নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • আরণ্যক রাখাল
  • মলি
  • মনিরুজ্জামান মানিক
  • হাকিম চাকলাদার
  • নুর নবী দুলাল
  • মোহাম্মদ আল আমীন

নতুন যাত্রী

  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার
  • ব্লুএস্ত এয়ে
  • বকুল আহ্সান
  • মকছুদ ওসামা
  • প্রজাপতি
  • তাওহীদুল ইসলাম
  • জিসান রাহমান
  • আজুর ব্রেইস

আপনি এখানে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

চক্ষু,রেটিনা যে ভাবে কাজ করে পর্ব২৪(৪)


চক্ষু,রেটিনা যে ভাবে কাজ করে পর্ব২৪(৪)

চিত্র-১
Source of figure- http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/medicine/laureates/1967/

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল


বিশ্বব্যাপী মানব সভ্যতাকে বর্তমানে যে সকল ইস্যু শঙ্কিত করে রেখেছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পরিবেশদূষণ। এদেশে পরিবেশদূষণের যেসব উপাদান চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় মাথাব্যাথার নাম পলিথিন বর্জ্য। তবে এই পলিথিন বর্জ্য থেকে খুবই সস্তায় জ্বালানি তেল উৎপাদন করা সম্ভব। আশাজাগানিয়া এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন জামালপুর সদর উপজেলার কুচঝগড় এলাকার তরুণ তৌহিদুল ইসলাম (২৫)। তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে পলিথিন বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনে লিটারপ্রতি খরচ মাত্র ৭০ পয়সা থেকে দুই টাকা। আর তেল তৈরির সময় যে কালি বের হয় তা ব্যবহার করা যায় ফটোকপিয়ার মেশিনের কালি হিসেবে। ১১ মার্চ থেকে তিন দিনব্যাপী

প্যারাডক্সিকাল সাজিদ থেকে প্রশ্ন ও আমার জবাবঃ ১


বেশ কয়েকদিন থেকে একটা বইয়ের কথা খুব শুনছি। বইটার নাম ‘প্যারাডক্সিকাল সাজিদ’। লেখক আরিফ আজাদ। তিনি নাকি বইটায় নাস্তিকদের কোমর ভেঙ্গে দিয়েছেন। এমন সব প্রশ্ন নাকি করেছেন, যার উত্তর দিতে নাস্তিকেদের ‘নাকের জলে চোখের জলে’ হাফসোল খাওয়ার মত অবস্থা হবে। কয়েকজন বন্ধুর মুখেও শুনলাম বইটার কথা। আগ্রহ জন্মালো বলে সংগ্রহ করে ফেললাম। ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে ভাল। প্রশ্ন, যুক্তি ও বিতর্ক অনেক সময় সঠিক পথ নিয়ে আসে, আগামীর পথ নির্ধারণ করে। সবচেয়ে বড় কথা, আরিফ আজাদ বইটায় নাস্তিকদের কটু ভাষায় আক্রমণ করেননি বা গালাগালি করেননি- ব্যাপারটা সত্যি অনন্য। কারণ আস্তিকেরা সাধারণত তাদের লেখা শুরু ও শেষ দুটোই করে গালিগালাজ দ

বিবর্তন বনাম ধর্ম


বিবর্তন একটি প্রমানিত সত্য হলেও প্রায় প্রতিটি ধর্মই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। কারন বিবর্তন যদি ধর্মগুলি স্বীকার করে নেয় তাহলে ধর্মগুলির কোন অস্তিত্ব থাকে না। এত বছর ধরে গড়ে ওঠা ধর্ম বানিজ্য এক মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাবে।

চক্ষু-কর্নিয়া সম্পর্কে কিছু কথা,গঠন,পর্ব-২৩(৩)


চক্ষু-কর্নিয়া সম্পর্কে কিছু কথা,গঠন,পর্ব-২৩(৩)

আপনারা ইতিপূর্বে জানতে পেরেছেন, আলোক রশ্মী চক্ষু অভ্যন্তরে ভ্রমন করতে যে অর্গানকে সর্বপ্রথম অতিক্রম করতে হয়, সেইটাই “কর্ণিয়া”, এটা যেন একটি গৃহের একটা গ্লাস লাগানো জানালা। শরীরের অন্যান্য অর্গানের তুলনায় এর যথেষ্ঠ বৈশিষ্ট রয়েছে।

চোখের দুইটি পাতা এর Shutter হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে একে নিরাপত্তা ও বিশ্রাম দেয়। আবার পাতা দুইটি প্রয়োজন মত সরে গিয়ে বহির্জগতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, আর তখন বহির্জগত হতে আলোক রশ্মী এর অভ্যন্তরে পবেশ করে।

বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানব সভ্যতা


আজ থেকে প্রায় ৩৮০ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবীতে প্রথম স্থায়ী সমুদ্রের সৃষ্টি হয়। স্থায়ী সমুদ্র সৃষ্টির প্রায় ৭ লক্ষ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে কয়েকটি প্রাথমিক উপাদান; বিগ ব্যাং এর পর সৃষ্ট প্রথম মৌল হাইড্রোজেন, নক্ষত্রে সৃষ্ট নাইট্রোজেন, কার্বন, এবং অক্সিজেন মিলে তৈরি করে পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা। DNA, যে সর্পিলাকার আণুবীক্ষণিক গঠনে লুকিয়ে আছে প্রাণের রহস্য। এটি ছিল পৃথিবীর সর্বপ্রথম মহাবিপ্লব। এরপর DNA থেকে কালক্রমে তৈরি হল প্রথম অণুজীব, ব্যাকটেরিয়া। যেটি শুধু তখন নয় এখনো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের দেহ সারা পৃথিবীর জনসংখ্যার চেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যাকটেরিয়ার একটা ‘চিড়িয়াখানা’।

বিগ ব্যাংয়ের অন্যতম বড় রহস্যের সমাধান


মহাবিশ্বের গঠনপ্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভের উদ্দেশ্যে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সংক্ষেপে সার্ন) বিজ্ঞানীরা ১৯৫৪ সাল থেকে প্রতিনিয়ত গবেষণা করে যাচ্ছেন। ফ্রান্সের এই সংস্থাটিতে নিযুক্ত প্রকৌশলী ও পদার্থবিদরা কণাত্বরক যন্ত্র ও ডিটেক্টরের সাহায্যে প্রকৃতির বিভিন্ন সূত্র ও পদার্থের মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলোর অন্তর্নিহিত বিষয়সমুহ জানার চেষ্টা করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সম্প্রতি সার্নের বিজ্ঞানীরা সম্ভবত পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের সেই গবেষণাপত্র কিছু দিন আগে নেচার ফিজিক্সে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রকৃতির এক রহসস্যের নাম " প্রোটনের জীবনকাল"


রহস্যের বেড়াজালে ঘূর্ণনরত অসংখ্য অমীমাংসিত রহস্যের একটি হলো ''প্রোটনের জীবনকাল''। প্রোটনের জীবনকাল নিয়ে বিজ্ঞান মহলে আজও অমীমাংসিত সমাধান প্রবাহিত হচ্ছে। যে প্রবাহটার শেষ কোথায় বা আদৌ শেষ হবে কিনা তা প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানের চরম উন্নতির এ দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে কেউ সমাধান দিতে পারছেননা। প্রোটনের জীবনকাল ব্যাপারটা এখনো পদার্থ বিজ্ঞানের প্রধান রহস্যগুলোর একটি।

চক্ষু- আলোক রশ্মী যে ভাবে চক্ষু অভ্যন্তরে ও মস্তিস্কে ভ্রমন করে, পর্ব-২২ (২)


চক্ষু- আলোক রশ্মী যে ভাবে চক্ষু অভ্যন্তরে ও মস্তিস্কে ভ্রমন করে, পর্ব-২২ (২)
এই পর্বটা বুঝতে গেলে আপনাদের পর্ব-২১ (৫)
টা একটু পড়ে আসতে হবে।

(পোষ্টে সরাসরি চিত্র দেওয়ার সুযোগ না থাকায় যথাস্থানে চিত্রের লিংক দেওয়া হল,দুখিত। আপনারা লিংকে গিয়ে চিত্র দেখতে পারবেন।)

চক্ষু গোলকের গঠন দেখতে নীচে You Tube Video No- 1-3 দেখুন।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর