নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কাঠমোল্লা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জহিরুল ইসলাম
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

জিম্মি উদ্ধার অভিযান ও আমাদের গণমাধ্যম


গুলশান জিম্মি সংকটের অবসান হলো। যৌথ বাহিনীর অভিযানে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এর সফল সমাপ্তি হলো।

শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালায় এবং সেখানে আগমনকারীদের জিম্মি করে রাখে। বাংলাদেশের জন্য ঘটনাটি অভিনব সন্দেহ নেই।

এ রকম একটি ঘটনার সংবাদ পরিবেশনে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। গণমাধ্যমে প্রচারিত একটি শব্দ, ছবি এমনকি ইঙ্গিতেরও রয়েছে বিরাট তাৎপর্য। এ মুহূর্তে বিশ্বের সব গণমাধ্যমের চোখ বাংলাদেশের ওপর- বিশেষ করে ঢাকার গণমাধ্যমগুলোর ওপর।

তনু একটি নাম নয় একটি আন্দোলন


কিছু প্রশ্ন-
ভাই কি লাভ হবে আন্দোলন করে??
আন্দোলন করেতো দেখলাম কি পেয়েছি?
ভাই ফেবুতে বহু কথা বলা যায় রাস্তায় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না!!
ওমুক যায়গাতে ওমুকের, হত্যা, তনুর হত্যা কোন হত্যার বিচার এই সরকার করতে পারছে না!
চল্লিশ বছর আগের বিচার হয় কিন্তু তনু হত্যার বিচার কেন হয় না?
এই সরকার চলে গেলে বিচার হবে।
ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই একে কাসুন্দি।শুনে আসছি।কিছু উত্তর অবশ্যই দেয়া উচিৎ আমাদের,যেমন শুধু একটি প্রশ্নের উত্তর দেন-

১৯৭১ ও একটি শোকগাঁথা


যুদ্ধশেষে একটি পাক ক্যাম্প থেকে উনারা প্রায় ৩০০ জন নির্যাতিতা নারীকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করেন। পাকসেনাদের মাত্রাতিরিক্ত লালসার শিকার হয়ে অনেক নারীই পড়নের শাড়ী গলায় দিয়ে আত্মহত্যা করায় পাকসেনারা তাদের কাছ থেকে সব কাপড় কেড়ে নিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় বন্দী করে রেখেছিল।
এদের মধ্যে একটি মেয়ে বারবার মুক্তিযোদ্ধাদের পায়ে পড়ে অনুরোধ করছিল তাকে যেন গুলি করে হত্যা করা হয়। উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা এবং ভারতীয় অফিসার রা এতে বিস্মিত হয়ে পড়েন। এক মহিলা নার্সকে দেয়া হয় মেয়েটির সুশ্রুষা আর রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব।

সাদাসিধা খাম- শাহরিয়ার অনিম


তুমি একবারের জন্যও ভাবলে না তোমার চেক শার্টটা জড়িয়ে ধরে সে কত বেলা অভুক্ত কাটাবে?
মা জননীর আর্তনাদ করতে করতে নিথর হয়ে যাওয়া দেখলে মর্গের ডোমের নেশাগ্রস্থ চোখেও পানি জমে।
একটা ঘটনা বর্ণনা করি... অগোছালো আনক্লিয়ার বিষয়টা ক্লিয়ার হবে...

কল্পনা চাকমা'র অপহরণঃ ইতিহাসের কালো রাত্রি


কল্পনা চাকমা অপহরণের আজ ২০ বছর পূর্ণ হয়ে দুইদিন অতিবাহিত হয়েছে। মুখে ২০ বছর বলতে ও শুনতে কয়েক মুহূর্ত লাগলেও সময়ের দীর্ঘতা অনেক বেশি। ২০ বছর আগে যে ছেলেটা মায়ের গর্ভে ভ্রূণ হয়ে ছিল সেই ছেলেটাও আজ রাজপথে প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছে তার বোনের অপহরণের বিচারের দাবিতে। কল্পনা চাকমাকে সে কখনো দেখেনি, উনার সম্পর্কেও সে কিছুই জানতো না। ইতিহাস তাকে জানতে শিখিয়েছে সেদিনের সেই কালো রাত্রিতে জলপাই রঙে মোড়ানো কিছু নুপংশু কতটা হিংস্রভাবে নিয়ে গেছে। সেই ইতিহাসেই তাকে অনুভব করতে শিখিয়েছে, তাই আজও সেই ছেলেরা চেতনায় লালন করে।

বাংলাদেশি নিপিরিত হিন্দুদের নির্মম বাস্তবতা


বাংলাদেশের অতিত ঘাঠলেই পাওয়া যায় গনহত্যা,নিপিরন,শোষন,দমনের ইতিহাস।সুদুর পাকিস্তান আমল থেকেই বাঙ্গালি নিপিরিত,এই নিপিরিতিদের মধ্যে একাংশ নিজেদের লিঙ্গের অগ্রভাগ দেখিয়ে মুক্তি পেলেও যারা মুক্তি পায়নি তাদের নাম বাঙ্গালি হিন্দু।স্বাধীনতাত্বর ইংরেজ শাসনের পতনের পর গঠিত হয় দুটি দেশ গনতান্ত্রিক ভারত এবং ধর্মভিত্তিক পাকিস্থান,মুলত ভারতের উত্তরাংশের এবং পুর্বাংশের মুসলিম সংখ্যাগরিস্ট অঞ্চল গুলি নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্থান।দুই পাকিস্থানের মুসলিমরা যতটা না ভারত বিদ্ধেষি ছিলো তার অধিক তারা ছিলো হিন্দু বিদ্ধেষি,অবশ্য এই কথা বলাই বাহুল্য মুসলিমদের তীব্র হিন্দু বিদ্ধেষের পরিনামেই একটি অখন্ড ঐক্যবদ্ধ দেশ বিভাজ

সাবিরাদের জন্য ভালোবাসা


ক্লাস নাইনে আমি একটা কোচিং এ ভর্তি হয়েছিলাম। তাও বাবা মায়ের চাপে। তারপর কোন এক শুক্রবারে মান্থলি টেস্ট দিতে গিয়ে পরিচয় হয়েছিল একটা মেয়ের সাথে। আমার সহপাঠী, নিশাত। আমার জীবনের প্রথম মেয়ে বন্ধু, নিশাত। অসম্ভব সুন্দর আর নিষ্পাপ একটা মেয়ে। আমাকে দেখলেই কোমরে হাত দিয়ে বলতো, "দেখতো, আমি কি একটুও চিকন হচ্ছি ?" বলেই একগাল হেসে নিতো। হাসতে হাসতে মুখ লাল হয়ে যেত তার।

শহীদ বুদ্ধিজীবী এয়াকুব আলির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা


এদেশের ইতিহাসে জঘণ্যতম কালো অধ্যায় একাত্তরে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা। আজকের বাংলাদেশের দিকে তাকালে এ হত্যার নির্মম পরিণাম বোঝা যায়!! সেসব আপনারা প্রতিদিনই অনুভব করছেন, তাই এ প্রসঙ্গ বাড়াবো না আজ।

স্মৃতিচারণ হুমায়ুন আজাদ


সবার মত আমারও বাবা ছিল। আমিও সবার মত বাবা’র সাথে ঘুরে বেড়াতাম। পরীক্ষা শেষে আমরা বাসায় একসাথে ক্রিকেট খেলতাম। বাবা’কে আমি আব্বু বলে ডাকতাম আর আব্বু আমাকে অনন বলে ডাকতো। বাবা অনেক রাগী ছিল। বাবা’কে অনেক ভয় পেতাম। বাবা’কে তুমি সম্বোধন করতাম আর বাবা আমাকে তুই করে ডাকতো। বাসায় বাবার বৈশিষ্ট্য ছিল, পেছন থেকে হঠাৎ করে কাঁধে জোরে চর মেরে জানান দেওয়া যে বাবা এসেছে। বাবা অনেক আদর করত। বাবা অনেক শক্ত মানুষ ছিল। যত কিছুই হয়ে যাক না কেনো বাবা কোন ভাবেই ভেঙে পড়ত না। বাবা অনেক শাসন করত। বাবা শাসন করত বলেই বার্ষিক পরীক্ষার ভালো রেজাল্ট করে চমক দেখাতাম। বাবা অনেক রসিক ছিল। বাবা বলত, মাস্টারকে কী ঘুষ দিয়েছি

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর