
ভজনালয়ে প্রভু নাই

মিঠুন রাজ

মন্দিরে মসজিদে কত অর্থের ছড়াছড়ি
ওহে বিত্তশালী ঈমানদার মহা পুণ্যকারী,
চক্ষু খুলিয়া দেখো কত আদম সন্তান
মাথার উপরে নাই কোন ছাউনি
আছে বিশাল এক উন্মুক্ত আসমান;
ওরা নাহি পায় খানা নাহি পায় পানি।

জান্নাত-স্বর্গ পাইবার অভিলাষে
মোল্লা পুরুতের পকেট ভরিছো
জড়ের মুখে ভোগ ঠেলিছো,
করিছো না বুঝিয়াই তা মহা উল্লাসে
বুঝিলেনা তুমি স্বর্গতুল্য সুখ আছে,
যদি নিপীড়িত মানুষগুলো হাসে।

হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি


হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি
-----------------------

এখন আমার চোখের সামনে ভাসছে একটিই লাশ,
রোমেল চাকমার পোঁড়া লাশ!
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত আদিবাসী মানুষের অব্যক্ত কষ্ট দেখছি
আমি জম্ম থেকেই
যেখানে আদিবাসী মানুষদের কুকুর-বেড়ালের মতো মারা হয়
যেখানে আদিবাসী মেয়েদের সেনাবাহিনী আর বাঙালী সেটেলাররা মিলেমিশে গনধর্ষন করে!
যেখানে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরা পাহাড়ের আদিবাসীদের বুকে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে শাসিয়ে রাখে!
যেখানে আদিবাসীদের পৈতৃক ভুমি মুসলমান সেটেলার আর বাংলাদেশী সেনাবাহিনীরা ভুমিদুস্যের মতো দখল করে নেয়।

লেনিন


জন্মদিনে উপহার দেবো বলে আমি কিছু খুঁজছিলাম
ফুল
পানি
কাস্তে
হাতুড়ি
লালপতাকা
জাগো জাগো সর্বহারা

শেষ পর্যন্ত আমি এই ছবিটাই পেলাম লেনিন

বিপ্লব দীর্ঘজীবী হয়েছে
রাশিয়ায়
দীর্ঘজীবী হতে হতে কয়েক টুকরো হয়ে গেছে
ফ্রিডম এন্ড ডেমোক্রেসি
অর্থাৎ
হ্যামবার্গার আর পর্নোগ্রাফি
পেয়েছে পূর্ব ইওরোপ ও নয়া রাশিয়ার নাগরিকগণ

রমেলকে


তোমার চোখের অসুখে যতোটুকু আলো ছিল রমেল
ততো আলো নেই
ওদের অই উচ্চাঙ্গ উৎসবে ভরে থাকা স্টেডিয়ামেও

পেট্রোলে পুড়ে যাওয়ার সময় তোমার মৃতদেহ কি
বাবা বা বোনের স্পর্শ চেয়েছিলো শেষবার, আমি
সে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বিব্রত করবো না

আমি জানতে চাই না তোমার মায়ের নামও

আঁধার


দিকে দিকে বড়ই অন্ধকার
ক্ষণজন্মা যারা দিপ হাতে
দূর করছিলো অন্ধকার
তারা আজ ঘাতকদের
ঘাতে চূর্ণ-বিদীর্ণ।

দিপ তাই নিভে গেছে
ঘন অন্ধকারের অন্তরালে
নিভে গেছে দিপ
উন্মাদ সমীরের ঝাপটায়।

শকুনের দল থাবা মেলেছে আবার
শুদ্ধ চিন্তার উপর তাই আঘাত
নেমে এসেছে দুর্নিবার
তাই রূপোলী আলোর চাঁদ
রাহুগ্রাসে -- অন্ধকারের অন্তরালে।
কুরঙা কুন্তলে ঢাকা পড়েছে
রমণীয় মুখাবয়ব।

এ অন্ধকারের সর্বগ্রাসী ক্ষুধা
সোল্লাসে গিলে ফেলছে
সুন্দরের সমূহ সম্ভবনাকে।

"মা সমাচার"


আমার কবিতাঃ

"মা সমাচার"

মিঠুন রাজ

গিন্নিবিবি বসে আছে
মুখটি কালো করে
সকালবেলা সেই যে গেল-
সাঁঝ গড়িয়ে রাত্রী হলো
আহাম্মকটা আসছে নাতো ফিরে।

কলিংবেলের শব্দ পেয়ে
কাজের মেয়ে দৌড়ে গিয়ে
দরজা খুলে দিলো-
এতবেলা পরে বুঝি
আসার সময় হলো?

গণবালা


অপ্সরী নও তুমি, মানবী ;
তবুও তোমায় পেয়ে, মনে হয়
স্বর্গের তান খুঁজে পেলো পৃথিবী!
সে পৃথিবী আমার? নাকি
আরো অনেকের; সে প্রশ্নের
চাই না মীমাংসা।
জানি, তোমায় মাপে সবাই
তোমার বৃত্তির মাপে--
গণবালা, তোমায় ভালোবাসলে
দোষ দেয়, সবাই---
তাকায় ঘৃণার চোখে।
কিন্তু, ওরাও তোমায় ভালোবাসিতে চায়।
নইলে কিসের ঈর্ষায় পুড়ে ভস্মভরা মনে
ছড়ায় ঘৃণা। পাবার আকাঙ্ক্ষায় তো
প্রবল উষ্মতায় ঘৃণার বাষ্পও ছড়ায়।
আবার, ওরাই মানবপ্রেমের গলিত শব
বয়ে যায় কাঁধে মানবতার ফসিল হয়ে।।

আঘাত


তুমি এ পাথরে লালিত্য মাখাও প্রিয়---
দেখবো তাতে কী হয়!

তবে, আমি চললাম
আঘাতেই ভাঙবো স্থবিরতা।
পাথর চূর্ণ না হলে
সময়ের চঞ্চল বায়ুও
পারে না গড়াতে তারে।

এ সমাজ পাথর যখন
তখন আমাতে লাবণ্য খুঁজো না।
আর আমি
নেই সে কোমল প্রেমিক
আজ আমি উদ্ধত অকপট
বাণীর আঘাতেই ভালোবেসে যাবো।

কোমল স্পর্শে পাথর হয় না সুন্দর
ওখানে ছেনির আঘাত চাই।

আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই


আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই,
পতনে নেই জনৈকা বিবি হাওয়ার কারসাজি...

এইসব প্রাক-কথন আপাতত অলিখিত থাক,
বর্তমানে বাঁচি, তাই যা হতে দিতে চাই বা হতে পারে-
সেটা লিখে যাওয়াতেই দেয়া যাক বিশেষ প্রাধিকার।

গল্পের এই অধ্যায়ে এখন গ্রীষ্মের দুপুর,
যখন বাগানের হাস্নাহেনার মৃদু সুবাস আরও ফিকে লাগে!
যদিও হাস্নাহেনার ঝোপে আজকাল সাপখোপ থাকেনা;
তবু ধরে নেয়া যাক এক আজাদাহাই লুকোনো সেখানে,
উত্তাপ এবং আর্দ্রতা বেশি বলে খুব বেশি নড়ছে না,
তবে আশেপাশেই তার নিশ্চিত অবস্থান...

গল্পে আগে বলিনি, কেউ জানে না যে-
তার প্রতি আমার গভীর অনুরাগ, আকর্ষণ বেশ অকল্পনীয়,
আর সে আবেগ সম্পর্কে অনবগত বলেই মারাত্মক হিংস্র!

আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য!
আমার আরাধ্য আজাদাহা অবশ্যই স্ত্রী লিঙ্গ, যেহেতু গল্পই-
তাই মানব দেহধারী ও আজাদাহা নারীর সম্পর্কও অসম্ভব নয়।
আমি এই পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলতে বেছে নিতে পারি সেই উক্তি,
"জীবে দয়া করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর!"
আমি নিজেকে দয়া করতে চেয়ে বসেছি সহিংস তাকেই, বুঝিয়েছি নিজেকে,
তার এই হিংস্র আচরণ নিতান্তই আবেগ সম্পর্কে অজ্ঞতাপ্রসুত।
প্রেম কি দয়ার মহৎতম রূপ নয়?

আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই,
পতনে নেই জনৈকা বিবি হাওয়ার কারসাজি...
আমার গল্পের আমি আদম লোভ করে বসেছি সেই আজাদাহা হাওয়ার,
সুযোগ পেলে আদমেও যার লোভ, স্বভাবসুলভ; অন্য কারসাজি নেই...

আমার গল্পের রচয়িতা আমি, কাহিনি অসমাপ্ত...

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর