নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মূর্খ চাষা
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

আবার একাত্তুর?


(১৮.০৫.১৩ তে লেখা)

আবার প্রেতের প্রহরায় প্রহর যায়
আবার জেগেছে এ শহর শবের শহর হয়ে
ভষ্মের স্তুপে আবর্জনার স্তরে স্তরে
দালানের ভগ্ন-ভাগাড়ে শুধু শব আর শব

শুনেছি একাত্তুরে শবের নগরী
প্রেতের প্রসাদ গড়েছিল--
তবে আবার কেন
তাজরিন-রানাপ্লাজায়
প্রতিক্ষায় প্রেত ও পিশাচ
আবার শত সহস্র শব
ভূমিকম্পের মতো--কম্পমান
কিন্তু ভূমিকম্প তো নেই--তবু কেন
ছাত্রাবাসে ছাত্ররা নেই--বস্তীবাসীও
ছুটে গেছে তার বস্তি ছেড়ে শবের ত্রাতা হতে

ছবির গল্প: ‘ভোপাল গ্যাস ট্রাজেডি’র মৃত শিশুটি



ছবিটায় একটা মৃত শিশুকে কবর দিচ্ছেন বাবা, আর শেষবারের মতো দেখছেন আদরের মেয়েকে। কবরটায় মাটি চাপা দেওয়ার শেষ পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে ছবিটা তুলেছিলেন সাংবাদিক। এমনকি মৃত শিশুটির বাবার কাছে জানতেও চাননি নাম-ধাম।

ছবিটা তোলা হয়েছিল ভারতের ভোপালে, ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরের ৪ তারিখে। ভারতের ফটো সাংবাদিক পাবলো বার্থোলোমেও এই ছবির জন্য ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো অব দি ইয়ার ১৯৮৫’ পুরস্কার জিতেছিলেন।

ক্রাচের কর্ণেল স্মরণে ......


২১ জুলাই ১৯৭৬ সাল। ভোর চারটা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। শ্রাবণের আর্দ্র রাত বিদায় নিচ্ছে। এই দেশ, এই জাতি, এই সময় আর সমাজের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় ঘটনা ঘটে গেল কারাভ্যন্তরে। মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে পা হারানো একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম বীর সেনানায়ক কর্নেল আবু তাহের, বীর উত্তমকে তাঁরই মুক্ত করা স্বদেশভূমিতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হলো। ক্ষুদিরাম বসু, সূর্যসেনের সঙ্গে, গত শতাব্দীর শেষ প্রান্তে আরেকটি নাম যুক্ত হলো—কর্নেল আবু তাহের।

নিঃশঙ্ক চিত্ত তাদেরই আছে, যাঁরা জীবনের বিনিময়ে নিজের বিশ্বাস সমুন্নত রাখতে পারেন, যাঁরা তাঁদের প্রতিজ্ঞার প্রতি আপস করেন না। নিঃশঙ্ক চিত্তের সেই মিছিলের একজন, আমাদের তাহের।

একজন ভুক্তভোগী ছাড়া এই ধরণের নির্মম ভয়াবহ ও বেঁচে থেকে মৃত্যু যন্ত্রণা অন্য কেউই বুঝবেন না।


Kolkata24x7 নিউজে পড়লাম উত্তর ২৪ পরগণা বসুরহাট বাদুরিয়ার মা মরা ছেলে একাদশ শ্রেনীর পড়ুয়া সৌভিক সরকারের ভয়াবহ মুহূর্তের কথা।

এই নিউজটি আমার মতো কয়েকলক্ষ মানুষ পড়েছেন। কিন্তু সৌভিকের মত কতজন আছে এই দুঃসহ ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাথে পরিচিত ? তা আমি ঠিক জানি না। তবে হয়ত সংখ্যাটা একেবারে কম নয়। নিউজে দেখলাম ঘটনার দিন পাড়ার মুসলমান চাচারাই বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন ভৌমিককে। জানিনা এই কথাটির মর্ম আপনারা কতজন উপলব্ধি করেছেন বা আপনাদের কারোর জীবনে এরকম নির্মম অভিজ্ঞতা বা এরকম দুঃস্বপ্নের বাস্তবরূপ ঘটেছে কিনা। তবে আমার জীবনে ঘটেছে, আছে বেশ কয়েক বারের দুঃসহ স্মৃতি!

ছবির গল্প: কলোম্বিয়ার ওমাইরা স্যানচেজ গারজোন



কলোম্বিয়ান এই মেয়েটার নাম ওমাইরা স্যানচেজ গারজোন (Omayra Sánchez Garzón)। ১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর দেশটির আর্মেরো নামক স্থানে ভয়াবহ এক আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল, ধ্বংস হয়েছিল ১৩টি গ্রাম। ১৩ বছরের এই মেয়েটিও ওই দুর্যোগে মারা যায়, কিন্তু তার মরণ বিশেষভাবে কাঁদিয়ে যায় বিশ্ববাসীকেও।

সেদায় লেকা বেতাবেতেৎ ঞাম রুয়ৗড় লৗগিৎ তবে দেবন হুল গেয়া হো


সাঁওতাল বিদ্রোহ বা সান্তাল হুল এর সূচনা হয় ১৮৫৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বিহারের ভাগলপুর জেলায়। ইংরেজ আমলে স্থানীয় জমিদার, মহাজন ও ইংরেজ কর্মচারীদের অন্যায় অত্যাচারের শিকার হয়ে সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে।এটি ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র গণসংগ্রাম। তাদের এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় সিধু, কানু, চাঁদ প্রমুখ।
সাঁওতাল জাতির ইতিহাসে সিধো-কানুর নেতৃত্বে সাঁওতাল যুদ্ধই ছিলো সর্বাধিক বৃহত্তম এবং গৌরবের বিষয়। তাদের এই বিদ্রোহই মূলত ভারতবর্ষে স্বাধীনতার বীজ বপন করে গিয়েছিল।

"ধর্মকারী ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা" মাহমুদুন নবী ছিলেন ঘোর অন্ধকারের মাঝে এক আলোর মশাল


ধর্মকারী.ব্লগ হল এই বাংলায় ঘোর অন্ধকারের মাঝে টিম টিম করে জ্বলা একটি ল্যাম্পপোস্ট, একটি জলন্ত অগ্নি শিখা। ধর্মকারী ব্লগ হল লক্ষ লক্ষ অমানবিক, অমানুষ, ধর্মান্ধ-হায়েনায়ের মধ্যে একটি মানববাদের প্রদীপ। কি সুন্দর শব্দশিল্পে, কি মুগ্ধকর যৌক্তিকতায়, কি সজ্জিত ব্যাঙ্গাত্বক ভাষায়, খুব অবলীয়ায় ধর্মকারী ব্লগ ধর্মের অবৈজ্ঞানিক ভিত্তিহীন আর অসারতাকে অবিরাম প্রকাশ করে চলত। এই ধর্মকারী ব্লগ সমস্ত ধর্মীয় কুসংস্কার, জঞ্জাল, মুর্খতা, অন্ধতা আর কুপমন্ডবতাকে সরিয়ে সরিয়ে, পরিস্কার করে করে পথ চলত। ইসলামিস্ট জঙ্গিদের চাপাতির কোপে নিহত অকাল প্রয়াত নাস্তিক-লেখক ওয়াশিকুর রহমান বাবু তাঁর বিখ্যাত ব্যাঙ্গাত্বক সিরিজ,

কবিতায় বিদ্রোহের মশাল জ্বালানো কবি সুকান্তের আজ ৭০ তম মৃত্যুবার্ষিকী!


কৃষক-শ্রমিক-মজুরদের শোষক মালিক-মজুতদারদের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরা, রবীন্দ্র-নজরুলোত্তর যুগের সমাজতন্ত্রের আদর্শের বিপ্লবী, গণজাগরনের তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। কবিতায় সমাজতন্ত্রের ধারার প্রবর্তক ও সাম্যবাদী এ কবি অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেমন রাজপথে প্রতিবাদ করেছেন তেমনি তাঁর কবিতায় ফুঁটিয়ে তুলেছেন মালিক শ্রেণী ও বৃটিশদের অত্যাচার অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মুক্তির নিশান। তিনি দেখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পথ সংকীর্ণ হলেও এ পথেই মুক্তি।

সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে (পর্ব-১)


বৃষ্টিরা দুই ভাই-বোন। শুনেছি বৃষ্টির বড় ভাই অনেক ভালো ছাত্র। সে এখন বুয়েটে পড়ে। পারফরমেন্সও বেশ ভালো। কয়েকদিনের মধ্যে বিদেশে যাবে। তবে বড় ভাই ভালো ছাত্র হলে ছোট বোনদের উপর কেমন আগুন বয়ে যায় তা বৃষ্টিকে দেখলেই বেশ বোঝা যায়।

সুন্দর এক সকাল বৃষ্টি শুয়ে আছে। সে এবার নবম শ্রেণীর পরীক্ষা দিয়ে দশম শ্রেণীতে উঠেছে। প্রতিবারের মত এবারও সে দ্বিতীয় হয়েছে। বাড়িতে সবাই বেশ খুশি। শুধু তার বাবা বাদে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর