নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • অনিমেষ অধিকারী

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

একাত্তর

অবিকল মানুষের মতো একটা গন্ডার জাতি পাকিস্তান।


মানুষ এবং অনন্য কয়েক প্রজাতির প্রাণী সৃষ্টির পর সৃষ্টিকর্তা 'গন্ডার' সৃষ্টির দিকে মনোনিবেশ করলেন। এবং তিনি অসংখ্য 'গন্ডার' সৃষ্টি করলেন। এদের মধ্য থেকে একদল গন্ডার সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করলো -আমাদের নাম কি? সৃষ্টিকর্তা বললেন- তোমরা 'গন্ডার'।
সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো পুর্বে সৃষ্ট কিছু সুদর্শন এবং বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ। ওই গন্ডার গুলো সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করলো- এদের নাম কি?
সৃষ্টিকর্তা জবাব দিলেন- এরা 'মানুষ' সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। এবার ওই গন্ডারের দল বিদ্রোহ করে বসলো। বললো- আমরা গন্ডার হয়ে পৃথিবীতে যাবো না, আমাদের মানুষ বানিয়ে দিতে হবে।

আতা গাছে তোতা পাখি, যানজট প্রতিযোগিতা ও অযথা বিতর্ক কুতর্ক



"আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মৌ" - ছোটবেলায় প্রিয় ছড়াগুলোর অন্যতম। আমাদের বাগানেও আতা গাছ ছিল, আতা অবশ্য আমার প্রিয় ফল না দেখে মুখে তুলতাম না। খান আতার নাম শুনছি ছোটবেলা থেকেই। তবে খান আতাকে নিয়ে এখন পক্ষে বিপক্ষে যত কাহিনী শুনছি, তার কিছুই জানতাম না। এখন ইস্যুটা মনে হয় চাপা পড়ে যাচ্ছে, এখন কিছু বলা যায়। কারও মতের বিরুদ্ধে গেলে কিছু কমে আসা আবেগ নিয়ে হামলা চালাবেন হয়ত।

তার আগে একটা প্রশ্ন, যানজট ক্রিয়েট প্রতিযোগিয়ায় জিতলো কে? হাসিনা না খালেদা? দেশে রাজনীতির অবস্থা এমন হাস্যকর হয়ে গেছে, যানজটের তীব্রতার দোহাই দিয়েও অনেকে নিজি নিজ পছন্দের নেত্রীর অধিকতর জনপ্রিয়তার দাবী করছেন। যাইহোক, আমি চাই এইদেশের সকল ভিআইপির জন্য হেলিকপ্টার সার্ভিস হোক, ছাদে ছাদে ব্যবস্থা থাকুক হেলিপ্যাডের। যানজটে আটকাইয়া থাইকা যেই টাকার তেলগ্যাস পোড়ে গাড়ির, মানুষের যে সময় অপচয় হয়, সেইটাকে টাকার অংকে কনভার্ট করলে উনাদের এই উড়াল সুবিধা দেয়ার খরচ কম মনে হবে। তথ্যমন্ত্রীকে দরকার হইলে দুইটা দেয়া হোক। আমি কিন্তু বলতে চাইতেছি না যাত্রাপথে উনার অতিরিক্ত বকবকের উনার ড্রাইভারের উন্মাদ হওয়ার দশা হইছে, কিংবা এইটাও বলতে চাইতেছি না উনার মুখ নিঃসৃত তেলেই হেলিকপ্টারগুলা চলতে পারবে বলে এই ডাবল সুবিধা। আমি উনার ভক্ত, উনাকে দুইটা দেয়ার প্রস্তাব সেই কারণেই।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আরাকানে বাঙালি শরণার্থীর আশ্রয়


১৯৭১ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাক বাহিনী চট্টগ্রাম শহরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। এরপর একই সাথে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান পথ হলো আরাকান সড়ক। এ সড়কে কর্ণফুলী নদীর উপর কালুরঘাট সেতু কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষাব্যূহ ছিল মুক্তিবাহিনীর অন্যতম প্রধান প্রতিরোধ কেন্দ্র। ১১ এপ্রিল পাক বাহিনীর নিকট কালুরঘাটের পতন হলে পশ্চাদপসরণ করা মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে উত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। কালুরঘাট থেকে আরাকান সড়ক দিয়ে পাক বাহিনীর অগ্রযাত্রা প্রতিরোধ করার মতো

অপারেশন জ্যাকপটঃ এক দুর্ধর্ষ নৌ-কমান্ডো অভিযান (চট্টগ্রাম)


১৩ আগস্ট, ১৯৭১ । ট্রানজিস্টার অল ইন্ডিয়া রেডিওর কলকাতা কেন্দ্রের ফ্রিকুয়েন্সিতে সেট করে উদগ্রীব হয়ে কান পেতে আছেন কজন নৌ-কমান্ডো । রেডিওতে ভেসে এল-“আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান, তার বদলে চাইনি কোন দান ।” শুরু হয়ে গেল প্রস্তুতির তোড়জোড় । এখন শুধু পরের সিগন্যালের অপেক্ষা । নির্দিষ্ট দিনের একদিন পর পাওয়া গেল দ্বিতীয় সিগন্যাল । ১৫ আগস্ট, সকাল ৭টা ৩০ মিনিট ।অল ইন্ডিয়া রেডিও থেকে ভেসে এল-“আমার পুতুল আজকে প্রথম যাবে শ্বশুর বাড়ি ।” এবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আঘাত হানতে হবে ।১৫ আগস্ট রাত ২টায় কেঁপে উঠলো বন্দর নগরী চট্টগ্রাম । ভোরে কেঁপে উঠলো মংলা, নারায়ণগঞ্জ ও চাঁদপুর । সফল হল এক বিশ্বখ্যাত দুর্ধর্ষ সুইসা

যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি তারা আমাদের চেয়ে ভালো থাকতে দেখে অপমানবোধ করি


জহর লাল পাল চৌধুরী একাত্তরের সাহসী সৈনিক। বাবা রাজারকুলের বিখ্যাত জমিদার পবিরারের সন্তান যোগেন্দ্র পাল চৌধুরী ও মা প্রেম বালা পাল চৌধুরী। জন্ম রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের রাজারকুল এলাকায়। ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়নের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। একাত্তরের যুদ্ধের সময় জহর লাল পাল চৌধুরী ছিলেন একজন যুবক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কক্সবাজার পতনের পর নিরাপত্তার স্বার্থে পার্শ্ববর্তী দেশ বার্মার (মিয়ানমার) চার মাইল নামক স্থানে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেন। ওখানে কক্সবাজার থেকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়া মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও বেঙ্গল রেজিমেন্টে এবং ইপিআর থেকে আগত মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার উদ্দেশ্যে সেপ্টেম্বরের দিকে ক্যাপ্টেন হারুনের পরামর্শ মতে ইপিআর হাবিলদার ইদ্রিস মোল্লার নেতৃত্বে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। অংশ নেন লামা থানা, আলীকদম থানা, সাতকানিয়া থানা, রাজঘাট ব্রীজ, চুনতি অপারেশনসহ বিভিন্ন অপারেশনে। পাকিস্তানি জল্লাদ সেনাবাহিনীর গাড়ীকে গতিরোধ করে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ২২ সদস্যকে আত্মসমর্পন করতে বাধ্যকারী মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক জহর লাল পাল চৌধুরী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেছেন কক্সবাজার বাণীকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সময় তার বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা গাড়ীর মাঠস্থ ভাড়া বাসায় স্বপরিবারে বসবাস কালে ওই সাহসী সৈনিকের সাথে মুখোমুখী হয়েছেন কক্সবাজার বাণীর সহকারী সম্পাদক কালাম আজাদ। সম্প্রতি তিনি প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধোর চেতনা নিয়ে সে সব চেতনা বাজি চলছে তাদের স্বরুপ উম্নোচন করতেই এ সাক্ষাৎকারটি পুণঃমুদ্রণ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ স্বামীর স্বীকৃতি নিয়ে মরতে চান স্ত্রী আলমাছ খাতুন


আমার দিন এখন শেষ। কোনো সুযোগ সুবিধা পাবো এই আশাও ছেড়ে দিয়েছি অনেক আগেই। দেশ স্বাধীনের পর শেখ সাহেব কক্সবাজারে এসে আমারে ডেকে নিয়ে একটি সহানুভূতিপত্র ও দুই হাজার টাকার একটি চেক দিয়েছিলেন। এবং আমাদের সাথে প্রায় ঘণ্টাখানেক কথা বলে মৃত্যুর আগ ( শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর) পর্যন্ত দেখাশুনার কথাও দিয়েছিলেন। কিন্তু শেখ সাহেব মারা যাওয়ার পর আমাদেরকে কেউ খবর রাখেননি। শেখ সাহেবের মেয়ে হিসেবে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার দাবি- শহিদ স্বামীর স্বীকৃতি, শহিদের স্ত্রী হিসেবে একটি খাস জমি আম

বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি প্রদান সত্বেও জটিল রাজনীতির সমীকরণের ফাঁদে এখনো শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পায়নি যামিনী শর্মা


বাঙালির জাতীয়তাবাদী মুক্তিসংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শহীদ যামিনী মোহন শর্মা। রামুর মধ্যম মেরুংলোয়া এলাকা নিবাসী রজনী কান্তি শর্মা ও সাবিত্রী রানী শর্মার সন্তান তিনি। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় গ্রামে গ্রামে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘর তৈরী (খড়,ছন, গুলপাতার ঘর তৈরী করতেন) করে সংসার চালাতেন। পাশাপাশি তার বড় ছেলে সুরেন্দ্র শর্মাকে রামু চৌমুহনী বাজারে একটি সেলুনের দোকান দিয়ে কোন রকম সংসার চালাতেন। কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। তথাপি তিনি স্বাধীনচেতা একজন বাঙালি হিসেবে গর্ব করতেন এবং সেভাবে সন্তানদেরকে শিক্ষা দিতেন। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে সন্তানদেরকে তেমন বেশি লেখাপড়া করাতে প

বিস্মৃত গণহত্যা এবং উত্তর প্রজন্মের দায়বদ্ধতা



স্বাধীনতার পর বহু বছর পার হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার খুব কম সময়ই ক্ষমতায় ছিল, ’৭৫ এর পর থেকে অধিকাংশ সময় ঘুরেফিরে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিই ক্ষমতায় আরোহণ করেছে। তারা তাদের মত করে ইতিহাস সাজিয়েছে, সত্য আড়াল করেছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ মানে শুধু সম্মুখ যুদ্ধ নয়, মুক্তিযুদ্ধ মানে শুধু বিজয়ের ইতিহাস নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের বহুমাত্রিক দিক রয়েছে, তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যন্ত্রণাদায়ক একটি দিক হচ্ছে গণহত্যা।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর