নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

মুক্তমনা শাহজাহান বাচ্চুকে হত্যা: ইসলামের সাথে ইহার কোনই সম্পর্ক নাই!


মাত্রই গতকাল অনলাইন জগতে পরিচিত মুক্তমনা শাহজাহান বাচ্চুকে হত্যা করা হলো। ইসলামের নামে চলা অন্ধ বিশ্বাস, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লিখতেন যা ইসলামী বিধানে ভয়াবহ অপরাধ।সেই অপরাধেই সহিহ মুমিনরা তাকে হত্যা করেছে। অনলাইনে বিচরনকারী যারাই তাকে চেনেন সবাই এটাই বলবেন। কিন্তু এখনই সরকার পক্ষের পুলিশ বলা শুরু করবে - ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্বের কারনে হত্যা কান্ড ঘটেছে , সাধারন মুসলমানরা বলবে - ইসলামের সাথে ইহার কোনই সম্পর্ক নাই, বলেই নামাজ পড়তে দৌড়াবে বা সহিহ শুদ্ধভাবে রোজা রাখার নিয়ত করবে।

মুহাম্মদ বা ইসলামকে নিয়ে সমালোচনা করার শাস্তি কি , মুহাম্মদ কিভাবে নিজেই তাদেরকে শাস্তি দিত , সেটা প্রথমে দেখা যাক ---

সুনান আবু দাউদ(ইফা), হাদিস নং-৪৩১০.
আব্বাদ ইব্‌ন মূসা (রহঃ) ------ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন এক অন্ধ ব্যক্তির একটি দাসী ছিল। সে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে বেয়াদবিসূচক কথাবার্তা বলতো। সে অন্ধ ব্যক্তি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতো, কিন্তু সে তা মানতো না। সে ব্যক্তি তাকে ধমকাতো, তবু সে তা থেকে বিরত হতো না। এমতাবস্থায় এক রাতে যখন সে দাসী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে অমর্যাদাকর কথাবার্তা বলতে থাকে, তখন ঐ অন্ধ ব্যক্তি একটি ছোরা নিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে, যার ফলে সে দাসী মারা যায়। এ সময় তার এক ছেলে তার পায়ের উপর এসে পড়ে, আর সে যেখানে বসে ছিল, সে স্থানটি রক্তাপ্লুত হয়ে যায়। পরদিন সকালে এ ব্যাপারে যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আলোচনা হয়, তখন তিনি সকলকে একত্রিত করে বলেনঃ আমি আল্লাহ্‌র নামে শপথ করে এ ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই এবং ইহা তার জন্য আমার হক স্বরূপ। তাই, যে ব্যক্তি তাকে হত্যা করেছে, সে যেন দাঁড়িয়ে যায়। সে সময় অন্ধ লোকটি লোকদের সারি ভেদ করে প্রকম্পিত অবস্থায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে গিয়ে বসে পড়ে এবং বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি তার হন্তা। সে আপনার সম্পর্কে কটুক্তি ও গালি-গালাজ করতো। আমি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতাম ও ধমকাতাম। কিন্তু সা তার প্রতি কর্ণপাত করতো না। ঐ দাসী থেকে আমার দু’টি সন্তান আছে, যার মনি-মুক্তা সদৃশ এবং সেও আমার প্রিয় ছিল। কিন্তু গত রাতে সে যখন পুনরায় আপনার সম্পর্কে কটুক্তি গাল-মন্দ করতে থাকে, তখন আমি আমার উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি এবং ছোরা দিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে তাকে হত্যা করি। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক যে, ঐ দাসীর রক্ত ক্ষতিপূরণের অযোগ্য বা মূল্যহীন।

সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং-৪৩১১.
উছমান ইব্‌ন আবূ শায়বা (রহঃ) --- আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জনৈক ইয়াহূদী নারী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কটুক্তি ও গালি-গালাজ করতো। এ কারণে কোন একব্যক্তি শ্বাসরুদ্ধ করে তাকে মেরে ফেলে। রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ নারীর খুনের বদলা বাতিল বলে ঘোষণা করেন।

সুনান আবু দাউদ( ইফা), হাদিস নং- ২৬৭৫.
মুহাম্মদ ইবন ‘আলা (রহঃ) .......... আবদুর রহমান ইবন ইয়ারবূ মাখযুমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন ঘোষণা দেন যে, চার ব্যক্তি এমন, যাদের আমি হারামের মাঝে এবং বাইরে নিরাপত্তা দেব না, (হত্যা থেকে); পরে তিনি তাদের নাম বলেন। তিনি আরো বলেনঃ দুইজন ক্রীতদাসী, যাদের মালিক ছিল মাকীস (তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত); এদের একজনকে হত্যা করা হয় এবং অপরজন পালিয়ে যায়; পরে সেও ইসলাম কবুল করে।

কাব বিন আশরাফ নামে এক কবি ছিল মদিনার উপকন্ঠে , যে মুহাম্মদের বানিজ্য কাফেলা আক্রমনসহ অন্যান্য কর্মকান্ডের জন্যে সমালোচনা করত , তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ কবিতা রচনা করত , তার কি হাল করেছিল মুহাম্মদ সেটা দেখা যাক সহিহ হাদিস থেকে --

সহিহ বুখারি(ইফা), হাদিস নং- ২৮১৩। আলী ইবনু মুসলিম (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারীগণের একটি দল আবূ রাফে ইয়াহুদীদের হত্যা করার জন্য প্রেরণ করেন। তাদের মধ্যে থেকে একজন এগিয়ে গিয়ে ইয়াহুদীদের দূর্গে ঢুকে পড়ল। তিনি বললেন, তারপর আমি তাদের পশুর আস্তাবলে প্রবেশ করলাম। এরপর তারা দূর্গের দরজা বন্ধ করে দিল। তারা তাদের একটি গাধা হারিয়ে ফেলেছিল এবং তার খোঁজে তারা বেরিয়ে পড়ে। আমিও তাদের সঙ্গে বেরিয়ে পড়লাম। তাদেরকে আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম যে, আমি তাদের সঙ্গে গাধাঁর খোজ করছি। অবশেষে তারা গাধাটি পেল। তখন তারা দূর্গে প্রবেশ করে এবং আমিও প্রবেশ করলাম। রাতে তারা দূর্গের দরজা বন্ধ করে দিল। আর তারা চাবিগুলি একটি কুলুঙ্গির মধ্যে রেখে দিল। আমি তা দেখতে পাচ্ছিলাম। যখন তারা ঘুমিয়ে পড়ল, আমি চাবিগুলি নিয়ে নিলাম এবং দূর্গের দরজা খুললাম। তারপর আমি আবূ রাফের নিকট পৌঁছলাম এবং বললাম, হে আবূ রাফে! সে আমার ডাকে সাড়া দিল। তখন আমি আওয়াজের প্রতি লক্ষ্য করে তরবারির আঘাত হানলাম, অমনি সে চিৎকার দিয়ে উঠল।

আমি বেরিয়ে এলাম। আমি পুনরায় প্রবেশ করলাম, যেন আমি তার সাহাযার্থে এগিয়ে এসেছি। আর আমি আমার গলার স্বর পরিবর্তন করে বললাম, হে আবূ রাফে! সে বলল, তোমার কি হল, তোমার ধ্বংস হোক। আমি বললাম, তোমার কি অবস্থা? সে বলল, আমি জানিনা, কে বা কারা আমার এখানে এসেছিল এবং আমাকে আঘাত করেছে। রাবী বলেন, তারপর আমি আমার তরবারী তার পেটের উপর রেখে সবশক্তি দিয়ে চেপে ধরলাম, ফলে তাঁর হাড় পর্যন্ত পৌঁছে কট করে উঠল। এরপর আমি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় বের হয়ে এলাম। আমি অবতরণের উদ্দেশ্যে তাদের সিড়ির কাছে এলাম। যখন আমি পড়ে গেলাম, তখন এতে আমার পায়ে আঘাত লাগল। আমি আমার সাথীগণের সাথে এসে মিলিত হলাম। আমি তাদেরকে বললাম, আমি এখান হতে ততক্ষন পর্যন্ত যাব না, যাবত না আমি মৃত্যুর সংবাদ প্রচারকারীনীর আওয়াজ শুনতে পাই। হিযাজবাসীদের বণিক আবূ রাফের মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা না শোনা পর্যন্ত আমি সে স্থান ত্যাগ করলাম না। তিনি বলেন, তখন আমি উঠে পড়লাম এবং আমার তখন কোনরূপ ব্যথা বেদনাই অনুভব হচ্ছিল না। অবশেষে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট পৌঁছে এ বিষয়ে তাঁকে সংবাদ দিলাম।

এছাড়া আসমা বিনতে মারওয়ান নামের এক মহিলা কবিকে মুহাম্মদের নির্দেশে হত্যা করা হয়(Ibn Ishaq, pp. 675-76 / 995-96.)

আরও বহু সহিহ দলিল আছে, মুহাম্মদ কি নির্মমভাবে তার সমালোচনাকারীদেরকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিল ও তাদেরকে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু এত কিছু দেখার ও জানার পরেও , অধিকাংশ মুসলমানই দাবী করবে - শাহজাহান বাচ্চুর হত্যাকান্ডের সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নেই। কিন্তু আমি নিশ্চিত , তারা উপরে উপরে যেটাই বলুক , মনে মনে খুবই খুশি। আর তারা সবাই যেটা আশা করে তা হলো --

(১)মুহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করে , তার বয়স যখন মাত্রই ৯ , তখন সেই শিশু আয়শার সাথে মুহাম্মদ যৌন সঙ্গম করে , কিন্তু এটাকে শিশু ধর্ষন বলা যাবে না। কারন কাজটা মুহাম্মদ করেছিল।

(২)মুহাম্মদ একের পর এক মোট ১৩ টা বিয়ে করেছিল , কিন্তু তাকে বহুগামী বলা যাবে না , কারন কাজটা মুহাম্মদ করেছিল।

(৩) মুহাম্মদ যে প্রেমে পড়ে তারই পালক পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবকে যে নাকি তার পূত্রবধু , তাকে তালাক করিয়ে বিয়ে করেছিল মুহাম্মদ , কিন্তু এ জন্যে তাকে লম্পট বলা যাবে না , কারন ঘটনাটা ঘটিয়েছিল মুহাম্মদ।

(৪) মুহাম্মদ মদিনায় গিয়ে মদিনার পাশ দিয়ে চলা পথে নিয়মিত বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করে বনিকদেরকে হত্যা করে তাদের মালামাল লুটপাট করত , কিন্তু এটাকে ডাকাতি বলা যাবে না , বলতে হবে জিহাদ , কারন কাজটা করেছিল মুহাম্মদ।

(৫) মুহাম্মদ নিজেই অংশ নিয়ে একদিন খুব ভোরে আতর্কিতে খায়বার আক্রমন করে , সেখানকার সব পুরুষকে হত্যা করে , খায়বারের সর্দার কিনানার বিধবা স্ত্রী সাফিয়াকে নিয়ে সেদিনই দিবাগত রাত কাটায় , তার সাথে যৌন সঙ্গম করে ( আসলে ধর্ষন), আর পরদিন তাকে বিয়ে করার ঘোষণা , কিন্তু এটাকে হতভাগা বন্দিনী নারী ধর্ষন বলা যাবে না , কারন কাজটা মুহাম্মদ করেছিল।

(৬) মুহাম্মদ নিয়মিত তার এক দাসী মারিয়ার সাথে যৌন সঙ্গম করত , এর ফলে ইব্রাহীম নামের একটা বাচ্চাও পয়দা হয় যে শৈশবেই মারা যায় । এ ছাড়াও মুহাম্মদ কোরানের সুরা মুমিনুন- ২৩:৫-৬ আয়াতের মাধ্যমে দাসীর সাথে যৌন সঙ্গমের অনুমতি দেয় , সুরা নিসা -৪:২৪ আয়াতের মাধ্যমে বন্দিনী নারী ধর্ষন ও সাময়িক বিয়ের অনুমতি দেয় কিন্তু এসবকে বিয়ে বহির্ভুত ব্যাভিচার বলা যাবে না , এটাও বলা যাবে না যে এভাবেই মুহাম্মদ বস্তুত: দাসপ্রথাকে চিরকালের জন্যে বৈধ করেছিল , কারন কাজটা মুহাম্মদ করত।

(৭) যে কেউ ইসলাম গ্রহন করবে না, তার বিরুদ্ধে চিরকালীন যু্দ্ধ ঘোষনা করে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করতে হবে , অথবা করজোড়ে জিজিয়া কর দিয়ে দাসের মত বেঁচে থাকতে হবে( সুরা তাওবা-৯:৫,২৯) ,এভাবেই বনু কুরাইজা গোত্রের প্রায় ৯০০ পুরুষকে এক দিনেই মুহাম্মদের অনুমোেদনে কল্লা কেটে হত্যা করে তার সাহাবিরা , এসবের কোন কিছুকে সন্ত্রাস বা জঙ্গিপনা বা নিষ্ঠুরতা বলা যাবে না , বলতে হবে এসব হলো চুড়ান্ত শান্তির কাজ , কারন কাজগুলো মুহাম্মদ নিজেই করত।

(৮) যে কেউ ইসলাম ত্যাগ করবে , তার কল্লা কেটে হত্যা করত মুহাম্মদ অথবা হত্যার আদেশ দিত, , এসবকে কোন ভাবেই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বলা যাবে না , কারন কাজটা মুহাম্মদ করত।

(৯) সহিহ হাদিস সহ অন্যান্য গ্রন্থে বর্নিত আছে , মুহাম্মদ বস্তুত: বিষক্রিয়ায় কঠিন যন্ত্রনা ভোগ করে মারা যায় , কারন খায়বারে তাকে এক ইহুদি নারী বিষ মাখা বকরীর গোস্ত খেতে দেয়। তার মৃত্যু ছিল এতই মর্মান্তিক ও যন্ত্রনা দায়ক যে তার কনিষ্ঠা স্ত্রী আয়শা পর্যন্ত বলে - এমন কঠিন ও যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু আর কেউ ভোগ করে নি। কিন্তু এর পরেও বলতে হবে মুহাম্মদের মৃত্যু ছিল বেহেস্তী শান্তির মৃত্যু , কারন সেই মৃত্যুটা বরন করেছিল স্বয়ং মোহাম্মদ।

এখন যে কেউ এসব কথা বলবে মুহাম্মদ সম্পর্কে , ইসলাম সম্পর্কে , তাকেই হত্যা করা হবে মুহাম্মদের নির্দেশে , আর সেই নির্দেশ মেনেই সহিহ মুমিনরা গত ১৪০০ বছর ধরে মানুষের কল্লা কেটে বা গুলি করে বা বোমা মেরে নির্মমভাবে হত্যা করে যাচ্ছে। আর যখনই এভাবে কেউ নিহত হচ্ছে ,তখনই আবার তারস্বরে সব কথিত মডারেট শান্তিপ্রিয় মুসলমানরা এসে মিন মিন করে বলতে থাকবে - ইহার সাথে ইসলামের কোনই সম্পর্ক নেই।

Comments

উদয় খান এর ছবি
 

জি, এখানে কোন মন্তব্য করা যাবেনা, কারন লেখকটা কাঠমোল্লা (নামের সাথে লেখার ব্যাপক মিল)।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 18 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর