নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনিন্দ্য
  • নুর নবী দুলাল
  • আরণ্যক রাখাল
  • রুদ্র মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

একাত্তর

১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের জেলখানা ও স্বাধিনতা পরস্পর বিরধি নয়কি?


ইষ্টিশন ব্লগে বড় বড় অক্ষরে,২৬ই মার্চ মহান স্বাধিনতা দিবস লেখা দেখেই লেখাটা শুরু করেছি কোথায় থামবো জানি না,
আমি জানি না এই ধরনের মূর্খ মনতব্যকারির বিপক্ষে ঠিক কি লেখা উচিৎ, কারো কাছে স্বাধিনতার সংগা যদি হয়„ ১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের জেলখানা,তাকে কি বলা যায় ? কেউ যদি মনে করে, মানুষের জাতায়াতকে শিমাবদ্ধ করবার নাম স্বাধিনতা তাকে কি বলবেন ?
কেউ যদি মনে করে সামরিক বাহিনি নামক সন্ত্রাসি গোষ্ঠি পুষবার নাম স্বাধিনতা তাকে কি বলবেন ?
আমার মনে হয়, একমাত্র অতিবর্বর পিশাচ শ্রেনির কেউ না হলে, রাষ্ট নামক জেলখানাকে স্বাধিনতা শব্দের সাথে জুড়তে
পারে না ।

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!


১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

সুযোগ সন্ধানী জিয়া ছিলেন শেখ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষণার একজন পাঠক মাত্র


১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি গণযুদ্ধ এটি কোন সামরিক যুদ্ধ ছিল না। সুতরাং সামরিক সামরিক অভ্যুত্থানের কোন প্রশ্নই উঠে না।

আজ সেই ভয়াল ২৫শে মার্চ


বাংলার ইতিহাসে এই রাত্রিকেই কালরাত্রি হিসাবে স্মরণ করা হয়। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে পরাজয় বরণ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা বাঙ্গালিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের নামে টালবাহানা শুরু করে। কয়েক দফা মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক করেও কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে ইয়াহিয়া খান চলে যান পাকিস্তানে। তারপর আসল সেই ভয়াল কালরাত ২৫ শে মার্চ। ইয়াহিয়ার নির্দেশে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার লোককে হত্যা করে যা ইতিহাসে অপারেশন সার্চলাইট নামে খ্যাত। ২৫ শে মার্চ রাতে রাজারবাগ পুলিশলাইন, পিলখানার তৎকালীন ইপিআর ক্যাম্প, ঢাকা বিশ্ববিদ্যা

অপারেশন সার্চলাইটঃ প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা এবং মূল ঘটণাপ্রবাহ (রিপোস্ট)



এই খানে পটভুমিটা নানা পাকিস্তানী সুত্র থেকে নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হল। যদিও এসব সুত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে ইয়াহিয়া খানের আলাপের ব্যাপারে অনেক কথা থাকলেও ভুট্টোর ব্যাপারে সেভাবে কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না। যদিও বাঙালি সবাই জানে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের ব্যাপারে ভুট্টোর সরাসরি ইন্ধন এবং রাজনৈতিক সমর্থন ছিলো। বঙ্গবন্ধুও ৭ই মার্চের ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন,

“উনি আমার কথা শুনলেননা, উনি শুনলেন ভুট্টো সাহেবের কথা।“

পাকিস্তানী এক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিদ্দিকী, যিনি আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক ছিলেন সেই সময়ে, তার কথার সুত্র ধরে এবং নিজ পঠিত নানা আর্টিকেল এবং বিবরণীর সূত্র ধরে আমার নিজের মনে হয়েছে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের বীজ রোপিত হয়েছিলো ১৯৬৯ সালেই, যখন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান নিজের পীঠ বাঁচাতে জনতার আন্দোলনের মুখে গোল টেবিল বৈঠক ডাকেন। কিন্তু সিদ্দিকী সাহেবের মতে, ইয়াহিয়া তার গুরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন তারও আগেই। তার মতে, ইয়াহিয়া গোপনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন এবং তার দাবীতে অনড় থাকতে বলেন, এবং আরও নিশ্চয়তা দেন যে, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সেনাবাহিনী কোন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাঃ নতুন বোতলে পুরোনো মদ


বাংলাদেশ।যে দেশের স্বাধীনতার জন্য ১৯৭১ সালে একটি মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে।জনগনের অংশগ্রহণে এই যুদ্ধ সর্বাত্মক জনগনের মুক্তির লক্ষ্যে পরিচালিত না হলেও জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কখন শুরু হয়েছে কে শুরু করেছে এটা নিয়ে শাসক দলগুলোর খুব মাথাব্যথা রয়েছে।নয়া পরাধীনতার বাংলাদেশের ৪৭ বছর কেটে গেলেও জনগনের কোন ধরনের স্বাধীনতা অর্জিত হয় নি।পাকিস্তান আমলে বা তারও আগে ব্রিটিশ রাজত্বে জনগনের উপর যে নিপীড়ন চলতো তা থামে নি।এখনো চলছে ধারাবাহিকভাবে।৭১ সালে পাক বাহিনী আমাদের মা বোন দের ধর্ষণ করেছে,হত্যা করেছে।কিন্তু তথাকথিত স্বাধীন দেশে তনুরা "স্বাধীন" সেনাবাহিনীর সেনানিবাসে ধর্ষনের

পিতা,আরেকটিবার ফিরে এসো...


কতদিন কেটে গেলো তুমি নেই
কত কিশোর দেখি,কত যুবক
দেখি,কত বয়োজোষ্ঠ্য দেখি-
শুধু তোমায় দেখিনা !
পিতা,ছায়া হয়েও কি একটিবার
আসতে পারোনা তুমি ?
কঙ্কালসার মা ডাস্টবিনে
আর কতদিন খাদ্য খুঁজবে,
আর কতকাল চাঁদকে ঝলসানো
রুটি ভেবে চেয়ে থাকবে ফুটপাথবাসী ?

একটি ভাষন একটি জাতির ইতিহাস ।


বাঙালির স্বাধীনতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস “মার্চ মাস”।কারণ ’১৯৭১’ সালের এই মার্চ মাসেরই ২৫ তারিখ গভীর রাতে, মানে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছিলো।শুধু তাই না, ২৫ মার্চ গভীর রাতে, এদেশের নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী।আরও একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আছে এই মাসে। সেটি হচ্ছে- ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।

""রাষ্ট্রভাষা আরবি চাই""


এবারে অমর ২১ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের কাছে দাবি---
""রাষ্ট্রভাষা আরবি চাই"".....
আমি একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্টের সন্তান। সরকার আমাদের রাষ্ট্র তথা আমাদের ধর্ম ঠিক করে দিয়েছেন--সেটা হল 'ইসলাম'। তাই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ধর্মবলে বলীয়ান হয়ে ৯০%মুসলিমের প্রতিনিধি হয়ে আমদের এই দাবি টা করা কি খুব অন্যায় ---
""রাষ্ট্রভাষা আরবি চাই....""

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর