নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম
  • অন্ধকারের শেষ প...

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

শোকগাঁথা

অভিজিৎ দা,আপনাকে


অভিজিৎ দা,
আপনি চলে যাবার পর
আরো বেশি করে আপনাকে কাছে পেয়েছি;
আপনার রক্তের প্লবতা
আমাকে এখনও ভাসিয়ে রাখে
মুক্তির নেশায়,
আপনার স্বপ্ন
নিয়তই আলোড়িত হয় -
আমার স্নায়ুর উত্তেজনায়।

দাদা, আমার অনুবীক্ষণেও
বিশ্বাসের ভাইরাস ধরা পড়ে;
অবিশ্বাসের দর্শন আমিও বুঝি;
প্রাণের রহস্য খুজতে গিয়ে -
রসায়নের দারুন জটিলতা আয়ত্বে আনি;
শূন্য থেকে পা বাড়াই মহাবিশ্বের প্রান্তরে-

দাদা, ভিতরে ভিতরে
খুব গভীরভাবে অনুভব করি -আপনাকে।

বিবেক কথা বলে!


কবুল হজ্জ্বের হয়গো সওয়াব
বাবা মায়ের প্রতি,
এক চাহুনি নেক নজরে
হাদিস বলে সত্যি!
তাই তো আমি যাই ছুটে যাই
সময়ে পেলে ক্ষীণ,
সালাম করি তাকিয়ে থাকি
যাদের কাছে চীরঋণ।
ভুলবো না’কো বাবা-মা গো
বাঁচবো যতো দিন,
করছো লালন করছো বারণ
যখন ছিলাম অবুঝ খোকা
আমি বুদ্ধিহীন।

শ্রদ্ধায় নত হয় যে মাথা
শুনলে মায়ের কথা।
কারন মা যে চোঁখের মণি
জান্নাতেরই ছাতা,
মায়ের প্রতি আসলে আঘাত
হিংস্র হয় গো মন,
তীব্র রাগে ক্ষিপ্ত মেজাজ
হোক না সে যেই জন।

কবি নজরুলের সমাধি নিয়ে রাজনীতি ও সব্যসাচীর আক্ষেপ


বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। অসামান্য প্রতিভাধর এই কবিকে বাংলাদেশে আনার পেছনে যেমন অনেক অনাকাংখিত গল্প আছে, ঠিক তেমনি তাঁকে সমাধিস্থ করার পেছনেও কিছু অনাকাংখিত সত্য ঘটনা আছে। কবির প্রয়াণের পর তাঁর কবর কোথায় হবে, এ নিয়ে যে নির্লজ্জ রাজনীতি সেদিন হয়েছিলো, তার একটা অংশ আনিসুজ্জামানের ‘বিপুলা পৃথিবী’ থেকে হুবহু তুলে দিচ্ছি। আগ্রহীরা পড়তে পারেন।

উহু, একদম অবহেলা নয়


শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছেন? হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। আমি ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের কথা বলছি। ২১ আগস্ট তিনি সবাইকে শোকসাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এতোদিন তিনি পরিবারসহ দর্শকদের জন্য চিন্তা করেছেন। তাদের জন্য কাজ করেছেন। অথচ সেই মানুষটি অবিবেচকের মত চলে গেলেন। ঠিকানা বদল করলেন। লক্ষ্মীকুঞ্জ থেকে গেলেন সোজা বনানীতে। অথচ একবারও ভাবলেন না, এখন অন্যদের কি হবে? বড্ড বলতেন তিনি, উহু কোন কাজেই অবহেলা নয়। একদমই নয়। সিরিয়াসলি কাজটা করতে হবে। নাহলে হৃদয়ে ঠাঁই পাওয়া যাবেনা। বিষয়টি যে মিথ্যে নয়, নায়করাজ নিজেই তার প্রমাণ।

কালো রাত বাঙালী কলঙ্কিত


১৪ আগস্টের রাত। রাতে ডিউটি ছিল আমার সহকর্মী ছাফদারের। কিন্তু ওর ব্যক্তিগত কাজ থাকায় আমাকে ডিউটি করতে অনুরোধ করল। আমার দুপুরের ডিউটি ছাফদার করল। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে গাড়ি এলো। ৮টায় বঙ্গবন্ধুর বাসভবন ৩২ নম্বরে পৌঁছালাম। ছাফদার চলে গেল। রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত গেটে পাহারারত আর্মিদের সঙ্গে গল্প করলাম। ১টা ১০ মিনিটে আমাদের জন্য নির্ধারিত বিছানায় শুতে গেলাম লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম খেয়াল নেই। হঠাত্ টেলিফোন মিস্ত্রি মতিন আমাকে ধাক্কা দিয়ে উঠাল। বলল প্রেসিডেন্ট সাহেব আমাকে টেলিফোনে ডাকছেন। সম্ভবত তখন সময় ভোর ৪টা ৩০ বা ৫টা। চারদিক বেশ পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমি তড়িঘড়ি করে

"মুজীব-স্থপতির মৃত্যু"


(প্রকাশিত) The Times Magazine, USA; 25 August 1975

মুজীবের ব্যক্তিত্ব ছিল অত্যন্ত আকর্ষনীয় ও জাদুকরী। তার প্রাণচাঞ্চল্য উদ্যমী করে তুলতো সবাইকে। তার আবেগময় ভাষণে লক্ষ লক্ষ জনতা উদ্বেলিত হতো।

একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, "আমি গান্ধী,জিন্নাহ,ও নেহেরুর রাজনীতি এবং জনসম্পৃক্ততা দেখেছি। কিন্তু মুজীব লক্ষ লক্ষ মানুষের মাঝে যে প্রেরনা জাগিয়ে তুলতে পারতেন, তার কোন তুলনা হয় না। তার আকর্ষনীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা, তা অন্য কোনো নেতার কখনোই ছিল না।"

সময়ের সীমাবদ্ধতা (সৌগত দাস)


সময়ের সীমাবদ্ধতা

সৌগত দাস (চিত্ত ভানু)

আবার একাত্তুর?


(১৮.০৫.১৩ তে লেখা)

আবার প্রেতের প্রহরায় প্রহর যায়
আবার জেগেছে এ শহর শবের শহর হয়ে
ভষ্মের স্তুপে আবর্জনার স্তরে স্তরে
দালানের ভগ্ন-ভাগাড়ে শুধু শব আর শব

শুনেছি একাত্তুরে শবের নগরী
প্রেতের প্রসাদ গড়েছিল--
তবে আবার কেন
তাজরিন-রানাপ্লাজায়
প্রতিক্ষায় প্রেত ও পিশাচ
আবার শত সহস্র শব
ভূমিকম্পের মতো--কম্পমান
কিন্তু ভূমিকম্প তো নেই--তবু কেন
ছাত্রাবাসে ছাত্ররা নেই--বস্তীবাসীও
ছুটে গেছে তার বস্তি ছেড়ে শবের ত্রাতা হতে

ছবির গল্প: ‘ভোপাল গ্যাস ট্রাজেডি’র মৃত শিশুটি



ছবিটায় একটা মৃত শিশুকে কবর দিচ্ছেন বাবা, আর শেষবারের মতো দেখছেন আদরের মেয়েকে। কবরটায় মাটি চাপা দেওয়ার শেষ পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে ছবিটা তুলেছিলেন সাংবাদিক। এমনকি মৃত শিশুটির বাবার কাছে জানতেও চাননি নাম-ধাম।

ছবিটা তোলা হয়েছিল ভারতের ভোপালে, ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরের ৪ তারিখে। ভারতের ফটো সাংবাদিক পাবলো বার্থোলোমেও এই ছবির জন্য ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো অব দি ইয়ার ১৯৮৫’ পুরস্কার জিতেছিলেন।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর