নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

ইসলাম একটি সহিংস মতবাদ: ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবুর স্মরণে...



এর আগের দিন সারারাত ঘুমায়নি। পরেরদিন জেটাতুতো বোনের জামাইভাতা ছিল। ওরা আসবে, ওদের ৩০০ জন, আমাদের ২০০ জন, মোট পাঁচশ জনের খাবারের আয়োজন। এর আগের রাত থেকেই আমরা ক্লাবে ছিলাম। পাঁচক রান্না করছে, আমি আমার পিসিত ভাই আর জেটাতো ভাই তিনজন ক্লাবেই ছিলাম। ৩০ই মার্চ তিনজন সারারাত ঘুমাইনি। পরদিন চোখে চোখে ঘুম ঘুম ভাব। সেদিন ছিল ৩১ই মার্চ, ২০১৫ সাল।
আজ থেকে তিন বছর আগের কথা---

ওয়াশিকুর স্মরণে : একজন এক্স মোল্লা


যেদিন ওয়াশিকুরকে হত্যা করা হয় সেদিন অামি ছিলাম মসজিদের ইমাম। তখন কাউকে অামার ক্ষোভের কথা বলতে পারিনি। একটি টগবগে যুবককে হত্যা করা হয়েছিল, যে বয়সে অামার চেয়ে ছোট ছিল। অামি যে কয়দিন পৃথিবীর অালো-বাতাস ভোগ করেছি সে তার চেয়ে কম সময় ভোগ করেছে।
ওয়াশিকুরের এমন কোন রোগ হয়নি যদ্দরুণ তাকে মরতে হয়েছে। ওয়াশিকুর এমন কোন অপরাধ করেনি যদ্দরুণ তার প্রাণ হনন করা যেতে পারে।

সার্বভৌমত্ব, কোটা, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ।


এই ৫৬ ভাগ কোটার সংস্কৃতি শুধু মাত্র ভোটের রাজনীতিকে, সন্ত্র্রাসের রাজনীতিকে, উগ্রবাদের রাজনীতিকে জিয়ে রাখার একটা প্রক্রিয়া মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এইটুকু বোঝার মতো আক্কেল জ্ঞান অন্তত আমাদের আছে। কোটার দোহাই দিয়ে মেধাধারী প্রতি ১০০ জনের মধ্যে যে ৫৬জনকে বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে তারা কিন্তু জানে, এবং বোঝে আপনার এই ধাপ্পাবাজির বক্তব্যের সারর্মম, তাই এই ক্ষ্যান্ত দেন। নির্বাচন আপনি আপনার মতো করবেন আমরা জানি এবং মানি। দ্যাশটা আপনার বাপের এটাও আমরা মানি। এখানে যদি আপনি ৪০% ছাত্রলীগ কোটা ও চালু করেন নপুংশক এই জাতির সাহস নাই আপনারে কিছু বলার। সর্বোচ্চ এটা করতে পারি যে সবাই মিলে দলে দলে ছাত্রলীগে যোগ দিতে পারি।

বৈচিত্রময় যৌন পরিচয়ের মানুষগুলোর মুক্তিযুদ্ধ।


প্রায় বছর বছর চারেক আগে “রূপবান” নামক একটা ম্যাগাজিন বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষগুলোর থাকার প্রমান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলো। যাত্রার দ্বিতীয় বছরেই সেই ম্যাগাজিনের সম্পাদকে কুপিয়ে মারা হয়েছিলো। কিন্তু রূপবানএকটা কাজ করেছে তা হলো বাংলাদেশে "তারা আছে" এটা ব্যাপক আকারে জানিয়ে গেছে। জুলহাস মান্নান হয়তো দুইবছরে অতটা সাড়া ফেলতে পারে নি, কিন্তু তার মৃত্যু মেইনস্ট্রিম মিডিয়া থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর মানুষে কাছে একটা মেসেইজ দিয়ে ছিলো “তারা আছে”। কিন্তু আহা, মুক্তিযুদ্ধের সাথে যদি কোনো বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষ থেকে থাকে, এবং তারা যদি স্বাধীনতা পরবর্তীতে, স্বপরিচয়ে নিজের পরিচয় তুলে ধরে বলতেন হ্যা আমি একজন বৈচিত্রময় যৌন আকাঙ্খার মানুষ এবং আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা।

দুর্ঘটনায় প্রতিদিন মানুষ মরে কারণে অকারণে তারই প্রমাণ দিতে যেন মহাসমারোহে এমন বিমান দুর্ঘটনা ঘটে!


এ বছরই, জানুয়ারি মাসের ২৯ তারিখে কোলকাতার মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদে একটি ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রিজের রেলিং ভেঙে পড়ে গেলে অন্তত ৪০ জন যাত্রীর সলিল সমাধি ঘটে। এ খবরটি বাংলাদেশ পর্যন্ত পৌঁছায়নি। খবরটি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো তোলপাড়ও হয়নি। কারণ, খুবই স্বাভাবিক—এরকমটি হয়েই থাকে এবং গাড়িতে কোনো ‘ব্লাক বক্স’ থাকে না।

একটি বিখ্যাত চিঠি


গতবার আমি বলেছিলাম মনে সুখ থাকলে কবিতা লেখা যায় না।আজ রাতে আমার মন ভীষন রকম অন্ধকার লক্ষ করছি,কালো গোলাপের মতোই।শেষবার বিদায় বলার সময় আমার ভীষন কষ্ট হচ্ছিল-মনে হতো হৃদয়টা ছিঁড়ে খাচ্ছে কাক আর শকুন।যাহোক,কাল শুনছি প্রধাণমন্ত্রী আমাদের শহর সফরে আসবেন,তাই শহরটা আজকে অনেক সুরক্ষিত-সবাই নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে;শুধু আমারই কেবল ঘুমাবার কোনো যুক্তিযুক্ত কারন খুঁজে পাচ্ছি না।সফরের কথায় মনে পড়ল-এবার হেমন্তে আমাদের ফিলিস্তিন ভ্রমণ হচ্ছে না,তোমার হাজবেন্ট শীতে তোমাকে নিয়ে কাশ্মীর সফরে যাচ্ছেন শুনলাম।পিচ্চিটার দিকে নজর দিও –এ বছর কাশ্মীরে শুনলাম অনেক ঠান্ডা পড়বে।আমার জন্য চিন্তা কোরো না আমি জানালায় দাঁড়িয়ে রাস্তায় বরফ পড়া দেখে দেখে শীতটা কাটিয়ে দেবো।

অদিতি বৈরাগী নারী দ্বারা মলেস্টেসনের শিকার। (কাজী মাহিনের জবাবের প্রতিউত্তর)


এবার পাঠক ও ব্লগারদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলি, এই কাজী মাহিন তার সেই পোষ্টে সরাসরি প্রশ্ন করে লিখেছেন অদিতি নাকি ফলোয়ার বাড়ানোর ধান্ধায় এবং ছাত্রলীগের ছেলেদের একহাত নেবার সহজ তরিকা হিসেবে ওই মলেস্টিং-এর পোষ্ট দিয়েছিলো।

আমার কথা হলো, কাজী মাহিন যদি সত্যি ঘটনার সত্যতা নিয়ে চিন্তিত থাকতেন তবে তিনি তার পোষ্টে “মুজিবসেনা” , “ছাত্রলীগ” , “ফলোয়ার বাড়ানোর ধান্ধা” এই সব শব্দ কেন ব্যবহার করেছেন। বিরক্ত, উত্যক্ত বা উপদ্রব তো তিনি স্পষ্টত করেছেন তার পোষ্টে এইধরনের শব্দ ব্যবহার করে। একজন নির্যাতিতাকে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ, উকিল জেরা করাতে পারে, কাজী মাহিন কে এমন প্রশ্ন তোলার? ধরে নিচ্ছি অদিতি ওই পোষ্ট পাবলিকলি করে, কাজী মাহিন সহ সবাইকে জেরা করার পরোক্ষ অধিকার প্রদান করেছে। তাহলে সেই সূত্রে কাজী মাহিনের পোষ্টের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়ার অধিকারও আমার আছে। আমি তো কাজী মাহিনের মতো একটা নির্যাতিতা মেয়েকে বলিনি কোনো রাজনৈতিক দলকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ সে করেছে। বরং কাজী মাহিন তার পোষ্টের সার্বিক ভাষায় স্পষ্টত দাবী করেছেন ওই মেয়ে “ফলোয়ার বাড়ানোর ধান্ধায়, ছাত্রলীগের ছেলেদেরকে একহাত নেয়ার সহজ তরিকা” হিসেবে ওই পোষ্ট করেছে। এখন পাঠক আপনারাই বলুন যা অদিতি বলেনি, তা অদিতির বয়ান বলে তাকে এমন প্রশ্ন করাকে কি বিব্রত করা বলে না? বিরক্ত করা বলে না? উত্যক্ত করা বলে না? উপদ্রব করা বলে না?

অদিতি বৈরাগী নারী দ্বারাই মলেস্টেসনের শিকার...!


“ইস্টিশন দল” ফেইসবুক গ্রুপের মাধ্যমে একটা পোষ্ট(এখানে দেখুন পোষ্টটি) চোখে পড়লো সকালে প্রসঙ্গ “অদিতি বৈরাগী” নামটা নিশ্চয় আর সচতেন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কাছে অপরিচিত কোনো নাম নয়। হ্যা ঠিক ধরেছেন সেই মেয়েটি, যে কিনা গতকাল ফেইসবুকে পোষ্ট করে বলেছে তার সাথে ঘটে যাও মলেস্টিং নিয়ে” সেই পোষ্টের সূত্র ধরে কিছু গুরুত্বপূর্ন পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার প্রশ্ন তুলেছেন “কাজী মাহিন” নাক এক ভদ্র মহিলা। তার পোষ্টের বিষয়ে যাবার আগে চলুন জেনে নেই মলেস্টিং মানে কি? ইংরেজী মলেস্টিং শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ দাঁড়ায় বিরক্ত করা, উত্যক্ত করা বা অসুবিধায় ফেলা। এই অর্থ ধরে যদি আমরা আগাই তবে বুঝতেই পারছেন মলেস্টিং-যে শুধু একটা বিশেষ লিঙ্গের মানুষ হবে তা কিন্তু নয়, আমাদের এই অতি-সভ্য সমাজে মলেস্টিং যে কেউ হতে পারে, এমনকি তিনিও যিনি শীশ্নধারী হবার গৌরবে সব সময় তীব্র আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন। যাক সেটা আমার আলোচ্য বিষয় নয়। বিষয় হলো কখন একটা মেয়ে বলতে পারবে সে মলেস্টেসনের শিকার? আমি এই প্রশ্নের কোনো উত্তর দিবো না যদি কোনো পাঠক সত্যিকার অর্থের এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তবে আপনি যদি পুরুষ হন তাহলে সরাসরি আপনার পরিবারের নারী সদস্যটির কাছে প্রশ্ন করবেন তিনি আপনাকে বলে দিবে, আর যদি নারী হন তো প্রশ্নটা নিজের কাছেই করবেন।

যে জীবন মৃত্যুর চেয়েও যন্ত্রণাময়!


সারাদিন পড়ে থাকি ঘরে, চলাফেরা সীমিত। এমন একজন মানুষ নেই অামার কাছে যাকে মনের কথা খুলে বলা যায়। বিশ্বেস করুন, এমন একজনও নেই।
(মোবাইলে কথা বলে কি অার সামনাসামনি কথা বলার তিয়াস মেটে?)
যে দু'একজন ভারতীয়ের সাথে সামান্যতম পরিচিত ছিলাম তাদেরকেও এখন এভয়েড করে চলি, তাদের পুরুষতান্ত্রিক মনোবৃত্তির কারণে।

ইতিহাসের কি সাহস হবে বিডিআর বিদ্রোহের দু-পাশকেই সমান ভাবে তুলে ধরার?


অপ্রিয় একটা কথা বলি, বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকতাকে হারিয়ে তাদের পরিবার সর্বশান্ত হয়নি বরং আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছে তাদের পরিবার। (অবশ্যই প্রিয়জন হারানোর কাছে আর্থিক লাভ বিশাল কিছু নয়)

তবে হাজার হাজার বিডিআর জোয়ানের ভবিষৎ চুরমার হয়ে গেছে, হাজারো পরিবার আয়ের উৎস হারিয়েছে। আর্থিক সংকট বিচ্ছিরি রকমের বড় সংকট, যা জীবিত মানুষটিকেও মৃতই করে দেয়। আহা বিডিআর বিদ্রোহ, এই খেলায় লাভবান কে হলো?

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর