নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কাঠমোল্লা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জহিরুল ইসলাম
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

নিলয় নীল - এক অপরাজিত বিপ্লবী ফুল


১. আজ নিলয় নীল হত্যাকান্ডের এক বছর । অথচ এই হত্যাকান্ড নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই সরকার, আইন ও প্রসাসনের । এক বছর আগে এই দিনে এই সময় , নিলয় নীলের ফেসবুকের নামের পাশে একখানা সবুজ বাতি ছিল । যে সবুজ বাতি নিশ্চিত করছিলো দরজার ওপাশে সে জীবিত আছে ।

রক্তভেজা ১২ই জুলাইঃ ভুলে যাওয়া একটি জ্বলন্ত দিন


আজ সেই ভয়াল ১২ ই জুলাই .এইট মার্ডার দিবস।

আজ থেকে ১৬ বছর আগে ২০০০ সালের এইদিনে চট্টগ্রাম গভঃ কমার্শিয়াল ইন্সটিটিউটে ছাত্রলীগের কর্মী সম্মেলনে যাওয়ার পথে আচমকা নেতাকর্মী ভর্তি একটি মাইক্রোবাসেকে বহদ্দারহাট মোড়ে ঘিরে ফেলে ছাত্রশিবিরের কিলিং স্কোয়াড। চারদিক থেকে ঘিরে "নারায়ে তাকবীর ,আল্লাহ আকবর" শ্লোগান দিয়ে ak 47 আর m 16 রাইফেল থেকে শুরু করে ব্রাশফায়ার্। গাড়িতেই বুলেটে বুলেটে ঝাঁঝড়া হয়ে লুটিয়ে পড়েন ছাত্রলীগের ৮ জন নেতাকর্মী। আমার বন্ধু হেলাল ও সেদিন শহীদ হন। হেলাল সে সময়ে কমার্শিয়াল ইন্সটিটিউট এর ভিপি ছিলো। বয়সে আমার বড় হলেও আমাদের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে সেটা কখনোই বাধা ছিলো না।

মাদ্রাসা শিক্ষাব্যাবস্থা এবং জঙ্গীবাদের মাঝে সম্পর্ক: একটি ফেসবুক লাইভ আলোচনা


মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থা এবং বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে একটা তথ্যবহুল এবং জনসচেতনতামূলক আলাপের আয়োজন হয়েছে।

শনিবার ০৯ জুলাই ২০১৬, ফেসবুক লাইভে Muhammad Golam Sarowar ভাইয়ের সাথে এ বিষয়ে আলাপে যারা যোগ দিতে চান, আমার ফেসবুক ওয়ালে নজর রাখুন।

সাংবাদিক ভাইবোনেরা কি শিক্ষা নেন?


গুলশানের রেস্টুরেন্টে হামলা লাইভে দেখছেন তো সবাই, তাই না? . .RAB এর মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ কতই বারণ করেছিল যে,ঘটনাটি লাইভ না দেখানোর জন্য। কারণ জানি যে আমাদের সাংবাদিক ভাইবোনেরাও ঠিক কোন লেভেলের। তাঁরা "অনেকেই এখন টিভি দেখছে" কথাটা বলার মূল উদ্দেশ্য বুঝবে না। এবার বলি... যারা রেস্টুরেন্টে ঢুকে গোলাগুলি করার মত দুঃসাধ্য কাজ করতে পেরেছে তাঁদের বুকের কলিজার সাইজটা আপনার ধারণা করে নেয়া উচিৎ। "শ্যুট আউট এট লোখান্ডওয়ালা" দেখেছেন কেউ? . . আচ্ছা লোখান্ডওয়ালা পর্যন্ত যেতে হবে না। চলেন মুম্বাই যাই। ২০০৮ এ তাজ মহল হোটেলে কি হয়েছিল মনে পড়ছে?

প্রচলিত মিথ্যা কথা


'ব্রেইন ওয়াশ' বা প্ররোচিত করা হয়েছে, এসব কথা বললে খুনী জঙ্গীদের অপরাধ এক বিন্দু কমবেনা।বরং এসব কথা তাদের অপরাধকে একভাবে জায়েজ করা হচ্ছে।এমন হলে আল্লাহতালা দোজখ সৃষ্টি করতেন না। কেউ কোন অপরাধ করলে তাকে শয়তানে প্ররোচিত করেছে বলেই মাফ পেতো।

শুনতে খারাপ মনে হলেও,এসব জঙ্গীদের পরিবারকে ধরা উচিত। রক্তের বদলে রক্ত বা 'কিসাস' বলতে একটা বিষয় আছে।ভিক্টিমরা কারো না কারো মা বাবা ভাই বোন। এ হিসাবে এদের পরিবার কে ধরা হোক।দে হ্যাভ টু টেইক দা রেস্পন্সিবিলিটি অফ গিভিং বার্থ অফ সাচ বাস্টার্ডস।এমন এক্সাম্পল ক্রিয়েট করা হোক যাতে ভবিষ্যতে কোন তরুণ তার পরিবারের পরিণতির কথা ভেবেও এ পথে পা না বাড়ায়।

জঙ্গিদের বিস্তার: মাদ্রাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়


ধর্মের নামে সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদের বিস্তার যে শুধু মাদ্রাসাকে ঘিরে হচ্ছে না, তার প্রমাণ অতীতেও দেখা গেছে৷ গুলশানের রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনা তারপরও বিস্ময় জাগিয়েছে৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিস্তার রোধে এখনি পদক্ষেপ নেয়া দরকার৷

তোমরা এক এক ফোঁটা শূক্রানুর চরম অপচয়


আসলে গতকালের লেখায় কিছু ভুল ছিল।গতকাল শুধু এতটুকু প্রমান করার চেষ্টা ছিল জঙ্গীদের উপর যে হুরপরীগন ক্রাস খায় তারা সেডিষ্ট।কথাটা আংশিক ভুল।এর থেকেও বড় স্যাডিষ্ট আছে।তাহারা আবার তথাকথিত সেলেভ।তারা বলিয়াছেন ভালবাসা দিতে।ভালবাসলে জঙ্গীরা এমন হতো না।তাই তাদের ভালবাসুন।কিছু আবার জঙ্গী সহ সকল প্রানের জন্যে দোয়া চেয়েছেন।তাদের মতে তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।আর যদি আমি তাদের ধ্বংস চাই বা তাদের ঘৃনা করি তবে আমাদের ক্লাস নাকি নিচু স্থরের।হ ভাই আমাদের টা একটু নিচুই তোমাদের মত মায়েদের ধর্ষন কারী আর জঙ্গীদের উপর ক্রাস খাইতে পারি না বা ভালবাসতে পারি না বলে একটু না হয় নিচু স্থরের হলাম তবে তা নিয়ে আমি গর্বিত।

জঙ্গীবাদ ও কিছু প্রশ্ন


গুলশান ঘটনার পর একটা বিষয় স্পষ্ট যে এতদিন যারা মাদ্রাসাকে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা বলতেন তারা আজ দেখুন কারা এই হামলায় জড়িত। তারা কেউ মাদ্রাসার ছাত্র না। তারা সবাই দেশ বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমরা এর আগে এতদিন সবাই জানতাম যারা জঙ্গী হয় তারা সবাই মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে। স্কলাসটিকা এবং নর্থ - সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা জঙ্গী তৈরীর মূল কারখানা, তবু ও সরকার কেন ঐ সকল প্রতিষ্ঠান গুলো বাংলার মাটি তে নিষিদ্ধ করছে না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে তারা মাদ্রাসার পাশাপাশি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আর এমন কাউকে পাওয়া গেলে বুঝতে হবে সে মুমিন না মুনাফেক। বিশ্বের সকল জঙ্গি হামলায় তথাকথিত আধুনিক

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর