নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অভিজিৎ
  • মূর্খ চাষা
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

পাহাড়ি জনগণের প্রতি একজন প্রাক্তন বাঙালির খোলা চিঠি


পাহাড়ে আমার ভাইয়েরা-বোনেরা,

আপনাদের উপর দুদিন পরপর নানা অত্যাচার হয় শুনি। দেখি বলতে পারলাম না, তা কেউ দেখায় না। কারণ কর্পোরেট মিডিয়া, সরকারের তাবেদার। সেখানে ঐ জলপাই বাহিনীর কি পরিণাম নজরদারি, তা কিছুটা হলেও দেখার সুযোগ হয়।

আজ ১৯ এপ্রিল বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন এর ১৩৫ তম প্রয়াণ দিবস


"স্কুল ফাঁকি দিয়ে কেউ রবীন্দ্রনাথ হতে পারে না" ছোট বেলায় স্কুল শিক্ষকের মুখে এ মহান উক্তি কে না শুনেছি। স্কুল ফাঁকি দিয়ে যেমন রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না তেমনি আইনস্টাইন ও চার্লস ডারউইন ও হওয়া যায় না। বাল্যকালে এ তিন জনেই ছিলেন ডানপিটে স্বভাবের এবং স্কুল পালানো ছিল এদের স্বাভাবিক ব্যাপার । একাডেমিক শিক্ষা দিয়ে নয় নিজেদের সৃষ্ট কর্ম দিয়ে যেমন যায়গা করে নিয়েছেন পৃথিবীর ইতিহাসে তেমনি যায়গা করে নিয়েছেন শিল্প-সাহিত্য-বিজ্ঞান সাধকদের অন্তরে।

লাশের উপর দাঁড়িয়ে নৃত্য


গত দুই বছর আগে যখন ওয়াশিকুর বাবুকে হত্যা করা হলো,তখন কত জনই কত কিছু বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মায়া কান্না শুরু করলো।মনে হয়েছিলো,বাবুর মৃত্যুতে শুধু তার পরিবার বা অতি নিকট আত্মীয়রাও না, তার থেকেও অনেক বেশী কষ্ট পেয়েছিলো বাবুর ফেসবুক বন্ধুরা।সবাই আবেগ তাড়িত হয়ে নানা ভাবেই তাদের আবেগ প্রকাশ করেছে।এবং কি অনেকেই এমনই আবেগে আবেগান্বিত হয়েছিলো যে (কয়েকজন মেয়ে),বাবুকে নিজের বিএফ বলে পরিচয় দিলো,তারপর তাদের কিভাবে পরিচয়,কোথায় দেখা ইত্যাদি ইত্যাদি।এসব দেখে যে কেও আরো বেশী আবেগান্বিত হয়ে মেয়েগুলোকে কি স্বান্তনাবানী ফেসবুক বন্ধুদের এবং অনেকেই সান্তনা দিয়ে বলে "আপু আপনাকে রিকু দেওয়া হয়েছে দয়া করে এড করে নিব

আমার কলমপতিঃ স্বাধীন ভূখণ্ডে পাহাড়ে গণহত্যা


পরিচিত শেয়ালেরা সারারাত হল্লা করে ফেরে,
ওপরে শকুন ডাকে, শকুনের এখনও সুদিন।
মাংসের ঢেকুর তুলে নেড়িকুত্তা বেঘোরে ঘুমায়;
মাটি কাপেঁ, লাশগুলো আবার দাঁড়াতে চায়।

১৯৮০ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন জাসদের সংসদ সদস্য উপেন্দ্র লাল চাকমা জাসদের ঢাকাস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কলমপতি হত্যাকাণ্ডের কথা প্রথম প্রকাশ করেন। এরপর পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনার জন্য ৫ সদস্যের একটি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়, সেখানে এমপি উপেন্দ্র লাল চাকমাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি।

শব মিছিলের যাত্রীরা...


'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটি অভিজিৎ রায় উৎসর্গ করেছিলেন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুন হওয়া ব্লগার রাজীব হায়দারকে(থাবা বাবা)। উৎসর্গের ভূমিকায় তিনি লিখেছিলেন;-
"শহীদ রাজীব হায়দার শোভন(থাবা বাবা)
শাহবাগ আন্দোলনে 'বিশ্বাসের ভাইরাস'-এর প্রথম শিকার।"

দুই বছর পর ২০১৫ সালে ওই একই ফেব্রুয়ারি মাসে একই ধরনের বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত ঘাতকদের হাতে প্রাণ হারান অভিজিৎ রায়। 'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটি প্রকাশিত হয়েছিলো 'জাগৃতি' প্রকাশনী থেকে এবং প্রকাশক ছিলেন ফয়সাল আরেফিন দীপন। একই বছরের অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ মৌলবাদীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হলেন তিনিও।

অভিজিৎ রায় : আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী


সভ্যতার বিকাশ একদিনের ফলাফল নয়; প্রচলিত মতবাদ আর ধর্মবিশ্বাসের বিপরীতে শত শত মুক্তচিন্তক ও সত্যের সাধকের মৃত্যুর সোপান বেয়েই আজকের এই পৃথিবী। যদি পৃথিবীতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতাবাদ বা ধর্মবিশ্বাসই বহাল থাকতো তবে পুথিবী আজও সূর্যের চারদিকে ঘুরতো! অথচ, প্রচলিত এধরনের ধ্যান ধারণার সমালোচনা করায় হত্যা, আত্মহত্যা আর নির্যাতনের মধ্য দিয়েই আজকের এই সত্যগুলোর প্রকাশ। বিগত ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারিও ডঃ অভিজিৎ রায় নামক এমনই এক সাধকের মৃত্যু ঘটে ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের নিকট রাজপথের ধুলিতে ঘাতকরে চাপাতের আঘাতে! বাংলাদেশের মুক্তচিন্তার বিকাশের আন্দোলনের সাথে জড়িত ডঃ অভিজিৎ রায় বাংলাদেশে সরকারের সেন্সরশিপ এবং ব্লগারদের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদের সমন্বয়কারক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করতেন।

অভিজিৎ দা‘কে নিয়ে


এক অভি হাজারো অভির জন্ম দিল। অভিজিৎ রায় বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন, অমর হয়ে থাকবেন সহযোদ্ধাদের মধ্যে, তার চিন্তা-চেতনা-লেখায়। চাপাতি ও রক্তের যুদ্ধ ‍অভিজিৎ রা, মুক্তমনারা, নাস্তিকরা করে না, তারা করে লেখা, যুক্তি প্রতিবাদের যুদ্ধ।

অভিজিৎ রায় আর অনন্ত বিজয়ের নতুন লেখা বই আর কখনো পাবেনা এই গ্রন্থমেলা।


আবার ঘুরে ফিরে চলে এল ফেব্রুয়ারি মাস। প্রাণের বই মেলার মাস। সাহিত্য প্রেমীদের মাস। নবীন কবিরা টান টান উত্তেজনা তাদের জীবনের প্রথম বইটি প্রকাশ করবে। কেউ কেউ লম্বা আর চুল দাঁড়ি রেখে কবি কবি উদাস হবার চেষ্টা করবে। কোনো সুন্দরীকে ভাব নিয়ে অটোগ্রাফ দেয়ার জন্য তাদের মন উসখুস করবে। কোনো পাঠক বিভিন্ন স্টলে স্টলে ঘুরে ঘুরে তার প্রিয় লেখকের বইয়ে আলতো হাতে স্পর্ষ করে মন জুড়াবে। মেলায় কোনো কোনো লেখক চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে দিয়ে দেশ সমাজ ও বর্তমান রাজনীতি নিয়ে গুরুগম্ভীর আলোচনা করবে। কোনো লেখক তার বইটা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আড্ডায় বার বার জাহির করবে। শিশুসাহিত্যিক-বেশ্যারা দুচার লাইনের

ফিরে দেখা বাংলাদেশে ব্লগারদের রক্তাক্ত লাশ আর সারা পৃথিবী জুড়ে ইসলামিস্টদের গনহত্যার সাল, ২০১৫ সাল!


১৫ সাল আমাদের যা দেয়নি, তারচেয়ে কেড়ে নিয়েছে অনেকগুন বেশি। ২৬ই ফেব্রুআরি আমরা হারিয়েছি একজন বিজ্ঞাণমনষ্ক ও অত্যন্ত প্রগতিশীল লেখক, ধর্মান্ধদের "বিশ্বাসের ভাইরাস"-এর প্রতিরোধক, ড: অভিজিৎ রায়কে। বন্যাদি হারিয়েছে তাঁর একটি আঙ্গুল। হারিয়েছি ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ ও নীল নীলয়ের মতো ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের তুখোড় সমালোচক একেকজন মুক্তচিন্তক আলোর দিশারীকে। হারিয়েছি আমরা একজন মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশক (জাগৃতি প্রকাশন) দীপনকে। এঁরা ঘোর অমানিশায় নিজ দায়িত্বে আলোর মশালটা সবসময় ঠিকভাবে জ্বালিয়ে রাখতো, যাতে ধর্মান্ধ মানুষগুলো মধ্য যুগীয় বর্বর অন্ধকারের দিকে ধাবিত না হয়। তারা ধর্মের রুঢ়তা, সহিংসতা

সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ভূখণ্ডে সৃষ্টিশীল শব্দটি অশ্লীল এবং জঙ্গিবাদ শ্লীল


ফেব্রুয়ারী, ২০১৫। পহেলা ফাল্গুন থেকে বইমেলা জমে উঠেছিল। ফাল্গুনের পূর্বে বইমেলায় ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যাই বেশি। মেলায় শুরু থেকেই দাড়ি-টুপি জিহাদির সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর