নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজিব আহমেদ
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আমি অথবা অন্য কেউ

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

একাত্তর

মীর জাফরের চেয়েও বড় গালি হবে শেখ হাসিনা!


পত্রিকা খুললেই শত শত সব দুর্নীতির খবর। যেন তেন সব দুর্নীতি না, একেবারে বিশ্ব রেকর্ড করার মত দুর্নীতি! লাখ টাকা দিয়ে সিলিং ফ্যান কেনা হচ্ছে! তাও আবার ভিক্ষার টাকায়। কোন বিচার নেই, ঠেকানোর উদ্যোগ নেই। অথচ শ্যামল কান্তিকে জেলে পাঠানো হয়েছে ঘুষের অভিযোগে। অর্থমন্ত্রী না বলেছিলেন, ঘুষ বলে কিছু নেই, সব স্পীড মানি? অনেক দেশেই নাকি এমন ব্যবস্থা। তো নিরীহ শিক্ষক মশায়কে সেই বাবদে একটু ছাড় দিতে পারতেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের উপর লেখা বইয়ের সংগ্রহশালা


ডাউনলোড লিংক

শ্যামল ছায়া - হুমায়ুন আহমেদ

জোছনা ও জননীর গল্প - হুমায়ুন আহমেদ

আগুনের পরশমনি - হুমায়ুন আহমেদ

১৯৭১ - হুমায়ুন আহমেদ

মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথন - এ কে খন্দকার / মঈদুল হাসান / এস আর মীর্জা

রাইফেল, রোটি, আওরাত - শহীদ আনোয়ার পাশা

দালাল আইনে সাজা প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী - এ এস এম সামছুল আরেফীন

দুই মুক্তিযোদ্ধা - ইমদাদুল হক মিলন

অপারেশন জ্যাকপট - সেজান মাহমুদ

একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়

বাঙালি জাতীয়তাবাদ


স্বাধীনতাকে আমরা আরো গভীরতর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে বুঝতে শুরু করলাম ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে। ওই পর্যায়ে আমাদের জাতিচেতনা দ্বিজাতিত্ত্বের ধর্মকেন্দ্রিক সংকীর্ণ সংজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়ে উন্নীত হয় বাংলা ভাষা, বাঙালি সংস্কৃতি, এবং নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের ভিন্ন একটি জাতীয়তাবোধে। জাতীয়তাবোধের রাজনৈতিক রূপায়নই জাতীয়তাবাদ। সেই জাতীয়তাবোধ এবং জাতীয়তাবাদের আমরা নাম দিয়েছি "বাঙালি জাতীয়তাবাদ"।

২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা এবং কিছু প্রশ্ন


ইয়াহিয়া খান অনেক নাটক করে গোপনে ঢাকা ছেড়ে চলে গেলেও, খবরটা গোপন থাকেনি। বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার এ কে খন্দকার এটা দেখে জানিয়ে দিয়েছিলেন শেখ মুজিবকে। শেখ মুজিবের কাছে রাত আটটার দিকে একটি চিরকুট আসে যেখানে বলা হয়, আজ রাতে আপনার বাসায় হামলা হতে পারে। এ কথা আমরা জানিই যে, অপারেশন সার্চলাইট এর মূল পরিকল্পনায় শেখ মুজিবের গ্রেফতার সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েই উল্লেখ ছিল। সম্ভাব্য হামলার কথা টের পেয়ে রাতে তাজউদ্দীন আহমদ শেখ মুজিবের জন্যে স্বাধীনতার ঘোষনা লিখে নিয়ে এসেছিলেন, বলেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে যুদ্ধ পরিচলনা করতে। কিন্তু শেখ মুজিব রাজি হননি এবং তাদের সবাইকে যার যার বাসায় চ

চলুন দেখে আসি, একটু ছুঁয়ে আসি


চোখ বুঁজে কল্পনার ডানা মেলে দিন, একটু ভাবুন তো - কেমন ছিল সেই দিনগুলো?

প্রজন্ম একাত্তর



আমি যুদ্ধ দেখেছি
--কৌশিক মজুমদার

ধর্ষিত প্রেমিকার লাশ আমি বুকে নিয়েছি,
বারংবার মহাকাশে তাকিয়ে স্রষ্টাকে প্রশ্ন করেছি,
বেয়নেটের খোঁচায় যারা আমার প্রেয়সীর যোনী ক্ষতবিক্ষত করেছে,
তাদের লাশের উপর আমি তান্ডবনৃত্য করেছি,
রাইফেলের বাঁটে থেঁতলে দিয়েছি জননাঙ্গ ,
আমি যুদ্ধ দেখেছি,মানুষকে মরতে দেখেছি..

১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের জেলখানা ও স্বাধিনতা পরস্পর বিরধি নয়কি?


ইষ্টিশন ব্লগে বড় বড় অক্ষরে,২৬ই মার্চ মহান স্বাধিনতা দিবস লেখা দেখেই লেখাটা শুরু করেছি কোথায় থামবো জানি না,
আমি জানি না এই ধরনের মূর্খ মনতব্যকারির বিপক্ষে ঠিক কি লেখা উচিৎ, কারো কাছে স্বাধিনতার সংগা যদি হয়„ ১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের জেলখানা,তাকে কি বলা যায় ? কেউ যদি মনে করে, মানুষের জাতায়াতকে শিমাবদ্ধ করবার নাম স্বাধিনতা তাকে কি বলবেন ?
কেউ যদি মনে করে সামরিক বাহিনি নামক সন্ত্রাসি গোষ্ঠি পুষবার নাম স্বাধিনতা তাকে কি বলবেন ?
আমার মনে হয়, একমাত্র অতিবর্বর পিশাচ শ্রেনির কেউ না হলে, রাষ্ট নামক জেলখানাকে স্বাধিনতা শব্দের সাথে জুড়তে
পারে না ।

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!


১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

সুযোগ সন্ধানী জিয়া ছিলেন শেখ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষণার একজন পাঠক মাত্র


১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি গণযুদ্ধ এটি কোন সামরিক যুদ্ধ ছিল না। সুতরাং সামরিক সামরিক অভ্যুত্থানের কোন প্রশ্নই উঠে না।

আজ সেই ভয়াল ২৫শে মার্চ


বাংলার ইতিহাসে এই রাত্রিকেই কালরাত্রি হিসাবে স্মরণ করা হয়। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে পরাজয় বরণ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা বাঙ্গালিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের নামে টালবাহানা শুরু করে। কয়েক দফা মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক করেও কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে ইয়াহিয়া খান চলে যান পাকিস্তানে। তারপর আসল সেই ভয়াল কালরাত ২৫ শে মার্চ। ইয়াহিয়ার নির্দেশে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার লোককে হত্যা করে যা ইতিহাসে অপারেশন সার্চলাইট নামে খ্যাত। ২৫ শে মার্চ রাতে রাজারবাগ পুলিশলাইন, পিলখানার তৎকালীন ইপিআর ক্যাম্প, ঢাকা বিশ্ববিদ্যা

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর