নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • মাইকেল অপু মন্ডল
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়
  • শাহনেওয়াজ রহমানী
  • জিহাতুল
  • আজহারুল ইসলাম
  • মোস্তাফিজুর রহম...
  • রিশাদ হাসান

আপনি এখানে

উপন্যাস

সহীহ মুসলমানের চেহারা (প্রথম পর্ব)


সে দেখতে লাগলো: তার চাচা অনেক সময় নিয়ে আজ নামাজআদায় করছে। তাইজুলের এবার সত্যি মনে হলো: সে হয়তো বড় কোনো বুজুর্গ হবে। সে তার চাচার প্রতি মনে আরও ভক্তিভাব আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে থাকে। আর সে মনে-মনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলো: বাঃ এমন একজন বুজুর্গলোক তিনি তাকে মিলিয়ে দিয়েছেন। সত্যি, আল্লাহ রহিম-রহমান!

‘শূয়রের বাচ্চা কখনও মানুষ হয় না’ (পর্ব—২)


বাজারের মসজিদের কাছ দিয়ে মতিনকে নিয়ে যাওয়ার সময় তা দেখে ফেলে নামাজের মোল্লা। সে তখন ছেলেদের উদ্দেশ্যে হাঁক দিয়ে কয়, “বাবারা, অনেক হইছে! এবার উনারে ছেড়ে দেন। উনি আলেম মানুষ! উনারে এমন করলে আপনাগরে গোনাহ হইতে পারে!”
মোল্লার কথা শুনে ছেলেগুলো হাসে। এরমধ্যে তোজাম্মেল আরও বেশি হাসে। সে মিয়াপাড়ার কাছে থাকে। আর লেখাপড়াও খানিকটা জানে। সে ইচ্ছাকৃতভাবে খ্যাক-খ্যাক করে হাসে আর বলে, “হুজুর বুঝি খুব গুনাহ মাপতে পারেন? তাইলে কন তো একাত্তর-সালে রাজাকারগরে কত গুনাহ হইছে?”
তোজাম্মেলের কথা শুনেও মোল্লা তা না-শোনার ভান করে দাঁড়িয়ে থাকে। সে জবাব দেওয়ার মতো কোনো কথা খুঁজে পায় না।
আগের পর্বের লিংক এখানে: https://istishon.com/?q=node/27123

অ্যান্ড দেন ইট হ্যাপেন্ড



জার্নিতে আমার কপাল বেশ ভাল। প্রায়ই পাশের সিটে সুন্দরী পাই। আমার এই সৌভাগ্য দেখে আপনি জেলাস ফিল করতে পারেন, তবে কথা সত্য। আমি আসলেই বেশ কপাল নিয়ে জন্মেছি। ইভেন ট্রেন জার্নিতেও এমনটা হয়েছে। দুবার তো গল্প গুজব বেশ রোমান্টিক চেহারা নিয়ে ফেলেছিল। তারপর? নাহ তারপর আর এগোয়নি। আর তাই, এখনও ব্যাচেলার। তবে এলিজেবল ব্যাচেলর।

‘শূয়রের বাচ্চা কখনও মানুষ হয় না’ (পর্ব—১)


শোভনের মনে হলো: মতিন হয়তো আর পড়ালেখা করে না। হয়তো সে কখনও-কোনোদিন ফাজিলশ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিলো এই আরকি। কারণ, এখন তার বয়স কমপক্ষে চল্লিশ-বিয়াল্লিশের কোঠায়! সে কীভাবে এখনও ফাজিলশ্রেণীতে পড়তে পারে? সে নিজের মান বাঁচাতে একেবারে মিথ্যা বলেছে। আর এরা তো জন্ম থেকেই মিথ্যা বলে আসছে। এদের শেখানোই হয়েছে মিথ্যাশিক্ষা। আর এই সামান্য পড়ালেখা দিয়েই সে গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে আলেম সেজে বসে ছিল!

দ্বিচক্রযান


দ্বিতীয় অংশ -
..
বাড়ি ফিরেই সাইকেল টা কোনোমতে রেখেই সোজা চিলেকোঠার ঘরে ছুটল অয়ন , মনটা বড্ড বিষিয়ে গেছে আজ ।এই চিলেকোঠার ঘরটা তার বড্ড আপন ,তার নিজস্ব একাকিত্বের পৃথিবী , রাগ-অভিমান,ভালোবাসা আর বিচিত্র কল্পনার সাক্ষী ও সঙ্গী । সিডি প্লেয়ারে একটা Sad Song চালিয়ে ভলিউম টা বাড়িয়ে দিয়ে জানলা দিয়ে দূরের নীল আকাশের দিকে উদাসীন চোখে তাকিয়ে আপন মনেই নিজেকে শুধোল অয়ন ,
" ও এরকম করতে পারল ? "
তাহলে কেনা মায়া মায়া চোখ নিয়ে তাকাতো আর কৌতুকপূর্ন মিষ্টি হাসিটা খেলে যেত ঠোটে !
অয়ন আপন মনে ভাবতে লাগল , তার এখনো বিশ্বাসই হচ্ছে না !

দ্বিচক্রযান


জোরসে ব্রেক টা চেপে বাইসাইকেল টা রীতিমতো ছুড়ে দিয়ে সুজয়কে রীতিমতো হাক পারল অয়ন.. "কিরে! সাজু ! চিঠি টা দিয়েছিস ওকে ? " ..
ছোটখাটো একটি টাউন , মফস্বল বলা চলে; পাড়ার মোড়ের আড্ডার রক , পাশ দিয়ে চওরা পিচ বাঁধানো রাস্তাটা একে বেঁকে হারিয়েছে,পাশেই একটি বিরাট আকারের বট গাছ তার বিশাল ডাল পালা নিয়ে ছোট্ট একটা ক্লাবঘর কে আশ্রয় দিয়েছে ,সব কিশোর থেকে যুবক ছেলেপিলের চাঁদের হাট , আড্ডা, কেরাম পেটানো, আর প্রথম সিগারেট থেকে প্রথম প্রেমের হাতেখড়ি এখান থেকেই ।
অয়নের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে , বুকটা হৃদস্পন্দনের ডামাডোলে ঝুমুর নাচ করছে .. ! উফঃ! আর সইছে না !

বই: অ্যাস্ত্রিদ লিন্দগ্রেনের 'পিপপি সিরিজ'



সুইডেনের সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখিকা অ্যাস্ত্রিদ লিন্দগ্রেনের (১৯০৭-২০০২) অনবদ্য একটা চরিত্র 'পিপপি লংস্টকিং'। সাধারণত আমরা দেশি-বিদেশি সাহিত্যে, রূপকথায় যে মেয়ে চরিত্রগুলোকে পাই, সেগুলো দুর্বল আর প্যানপ্যানে ধরনের হয়। সেখানে পিপপি নামের নয় বছরের এই বাচ্চা মেয়েটির চরিত্র এককদমই আলাদা রকমের।

বই: কাঁদিদ, ভলতেয়ারের একটি কালজয়ী উপন্যাস



ভলত্যার বা ভলতেয়ার (১৬৯৪-১৭৭৮)। এই নামেই তিনি এত পরিচিত যে তাঁর আসল বা পিতৃদত্ত নাম কেউ জানতেও চায় না। ফরাসি বিপ্লব ও ইউরোপীয় রেঁনেসার প্রাণ পুরুষ ভলতেয়ারের আসল নাম ঝাঁ-মারি আরুয়ে। ফরাসি এই লেখকের জীবন অনেক ঘটনাবহুল।

তাঁর বিখ্যাত একটি উপন্যাস 'কাঁদিদ' নিয়ে কিছু বলব। বইটা অনুবাদ করেছে কবি অরুণ মিত্র। প্রকাশক- সাহিত্য অকাদেমি (ভারতীয়)। কবির স্পর্শে অনুবাদ মনোহর হয়েছে।

নগরনটী (উপন্যাস: শেষ পর্ব)


চম্পা-নগরী এখন উৎসবমুখর, নিভু নিভু হয়ে জ্বলতে থাকা মানুষের আশার প্রদীপটি হঠাৎ দপ করে জ্বলে উঠে ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে শুরু করেছে গণিকারা মুনিকুমার ঋষ্যশৃঙ্গকে হরণ করে নিয়ে আসায়; একে তো মুনিকুমার ঋষ্যশৃঙ্গের সঙ্গে মহারাজ লোমপাদের একমাত্র কন্যার বিবাহ, তার ওপর বহুদিন বাদে অঙ্গরাজ্যে বৃষ্টিপাত হতে চলেছে, বহু অপেক্ষার পর পূরণ হতে চলেছে অঙ্গরাজ্যের মানুষের প্রত্যাশা; ঘুচতে চলেছে অঙ্গরাজ্যের তৃষিত ভূমি, বৃক্ষ, লতা-পাতার তৃষ্ণা!

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর