নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আবীর নীল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

ও আচ্ছা! তাহলে যুদ্ধটা মাদকের বিরুদ্ধে?


২৯ এপ্রিলের একটা খবর ফেইসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছিলো “জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নাটক সাজিয়ে অস্ত্র এবং ইয়াবা হাতে ধরিয়ে গ্রেপ্তার করা হলো চট্রগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ কঞ্জুরী গ্রামের প্রবীণ বৃদ্ধ এডভোকেট সমর চৌধুরীকে। উনার স্ত্রী স্বপ্না চৌধুরী জানিয়েছেন একজন প্রভাবশালী নেতার ইন্ধনে সমর চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে”

০১.
ফিলিফাইনের আঙ্গিক আচম্বিত (হঠাৎ) করেই বাংলাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। যাক সু-সংবাদ মাদক বন্ধে সরকার যে অবশেষে সচেতন ভূমিকা পালন করছে, তা প্রসংশার দাবি রাখে। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কিন্তু যেনতেন কথা নয়, কাঁচা টাকার বিশাল হিসাব আবর্তিত হয় এই মাদককে ঘিরে, বর্তমান সরকারের জিডিপিযে বাড়তেছে, তার পিছনে কিন্তু এই মাদকের লেনদেনও বেশ বড় একটা ভূমিকা পালন করছে। যাক সরকার এখন জিডিপি নিয়ে ব্যস্ত না, তারা মাদক নির্মূল করবেন বলে বদ্ধ পরিকর, তাই প্রতিদিন ৪/৫টা করে বন্দুকযুদ্ধ হচ্ছেই, আর মানুষ মরছে। অবশ্য আমাদের এইসব নিয়ে কিচ্ছু বলার নেই, আমরা নাতো মাদক খাই, নাতো এর ব্যবসা করি। খাওয়ার মধ্যে ওই সিগারেট, আর কোনো অকেশনে মাঝে মধ্যে মদ চলে আরকি। তাই কাকে র‍্যাব মারলো, কাকে গ্রেফতার করলো, তা দিয়ে আমাদের বিশেষ কিছু আসে যায় না। কি তাই না পাঠক?

সত্যি! আসলে কিছুই আসে যায় না? থাক সেই প্রশ্নে পরেই যাই। প্রথমে যে ঘটনাটি বলছিলাম উল্লেখিত একিউজড নিজেই আওয়ামী লীঘের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত, তারপরও তার পরিবারের ভাষ্যমতে ব্যক্তিগত সমস্যার কারনে, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। যদিও আমি অপরাধী বিশেষজ্ঞ নই, তাও তার অস্ত্রধরার ধরণ দেখে না হেসে পারলাম না, একজন আইনজীবির কি এমন দায় পড়েছে এতো বড় একটা শর্টগান নিয়ে রাখার জন্য? ইয়াবা উনি খেলেও খেতে পারেন যাক তা আমার বিষয় না। কিন্তু বিষয় হচ্ছে এখানে কিছু একটা হচ্ছে যা আসলে শুধু মাত্র মাদক ব্যবসা নির্মূল নয়, ব্যক্তিগত শত্রুতা উদ্ধার করার জন্যও হচ্ছে।

০২.
২৭ মে তে যখন কারনবাজার বস্তি থেকে ৬০উর্দ্ধ একজন বৃদ্ধাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো, প্রথম আলোতে খবর বের হয়েছে, ওই বৃদ্ধা নাকি বলছিলনে “স্যার আপনার কথামতো সবাই চলে গেছে, আমিও এখনই চলে যাইতাম, আমারে কেন একলা ধরে নিয়ে যাচ্ছে, ব্যবসা কি খালি একলা আমি করতাম”। এখন প্রশ্ন হলো এই স্যার কারা? তারা আসলে কোথায় যাচ্ছেন? এইযে বাংলাদেশের বলা হচ্ছে বাংলাদেশে বর্তমানে ৭০-৮০লাখ মানুষ ইয়াবা আসক্ত। এই আসক্তি কি দু-তিন মাসে হয়েছে? কিভাবে এতো ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়লো এই আসক্তি। আরেকটা বিষয় ভাবুন, আসক্ত হলো ৭০/৮০ লাখ, কিন্তু আসক্ত না এমন সংখ্যাটা নির্ঘাৎ অনেক বড়ো। এই বড় সংখ্যাক মানুষের চাহিদা এতো দিন কিভাবে মিটছিলো, আইন আছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছে, বন্দুকযুদ্ধের জন্য র‍্যাব আছে, তারপর ও এতো ব্যাপক আকারে কি করছে ছড়িয়ে পড়লো দেশে মাদকের ব্যবহার?

বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, বর্তমানে ঢাকার উত্তরা এবং ধানমন্ডী এলাকার অধিকাংশ তরুন ও কিশোর বয়সী ছাত্র-ছাত্র এই ইয়াবায় অভ্যস্ত, আমি আসক্ত বলবো না, আসক্তি অন্য পর্যায়ের কিন্তু অভ্যস্ত বলাই যায়, প্রশাষনের নাকের ডগা দিয়ে এতো দিন কিভাবে, তীব্র নিরপত্তায় ঢাকা, এই রাজধানীর ভিতরে অনায়াসে এই ইয়াবার লেনদেন হতো?

০৩.
প্রত্যেক রমজান মাস আসলেই ঈদকে ঘিরে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলোর, কোনো না কোনো ইস্যুতে বিশেষ অভিযান শুরু হয়ে যায়। যাকে আরেকটু খোলামেলা ভাষায় বললে বলা যায় গ্রেফতার বানিজ্য, গত এক সপ্তায় ঢাকার মধ্যেই শুধু আটক করা হয়েছে ৩’শর অধিক মানুষকে। আসেন একটা অংক কষি, এই তিনশের মাঝে ১০০কে যদি আমি ১০হাজার টাকার বিনিময়ে থানা থেকে ছেড়ে দেই, তাহলে ১০০x১০,০০০ দশ লক্ষ টাকা আমাদের জনগনবন্ধু পুলিশের আয় হবে। আর বাকি ২’শর হিসাবে আমি যাবো না, পরে আদালতের নামে বাজে কথা বলার অপরাধে আমার না নিজেই জেলহাজত ঘুরে আসতে হয়। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা অনেক স্বাধীন কিনা তাই থাক দুইশো। এতো বললাম শুধু ৭দিনে ঢাকার হিসাব, এই অভিযান অব্যহত থাকলে টাকার অংকটা কত হবে ভাবতে পারছেন? আর সারা বাংলাদেশে এই গ্রেফতার বানিজ্যের চিত্র কতটা ভয়াবহ ভাবার সময় আছে আপনার?

কিন্তু আমাদের এইসব নিয়ে না ভাবলেও চলবে, আমরা তো মাদক সেবী না, বিক্রেতাও না। কে বললো আপনারে আপনি মাদকসেবী না? আপনিও একজন মাদকসেবী। কি অফেন্ডেট ফিল করলেন? করলে করেন আমার কিস্সু আসে যায় না, কারন আপনি মাদকসেবী নাকি মাদকব্যবসায়ী, তা আপনার চিন্তার বিষয় নয়, এই বিষয়ে সিধান্ত নিবে র‍্যাব-পুলিশ। যদি কোনো ব্যক্তিগত বড় ধরনের দ্যান-দরবার থাকে আপনার, তবে আপনাকে সরিয়ে দেয়ার জন্য লাখ পাঁচেক টাকায় রফা করে আপনাকে মাদক ব্যবসায়ি ঘোষনা করে ক্রসফায়ারে দেয়াতে এমন কোনো বেশি সময় লাগবে না। আর যদি এমন ছোটখাটো মানুষ হন, তো আপনার পকেট থেকে যে কোনো সময় চাইলেই পুলিশ ইয়াবার পোটলা বাইর করতেই পারে। আমার কথা গুলো খুউব অযৌক্তিক মনে হচ্ছে? না, অযৌক্তিক নয়, অতি যৌক্তিক, বিগত বহু বছর ধরে এমনই হচ্ছে।

০৪.
এবার তাহলে পাঠক প্রশ্ন তুলতেই পারেন, “যারা তাহলে বন্দুকযুদ্ধে মারা যাচ্ছে, তাদের সবাই নিরপরাধ”? তাহলে আমার উত্তর হবে হ্যা সবাই নিরপরাধ। কারন তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমানি হয়নি কোনো যথাযথ কোর্টে বিচারের মাধ্যে। বাংলাদেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে, আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার দিচ্ছে, বিচারের প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিত করছে, তথা জীবন-ধারণের অধিকারকে নিশ্চিত করছে। সেখানে যখন কোনো ব্যক্তির সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার গুলো ক্ষুন্ন করে তাকে বিচারবর্হিভূত ভাবে হত্যা করা হয়, তখন তাকে আপনি কিভাবে অপরাধী বলতে পারেন? মিডিয়া ট্রায়াল বলে একটা র্টাম আছে, ওই মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে একজন নিরপরাধীকেও চাইলে মুহুর্ত্বের মাঝে ঘৃণ্যতম অপরাধী বানিয়ে ফেলা সম্ভব। আর বর্তমান সরকারের মতো স্বৈরাচারী একটা সরকারকেও মানবিক সরকারের হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। তাই মিডিয়ার হুজুগে ট্রায়ালে একটা মানুষের অপরাধকে কখনোই বিচার করা যায় না।

আমি তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই, তারা মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন, তবে কিন্তু প্রশ্নে থেকে যায়, কোন প্রেক্ষাপটে যে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত হয়েছে? তার কি করণীয় আর কিস্সু ছিলো না? এমন অনেক অনেক প্রশ্ন বিবেচনায় আদালত বিচার করে, বিচার শুধু আইন দিয়ে হয় না, এখানে ইকুইটির প্রশ্ন থাকে, প্রিসিডেন্টের প্রশ্ন থাকে, ইন্টারপ্রিটিশনের প্রশ্ন থাকে। সব কিছুকে পাশ কাটিয়ে আপনি একজন মাদক ব্যবসায়ীকে মেরে তো ফেললেন, তার সংবিধানিক আধিকারকে কেড়ে তো নিলেন, কিন্তু তার উপর নির্ভরশীল মানুষ গুলোকে ছায়া শূণ্য করে দিচ্ছেন সেই বিষয়ে কখনো ভাবছেন? এই মানুষ গুলো কই যাবে? কিভাবে চলবে তাদের পরিবার? একজন মাদক ব্যবসায়ীকে হত্যা করে, তার পরিবারের আরো অন্য সদস্যকে পরিবারের প্রয়োজনে অপরাধের পথ বেছে নেয়ার রাস্তা সৃষ্টি করছেন এর মাধ্যমে। যদি এমন মিডিয়া ট্রায়াল আর বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ডই বিধান সম্মত হয়, তাহলে দরকার কি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের? বাংলাদেশ সরকার কি বিচার বিভাগের উপর এতো টুকু আস্থা রাখতে পারছেনা যে, এদের আইনের আওয়তায় নিয়ে আসলে, আদালত তাদের যথাযথ শাস্তি দিবে?

০৫
বাংলাদেশে এই এক্সট্রাজুডিশিয়াল কিলিং বা বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ডের ইতিহাস বিস্মৃত। কিন্তু আজ অব্দি কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ আমাদের বিচারবিভাগ এখন পর্যন্ত গ্রহন করে নি, বা করতে অগ্রহী নয়, বিচারকরাও মনে হয় মামলার চাপে হিমশিম খাচ্ছে, তাই এই বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ডে তারা নির্বিকার আচরণ করছে। আমি হয়তো এই বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ডও মেনে নিতাম, যদি দেখতা আক্ষরিক অর্থে মাদক নির্মূলের উদ্দেশ্যে সরকার এই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানটি পরিচালিত হচ্ছে সরকারের জন্য নির্বাচনের বছর হিসেবে, আর আইন প্রয়োগকারী সংস্থাদের জন্য ঈদের বোনাস হিসেবে।

ধরুন আমি চাইছি বাজারে রাসয়নিক ভাববে পাকনো আম আসা বন্ধ করতে, এখন সে উদ্দেশ্যে আমি যদি খুচরা আম বিক্রিতা ও ক্রেতাদের ধরে ধরে পুলিশে দেই, এবং ক্রসফারের দেই তবে কি বাজারে রাসায়নিক আম আসা বন্ধ হবে? যে খুচরা বিক্রেতা সে তার পেটের দায়ে বিক্রি করবেই, যে ক্রেতা সে তার চাহিদার জন্য কিনবেও, কিন্তু আমি যদি বাজার দেখে রাসায়নিক আমকে বিলুপ্ত করতে হয়, তবে আমার বের বরতে হবে কোথায় এই রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আম পাকানোর কাজ চলছে, কারা এর সাথে জড়িত, মুনাফালাভী কারা। এইসব না খুঁঝে যখন এইসব খুচরা বিক্রতাদের ধরে ধরে মারা হবে আর ক্রেতাদের গ্রেফতার করা হবে। তখন কিন্তু প্রশ্ন আসেই যে আসলে উদ্দেশ্য কি? রাসায়নিক আম বন্ধ করা নাকি অন্য কিছু?

০৬.
অন্য আর কি হবে, বেশি হলে, জনগনকে দেখানোর জন্য সরকার এমন অভিযান পরিচালনা করতে পারে, তাই না? জ্বি না, তাই মোটেই না। যারা মাদক ব্যবসায়ী, তারা কিন্তু একই সাথে অস্ত্রব্যবসায়ী ও, এমন কি হিম্যান ট্রাফিকিং ও তাদের হাত ধরেই হয়। নির্বাচনের বছরকে সামনে রেখে আমাদের সরকার সাধারণ সন্ত্রাসীদের হাতে অস্ত্ররাখতে চায় না, কারন কখন তারা বিট্রে করে বসে বলা যায় না, এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কাঁধে ভর করেই সরকার ইলেশন করতে চাইছে। পাশাপাশি, অনেক বছর ধরে যারা এই মাদকের ডিলারশীপ নিয়ে বসে ব্যবসা করছে, তাদের স্ব-স্ব এলাকায় শিকড় গজিয়ে গেছে, ফলে মাদকের প্রধান যোগান দাতারা অনেকটা ডিলারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন, ডিলারদের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে। এমন শিকড় গজানো মানুষ গুলোকে মেরে, এমন অস্ত্রকারবারী গুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে, নতুন করে আবার গড় তোলার দিকেই হয়তো মাদক ব্যবসা এগিয়ে যাচ্ছে।

কারন সমস্যা মূলে হাত না দিয়ে শুধুমাত্র সমস্যা থেকে উৎপন্ন প্রতিক্রিয়াতে সামাধন করলে কোনো লাভ নেই এটা সকল বিবেকবান মানুষই জানে। তারপর ও যখন এই মাদক নিমূলের নামে, মাদকের মূল হোতাদের সাথে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সরকার যুদ্ধে যায়, তখন এটা আর বলার অবকাশ রাখে না যে এটা অভিযান শুধুই একটা আই-ওয়াশ, মানুষের সামনে সরকারি পোষা-মিডিয়াগুলো দ্বারা এবং তথাকথিত অভিযানের নাটক করে, আক্ষরিক অর্থে অন্য কোনো উদ্দেশ্য-ই হাসিল করছে। এবং সেটা আর যাই হোক মাদক নিমূর্ল নয়।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নগরবালক
নগরবালক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 1 দিন ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - 11:50পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর