নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

একাত্তর

মুক্তিযুদ্ধ ও তার পরবর্তী ঘটনা আমরা কতোটা জানি!


তবে কেন যেন আমার মনে হয় যে, স্বাধীনতার জন্য বাঙ্গালী প্রস্তুত ছিল না। আমরা যে এতো বৈষম্যের শিকার হচ্ছিলাম, সেই বোধই বাঙ্গালীর ছিল না। হাজার মাইল দূরের দুই ভূখন্ড, যাদের ভাষা, সংস্কৃতি, খাদ্য, বর্ণ, মেজাজ সবকিছু ভিন্ন। যারা হয়তো একই ধর্মের অনুসারী, কিন্তু সেই ধর্মটাকেও ধারণ করে ভিন্নভাবে। এরকম দুটি ভূখন্ডের মানুষেরা যে একদেশ হিসেবে থাকতে পারে না, এ বোধটা অনেক বাঙ্গালীর এখনো নেই। পশ্চিম পাকিস্তানীরা সেই হত্যা-ধর্ষণ শুরু না করলে কতোভাগ বাঙ্গালী যে পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে চাইতো কে জানে?
এই সৈনিক ছিল তুলনামূলক দয়ালু এবং বেশ ধর্মপ্রাণ, তা আমরা সেই মেয়েটির কাছ থেকেই জানি। এই সৈনিকটির দেশের বাড়িতে তার স্ত্রী এবং আরও বেশ কিছু সন্তান ছিল। ৭১ এর যুদ্ধের সময় সে নিজের দেশের মানুষের উপর চালানো হত্যাযজ্ঞে অংশ নিয়েছে। ধরে নিলাম যে, বাংলাদেশের মানুষকে তারা দেশদ্রোহী হিসেবে হত্যা করেছে। কিন্তু, তাই বলে এদেশের একজন মুসলমান ঘরের মেয়েকে গণিমতের মাল হিসেবে বিবেচনা করে ধর্ষণ করতে তার ধর্ম কিন্তু তাকে বাঁধা দেয় নি। বরং বৈধতা দিয়েছে। একটা ধর্ম একজন স্বাভাবিক সাধারণ মানুষকে দিয়ে যে কতো জঘন্য কাজ করাতে পারে, তার প্রমান এই ঘটনাটি।

“জগৎজ্যোতি দাসঃ ইতিহাসের এক অজানা বীরশ্রেষ্ঠর গল্প"


‘সেদিন জগৎজ্যোতির দলটা ছিল ৪২ জনের। খালিয়াজুড়ির কল্যাণপুর থেকে কয়েকটা নৌকায় মুক্তিযোদ্ধাদের এই দলটার মূল অপারেশন ছিল আজমিরীগঞ্জ পেরিয়ে বাহুবল গিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন উড়িয়ে দেওয়া। যাওয়ার পথে মুক্তিযোদ্ধা সুবল দাসের দলকে সাহায্য করার জন্য ঘুঙ্গিয়ারগাঁও, শাল্লায় পাকিস্তান আর্মির সঙ্গে গুলি বিনিময় করেছে জ্যোতির দল। সেখান থেকে ভোরে রওনা হয়ে সকাল নয়টায় ইউনিয়ন অফিসের সামনে হঠাৎ তাদের চোখে পড়ে রাজাকারদের নৌকা, তেলাপোকাগুলো নিরীহ জেলেদের নৌকা আটকে লুটপাট করছে। এক জেলে ইলিয়াসকে চিনতে পেরে আকুল স্বরে অনুনয় করল, ‘ও দাসবাবুর ভাই, আপনারা আমাদের বাঁচান।’ তৎক্ষণাৎ আক্রমণে কয়েকজন

আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দানে পাওয়া নয়।


আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা
কারোর দানে পাওয়া নয়।
দাম দিছি প্রাণ লক্ষ-কোটি
জানা আছে জগতময়।

বাঙালি: দ্বিধান্বিত একটি আত্মপরিচয়ের নাম


লেখাটি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারকে উতসর্গ করা হলো।

ভারত ভাগের আগের বাংলা আর এখনকার বাংলাদেশ কিন্তু এক নয়। যদিও বাংলাদেশ: বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনেরই ফসল। তাহলে কী হওয়া উচিত এই অঞ্চলের মানুষের জাতিসত্ত্বার পরিচয়?

বিজয় এক স্বপ্নসৌধের নাম


১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবস।
বিজয় মানে হানাদার, অমানুষ কে পরাজিত করে সত্যের জয়।বিজয়ের মানে অস্ত্রবলের কাছে পরাজিত এক নতমুখ জাতি নয়।

বিজয় মানে হানাদারমুক্ত হওয়া।বিজয়ের অর্থ কৃষি জমি দখল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি নয়।

বিজয় মানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সেই বজ্রকণ্ঠ ঘোষণা।বিজয় মানে নেতার পা চাটা কুকুর হওয়া নয়।

বিজয় মানে নির্বিচারে মানুষ হত্যা,গুম,ধর্ষণ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়া।বিজয়ের অর্থ পঞ্চাশ বছর পরেও এসবের পুনরাবৃত্তি নয়।

যে জাতির সামনে ১৪ই ডিসেম্বর আছে সেই জাতির অনন্তকাল কান্নার কারণ আছে।


রাও ফরমান আলির উপর যতটা না ক্ষোভ জন্মে তার থেকেও বেশি ঘৃনায় গা ঘিনঘিন করে এদেশীয় দেশদ্রোহী রাজাকার বাহিনীর উপর। কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যেতির্ময় গুহঠাকুরতা, সুরকার আলতাফ মাহমুদ এদের নাম পাকিস্তানিরা শুনেছিলো। কিন্তু ঢাকার কোন জায়গার, কোন গলির, কত নম্বর বাসায় এরা থাকতো সেই খবর ফরমান আলীর জানার কথা নয়, কিন্তু তারপরও জেনেছিলো। শুধু এরা নয় সেই রাত্রে বাংলার প্রায় দুই শত শ্রেষ্ঠ সন্তানের শোবার ঘর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা। শুধুমাত্র একটি রাতে দুইশত মানুষকে তাদের বাসস্থান থেকে তুলে আনা ভিনদেশী হায়েনাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তার জন্য প্রয়োজন ঘরের শত্রু। রাজ

স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে পরাজিতের লেখা ইতিহাস, বিজয়ীর লেখা ইতিহাস, নিরপেক্ষ ইতিহাস



গত একমাসে আবার যা যা পড়লাম, তার মধ্যে এ টেল অফ মিলিয়নস, এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওউন কান্ট্রি, বিট্রেয়াল অফ ইস্ট পাকিস্তান, এক জেনারেলের নীরব সাক্ষী সহ আরও কিছু বই আছে। জেঃ নিয়াজির বই নিয়ে কিছু বলব না। মিথ্যাচার আর হাওয়ার উপর ভাসা যুদ্ধজয়ের অনেক হাইপোথিসিসের মতও আছে। আমি কেবল ভাবছিলাম, "হাউকাম হি বিকেম এ জেনারেল?" পাকিস্তানী অথরদের বই পড়তে গেলে অবশ্য শুরুতেই সন্দেহ নিয়ে পড়তে থাকি। তাদের বক্তব্যে ধর্মের প্রভাব থাকে, জাত্যাভিমান থাকে, ঘৃণা থাকে। তারা যে পরিসংখ্যান দেয় তাতে মিথ্যা ঢুকায়। যেমন, মেজর জেনারেল খাদিম হুসেন রাজার লেখা এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওউন কান্ট্রিতে অনেক অনেক ভুল তথ্য ছিল, অনেক মিথ্যা ছিল, ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখা বক্তব্য ছিল। মেঃ জেঃ রাজা, আপনি অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা করেছিলেন রাও ফরমান আলীর সাথে, ভাল কথা। মরবার আগে দিয়ে যে বই লিখেছেন, তাতে তো সত্য তথ্য উপাত্ত থাকা উচিত ছিল, ছিল না? শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান মানুষের মিথ্যা ভয়ংকর, এরা সমাজের জন্যও ভাল না। জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড় হলে যে কেউ হয়ে যেতে পারে এক একজন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, যাদের কেউ বিশ্বাস করে না। ৬৯ সালে উনি বঙ্গবন্ধুর আইনসংক্রান্ত টিমে ছিলেন, ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানীদের গ্রেফতার করতে চাওয়া ১৫ জনের তালিকায় ছিলেন। এরপর জেঃ জিয়া, জেঃ এরশাদ, এরশাদের ভাঙা অংশ পেরিয়ে বিএনপিতে ছিলেন। এইদেশের একটা মানুষ কি বোঝাতে চায়, নিজে কি চায় সেসব নিয়ে সন্দেহ থাকলে উনার উদাহরণ টানা যেতে পারে।

রুপকথার এক বুড়ির গল্প!


ভোলাহাটের নাম শুনার বা শুনেও মনে রাখার কোন কারণ নেই, অন্তত এই রাজনীতিক দ্বিধাবিভক্ত বাংলাদেশে তো কোনভাবেই নেই। জাতির মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাস পর্যন্ত যে দেশে রাজনীতিক পক্ষপাত মুক্ত নয়, সে দেশে সত্য ইতিহাস মহাকালের আবর্তে বিলীন হবে এ তো জানা কথা। এদেশে পাকিস্তানের দোসর রাজাকার, হিংস্র হায়েনারা মুক্তিযুদ্ধের সনদ বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধ হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং বহু ঘটনাবলী সমৃদ্ধ জায়গার নাম ইতিহাসে আসার সুযোগ তৈরী হয়নি। ইতিহাস মনে রাখেনি জীবনবাজি রেখে মুক্তিবাহিনীদের সাহায্য করা অনেক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক মানুষের নাম। কালের ধুলিতে চাপা পরে গেছে কত বীরত্মগাঁথা, কত ত্য

রক্তগঙ্গার ওপার থেকে


ঘন জারুলের ঝোপ, আম, কাঁঠাল আর বাতাবি লেবুর ছায়াচ্চাদিত মফস্বলের একটি দো'তলা বাড়িটিতে ঋদ্ধিদের গত পঞ্চাশ বছরের বসতি। ঋদ্ধির জন্মের বছর খানেক আগে তার বাবা বানিয়েছিলেন এই বাড়িটি। ঋদ্ধিদের এই বাড়িটা পশ্চিমমুখী। বাড়ির পুর্ব পাশ দিয়েই চলে গেছে রেল লাইন। রোজ বিকেলে একটা ট্রেন ভেঁপু বাজিয়ে দুর দিগন্তের দিকে ছুটে যায়। ঋদ্ধি বাড়ির একেবারে পেছনের বারান্দায় এসে প্রতিদিন বিকেলে অপেক্ষা করে দিগন্তগামী সেই ট্রেনটির জন্য। কিন্তু প্রতিবারই সেই ট্রেনটি ঋদ্ধির বুকের ভেতর জমানো সব আশা, চোখের কোনে আশ্রয় নেয়া সব স্বপ্ন ছিড়েকুড়ে নিয়ে দিগন্তে মিলিয়ে যায়।

ব্যক্তিগত স্মৃতি, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আটকে পড়া পাকিস্তানী (বিহারী) মানুষেরা ও তাদের নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যত



বিহারিদের বেশিরভাগই আটকে পড়া পাকিস্তানী হিসেবে পরিচিত। ভারতের বিহার থেকে চলে এসেছিল ওরা। তাদের অনেকেই এখনো এইদেশের নাগরিক নয়, আবার পাকিস্তানও তাদের ফিরিয়ে নিতে রাজী নয়। তবে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, বিহারিদের যারা এদেশে থেকে যেতে চায়, তারা এদেশের নাগরিকত্ব পাবার যোগ্য। পাকিস্তান শুরুর দিকে লাখ দেড়েক বিহারিকে ফেরত নেয়, এদের বেশিরভাগই অপেক্ষাকৃত শিক্ষিত ও সম্পদশালী ছিল। ১৯৭২ সালে ১৪৯ নং প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন শান্তিকাম্পে আটক সাড়ে দশ লাখ বিহারিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্বলাভের সুযোগ প্রদান করে। তবে ৫ লাখ ৪০ হাজারের মত বিহারি পাকিস্তানে ফেরত যেতে রেডক্রসের তালিকাভুক্ত হয়। পাকিস্তান সরকার শুরু থেকেই বিহারিদের ফেরত নিতে অনীহা প্রকাশ করতে থাকে। তারা কেবল সেসকল বিহারি ও তাদের পরিবারকে গ্রহণ করতে রাজী হয় যারা ৭১ সালে পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সে যোগ দিয়েছিল ও পাকিস্তানী সেনাদের সাথে আত্মসমর্পন করেছিল। বাংলাদেশ সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে ৬ লাখের মত বিহারি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। বাংলাদেশের সূচনালগ্নে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল বিহারি সহ অবাঙালিদের ফেরত নেয়া, পাকিস্তান চাপের মুখে তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যককে ফেরত নিতে রাজী হয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর