নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

কথিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী কিভাবে লম্পট হতে পারে ?



লম্পট কাকে বলে ? সাধারন কোন লোক যদি নিজের ঘরে স্ত্রী থাকার পরেও অন্য কোন বিবাহিতা স্ত্রীর সাথে অবৈধ প্রেম করে বা করার চেষ্টা করে , তাহলে তাকে আমরা লম্পট বলে অভিহিত করি। সেই হিসাবে আমাদের দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ছিলেন একজন লম্পট। কারন তিনি ঘরে স্ত্রী থাকার পরেও জিনাত মোশারফের সাথে প্রেম লীলা চালিয়ে গেছেন অনেকটা প্রকাশ্যেই। এবার আসুন দেখি আমাদের কথিত নবী মুহাম্মদ কোন ক্যটাগরিতে পড়েন।

বর্তমানে সবাই জানে , মুহাম্মদ তার পালক পুত্র জায়েদের স্ত্রীকে বিয়ে করেন। অনেকেই এটাকে বলার চেষ্টা করে , পালক পুত্র বলে কোন পুত্র থাকতে পারে না , সেটা রহিত করার জন্যে আল্লাহ মুহাম্মদকে দিয়ে তার পালক পুত্র জায়েদের স্ত্রীকে বিয়ে করায়। ভাল কথা। কিন্তু বিখ্যাত ইসলামী পন্ডিতরা কি বলেন। তার আগে প্রথমেই নিচের আয়াতটা দেখা যাক ---

সুরা আহযাব- ৩৩: ৩৭: আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।

উক্ত আয়াতে কয়টা শব্দ খুবই গুরুত্বপূর্ন। যেমন - " আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন "। মুহাম্মদ লোক লজ্জার ভয়ে কি গোপন করছিলেন ? তার মানে এমন কিছুই গোপন করছিলেন , যা এমন কি সেই কথিত আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগেও মানুষ ঘৃণার চোখে দেখত। খুব খারাপ হিসাবে দেখত। ঠিক আছে , এখনই কিছু মুমিন এসে বলবে , এসব আল্লাহ ভাল জানে ইত্যাদি। এবার দেখা যাক বিখ্যাত তাফসিরকার জালালাইন উক্ত আয়াতের কি ব্যখ্যা দিয়েছেন ---

{ وَإِذْ تَقُولُ لِلَّذِيۤ أَنعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِ وَأَنْعَمْتَ عَلَيْهِ أَمْسِكْ عَلَيْكَ زَوْجَكَ وَٱتَّقِ ٱللَّهَ وَتُخْفِي فِي نَفْسِكَ مَا ٱللَّهُ مُبْدِيهِ وَتَخْشَى ٱلنَّاسَ وَٱللَّهُ أَحَقُّ أَن تَخْشَاهُ فَلَمَّا قَضَىٰ زَيْدٌ مِّنْهَا وَطَراً زَوَّجْنَاكَهَا لِكَيْ لاَ يَكُونَ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ حَرَجٌ فِيۤ أَزْوَاجِ أَدْعِيَآئِهِمْ إِذَا قَضَوْاْ مِنْهُنَّ وَطَراً وَكَانَ أَمْرُ ٱللَّهِ مَفْعُولاً }

And when idh is dependent because of an implied preceding udhkur ‘mention when’ you said to him to whom God had shown favour by guiding him to Islam and to whom you too had shown favour by manumitting him — this was Zayd b. Hāritha who had been a prisoner of war before the coming of Islam in the period of al-jāhiliyya. The Messenger of God s purchased him before his call to prophethood and then manumitted him and adopted him as his son — ‘Retain your wife for yourself and fear God’ before divorcing her. But you had hidden in your heart what God was to disclose what He was to manifest of your love for her and of the fact that should Zayd part with her you would marry her and you feared people would say ‘He has married his son’s wife!’ though God is worthier that you should fear Him in all things so take her in marriage and do not be concerned with what people say. Zayd subsequently divorced her and her obligatory waiting period was completed. God exalted be He says So when Zayd had fulfilled whatever need he had of her We joined her in marriage to you — the Prophet consummated his marriage with her without the customary permission from her legal guardian and gratified the Muslims with a feast of bread and meat — so that there may not be any restriction for the believers in respect of the wives of their adopted sons when the latter have fulfilled whatever wish they have of them. And God’s commandment that which He has decreed is bound to be realised.

এবার উক্ত But you had hidden in your heart what God was to disclose what He was to manifest of your love for her and of the fact that should Zayd part with her you would marry her- এর বাংলা অনুবাদ করা যাক---

কিন্তু তুমি তোমার হৃদয়ে কিছু গোপন করছিলে যা আল্লাহকে প্রকাশ করতে হলো। তার( জায়েদের স্ত্রী জয়নাব) প্রতি তোমার ভালবাসা যা তিনি প্রকাশ করে দিলেন এবং ঘটনা হলো জায়েদ তার স্ত্রীকে তালাক দিলে তুমি তাকে বিয়ে করবে।

তার মানে এখানে পরিস্কার ভাবেই বিখ্যাত স্কলার বলছেন যে , মুহাম্মদ তার পালক পুত্র জায়দের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে পড়েছিলেন এমন কি তখনও জয়নাব বিবাহিতা ছিলেন । এর দ্বারা বোঝা যাচ্ছে , মুহাম্মদ বস্তুত: তার পালক পুত্রের স্ত্রী যাকে মুহাম্মদ নিজেই সমাজে নিজের পুত্র হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন , তার স্ত্রী অর্থাৎ পুত্র বধুর প্রেমে পড়েছিলেন। তো সেই কথিত আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে , মানুষ যত খারাপই থাকুক না কেন, কেউ তার পালক পুত্রের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করত না , বা তালাকপ্রাপ্ত হলেও বিয়ে করত না। এটা ছিল খুবই নিন্দনীয় একটা বিষয়। ঠিক সেই কারনেই মুহাম্মদ যখন পুত্রবধুর প্রেমে পড়ে, তখন আল্লাহ নিজেই উক্ত কথাগুলো বলছে- " আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন "। এখন প্রশ্ন হলো - কথিত সর্বশ্রেষ্ঠ নবী যার আদর্শ সর্বযুগে সবাইকে অনুসরন করতে হবে , তিনি কিভাবে এই ধরনের নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ করলেন?

এবার ধরা যাক , জায়দ তার পালিত পুত্র না , স্রেফ একজন সাধারন মানুষ। তাহলে বিষয়টা কি দাড়াচ্ছে। দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ জায়েদ নামের এক লোকের স্ত্রী জয়নাবের বা পরস্ত্রীর প্রেমে পড়লেন , তারপর আল্লাহর বানীর নামে , নানা কায়দায় , জায়দ কর্তৃক জয়নাবকে তালাক দেয়ার ব্যবস্থা করলেন যাতে মুহাম্মদ নিজে জয়নাবকে বিয়ে করতে পারেন। পরস্ত্রীর প্রেমে পড়ে , তারপর তাদের সংসারটাকে ভেঙ্গে নিজেই সেই নারীকে বিয়ে করা, এটা কি লাম্পট্য নয় ? আর কথিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ , এই ধরনের কর্মকান্ড দিয়ে তার উম্মতদেরকে কি শিক্ষা দিচ্ছেন ?

এখনই কিছু মুমিন এসে বলবে , জায়দ ছিল আসলে একটা দাস , জয়নাব ছিল সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশের মেয়ে এবং একই সাথে মুহাম্মদের চাচাত বোন। তাই তাদের বনিবনা হচ্ছিল না। কিন্তু কেন বনিবনা হচ্ছিল না , সেটা কি জানেন ?

মুহাম্মদ তো জয়নাবের প্রেমে পড়েছিল , সেটা জয়নাব টেরও পেয়ে গেছিল। সেই কারনেই জয়নাব আর জায়েদকে মানতে পারছিলেন না। মুহাম্মদ তখন মদিনার রাজা। সেই রাজা জয়নাবের প্রেমে পড়েছে , তাকে পেতে চায় , জয়নাব এত মূর্খ না যে , রাজাকে বাদ দিয়ে দাসের সাথে সংসার করবেন। এই বর্তমান যুগেও , প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এরশাদকেই তো কত শিক্ষিতা নারী বিয়ে করল , তার ঘরে বৌ থাকা সত্ত্বেও । কারন কি ? কারন একটাই। হোক প্রাক্তন, কিন্তু প্রেসিডেন্ট তো একসময় ছিলেন। সুতরাং তাকে বিয়ে করলে মান মর্যাদা সম্মান অর্থ বিত্ত সব কিছু একেবারে অল্প আয়াশে নগদে মিলবে। সুতরাং জয়নাবও ঠিক সেটাই করেছিলেন। কিন্তু ৩৭ নং আয়াতে যে বলছে - তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও, এর কি হবে ? এখানেই তো মজার এক খেলা মুহাম্মদ খেলে রেখেছে ঠিক আগের আয়াতেই -

সুরা আহযাব- ৩৩: ৩৬: আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের সিদ্ধান্ত নিলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।

মুহাম্মদ ও তার আল্লাহ তো আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে , মুহাম্মদ ও জয়নাবের বিয়ে হবে। সুতরাং তাদের সিদ্ধান্তকে অমান্য করার ক্ষমতা কি আর দাস জায়েদের আছে ? যদি অমান্য করেই , তাহলে জায়দের কল্লা কি আর যায়গা মত থাকবে ? কিন্তু এত কিছুর পরেও লোকজন বলাবলি করত , কিভাবে মুহাম্মদ তার পুত্র বধুকে বিয়ে করল ? এটা তো জঘন্য নিন্দনীয় কাজ। এবার তাদের মুখ বন্দ করার জন্যে সাথে সাথেই আয়াত হাজির-

সুরা আহযাব- ৩৩: ৫৭: যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।

তার মানে মুহাম্মদ কর্তৃক পুত্র বধু বা পরস্ত্রীর সাথে পরকীয়া করে বিয়ে করা নিয়ে টু শব্দটাও করা যাবে না। যদি কেউ করে ,তাহলে ইহকালেই তাকে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে , আর পরকালে তো জাহান্নামের আগুন প্রস্তুতই আছে। অবশেষে কি করতে হবে ?

সুরা আহযাব- ৩৩: ২১: যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।

মুহাম্মদ হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট রোল মডেল , তার মধ্যেই আছে উত্তম সব আদর্শ। সেসব অনুসরন করা প্রতিটা ইমানদার মুমিনের একান্ত কর্তব্য। সুতরাং এখন মুহাম্মদের উক্ত পরকীয়া কর্ম বা লাম্পট্যকে আদর্শ কাজ হিসাবে গণ্য করে , সকল মুমিনের উচিত পরকীয়া বা লাম্পট্যে লিপ্ত হওয়া। যে কেউ সেটা করবে না , বা এই লাম্পট্য কাজের সমালোচনা করবে , সে হয়ে যাবে মুর্তাদ মুনাফিক। আর তার শাস্তি ? ইহজগতে ঘাড় থেকে ধড় আলাদা করা , পরজগতে অনন্তকাল জাহান্নামে আগুনে পোড়া।

জালালাইনের তাফসির: http://www.altafsir.com/Tafasir.asp?tMadhNo=0&tTafsirNo=74&tSoraNo=33&tA...

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 18 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর