নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আবীর নীল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

থুথু দিচ্ছি এই রাষ্ট্রের, সমাজের ও ধর্মের উপর।


“প্রকৃতির বিচার” বলে একটা টার্ম আছে। সময় মানুষকে সব দেখায়, আমি গতকাল থেকে অসুস্থ বোধ করছি, ফেইসবুকের টাইমলাইনে থেকে। মানুষ গুলো দেখি ব্ড্ড আবেগ প্রবন, এতো আবেগ দিয়ে কি হবে? জায়গা মতো প্রতিবাদ করতে পারে না, যৌক্তিক আন্দোলন গুলোকে বিতর্কিত করে ফেলে, এ কেমন আবেগের প্রকাশ। আসলে এমন প্রশ্ন আমার তোলা উচিত না। প্রত্যেকটা মানুষেরই নিজস্ব একটা প্রকাশ ভঙ্গি আছে, আমি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রাখি প্রত্যেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির উপর, আমার সাথে মিললো না বলেই সে খারাপ আপনি কখনো বলবো না। কিন্তু যদি দেখি তার মতবাদ, দৃষ্টিভঙ্গি অন্য মানুষের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করছে তবে তাকে ছেড়ে কথা বলবো না।

কোন জন্মের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে এই দেশে জন্মনিলাম তা জানি না। তবে বিশাল কোনো পাপের যে শাস্তি হিসেবে এই দেশে জন্মমালাম কোনো সন্দেহ নেই। আজকের দিনে ২টা পোষ্ট আর একটা ঘটনা আমারে পায়ের নিচে থেকে আরো একবার মাটি টান দিয়ে কেড়ে নিয়েছে। পাঠকদের সাথে একটু শেয়ার করি।

পোষ্ট-০১. পোষ্টটি পড়তে ও অডিও শুনতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

একরাম হত্যার নাটকের পুরো অডিও ক্লিপটা শুনতে পারিনি। ভেতর থেকে বারবার ভেসে আসছিল অসহায়ত্ব চিৎকার। এপারে হাহাকার, ওপারে মানুষ হত্যার আনন্দ উৎসব। এখানে মা-মেয়ের আত্মচিৎকার , ওখানে হাসি আর উল্লাসের ক্রসফায়ার। কী বিভৎস দৃশ্যপট, ভাবতেই গা শিউরে ওঠে।
ফোনের ওইপ্রান্তে একটা গুলীর শব্দ,এই প্রান্তে বউ বাচ্চার চিৎকার,, মা তার অসহায়ী মেয়েকে বলছে তজবি পড়,আর ওইপ্রান্তে পুলিশ বলছে ধুর শালা তুই পকেটে গুলী দিছস কেন পাশে রেখে দে একটা, হাতের বাদ খুলে দে,,পিস্তলে গুলী কয়টা ভরেছিস।।

এর কয়েক সেকেন্ড পরেই পুলিশের গাড়ীর হুইসেল আর বাশি জোরে জোরে বাজাতে হবে যেন বোঝা যায় এলাকায় বন্ধুক যুদ্ধ হচ্ছে,,
নাটকের স্কিপ্ট খুব সুন্দরভাবেই শেষ হচ্ছিলো,, শুধু ফোনকলটা কাটতে ভুলে গেছিল।।

আচ্ছা আমি যদি এই ঘটনাকে ১৯৭১ সালের সেই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর চেয়েও জঘন্যতম বর্বরতা বলে দাবী করি , তাহলে কি আমি, রাজাকার বলে গণ্য হবো।।

গতকালই ডেইলী স্টারের বাংলা ওয়েব সাইডে নিউজটি পড়েছি, ওটাই শেয়ার করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেখানে প্রকাশ্যে ডিজিএফআই এর বিরুদ্ধে নিউজ করাতে ওয়াব সাইডটি বিটিসিএল বন্ধ করে দিয়েছে। দেশে নাকি গনমাধ্যমের ব্যাপক স্বাধীনতা! তিনি নাকি প্রাইভেট পর্যায়ে, মিডিয়া, সংবাদ মাধ্যম দিয়ে দেশকে গর্ভবতী করে দিয়েছেন! তাহলে বাংলাদেশের প্রথমসারীর এই গনমাধ্যমে কণ্ঠ চেপে ধরলেন কেন?
বেশি অসহায় বোধ করছি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য শুনে, মহান কাজ করতে গিয়ে নাকি এমন দু-একটা ভুল হয়। দু-একটা ভুল! এটা ভুল? কেমন ভুল এটা! একজন মানুষের প্রাণ তাদের কাছে ভুলের মর্যাদা পেলো? ভুল শব্দটা দিয়ে এই বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড জাস্টিফাই হয়ে গেলো?
বাংলাদেশের বিচারহীনতার জন্য সবচেয়ে বেশি দায় ওই আদালতের, তারা কি পারলো না স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে একটা রুল ইস্যু করতে? প্রাইমারি এভিডেন্স তো এখন অনলাইনে ভেসে বেড়াচ্ছে, একজন বিচারপতিও কি শোনে নি যে একজন নাগরিকের সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার অধিকারকে ভুল বলে জাস্টিফাই করা হচ্ছে? বন্দুকযুদ্ধের নামে শত শত মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে?


পোষ্ট-০২.

ছোট খাট একটা চাকরি করি।গত মাসে বড় মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছি,প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে।আজ ইফতারি দিয়েছি জামাইয়ের বাড়িতে,প্রায় ১৫০০০ টাকা খরচ করে।একটু আগে মেয়ের ফোন।
বাবা কেমন আছেন?
-হ্যা মা ভাল।তুই ভাল আছিস ত?
আছি বাবা ভাল।
-এইভাবে বলছিস কেন??তোর শ্বাশুর রা খুশি হয়েছে ত?
ওরা কিছু বলেনি।ফুফু(জামাইয়ের ফুফু) বলেছে ইফতারি একটু কম হয়েছে।
-(তখন আমার চোখের পানি টলটল করছিল)আচ্ছা মা বলিছ,পরের বার থেকে আরো বাড়িয়ে দিব।
বাবা শুন।তুমি আমাদের বাড়িতে ঈদে কাপড় দিবে না?
-হ্যা মা দিব।কেন?
তুমি কাপড় দিওনা।খালা(জামাইয়ের খালা)বলেছে কাপড় দিলে সবার পছন্দ হবে না।কাপড় না দিয়ে টাকা দিয়ে দিতে।৩০,০০০ টাকা দিলে,সবার নাকি হয়ে যাবে।
-আচ্ছা মা।তুই চিন্তা করিছ না।আমি এখন ও বেঁচে আছি।
(আমার বুঝতে দেরি হলনা,এতক্ষনে মেয়ের চোখের অনেক জল গড়িয়ে পড়েছে)
আচ্ছা বাবা,এখন রাখি।
-আচ্ছা মা ভাল থাকিস।
রাতে ছোট ছেলে নামাজ থেকে আসল।
বাবা তুমি আছ?
-হা আছি।কিছু বলবি?
হ্যা,ঈদের পর ২য় সপ্তাহে সেমিস্টার ফাইলান।আমার টিউশনির কিছু টাকা আছে।আপনি ২০ হাজার দিলে হবে।
-আচ্ছা দেখি।খেয়ে ঘুমিয়ে পর।
না বাবা,লেট হলে এক্সাম দিতে পারব না।
ঈদের পরে আবার কোরবান,মেয়ের বাড়িতে গরু দিতে হবে।গরুর যে দাম,কমপক্ষে ৫০০০০ টাকা ত লাগবে।আবার নিজের জন্য ও একটা লাগবে।
এইখানে শেষ নয়,,আরো রয়েছে মেয়ের বাড়িতে দেওয়ার বিভিন্ন মৌসমে বিভিন্ন আয়োজন। এই সব চিন্তা করতে করতে না খেয়ে শুয়ে পড়েছি।সাদিয়ার মা অনেক কিছু জিজ্ঞেস করেছিল,কিছু না বলে শুয়ে পড়েছি।
মাথায় একটা বিষয় কাজ করছে।টাকা!!টাকা!! আর মেয়ের সুখ।
এইভাবে রাত ১২ টা।সবাই কান্না কাটি করছে।আমার ছোট মেয়ে আর আমার প্রিয় স্ত্রী সব চেয়ে বেশি কাঁদছে।শুনলাম বড় মেয়ে ও ইতি মধ্যে পৌছে যাচ্ছে।সবার দিকে চেয়ে থাকলাম।ঠিক ২ মিনিট পর আর কিছু জানিনা।
এইভাবে হারিয়ে যাচ্ছে আমার মত অনেক বাবা।বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শত শত ছেলে মেয়ে।হয়ত অনেকে এখন ও জানে না,তাদের বাবার মৃত্যুর রহস্য।
আপনারা বলেন?
আমার মত মধ্যবিত্ত বাবার পক্ষে এত কিছু সম্ভব?
তারা তা বোঝেনা কেন?বোঝেও এইভাবে হত্যা করছে কেন বাবাদের?
আমাদের চট্টগ্রামের এই কু প্রচলন কি পরিবর্তন হবেনা??
হচ্ছেনা কেন??

প্রশ্নবটে হচ্ছে না কেন? সামাজিক রীতি রেওয়াজ? লাত্থি মারি এই সমাজের উপর, যারা মানুষের জন্য না, যে সামাজিক ব্যবস্থা একজন মানুষকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়, স্বাভাবিক ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয়, সেই সমাজ আমার দরকার নেই।

আমার খুউব কাছে একটা বন্ধুর বোনের বিয়ে হলো গত মাসে, বিয়ে তো না, অনেক ধাপে আস্তে আস্তে আগায়, প্রথমে রিং পরানোর অনুষ্ঠান, তারপর আখদ বা ধর্মীরীতিতে বিয়ে, তারপর বিয়ে মূল আয়োজন, তারপর বৌভাত, তারপর ফিরানি। বোঝেন এই হলো চট্টগ্রামের বিয়ের অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত লিষ্ট। এরমাঝে রোজার ইফতার, ঈদের কেনাকাটা, আম-কাঁঠাল, শীতের পিঠা আরো কত কত দেওয়ার নিয়ম। আমার ওই বন্ধুর পরিবার যথেষ্ট বিত্তশালী তাই তাদের জন্য এগুলো কোনো বিষয় নয়। মজার কথা হলো বন্ধুর বোনটি একজন এডমিন ক্যাডার, সচিবালয়ের জব করে, তার বর একজন লেকচারার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের, তাও তারা পারে নি এইসব সামাজিক খাই খাই নীতিকে এড়িয়ে যেতে, কি শিক্ষিত, কি অশিক্ষিত সবার মাঝে এই নিয়ম সমান ভাবে বিদ্যমান।

তবে, যে পরিবার গুলো বিত্তবান নয়, তাদের কি অবস্থা! তাদের মেয়েরা স্বামীর সংসারে কি আগুন পোহায়? কোথায় মানবতা বাদী সংগঠন গুলো? এইসব নিয়ে কখনো কোনো প্রতিবাদ, প্রতিরোধ হতে শুনি না কেন!

পোষ্ট-০৩. নিষিক্তের পোষ্টটি পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

প্রায় শতভাগ নিশ্চিত!
আমাকে আর বলতে দেওয়া হবে না,

কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়ে রেখেছি ৬ষ্ঠ পর্বে,
সেটুকুর উত্তর দিতে অার একবার প্রচার হবে ৬৩ বছর!

অামি যা বলতে জন্মেছিলাম,
তা শোনার জন্য পৃথিবীবাসীকে অারও ১০০ বছর অপেক্ষা করতে হবে;
অথচ অামি ততদিন বাঁচবো না!

খুব দ্রুত সব ডাউনলোড লিংক ডিলিট করা ও
এই পেজটিও ডিলিট করা হবে!
ম্যাসেজ বা কমেন্টের উত্তর দেবার দাসক্ষত দিয়ে রাখিনি,
অতএব অযথা বিরক্ত করবেন না।

সবাইকে সরি বলছি,
দুঃখ কেবল একটাই, এবারও হেরে গেলেন বিশ্বাসীরা;
অথচ আমি হয়ত তাদের জয় দেখতে চেয়েছিলাম!

বেঁচে থাকলে, ভিন্ন পরিচয়ে দেখা হবে কোথাও না কোথাও!
সকলকে একরাশ ভালবাসা!

আর হ্যাঁ, নগণ্য নিষিক্তকে ক্ষমা করবেন এবং ভুলে যাবেন।

সত্যি বলতে কি এই পোষ্টটি পড়ে আর আগের দুটো পোষ্ট মিলিয়ে মনে হলো, বেঁচে কেন আছি! এই লোকটা কিছু যৌক্তিক গ্রাউন্ড দিয়ে কথা বলছিলো, তাকে বলতে দিলে কার এমন কি ক্ষতি হতো? সে তো বলছে না কাউকে ধর্ম ত্যাগ করো, সে এটাও বলছে না ধর্ম গ্রহন করো, সে শুধু একজন মানুষের জীবনীকে তথ্যের আলোকে তুলে ধরছে।

খাদিজার ৪০ বছর বয়সে মুহাম্মদ ইব্‌নে আবদুল্লাহর সাথে বিয়ে হয়েছিলো, এটাই সত্য জেনে এসেছি কিন্তু নিষিক্ত প্রমান করে দিলো সেটা ভুল। আমার মা, প্রাচীন অর্ধশিক্ষিত মানুষ যে আমলে নাজাত, বেহেশতী জেওর, ফাজায়েল মাসায়েল্ এইটাইপের বই পড়তো, তারে আমি আস্তে আস্তে এইসব বই থেকে বিরত করলাম ওই বই গুলোর হাদিসের অযৌক্তিকতা দেখিয়ে। নিষিক্তের লাইভ যখন তাকে শোনালাম, সে পরের পর্ব নিজে থেকে শুনলো। আমি কাজের জন্য লাইভ শুনতে পারিনি, তবে পরে শুনেছি। লাইভ তো হচ্ছিলো সম্পূর্ণ ইসলামি ভিউ থেকে, এমনকি শেষ পর্ব নিষিক্ত বুঝিয়েও দিলো কেন মুহাম্মদ শিশুকামী ছিলেন না। এতো দিন তো কোনো ইসলামি স্কলারকে এই অভিযোগ খন্ডন করতে দেখিনি। তাহলে কাদের সমস্যা হলো নিষিক্তের লাইভ নিয়ে? বলতে দিতেন মানুষটাকে, কন্ঠ রোধ কেন করছেন?

নিষিক্ত লাইভটি বন্ধ করেদিবে তার যা বলার ছিলো তার মাত্র ১০% কি ১২% নিষিক্ত বলতে পেরেছে। নিষিক্ত ধারাবাহিক লাইভটি বন্ধ করে দিলে হয়তো তার আফসোস থাকবে, সে মানুষকে তার গবেষণা লব্ধ জ্ঞাণকে জানিয়ে যেতে পারেন নি, কিন্তু আমার অবস্থাটা কি? আমি জানি একজন আছে, যে সত্য জানে, যার কাছে অনেক অজানা জ্ঞাণ আছে যা আমার জানা প্রবল আগ্রহ। কিন্তু আমি জানতে পারবো না! কারন কি তৃতীয় কোনো একজন আছে যে আমাকে জানতে দিবে না, নিষিক্তকে জানাতে দিবে না। কেন দিবে না? ভন্ডামি প্রকাশের ভয় পাচ্ছে তারা? যারা এমন হুমকি দিচ্ছে নিষিক্তকে তারা জানে নিষিক্তের কাছে এমন কিছু সত্য জ্ঞান আছে, যা শুনলে আমার প্রাচীন ধারণার মা অব্দি প্রচলিত এই ধর্মমত কে অস্বীকার করতে পারে! এমন না হলে কেন তারা কন্ঠরোধ করতে চায়?

মন্তব্য:
প্রথম পোস্টে দেখলাম রাষ্ট্র খুন করছে মানুষকে, দ্বিতীয় পোস্টে সমাজ খুন করছে মানুষকে, তৃতীয় পোস্টে দেখলাম ধর্ম খুন করছে মানুষকে। মানুষকে তাহলে কে বাঁচতে দিচ্ছে? রাষ্ট্র, সমাজ, ধর্ম বাংলাদেশে এইতিন মিলে হচ্ছে এক বিশাল সন্ত্রাসী সংগঠন গড়ে উঠেছে। এখানে কেউ বাঁচতে পারবে না। যে ধর্মের ছায়া তলে নিজেকে রক্ষ করতে যাবে, তাকে রাষ্ট্র এবং সমাজ মারবে। যে রাষ্ট্রের ছায়া তলে যাবে, তাকে ধর্ম ও সমাজ মারবে। আর যে সমাজের আশ্রয় নিবে, তাকে রাষ্ট্র ও ধর্ম মারবে। কেউ এই দেশের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। এখানে কারো ভবিষ্যৎ এর নিশ্চয়তা নেই, এখানে কেউ সত্য বলার মতো নেই।

তাই অপঘাতেই মরবো যখন, বলেই মরবো, লিখেই মরবো, সত্যকে জানবো, জানাবো করুক আমার কন্ঠরোধ পরওয়া করি না।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নগরবালক
নগরবালক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 1 দিন ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - 11:50পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর