নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

ব্যক্তিগত কথাকাব্য

আজ তুমি নেই...


আর মাত্র ৮দিন। এ মাসের ১১ তারিখে শেষ হয়ে যাবে ডিভোর্স এর ৯০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড। শেষ হয়ে যাবে, ২৪ বছরের সম্পর্ক এর টানাপোড়েন !! শেষ হবে, হলো, তো? তো কি হলো? তুমি নেই? কে বললো? বললেই কি হারিয়ে যাওয়া যায়? না হয়? সেই কৈশোরের সাথী তুমি, আমার নির্লোভ প্রেম তুমি..কত স্মৃতি তোমায় ঘিরে।

"এক নাস্তিকের জবানবন্দী" পর্ব-৫


আতংক---৫

পুলিশ যে কতো বেশি নোংরা হতে পারে, পুলিশের আচরন যে কতোটা ভয়াবহ রকম অসভ্য হতে পারে তা বুঝেছি আমি থানায় আত্নসমর্পন করে। এরা নাকি আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী! এরা নাকি দেশের আইন-শৃংখলা বজায় রাখে! এদের আচার-ব্যবহার শুনলে লজ্জায় কান লাল হয়ে যায়!

।। বিস্মৃতির কতক কথা ।।


ছেলেটির নাম ছিল মোরশেদ। পুরো নাম জানা হয়ে ওঠেনি কখনো। হয়তোবা চেষ্টাও করিনি!

ফরিদপুর শহরের যে এলাকায় আমরা থাকতাম সেখানকার বাজারে ছোট্ট একটি দোকান ছিল তার। ততোটা সাজানো গোছানো ছিল না, টুকটাক দৈনন্দিন সরঞ্জাম নিয়েই তার পসরা ।

আমি মাঝে মাঝে তার ক্রেতা ছিলাম, দোকানে সদাই করতে গেলে আমাকে একটা টুলে বসতে দিতো। পাশের দোকান থেকে একটা গোল্ডলিফ সিগারেট হাতে দিয়ে বলতো ভাই সিগারেটটা খান!

প্রথম দিকে ব্যাপারটা ভালোই লাগতো কিন্তু পরের দিকে বিব্রত বোধ করতাম এবং পারতো পক্ষে তাকে এড়িয়েই চলতাম! আসলে তার দোকান থেকে খুব বেশী কিছু আমার কেনারও ছিল না।

।। এলোমেলো এই সব দিন ।।


ঢাকা শহরের সংস্কৃতিটা অন্য যেকোনো মফস্বল শহরের সংস্কৃতির সাথে মেলানো যায়না।
ব্যাপারটা যে সব সময় মনে থাকে এমন নয় তবে চৌকসতা ধরে রাখতে সচেতন ভাবেই মনে রাখতে হয়।

অফিসে যাতায়াতের জন্য যে বাস রুট আমি ব্যবহার করি তাতে সহযাত্রীর সাথে পারতো পক্ষে আলাপ হয়না কখনোই। যে শহরে পাশের ফ্ল্যাটের পরিবারের সঙ্গেই যখন আলাপ হয়না সেখানে স্বল্প দূরত্বের বাস যাত্রীর সঙ্গে সখ্যতা ভাবনাতীত।

ভদ্রলোক আগেও দু একবার কুশল জানতে চেয়েছেন! প্রথম বার তো অবাকই হই! পাল্টা প্রশ্ন করি: আমাকে চেনেন ?

: আগে দেখেছি এই বাসেই আপনি যাতায়াত করেন ।
: ও আচ্ছা

তুমি আমায় লাশ বলো না


কোথায় পড়েছিলাম মনে নেই, লেখাটা ছিল এমন "কেউ মরে গেলে মানুষটা পরিচিত হয় লাশ নামে"। তখন কেউ তাকে তার নাম ধরে ডাকে না। সবাই জানতে চায় লাশটা কোথায় রাখা হয়েছে। খুব কম মানুষই নাম ধরে জানতে চায় মানুষটা কোথায়।

শুধু আমি তোমায় বলে গেলাম মরে গেলে শুধু তুমিই আমায় লাশ বলো না, ডেকো আমার নাম ধরে। তুমি জানতে চেয়ো, " আমার অমরাবতী কোথায়?" প্লিজ আমার নাম ধরে ডেকো।

তোমার সমাজ তখন আমায় ডাকা নাম নিয়ে আর বিব্রত হবে না। তোমার ডাকা নাম বিনা দ্বিধায় তারা মেনে নেবে। মৃত মানুষের কোন দাবী থাকে না তোমার সমাজ তা জানে।

চোখের আঁড়াল মানেই মনের আঁড়াল নয়


ধর্মপুর, কুমিল্লা।
১৭/১০/১৬ইং
প্রিয় রাত্রি,
আজ সন্ধ্যেবেলা যখন ঘুম থেকে উঠলাম, তখন মাথাটা কেনো যেনো ধরে ছিলো।
পড়ার রুমে ঢুকে কিছুক্ষণ বসে রইলাম।
সন্ধ্যের নাস্তা শেষ করে কিছুক্ষণ একটা সাহিত্য সাময়িকী ঘাটার পর যখন দেখলাম সাতটা বাজে, তখন বই নিয়ে বসলাম পড়তে। কিন্তু মনোযোগ যে আজ কিছুতেই আসছে না।
তাই ছাদে এলাম। একবার ভাবলাম তোকে ফোন দেই। কিন্তু পরক্ষণেই মনে হলো, তুই বলেছিলি যে তোর ফোন কয়েক সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে। তাই তোকে আর ফোন দিলাম না।

লেখা


লুকিয়ে লেখার দিনতো এবার শেষ,
লুকিয়ে লেখা, লেখাগুলো হয়েছে নিরুদ্দেশ ।
সবাই এসো, চোখ ধরো আমার খাতার উপর:
আমার খাতার পাতা হয়তো মনে হবে ধূসর
কিংবা কোনো অচিন রঙে বিবর্ণ -
আমার খাতার কাঁচামাল যে ধর্ম ।
ধর্ম সকল জড়ো করে মন্ড বানিয়ে,
তা চ্যাপ্টা করে রুটি বলার বেলনি দিয়ে
আমি গড়েছি আমার খাতার পাতা ।
হয়তো তুমি বলতে পারো, বলছি আমি যা-তা ।
সত্য কিন্তু তেমন নয়, এসোই না কাছে,
তোমায় দেখিয়ে লেখার মত অনেক কথা আছে ।

লুকিয়ে লেখার দিনতো এবার শেষ,
লুকিয়ে লেখা, লেখাগুলো হয়েছে নিরুদ্দেশ ।

এটা কোন গল্প নয়


অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে হাটতে হাটতে যখন আমি ঠিক আলোর কাছাকাছি এমন সময় হঠাৎ একটা হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম । মুহূর্তেই সব হিসেব পাল্টে গেলো । জীবনের প্রয়োজনেই আবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লাম । পরিবার থেকে এখন আমি অনেক দূরে, মানে বাধ্য হয়েই থাকতে হয় । বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যাচ্ছি । প্লেন থেকে নেমেছি একটু আগেই । পার্কিং সাঁটল এর জন্য অপেক্ষা করি আর ছোট্ট একটা বেঞ্চিতে বসে তুষারে ঢাকা সাদা মাঠ দেখি । এক আকাশ নীল আমার মাথার ওপর ব্যাথিত ভাবে চেয়ে আছে । আমি শুধু ভাবি আমার নির্বাসন আর কতদিনের ?

মসজিদের ভেতরে মানব মানবীর গোপন গন্ধমের পাঠ


ব্লগে এটা আমার আত্মকথামূলক পোস্ট। আমি কোন বিখ্যাত ব্যক্তি নই যে আমার আত্মকথা লোকে আগ্রহ নিয়ে পড়বে। পড়ে জ্ঞান অর্জন করবে। তবু মনে হল, আমার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো যদি ব্লগে উপস্থাপন করি, অভিজ্ঞতাগুলো থেকে হয়ত কেউ কোন উপসংহার টানতেও পারে। আমার যেসব অভিজ্ঞতা প্রতিনিয়ত আমাকে নানান প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে সেসব অভিজ্ঞতা হয়ত আপনাদেরকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। তাই এই ব্লগের মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করা।

কেন আমি ইসলাম ত্যাগ করলাম


এই ব্যপারটা অনেককে বোঝানো কঠিন যে, শখ করে কেউ তার ধর্ম ছেড়ে দিতে পারে না। বেশকিছু কারনে আমি ইসলাম ধর্ম ছেড়ে দিয়েছি। এই স্ট্যাটাসে এখন সেটা বিস্তারিত করে লিখছি।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর