নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

বাংলাস্তান তুমি দীর্ঘজীবী হও! লক্ষ লক্ষ সংখ্যালঘুর দেশত্যাগ তোমার ইতিহাসে লজ্জা হয়ে থাকুক...


রসরাজের পরিবার নাকি এদেশ ছেড়ে চলে গেছে ভারতে। শেষ জম্মভুমির ভিটে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে তারা। শেষ অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে রসরাজদের। এদিকে রসরাজের জামিন হয়নি। হয়তো ছেলেটা দিনের পর দিন জেলে পঁচে মরবে। তারা যাবার সময় হয়তো কিছু স্নৃতি মনে করে হাতড়ে হাতড়ে বেড়াবে। পেছনের দিকে বার বার ফিরে দেখবে। চোখের জল মুছবে। শৈশবের বেড়ে উঠার স্নৃতি মনে পড়ে পড়ে হয়তো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে।

অভিজিৎ দা,আপনাকে


অভিজিৎ দা,
আপনি চলে যাবার পর
আরো বেশি করে আপনাকে কাছে পেয়েছি;
আপনার রক্তের প্লবতা
আমাকে এখনও ভাসিয়ে রাখে
মুক্তির নেশায়,
আপনার স্বপ্ন
নিয়তই আলোড়িত হয় -
আমার স্নায়ুর উত্তেজনায়।

দাদা, আমার অনুবীক্ষণেও
বিশ্বাসের ভাইরাস ধরা পড়ে;
অবিশ্বাসের দর্শন আমিও বুঝি;
প্রাণের রহস্য খুজতে গিয়ে -
রসায়নের দারুন জটিলতা আয়ত্বে আনি;
শূন্য থেকে পা বাড়াই মহাবিশ্বের প্রান্তরে-

দাদা, ভিতরে ভিতরে
খুব গভীরভাবে অনুভব করি -আপনাকে।

বিবেক কথা বলে!


কবুল হজ্জ্বের হয়গো সওয়াব
বাবা মায়ের প্রতি,
এক চাহুনি নেক নজরে
হাদিস বলে সত্যি!
তাই তো আমি যাই ছুটে যাই
সময়ে পেলে ক্ষীণ,
সালাম করি তাকিয়ে থাকি
যাদের কাছে চীরঋণ।
ভুলবো না’কো বাবা-মা গো
বাঁচবো যতো দিন,
করছো লালন করছো বারণ
যখন ছিলাম অবুঝ খোকা
আমি বুদ্ধিহীন।

শ্রদ্ধায় নত হয় যে মাথা
শুনলে মায়ের কথা।
কারন মা যে চোঁখের মণি
জান্নাতেরই ছাতা,
মায়ের প্রতি আসলে আঘাত
হিংস্র হয় গো মন,
তীব্র রাগে ক্ষিপ্ত মেজাজ
হোক না সে যেই জন।

কবি নজরুলের সমাধি নিয়ে রাজনীতি ও সব্যসাচীর আক্ষেপ


বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। অসামান্য প্রতিভাধর এই কবিকে বাংলাদেশে আনার পেছনে যেমন অনেক অনাকাংখিত গল্প আছে, ঠিক তেমনি তাঁকে সমাধিস্থ করার পেছনেও কিছু অনাকাংখিত সত্য ঘটনা আছে। কবির প্রয়াণের পর তাঁর কবর কোথায় হবে, এ নিয়ে যে নির্লজ্জ রাজনীতি সেদিন হয়েছিলো, তার একটা অংশ আনিসুজ্জামানের ‘বিপুলা পৃথিবী’ থেকে হুবহু তুলে দিচ্ছি। আগ্রহীরা পড়তে পারেন।

উহু, একদম অবহেলা নয়


শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছেন? হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। আমি ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের কথা বলছি। ২১ আগস্ট তিনি সবাইকে শোকসাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এতোদিন তিনি পরিবারসহ দর্শকদের জন্য চিন্তা করেছেন। তাদের জন্য কাজ করেছেন। অথচ সেই মানুষটি অবিবেচকের মত চলে গেলেন। ঠিকানা বদল করলেন। লক্ষ্মীকুঞ্জ থেকে গেলেন সোজা বনানীতে। অথচ একবারও ভাবলেন না, এখন অন্যদের কি হবে? বড্ড বলতেন তিনি, উহু কোন কাজেই অবহেলা নয়। একদমই নয়। সিরিয়াসলি কাজটা করতে হবে। নাহলে হৃদয়ে ঠাঁই পাওয়া যাবেনা। বিষয়টি যে মিথ্যে নয়, নায়করাজ নিজেই তার প্রমাণ।

কালো রাত বাঙালী কলঙ্কিত


১৪ আগস্টের রাত। রাতে ডিউটি ছিল আমার সহকর্মী ছাফদারের। কিন্তু ওর ব্যক্তিগত কাজ থাকায় আমাকে ডিউটি করতে অনুরোধ করল। আমার দুপুরের ডিউটি ছাফদার করল। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে গাড়ি এলো। ৮টায় বঙ্গবন্ধুর বাসভবন ৩২ নম্বরে পৌঁছালাম। ছাফদার চলে গেল। রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত গেটে পাহারারত আর্মিদের সঙ্গে গল্প করলাম। ১টা ১০ মিনিটে আমাদের জন্য নির্ধারিত বিছানায় শুতে গেলাম লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম খেয়াল নেই। হঠাত্ টেলিফোন মিস্ত্রি মতিন আমাকে ধাক্কা দিয়ে উঠাল। বলল প্রেসিডেন্ট সাহেব আমাকে টেলিফোনে ডাকছেন। সম্ভবত তখন সময় ভোর ৪টা ৩০ বা ৫টা। চারদিক বেশ পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমি তড়িঘড়ি করে

"মুজীব-স্থপতির মৃত্যু"


(প্রকাশিত) The Times Magazine, USA; 25 August 1975

মুজীবের ব্যক্তিত্ব ছিল অত্যন্ত আকর্ষনীয় ও জাদুকরী। তার প্রাণচাঞ্চল্য উদ্যমী করে তুলতো সবাইকে। তার আবেগময় ভাষণে লক্ষ লক্ষ জনতা উদ্বেলিত হতো।

একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, "আমি গান্ধী,জিন্নাহ,ও নেহেরুর রাজনীতি এবং জনসম্পৃক্ততা দেখেছি। কিন্তু মুজীব লক্ষ লক্ষ মানুষের মাঝে যে প্রেরনা জাগিয়ে তুলতে পারতেন, তার কোন তুলনা হয় না। তার আকর্ষনীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা, তা অন্য কোনো নেতার কখনোই ছিল না।"

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর