নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জান্নাতুল নাইম শাওন
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নীল কষ্ট
  • আরিফ ইউডি
  • নুরুন নেসা
  • এম ইউ রাকিব

নতুন যাত্রী

  • আবুল কালাম
  • ইমরান আহমেদ সৈকত
  • উন্মাদ কবি
  • রাহাত মাকসুদ
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • অপূর্ব দাশ
  • এল্লেন সাইফুল
  • বাপ্পি হালদার
  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের

আপনি এখানে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

চক্ষু-কর্নিয়া সম্পর্কে কিছু কথা,গঠন,পর্ব-২৩(৩)


চক্ষু-কর্নিয়া সম্পর্কে কিছু কথা,গঠন,পর্ব-২৩(৩)

আপনারা ইতিপূর্বে জানতে পেরেছেন, আলোক রশ্মী চক্ষু অভ্যন্তরে ভ্রমন করতে যে অর্গানকে সর্বপ্রথম অতিক্রম করতে হয়, সেইটাই “কর্ণিয়া”, এটা যেন একটি গৃহের একটা গ্লাস লাগানো জানালা। শরীরের অন্যান্য অর্গানের তুলনায় এর যথেষ্ঠ বৈশিষ্ট রয়েছে।

চোখের দুইটি পাতা এর Shutter হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে একে নিরাপত্তা ও বিশ্রাম দেয়। আবার পাতা দুইটি প্রয়োজন মত সরে গিয়ে বহির্জগতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, আর তখন বহির্জগত হতে আলোক রশ্মী এর অভ্যন্তরে পবেশ করে।

বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানব সভ্যতা


আজ থেকে প্রায় ৩৮০ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবীতে প্রথম স্থায়ী সমুদ্রের সৃষ্টি হয়। স্থায়ী সমুদ্র সৃষ্টির প্রায় ৭ লক্ষ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে কয়েকটি প্রাথমিক উপাদান; বিগ ব্যাং এর পর সৃষ্ট প্রথম মৌল হাইড্রোজেন, নক্ষত্রে সৃষ্ট নাইট্রোজেন, কার্বন, এবং অক্সিজেন মিলে তৈরি করে পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা। DNA, যে সর্পিলাকার আণুবীক্ষণিক গঠনে লুকিয়ে আছে প্রাণের রহস্য। এটি ছিল পৃথিবীর সর্বপ্রথম মহাবিপ্লব। এরপর DNA থেকে কালক্রমে তৈরি হল প্রথম অণুজীব, ব্যাকটেরিয়া। যেটি শুধু তখন নয় এখনো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের দেহ সারা পৃথিবীর জনসংখ্যার চেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যাকটেরিয়ার একটা ‘চিড়িয়াখানা’।

বিগ ব্যাংয়ের অন্যতম বড় রহস্যের সমাধান


মহাবিশ্বের গঠনপ্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভের উদ্দেশ্যে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সংক্ষেপে সার্ন) বিজ্ঞানীরা ১৯৫৪ সাল থেকে প্রতিনিয়ত গবেষণা করে যাচ্ছেন। ফ্রান্সের এই সংস্থাটিতে নিযুক্ত প্রকৌশলী ও পদার্থবিদরা কণাত্বরক যন্ত্র ও ডিটেক্টরের সাহায্যে প্রকৃতির বিভিন্ন সূত্র ও পদার্থের মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলোর অন্তর্নিহিত বিষয়সমুহ জানার চেষ্টা করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সম্প্রতি সার্নের বিজ্ঞানীরা সম্ভবত পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের সেই গবেষণাপত্র কিছু দিন আগে নেচার ফিজিক্সে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রকৃতির এক রহসস্যের নাম " প্রোটনের জীবনকাল"


রহস্যের বেড়াজালে ঘূর্ণনরত অসংখ্য অমীমাংসিত রহস্যের একটি হলো ''প্রোটনের জীবনকাল''। প্রোটনের জীবনকাল নিয়ে বিজ্ঞান মহলে আজও অমীমাংসিত সমাধান প্রবাহিত হচ্ছে। যে প্রবাহটার শেষ কোথায় বা আদৌ শেষ হবে কিনা তা প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানের চরম উন্নতির এ দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে কেউ সমাধান দিতে পারছেননা। প্রোটনের জীবনকাল ব্যাপারটা এখনো পদার্থ বিজ্ঞানের প্রধান রহস্যগুলোর একটি।

চক্ষু- আলোক রশ্মী যে ভাবে চক্ষু অভ্যন্তরে ও মস্তিস্কে ভ্রমন করে, পর্ব-২২ (২)


চক্ষু- আলোক রশ্মী যে ভাবে চক্ষু অভ্যন্তরে ও মস্তিস্কে ভ্রমন করে, পর্ব-২২ (২)
এই পর্বটা বুঝতে গেলে আপনাদের পর্ব-২১ (৫)
টা একটু পড়ে আসতে হবে।

(পোষ্টে সরাসরি চিত্র দেওয়ার সুযোগ না থাকায় যথাস্থানে চিত্রের লিংক দেওয়া হল,দুখিত। আপনারা লিংকে গিয়ে চিত্র দেখতে পারবেন।)

চক্ষু গোলকের গঠন দেখতে নীচে You Tube Video No- 1-3 দেখুন।

সিরিয়াস ট্রিটিজ অন ফেমিনিজম-২, এসএসএসএম পর্ব - মধ্যাংশ


আচরণবাদের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে মানুষের চিন্তাচেতনা, ব্যাক্তির মানসিকতা, ধ্যান-ধারণার সমস্ত কিছুই শুরু হয় একেবারে শূণ্য থেকে । জন্মের পরে যে পরিবেশে, যে ধরণের পারিবারীক অবস্থা, যে ধরণের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ভিতর দিয়ে সে বড় হয় তার মাধ্যমেই ঠিক হয় সে কেমন মানুষ হবে, কতটা সফল হবে, জীবন ও জগত নিয়ে কি ধরণের মনোভাব প্রকাশ করবে তা । প্রাণী হিসাবে মানুষের মধ্যে কিছু স্বয়ংক্রিয় জৈবিক চিন্তা আসবে বা পিতামাতার কাছ থেকে পাওয়া জিনের কারণে সন্তানের কোন একটা দিকে পিতামাতার সাথে মিল রেখে কোন একটা মানসিক ধারণা তৈরী হবে বা লিংগ, জাতী এইসবের কারণে মানুষের আলাদা আলাদা দলের মধ্যে কোন পার্থক্য তৈরী হবে এই চিন্তা ছি

গতকাল মারা গেলেন ইউজিন কারনান, চাঁদের বুকে হাঁটা এ পর্যন্ত সর্বশেষ মানুষ


ইউজিন কারনান, চাঁদের বুকে হাঁটা এ পর্যন্ত সর্বশেষ মানুষ, গতকাল ১৬ ই জানুয়ারি ২০১৭ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ছিলেন ১৯৬৩র অক্টোবরে বাছাই করা ১৪ জন নভোচারীদের একজন।

একটি গানঃ একা; পাড়ি দিচ্ছে আলোকবর্ষ ।


চাঁদে এ পর্যন্ত হওয়া সাকসেসফুল, আনসাকসেসফুল মিশন ও ২০১৮ পর্যন্ত যেসব মিশন হবে তার একটা ডিটেইলস লিস্ট পাবেন এখানে

শূন্যঃ শূন্য, শূন্যতা, পূর্নতা, শূন্যানুভূতি, আপেক্ষিকতা ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা


শূন্য কি?

=>শূন্য হলো কিছুইনা, অস্তিত্বহীনতা, অবাস্তবতা যা কোন নির্দিষ্ট মাত্রিক দেশ-কালিক মানদন্ডে বিচার্য্য।
গানিতিক অর্থে শূন্য হলো +১ ও -১ এই সংখ্যার মধ্যবর্তী সংখ্যা যা অঋণাত্বক, অধনাত্মক, নিরপেক্ষ, মূলদ, পূর্ন, জোড়, অমৌলিক এক রহস্যময় সংখ্যা।
শূন্য হলো দুটি সমমানের ধনাত্মক ও ঋনাত্মক সংখ্যার যোগফল কিংবা সমষ্টি।
শূন্য হলো নেগেটিভ-পজিটিভে পূর্ন।

=>বিভিন্ন অর্থে শূন্য ও শূন্যতা ব্যবহার্য্যঃ

♦১) অস্তিত্বঃ গ্লাসটিতে পানি নেই_গ্লাসটি পানি শূন্য। বাল্বটিতে বায়ু নেই_বাল্বটি বায়ু শূন্য। ঘরটিতে কেউ নেই_ঘরটি মানব শূন্য।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর