নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • আবু মমিন
  • মাহিন রহমান সাকিফ
  • রবিঊল
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

একাত্তর

‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথন’ বইয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যালোচনা


১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী যে সংগ্রাম তার প্রসংগ এই দেশের ইতিহাসের জন্য দিকনির্দেশক ও পথপ্রদর্শক একটি চেতনা এবং প্রাণবিন্দু। এই নয় মাসের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা নিশ্চিতভাবেই আগামী দিনগেুলোতে কমতে থাকবে না বরং বাড়তেই থাকবে। এবং যতই দিন যাবে ততই ইতিহাসের এই ক্ষণগুলোর পর্যালোচনা করেই আগামীর ইতিহাস রচনাকারীদের পদক্ষেপ নিতে হবে। সুতরাং এই ইতিহাসের আলোচনা ও পর্যালোচনা অনিবার্যভাবেই ভবিষ্যতে প্রাসংগিক হয়ে উঠবে ক্রমে ক্রমে আরো আরো বেশি করে।

একাত্তরের জেমস বণ্ড


আয়ান ফ্লেমিং এর জেমস বন্ড বা কাজী আনোয়ার হোসেন এর মাসুদ রানা মাতিয়ে রেখেছিলো আমাদের অনেকের শৈশব আর কৈশোরকে। মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়তাম তাদের দুঃসাহসিক অভিযানের কাহিনী। কিন্তু আজ লিখবো একজন রিয়েল লাইফ জেমস বণ্ডের কথা। যার জন্ম হয়েছিলো বাঙালীর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকাল ১৯৭১ এ।

পাকিস্তানীরা ৭১-এ কেমন লড়েছিল?


মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ কিংবা এমন সংখ্যক বাঙ্গালী হতাহতের হিসেবের বাইরে। সম্ভবত ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ২-৩ লাখ। ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সেনা সদস্যরাও ডিসেম্বরের আগে থেকেই মুক্তিবাহিনীর অনেক অপারেশনে সাহায্য করেছে, অংশ নিয়েছে, ফায়ার সাপোর্ট এবং নির্দেশনা দিয়েছে। ডিসেম্বরে আরতীয় বাহিনীর প্রায় তিনটি কোরের ৮ ডিভিশন সেনা বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় অভিযান শুরু করে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর। শক্তিশালী নৌবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ছিল নেভাল ব্লকেড। বিমান বাহিনীর একমাত্র জঙ্গী বিমানের বহর ১৪ নং স্কোয়াড্রন এফ-৮৬ স্যাবর জেট অপারেট করতো কেবলমাত্র ঢাকা থেকে। ইন্ডিয়ানদের ছিল চতুর্দিকে প্রায় ৫ টি মেইন এয়ারবেস এবং ১০ টির বেশি জঙ্গী বিমানের স্কোয়াড্রন।

এত বিশাল ভূখন্ড দখলে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল অন্তত ১০ ডিভিশন সেনা, শক্তিশালী নো এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি, সাথে প্যারামিলিটারী বাহিনীর সদস্যদের। জনগনের কমপক্ষে ৯০ শতাংশের প্রত্যক্ষ কিংবা নীরব সমর্থন ছিল স্বাধীনতার পক্ষে। এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অস্ত্রের মুখে দমিয়ে রাখতেও দরকার ছিল বিপুল সংখ্যক সেনার।

অবশেষে পিতা ফিরলেন তাঁর স্বপ্নের গৃহে


পিতার অগণিত সন্তান। তারা একেকজন যেমন তেজস্বী আর তেমনই সাহসী। আর এদেরই নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে পাকিস্তানীকুকুরগুলো ১৯৭১ সালে ব-দ্বীপভূমিকে চিরতরে ধ্বংস করতে চেয়েছিলো। কিন্তু গৃহবাসী এককাট্টা হয়ে পাকিস্তানীকুকুরগুলোকে মোকাবেলা করে গৃহের সম্মান রক্ষা করেছেন।

বাঙলা কলেজ : ওয়ার ক্যাম্প, নির্যাতন, গণহত্যা, বধ্যভূমি


বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নৃশংসতায় ৩০ লক্ষেরও বেশী মানুষ শহীদ হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এটাই সবচেয়ে বড় গণহত্যা !

বাংলাদশে ১৬ ডিসেম্বের ১৯৭১ -এ আনুষ্ঠানিক বিজয় লাভ করলেও ঢাকার মিরপুর হানাদার মুক্ত হয় সবচেয়ে দেরিতে – ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ -এ। মিরপুর এলাকা বিহারী অধ্যুষতি হওয়ায় এখানে হত্যাকান্ডের ব্যাপকতাও ছিল বেশী। মিরপুর ছিল মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণক্ষেত্র। বাঙলা কলেজ বধ্যভূমি শুধু মিরপুরেই নয়, বাংলাদেশর অন্যতম একটি বধ্যভূমি।

একাত্তরে চরমোনাইর পীরের ফতোয়া


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পীর ও ধর্মীয় নেতাদের বড় একটা অংশ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পক্ষে সরাসরি কাজ করে। ৭১-এর যুদ্ধকে পাকিস্তান জিহাদ হিসেবে ঘোষণা করে নিজ দেশের মানুষ থেকে যেমন যুদ্ধের অর্থ যোগার করে তেমনি বাংলাদেশের অনেক পীর, ওলামারা এই দেশের অমুসলিম ও অসহায় নারীদের গণিমতের মাল হিসেবে ঘোষণা করে। যেমন-শর্ষিণার পীর আবু সালেহ মোহাম্মদ জাফর হিন্দু রমণীদের গণিমতের মাল হিসেবে ঘোষণা করে। অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে এসব স্বাধীনতার পর জামাত ও মুসলিম লীগের রাজাকাররা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে দো

কেন আমি মুক্তিযোদ্ধা আজ সর্বহারা?


রক্তিমা ছিল সেই দিবস প্রভাত,
রক্তিম করা জখম পাঁজরাঘাত!
ছিল সংগ্রামী যোদ্ধার বদনে ক্লেশ এবং
নিহারন করছিলো তারা অসুর উল্লাস শ্লেষ!
লুটিয়ে পড়া কতক রণ-লিপ্সু-লড়াকু বীর,
পাশেই আলাদা করা কতক লড়াকুর শির!
রক্ত-পিপাসুদের জিজ্ঞাসন,“কোথায় যোদ্ধা বিচরণ?”
বিবৃতি প্রদান না করে গেল কত বীর উৎসুক প্রাণ!
বাকি যোদ্ধার ললাটে ঘাম বহমান,
“জয় বাংলা”
প্রতিধ্বনি করতে করতে দিল তো নিজ প্রাণ।
সালাম যোদ্ধা তিন সন্তান রেখে যায় রণক্ষেত্রে,
রেখে যায় সে স্বপরিবার দেশ ভাগ্য বিধাত্রে!
যুদ্ধেই সে পায় অমরত্ব, রয়ে যায় পরিবার,

চা বাগানে পাক গণহত্যা-পৈশাচিক বর্বরতা


সিলেটের চা বাগানগুলো একদিকে যেমন পর্যটকদের জন্য সৌন্দর্যের বিশালতা বুকে নিয়ে আছে তেমনি এগুলো সাক্ষী হয়ে আছে যুগ যুগ ধরে বঞ্চনার, শোষণের এবং নৃশংসতম গণহত্যার। উনিশ শতকের গোড়াতেই চা’র বিকাশ শুরু। ১৮২৩ সালে আসামে প্রথমবারের মতো চা গাছ পাওয়া যায় এবং ১৮৩৯ সালের দিকে কয়েকজন ব্রিটিশ পুঁজিপতি এবং ভারতীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ী মিলে প্রতিষ্ঠা করেন ‘আসাম টি কোম্পানি’। পরবর্তীতে ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনিছড়ায় বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের অবদান অনন্যসাধারন



আমাদের বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারী-বেসরকারি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে অনেক তথ্যসমৃদ্ধ ভাল ভাল নাটক-টেলিফিল্ম দেখছি। কিন্তু একটি বিষয় সবাই হয়তোবা খেয়াল করেছেন যে, সময় সংকুলানের অজুহাতেই হোক, আর যেভাবেই হোক সকল লেখক, নাট্যকার এবং পরিচালকেরা ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সুবিশাল অবদানকে বরাবরের মতোই এড়িয়ে যাচ্ছেন। এর কোন অর্থ হয় না।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর