নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সাজেক ভ্যালির দু:খযন্ত্রণার ইতিকথা


এ বছর একুশের বইমেলা দেখতে এসে আকস্মিক আমায় ফোন দিলো পানছড়ির 'হাবিব'। হাবিব আমার অনেক দিনের পুরনো ফেসবুক বন্ধু! খুব পছন্দ করে আমার লেখা সে নিজে ও তার বউ ইয়াসমিন। খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম হাবিবের বাড়ি। চারদিকে আদিবাসি গাঁ। তার মাঝে ওরা ক'ঘর বাঙালি মাত্র! কবে কখন হাবিবের পরিবার এ পাহাড়ঘেরা সবুজের মাঝে বসতি গড়েছিল, তা মনে নেই তরুণ হাবিবের। তবে চাকুরিসূত্রে হাবিব আর তার বউ ইয়াসমিন থাকে খাগড়াছড়ি শহরে। সংস্কৃতিমনা এ দুবন্ধুর একুশের বইমেলা দেখতে সারারাত জেগে নাইটকোচে ঢাকা এসে, বইমেলা দেখে আবার রাতের বাসেই ফিরে যাওয়াটা বিস্ময়কর মনে হলো আমার কাছে। তাই অফিস ফেলে ঢাবির টিএসসিতে গিয়ে দুপুরেই দেখা করলাম ওদের সাথে। সারারাত জার্নি, তারপর বইমেলার ধুলোতে ক্লান্তির ছাপ ছিলো ওদের চোখে মুখে তাই গাড়িতে ওঠালাম ওদের এবং সরাসরি নিয়ে এলাম একদম আমার বারিধারার ফ্লাটে। ওরা স্নান করলো, খেলো এবং রেস্ট করলো। বিকেলে পুর্বাচল ৩০০-ফিট সড়কে ঘুরলাম ওদের নিয়ে এবং সত্যি ওরা রাতেই চলে গেল খাগড়াছড়ি! অনেকটা আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে। হয়তো অপরিচিত নতুন বন্ধুর বাসাতে থাকতে ইতস্তত করেছিল ওরা প্রথম পরিচয়ে!
:
গত ঈদে বিদেশ যাইনি, তাই প্লান করলাম হাবিবের ওখানে যাবো। উপজাতিদের সাথে খুব একটি মিশিনি বাংলাদেশে, যতটা মিশেছি ভারত কিংবা অন্যদেশে! নিউজিল্যান্ডে মাউরি পল্লীতে অনেকবার ঘুরেছি আমি। এবং সত্যি পানছড়ি পৌঁছলাম হাবিবের নিদের্শনামত নির্বিঘ্নে। চারদিকে টিলাঘেরা উপজাতি পল্লীর মাঝে বাঙালি পাড়া। এক চমৎপ্রদ রোমাঞ্চকর জীবন হাবিবদের। ওদের ঘরে গিয়ে পেলাম হাবিবের "মারমা" ভাবীকে। যে কিনা মারমা জাতি ধর্ম পরিবার সব ত্যাগ করে ভালবাসার টানে চলে এসেছে হাবিবদের ঘরে। সে গল্প বলবো আরেকদিন।
:
হাবিবদের ঘরের একটু দুরে বাঙালি পাড়ার শেষ সীমানায় ইয়াসমিনদের বাড়ি। তারপরই মুলত উপজাতি জনপদ। সুতরাং নানা অনুসঙ্গে উপজাতিদের জীবনচিত্র দেখার সুযোগ হলো আমার। ঈদের দিন বিধায় হাবিবের স্ত্রী ইয়াসমিন কিংবা মারমা ভাবী রাইম্রাসু কারোই সুযোগ ছিলোনা আমাদের সাথে যাওয়ার। তাই হাবিব আর আমি এ দুজনে "টিপরা" আদিবাসি গ্রামে ঢুকলাম ঈদের দিন বিকেলে। চেংগি নদীর অপর পাড়ে টিলাময় এ গাঁয়ের চারদিকে চাকমা, মারমা মানুষদের বিচ্ছিন্ন দরিদ্র কুঁড়ে। টিপরা বা ত্রিপুরারা মুলত হিন্দু। তবে হিন্দু হলেও এদের মাঝে কোন বর্ণ বিভাজন কিংবা কোন ব্রাহ্মণ নেই। ওদের মন্দিরের পুরোহিতও আসলে ওদের ভেতরের জাতপাতহীন হিন্দুই। বর্ণহীন এ হিন্দুদের খুবই ভাল লাগলো আমার।
:
ত্রিপুরাদের প্রধান নাচকে বলে 'গরিয়া নৃত্য', যা মুলত এরা 'বৈসাবি' উৎসবে নেচে থাকে। কিন্তু হাবিবের ইচ্ছে আমাকে এমন একটা নাচ দেখায় সে। তাই পরিচিত ত্রিপুরা তরুণ অভিষেক ত্রিপুরার সহযোগিতায় হাবিব সফল হয় গরিয়া নাচের আয়োজন করতে। যদিও বয়স্ক ত্রিপুরারা মনে করে 'বৈসাবি' ছাড়া 'অকালে' এ নাচের আয়োজন করলে রুষ্ঠ হতে পারে 'দেবতা'। তারপরো হাবিব কিছু অর্থ প্রণোদনা দিয়ে তরুণ ত্রিপুরাদের এ বিশ্বাস ভাঙতে সমর্থ হয়। সারা বিকেল একদম প্রাক-সন্ধ্যা পর্যন্ত পানছড়ির দুর্গম ত্রিপুরা পল্লীতে বড় তেতুল গাছতলায় উপভোগ করি আমরা আদিবাসি গরিয়া নৃত্য। খাগড়াছড়ির অলৌকিক দেবতা পুকুর, রহস্যময় আলুটিলা গুহা, তবলছড়ির অপরূপ ঝর্ণাটিলা দেখে আমরা প্লান করলাম সাজেক যাবো।
:
হাবিব প্রোগ্রাম করলো, পরদিন বাঘাইছড়ির 'সাজেক ভ্যালি'তে যাবো আমরা হাবিব ও ইয়াসমিনের পুরো পরিবারসহ। মঙ্গোলিয় নৃ্গোষ্ঠীর অভিষেক ত্রিপুরা থাকবে গাইড এবং ভাড়া করলো মাহিন্দ্র ফোর-হুইল জীপ, যার স্থানীয় নাম 'চান্দের গাড়ি'। ২-পরিবারের ১৬-সদস্য খুব সকালেই উঠলাম আমরা চান্দের গাড়িতে। সাজেক ইউনিয়নটির আয়তন ৪৩,৭৭৬ একর (বর্গ কিলোমিটার)। বাঘাইছড়ি উপজেলার সবচেয়ে বড় ও দূর্গম ইউনিয়ন সাজেক । উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮০-কিলোমিটার দুরে। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন হচ্ছে সাজেক ভ্যালি। এটা যাওয়ার পথ হচ্ছে খাগড়াছড়ি > দিঘীনালা > বাঘাইহাট > কাসলং > মাসালং > সাজেক। দুর্গম পাহাড়ি পথে আমরা জোড়া ব্রিজ, দূর্গম রিজার্ভ বনভূমি, বেথলিং, শিয়ালদই, মাচালং বাজার, মারিশ্যা বাজার পেরিয়ে এগুতে থাকি সামনে। মাচালং নদীর দু’পাশে উপজাতিদের ঘর-বাড়ি, বড় বড় গাছ পালা, নদীর পারে নানা রকম ঝুম চাষা করার দৃশ্য দেখে আমরা মুগ্ধ হয়ে উঠি প্রকৃতির অপার আনন্দে। মাচালং নদীতে উপজাতিদের লক্ষ-লক্ষ বাঁশ সাজেক রিজার্ভ ফরেষ্ট থেকে আসছে, নদী পথে কাপ্তাই লেক হয়ে কর্ণফুলী পেপার মিলে যাবে। গঙ্গারাম ব্রীজ, টাইগারটিলা ছেড়ে আমরা ছড়া, ঝিরি ও নদী পার হই নতুন নির্মিত সড়ক পথে। শুকনানন্দারাম, ভিজানন্দারাম, সিজকছড়া নামের পাহাড়ি ছড়ায় মুগ্ধ হই আমরা।
:
সড়ক পাশের কুঁড়ের সামনে নানান বয়সের উপজাতি শিশুরা হাত নাড়তে থাকে। হাবিব এক বৈয়াম লসেঞ্জ নেয় ওদের দিতে। চলন্ত গাড়ির ছাদ থেকে ছোড়া লজেঞ্চ নিতে হুড়োহুড়ি করে মঙ্গোলীয় হলদে শিশুরা। উঁচু মাচার ঘরে গাছের গুড়ি কেঁটে বানানো সিঁড়ি, ঘরের ছাউনি বাঁশের পাতার কিংবা শনের। মধ্যহ্নের আগেই আমাদের সেনা 'ইসিবি-১৯-নির্মিত' সাজেকে পৌঁছে যাই আমরা। সাজেকের উচ্চতম পাড়ার নাম কনলাক পাড়া। সাজেকের রুইলুই ও কংলাক মৌজার পাহাড় চূঁড়া থেকে মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের অদ্ভুত দৃশ্য দেখে সকল ক্লান্তি ও কষ্ট নিমিষেই উড়ে যায় আমাদের। সাজেকের এ প্রাকৃতিক রূপের সাথে পাংখোয়া ও লুসাই আদিবাসীদের বৈচিত্রময় জীবন যাত্রা দেখে আরও বিস্মিত ও বিমোহিত হই আমরা।
:
রাতে ঢাকা ফিরতে হবে বিধায় সন্ধ্যার আগেই ফিরতে চাই আমরা খাগড়াছড়ি। তাই ৪-টা বাজতেই ফেরার পালা। কিন্তু এতো আনন্দের মাঝেও ঘুণাক্ষরেও আমরা টের পাইনা, সামনেই মৃত্যুফাঁদ অপেক্ষা করছে আমাদের জন্যে। আমাদের গাড়িটি মোটামুটি নতুন হলেও, ড্রাইভারটি একদম দক্ষ ছিলোনা। কারণ আসার পথেই অন্তত ১০-বার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল গাড়ির ইঞ্জির উপরে উঠতে গিয়ার চেঞ্জের সময়। সেটাকে গুরুত্ব না দেয়াতে অবশেষে তার মাশুল দিতে হলো আমাদের খুব ভয়াবহভাবে। রুইলুই ও কংলাক পাড়া ছাড়ার ৫-মিনিটের মাথাই একটা বিপদজনক বাঁক। সে বাঁকটি দ্রুত ঘোরাতে গিয়ে প্রথমে গাড়ির সামনের বাম চাকাটি পড়ে যায় পাশের পাকা ড্রেনে। মূহূর্তে ধাক্কা খেয়ে চোখের পলকে উল্টে যায় 'চান্দের গাড়ি'। কিন্তু খাদে পড়ে না গিয়ে রাস্তার মাঝ বরাবর উল্টে যায় গাড়িটি। আমরা ১২-জন ভেতরে থাকলেও, আমাদের সহযাত্রী ৫-তরুণি ও অভিষেক ত্রিপুরা পাহাড়ি প্রকৃতি দেখার জন্যে বসেছিল ছাদে। তাদের ৫-জনই ছিটকে পড়ে পাকা সড়ক ও পাশের জঙ্গলে। চট্টগ্রাম কলেজে মাস্টার্স পড়ুয়া ইয়াসমিনের বোন আনন্দ-উচ্ছ্বাসে আমাদের সবাইকে মাতিয়ে রাখা 'জেসমিনে'র চিৎকার হাতে-পায়ে আঘাত প্রাপ্ত আমরা সবাই বেরিয়ে দেখি জেসমিনের পা আটকে রয়েছে চাপাপড়া গাড়ির নিচে। পাশের অন্য যাত্রীদের সহায়তায় সবাই ধরে উল্টে যাওয়া ৪/৫ টন ওজনের গাড়ি ফাঁক করে বের করি জেসমিনের পা। ৫-টন ওজনের গাড়ির চাপায় গুড়িয়ে যাওয়া রক্তাক্ত পা-সহ ছোটভাই রহিম জেসমিনকে নিয়ে বসে এক চলন্ত মোটর বা্ইকে। কিন্তু আমাদের গাইড অভিষেক ত্রিপুরাকে আর খুঁজে পাইনা আমরা। ছাদ থেকে প্রচন্ড ঝাকুনিতে সে পড়ে গেছে নিচের গভীর খাদে।
:
দুর্গম হাসপাতালহীন এলাকায় নিজেরা সবাই কমবেশি আহত হলেও, সব সহযাত্রীদের তুলে দেই আমরা ২/৩ জন করে চলন্ত অন্য গাড়িতে দিঘীনালা হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে। হাবিব আর আমি জড়ো হওয়া মানুষদের সহায়তায় খোঁজ করতে থাকি অভিষেককে। সূর্য ডুবে রাত নামা শুরু হয়। রাতে ঐ জনপদে বহিরাগত কোন বাঙালির অবস্থান নিষিদ্ধ বলে জানায় আমাদের সেনা, বিজিবি আর পুলিশের লোকেরা। কারণ চাকমা মারমা উপজাতিরা অপহরণ করে বাঙালিদের। তাই ত্রিপুরা অভিষেককে দুহাজার ফুট নিচের গিরিখাদে ফেলেই পুলিশের গাড়িতে প্রাক-সন্ধ্যায় আমাদের ছাড়তে হয় সাজেকের রুইলুই ও কংলাক দুর্ঘটনাস্থল।
:
রাত নামের আগেই অন্য একটা যাত্রীবোঝাই গাড়িতে ফিরতে থাকি আমরা খাগড়াছড়ির পাহাড়ি পথে। আবার সেই পাহাড়ি পথ। এবার অন্ধকার স্পর্ধিত পাহাড় বেয়ে ঝরে যায় নিভৃতে সেই অভিষেক নামটি। অতল গড়খাই পাহাড়ের খাদে হারিয়ে যায় সে গহিনে! হয়তো অপেক্ষা করছে আমাদের জন্যে। শীর্ণ গিরিপথে সারারাত জেগে থাকতে ইচ্ছে করে আমার এ কষ্টবাতাসে ভর করে অভিষেকের জন্যে। হয়তো প্রচণ্ড আক্রোশে পাখ-সাট খাওয়া মৃত্যুরা এগুতে থাকে অভিষেকের দিকে। তল-আঁধারি জলোডাঙার নদী পেরিয়ে আর হয়তো ফিরে আসবে না সে তার টিপড়া পল্লীতে। যেখানে 'গরিয়া নৃত্যে' গতকাল বিকেলে অংশ নিয়েছিল সেও।
:
রাত নটায় ঢাকার এসি বাসে উঠি আমি। অনেক পর্যটক ভরা বাসে আনন্দজীবনের গল্প বলে যায় বাস ভর্তি মানুষেরা। সাজেকের গল্পও বলতে থাকে অনেকে। রাত গভীর হতে থাকলে দলিত জীবনের মত স্তিমিত রক্তের দলিত লাভারা কেমন যেন আটকে দিতে থাকে পুরো পথ আমার। মনে হয় খরায় শুকিয়ে ওঠা ফাটা জমি চৌচির করা মাঠ পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাস। জানালা ফাঁক করে আকাশের দিকে তাকাই আমি। কোথাও দেখিনা অভিষেককে। কেবল সুকঠিন নিখিল বিশ্ব-চরাচরে ভেসে যায় দ্রুতি বাস দু:খ ভেলা বেয়ে উজান স্রোতে যেন। বাসের চেয়ে দ্রুত গতির ঝড়ের বেগে ধাবমান কষ্টরা ধরে ফেলে আমায় পুরো পথে পথে। তারপরো ভোর রাতের মেঘের হৃৎপিণ্ড ফুঁড়ে কত না রঙমাখা মেঘ হেসে ওঠে মায়াবী আলোর ভেলায়, যার মাঝে হয়তো অভিষেক ত্রিপুরাকে দেখতে পাবে একদিন! সারারাত নির্ঘুম বাসে এক কবিতা এসে আঘাত করতে থাকে হৃদ মননে আমার ক্রমাগত -
"দুঃখের নেপথ্যে স্থির, আনন্দের পরম আশ্রয়
প্রাণের গভীরে মগ্ন, ক্ষমায় সহাস্য গিরিদরি–
সুন্দরী হেলং।
অন্তত তখন তা-ই মনে হয়েছিল
তোমাকে, হেলং, সেই পাহাড়িয়া বৃষ্টির তিমিরে।
এবং এখনও মনে হয়,
তীব্রতম যন্ত্রণার গভীরে কোথাও
নিত্য প্রবাহিত হয় সেই আনন্দের স্রোতস্বিনী
যে জাগায় দারুণ ভয়ের
মর্মকষে শান্ত বরাভয়।।
মনে হয়, রক্তরং এই রঙ্গমঞ্চের আড়ালে
রয়েছে কোথাও
নেপথ্য-নাটকে স্থির নির্বিকার নায়ক-নায়িকা,
দাঁড়ে টিয়াপাখি, শান্তি টবের অর্কিডে"!

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
মাহের ইসলাম এর ছবি
 

সুন্দর লিখেছেন, কিন্তু মন খারাপ হয়ে গেল।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর