নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল

আপনি এখানে

ব্যক্তিগত কথাকাব্য

প্রিয়নবীর নিকট চিঠি - ১


অামার বয়স তখন নয়, এর অাগে স্কুলে পড়েছি। স্কুলের সামনে থেকে বিকেলবেলা দলবেঁধে মাদরাসার ছাত্ররা হেঁটে কলেজমাঠে খেলতে যেত, তাদের সুশৃঙ্খল ও সারিবদ্ধভাবে হাঁটায় অামি মুগ্ধ হয়ে অাব্বাকে বললাম - "অামি মাদরাসায় পড়বো।"

অাব্বা অামাকে প্রতিদিন মাদরাসায় অানা নেয়া করতেন।

ব্যক্তিগত কথাকাব্য


এই ফেইসবুক জগতে আসছি ৮-৯ বছর হয়ে গেল। ছাইপাশ যা লিখি না কেন, এই আট নয় বছরে এই পর্যন্ত কয়েক হাজার লেখা পোস্ট করেছি। প্রায় লেখা যাতে অর্থবহ হয়, সেই দিকে মনোভাব রেখে লেখার চেষ্টা করেছি। কোনটি কতটা অর্থবহ তা যেসব বন্ধুরা পড়েছেন তারা ভালো বলতে পারবেন। কোনো না কোনো ভাবে পুরোনোকে ভাঙার চেষ্টা করেছি। প্রচলিত জীর্ণতা আর মালিন্যকে ভেঙ্গেচুরে নতুন সময়কে উজ্জল দীপ্ত আলো দেয়ার চেষ্টা করেছি। এতে আশীর্বাদ স্বরুপ পেয়েছি প্রচলিত ধ্যান ধারনার মানুষের অকথ্য, অশ্রাব্য ভাষার গালাগালি। এই গালাগাল শুনে আমি মোটেও উত্যক্ত হয়নি। এটা আমার লেখার ভালো দিক হিসেবেই বিবেচনা করেছি সবসময়। এই ৭-৮ বছর ধরে আমি একজন সাম্যবাদ

শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন


সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আমি নতুন ব্যাবহারকারি হিসেবে আপনাদের মাঝে আসতে পেরে ভীষন খুশি।ইস্টিশন ব্লগ এবং ব্লগের সকল সদস্যদে কে আমার শুভেচ্ছা।

অবাঞ্ছিত শিশু/৭১(যুদ্ধশিশু)


(১৫.১২.২০১২ তারিখে লেখা)

আমি যুদ্ধ শেষে জন্ম নেওয়া
এক অবাঞ্ছিত শিশু,হয়তো
অসুরের দন্তক্ষত আমার মাতৃ-স্তনবৃন্তে
আঁধারের ছায়া ফেলেছিল।

কিংবা ঘৃণার লাভায় উৎগিরিত এ আমায় স্তন্যদান
আরো ঘৃণার,--তাই বুঝি নিজ হস্তে সপ্রত্যঙ্গ বিদীর্ণে
মেতেছিল মাতা।

তবুও বেঁচে আছি মা
অভাবনীয় আশ্চর্যের মতো অসুরের বংসধর হয়ে;
ঘৃণার অন্ধকারে শুধুই তোমার জন্য--
ভালোবাসা পাবার ও দেবার জন্য
শুধু ভালোবাসা নিয়ে ব্যকুলতায়।

আমার ব্যক্তিগত পাঠাগারঃ কস্মিন কালের কথা


অন্যান্য আর দশটি পল্লী বালকের ন্যায় আমার বাল্যকালও নিভৃত পল্লিতে অত্যন্ত দুরন্তপনার মধ্যদিয়াই কাটিয়াছে। আমাদের গ্রামে বিজলি বাতি আগে যেমন ছিলনা বোধকরি এখনও নাই। সকাল হইতে সন্ধা পর্যন্ত আমার বাটীর চতুপার্শে আমাকে খুঁজিয়া পাওয়া ভার ছিলো। মধ্যবিত্ত মুসলমান পরিবারের কন্যা ও গৃহবধু হইবার কারণে আমার মাতা আমাকে বাটীর চৌহদ্দির বাহিরে খুঁজিতে পারিতনা বলিয়া মায়ের কিছু নিয়োগকৃত পেয়াদা ছিলো, যাহারা নানা প্রকার উটঢৌকন গ্রহন পূর্বক আমাকে ধরিতে যাইতো। উক্ত নিয়োগকৃত পেয়াদাদের বাড়তি উৎকোচ প্রদান ককরিয়া আমি অধিক নিরাপদে দশ্যিপনা চালাইয়া যাইতাম।

নাগরিক সভ্যতা


ক্ষেতের পর ক্ষেত মাঠের পর মাঠ
বিস্তীর্ণ জলাভূমির মাঝে সরু রাস্তা
রাস্তার পাশে কাঁটাবন;
কোথাও ফুল;
আমি পেরিয়ে এসেছি এতো কিছু
যেখানে এলাম সেখানে এলে
গ্রাম্য আর চাষাদের অসভ্য বলে
গালি দেওয়া চলে।

একটি সভ্য নগরের খোঁজে
কঙ্কালসার অসভ্যদের মাঝ
থেকে উঠে আসা আমি-
নাগরিক হতে এসেছি।

সেখান থেকে এসেছি-
যেখানে অশিক্ষা আর
কুশিক্ষার প্রভাবে নারী
আর দুর্বলদের সমকক্ষ মনে করা হয় না।

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ : দেশপ্রেমের এক ছান্দিক শব্দগাঁথা (পর্ব : ১)



স্কুল জীবন থেকে পরিণত বয়স পর্যন্ত জীবনের অধিকাংশ সময় জেলে কাটানো নেতাকে বাড়ি গেলে তার ছোট ছেলে কামাল বাবা হিসেবে চিনতে পারতো না, দূরে দূরে থাকতো সে ‘অপরিচিত ঐ পুরুষটি’ থেকে। কিন্তু বোন হাসিনাকে ঠিকই বলতো,“হাচু আপা হাচু আপা তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি”। এক মহান নেতার এ হৃদয়ভেদী বাক্য মননশীল পাঠককে আপ্লুত আর অশ্রুাবৃত্ত না করে পারবে না! এ কারণেই হয়তো মানুষের জনসভা শেষে লোকেরা চাঁদা তুলে মানুষ প্রেমিক এ নেতার ‘পানদানে’ রেখে দিতো ৫০০/- টাকা কিংবা বৃদ্ধা মহিলা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতো ১-বাটি দুধ আর ৪-আনা পয়সা নিয়ে এ নেতার জন্য!

মলয় স্যার


স্কুল টিচার মলয় কুমার লোকটা ভীষণ ভালো
আহার বিহার সব ভুলে তার বিলান জ্ঞান-আলো।
দুপুর প্রভাত, দিন কিবা রাত অবকাশ তার নাই
পঠন পাঠন লেখার যতন, 'সঠিক হওয়া চাই'।।

জ্ঞান-আধার মোদের দাদার কতো ছাত্র রাশি রাশি
তাহার গুনেই কালো আর নেই;আলোয় আলোয় ভাসি।
জীবন যাপন সরল যেমন ;পড়ার বেলা কঠোর
নিজ-স্বজন কিবা পরিজন ;ছাত্রের তরেই পর।।

সমালোচক তো, আছে শত শত কাজের লোকের অভাব;
কথায় কথায় তর্কই বৃথায়?চাই কর্মীর প্রভাব?
"দাদার মতন, হওনা রতন;ছুড়ে ফেলে মিথ্যে ভাব।"
কাজই তাহার জীবন বাহার না খোজেন কোনো লাভ।।

আশা রাখি


প্রত্যেকটা Relation শুরুর আগে একটা বেস্ট পিরিয়ড থাকে । তখন থাকে Care,Affection,সত্যিকারের ভালোবাসা আর তাকে কাছে পাওয়ার অদম্য ইচ্ছে ।প্রেমে মত্ত প্রেমিক বা প্রেমিকা তখন বাস্তবতাকে দূরে ঠেলে রঙ্গিন স্বপ্ন বুনতে থাকে নিপুন হাতে ।
কেমন যেন স্বপ্নীল স্বপ্নীল হয় দিনগুলো ,কেননা তখন বেশিরভাগটাই কল্পনা, স্বপ্ন, আবেগ, আশার রংমিশেলে তৈরী হয় "ভালবাসা"। মাখো মাখো ভালোবাসা টাইপ ব্যাপার আর কি !
পরে বাস্তবতার চরম আঘাতে আছড়ে পরে ...ভালোবাসার মুখোশ খসে পরে,

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর