নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

বাঙালি উপজাতি বিয়ের ইতিহাস : মারমা মেয়ে রাইম্র্যাসুর ঘরছাড়ার কথাকাহিনি!



আমরা মোঘল, নেপোলিয়ন, আলেকজান্ডারম ক্রুসেডসহ বিশ্বের নানা রাজা-বাদশা আর যুদ্ধের ইতিহাস পাঠে বড় হয়েছি। কিন্তু সাধারণ মানুষের ইতিহাস কতটুকু জানি আমরা? চলুন মারমা মেয়ে রাইম্র্যাসুর জীবনের ইতিহাস পাঠ করি আজ!
:
খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির চেংগী নদীবাহিত ছোটপানছড়ি ছড়ার তীরে লতিবান মৌজার কংচাইরীপাড়ার 'রাইম্র্যাসু' মারমা প্রায় ৪-কিমি পাহাড়ি পথ বেয়ে হেঁটে-হেঁটে পানছড়ি স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেই ভর্তি হলো পানছড়ি কলেজে ইন্টারে। ওর আদিবাসি মা-বাবারও ইচ্ছে ছিলো, মেয়ে জুমচাষ বাদ দিয়ে পড়ালেখা করুক, সরকারের উপজাতিয় কোটায় চাকুরি করুক সে। ওরা হয়তো একদিন বের হয়ে আসবে ঐ বনজ জীবন থেকে শহুরে আধুনিক জীবনে। ওদের ঘরের কাছের ছড়াতেই ধোয়ামোছা, মাছধরা, স্নান আর নিত্য জলকাজ সারতো ওদের পুরো পরিবার। কিন্তু সরলতায় ভরা মানবিক এ মারমা মেয়েটি তার বাঙালি ক্লাসমেট জুয়েলের প্রেমে পড়লো অল্পদিনেই। কলেজের পাশেই বাঙালি কলোনি পাড়ার জুয়েলেরও ভাল লাগলো মঙ্গোলিয় দোহারি চেহারার সরলতায় ভরা এ মারমা মেয়েটিকে। এবং অল্পদিনেই ওরা ওদের প্রেমের গভীরতায় প্রতিজ্ঞা করলো, "জাত-ধর্ম-বর্ণ-পরিবার ভুলে ওরা বিয়ে করবে পরস্পরকে"! এর মধ্যে এইচএসসি পড়া শেষ হলো দুজনেরই।
:
জুয়েল একটা এনজিওতে কাজ নিলো রাঙামাটিতে! আর 'রাইম্র্যাসু' মারমা বিউটি পার্লারের কাজ শিখতে গেলো খাগড়াছড়ি শহরে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম কোর্ট গিয়ে গোপনে বিয়ে করলো দুজনে ওরা! দুজনের পরিবার যাতে বাঁধা না হয় ওদের ভালবাসায়। একদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনের এক বিকেলে জুয়েল রাঙামাটি থেকে বাসে এলো খাড়গাছড়ি। প্লান 'রাইম্র্যাসু'সহ দুজনে পানছড়ি ফিরবে যার-যার বাড়িতে বিকেলেই, অন্তত পথের সময়টুকু একত্রে কাটাবে তারা। কিন্তু খাগড়াছড়ি থেকে পানছড়ির বাসে ওঠার আগেই রাস্তায় ওদের আনন্দঘন কথোপকথন দেখে চাকমা ছেলেরা 'চ্যালেঞ্জ' করে ওদের! ওদের ধরে নিয়ে যেতে চাইলো "চাকমা ক্লাবে"! এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে দুজনে বলে "পারস্পরিক বিয়ে করেছে ওরা"! এ কথা শোনার পরও দুজনকেই আটক করে ধরে নিয়ে যায় চাকমা ছেলেরা। তারা ওদের চাকমা ক্লাবে আটক করে খবর দেয় মারমা যুবকদের। মারমা ক্লাবের যুবকরা এসে তুলে নিতে চায় দুজনকে মারমা ক্লাবে। এর মধ্যে মুঠোফোনে খবর পেয়ে জুয়েলের বন্ধু শামীমসহ কতিপয় বাঙালি যুবক উপস্থিত হয় ৫-পুলিশ নিয়ে চাকমা ক্লাবে। ঘটনা শুনে পুলিশরা থানায় নিতে চায় দুজনকে কিন্তু থানায় যেতে বাঁধা দেয় সম্মিলিতভাবে চাকমা ও মারমা উপজাতি যুবকরা। চাকমা ও মারমা যুবকদের হাতে জুয়েলের জীবন বিপন্ন হতে পারে কিংবা এ ঘটনা নিয়ে পাহাড়ি বাঙালি সংঘর্ষ হতে পারে, এমনটা আচ করে থানাতেই ঘটনার মিমাংসার প্রস্তাব দেয় পুলিশ। এর মধ্যে ছাগড়াছড়ি পৌরসভার মারমা মহিলা ভাইস চেয়ারমান উপস্থিত হন ঘটনাস্থলে। তিনি এসেই "মারমা বাঙালি বিয়ে হতে পারেনা" বলে "ফতোয়া" জারি করেন! 'রাইম্র্যাসু' নিজেকে "প্রাপ্তবয়স্ক ও তার নিজ ইচ্ছেতে বিয়ে করেছে" একথা বলাতে পুলিশের সামনেই ঐ মারমা নারী ভাইস চেয়ারম্যান মারধর শুরু করে ১৯-বছরের 'রাইম্র্যাসু'কে। এ ঘটনায় বিরক্ত হয়ে পুলিশ "মারমা ক্লাবে যাবে" এমন কথা বলে গাড়িতে ওঠায় 'রাইম্র্যাসু', জুয়েল ও মারমা নারী ভিসিকে। প্রায় ৫০টি মোটর সাইকেলে প্রায় ১৫০-জন -চাকমা ও মারমা মারমুখী যুবক অনুসরণ করে পুলিশ ভ্যান। কিন্তু পুলিশ মারমা ক্লাবে না গিয়ে গাড়ি নিয়ে সরাসরি থানায় উপস্থিত হলে, ভিসিসহ সব উপজাতীয় যুবকরা প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে। ঘটনা সামাল দিতে বাঙালি 'ওসি' বুদ্ধি করে সকল মটর সাইকেলের কাগজপত্র চেক করা শুরু করলে, মূহূর্তে সকল মটর সাইকেলসহ আরোহিরা পালিয়ে যায়। কারণ সব মোটরবাইকই ছিল কাগজপত্রহীন ভুয়া!
:
ঘটনাস্থলে 'এসপি' উপস্থিত হয়ে জুয়েল ও 'রাইম্র্যাসু'র মা-বাবাকে খবর দেয়। জুয়েলের বাঙালি মা ও ভাই উপস্থিত হয়ে জানায়, "তার ছেলে 'রাইম্র্যাসু'কে বিয়ে করে থাকলে, তারা 'রাইম্র্যাসু'কে বউ হিসেবে গ্রহণ করবে"। কিন্তু মারমা 'রাইম্র্যাসু'র মা-বাবা না এসে তার ভাই ও বড় বোনকে পাঠায়। ভাইবোন এসে জানায় যে, "তারা আগেই দুজনের বিয়ের কথা শুনেছে। তাই তার মা-বাবা বলেছে 'রাইম্র্যাসু'কে জুয়েলের সাথে চলে যেতে। তবে বাঙালির সাথে বিয়ে করার কারণে 'রাইম্র্যাসু'কে আর পরিচয় দেবেনা তার মা-বাবা"! এবার ওসি সাহেব সরাসরি ফোনে কথা বলেন 'রাইম্র্যাসু'র মা-বাবার সাথে ও আসতে বলেন তাদের থানাতে তখনই। রাত ৩-টায় 'রাইম্র্যাসু'র মা-বাবা হেডম্যাসহ উপস্থিত হয় থানাতে। 'রাইম্র্যাসু'র দৃঢ়তায় অবশেষে হেডম্যান প্রস্তাব দেন, "এমন বিয়ে যেহেতু তাদের সমাজ ও পরিবারের জন্য "সমাজ বহির্ভুত"! তাই এ বিয়ের "ক্ষতিপুরণ" হিসেবে সমাজের সবাইকে খাওয়াতে হবে "বিশেষ ভোজ"। যার খরচ ১-লাখ টাকা দিতে হবে জুয়েলের পরিবারকে। থানার "ওসি সাহেব" সুযোগ বুঝে ১-লাখ টাকা জমা দিতে বলেন, থানাতে ঐ রাতেই। কিন্তু জুয়েলের মা গোপনে 'রাইম্র্যাসু'র বাবা ও হেডম্যানকে পাশে ডেকে বলেন, "দাদা এই মুহূর্তে ১-লাখ টাকা আমার ঘরেও নেই। তাছাড়া টাকাটা থানায় দিলে, আপনারা পাবেন তার কোন গ্যারান্টি নেই কিন্তু। তার চেয়ে চলুন, আমি টাকাটা ২/৩ দিনের মধ্যেই জোগার করে আপনাকে দিয়ে দেব"! "থানায় টাকা গেলে পুলিশের হাত ঘুরে হেডম্যান পাবেনা" কথাটা মনে ধরলো হেডম্যানের। অবশেষে ভোর হওয়ার আগেই আলাদা গাড়িতে 'রাইম্র্যাসু'সহ জুয়েলের পরিবার ও হেডম্যাসহ 'রাইম্র্যাসু'বাবা ভাইবোন সতর্কতার সাথে খাগড়াছড়ি ছাড়লো, যাতে এ ভালবাসার বিপরীতে অবস্থানকারী চাকমা আর মারমা যুবকরা বাঁধা দিতে না পারে তাদের ঘরে ফেরার। এবং সূর্য ওঠার আগেই 'রাইম্র্যাসু' প্রবেশ করলো জুয়েলের বাড়িতে "নতুন বউ" হিসেবে, তার মা-বাবা আর হেড ম্যানের সম্মতিতে!
:
এই 'রাইম্র্যাসু'ই হচ্ছে আমার পানছড়ির ফেসবুক বন্ধু হাবিবের ভাবী। হাবিবের স্ত্রী ইয়াসমিন ও মারমা 'রাইম্র্যাসু' দুজন হচ্ছে একই ঘরে ২-ভাইর স্ত্রী। কৈশোরে জুমচাষ, পাহাড়ে পরিশ্রমে অভ্যস্ত 'রাইম্র্যাসু' সারাদিন কাজ করে অক্লান্ত শ্রমে। পানছড়ি বাজারে একটা পার্লার খুলেছে পরিবারত্যাগি এ মারমা মেয়েটি। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই পার্লারে যাওয়ার আগে রান্নার কাজ শেষ করে। তারপর ছোট ১-বছরের কন্যা 'ম্যাডোনা'কে সাথে নিয়ে পার্লারে যায় সে। ম্যাডোনা আবার সারাক্ষণ আঁকড়ে থাকে তার কলেজ পড়ুয়া ফুপু শাহিদা আক্তার সূচনা, আর তার প্রিয় ছাগলছানাকে! রাইম্র্যাসু সারাদিন ওখানেই শ্রম দেয় বাঙালি আর পাহাড়ি মেয়েদের সৌন্দর্য বাড়াতে। রাতে ফিরে আবার ঘরের কাজ করতে থাকে রোবটের মত। এর মাঝে ছোট শিশুকে যত্নআত্তি আরেক বিশাল ঝামেলা।
:
নিজের ধর্ম, কৃষ্টি আর সমাজ পরিত্যাগ করে মুসলিম বাঙালি পরিবারের বউ হওয়াতে ওর উপজাতি "মারমা পরিবার" ত্যাগ করেছে রাইম্র্যাসুকে। মৃত্যুর পর পিন্ডিদান করে মারমারা! তাও পালন করেছে তার বাবা রাইম্র্যাসুর নামে চাকমা মারমাদের সামাজিক জেদ, অপমান আর পরিত্যাগের ভয়ে! তাই সম্ভবত সে আর ফিরতে পারবেনা তার পরিবারে। এসব ভুলেই স্বামী, সন্তান ও ঐ পরিবারের সদস্যদের একান্ত আপন করে নিয়েছে রাইম্রাসু নামের মেয়েটি। মারমা ভাষিক টোনে তার 'বাংলা উচ্চারণ' সত্যিই মুগ্ধ করেছিল আমাদের। একবার প্রস্তাব দিয়েছিলাম, ওর মা-বাবার কাছে যাই আমি চেংগী নদীবাহিত ছোটপানছড়ি ছড়ার তীরে লতিবান মৌজার কংচাইরীপাড়ায় ওদের বাঁশের মাচাং ঘরে। কিন্তু সোনাঝরা ফাল্গুন বিকেলের শীত বৃষ্টির মতো ভেজা করুণ ক্লেদময় হাসিতে বলেছিল রাইম্র্যাসু - "চাকমা মারমা সমাজপতিদের ভেয়ে তার বাবা কখনো মানতে পারবে না এটা"। তাই ইচ্ছে থাকা সত্বেও আমার আর হাবিবের যাওয়া হয়নি ওদের টিলাঘরে।
:
প্রেমের জন্যে মানুষের গৃহত্যাগ এবং ধর্মের জন্যে তার পারিবারিক মর্যাদার চিরন্তন বোধটা সবসময় আহত করে আমায়! এর হিসেব-নিকেশ কখনো মেলাতে পারিনি আমি! রাইম্র্যাসুর জীবনের পাত-কুয়োগুলোর অজস্র জলধারে খুঁজে মরা ভালবাসায় হয়তো সে হারিয়েছে তার পরিবারকে। অন্যদিকে আঁকড়ে ধরেছে আরেকটি বাঙালি পরিবারকে, যে পরিবারের আমিত্বে কাটাতে থাক ওর ভালবাসার জন্যে গৃহত্যাগের নিষ্ঠুর সময়! ওদের বাড়ি থেকে বিদায়ের প্রাকগল্পে এক বোধহীন বিদ্যুৎজ্বলা ইন্দ্রমেঘের তর্জনের মতো আমি অবলোকন করি রাইম্র্যাসুকে। এ সংসারে সুখী এ মেয়েটি যেন আসলে দুপুরের রোদ্দুরে পোড়া ধুসর ক্লান্ত কাক! যে কিনা ভালবাসার পিঙ্গল আকাশে কাঁপতে থাকে অবিরত এক বিহবলতার বন্যায়। তারপরো সে এক বাঙালি পরিবারে ভালবাসার সোনালি জীবনে রূপোর সিকি তুলে রাখে তার সন্তান 'ম্যাডোনা'র জন্যে, যার নাম রেখেছে সে ম্যাডোনা আক্তার রোজা। কিন্তু মানুষ আর মানবিক বোধের রহস্যঘেরা ধাঁধাময় জীবনপথের প্রশ্নগুলো আমার মেমব্রেনে থেকেই যায় এক অযাচিত প্রশ্ন তুলে!
:
আর সারাক্ষণ আমি চিন্তা করতে থাকি বাঙালি আর উপজাতিদের মাঝে বিরোধ টিকিয়ে রেখেছে কে বা কারা? কারা ঘৃণা করে একে অপরকে? উপজাতিয়রা বাঙালিকে? নাকি বাঙালিরা উপজাতিয়দেরকে? আমাদের যেসব মুক্তমনা প্রগতিশীলরা হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খৃস্টান ছেলে মেয়ের প্রেমকে সমর্থন করে অকুণ্ঠচিত্তে। ভারতীয় মুক্তমনারা যখন সাপোর্ট করে ভারত সরকারের আন্তধর্মে প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়েতে রাষ্ট্রীয় অর্থ ও পুলিশি সহায়তা কার্যক্রমকে! সেই একই মানুষগুলো বাঙালি উপজাতিদের প্রেম বিয়ে বন্ধুত্বকে মানতে নারাজ। তারা বিশ্বাস করে, পাহাড়ে বসবাসকারি "সেটেলার বাঙালি" ও বাঙালি সেনারা মানেই "ধর্ষক"। আর চাকমা, মারমা উপজাতিরা খুবই নীরিহ সহজ সরল মানুষ। কিন্তু আসলে কি তাই? উপরে বর্ণিত ১০০% সত্যি ঘটনায় কাদেরকে মানবিক আর কাদের উগ্র স্বার্থবাদি অমানবিক মনে হয় আপনার? বাঙালি নাকি চাকমা মারমাদের? রাইম্র্যাসুর প্রেম আর বিয়ের বিরুদ্ধে কে বা কারা দাঁড়িয়েছে? বাঙালি নাকি উপজাতিরা? এ প্রশ্ন থেকেই যাবে, যতদিন মূল সত্যটা না ঢুকবে আমাদের মগজে!

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
মাহের ইসলাম এর ছবি
 

এমন অনেক অনেক দুঃখের কাহিনী পাহাড়ের বাতাসের সাথে মিশে আছে।

রাইম্র্যাসু’র কপাল ভাল, যে তাকে নিলামে তোলা হয়নি বা মেরে ফেলা হয়নি। অনেকেই তো নিখোঁজ হয়ে যায়।

যে প্রগতিশীলদের কথা বলছেন, তারা নিজেরা আসলেই প্রগতিশীল ?
সৈকত ভদ্রের পাশে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল কি ছিল যখন পাহাড়ি সমাজ তার আর রেটিনা চাকমার বিয়ে মেনে নেয় নি ? এমনকি, রেটিনা চাকমা নিখোঁজ হওয়ার পরে কোন প্রতিবাদ ও করেনি, কেউ।

রাইম্র্যাসু’র জন্যে অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর