নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অভিজিৎ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মাইকেল অপু মন্ডল
  • সজীব সাখাওয়াত
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী
  • শুভ্র আহমেদ বিপ্লব
  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল

আপনি এখানে

চলচ্চিত্র

নিউটনঃ কথিত গণতন্ত্রের সুখ, গণতন্ত্রের অসুখ!



মাত্র ছিয়াত্তরটা ভোট। ছিয়াত্তর জন ভোটার। মাওবাদিদের দখলে সেই জংগলাকীর্ণ স্থান। প্রবল সেনা প্রহরা লাগবে সেখানকার ভোট গ্রহন করতে। সেনা প্রস্তুত থাকলেও সেই আতঙ্ক জাগানিয়া দুর্গম মাওবাদি স্থানে অনেকেই যেতে রাজি নয়। অনেক সেনাও সেখানে যেতে রাজি নয়। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো যেতে হবে! হ্যাঁ, একজন রাজি আছেন। নিউটন কুমার। প্রিসাইডিং অফিসার। সাথে দু'জন সহকারিসহ আর জনা চারেক লোক। আর এক দংগল সেনা।

ঢাকা অ্যাটাকঃ গল্প হলেও সত্যি!!


"হ্যান্ডস আপ! আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না!!"- কিছুদিন আগে পর্যন্ত এটাই ছিল ঢাকাই চলচ্চিত্রের পুলিশের বহুল উচ্চারিত সিগনেচার ডায়লগ। ঢাকাই চলচ্চিত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সবার মস্তিষ্কে একটা ধারনাই বদ্ধমূল হয়ে ছিল- "পুলিশ তো আসবে একদম মুভির শেষে, সবকিছু শেষ হয়ে যাবার পর! এর আগে মুভির মাঝখানে পুলিশের আর কাজ কী?!"

চলচ্চিত্র: What’s Eating Gilbert Grape



What’s Eating Gilbert Grape, ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের এই চলচ্চিত্রটা অন্যতম সেরা কাজ বলে আমার মনে হয়েছে। সিনেমার পরিচালক লাসে হালস্ত্রোম। লেখক পিটার হেজেসের এ নামে রচিত উপন্যাসটির কাহিনীই চলচ্চিত্র আকারে নির্মীত হয়েছে।ছবিটির মূল দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ ও লিওনার্দো ডিক্যাপরিও। দুজনই অসাধারণ অভিনয় করেছেন।

চলচ্চিত্র: 'ইরাদা', পরিবেশ দূষণের বাণিজ্য ও মানুষের জীবন



‘ইরাদা’ (Irada), অপর্ণা সিং-এর পরিচালনায় দুর্দান্ত একটা সিনেমা। রাজনীতি-ব্যবসা-পরিবেশ দূষণ আর সাধারণ মানুষের মৃত্যুর আয়োজন, এগুলো সব যে একে অপরের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত, সেটা এই সিনেমায় দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। সুন্দরবনের পাশে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে আমাদের কেমন দশা হতে পারে, এই সিনেমা দেখে সেটা আঁচ করা যায়। উন্নয়নের নামে মানুষের মৃত্যুর বীজ পুঁতে চলেছে দুঃশাসকেরা।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে মেগা মুভি


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এখনো কোনো চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়নি। ১০-১২ বছর আগে একবার লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি ছায়াছবি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। নানান কারণে সে ছবি আর আলোর মুখ দেখেনি।

চলচ্চিত্র ভাবনা - ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান : ডন অফ জাস্টিস


আমরা ভাই সাধারণ মানুষ! আমরা কি পারবো ওইরকম ক্ষমতাধরদের বিরুদ্ধে? এই প্রশ্নে ভীত হয়ে সরে আসা মানুষের সংখ্যা নেহাত কম না। আমরা ছোট বেলায় গল্প শুনতাম, হাতি নাকি ওঁর বড় কানের জন্যে নিজের পুরো শরীর দেখতে পায়না। দেখতে পেলে নাকি হাতি আরও এলাহি কাণ্ড ঘটাত। মানুষও ঠিক তেমন। না, মানুষের অত বড় শরীর নেই। তাঁর আছে বুদ্ধি আর দল হয়ে উঠার ক্ষমতা। সংগঠিত দলীয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে মানুষের অজস্র জয়ের কাহিনী আছে। এই দুঃসময়ে সেই কাহিনী থেকেই অনুপ্রেরণা নেওয়ার সময়।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং স্মৃতিতে "আগুনের পরশমণি"



সকালে গান খুঁজতেছিলাম, "নিশা লাগিলো রে"। ইউটিউবে দিতেই প্রথমে আসলো "আগুনের পরশমণি" সিনেমা থেকে কেটে নেয়া কনকচাঁপার গাওয়া গানটা। আমি এই গানটা প্রথম শুনি একদম ছোট থাকতে, সিনেমা হলে। গানটা ছাড়বার পর ফ্ল্যাশব্যাকের মত অনেক স্মৃতি সামনে আসলো।

আমি তখনও অনেক ছোট, ৯৪ কিংবা ৯৫ সাল হবে, খালেদা জিয়ার বিএনপির শাসনামল। ওই আমলের আবছা হয়ে যাওয়া স্মৃতির মধ্যে মনে পড়ে নিয়মিত বিরতিতে হরতালের কথা। হরতাল মানেই ছিল আনন্দের কিছু। স্কুলে যাইতে হইত না। আমি মনে প্রাণে চাইতাম রেগুলার হরতাল হোক। একসময় মনে হয় লাগাতার হরতাল দিত বিরোধীদল। লম্বা সময় স্কুলে যাওয়া লাগেনাই দেখে আমাদের সময় সারাদিন মাঠেই কাটতো, আনন্দের সময় ছিল। ওইসময় বাসায় দুইটা পেপার রাখা হইতো। একটা ইনকিলাব, আরেকটা জনকন্ঠ গোছের কিছু, ঠিক মনে নাই। তখন দেশের খবর পাওয়ার উপায়ই ছিল এই সংবাদপত্র। তাই দুইপক্ষের ভাষ্যই যাতে পাওয়া যায় তাই দুইটা পেপার রাখতো বাসায়। একবার পেপারে দেখছিলাম এক সরকারী কর্মচারীকে দিগম্বর করে দিছে বিরোধীদল। দেখে খারাপ লাগছিলো, ওই বয়সেই মনে হইতেছিল বেচারা কি লজ্জাটাই না পাইছে। পেট্রোল বোমার যুগ শুরু তো কেবল সেইদিন...

চলচ্চিত্র: 'হোটেল রুয়ান্ডা', মানবতার জয়গান



আমার জীবনে দেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘Hotel Rwanda’ একটি। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি ২০০৪ সালে মুক্তি পায়, পরিচালক টেরি জর্জ।

চলচ্চিত্র: ওয়াজদা, রক্ষণশীল সমাজের বাধা ডিঙানো মেয়ে



‘ওয়াজদা’ চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে বিশ্বের এমন একটি রক্ষণশীল ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজে, যেখানে নারীরা আজো ড্রাইভিং লাইসেন্স পায়নি। সেদেশে নারীরা মাত্র ক’দিন আগে ভোটাধিকার পেয়েছে। বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, নারী শিক্ষায় পশ্চাৎপদ, ধর্মীয় উগ্রতায় পরিপূর্ণ একটি সমাজ, আর সেখানেই বেড়ে ওঠে শিশুরা।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর