নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • নরমপন্থী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

উপন্যাস

বই: ম্যাক্সিম গোর্কির ‘পৃথিবীর পথে’



রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কি (১৮৬৮-১৯৩৬), যার সাহিত্য সৃষ্টি আজো পৃথিবীর অগণিত মানুষকে আলোড়িত করে। মহান এই সাহিত্যিকের নিজের ছোটবেলাকার আত্মজীবনীমূলক ‘পৃথিবীর পথে’ বইটা নিয়ে কিছু বলতে চাই ক্ষুদ্র পাঠক হিসেবে। অনুবাদক সত্য গুপ্ত।

বই: শাহাদুজ্জামানের 'একজন কমলালেবু'



'মানুষটা মরে গেলে যদি তাকে ওষুধের শিশি
কেউ দেয়—বিনি দামে—তবে কার লাভ—'

বই: আলবেয়ার কামুর 'দি প্লেগ'



প্লেগ, একটা ভয়ঙ্কর রোগ। আর এই রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামকে গ্রাম, শহর উজার করে দেবার ক্ষমতা রাখে। প্লেগ আক্রান্ত একটি শহরে অবরুদ্ধ মানুষদের দুঃসহ সময়কে উপজীব্য করে লেখা আলবেয়ার কামুর একটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘দি প্লেগ (The Plague)’। কাজী মুজাম্মিল হকের অনুবাদে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে বইটা।

ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ- কৃষণ চন্দর


যখন নিরন্ধ্র অন্ধকার ছেয়ে গেল এবং একে একে নগরীর সকল জাগ্রত মানুষ মানুষ ঘুমিয়ে গেল আমি ভগবানকে বললাম, "তুমি এ ধরণের হত্যাকে যদি হজম করে নিতে না পার তাহলে তুমি কিসের ভগবান?"
তাহলে আমি কি? ভগবান বলল।

গাওয়াল (উপন্যাস: শেষ পর্ব)


ঘর অন্ধকার। লেপ গায়ে দিয়ে বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে আছে নীলু। সারা শরীরে ব্যথা, পুলিশের মারের ব্যথা উপশম না হতেই নাজিরদের পিটুনি খেয়ে শরীরে নতুন ব্যথার আগমন। বাঁ-পাশের চোয়াল আর নাকের পাঁটা ফুলে গেছে, ফুলে গেছে ঠোঁটও। কালচে হয়ে আছে আঘাতের জায়গাগুলো। বাম কাঁধটা ব্যথায় নাড়াতে পারছে না, বামদিকে কাত হয়ে শুতে গেলেই পাঁজরে ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। সেই ছেলেবেলায় ঠাকুমার শিখিয়ে দেওয়া ছড়া বলে অন্যপাড়ার ছেলেদের হাতে সে মার খেয়েছিল। তারপর বহুদিন সে কারো হাতে মার খায়নি। শারীরিক কারণেই হোক আর নরম স্বভাবের কারণেই হোক সে সবসময় ঝগড়া-গণ্ডগোল এড়িয়ে চলেছে। তাকে

গাওয়াল (উপন্যাস: পর্ব- সতেরো)



‘নীলুদা, নীলুদা....।’
হেমন্তের বিকেল। দুপুরের খাবার খেতে আজ বেশ দেরি হয়ে গেছে নীলুর। খেয়ে থালা-বাসন ধুয়ে সবেমাত্র ঘরে এসে ভাবলো বিছানায় একটু গড়িয়ে নেবে, এমন সময়ই বাইরে থেকে ডাকলো শোভন।

‘তুই কহন আসলি শোভ....।’ বলতে বলতে দরজার কাছে এসে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো নীলু, কথা শেষ করতে পারলো না।
তার হাঁ করা মুখের দিকে তাকিয়ে শোভন বললো, ‘একি তুমি এমন হাঁ করে তাকিয়ে আছো কেন! এরা আমাদের মতোই রক্ত মাংসের মানুষ। সবাই আমার বন্ধু। এসো পরিচয় করিয়ে দিই।’

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর