নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুজন আরাফাত
  • অর্বাচীন উজবুক
  • নুরুন নেসা
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক
  • নাস্তিকের আত্মকথা
  • আবীর সমুদ্র
  • মূর্খ চাষা
  • নরসুন্দর মানুষ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র
  • গাজী নিষাদ
  • বেকার
  • আসিফ মহিউদ্দীন
  • সাধনা নস্কর

আপনি এখানে

কবিতা

প্রজন্মে একুশ


প্রজন্মে একুশ
আরে নাহ! আমি বায়ান্ন দেখব
কীভাবে?
আমার জন্মতো আরো অনেক পরে
আমার বাবা? হ্যাঁ, তিনি হয়তো
দেখে থাকবেন।
হ্যাঁ, শুনেছিই তো, কত্ত শুনেছি!
যুদ্ধ হয়েছিল সে সময়,
কয়েক লক্ষ লোক মারা গিয়েছিল
তারিখ? সম্ভবত ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৫২।
বাহঃ! মনে থাকবেনা?
এটা আমাদের গর্ব, আমাদের
অহংকার।
বীরশ্রেষ্ঠ রফিক, সালাম, কামাল
আরোও নাম না জানা কয়েক হাজার
ওদের কীভাবে ভুলি বলুন?
হ্যাঁ, প্রভাতফেরী হলো.....
ও হ্যাঁ, ঐদিন কতগুলো লোক কী যেন
একটা গান গায় সকালে।।
না, যাওয়া হয়না।

অর্জন


বলবনা কথা
বলিনিতো।
বাংগাল আমরা
শত বছর ধরে
বার বার শোষিত হয়েছি,
তবু আপন করেছি ভিনদেশীদের,
হয়েছি শংকর জাতি।

ধর্ম, বর্ণ সব কিছুতে মিশতে দিয়েছি,
এতটাই সহিষ্ঞু আমাদের রক্তধারা।
কিন্তু কত
কাহাতক আর সহ্য হয়?
দেশ বিভাগে
ধর্মকে বর্ম করে বনে গেলাম,
বাঙগালী থেকে পূর্ব পাকিস্তানী।
মানলাম সেও।

মুক্তবুদ্ধির স্রোত


হে আরণ্যিক নির্বোধের দল,
সময়ের স্বচ্ছ স্রোত আটকাতে চাও
আঁধার গুহা-উদ্ভূত প্রাচীন বিশ্বাসের বাঁধে --?

শোন,কী করে পারবে তোমরা তা-
আমরা এখন মানবপ্রেমের প্রবাহে
ব্যাকুল চিরবর্ষার মুক্ত ঢেউয়ে
ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চাই--সকল
প্রতিকূল অন্ধকারের বিপুল বিপন্নতাকে।
যতো-ই প্রতিক্রিয়াশীলতার
বিপরীত বাঁধে আটকাতে চাও তাকে।
মুক্তির উজ্জ্বল আলোয় পথ চলে যারা-
আঁধারের গুহামুখে লুকায়িত হিংস্রতার
ভয় নেই তাদের।

হনন জিঘাংসায় থামাতে পারবে না-
আলোর মিছিল, যতোই
রক্তে পিচ্ছিল করো এ পথ।

একুশের চেতনা


একুশের চেতনা
- মুন্না সন্দ্বীপী

একুশ তুমি ছোট্ট বাবুর বু বু শব্দ
একুশ তুমি বুকফাটা কান্নার বিংশ শতাব্দ,

একুশ তুমি মা'মা' বলার প্রথম ধ্বনি,
একুশ তুমি "মাতৃভাষা বাংলা চাই" একটাই বাণী।

একুশ তুমি শ্রীঘরে অভুক্ত রাত্রি,
বঙ্গবন্ধু আর মহিউদ্দিনের অন্ত পথের যাত্রী।

একুশ তুমি প্রভাত থেকে সায়াহ্ন অব্দি,
মায়ের ভাষায় কথা শুনা বাংলা বুলি।

লাল সালাম


আর কত নদী
মরে গেলে,
আর কতটুকু পানীয় জল
বিষাক্ত হলে,
বিস্তির্ন মাঠের সবুজ ঘাস
আর কত হলদে হলে,
আর কত পাখি
হারালে পৃথিবীর ঠিকানা,
আর কতটুকু বিবর্ন হলে
প্রজাপতির ডানা,
উন্নয়নের কৃষ্ণ-বিবরে
জলা-জমি হারিয়ে
আর কত মানুষ উদ্ধাস্তু হলে,
আর কত ঋণদাস
গলায় দড়ি দিলে,
ভাসমান বয়ার মত
আর কতটুকু স্ফিত হলে
পুষ্টিহীন শিশুর পেট,
মুক্তবাজারে একজন নারী
একরাতে ঠিক কতোবার
হাত বদল হলে,
আর কত কাশ্মীরি নারী
বিধবা হলে,
আর কত মনিপুরী নারী
বিবস্ত্র হলে,

বাঁচা মরা


কবিতা: বাঁচা মরা
লেখক: মিঠুন চন্দ্র দাস
--------------
কবিতা মরে না, মরে যায় কবি,
চিত্রগ্রাহক মরে গেলেও, বেঁচে থাকে ছবি।
পদ মরে না, মরে যায় পদকর্তা,
বক্তা মরে গেলেও, বেঁচে থাকে বক্তৃতা।
নাটক মরে না, মরে যায় কুশীলব,
শিশু মারা গেলেও, বেঁচে থাকে শৈশব।
ধর্ম মরেনা, মরে যায় ধার্মিক,
প্রেম বেঁচে থাকলেও, মরে যায় প্রেমিকা-প্রেমিক।
বাহিনী মরে না, মরে যায় সেনা,
স্বর্ণকার মারা গেলেও, বেঁচে থাকে সোনা।
মিত্রতা মরে না, মরে যায় মিত্র,
মিথ্যা মরে গেলেও, বেঁচে থাকে সত্য।
আত্মা মরে না, মরে যায় কায়া,

দেবতা-ঈশ্বর


দেবতায় বিশ্বাস উবে গেছে সেই কবেই
তবুও কিছু দেবতার দেখা পাই মাঝে মাঝে
কোনো দেবালয়ে নয়,দেবদূতেরা নিজেরে
গোপন করে সন্তর্পণে ঘোরে ফিরে
জনপদেই।আবার কিছু অসুরও দেখি
যারা গোপন করে না কিছুই,আসুরিক
আস্ফালনও নয়।

তবে কেউ দেবতাদের চিনে না,পূজে না,
পরম সাগ্রহে
অসুরই পূজিত হয় এখন বেশি।
'মানিক বাবু'র ঈশ্বরেরা, ছোটলোকপল্লী
সেই কবেই ছেড়েছে, এখন ভদ্রপল্লীতেও নেই,
জানোয়ারের জনারণ্যে লুকায়িত ভগবান
পেয়েছেন ঠাঁই।
গুণ্ডাদের প্রাসাদেই দেখি ওনার সরব উপস্থিতি।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭ তে আমার নিজের দুটো বই


ইস্টিশনে নিজের জন্যই এইরকম বিজ্ঞাপনমূলক পোস্ট দেয়া যায় নাকি আমি জানি না। তবে এই বইমেলায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ওপার বাংলার কবিতার একটা পুরোনো প্লাটফর্মের মত ইস্টিশনের অভিজ্ঞতারও প্রভাব অনেক। অনলাইনেই পরিচয় হওয়া বিশেষ একজন আবার অতি স্তুতিতে পারদর্শী। সবার লেখা পড়ে তার উচ্ছাস অন্যমাত্রার। তবে ব্যাপারটা ভালোই লাগে। সাহিত্যের জন্য কারো কারো এমন আবেগ, প্রবল উন্মাদনা থাকুক। হাজার হাজার কবিতা গল্পের বই বের হবে প্রতিবছর, এর মধ্যে হাতে গোনা দুই-একজন উঠে আসবে। কিন্তু বাকীদেরও প্রকাশের এই ফ্লো টা ধরে রাখা উচিত। বাংলা সাহিত্যে তাদের বেশিরভাগ বইয়ের সামান্যতম অবদান রাখবার মত কিছু হয়তো থাকবে না। কিন্তু সাহিত্যের প্রতি এই আবেগ, এই ভালোবাসাটা জরুরী।

বইমেলায় আমার দুট বই, "এন্ড দেন আই ডিসাইডেড টু..." এবং "এই অদ্ভুত নগরে আমার নিজের কোনো গল্প নেই"

একদিন বেশি বাঁচা মানে


একদিন বেশি বাচা মানে
আরেকটু টুথপেস্ট, শ্যাম্পু - সাবান
একদিন বেশি বাচা মানে
বাজারে বাজার দরে উঠানামা ভাসমান।
একদিন বেশি বাঁচা মানে
ডাক্তার বাবুর সহকারীর
হাতে পায়ে ধরা-
সিরিয়ালটা একটু আগায়ে দেন,
একদিন বেশি বাচা মানে
এই একমুঠো শাক, পচা বাসি
তুমুল দরকষাকষি,
দুটো টাকা কম নেন।
একদিন বেশি বাচা মানে
সাতসকালে জুতোয় তেল
কর্তাবাবুর সুমুখে মিনতি হাতজোড়,
একদিন বেশি বাচা মানে
সারাদিন সুখ সুখ
সুখ সমুদ্দুর বহুদূর বহুদূর।
একদিন বেশি বাচা মানে
ঘরে আসাও কাজ
তড়িঘড়ি আসেন

নাস্তিক্য আমার অহং কা র


দিকে দিকে এতো হত্যা,সন্ত্রাস,লুট
ডাকাতি তার ক'টা করেছে নাস্তিক?
নাস্তিক্য বিশ্বাস করে,ভালোবেসে
কতজন আস্তিককে হত্যা করলো তারা?
না।কোনো পরিসংখ্যানে,পার্সেন্টেসে
এ হিসাব আসবেনা।আর
আস্তিক ঈশ্বর এর কাছে প্রার্থনা করে
লুটের সু্যোগ চায়!হত্যার কৌশলের
জন্য ধ্যান করে।প্রতিপক্ষ নাস্তিককে
যুক্তিতে হারাতে না পেরে,বেছে নেয়
অস্ত্র;আর নাস্তিক কখনো কাউকেও
প্রতিপক্ষ মনে করে না।
আমি নাস্তিক হিসাবে কখনো চাপাতি হাতে
আল্লাহ্আকবর বলে ছুটে যবো না।
যাবো না নাস্তিক্য জিন্দাবাদ বলেও
কিংবা এও বলে নয়, জয় নাস্তিক্য।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর