নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

কবিতা

ভিতরের সত্ত্বা ফাঁসি দাও


নামাজ পড়ে না এক ওয়াক্ত
অথচ রোহিঙ্গা নিয়ে বাঙ্গালী মুসলিম ব্যস্ত,
হিন্দুস্থানে মুসলিম চল্লিশ কোটি
বৌদ্ধেরও জন্মভূমি বাংলার মাটি,
তবে যদি বৌদ্ধরা বিতাড়িত হয়
তাহলে হিন্দুস্থানে কেন মুসলিম রয়!
দু'কোটি হিন্দু বাঙ্গালী নির্যাতনের স্বীকার
আশ্রয় দেয় ভারত সরকার,
তখনতো মুসলিম পাঠায়নি
তবে কেন অবুঝের মত জঙ্গী বাণী!
মা-বাবা, ভাই-বোন, পাড়া-পড়শির নেয় না খবর
কিন্তু ত্রান উঠিয়ে কক্সবাজার রঙো সফর,
হায়রে বাঙ্গালীর ভন্ডামি দরদ
আর কতকাল অন্ধ মরদ!
বাংলাদেশের মুসলিম কেন করে ধর্ষণ
মুসলিম কেন হয় খুন

নেটের মেয়ে


ফিমেল নামে আইডি খোলা পিপিটা তার ডল,
যায় না বোঝা আইডিখানা রিয়েল নাকি ছল!
একটা এমন আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পেয়ে,
বুঝে নিলো আবুল মিয়া সে খুব ভদ্র মেয়ে!
-
তাইতো আবুল ভাবনা ছাড়াই রিকু গ্রহণ করে,
আবুল এখন টপেই আছে! আর কে তাকে ধরে!
সেই রাতে সে আইডি থেকে মেসেজ আসে "হ্যালো",
মেসেজ পেয়ে আবুল মিয়ার ঘুম পালিয়ে গেল!
-
রাত্রি ধরে চলল চ্যাটিং কথা হলো বেশ,
তবু কথা শেষ হলো না রাত্রি হলো শেষ!
চ্যাটিং করা চলতে থাকে রাত্রি এবং দিন,
আবুল মিয়ার মনে সদাই বাজে খুশির বীণ!
-
দিন হতে দিন আবুল মিয়ার দুর্বলতা বাড়ে,

একজন শরনার্থী শিশুর আর্তনাদ


আমি বঙ্গোপসাগরে ভেসে যাওয়া রোহিঙ্গা শিশু
এবার মৃত্যু বিভীষিকায় মুখোমুখি হতে চাই
বিশ্বের সকল রাষ্ট্র প্রধানের-
চোখে চোখ রেখে বলতে চাই
আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন।

আমারও জন্ম হয়েছিল একটি দেশে,-
আমার জন্যও মায়ের কোল ছিল, বাবার ঘর ছিল
ছিল পলিমাটি, সবুজ শস্য ক্ষেত-
ছিল হাজার বছরের ইতিহাস, বংশ পরিচয়।

সব কিছু জ্বলে গেছে আজ-
স্বপ্ন, সম্ভাবনা, ভবিষ্যত যা কিছু ছিল
সব পুড়ে পুড়ে শেষ
পোড়ামাটি ছাড়া আর কিছুই নেই।

বিষাক্ত প্রলাপ


“আকাশটাই যতসব নষ্টামির মুল,
ওর বুকে মেঘ জমলেই
আমারও খুব ইচ্ছে করে
সদর দরজার চৌকাঠ মারিয়ে
দূরের মাঠের বৈরাগী হয়ে যেতে ,
ঝড়ো বাতাসের ডানায় চড়ে
ঈশাণকোণে হারিয়ে যেতেও ইচ্ছে করে খুব ।
এমন ইচ্ছেও উঁকি দিয়ে যায় -
বজ্র হয়ে নেমে এসে
মুহূর্তের ঝলকানিতে নিঃশেষ করে দিই
ধর্মষাঁড়ের পোক্ত স্তম্ভটা ;
সমস্ত পাপ যেখানে ধর্মের আবরনের গায়ে
‘পরম-পবিত্র’ সেজে বসে আছে !অথচ
আজও আমি ঘরবন্দী প্রাণিমাত্র
হয়ে বসে আছি;
ওদিকে হারিয়ে গেছে অনাদরে হিজল-তমাল
শুনেছি এখন আর বিলে-ঝিলে শাপলা ফোটে না ,

স্মৃতিরা একা এখন


স্মৃতিরা একা এখন
সুলতানা রিজু

অভিজিৎ দা,আপনাকে


অভিজিৎ দা,
আপনি চলে যাবার পর
আরো বেশি করে আপনাকে কাছে পেয়েছি;
আপনার রক্তের প্লবতা
আমাকে এখনও ভাসিয়ে রাখে
মুক্তির নেশায়,
আপনার স্বপ্ন
নিয়তই আলোড়িত হয় -
আমার স্নায়ুর উত্তেজনায়।

দাদা, আমার অনুবীক্ষণেও
বিশ্বাসের ভাইরাস ধরা পড়ে;
অবিশ্বাসের দর্শন আমিও বুঝি;
প্রাণের রহস্য খুজতে গিয়ে -
রসায়নের দারুন জটিলতা আয়ত্বে আনি;
শূন্য থেকে পা বাড়াই মহাবিশ্বের প্রান্তরে-

দাদা, ভিতরে ভিতরে
খুব গভীরভাবে অনুভব করি -আপনাকে।

বিবেক কথা বলে!


কবুল হজ্জ্বের হয়গো সওয়াব
বাবা মায়ের প্রতি,
এক চাহুনি নেক নজরে
হাদিস বলে সত্যি!
তাই তো আমি যাই ছুটে যাই
সময়ে পেলে ক্ষীণ,
সালাম করি তাকিয়ে থাকি
যাদের কাছে চীরঋণ।
ভুলবো না’কো বাবা-মা গো
বাঁচবো যতো দিন,
করছো লালন করছো বারণ
যখন ছিলাম অবুঝ খোকা
আমি বুদ্ধিহীন।

শ্রদ্ধায় নত হয় যে মাথা
শুনলে মায়ের কথা।
কারন মা যে চোঁখের মণি
জান্নাতেরই ছাতা,
মায়ের প্রতি আসলে আঘাত
হিংস্র হয় গো মন,
তীব্র রাগে ক্ষিপ্ত মেজাজ
হোক না সে যেই জন।

কবিতাঃ বুকে লোম নাই আমার!


আমাকে অবিশ্বাস করো, বুকে লোম নাই আমার!

মংডু শহরে যেই প্রতিবেশী ছিল তার গায়ের রঙ হলুদ!
অগ্নিকে সে কেবল উনুনেই দেখেছে, গায়ে মাখে নাই,
গুলির শব্দ শুনেছে অজস্র, গুলি বিঁধে নাই তার গায়ে;
আমি তার নোবেলজয়ী অন্ধ মাকে কীভাবে বোঝাই-
আগুনে শরীর কেমন জ্বলে, কতটা বিঁধে তপ্ত সীসা?

ত্বক পুড়ে কালো, আমাকে ঘৃণা করো, মানুষ নাই আমি!
আমাকে ভয় করো, আগুনে পুড়েছে আমার সমস্ত বুক!

আমার জানা, এই দগ্ধ বুকে একটা লোমও নাই এখন!
খুবলে দ্যাখো তোমাদেরও মানবতার মানসকন্যা মাতার বুক,
দ্যাখো সেখানে কত লোম, বোঝো গরিলা তিনি; না হাঙর মাছ...

ওদের জন্য দু'টুকরো বেদনা


'যেভাবেই হোক মুক্তি চাই, আমরা রোহিঙ্গা'
পুনর্বাসনের হাহাকার শুনে শুনে পঁচছে কান
অথচ মানবিকতার স্থানটি খোলা করোটির মতো
পড়ে আছে এখনও—

কাঁটাতারে ঝোলা ছিলো আমাদের বোন, ফেলানী
আর বালুচরে চাপা পড়া আইনাল, ছোট্ট শিশুটি
চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমাদের
অকর্মণ্যতা, অনুভূতিহীন পাশবিককর্ম—

বোধের উদয় হলে রাজনীতি, কূটনীতি কদাচিৎ
নাফ নদী কি ভরে যাবে হাড়ে আর মাংসে?
যতদূর দেখি শুধু লাশের স্রোতোবহা, যেন এসব
আমাদেরি নির্লিপ্ততার ফসল—

রেললাইন ও অন্তর্বাস বিষয়ক


ভোররাতে আমি বিছানায় লাফিয়ে উঠি; গতরাতের অন্তর্বাসে জানালার কাঁচ মুছে ফেলে আমি দূরে তাকাই; আমি একটি প্রাগৈতিহাসিক সরীসৃপ দেখি; সরীসৃপের সমান্তরাল স্তন পিষে ফেলে ছুটে যায়; একটি অতিকায় রেলগাড়ি; রেলগাড়ি যেমন ঢিমেতালে চলে তেমনটা আমার অনুভব হয় না; আমি আকাশ থেকে নেমে আসি; পায়ের নিচে; অনেক দূরে পর্যন্ত বেদনা গ্রাম; সবুজ বেদনার গ্রাম; সেই বাতিগুলোই জ্বলছে যাদের একটু পরেই নিভে যাবার কথা থাকে; অনন্ত প্রদীপ নিভে গিয়ে জেগে যাবে ঘুমন্ত মানুষ; কিছু অদ্ভুত মানুষ; কিছু অন্তর্যামী মা জেগে উঠবে; কিছু ক্লান্ত বউ জেগে উঠবে; রক্তের দাগ লুকিয়ে কেউ কেউ ডুবে যাবে অতল জলে; আমি জানি সরীসৃপের লেজের আড়ালে আছ

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর