নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

রোহিঙ্গাপ্রেমিক সেইসব দেশদ্রোহী-নরপশু এখন কোথায়?


রোহিঙ্গাপ্রেমিক সেইসব দেশদ্রোহী-নরপশু এখন কোথায়?
সাইয়িদ রফিকুল হক

আমাদের পার্শ্ববর্তী-রাষ্ট্র মায়ানমারে জাতিগত-সংঘাত চলছে। আর সেখানে নাকি ঢালাওভাবে সর্বস্তরের রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হচ্ছে। সঙ্গত কারণে, একজন মানুষ হিসাবে আমরা রোহিঙ্গাদের ওপর মায়ানমার-সরকারের নির্মম অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বলেছি। কিন্তু আমি বরাবর বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ব্যাপারে ঘোরবিরোধী ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। এব্যাপারে ইতঃপূর্বে আমি কয়েকটি প্রবন্ধ রচনা করেছি। এমনকি আমাদের দেশে ঢালাওভাবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ব্যাপারে, রোহিঙ্গাদের স্বার্থ নিয়ে যারা সোচ্চার ছিল, আর যারা রোহিঙ্গাদের পক্ষে উলঙ্গ হয়ে গলাবাজি করেছে, আমি তাদের বিরুদ্ধেও বলেছি। কারণ, এরা মুখচেনা ভণ্ডশয়তান। এদের উলঙ্গ-রাজনীতি অন্যখানে। এরা বাংলাদেশের শত্রু—কিন্তু রোহিঙ্গাপ্রেমিক!

জাতি হিসাবে রোহিঙ্গারা আসলেই খারাপ। তবে একটি জাতির সবাই খারাপ হয় না। এই রোহিঙ্গাদের মধ্যেও হয়তো কিছুসংখ্যক ভালোমানুষ আছে। সেটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু ইতিহাস বলে, অধিকাংশ রোহিঙ্গাই ভয়ানক অমানবিক, নিষ্ঠুর, নৃশংস, সাম্প্রদায়িক, উগ্রপন্থী ধর্মান্ধ, জঙ্গি, সেমি-জঙ্গি আর স্বার্থলোভী। এরা কখনও সাধারণ মানুষের সঙ্গে বসবাসের উপযোগী নয়। আমাদের দেশের একশ্রেণীর পাকিস্তানের দালাল, রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে একেবারে আকুলপ্রাণে বুক ভাসিয়ে উলঙ্গ হয়ে তাদের পক্ষে রাস্তায় নেমেছিলো। আর হয়তো কেউ-কেউ এখনও রাস্তায় নেমে রোহিঙ্গাদের পক্ষে গলাবাজি করছে। পাকিস্তানী-দালালবংশের প্রকৃত উত্তরাধিকারী ও মসজিদের ইমাম নামক পরগাছা-পরজীবী রাজাকারগুলো দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য মসজিদের ভিতরে জুম্মার নামাজের খুতবার আগে যে-রকম লাফালাফি করেছে—তা দেখে আমাদের মনে হয়েছিলো—এদের পূর্বপুরুষ বুঝি ব্যাঙই ছিল! কারণ, রোহিঙ্গাদের পক্ষে এদের লম্ফঝম্প দেখে এদের ব্যাঙ ব্যতীত অন্যকিছু মনে হয়নি।
আমাদের দেশের একটি দেশবিরোধীচক্র রোহিঙ্গাদের জন্য খুব চোখের জল ফেলেছিলো! এখনও হয়তো ফেলছে! ওরা (রোহিঙ্গারা) মুসলমান বলে এদের কী দরদ! কিন্তু আজ সেই রোহিঙ্গাদের চেহারা এরা কি দেখতে পায় না? আজ সেই রোহিঙ্গারা এই দেশের জন্য কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে! এরা এখন কী বলবে?

এদের সেই রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশরাষ্ট্রটি ধ্বংস করার জন্য সবদিক দিয়ে সবরকমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে এদের হীন ও জঘন্য কর্মকাণ্ডে জাতীয়ভাবে বাংলাদেশের নীতিনৈতিকতা বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে, রোহিঙ্গা-সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন অপকাণ্ড আমাদের রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে। নিম্নে এদের সাম্প্রতিককালের অমানবিক, নীতিগর্হিত ও বাংলাদেশরাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার কতিপয় উদাহরণ তুলে ধরছি:

১. রোহিঙ্গারা এদেশে আগমনের পর থেকে কক্সবাজার, টেকনাফ, রাঙ্গামাটিসহ সমগ্র পার্বত্য-চট্টগ্রামে, এমনকি সমগ্র চট্টগ্রাম-জেলাসহ এর আশেপাশে এদের অনৈতিক-কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে এদের অনেকেই বৃহত্তর চট্টগ্রাম-জেলার আশেপাশের এলাকাগুলোতে নানাবিধ সন্ত্রাসী-কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—চুরি, ডাকাতি, খুনখারাবি, রাহাজানি, মাদকব্যবসা, লুটতরাজ, পতিতাবৃত্তি ইত্যাদি। ইতঃপূর্বে কক্সবাজার ও টেকনাফ পুলিশের হাতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোহিঙ্গা-ডাকাত গ্রেফতার হয়েছে। এদের মধ্যে আবার জঙ্গি সদস্যও রয়েছে।

২. বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের ফলে সমগ্র চট্টগ্রাম ও পার্বত্য-চট্টগ্রামে খুনখারাবি-বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের নিজস্ব ডাকাতদল রয়েছে—আবার বাঙালি-মুসলমান ডাকাতদলের সঙ্গেও এদের সংযোগ রয়েছে।

৩. রোহিঙ্গা-নারীদের অযাচিত অনুপ্রবেশের ফলে সমগ্র পার্বত্য-চট্টগ্রামে পতিতাবৃত্তিও বেড়ে গেছে। এখানকার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে এখন রোহিঙ্গা-কলগার্লের সংখ্যা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরা যে শুধু পতিতাবৃত্তিই করছে তা নয়—এরসঙ্গে মাদকব্যবসাও চালাচ্ছে।

৪. রোহিঙ্গা-ক্যাম্পগুলো এখন মাদকের আখড়া। কক্সবাজার টেকনাফ, উখিয়াসহ ভারত ও মায়ানমারের সীমান্তবর্তী-এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গা-মাদক-ব্যবসায়ীদের রমরমা অবস্থা চলছে। এই এলাকার মাদকের নিয়ন্ত্রণ রোহিঙ্গাদের হাতে। শুধু সীমান্তবর্তী-এলাকায় নয়—বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী-রোহিঙ্গারা তাদের প্রতিটি ক্যাম্পে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে ইয়াবা (বাবা), হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা, আফিম ইত্যাদির কারবার করছে। এদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাদকব্যবসায়ী তথা মায়ানমারের উৎপাদিত ‘ইয়াবা’ তথা ‘বাবা’ মাদকের ব্যবসায়ী বা মাদকসম্রাটদের ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে। ইয়াবা-পাচারের ক্ষেত্রে বয়স্ক-রোহিঙ্গাদের সঙ্গে শিশুরা পর্যন্ত ব্যবহৃত হচ্ছে। টেকনাফের মাদক-কারবারি “আয়েশা-গ্রুপ” নারীদের মাদকব্যবসার বিরাট চক্র। এরা বিমানে করে ঢাকায় এসে পর্যন্ত মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে থাকে! অনেক রোহিঙ্গা-নারী এই গ্রুপের সক্রিয়-সদস্য।

৫. এই রোহিঙ্গারা আশ্রয়-ক্যাম্পের সীমানা ছেড়ে বাংলাদেশে চিরস্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করে আমাদের পার্বত্য-চট্টগ্রাম-জেলার বনভূমি ধ্বংস করছে। এদের অত্যাচারে সেখানকার পাহাড়গুলো পর্যন্ত ধ্বসে যাচ্ছে। এরা আজ আশ্রয়-ক্যাম্পের নিয়মরীতি ভঙ্গ করে (থাকা-খাওয়ার পর্যাপ্ত সুবিধাদি পাওয়া সত্ত্বেও) নানারকম দোকানদারি থেকে শুরু করে এখন প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে মাদকের কারবার করছে।

৫. ইতঃপূর্বে একাধিকবার এই রোহিঙ্গা-সন্ত্রাসীরা আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী-বাহিনীর ওপর পৈশাচিক হামলা চালিয়েছে। এরা এমনই জঘন্য যে, এদের ক্যাম্পে রিলিফ দিতে সামান্য বিলম্ব হওয়ায় এরা ক্যাম্পে দায়িত্বরত বাংলাদেশের পুলিশবাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালাতেও দ্বিধা করেনি।

৬. বাংলাদেশে আশ্রিত অধিকাংশ রোহিঙ্গাই ভয়ানক লোভী ও ইতর প্রাণি। আর এদের লোভের কোনো শেষ নাই। এদের অনেকেই এখন মায়ানমারে ফিরতে আগ্রহী নয়। বর্তমানে বাংলাদেশরাষ্ট্র প্রায় ছয়লক্ষ আশ্রিত রোহিঙ্গার ভরণপোষণ করাচ্ছে। তা সত্ত্বেও, এরা অঢেল টাকার পাহাড় গড়তে মাদকব্যবসা শুরু করেছে। আজ এদের প্রায় প্রত্যেকের পকেটে ‘ইয়াবা’ বা ‘বাবা’ নামক বার্মিজ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়। এদের নারীরা নীতিনৈতিকতা সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়ে পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত হচ্ছে। অথচ, এরা বাইরে সবসময় পরিধান করে বোরকা! শুধু এখানেই শেষ নয়, লোভ ও লাভের কারণে এদেরই কেউ-কেউ নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদেশে পর্যন্ত পাড়ি জমাচ্ছে। আর এদেরই কারণে বিদেশে বারবার বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

৭. রোহিঙ্গারা পৃথিবীর অন্যতম এক অসভ্য ও বর্বর জাতি। তাই, এদের মধ্যে মনুষ্যত্ব, বিবেক ও মানবতাবোধ বলে কিছু নাই। এরা সামাজিক তথা জৈবিক জীবনে জন্মনিয়ন্ত্রণপদ্ধতি বা জন্মরোধপ্রথা মানে না। বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গারা দ্রুত বংশবৃদ্ধি তথা রোহিঙ্গাউৎপাদনে ব্যস্ত। রোহিঙ্গাপ্রজাতির নারী-পুরুষ উভয়ই চরম অসভ্য। এরা দুই সন্তানের নীতিতে বিশ্বাসী নয় এবং এগুলো তারা অনুসরণ করতেও রাজী নয়। একটা খবরে ভয়ানক উদ্বিগ্ন না হয়ে আর পারলাম না। খবরটি নিঃসন্দেহে সত্য ও প্রমাণসিদ্ধ: বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা-ক্যাম্পে নাকি প্রতিদিন ‘আশংকাজনকহারে’ রোহিঙ্গা-উৎপাদিত হচ্ছে। আর এসব দেখে এই আমাদের বাংলাদেশের মুসলমান-নামধারী একশ্রেণীর অস্পৃশ্যজীব তথা পাকিস্তানের দালাল বিমল আনন্দ উপভোগ করছে। এই জানোয়ারগুলো আমাদের দেশকে ভালোবাসে না—এরা ভালোবাসে রোহিঙ্গাদের। এরা সবসময় সবখানে শুধু নিজেদের স্বার্থের রাজনীতি খুঁজে বেড়ায়।

৮. রোহিঙ্গাদের মধ্যে একটি শ্রেণী ভয়ানক জঙ্গি। এদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গিদেরও সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাসী-কর্মকাণ্ডের দায়ে ইতঃপূর্বে “দোস্ত মোহাম্মদ” নামক এক ভয়ংকর রোহিঙ্গা-সন্ত্রাসী গ্রেফতার হয়েছে। এরকম শত-শত “দোস্ত মোহাম্মদ” রোহিঙ্গাশিবিরগুলোতে আত্মগোপন করে রয়েছে। এরা বাংলাদেশরাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক। উখিয়া, বালুখালী, টেকনাফ ইত্যাদি অঞ্চলে সন্ত্রাসী-কর্মকাণ্ডের দায়ে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোহিঙ্গা-সন্ত্রাসী গ্রেফতার হয়েছে। বাংলাদেশে আশ্রিত এইজাতীয় রোহিঙ্গা-সন্ত্রাসীদের অনেকেই তাদের দেশের রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসীসংগঠন আরসা’র সদস্য।

বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে কৃতজ্ঞতাবোধের বড়ই অভাব। এরা আমাদের দেশাচারের প্রতি সম্মান বা শ্রদ্ধা না জানিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো জীবনযাপনপ্রণালি বেছে নিয়েছে। আর এতেই দেখা দিয়েছে জটিল সমস্যা। তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্বেচ্ছাচারিতা আজ আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় সঙ্গে করে ইয়াবা, অস্ত্র ও সন্ত্রাসী নিয়ে এসেছিলো। এরা এখন আশ্রয়শিবিরে নিরাপদে বংশবৃদ্ধি করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করছে। আমাদের ভাবতে অবাক লাগে, এই রোহিঙ্গাপ্রজাতির জন্য এই দেশের মুসলমান-নামধারী আরেক প্রজাতি ভয়ানক লম্ফঝম্প করে দেশটাকে রোহিঙ্গাস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু করেছিলো! এই প্রাণি গুলো কখনও বাংলাদেশরাষ্ট্রের প্রতি সামান্য শ্রদ্ধা পোষণ করেনি। এরা শুধু গায়ের জোরে আর মুসলমানিত্বের দাপটে বাংলাদেশে টিকে আছে। নইলে, এদের মতো ইতর প্রাণির এদেশে থাকতে দেওয়াটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে: মুসলমানিত্বের জোরে কেউ নাগরিক হতে পারে না। নাগরিক হতে হবে মনুষ্যত্বের জোরে। কিন্তু এইসব মুসলমানের মধ্যে ন্যূনতম মনুষ্যত্ব বলতে কিছু নাই। এরাই দিনের-পর-দিন রোহিঙ্গাদের জন্য মায়াকান্নাপ্রদর্শন করে দেশটাকে রোহিঙ্গা-ক্যাম্প বানাতে চেয়েছিলো। মানুষ মানুষকেই আশ্রয় দেয়, কিন্তু এই জাতের রোহিঙ্গারা কতখানি মানুষ? যাদের পেটে, বুকে, পকেটে, পায়ুপথে সবসময় পাওয়া যায় ইয়াবা! রোহিঙ্গাপ্রেমিক সেইসব দেশদ্রোহী-নরপশু এখন কোথায়? এদের গালে এখন ১০১টা করে জুতার বাড়ি দেওয়া উচিত। এরা এখনও রোহিঙ্গাদের পক্ষে কী সোচ্চার! এদের সমস্ত মানবতাবোধ যেন এই রোহিঙ্গাদের প্রতি! আর বাংলাদেশটা এদের অচেনা কোনো জনপদ!
তোমরা যারা রোহিঙ্গাপ্রেমিক, তারা এখন এসে দেখে যাও, তোমাদের রোহিঙ্গা-বাপরা আজ এদেশে বসে-বসে কী যা-তা করছে! তোমরা এসব আর কত দেখাবে? তোমাদের বাপ পাকিস্তানও চিরদিন ইসলামধর্মের নামে খুনখারাবি, মদ, গাঁজা, নারীধর্ষণ সবই জায়েজ করেছিলো! এখন দেখছি, তোমরা নিজে এবং এই রোহিঙ্গারাও পাকিস্তানীবংশের প্রকৃত উত্তরাধিকারী।

এভাবে, রোহিঙ্গারা দিনের-পর-দিন আমাদের দেশের বারোটা বাজাচ্ছে। কিন্তু আর কত বাজাবে? আর কত মুসলমানের নামে এরকম হুজ্জোতি আর বজ্জাতি দেখবো?

সাইয়িদ রফিকুল হক
০১/০৬/২০১৮

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর