নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অভিজিৎ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মাইকেল অপু মন্ডল
  • সজীব সাখাওয়াত
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী
  • শুভ্র আহমেদ বিপ্লব
  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল

আপনি এখানে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ব্ল্যাক হোল (Black hole) বা কৃষ্ণ গহ্বর এক মহাআশ্চর্য।



গতকাল বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, গাজীপুর এর একজন এক্স সিনিয়র সাইন্টিস্ট আমার সাথে বিগ ব্যাং তত্ব নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছে। আমি তাকে বলেছি এই দুঃসাহস যেনো আমার না হয় এতে তিনি কি মনে করেছেন জানি না। যেকোন কারনে আমি তার নাম এখানে বলছি না তবে আজকের এই লেখাটা তাকে স্বরন করে। বিগ ব্যাং তত্ব নিয়ে কথা উঠাতেই আমি এটা নিয়ে লেখার কথা চিন্তা করি। বিগ ব্যাং নিয়ে যতটুকুই জানি সেটা নিয়ে পরে আরেকদিন লেখার চেষ্টা করবো আজ ব্ল্যাক হোল নিয়েই আলোচনা করবো। এখানে আমি চেষ্টা করেছি সকলের সহজ বোঝার সুবিদার্থে একদম সহজ ভাষা ব্যবহার করার।

মঙ্গলে প্রথম সফল অভিযানের গ্রাফিক্সের ছবি


এটা মঙ্গলে প্রথম সফল অভিযানের গ্রাফিক্স আর কিছু অরিজিনাল ফুটেজের ছবি। এটা চাদের যাওয়ার রকেট মনে করলে ভুল করবেন। ২০০৩ সালে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং মানব সভ্যতার এক যুগান্তকারী জয়ের সূচনা হয়েছিল ওই দিন।! আর এটি কিউরোসিটি রোভার নয় এটি স্পিরিট অথবা অপরচুনিটি রোভারের ল্যান্ডিং এর ডেমোর ছবি! মানে হচ্ছে গিয়ে এনিমেটেডের ছবি! এই রোভারটি কেননা ল্যান্ডিং এর সময় এখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না কারন ল্যান্ডিং এর সময় রোভার এর গতি থাকে ৬-৭ কিঃমিঃ সেকেন্ড!

ফোর জি সেবা যেন নামেমাত্র না হয়



আমি ফোরজি নেটওয়ার্কে ডাটা ইউজ করতে থ্রিজির থেকে দশগুণ স্পিড চাই না। লাইসেন্স দেরীতে হলেও দিচ্ছে, বা এইদেশে সব ভাল দেরিতে হয় সেটাও মানা গেল। কিন্তু ভাল হবে নাম দিয়ে আসবার পর মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও চালাইলে আমার মোবাইল স্কিনে যেন গোল্লা চাক্কা ঘুরতে না থাকে অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী।

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : শেষ পর্ব


আমাদের সভ্যতার প্রাচীন মিথ গুলোতেও মাতৃগর্ভে প্রত্যাবর্তনের আকুলতা নানান ব্যঞ্জনায় রঞ্জিত হয়ে আছে। এই ব্যঞ্জনাই পরবর্তীতে আমাদের বিচিত্র আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নানান ভাষ্যে অনুরনন তুলে এসেছে যুগের পর যুগ। আনুমানিক ২০০০০০-৭৫০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দের প্রাগৈতিহাসিক নিয়াণ্ডারথাল মানুষদের ক্ষেত্রেও দেখছি তারা যখন কোন মৃতদেহ কবরস্থ করতো তখন কবরে সেই দেহ শুইয়ে দিত হাঁটু ভাঁজ করে প্রায় বুকে ঠেকিয়ে অবিকল ভ্রূনের ভঙ্গীতে। সেই কবরে বলির পশুর হাড়ের সাথে শুকনো ফুলের মালার অস্তিত্ব জানায় মৃত্যুপরবর্তী একটা পারলৌকিক জীবনের বোধ সেই আদিম যুগের মানুষের মধ্যেও ছিল। জন্ম অভিজ্ঞতার স্মৃতির তাড়নাতেই কি তারা ভেবেছিল মাত

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : চতুর্থ পর্ব


মাতৃগর্ভের আকাঙ্খা ভারতীয় মিস্টিকদের ধারনায় যে ভাবে অধ্যাত্মবাদের রক্তমাংসে মূর্ত হয়ে উঠেছে তা অন্য ক্ষেত্রেও দুর্লভ নয়। আদিম সংস্কৃতিতেও আমরা ঠিক এই ভাবধারাকেই দানা বেঁধে উঠতে দেখি। আধ্যাত্মিক উপলব্ধীর খুব গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বারবারই আমরা সদ্যজাত শিশুর জন্ম অভিজ্ঞতা ও তৎসঞ্জাত অনুভবের স্ফুরণ বিভিন্ন ভাবেই চিত্রিত ও বর্ণিত হতে দেখি। প্যাগান ধর্ম থেকে সেমিটিক ধর্মে এসেও বিভিন্ন মানব সম্প্রদায় আধ্যাত্মিক উপলব্ধী বলে যে অনুভব আর অভিজ্ঞতাকে আবিস্কার করেছে তার মধ্যেও এই মাতৃগর্ভের অভিজ্ঞতার স্মৃতি প্রকট হয়ে ওঠে। মানব মনের স্বাভাবিক ও চিরন্তন আকাঙ্খাই যেন তার অধ্যাত্ববাদী চেতনায় বার বার দেখা দিয়ে

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : তৃতীয় পর্ব


অনগ্রসর আদিম ধরনের সমাজের সংস্কৃতিতে আধ্যাত্মিকতার ধারক, বাহক, অভিভাবক থাকতো শামানরা। এদের কখনও ওঝা, মেডিসিন ম্যান বা শামান বলে অভিহিত করা হয়। কেননা এইসব সমাজে বিশ্বাস করা হয় এদের অলৌকিক যাদু শক্তি রয়েছে এবং এই শক্তি দিয়েই এরা যেমন মানুষের রোগ-বালাই দূর করতে পারে তেমনি গুন-যাদু বা বাণ ছুড়ে যে কারো অনিষ্ট এমনকি মৃত্যুও ঘটানোর ক্ষমতা রাখে। এদের ঠিক পুরোহিত গোত্রে ফেলা যাবেনা, এদের সাথে বরং অনেকটা সাদৃশ্য রয়েছে আমাদের সন্ন্যাসী, কামেল ফকির, সাধন সিদ্ধ কাপালিক বা তান্ত্রিকদের। আদিম সমাজে এদেরই ভাবা হতো আধ্যাত্মিক ও অলৌকিক শক্তি সম্পন্ন মানুষ এবং সমাজের ভয় মিশ্রিত শ্রদ্ধায় এরাই হয়ে উঠতো অনেকখানি

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : দ্বিতীয় পর্ব


কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনা দিয়েই আরম্ভ হয়েছিল গৌতমবুদ্ধের আধ্যাত্মিক লক্ষ্য অর্জনের পথ চলা। রাজকুমারের জীবনের বিত্ত-সম্পদ আর আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে মাত্র ২৯ বছর বয়সেই সংসার ছেড়ে সন্ন্যাস নেন তিনি। কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনার সময় গৌতমবুদ্ধ সাত দিন পর একদিন, পরে পনেরদিন পর একদিন এভাবে খাদ্য গ্রহন করতেন। যা খেতেন তাও এমন কিছু নয়। কখনও ফেলে দেওয়া পশুর চামড়ায় লেগে থাকা মাংস, হাঁড়ির তলার পোড়া ভাত, কিছুই না পেলে গোবর। কখনও মাত্র একটি চালের কি তিলের বা মুগডালের দানা খেয়েই থাকতেন। এই খাদ্যাভ্যাসের ফলে শরীরের কি অবস্থা দাঁড়িয়েছিল সে বর্ণনাও দুর্লভ নয়। গভীর কুয়োর জলে প্রতিবিম্বিত নক্ষত্রের মত তার চোখ কোটরাগত হয়েছিল। শরী

মাতৃগর্ভের নির্বাণ : প্রথম পর্ব


আমাদের আধ্যাত্মিক সাধনার ইতিহাস বলে মানুষ মাত্র আধ্যাত্মিকতার বীজ নিয়েই এ পৃথিবীতে আসে। তাই হয়তো আমরা বারবার ঈশ্বরের দিকে ঘুরে যাই, ঈশ্বরকেই খুঁজি। প্রবলভাবে ঈশ্বরের অসীম সত্ত্বার মধ্যেই নিজের অস্তিত্ব মিলিয়ে দিতে চাই। ভাবা হয় যার মধ্যে এই বীজ অঙ্কুরিত হতে পেলোনা, পুষ্টি পেলোনা তার জীবন অর্থহীনতায় তলিয়ে যাবেই। কখনও আবার ঈশ্বর নয় আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তরটিকে মোক্ষ বা নির্বাণ বলে অভিহিত করা হয়। আর এই মোক্ষ বা নির্বাণের অবস্থায় উপনীত হতে সাধককে আত্মসত্ত্বা বিলীন করে দিতে হয় একটা রহস্যময় অনির্বচনীয় কিছু একটার মধ্যে। এই আত্মসত্ত্বার বিলোপকে আবার অধ্যাত্মবাদের জগতে নেতিবাচক বলে ভাবা হচ্ছেন

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর