নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

বইমেলার স্টলে পর্ণতারকাদের নাম, রাষ্ট্রীয় ইচ্ছারই প্রতিফলন।



তিন কিশোর কাজটি সঠিক করেছে । জেনে থাকবেন এবারে বইমেলা শুরুর ২/৩ আগেই ডি.এম.পি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বলা হয়েছিলো বইমেলা হবে ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে। তো এই বিতর্কিত ব্যানার একবার ভালো করে দেখুন তো, এখানে কিন্তু আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতীয় মূল্যবোধের মাঝে সব গুলোই তারা আক্ষরিক অর্থে পূরণ করেছে। ব্যানারের শুরুতেই লক্ষ্য করুন “বিসমিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম” কথাটি লিখা হয়েছে। এটা আমাদের বিশাল বড় ধর্মীয় মূল্যবোধ যার প্রশ্নে আমরা আপোষহীন, তাহলেই ভাবুন, হলো কিনা এই বইমেলায় ধর্মী মূল্যবোধের রক্ষা?

ইস্পা আত্মহত্যা করেনি তাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছিল


স্বভাব চরিত্র এমন কি দৈহিক দিক দিয়ে অপূর্বসুন্দরের অধিকারিণী ছিল ইস্পা,ফুটফুটে এক কন্যা সন্তানের জননী সে।পরিবারের সবচেয়ে বেকার ও লাফাঙ্গা চরিত্রের একটি ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছিলো ইস্পার। পারিবারিক লালসার শিকার এই মেয়েটি হত্যা কাণ্ডের শিকার হয়েছিল গত বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালের মে মাসের ছয় তারিখে। রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে মিডিয়া থানা পুলিশ সবকিছুই বশীভূত করেছিল ইস্পার শশুর বাড়ির লোকজন ।সমস্ত ঘটনা আড়াল করে হত্যার মূল আলামত নষ্ট করে আত্মহত্যার তকমা লাগিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় আত্মহত্যার শিরোনাম দিয়ে সংবাদ ছাপাতেও দ্বিধাবোধ করেনি শশুর বাড়ির পাষণ্ড লোক গুলো।টাকা নামের স্লিপ

তোমার জন্য একটা চিঠি।


এইতো বেশ সুখে আছি। হাসি, ভেসে দিন যায়, দিব্যি খাই ঘুমাই। জানোইতো বরাবর আমার ঘুম একটু বেশি, বালিশে মাথা পেতে দিলেই নিদ্রাদেবী তার মায়া আমার উপর ঢেলে দেয়। শত ব্যস্ততার মাঝে তোমার কথা আজকাল মনে পড়ে না। তুমি যে একজন ছিলে তা এখন আর মনে নেই। হ্যাঁ যদি কোনো আত্মীয়জন মনে করিয়ে দেয়, যদি জিজ্ঞাসে তোমার কথা তখন মনে পড়ে। তুমি নিশ্চয় ভাইলোই আছো।

গ্রন্থমেলার ধর্মী, সামাজিক ও জাতীয় করণ এক মহতি উদ্যোগ


আমাদের মহামান্য বাংলা একডেমি আর ডিএমপি মিলে যেহেতু সিধান্ত নিয়েছে বইমেলা কে ঘিরে, তাই অবশ্যই এবারে বইমেলা হবে ধর্মী, সামাজিক ও জাতীয় মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে, এরচেয়ে ভালো কিছু নির্বাচনের বছর আশাও করি না। কিন্তু খারাপ লাগে আমাদের সভ্য সমাজের অসভ্যপ্রায় আচরণ দেখে। এবারও বাংলা একাডেমি কিছু পদক দিবে, আমাদের লালায়িত, মেরুদন্ডহীন সাংস্কৃতিক লোকজন দুহাত পেতে পদক নিবে, কারো সাহস হবে না পদক প্রত্যাখানের, কারো সাহস হবে না উচ্চকন্ঠে একবার এই ধরনের অযাচিত সিধান্তের প্রতিবাদ করতে। আর কিছু ঘৃণাজীবিরা এইসব সিধান্তের জন্য মুখভরে বাহবা দিবে।

" সুখ "


আজকাল দেখি ওরা রোজ রোজ
টাকা দিয়ে সুখ কিনতে যায়,
কিনতে যায় বললে অবশ্য ভুল বলা হয়,তারচেয়ে বরং বলা চলে, ওরা সুখ
খুঁজতে যায়। আমি চুপচাপ দেখি আর হাসি, তবে শব্দ করি না। আমি দেখি পাখীরাও হাসছে শেষ বিকেলের
কাঁঠবেড়ালিটাও হাসছে কিংবা ক্লান্ত শালিকটাও।
ওরা কিভাবে বুঝবে ট্রামে ধাক্কা খাওয়ার ঠিক আগে
কতটা সুখে ছিলেন জীবনানন্দ দাশ। কিংবা মধুসূদন যখন প্রবাস জীবনের কষ্টে আবার বাংলায় ফিরে এলেন!!!
কিভাবে বুঝবে প্রতিটা বালুদানায় কতটা সুখ আছে।
কিভাবে বুঝবে পঞ্চম_তলার বেলকনিতে বসে থাকা নিঃসঙ্গ
বালকের_অশ্রু_নিংড়ানোর গল্পটা।

ভারত তো ৩৭৭ ধারা নিয়ে ভাবছে, বাংলাদেশ কি পারবে?


ভারত গনতান্ত্রিক চর্চায় বাংলাদেশ থেকে অনেক অগ্রগামী এটা নিয়ে বির্তকের কোনো অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না। তাই তাদের পক্ষে যতটা সহজ ৩৭৭ধারাকে বাতিল করা, আমাদের জন্য ঠিক ততটাই কঠিন। ৮ জানুয়ারীতে বিবিসি বাংলা তাদের প্রকাশিত খবরে লিখলো, ভারতে বর্তমানে কট্টোর হিন্দুবাদী দল ক্ষমতায় থাকায় এই ৩৭৭ সংক্রান্ত মামলার রিভিউ নিয়ে সংশয়ের অবকাশ আছে। কিন্তু আমাদের দেশে যে দলকে সবচেয়ে বেশি উদারপন্থী মনে কার হতো সেই দলের শাষনে আমলেই দুইজন সমকামী অধীকার কর্মীকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এবং হত্যাকারীদের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাফাই গাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

দুটি গ্রুপ, একটি জোট !


একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে অামাকে খুঁজছিল, কিন্তু পাচ্ছিল না! কলকাতা গিয়ে অামাকে খুঁজে পাওয়ার পূর্বেই পুলিশ তাদের খুঁজে পেয়েছে!
রিসেন্টলি অারেকটি গ্রুপ, যারা দেখতে মুক্তমনাদের মত, কথা বলে মুক্তমনাদের মত, গান গায় মুক্তমনাদের সুরে; তারা প্রথম গ্রুপের কাছে ইচ্ছে করে অামার বাসার লোকেশন প্রকাশ করেছে। অামাকে হত্যা করতে প্রথম দলের লোকদের উস্কে দিয়েছে।
দ্বিতীয় গ্রুপের দৃষ্টিতে অামার অপরাধ অনেক বড়, অামি নাকি নাস্তিক হয়েও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলি!
নাস্তিক হলে নাকি নারী নির্যাতনের বিপক্ষে কথা বলতে হয়না!

বিজয় দিবস


আবারো বছর ঘুরে এলো বিজয় দিবস। ছোট বেলায় দেখতাম, পাড়ার মোড়ে দোকানে ছোট ছোট পতাকা ঝুলছে। মাইকে বাজছে বিজয়ের গান। বড় ভাইয়েরা দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছে আর আমরা এক কোনায় দাড়িয়ে শুনছি তারা কি বলে। সিঙ্গারা সমুচা পাওয়া যাবে-দাড়িয়ে থাকার সেটাও একটি উদ্দেশ্য ছিলো।
আজ বড় হয়ে গেছি। এখনও বছর ঘুরে ঘুরে আসে বিজয় দিবস। ৩৬৪ দিন পর আবার এসেছে ১৬ ডিসেম্বর। আবারো রাত ১২ টায় প্রধানমন্ত্রী আর রাষ্ট্রপতি পুষ্প অর্পণ করবেন স্মৃতিশৌধে আবারও শীতের সকালে কম্বলের নীচ থেকে বের হতে চাইবে না শরীর।

যে জাতির সামনে ১৪ই ডিসেম্বর আছে সেই জাতির অনন্তকাল কান্নার কারণ আছে।


রাও ফরমান আলির উপর যতটা না ক্ষোভ জন্মে তার থেকেও বেশি ঘৃনায় গা ঘিনঘিন করে এদেশীয় দেশদ্রোহী রাজাকার বাহিনীর উপর। কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যেতির্ময় গুহঠাকুরতা, সুরকার আলতাফ মাহমুদ এদের নাম পাকিস্তানিরা শুনেছিলো। কিন্তু ঢাকার কোন জায়গার, কোন গলির, কত নম্বর বাসায় এরা থাকতো সেই খবর ফরমান আলীর জানার কথা নয়, কিন্তু তারপরও জেনেছিলো। শুধু এরা নয় সেই রাত্রে বাংলার প্রায় দুই শত শ্রেষ্ঠ সন্তানের শোবার ঘর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা। শুধুমাত্র একটি রাতে দুইশত মানুষকে তাদের বাসস্থান থেকে তুলে আনা ভিনদেশী হায়েনাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তার জন্য প্রয়োজন ঘরের শত্রু। রাজ

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর