নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

চলচ্চিত্র

নৈশব্দের প্রতিচ্ছবি



একটা খারাপ ছবি দেখে এসে সহজেই পাঁচটা কথা লিখে ফেলা যায়। কিন্তু এমন একটা ছবি যা মনের মধ্যে একটা ঘোরের সৃষ্টি করে। যা মনকে একটা আলাদা স্তরে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। এখন আমি যে স্তরের কথা বলছি সেটা হল নৈশব্দ। সেই সব ছবিগুলো নিয়ে দুটো কথা বলাই কঠিন। শুধু কঠিন নয়, ঝুঁকি যুক্তও বটে।

চলচ্চিত্র: Manjhi-The Mountain Man



“ভগবানের ভরসায় বসে থেকো না, কে জানে সে আমাদের ভরসায় বসে থাকে কিনা?”- দশরথ মাঝি

মুভি রিভিউঃ ডুব - দেখতে দেখতে ডুবে যাওয়ার কিছু নাই



বায়োপিক বানাইয়া বায়োপিক স্বীকার করতে না পারা কিংবা না চাওয়াটা ভন্ডামি। আর এইটা বা ডুব নামের সিনেমাটা যে বায়োপিকই, জনতা তা জানবার পর সিনেমা হিট খাবে না। ধরে নেই যে, ডুবের প্রধান চরিত্রকে আমরা চিনি না, আভাসও পাইনা তিনি কে ছিলেন, জীবনে কি কি করছেন, বা কিভাবে উনার জীবন চলছে মৃত্যুর আগপর্যন্ত। জাভেদ হাসানকে আমরা কেবল জানতে শুরু করি এই মুভিটা শুরু হওয়ার সাথে সাথে। তাহলে এই ডুবের কাহিনিতে ডুব দেয়া সাধারণ দর্শকের জন্য কঠিনই হবে। কাহিনির ফ্ল্যাশব্যাক, এদিকসেদিক দৌড়াদৌড়ি আর কে কি অনুভব করতেছে, কেন সমস্যা, কিসের জন্য সমস্যা এইসব বোঝা দুরুহ ব্যাপার হবে যদি প্রাক-আইডিয়া না থাকে। আপনি যদি না জানেন শাওন হুমায়ুনের মেয়ের বান্ধবী ছিলেন, গুলতেকিন আহমেদকে কিভাবে বিয়ে করছেন, কিংবা হুমায়ুন আহমেদের জীবনে কি কি ঘটছিল, তাইলে এই ডুব ছবির অর্ধেক আপনি এমনিতেই বুঝবেন না।

নিউটনঃ কথিত গণতন্ত্রের সুখ, গণতন্ত্রের অসুখ!



মাত্র ছিয়াত্তরটা ভোট। ছিয়াত্তর জন ভোটার। মাওবাদিদের দখলে সেই জংগলাকীর্ণ স্থান। প্রবল সেনা প্রহরা লাগবে সেখানকার ভোট গ্রহন করতে। সেনা প্রস্তুত থাকলেও সেই আতঙ্ক জাগানিয়া দুর্গম মাওবাদি স্থানে অনেকেই যেতে রাজি নয়। অনেক সেনাও সেখানে যেতে রাজি নয়। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো যেতে হবে! হ্যাঁ, একজন রাজি আছেন। নিউটন কুমার। প্রিসাইডিং অফিসার। সাথে দু'জন সহকারিসহ আর জনা চারেক লোক। আর এক দংগল সেনা।

ঢাকা অ্যাটাকঃ গল্প হলেও সত্যি!!


"হ্যান্ডস আপ! আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না!!"- কিছুদিন আগে পর্যন্ত এটাই ছিল ঢাকাই চলচ্চিত্রের পুলিশের বহুল উচ্চারিত সিগনেচার ডায়লগ। ঢাকাই চলচ্চিত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সবার মস্তিষ্কে একটা ধারনাই বদ্ধমূল হয়ে ছিল- "পুলিশ তো আসবে একদম মুভির শেষে, সবকিছু শেষ হয়ে যাবার পর! এর আগে মুভির মাঝখানে পুলিশের আর কাজ কী?!"

চলচ্চিত্র: What’s Eating Gilbert Grape



What’s Eating Gilbert Grape, ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের এই চলচ্চিত্রটা অন্যতম সেরা কাজ বলে আমার মনে হয়েছে। সিনেমার পরিচালক লাসে হালস্ত্রোম। লেখক পিটার হেজেসের এ নামে রচিত উপন্যাসটির কাহিনীই চলচ্চিত্র আকারে নির্মীত হয়েছে।ছবিটির মূল দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ ও লিওনার্দো ডিক্যাপরিও। দুজনই অসাধারণ অভিনয় করেছেন।

চলচ্চিত্র: 'ইরাদা', পরিবেশ দূষণের বাণিজ্য ও মানুষের জীবন



‘ইরাদা’ (Irada), অপর্ণা সিং-এর পরিচালনায় দুর্দান্ত একটা সিনেমা। রাজনীতি-ব্যবসা-পরিবেশ দূষণ আর সাধারণ মানুষের মৃত্যুর আয়োজন, এগুলো সব যে একে অপরের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত, সেটা এই সিনেমায় দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। সুন্দরবনের পাশে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে আমাদের কেমন দশা হতে পারে, এই সিনেমা দেখে সেটা আঁচ করা যায়। উন্নয়নের নামে মানুষের মৃত্যুর বীজ পুঁতে চলেছে দুঃশাসকেরা।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে মেগা মুভি


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এখনো কোনো চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়নি। ১০-১২ বছর আগে একবার লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি ছায়াছবি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। নানান কারণে সে ছবি আর আলোর মুখ দেখেনি।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর