নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

কবিতা

আমার বান্ধবীরা


আমার বান্ধবীরা প্রত্যেকেই গুণবতী এবং রূপবতী।
তারা এতোই গুণবতী যে তাদের পাশে বসলে আমাকে মুখরোচক অপদার্থ মনে হয়।
তারা এতোই রূপবতী যে তাদের পাশে বসলে আমাকে রপ্তানিযোগ্য কয়লা মনে হয়!

ধরণীশ্বর শুধু তাকিয়ে রয়


শোক শুকিয়ে গেছে,
অশ্রু লুকিয়ে আছে।
পাষণে বেধেছে বুক,
প্রাচুর্যে নাই সুখ।
ছল হয়েছে বল,
সত্য সাগরের তল।
ধরণীপতি দেখছেন অতি,
মিথ্যারঝুড়ি ওজনে রতি।
এ ভাবে হয় মনুষ্যত্বের ক্ষয়,
ধরণীশ্বর শুধু তাকিয়ে রয়।

কফিনভর্তি বারুদের নির্যাস


আমার জন্যে কয়েক বিলিয়ন কফিন জমা রেখো,প্রিয়তমা।
গোলাপের চাষ অলাভজনক হতে পারে-
পৃথিবীতে যুদ্ধ কখনো থেমে যাবে না।
বাতাসে বারুদ আর সীসা-রক্তের কালো দাগ দেখে যারা, তারাও একসময় পাহাড়ের স্বপ্ন দেখেন,
ফিরে যেতে চান ঘরে,
দ্যাখেন কমলা রোদে জমাট হয়ে আছে গরম পাথর-ফুলের ঘ্রাণ-
প্রেমিকার চুলের মতো আঁধার নেমে আসে যখন যুদ্ধের ডামাডোলে-
যখন রক্তে ভিজে আসে হাসপাতাল আর সাদা বেডসিট।

মহাকালের নগ্ন পাঠক


আমি পড়তে বসি ঊর্ধ্বাঙ্গ উদাম করে,
নীচে কেবল একটা সাদা-লাল গামছা…
আমি পড়তে বসে শুই
পড়তে বসে দাঁড়াই,
গামছার ইচ্ছাকৃত হালকা বাঁধন খুলে যায়
সব টের পাই, কিন্তু টের পাওয়াইনা ।
আমার চর্বিময় থল থলে পাঁকের মতন দেহ
ক্লান্ত হতে হতে ছাদে তাকায়
ল্যাপটপের অদৃশ্য বিকিরণে বুঁদ হয়ে থাকে সমগ্র চেতনা,
বামে কি-বোর্ড, ডাইনে খাতা ও কলম ।
সেলফি উঠেছি আজ, রক্তপানে ঢোল হওয়া জোঁকের মত
দেহ, এ দেহে কামনা জাগেনি কখনো কোন মানবের
এল, ই, ডি, আলোয় এই সেই দেহ, ঘামের নীলাভ গন্ধে
আমার সমস্ত জীবন ডুবে আছে,

কাল্পনিক মৃত্যু


নালার কাছে ভুঁড়িঅলা প্রাচীন মুচি
কাগজে তৈরি ডিমের কৃত্রিম খোসায় আগুন দিলে
মশারা পরিত্যাগ করে সে স্থান, অথবা,
গাড়ত্বে আড়াল করে আপন অস্তিত্ব । মেয়েটি বলল,
এটা শহর নয়, গ্রাম – আমি বিশ্বাস করলাম ।

মেয়েটার বান্ধবী বলল,
নারী পুরুষের কোনও তফাৎ করা চলবেনা – মেনে নিলাম ।
আকাশে এক ভবঘুরে এরোপ্লেন সুপারি গাছের মাইজ ভেঙ্গে
উড়ে গেল, হয়তো মহাকাশে, কিংবা মাটির তলে আমেরিকায়…
মুচিটি বললেন, এই ছেলে, জামা খোলো,
পিঠের চামড়া তুলবো, কম পড়ছে জুতোয় ।

কিরণ। (দ্বিতীয় পর্ব)


রিয়া’কে।
- সৌম্যজিৎ।

১৬)
বুকের ভিতর চিন চিন করে বেড়ে ওঠা যন্ত্রণাটা
আমায় জানান দিচ্ছে –
তুমি আমার নও, আমি তোমার নই ..
অথচ আমি আপাদমস্তক,
মনে, প্রাণে তোমারই থাকতে চেয়েছি,
থাকতে চাই।
তোমার কথাগুলি আমার কাছে –
বড্ড অবহেলিত অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে,
আমাকে ভেঙে লক্ষ – কোটি টুকরো করে দিচ্ছে অনায়াসে।
তোমার এই অবহেলা আমায় বলছে –
“যা। এবার তোর সময় এসে গেছে।
স্বেচ্ছা নির্বাসনের পথে মুক্তিকে খুঁজে নে।”

******************************************************

রিদমড


রিদমড
-সজল আহমেদ

ঘুমের শহরে কেউ কথা বলেনা
কথা বলেনা সেথা গাড়ি চলে না
.
গাড়ি চলেনা সেথা, গাড়ি চলে রোডে
গাড়ির পেছনে সবাই দল বেঁধে ছোটে
.
দলবেঁধে ছোটে সবে দলে দলে যায়
হেঁটে গেলে সকলের ঝিম ধরে পায়
.
ঝিম ধরে পায় যদি কেউ হেঁটে যায়
হেঁটে হেঁটে সেঁজুতি বেঁটে হয়ে যায়
.
বেঁটে হয়ে যেই সে ফুল ছুঁতে যায়
হাত ছিড়ে রক্ত গড়ায় কাঁটারো গুতায়
.
কাঁটার গুতায় যেই রক্ত তাঁর ঝরে

কিরণ।


"রিয়া'কে।"
সৌম্যজিৎ।

১)

মরুভূমির বালিয়াড়ি বিষাক্ত বিছেকে তুমি ধরে আছো ওই দু-চোখে,
তিল তিল করে বিষ চক্ষুদুটি দিয়ে দংশন করছ আমার চেতনা, হৃদয়।
শরীরের সমস্ত রক্ত জমাট বেঁধে গেছে,
শুকিয়ে ফ্যাকাসে নীল বর্ণ ধারন করছে গোটা শরীর।
আমি এখনও বেঁচে আছি, চেয়ে আছি একটিবার বলতে -
"ভালোবাসি।"

***************************

২)

অপেক্ষা


রাতে যখন ঘুমাতে যাই,

এক বুক হতাশা থাকে গোটা মনজুড়ে,

সারাদিনে রোজ একটু একটু করে হতাশাগুলো জমা হয়,

ফাঁকে ফাঁকে মনে হয় তুমি নেই, - তবু তুমি আছো,

হয়ত দূরে আছো,

তবু আছো আমার সাথে!

ওই যে রাতে যে একরাশ হতাশা নিয়ে ঘুমাতে যাই,

সেই হতাশার সাথে একটা আশাও মনের এক কোণে রোজ জন্ম নেয়,

রোজ ভাবি, "এই তো কাল সে সকাল হবে,

কাল সূর্যের সাথে আমি তোমাকে আমার মতো করে একটুখানি দেখবো,

তোমার কথা শুনবো,

আর শুনবো - তোমার মুখে একটু ভালোলাগা ভালোবাসাখানি!"

না।

শুনি না।

শুনতে পাই না।

"অগ্নি উৎস" তুমি তসলিমা নাসরিন।


সৌম্যজিৎ।

তোমার আপসহীন আগুন কত মানুষ দেখেছে!
পদে পদে তোমার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার, মৌলবী, ধর্মান্ধ ভক্ত।
যখন লড়েছ, ভয় তোমারও হয়েছে।
তুমি ভেবেছ, "এই বুঝি কেউ এসে আমার মুন্ডপাত করে।"
ভয় সবাই পায়। সেই ভয়তেও তুমি আপসহীন।
যত দেখি ততই মুগ্ধ হয়ে যাই,
শরীরের প্রতিটা লোম খাড়া হয়ে যায় যখন
তোমাকে বাংলা নির্বাসনের সময়গুলোতে অনুভব করি।
রক্তের মধ্যে গরম স্রোত বয়ে যায়।

অগ্নি কন্যাকে নতুন কি আর ভাষা দেবো!
যে নিজে জ্বলন্ত আগুন তাকে
ভাষার আগুনে উজ্বল করার ভাষা কম হয়ে যাবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর