নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজিব আহমেদ
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আমি অথবা অন্য কেউ

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

কবিতা

আমি ধার্মিকতা দেখেছি


আমি ধার্মিকতা দেখছি
হন্তারকের মাঝে
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
উন্মত্ত ধর্মান্ধের মাঝে।
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
নিষ্ঠুরদের নিষ্ঠুরতায়;
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
চোর,লোভী ও নীচেদের মাঝে।
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
ক্রোধ-চণ্ডাল বর্বরের মাঝে।
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
অন্ধ অনুকারকের বিকৃত বাসনার ভিতরে।
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
কপটের কাপট্যে।
আমি ধার্মিকতা দেখেছি
যতো হীন নীচ আর নিকৃষ্টদের মাঝেও।

কবি


উর্ব্বসী, অপ্সরা তোমরা চলে এসো
আমার কল্পস্বর্গলোকে
কোন স্বর্গে নটীর দাসত্বে
নিজেরে করিছো ছলনা।

মর্ত্যের ললনা হয়ে ছুটে আসো
সিক্ত করো নিজেরে প্রেমের পুষ্পজলে
আজ এখানে অবিরাম
কবিতার বৃষ্টি নামে
করবো তোমার রূপের বন্দনা।

খুঁজবো না কোনো
মন্দাকিনী মন্থরা
চাই না শোভিত নন্দন কানন
তিয়াসাতে অমৃত নয়
তম অধরে তারে- দিবো শান্তনা।

কোনো ইন্দ্রের আজ্ঞাতে নয়
ভয়হীন হৃদয় নাচে যদি পুলকে
প্রেমালোকে ভাসাও তারে
নিজেরে আর না করো বঞ্চনা।

ভালোবাসি বলে


আমি এখনও জ্যোৎস্নার আমন্ত্রণ উপেক্ষা করি না
গুমোট অন্ধকারেও তার সুবাস খুঁজে যাই
আমি এখনও অসাড় আবেগে নিজেকে হত্যা করি নি
বুঝি নিজেকে কিছুটা হলেও ভালোবাসি বলে।

আমি এখনও সাধ ও সাধ্যের হিসেব কষি
নিঃশেষ করতে পারি না অন্তরাত্মার আকুতি
ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারি না বৃন্তচ্যুত স্বপ্নকুসুম
বুঝি নিজেকে কিছুটা হলেও ভালোবাসি বলে।

আমি এখনও স্বপ্নজাল ছিন্ন করি নি
সম্ভোগে শূন্য করতে পারি না আকাঙ্ক্ষাগুলো
ক্ষ্যাপার মতো বৈরাগ্য খুঁজি না প্রবল আগ্রহে
বুঝি নিজেকে কিছুটা হলেও ভালোবাসি বলে।

অন্ধকারে


কে আর বাঁচায় রূপের খাঁচায় বন্দী যখন মন
খেলার ছলে যাবে খেলে বুঝবি নাকো
তফাত কিসে - জীবন আর মরণ।।

নয়ন বানে বজ্র হানে ভাবিস আলোক বাতি
খেলার শেষে ফকির বেশে ঘুচবে যে ভ্রম
বুঝবি তখন নেইকো দিবস- আঁধার কতো রাতি।।

বর্ণছটা রূপের ঘটা অন্ধ করলো আঁখি
কানার কাছে -দাম কী আছে ? তুই যে কানা
এখন তোরে দিবে পাখি ফাঁকি।।

জীবন ঘাটে পাটে পাটে করলি সাজের খেলা
সাজ ফুরালো -এখন কালো - আলো খুঁজিস
দিনের শেষে অন্ধ বেশে -এই সাঁঝের বেলা।।

অভিমান ও তুমি


আর নয় লোবানগন্ধা ঘৃণা
নয় বুদ্ধিরিক্ত অভিমান

বস্ত্রবালিকার কাঁধে হাত রেখে
বলা নয়-- দুঃখ আমার দ্বিতীয় বন্ধু
প্রথম কে জানি না

তবু বিশ্বাস রেখো
বিশ্বাস করলে সুখে থাকা যায়--
নয়তোবা ঠকার ভয় থাকে না--
থাকে অবিশ্বাস।

থাকে ক্রোধমত্ত আত্মঘাত
কিন্তু আমার
এখনই শেষ নয়
কুসুম এখন কস্তুরী হতে চায়
গন্ধবকুল কোথা পাই।

আর তুমি
আদিম ক্ষুধায় ঊর্ণনাভ হয়ে আছো
প্রেমের কোনো স্থান নেই যেখানে
মিলন, অতঃপর মৃত্যুই সত্য সেখানে।

একদিন আমি


তুমি ভালোবাস না বলে -- ভেবো না
এ দুরান্তে নিজেরে বিলাপে বিপন্ন করি;
এখানে জগৎ বিশাল,-আকাশ দিগন্ত বিস্তৃত।

আপন আবেগ অনুরণে হারাবার নেই ভয় এখানে
সীমাহীন সুখের স্রোত বহে এই নদে
যা শুধু একা আমার নয়!
অসীম জনস্রোতে ভেসে ও মিশে
আর আমি একা নেই,- একাকার হয়ে গেছি
সবার সাথে।তবু মাঝেমাঝে উল্টো স্রোতে
চলি-- বদলে নতুন হবার তরে।

ব্যক্তির প্রেমাবেগ নিয়ে নয়
সমিষ্টির হৃদয় আজ এক করে
সবার সাথে বাঁচতে ও মরতে চাই;
একা থেকেও সবার হবার পথ
খুঁজে ফিরি -- সবার হওয়ার
উপায় শিখে নিতে চাই।

কবিতাঃ রানিয়ার বুক অলক্ষ্যেও ছুঁই নাই আমি


রানিয়ার রাঙা গালে আমি ওষ্ঠ ছুঁই নাই,
সেই ছুতোয় সে কাঁদে নাই শিউলি আড়ালে!
বিউলির ডালের মত সুঘ্রাণ তার লালাঝোলে-
আঙুল ডুবাইনি বলে তাকায়ওনি অভিমানে...

কোথাও কেউ অপেক্ষা করে নেই!


কোথাও কেউ অপেক্ষা করে নেই;
সকাল থেকে রেলষ্টেশনের একপাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম একা, হয়ত রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে কেউ নেমে এসে বলবে, আপনি কি আমার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন?
কিন্তু কোথাও কেউ অপেক্ষা করে নেই!

আজও আমার সমস্ত সৃষ্টিগুলো কেবলই খোয়াড়ে বাঁধা মুরগীর ডিমের মত বন্ধ্যা; সিদ্ধ, ভাজা অথবা রান্না ছাড়া এ ডিম সৃষ্টি করেনা কিছুই; তারপরেও একপেয়ে বকের মত অপেক্ষায় আছি, কখন চন্ডিদাশের ছিপে উঠবে ১০ কেজি ওজনের একটা মাছ।
কিন্তু কোথাও কেউ অপেক্ষা করে নেই!

পুনর্জন্ম


এ কে আমায় ডাকছে
কে আমায় বলছে
তুই প্রবীণ থেকে প্রবীণতর
হয়ে যাচ্ছিস
হত্যা কর এ প্রবীণতাকে
নতুন 'হ'আবার--
কিন্তু পুনর্জন্মে আমার অবিশ্বাস
তাই - আত্মহননে -আত্মহত্যায়
নতুন সৃষ্টির কৌশল ভাবতে পারি না
জীর্ণতাকে ঝেড়ে - নতুন আমায়
খুঁজতে যাই না
জীর্ণ হতে জীর্ণতর হই প্রতিমুহূর্তে
কিন্তু,পুনর্জন্মে আমার অবিশ্বাস!
আমি রৌদ্র ও ছায়ার
মৌনতায় মৃত্যু ও মোহময়তায়
পুনর্জন্ম দেখেছি
তবুও আমার পুনর্জন্মে অবিশ্বাস!

বিষাদ-বিষ চাই


প্রেম নিতে নয়,বিষ নিতে এসেছি
বিষাদের বিষ;
অনন্ত পুষ্প বিথীকার মধ্য হতে
মন্থিত নির্যাসের মতো
কোনো সুক্ষ বিষ দাও আমায়;
তোমার সুখের কানন মন্থন করে
কিছু বিষ এনে দাও--।

বিষাদ ছাড়া, আমি আমাকে পাই না
স্বল্পাবেগী কবির মতো হাঁতড়ে মরি
ভাব ভাব করে,--আর বিষাদে পেলে
স্রীতজ ঢেউয়ে ভেসে আসে ভাব
মহান সৃষ্টিশীল হ'য়ে উঠি
সবেগে আসে কাব্যের স্রোতধারা
তাই-- কবি হতে হলে আমার--
বিষাদের বিষ প্রয়োজন।
কোনো অমৃত নহি বিষাদ-বিষ দাও।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর