নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

ওটাগো কোস্টের "কাওকোহি" বিচে প্রাপ্ত বোতল কাহিনি : পর্ব-৫ নেফারপ্রীতির ঢাকার হকার ও চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণ পর্ব


শাহবাগ মোড়ে বাস থেকে নেমে একটা CNG-চালিত অটোতে উঠতে চাইলাম আমরা দুজনে মানে আমি আর যাদুকন্যা নেফারপ্রীতি!
দাঁড়িওয়ালা ড্রাইভার বললো, কই যাইবেন?
-গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া !
-২০০-টাকার কমে যামুনা গুলিস্তান। দৃঢ়তায় বললো চালক!
-মিটার আছেনা? মিটারে যাবেন না কেন ভাই?
-আপনার কথাতে মিটারে চললে হইবো আমাদের? চাঁদাবাজি, পুলিশ, রাস্তায় খরচ আছে ডেইলি ৮০০ টাকা। তাই প্যাসেঞ্জারের কথাতে চলিনা আমরা। ২০০-টাকাতে না যাইলে রাস্তা মাপেন! টাইম নষ্ট কইরেন না আমার। প্যাসেঞ্জারের অভাব নাই ঢাকায়!
পাশে ওয়াটকি হাতে পুলিশের কাছে গিয়ে বললাম, "অফিসার! এ সিএনজি মিটারে যেতে চাইছে না। কিছু কি হেল্প করবেন"?
"ওটা আমার কাজ না। মামলা দিন তার নামে কোর্টে গিয়া! অভিযোগ করুন থানায়" - বললো ট্রাফিক অফিসার!
বললাম,"আপনি এদের কাগজপত্র, লাইসেন্স চেক করতে পারেন, এরা বেআইনি কাজ করলে তা দেখবেন না"?
কথার জবাব না দিয়ে মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে হাঁটা শুরু করলো ট্রাফিক সার্জেন্ট!
চেয়ে দেখছি অদৃশ্য নেফারপ্রীতি টেনে ধরছে তাকে। শক্ত হাতে ঘাড়ে হাত দিয়ে তাকে টেনে নিয়ে আসছে একদম সিএনজির কাছে।
এবার পুতুলের মত সে চালককে বললো, "তোর মিটার ট্যাম্পারিং কেন রে বদমাশ"?
চালক চোখ বড়বড় করে বললো, "কি কন ওস্তাদ? একটু আগে ৩০০ টাকা নিয়া গেল আবুল মেয়া আপনার লাইগা। মাসিক চাঁদা দেই সমিতিতে রেগুলার। সবতো আপনারা জানেন। তারপরো মিটারের কথা কইছেন ক্যান"?
"আগে ক মিটার ট্যাম্পারিং কেন করছিস"? চোখ রাঙিয়ে ওর লাইসেন্স চায় সারজেন্ট।
চালক মোবাইল লাগায় এবার সিএনজি মালিককে। বলে "স্যার, শাহবাগ মোড়ে ঠোলা আল-আমিন সার্জেন্ট গাড়ি আটকাইছে আমার। এই মাসের চান্দা কি দেন নাই? নেন কথা কন তার লগে"!
চালক মোবাইল তুলে দেয় ট্রাফিক সার্জেন্টের হাতে। বলে - "ওস্তাদ কথা কন স্যারের লগে"!
:
কোন কথাতে কাজ হয়না ফোনে। রাগে ফোন ছুঁড়ে ফেলে রাস্তায় সার্জেন্ট। ফোন মাথায় লাগে অপর সাইডে দাঁড়ানো লোকাল বাস ড্রাইভার টাল্টু মেয়ার কপালে। রাগে টাল্টু গজগজ করে আর বলে, কোন হালায় মোবাইল মারলো রে! আইজ দিনডাই খারাপ!
এবার একজোট হয়ে ৭/৮ সিএনজি চালক আক্রমন করে সার্জেন্টকে। বলে - "হালারপো হালা, আমাগে থাইকা মাসে মাসে টেকা খাবি, আবার আইবি মিটার চেক করতে, কাগজ দেখতে? এত বড় সাহস পাইলি কই? তোর বাবাগোরে মাসে মাসে টাকা দেইনা গাড়ি চালাইতে? মাগনা চালাইরে হালার পুত"?

অন্য ৪-ট্রাফিক পুলিশ সাহায্য করতে আসে তাদের ধোলাইরত অফিসারকে। তাদেরও ধোলাই দেয় চালকরা একজোট হয়ে। ঐ পথে মোবাইল কোর্টের গাড়ি যাচ্ছিল গুলিস্তানের দিকে। মারামারি দেখে তাদের গাড়িবহর থামলো শাহবাগ "বার্ডেম" মোড়ে! লাইসেন্সহীন ৮-ড্রাইভারকে আটক করে তারা তুলে দিল শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে। রক্তাক্ত সার্জেন্টকে পাঠালো বঙ্গবন্ধু হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। ওদের ভ্রাম্যমান কোর্টের সামনেই একটা সিএনজি এসে দাঁড়ালে বললাম, "মিটারে যেতে চাই এ সিএনজিটাতে, একটু বলে দেবেন"?
ম্যাজিট্রেট বললেন, "আপনি কথা বলুন, দেখি কি বলে? না গেলে জেল জরিমানা করবো ওর! গাড়ি আটকে ডাম্পিংয়ে পাঠাবো"!
অবস্থা বেগতিক দেখে ইয়াং হুজুর ড্রাইভার হেসে বললো, "স্যার মিটারে চলি আমি। হারাম খাইনা রোজার দিনে। কই যাইবেন ওঠেন। মিটারে যা ভাড়া হয়, তাই দেবেন! সাচ্চা মোছলমান আমি"!
:
আমি নিজে আর হিজাবে মুখঢাকা নেফারপ্রীতিকে নিয়ে গুলিস্তান পৌঁছুলে মাত্র ২৮-টাকা ভাড়া উঠলো CNG চালিত অটোতে। গুণে গুণে পকেট থেকে খুচরো ২৮-টাকা গুণে দিলে, ড্রাইভার কালবোশেখি মেঘের মত মুখ কাল কইরা কইলো, "আইজ ফান্দে ফালাইয়া মিটারে ২৮-টাকা দিয়া ঠগাইলেন মেয়া ভাই! ২০০-টাকার কমে আইতাম না কুনুদিন! কেয়ামতের দিন এ ট্যাকা আদায় করুম আল্লাহর নিকট ক্লেম কইরা! মনে রাইখেন, রোজা মুখে কইলাম"! নেক মুমিন বান্দার ভাড়া সংক্রান্ত এক এমন ফতোয়াতে মনে মনে হাসি আর বলি, তোরেও নেফারপ্রীতিকে দিয়া চটকানি দেয়া দরকার। কিন্তু আপাতত ২৮-টাকাতেই শেষ করি তার শাস্তি!
:
গুলিস্তান মোড়ে বাস, ঠেলা, রিক্সা, পথচারী, ফেরিওয়ালারা যে যেভাবে পারছে ফ্রি স্টাইলে চলছে। এমন স্টাইল দেখে নেফারপ্রীতি বললো,
এখানে একটু এ্যাকশনে যাই?
বললাম, পারবে এটা নিয়ন্ত্রণ করতে? বড়ই জটিল গুলিস্তান!
দেখি চেষ্টা করে। বলে শুকনো মুখে হাসলো নেফারপ্রীতি!
গুলিস্তান বাদিকে যাওয়ার পুরো রাস্তাটা হকাররা দখল করে রেখেছে, তাই কোন গাড়ি যাওয়া অসম্ভব দেখে, নেফারপ্রীতি রূপান্তরিত হলো এবার একটা বড় শিংযুক্ত কালো ষাঁড়ে। গোঁৎ গোঁৎ করে সে সব হকারদের গুঁতোতে থাকলো ক্রমাগত। মালপত্র ফেলে এদিক সেদিন দৌঁড়াতে থাকলো রাস্তা দখলে রাখা হকাররা। কিন্তু ক্ষ্যাপা ষাঁড় তার শিং দিয়ে সবার মালপত্রের টুকরি নিক্ষেপ করলো যার যার মাথায়। পুরো সড়ককে একদম ক্লিয়ার করলো নেফারপ্রীতি ষাঁড় ক-মিনিটেই! মোবাইলে সংবাদ পেয়ে লাঠি, বড় বাঁশ আর মোটা রশি নিয়ে ১০-চাঁদাবাজ এলো ষাঁড়কে কাবু করতে, যারা মূলত এ হকারদের থেকে চাঁদা খায় নিয়মিত। ওরা রাজনৈতিক গডফাদার গুলিস্তানের। বাঁশ দিয়ে আটকে ষাঁড়ের শিংয়ে রশিটা লাগাতে চেষ্টা করছিল দক্ষ ওরা। ৩/৪-বার আঘাত করলো ষাঁড়ের শরীরে লম্বা বাঁশ দিয়ে। ঠিক কি করবো আমি বুঝতে পারছিলাম না এ অসম যুদ্ধে! আমি কি নেফারপ্রীতিকে রক্ষা করার চেষ্টা করবো ওদের থেকে? ওরা কি কাবু করে ফেলবে মানসসুন্দরী নেফারপ্রীতিকে! এ সন্ত্রাসিরা কি মেরে ফেলবে ষাঁড়রূপি নেফারপ্রীতিকে!
:
৩/৪ বারের চেষ্টাতে ওরা রশি ঢুকিয়ে দিলো কৌশলে ষাঁড়ের ২-শিংয়ে। মাস্তান, হকার আর পথচারীরা সম্মিলিতভাবে তা টেনে ষাঁড়কে কাবু করে প্রায় শুইয়ে দিলো একদম সড়কের শক্ত মাটিতে।
কে একজন বললো, "রাম দা-টা নিয়ে আয়। জবাহ করে ফেলি এ জংলি বলদ-টারে! অনেকদিন ষাঁড়ের গোস্তো খাইনা"!
এবার সত্যি ভয় পেয়ে গেলাম আমি। এ চরম সময়ে দেরি না করে সবার উপর দিয়ে লাফ দিয়ে আমি দৌঁড়ে গেলাম একদম ওর শিং বরাবর। প্রচন্ড শক্তি দিয়ে একটানে খুলে ফেললাম ওর শিংয়ের রশি।
মুক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ালো নেফারপ্রীতি এক ঝঁটকায় এবার। আমাকে বললো, কুইক উঠে পড়ো তুমি আমার পিঠে।
শিংয়ের এক ঝটিকা তাড়নায় আমাকে তুলে ফেললো একদম পিঠে তার। প্রচন্ড রোষে সে এক লাফে উড়ন্ত পাখির মত উঠে পড়লো একদম গুলিস্তান বরাবর হানিফ ফ্লাইওয়ারে। সামনে পথ আটকে দাঁড়ালো বিটুমিনবাহী এক চলন্ত ট্রাকের। ভয় পেয়ে ছিটকে পড়লাম ট্রাকের পাশে আমি। একে একে সব বিটুমিনের ড্রাম শিংয়ের গুতোয় ফুটো করলো সে। ফ্লাইওভারের দুদিক দিয়ে নিচে গলিত বিটুমিন পড়তে থাকলো আগ্নেয়গিরির লাভার মত। চাঁদাবাজ ১০-মাস্তান আর সব হকাররা তরল বিটুমিনে সাঁতরাতে থাকলো একটু পরেই তাদের বাঁশ, রশি আর হকারের মালপত্র নিয়ে! মনে হলো, ওরা সবাই জাহান্নামিদের মত আলকাতার জামাকাপড় পরে সাঁতরাচ্ছে কালো এক আলকাতরার নদীতে! হাঁটার শক্তি রহিত হলো ওদের সকলের।
:
এবার সত্যিকার ভয়ে আতঙ্কিত হলাম আমি। ভীতকণ্ঠে বললাম, "নেফারপ্রীতি আমার গাড়ি রেখে এসেছি ফার্মগেটে। তুমি কি শেখানে কোনভাবে নিয়ে যেতে পারো আমাকে এসব মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে? না হলে এখানে তোমার আর আমার বিপদ হতে পারে মারাত্মক! মারা পড়তে পারি তুমি আর আমি"!
ষাঁড় নেফারপ্রীতি চোখের পলকে রূপান্তরিত হলো পাখাযুক্ত স্বাপ্নিক পরীতে। যে পরী কৈশোরে অনেকবার এসেছিল আমার গাঁয়ে, আমার কাছে, আমার বিছানায় রাতে অনেকবার। একদম সেই মুখ, সেই অবয়ব, সেই চেহারা। বিটুমিন ট্রাক ড্রাইভার এসব দৃশ্য দেখে হুশ রহিত হয়ে পড়ে গেল তার ট্রাকের সিটে!
এবার আমায় পাখায় তুলে স্বপ্নকন্যা পরীরূপি নেফারপ্রীতি উড়তে থাকলো ঢাকার আকাশে। অনেক ওপরে উঠে গেল নেফারপ্রীতি ভয়ঙ্কর তীর্যকভাবে, যেন কেউ দেখতে না পায় আমাদের। একদম মেঘের আড়ালে চলে গেলাম আমরা কয়েক সেকেন্ডে। পেজা তুলোর মত সাদা মেঘকুয়াশায় ভিজে গেল আমার শরীর! ভিজে গেল নেফারপ্রীতি!
:
অনেক ওপরে ওঠার কারণে এয়ারপোর্ট রোডে নিকুঞ্জের দিকে চলে এলে আমিরাতের বড় জ্যাম্বোজেট উড়ে আসতে দেখলাম আমাদের দিকে। যা এয়ারপোর্ট থেকে টেকঅফ করেছে, এখন হয়তো ঘুরবে দুবাইর দিকে।
ভয় পেয়ে নেফারপ্রীতিকে বললাম, ওটা কি আসছে তা কি জানো তুমি?
নেফারপ্রীতি বললো, বড় আকৃতির "আকাশ গাড়ি" ওটা তাইনা?
বললাম, বলতে পারো আকাশ গাড়ি ! তবে এর গতি প্রচন্ড। আর পুচ্ছে মারাত্মক আগুনের তীব্রতা। তুমি ধারে-কাছে গেলে, ওর পাখার তাড়নায় টেনে নেবে তোমাকে তার দিকে। ছিন্নভিন্ন হবে তুমি এবং আমি। সুতরাং ওর থেকে দূরে থাকো তুমি! যতটা পারো নিরাপদ দূরত্বে!
নেফারপ্রীতি ডান দিকে ঘুরে সরে গেল আলতো করে। যেন কোন অযান্ত্রিক গ্লাইডার সে! নিচে চোখে পড়লো রূপগঞ্জের শীতলক্ষা নদী যার ওপর কাঞ্চন ব্রিজ ঝুলছে! সম্ভবত ঢাকাকে ফেলে এসেছি আমরা বাদিকে!
:
অনেক ওপর দিয়ে উড়ছে নেফারপ্রীতি আমাকে নিয়ে। ওপরের তাপমাত্রা কম থাকাতে খুব ঠান্ডা লাগছে আমার। বললাম, নামবে কখন? খুব ঠান্ডা লাগছে আমার! মেঘরাজ্যে হাসছে মেঘকন্যা। বললো, আর নামবো না, তোমাকে নিয়ে চলে যাবো মিসরে! দেখে আসবো আমার বোন নেফারতিতির বুকফাঁড়া মমি। তার সাথে কথা বলবো আমি তোমার সামনেই।
বললাম, সে তো মৃত। তো কিভাবে কথা বলবে তুমি তার সাথে?
দেবকন্যারা তার মৃত স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারে বিশেষ ব্যবস্থায়। আমিও বলতে পারবো কিন্তু যেতে হবে আমার পুরণো মাতৃভূমিতে। জন্মমাটিতে পা রাখতে পারলে সম্পর্ক সৃষ্টি হবে আমার সাথে আমার মৃত স্বজনদের আত্মার! যোগাযোগ হবে তাদের সাথে আমার। আমি জানতে চাইবো কেন আপন বোন হয়ে এমন নির্বাসিত কষ্টকর সমুদ্রজীবন কারাগারে নিক্ষেপ করলো আমাকে সে!

কথা বলতে বলতে এক দূরঘন সমুদ্রে ছায়ায় হেলান-দেয়া বাতিস্তম্ভের মত তাকায় নেফারপ্রীতি আকাশপানে। প্রতারক পথের ত্রিকালজ্ঞ গোঙানিডাকের মত একটানা ট্রাজিক শব্দ করে এবার সত্যি কাঁদে নেফারপ্রীতি মেঘরাজ্যে! আষাঢ়ে মেঠো পথে হাঁটা কাদা-কাঙাল বুড়ো ব্যাঙের মত চেয়ে থাকি আমি নেফারপ্রীতির অশ্রুভেজা চোখের দিকে!
:
(এরপর পর্ব-৬ আগামিকাল)

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর