নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ইস্টিশন মাস্টার

নতুন যাত্রী

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • জাহানারা নূরী
  • মোহাম্মদ আল আমীন
  • সজিব আহামেদ
  • সাগর সাহা
  • মাহবুব আলী
  • সাগর স্পর্শ
  • মীর মোহাম্মদ মামুন
  • শাহরিয়ার_খান_রাব্বি
  • শাহ্রিয়ার খান রাব্বি

আপনি এখানে

ব্যক্তিগত কথাকাব্য

মোল্লা নামা


আগে বাচ্চাদের খেলনা মোবাইলে “চল ছাইয়া ছাইয়া” “তু চিজ বারি মাস্তি মাস্তি” ইত্যাদি কিছু গান লোড করা থাকতো। বাটনে চাপ দিলেই ঘুরেফিরে গান গুলা বাঁজতো।

১ বছর ৭ মাস পর আবারো ইস্টিশনে ছোটগল্প নিয়ে


সোবহান সাহেব বাসা থেকে মন খারাপ করে বেরিয়েছেন।
এই মুহুর্তে তিনি রমনা পার্কে। গাছ গুলো আজ তার খুব আপন মনে হচ্ছে। বাচ্চা বাচ্চা ছেলে মেয়ে গুলো কেমন জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে।
সকাল বেলার মৃদু রোদ খেলা করছে ওদের মুখের উপর। কয়েকটা পাখিও মনে হচ্ছে যেন কোথাও ডেকে উঠলো।

বর্ষণ কথন


এখানে আটকে থাকে প্রথম সেই বর্ষণ, আজো এটিই সব। সব কিছুর এক অন্যপ্রকাশ ছিলো। অযথা কোন কথাই কানে আসেনি। আসেনি উচিত অনুচিত কিছু। অবাঞ্ছিত ছিলো সব, তুমিই মূখ্য। অবলীলায় তোমায় নিয়ে সাজালাম কথা, এমন হয়নি অন্য সময়। যেনো বর্ষণে প্রকৃতি নয়, ভিজে যাচ্ছি আমরা।

সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই তখন। একটা অবাক টান বা মায়া খুঁজে পেলাম অচেনা সে তোমার জন্য। বর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে। আটকে আছো কাজে, অফিস গারদে। মন তোমায় নিয়ে গেছে বান্দরবনের সেই পাহাড় মাঝে। আর আমায় অন্য কোন এক ঘোরের মাঝে। একটু একটু সে বর্ষণ অপরিচিত দুজনার মনকে চেনা করছে।

এই গল্পটি আমাদের কয়েকজনের ।।


আব্বার বদলির চাকুরীর কারণে আমরা বেশ অভ্যস্তই ছিলাম এক উপজেলা থেকে আর এক উপজেলায় স্থানান্তরিত হতে। যদিও বলছি বটে অভ্যস্ত কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভয়ানক ভাংচুর হতো ! নতুন পরিবেশ, নতুন স্কুল, পুরনো বন্ধুদের ছেড়ে আসা সব মিলিয়ে বেশ সময় লাগতো মানিয়ে নিতে।

অসহায় হয়ে গেলাম আজ


যখন এই শব্দগুলো লিখছি অভ্র চালু করে কীবোর্ড চেপে। তখন আমার মাথার চিন্তা, বুকের অনুভূতি আর আঙ্গুলগুলোর ব্যাপক ভালোবাসা মিলেমিশে সৃষ্টি করছে স্ক্রীনের উপরে ভেসে থাকা একেকটি শব্দ। আমি বুঝি এই শব্দগুলোকে আমারই ভালোবাসার ছায়া। আমাকে আর কেউ না ভালোবাসুক, আমাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, যিনি গাফুরুল ওয়াদুদ [ক্ষমাশীল ও প্রেমময়] তিনি অবশ্যই আমাকে অনেক ভালোবাসেন। হারিয়ে গেলে তার কাছেই যাবো।

কাব্য হলেও সত্যি!


দুঃসহ এই ক্রান্তিকালে, শোনাবো তোমায় কাব্য আজ
কুচকে ভ্রু, একটু শোনো, বাদটা রেখে সকল কাজ,
ঝড় তো হবেই, মন উঠোনে, শুনলে কবির বক্তৃতা,
মুখোশ খুলেই একটু ভেবো, তোমার আমার সত্যিটা!
গল্প মোদের সাদা-কালো থেকেই গেলো আজীবন,
স্বপ্ন সেতো স্বপ্ন হয়ে খুজে নিলো ভিন্ন ভুবন!
আশা ছিলো তোমায় সাথেই গড়বো দুজন স্বপ্ন-ঘর,
স্বপ্ন ঘরে ঝড় উঠেছে, শনির দশা করছে ভর!
বিশ্বাসেতে চির ধরেছে, দু প্রান্তে আজ মোরা;
কাচের কিছু ভাঙলে কভু যায় না দেয়া তা জোরা!
তা হলে আজ বলেই ফেলি কি চলছে এই মনে,
তোমার সাথেই যাক না জেনে সবটুকু আজ সব জনে!

আমি অপ্রিয় বলছি- শুনো হে মুর্খের দল!


আমাদের রাষ্ট আর সমাজের অধিকাংশ শিক্ষিত (মাথামোটা শিক্ষিত) অভিভাবকগন মনে করে- ছেলে হোক মেয়ে হোক ডিগ্রি পাশ করলেই সেই শিক্ষিত! ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অনার্স, মাস্টার্স, বিবিএ, এমবিএ, পাস করলে সেই অধিক শিক্ষিত! কোনো ছাত্র বাইরে গিয়ে পি এইস ডি পড়ে এসে নামের আগে "ডক্টরেট" লাগালে তাদের দৃষ্টিতে সেই তো আরো অনেক বড়ো শিক্ষিত! ডক্টর অমুক, ডক্টর তমুক! আহারে কতো বড়ো শিক্ষিত মানুষ! এসব অভিভাবকরা নির্ধারণ করে দেয় কারা শিক্ষিত, কারা অশিক্ষিত। এরা মনে করে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট ওলারা শিক্ষিত বাকি সব অশিক্ষিত! এরা ভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিতরাই মানুষ, বাকি সব অমানুষ!

তুই কাফের! তোকে হত্যা করতে হবে!


ফাহিমের মা দুল কিনে নিয়ে চলে গেল। কিন্তু ফাহিমের কথাগুলো এখনো আমার কানে বার বার বাজছে। তুই কাফের! তোকে হত্যা করতে হবে! তোদের ভগবান কাফের.... ফাহিমের বয়স ৭-৮ বছর। বলা যায় অবুঝ মনের অবোধ একটা বালক। অথচ এসব বালকদের প্রিয় কার্টুন ছবি ডরিমন নিয়ে গল্প করার কথা ছিল। মোবাইলের গেমস নিয়ে গল্প করার কথা ছিল। না হয় সাকিব-তামিমের ব্যাট বল নিয়ে গল্প করার কথা ছিল। তা না করে কোনো কারণ ছাড়া বালকটি তেড়ে এসে আমাকে "কাফের" বলে তৃপ্তি পেল। আমাকে হত্যার ইচ্ছে পোষন করে তৃপ্তি পেল। ফাহিমের কথায় কিইবা অবাক হবো? গত দুই তিন বছরে ইসলামিক স্টেট আইএসের গনহত্যা তো দেখলাম। কিভাবে মানুষের মুন্ডু কেটে তারা পৈচাশিক উল্লাস করেছে। এমন কি আইএসরা তাদের ৭-৮ বছরের শিশুদের দিয়ে আল্লাহু আকবর বলে বলে মানুষ জবাই করা শিখিয়েছে। শিশুগুলোও দারুন উচ্ছাস আর আনন্দে আল্লাহু আকবর বলে বলে তাদের বাপের বয়সি মানুষদের গলা কেটে হাসতে হাসতে এক হাতে মুন্ডু, আরেক হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার নিয়ে নৃত্য করেছে। এই চরম বর্বর স্নৃতিগুলো তো ভুলার নয়।

বই মেলা ২০১৭


আগামি শুক্রবারে মামা ভাগ্নে বই মেলায় যাবো।।।।।।। ইশ্টিশনের সকল বন্ধুকে অনুরোধ করতেছি যে সেরা বই, মুক্ত চিন্তা, ইতিহাস, আত্ম জীবনি, ভ্রমন, বইযের তালিকা দিযে সাহায্য করলে খুশি হতাম

কিছু প্রত্যাহার, অনেকের জন্য শুভ!


আমাদের গ্রামটি তিনটি মহল্লায় বিভক্ত। সঠিক ভাবে বললে ঠিক তিনটি মহল্লা নয়, আসলে তিনটি সারিতে বেশ কয়েকটি মহল্লায় ভিভক্ত। দক্ষিণের সারিতে আছে চারটি চারটি মহল্লা। মাঝের সারিতে আছে চারটি মহল্লা। আর উত্তরের সারিটি একটি লম্বা বেশ বড় মহল্লা। এ যেন কোন টিলার ভিত্তিমূল এটি। গ্রামটিকে যদি আড়াআড়ি ভাবে একটির উপর অপরটিকে রাখা হয় তবে উত্তরের মহল্লাটিকে আবশ্যই ভিত্তিমূলে রাখতে হবে। এর উপরই যেন দাঁড়িয়ে আছে অপর দু'টি মহল্লার সারি। শুষ্ক মৌসুমে তিনটি স্বতন্ত্র মহল্লা মনে হলেও বর্ষা মৌসুমের চিত্র সম্পূর্ন ভিন্ন। বর্ষায় বন্যার সময় কিছুটা উঁচু থেকে বা একটু দূরে থেকে দেখলে মনে হতো নয়টি কচুরী পানার ঝো

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর