নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আবীর নীল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সন্ত্রাসীদের ক্ষমার প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি দায়মুক্ত, আদালত অসহায়, ন্যায় বিচার চাইবো কোথায়?


প্রতিদিন কতশত নীতি বাক্য শুনি তেমনই এক নীতিবাক্য “আইনের উর্দ্ধে কেউ নয়”। ছোট বেলা থেকে বাংলা সিনেমায় এইসব ডায়ালগ আর নীতিবাক্য শুনে শুনেই তো বড় হইলাম। কিন্তু আসলেই কি তাই? প্রয়োগিক অর্থে এটা যে অর্থব একটা নীতিবাক্য তা নিয়ে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই। কিন্তু কাগজে কলমেও কিন্তু এই কথাটা পুরোপুর সত্য নয়। কিভাবে? আজকে একটু সেই বিষয় নিয়েই কপচাই।

০১.
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৫১নং অনুচ্ছেদের শিরোনাম হচ্ছে “রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি” এই অনুচ্ছেদের ১নং উপ-অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না”। তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়ালো, রাষ্ট্রপতি যখন তার কোনো কাজ পরিচালনা করেন তখন তার কাজের জন্য তাকে কোনো ভাবেই জবাবদিহিতার মুখোমুখী হতে হবে না। হলো কিনা আইনের উর্দ্ধে তিনি?

এবার আসুন ৫১অনুচ্ছেদের ২ উপ-অনুচ্ছেদ কি বলছে? এই অনুচ্ছেদ বলছে “রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না”।
খেয়াল করুন এই উপ-অনুচ্ছেদে বলছে রাষ্ট্রপতি যখন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কর্মরত থাকেন, মানে তার মেয়াদের ৫বছর, তখন তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার মামলা-মোকদ্দমা করা যাবে না, ধরুন তিনি কাউকে খুন করলেন বা তিনি কাউকে খুন করার আদেশ দিলেন বা তিনি এমন কোনো সিধান্ত নিলেন যা জনজীবনের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে ব্যহত করলো, এমন যেকোনো ধরনের অপরাধই তিনি করুন না কেন, তার বিরুদ্ধে কিন্তু কোনো মামলা করা যাবে না, কো প্রতিকার চাওয়া যাবে না। বিষয়টা এমন না যে তিনি যখন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অব্যহতি নিবেন তখন তার অপরাধের জন্য তার বিচার করা যাবে। তিনি তার দায়িত্ব থেকে অবসর নেয়ার পরেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না, কারন রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময় তিনি কাজটি করেছেন তাই। এই উপ-অনুচ্ছেদেই আরেকটা কথা বলা হয়েছে কোনো মামলা অব্যহত রাখা যাবে না। মানে ধরুন তিনি রাষ্ট্রপতি হবার সময় তার বিরুদ্ধে কোনো দূর্নীতির মামলা বিচারাধীন আছে। এমতাবস্থায় যদি তিনি রাষ্ট্রপতি হয়ে যান, তবে তার বিরুদ্ধে বিচারধীন ওই মামলাকে আর পরিচালনা না করে, বন্ধ করে দিতে হবে।

তাহলে ভাবুন তো, আসলেই কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়?

০২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ৪৬ বছরে রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমতাবলে এই পর্যন্ত সর্বোমোট ২৬ জন মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীর সাজা মওকূফ করেছেন। তার মাঝে ২২জন মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীর সাজা মওকূফ হয়েছে বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে গত ১০বছরে। কেমন বোধ করছে পরিসংখ্যানটা শুনে? এই ২২জনই রাজনৈতিক বিবেচনায় মুক্তিপেয়েছে। ২২জনই আওয়ামীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলো। ২০১০ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান এক বছরেরই ১৮জন আসামীকে ক্ষমা করে, ক্ষমার এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ২১জন পেয়েছিলো এই ক্ষমা। ভাবতে পারছেন সংখ্যাটা বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যা। এবং পরবর্তীতে ২০১৬ সালেও একজনে মৃত্যুদন্ডের সাজা মওকূফ করা হয়েছিলো। এটা তো শুধু মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীর পরিসংখ্যান বললাম, এছাড়াও যাবজ্জীবন সাজা, সহ আরো নানান মেয়াদের সাজাও এর মাঝে ক্ষমা করা হয়েছে। যার সর্বশেষ সংযুক্তি ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফ। জোসেফের কথায় পরে আসছি।

আমার মনে আছে ২০১০ সালে যখন লক্ষীপুরের ত্রাস মুজিববাদী তাহেরের বড় ছেলে বিপ্লবকে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা দায়ে প্রদত্ত সাজা মৃত্যুদন্ড থেকে অব্যহতি দেয় হয়, তখন নুরুল ইসলামের স্ত্রী আক্ষেপ করে, তার শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে, মিডিয়ার সামনে বলেছিলো, “প্রধানমন্ত্রী যদি মেয়ে হয়ে তার বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাইতে পারেন, এতো বছর পরে যদি তাদের ফাঁসীতে ঝোলাতে পারে, তবে আমার সন্তানের সেই অধিকার কেন নেই?” সেদিন আসলে রাষ্ট্রের কাছে কোনো জবাব ছিলোনা। রাষ্ট্র নিরব ছিলো একজন বিধবার প্রশ্নে, রাষ্ট্র বিকলাঙ্গের মতো দেখছিলো নুরুল ইসলাম অসহায় শিশুটিকে।

কি মনে হচ্ছে, এই যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোনো প্রকার ব্যাখ্যা প্রদান ছাড়া, একজন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে সাজা মওকূফ করে দেয়া হচ্ছে তা আদৌ উচিত?
০৩.
একটা মামলা শুরু থেকে রায় পর্যন্ত পৌছানের মাঝে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয় মামলার বাদী ও বিবাদীকে। আমি যদি নেই এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার কথাই বলি, ভাবুন তো একবার লক্ষীপুরের জেলা দায়রা আদালত থেকে শুরু করে হাইকোর্ট, সুপ্রীমকোর্ট পর্যন্ত এই মামলা গড়িয়েছে, এই বিধবা নারীটি তার শিশু সন্তানটিকে নিয়ে, আদালতে দুয়ারে দুয়ারে ধন্য দিয়ে বহু কাঠ-খড়, টাকা পয়সার শ্রাদ্ধ করে যখন চূড়ান্ত ভাবে তার ন্যায় বিচারটি অজর্ন করলো, তখনই রাষ্ট্র তার অর্জনটির মাঝে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের দ্বারা পানি ঢেলে দিলো।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে “কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা,বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে”

ভালো কথা রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতা থাকবে, কিন্তু এটাটি রাষ্ট্রপতি খেয়াল খুশি মতো প্রয়োগ করা যাবে? যদি যায়, তবে এটা কেমন কথা! একজন মানুষের ন্যায় বিচার প্রাপ্তির অধিকারকে তো তাহলে রাষ্ট্রপতি তার খেয়াল খুশির দ্বারা খর্ব করছেন। এমনটা হলে আগে থেকেই বলে দিতে পারে মামলা দেখে যে, এই মামলা নিয়ে এতো কষ্ট করে লাভ নাই, রাষ্ট্র এই অপরাধ ক্ষমা করে দিবে। অথবা তাও যদি সম্ভব না হয়, তবে ন্যায় বিচার প্রত্যাশিকে একটা ক্ষতিপূরণ অন্তত দেয়ার ব্যবস্থা করা উচিত রাষ্ট্রের, কিন্তু তেমন কোনো বিধানও আমাদের আইনে নেই।

যদিও সংবিধান বলছে ক্ষমাটা রাষ্ট্রপতি করেন, কিন্তু বাস্তবতা হলো, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে ক্ষমা করার কথা বলা হলেও সিদ্ধান্ত আসে সরকার থেকেই। আইন অনুযায়ী সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হয়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আইন মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর মতামত পাওয়ার পর তা যায় রাষ্ট্রপতির কাছে।' তার ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত আসে। তার মানে ক্ষমাটা রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করলেও সিধান্ত হলো সরকারের, এখানে বলে রাখা ভালো সরকার একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। আর রাষ্ট্রপতি হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি।

০৪.
রাষ্ট্রপতি কোনো প্রকার যৌক্তিক ব্যাখ্যা না দিয়ে খেলা-খুশি মত এই দন্ড মওকূফের প্রশ্নে হাইকোর্ট থেকে একটি রায় এসেছিলো বছর কয়েক আগে। সেই রায়ে বলা হয়েছিলো, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক এই সাজা মওকূফের ক্ষেত্রে, মওকূফের কারনটি ব্যাখ্যা করা উচিত, এবং এটা নিয়ে বিস্তারিত একটি নীতিমালা প্রনয়নের জন্যও নিদের্শজারি করেছিলো কোর্ট। কিন্তু এটা তো বাংলাদেশ, কোর্টের সেই কথাই সরকার শোনে, যা সরকারের মনপুত হয়, যা সরকারে পছন্দ হয়না তার প্রতি সরকার বৃদ্ধাআঙ্গুলী দেখিয়ে বসে থাকে, এবং কোনো প্রতিকারও কোর্ট করতে পারে না।

এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত আইজীবি শাহদ্বীন মালিকের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বিবিসি বাংলা আজকে বললো, এই ক্ষমতা ব্যবহার বা প্রয়োগ করা দু'টো কারণে।
ক. কারও বিচারে শাস্তি হয়েছে। এর পনেরো বিশ বছর পর হঠাৎ বোঝা গেলো যে,তার বিচারে ভুল হয়েছে। তখন আবার বিচারে তাকে নির্দোষ প্রমাণে না গিয়ে রাষ্ট্রপতি তাকে ক্ষমা করতে পারেন।

খ. কারও সাজার বড় অংশ খাটার পর ক্যান্সার বা দূরারোগ্য কোনো ব্যধি হয়েছে। ডাক্তার বলেছে সে আর বাঁচবে না। তখন রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে পারেন।

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, আওয়ামীলীগ সরকারের এই দুই মেয়াদে সাজা থেকে অব্যহতি নেয়া ২২জন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীর মাঝে একজনও এই দুইটি বিবেচনায় অব্যহতি পায় নি। শুধু মাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ২২জন অপরাধীকে রাষ্ট্র মাফ করে দিয়েছে।

০৫.
এবার আসি এই বাংলাদেশের অন্যতম এই শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের কথায়। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট এই সন্ত্রাসীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে, এবং আপীলের মাধ্যমে ২০১৫ সালে সেই সাজা কমে দাড়ায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডে। কিন্তু সেই সাজাও মাফ করে দিয়ে গোপোনে তাকে মুক্তি দিয়ে বিদেশ পাঠিয়ে দেয় হয়। কিন্তু এতো গোপনীয়তার কারন কি? নেপথ্যে কি কাজ করছে এর?

ভেসে বেড়ানো খবর হলো, সেনাবাহিনী পরবর্তী সম্ভাব্য সেনাপ্রধান হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে, তার আপন ভাই হলো এই সন্ত্রাসী জোসেফ। শুধু মাত্র এই লোককে সেনা প্রধান হওয়া থেকে বিরত রাখতে, তার সাথে রফা করে গোপনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা জোগাড় করে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে! এসবের ফলাফল হচ্ছে ওই সেনা কর্মকর্তার আর সেনা প্রধান হওয়া হবেনা। তবে আমার এই খবরটি শতভাগ সত্য দাবি করছিনা। নিশ্চিত সত্য যা তা হলো সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোনো একজনের আপন ভাই এই জোসেফ।

এখানেও তাহলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমটা রাজনৈতিক বিবেচনায়ই গেলো। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ভাবে, সংবিধানের দোহাই দিয়ে এই অনাচারের বিচার আমরা সাধারণ নাগরিকরা কার কাছে চাইবো? এই সন্ত্রাসী যাদের হত্যা করেছে তাদের ন্যায় বিচার কে দিবে? এতো কিছুর পরে যখন বিচার কোর্ট করে, তখন এই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা নামক অনুচ্ছেদটি, বিধানটি ন্যায় বিচারকে গলাটিপে ধরে।

০৬.
সংবিধানের মতে রাষ্ট্রপতি তার এইসব কার্যক্রমের জন্য সম্পূর্ণ দায় মুক্তি, তাই তার এই ক্ষমার সিধান্তের বিরোধীতা করে কোনো প্রকার মামলা, অভিযোগ কোনো আদালতে দায়ের করাকে সংবিধানিক ভাবেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একবার ভাবুন তো যে সংবিধান নাগরিকের ন্যায় বিচার প্রাপ্তির অধিকারকে ক্ষুন্ন করে, রুদ্ধ করে আইনের শাষনের মসৃন রাস্তাকে, অপরাধীকে মুক্ত করে, তা কি করে জনগনের সংবিধান হতে পারে? এই সংবিধানের প্রত্যেকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে জনগনের কল্যান সাধনের উদ্দেশ্যে। আর আইনের মারপ্যাচে ফেলে, এই সৎ উদ্দেশ্যগুলোকেই অসৎ ভাবে জনগনের ন্যায় বিচার প্রাপ্তির পথে অন্তরায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

আর আমরা সাধারণ মানুষ আমৃত্যু এইসব আইন-সংবিধান-রাষ্ট্র-সরকার দ্বারা যত্রতত্র নির্যাতিত নিপিড়ীত হচ্ছে, পাচ্ছিনা ন্যায় বিচার, যাও একটু আধটু বিচার হয়, তাও বাংলাদেশের দায়লু রাষ্ট্রপতিরা তাদের রাজনৈতিক বিবেচনায় নস্যাৎ করদেন। এবং রাষ্ট্রপতির এই সিধান্তের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে প্রতিবাদের ভাষাকেও রুদ্ধে করে দায়ে। আমরা আসলে কি করবো? কি ভাবে করবো! এইরকম একটি রাষ্ট্রই কি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিলো?

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নগরবালক
নগরবালক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 1 দিন ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - 11:50পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর