নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নগরবালক
  • সলিম সাহা
  • বেহুলার ভেলা
  • লালসালু

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

Science for Kids


Its a discussion about a paper published in Nature. Its a scientific publication which published an article about the Galactic centre of the MilkyWay.Here it is in brief for Bengali kids who will discover all the black holes at the centre of MilkyWay.

বিজ্ঞান বনাম বিশ্বাস


বিশ্বাসপ্রবণ মানুষের সাথে বিজ্ঞানের কোনও সম্পর্ক নেই, বরং ঘোর সাংঘর্ষিকতা আছে। বিজ্ঞান ও বিশ্বাস একে অপরের ঠিক উল্টো, যেন পরস্পর দুই মেরুতে অবস্থান। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় বিশ্বাসপ্রবণ মানুষগুলোর সাথে বিজ্ঞানের কোনও দ্বন্দ্ব নেই। বরং উভয়ের মাঝে দহরম-মহরম সম্পর্ক। গণহারে সবাই বিজ্ঞান পড়ছে, একজন অন্ধবিশ্বাসীও বিজ্ঞান পড়ছে, আস্তিক/নাস্তিক সেও বিজ্ঞান পড়ছে, পরীক্ষায় ভালো ভালো নম্বর তুলে নিচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এটি কিভাবে সম্ভব?

আমার মনে হয়, বিশ্বাসপ্রবণ মানুষেরা গণহারে যা বিশ্বাস করে তাতে বিরাট ভুল আছে, অথবা বিজ্ঞান ভুল, অথবা উভয়ের কোনটি স্ববিরোধপূর্ণ।

বুদ্ধ ও বিজ্ঞানের মৌলিক স্মৃতি


এক মহাবিষ্ফোরণ - বিগব্যাঙ। সূর্য হতে অসংখ্য ছিটকে পড়া বিগলিত লাভা খণ্ড যার যার অবস্থানে স্থির হয়ে আছে মাধ্যাকর্ষণ-শুণ্য মহাবিশ্বব্রহ্মাণ্ডে। সহস্র আলোকবর্ষের পরিক্রমায় অগ্নিকুণ্ডগুলো ঠান্ডা হতে থাকে। তাদেরই এক খণ্ডানুর নাম - পৃথিবী। উত্তপ্ত এই অগ্নিকুণ্ড হতে অনবরত নির্গত হতে থাকা বাস্প মাহাশুণ্যের কোনে সৃষ্টি করছে মেঘ। ঝরে এসেছে মেঘ আবারো পৃথিবীতে, নানান খাদে জমেছে জল। সম্পূর্ণ প্রাণশূন্য এক মরভূমি, চারদিকে কলজে হু হু করা নিরবতায় শুনশান। এভাবে হঠাত একদিন কি এক অবিস্মরণীয় ঘটনা ঘটে।

ভিনগ্রহের ডুয়েল ও ডি-টুয়েন্টি (বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: তৃতীয় ও শেষ অংশ)


“সুয়ান। আমরা এটা কি দেখছি এই ঘরে কখনো প্রবেশ করিনি হঠাৎ এল কোথেকে?”
.
“আমি নিজেও বুঝতে পারছি না এই ঘরটিতে কখনই এসেছি বলে মনে হয় না,
চলুন ভিতরে”
.
"ঐ তো ডি-টুয়েন্টি,সুখোসি।"
.
.
সজল একটি জায়গায় স্থির দাড়িয়ে কি জানি দেখছে! তবে তার কোন প্রকার খেয়াল নেই,নড়া- চড়ার হেরফের ও নেই;মনে হচ্ছে মূর্তি বেশিত বস্তু।
.
.
“ডি-টুয়েন্টি,তুমি কি করছ?”
.

ভিনগ্রহের ডুয়েল ও ডি-টুয়েন্টি (বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: ২য় অংশ)


কেউ যেন শিশমহলে প্রবেশ করলো,সজল দেখতে পারছেনা কারণ তাদের রঙ আর ধোঁয়া একই!

ভিনগ্রহের ডুয়েল ও ডি-টুয়েন্টি (বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: প্রথম অংশ)


'এ কোন অপরাহ্ন, এটা পৃথিবীর অন্য ধারান্তর নাকি মনের কোন এক কোনে বিস্ময়ের ভয়? এটা দিন নাকি রাত দোটানায় পরখ করাও কষ্টকর, একবার জানালায় কখনোবা উপরে সদৃশ কাঁচে তাকিয়ে চেষ্টা অনবরত চলছে। তবুও বুঝতে পারছি না। জানালার প্রান্তে গেলে মনে হয় গোধুলি লগ্ন আবার উপরে তাকালে রাত এবং গোধূলি একই সাথে বিরাজমান?' সাত-পাঁচ ভাবতে লাগলো সজল।
.
.

ধর্ম কি শুধুই আমাদের পৃথিবী বা সৌরজগত কেন্দ্রিক ?


প্রায় সব ধর্মেই যত তীর্থস্থান বা যত ধর্মীয় ঘটনা ধর্মীয় কাহিনী আছে প্রতিটাই পৃথিবী বা সৌরজগত কেন্দ্রিক। যেখানে এই মহাবিশ্বে পৃথিবী একটা সরষে দানার লক্ষ ভাগেরও সমান নয়

তবেকি ঈশ্বরের আধিপত্য শুধুই পৃথিবী বা সৌরজগতের উপর ?
তবেকি ঈশ্বর শুধুই পৃথিবী কেন্দ্রিক ?

স্ট্রোক- বর্তমান সময়ের বিভীষিকার নাম



স্ট্রোক- বর্তমান সময়ের বিভীষিকার নাম। অহরহ ঘটছে এই রোগ।
চিকিৎসা করবে চিকিৎসক। কিন্তু আপনি, আমি সাধারণ মানুষ কি করব?
>কখন বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে?
সাধারণ লক্ষন হল হটাত শরীরের কোন এক পাশ দূর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, শরীরের এক পাশ বাকা হয়ে আসা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
>কি করবেন?
স্ট্রোক রোগীর ক্ষেত্রে মোটেও তাড়াহুড়ো করবেন না।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর