নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সেনারা ধর্ষক? নাকি উপজাতিরা অকৃতজ্ঞ!


সাম্প্রতিক ফেসবুক, ব্লগ, স্যোসাল মিডিয়া, সুশীলসমাজ, মুক্তমনা, প্রগতিশীল, উপজাতি তথা আদিবাসি (?) ফোরামের বিভিন্ন আলোচনায় একটা "কমন সংলাপ" হচ্ছে, পাহাড়ে আমাদের সেনারা প্রায়ই ধর্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ। উপজাতি (তাদের ভাষাতে আদিবাসি) যুবতিদের তারা প্রায়ই ধর্ষণ করছে। এবং বাঙালি সেনা ও "সেটেলার" বাঙালি কর্তৃক উপজাতি নারীদের প্রতি এ জঘন্য অত্যাচারের কথা দেশেের নানাবিধ আলোচনা, টকশো, স্যোসাল মিডিয়া জগৎ এবং বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংগঠনেও প্রায়ই আলোচনা হতে দেখা যায়। কেবল উপজাতি নয়, ঢাকা শহরে খোদ অনেক "বাঙালি সংগঠন", বাঙালি সুশীল, বাঙালি বুদ্ধিজীবি, বাঙালি মুক্তমনা গং বাংলাদেশি সেনা ও বাঙালি সেটেলার কর্তৃক এভাবে তাদের ভাষাতে "আদিবাসি" নিধনের বিরুদ্ধে মারাত্মক সোচ্চার! যতটা না সচেতন কিংবা সোচ্চার তারা বাঙালি যাযাবর শ্রেণিভুক্ত জলেভাসা ভূমিহীন, শিক্ষাহীন, স্বাস্থ্য সুবিধাহীন তথা অধিকারহীন বেদে, জলদাস, হরিজন সম্প্রদায়ের অধিকারের ব্যাপারে! কিন্তু সত্যি কি আমাদের সেনারা আসলেই ধর্ষক? পাহাড়ে সত্যি কি বাঙালি সেনারা বৈরি আচরণ করছে আমাদের উপজাতিদের প্রতি? চলুন একটু গভীরে যাই বিষয়টার সত্যতা যাচাইয়ে!
:
ঘটনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, আমাদের সেনারা কেবল বাংলাদেশের ৩-পাহাড়েই তাদের দায়িত্ব পালন করছেনা। তারা কক্সবাজারে ১১-লাখ রোহিঙ্গা শিবিরে, রানাপ্লাজা বা এ শ্রেণির মারাত্মক সব জাতীয় দুর্যোগে, ৩-পার্বত্য জেলাতে পাহাড় ধসে বন্ধ সড়ক পুননির্মাণে, পাহাড়ের ৩-জেলাতে স্বাস্থ্য শিক্ষা উন্নয়নে, সাজেক সড়ক _+ ভ্যালি নির্মাণে, পাসপোর্ট অফিসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে, এমনকি হাতির ঝিল বা পদ্মা ব্রিজের মত কাজে তারা যখন জড়িত হন, তখন সত্যি এ বিশৃঙ্খলার দেশে কিছুটা চমৎকারিত্ব দেখি আমরা! তাহলে এ সেনারা কি সত্যি ধর্ষক! কেউ ধর্ষক বা অত্যাচারি হলে সে কি কেবল উপজাতি নারীকে ধর্ষণ করবে? নাকি যে কোন নারীকে সুযোগ পেলেই সে কি ধর্ষক হবে না?
:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনি, ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা অপারেশনের অংশ হিসাবে একাধিক দেশে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে। ১৯৮৮ সালে সর্বপ্রথম দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে। একটি হল যুদ্ধাক্রান্ত ইরাক UNIIMOG এবং নামিবিয়া UNTAG নামে। উপসাগরীয় যুদ্ধ্বের সময় UNIKOM যান্ত্রিক পদাতিকবর্গ বাহিনির অংশ হিসাবে কুয়েত এবং সৌদি আরবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনির ২,১৯৩ জনকে পাঠানো হয়েছিলো। তারপর থেকে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনি UNPKO এর অংশ হিসেবে প্রায় পচিঁশটি দেশে ত্রিশটিরও বেশি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে নিয়মিত। যে সকল দেশের মিশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে এর মধ্যে রয়েছে : নামিবিয়া, কাম্বোডিয়া, সোমালিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়া, লাইবেরিয়া, হাইতি, তাজিকিস্তান, পশ্চিম সাহারা, সিয়েরা লিয়ন, কসোভো, জর্জিয়া, পূর্ব তিমুর, কঙ্গো, আইভরি ডি ইভয়ার, ইথিওপিয়া, আফগানিস্তান, এ্যাঙ্গোলা, বসনিয়া, বুরুন্ডি, ক্রোয়েসিয়া, ইরিত্রিয়া, কসভো, ইরাক, ইরান, কুয়েত, মেসিডোনিয়া, মোজাম্বিক, সুদান, সাউথ সুদান, পশ্চিম সাহারা, কার ও চাঁদ, দারফুর, লেবানন, সেট্রাল আফ্রিকা, নাইরোবি, সিরিয়া, মালি, আফ্রিকান ইউনিয়ন ও সাইপ্রাসে!
:
প্রায় ৩০-বছর থেকে এ দেশগুলোতে ১,৫৬,৪০৯ জন বাংলাদেশি সেনা কাজ করেছে এবং এখনো করছে অত্যন্ত সুনামের সাথে। নানাবিধ গৃহযুদ্ধে জর্জরিত আফ্রিকার দেশগুলোতে আমাদের সেনারা গ্রামে সাধারণ মানুষের সাথে মিলে-মিশে তাদের খাদ্য, পাণীয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের মত কাজ করছে। কিন্তু ৩০-বছরে একটা ঘটনার কথাও শোনা যায়নি যে, বাংলাদেশের সেনারা ৪৩-টা দেশে কর্মরত তাদের মিশনে অন্তত একটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তা ছাড়া ১১-লাখ রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে কাজ করেছে আমাদের সেনারা। সেখানে ক্যাম্পে ঢোকানের আগে অনেক রোহিঙ্গা নারী, যুবতি স্কুলে, রাস্তাঘাটে, পথে, গাছতলাতে তথা যেখানে সেখানে ছিল বেশ কদিন। যার দায়িত্বে ছিল মূলত আমাদের সেনারা। কিন্তু একটা ধর্ষণের ঘটনা কি ঘটেছে বাংলাদেশি সেনা কর্তৃক কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের মাঝে? বাংলাদেশের ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪০৯-জন শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের ৫৪টি পিস কিপিং মিশনে অংশ নিয়েছে কোন রূপ ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ বা হত্যার বদমান ছাড়াই!
:
আমাদের সেনারা বিশ্বের ৪৩-টা দেশের মিশনে গিয়ে কেবল ওখানের মানুষের সেবাই করেনি। সিয়েরা লিওনের মত দেশে আমাদের সেনাদের কর্মকান্ডে ওখানের মানুষরা এতোই খুশি যে, তারা তাদের দেশের ২য় ভাষা হিসেবে "বাংলা"কে গ্রহণ করেছে। "আমার সোনা বাংলা" গান গাইছে ওখানের সাধারণ যুবক যুবতিরা বাংলাদেশি সেনাদের সাথে সুরে সুর মিলিয়ে। কেবল সেবাই নয়, ঐসব দেশে কাজ করতে গিয়ে শহীদ হয়েছে আমাদের ১১৫ জন সেনা সদস্য, ৩ জন নৌবাহিনির অফিসার, ৪ জন বিমানবাহিনির অফিসার এবং ২০ জন পুলিশ সদস্য। এবং সেবা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন ২২৩ জন বাঙালি। এমনকি গত দুদিন আগেও মধ্য আফ্রিকাতে সড়ক নিরাপদ রাখতে গিয়ে আমাদের দুজন সেনা সদস্য মারা গেছেন। এখনো বিশ্বের ১১টা দেশে আমাদের ৭,০৭৫ জন সেনা সদস্য কর্মরত কঙ্গো, মালি, দক্ষিণ সুদান, কার, দারফুর, হাইতি, লেবানন, পশ্চিম সাহারা, সাইপ্রাস ও লাইবেরিয়াতে। বিশ্বের সকল সেনাদের থেকে আমাদের সেনাদের মর্যাদা ওসব দেশে বেশ উুঁচতে। এমনকি জাতিসংঘ কেবল সুনাম আর নৈতিকতার জন্য অগ্রাধিকার দেন বাংলাদেশ সেনাদের নিয়োগে।
:
তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় জাতিসংঘে যদি সুনাম থাকে বাংলাদেশ সেনাদের, ৪৩ দেশে যদি ধর্ষণের কোন ঘটনা না ঘটে, ঘরবাড়িহীন অসহায় ১১-লাখ রোহিঙ্গাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে যদি কোন রোহিঙ্গা নারী ধর্ষণের শিকার না হয়, তাহলে পাহাড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী উপজাতিরা সত্যি কি আমাদের সেনা কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হচ্ছে? নাকি এটা বিশেষ কোন মহলের প্রপাগান্ডা নিজেদের স্বার্থে? এখানেই মূল প্রশ্নটা। নিজের বিবেক, প্রজ্ঞা আর যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণের দাবি রাখে, প্রকৃত সত্যটা কি হতে পারে!
:
চাকমা, মারমাসহ কয়েকটি অগ্রসর উপজাতি বাংলাদেশের জন্ম থেকেই চায় আলাদা ক্ষমতা, আলাদা স্বাধীনতা। এমনকি চাকমারা আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল সরাসরি ১৯৭১ সনে। ১৯৭২ পর্যন্ত তারা চাকমা রাজবাড়ি ও চাকমা প্রধান এলাকাতে পাকিস্তানি পতাকা টানিয়ে রাখে। বাংলাদেশকে কখনো তারা নিজ দেশ মনে করেনি মনেপ্রাণে! নদীভাঙনে অসহায় বাঙালিদের পুনর্বাসনের অনেক আগে থেকেই সেখানে চাকমা উগ্র সন্ত্রাসিরা শান্তিবাহিনি প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশ ও বাঙালি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। বর্তমান সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে অনেক ছাড় দিয়ে "শান্তিচুক্তি" করার পরও, তাদের ৩ সংগঠন তা মানেনি এখনো মানছে না। বর্তমানে তাদের ৪-পাহাড়ি সংগঠনের কাজ হচ্ছে মূলত চাদাঁবাজি, প্রতিপক্ষকে খুন করা ও বাংলাদেশ আর বাঙালির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা। বাঙালি নাগরিকদের পাহাড় থেকে উচ্ছেদ ও সেনাদের বিতাড়ন করা তাদের পরিকল্পনার অন্যতম অনুসঙ্গ। যে কারণে সব সময় তারা আমাদের সেনাদের নামে মিথ্যা প্রচারণা ও ফেসবুকে তা ভাইরাল করতে থাকে। যাতে তাদের পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠিত হয়, সাধারণ সহজ সরল উপজাতিরা ঘৃণা করে বাঙালিদের। "উপজাতি" কথা বাদ দিয়ে তারা এখন নিজেদের 'আদিবাসি" হিসেবে প্রচার করতে সারাক্ষণ সোচ্চার। অথচ তারা ২০০-৩০০ বছর আগে বার্মা থেকে আগত রোহিঙ্গা টাইপের উদ্বাস্তু ছিল। যেমন রোহিঙ্গারা উদ্বাস্তু এখন আমাদের দেশে! তাহলে ১০০ বছর এদেশে বসবাস করলে রোহিঙ্গাদের কি আদিবাসি স্বীকৃতি দিতে হবে বাংলাদেশের?
:
এ বিষয়টা বাঙালি বুদ্ধিজীবি, সুশীল, মুক্তমনা, চিন্তাশীল ব্যক্তিগণ এবং নিরীহ উপজাতি ভাইবোনেরা যেদিন বুঝবে, সেদিন সত্যিকার শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে পাহাড়ে। বাঙালি হিসেবে আমি মনে করি, এ বাংলাদেশটা বাঙালি, উপজাতি, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ খৃস্টান সবার। এ দেশে কারো বেশি বা কম অধিকার থাকা উচিত নয়। সুতরাং সমতলে এবং পাহাড়ে যেদিন বাঙালি, উপজাতি, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ খৃস্টান সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে পারবে, সেদিন সত্যিকার শান্তির দেশ হবে বাংলাদেশ। কিন্তু এ শান্তি বা মিলেমিশে থাকার বিপক্ষে কারা? বাংলাদেশের এক শ্রেণির জঙ্গী ধর্মান্ধ এবং চাকমা, মারমাসহ পাহাড়ের ৪টা উগ্র উপজাতি সংগঠন বাঙালি, উপজাতি, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ খৃস্টান সবাই মিলেমিশে থাকার বিপক্ষে কাজ করছে। তাই সুন্দর শান্তিময় বাংলাদেশের জন্য সমতলের ধর্মান্ধ মুসলিম জঙ্গী ও পাহাড়ের উপজাতি উগ্র চাঁদাবাজ জঙ্গীদের দমন করতে হবে এক সাথে। আর ফিরিয়ে আনতে হবে আমাদের দক্ষ, নৈতিকতায় উচ্চ মননশীল সেনাদের মর্যাদা! কারণ কক্সবাজারে কিংবা ৪৩-টা দেশে কর্মরত আমাদের সেনারা ধর্ষক, এমন কথা কেউ বলেনি, কেবল পাবর্ত্য অঞ্চলের চাকমা-মারমা উগ্রবাাদি লোকজন ছাড়া। যে এলাকাটায় মূলত উপজাতি ৪-সংগঠন তাদের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি হচ্ছে সেখানের প্রাত্যহিক ঘটনা। তারাই চাইছে, মিথ্যা কলঙ্কের বোঝা মাথায় নিয়ে পাহাড় থেকে চলে যাক আমাদের বীরত্বে গাঁথা ও জাতিসংঘ কর্তৃক নৈতিকতার সনদপ্রাপ্ত "বাঙালি সেনারা"! আর নিজেরা কায়েম করুক পাহাড়ে এক "মগের মুল্লুক"!

Comments

নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

তনুকে জামাত-বিএনপি ধর্ষণ করে হত্যা করছে তাহলে? সেনাবাহিনী একাজ করে নাই। জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সেনারা ধর্ষণে জড়িত থাকার অভিযোগটি কি আপনি দেখেন নাই? মন্ত্রীপরিষদ সভাতেও এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। আপনি যেভাবে জাতিগত বিদ্বেষ উগড়ে দিচ্ছে আদিবাসী পাহাড়ী মানুষদের বিরুদ্ধে, ভাবাই যায় না!

 
মাহের ইসলাম এর ছবি
 

অসাধারণ লিখেছেন, শেয়ার না করে পারলাম না।

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর