নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

নবীজির রোগ নির্ধারনে সাফল্য


কখনো শুনি নাই যে চিকিৎসা করা হারাম। ইসলামে রোগ নির্ধারণ এবং চিকিৎসার অনুমতি আছে। একজন মানসিক রোগী অনেক সময় নিজে থেকে ডাক্তারের কাছে যান না বরং আত্মীয় স্বজন তাকে নিয়ে গিয়ে ডাক্তারের কাছে বলেন রোগীর আচার আচরণ ও বিবিধ ঘটনাদি। মনে করুন আমরা একজন রোগী সম্পর্কে জানতে পারি যিনি এখন আর জীবিত নন । আমাদের মনে হবে তাহলে তো তার রোগ নির্ধারণ সম্ভব না । কথা ঠিক, যদিনা উনি এমন কোনো লোক হন যার বিস্তারিত বর্ণনা, কথা বার্তা কার্যক্রম বিবিধ কারণ বসত লিখিত ভাবে সংরক্ষিত আছে ।

অনেকে হয়তো বলবেন যে মরে গেছে তার রোগ নির্ধারণ করে কি লাভ। কিন্তু এমন কিছু মানসিক রোগ আছে যা যদি শুরুতে আইডেন্টিফাই করা যেত তাহলে সম্ভাব্য “সংক্রমণ” প্রতিহত করা সম্ভব হতো। আফসোস তখন এই রোগ নির্ধারণ করিবার মত চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি হয় নাই। তবে আজ হয়েছে। তাই আজ তা নির্ধারণ প্রয়োজন।

আমি যে রোগী সম্পর্কে বলতে চাচ্ছি তিনি হচ্ছেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: । এক্সমুসলিম এক্টিভিস্ট লেখক Ali Sina তার Understanding Mohammad, A Psychobiography of Allah's Prophet নামক বইটিতে চমৎকারভাবে রাসূল সা: মানসিক রোগ সমূহ নির্ধারণ করেছেন। বইটি পড়লে দেখবেন বিশ্বস্ত ইসলামিক সোর্সের তথ্যাদি অন্যদিকে সর্বশেষ মনোবিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ মানসিক রোগ নির্ধারণের দৃষ্টিকোণ থেকে নবীজির সম্ভাব্য মানসিক রোগ সমূহ বিশ্লেষণ করার অতীব জরুরী গবেষণাধর্মী কাজটি সম্পাদন করেছেন। তবে এই লেখক পুরস্কার ঘোষণা করেছেন এই বিজ্ঞানের ভিত্তিতে নবীজির রোগ নির্ধারণ (এবং নবীজির বিরূদ্ধে কতিপয় অভিযোগ) করা কে যদি কেউ ভুল প্রমান করতে পারে তাহাকে ৫০,০০০ ডলার পুরস্কার দেওয়া হইবে ।

তার গবেষণায় নিম্নলিখিত মানসিক রোগসমূহ পরিচয় পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে

Narcissistic Personality Disorder, (NPD)

Temporal Lobe Epilepsy (TLE) এবং

Obsessive Compulsive Disorder. (OCD)

এখানে একই সাথে বইটির একটু সমালোচনা করতে হচ্ছে । এই বইতে লেখা লেখককে কিছু মন্তব্যর সাথেই আমি একমত না, কারণ ক্ষেত্রবিশেষে এমন কিছু মন্তব্য করেছে যেখানে মনেহচ্ছে সে যে কোনো মুসলমানকে একই রকম ক্যাটাগরিতে ফেলে দিয়েছে। লেখকের সব মুসলমানদের এক ক্যাটাগরিতে ফেলার পেছনে কারণ দুইটা হতে পারে
এক সহজ ভাবে যুক্তি প্রদর্শন
দুই সে একজন ব্যাক্তি জীবনে এক্স মুসলিম মানবতাবাদী নন, উনি এক্স মুসলিম খ্রিস্টান। ( ingroup outgroup psychology সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত)। তার মতে মুসলমান মানে ই এরকম, আমি এই বিষয়ে মোটেও একমত নই - এমন অনেক মুসলমান আছে যারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কেই জানে না পৈতৃক সূত্রে মুসলমান - যে জানে না আসলে কি আছে কোরান হাদিসে, আসলে কি হয়েছিল ইসলামের শুরুর সময়ে। তারা শুধু পরকালের কাল্পনিক আল্লাহর অত্যাচারের ভয়ে বিশ্বাস ধরে রাখে। তবে তা এই বিষয়টা বই টা পড়ায় পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করেনা । আমরা জানি মডারেট মুসলিমদের অবস্থানের পক্ষে আমার এই এক্সকিউজ / ছুতা মুসলিম সমাজ গুলোর অবশ্যম্ভাবী পরিণতির পেছনে তাদের আনারিপনার দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তি দিবেনা।

অন্যদিকে যে রোগ নির্ধারণ করা হয়েছে তা আমি লেখকের বিশাল একটি সাফল্য বলতে ই হবে। তারচেয়ে বড় কথা এই লেখক শুধুমাত্র একক ভাবে নবীজির মানসিক অবস্থা নির্ধারণ করে বসে থাকেননি তিনি একই সঙ্গে তৎকালীন জনগোষ্ঠীর যারা নবীজি কে অনুসরণ করেছিল তাদেরকে (আমরা সাহাবী নামে জানি) তাদের মানসিক অবস্থাকে অত্যন্ত সুন্দর হবে বিশ্লেষণ করেছেন কেন। তারা নবীজীকে অনুসরণ করত কিভাবে তারা একে একে কালক্রমে তার অনুগত হতে বাধ্য হয়েছিল এবং কেন চাইলেও তারা বের হয়ে আসতে পারতোনা - তা বর্তমানকালের মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু ধরে পর্যালোচনা এবং সাম্প্রতিক কালের কতিপয় কাল্ট (cult) গুলোর উত্থান প্রক্রিয়ায় social psychology উদাহরনের দৃষ্টিকোণ থেকে চমৎকার ভাবে তুলনা করে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করেছেন। আজকের বিজ্ঞানের যুগেও কাল্ট লিডার রা কি প্রক্রিয়ায় তার অনুসারীদের অন্ধ অনুগামী পরিণত করে সেই তুলনায় নবী মোহাম্মদের ঐ কুসংস্কারে র যুগের মানুষদের প্রভাবিত করা খুবই সহজ ছিল। একটা জলজ্যান্ত উদাহরণ হল cult leader জিম জন যে ১৯৭৮ সালে ৯১৮ জন নিজের অনুসারী কে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছিল। এর মধ্যে ৩০৪ জন ছিল শিশু - এই শিশুদের পিতা মাতারা cult leader এর নির্দেশে নিজ হাতে সাইয়নাইড ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় cult leader চাইলে কি না করতে পারে।

তাছাড়া নামাজ রোজার মত অত্যন্ত কষ্টকর, সময় খরচকরি রিচুয়াল গুলো কিভাবে কাল্ট ভুক্ত মানুষ কে কালট লিডারের প্রতি অন্ধ আনুগত্য পাকাপোক্ত করে তা সম্প্রতিক কাজের cult গুলোর সাথে তুলনা করে ধর্ম-অনুসারী দের মানসিক অবস্থার বিশ্লেষণ করেছেন।

সত্যি বলতে কি আমি অনেকবছর যাবৎ খুজছিলাম এমন একটা গবেষণা কর্ম যেখানে নবীরাসূলদের মানসিক রোগ সমূহ নির্ধারণ করা হবে এবং প্রাথমিক অনুসারীদের সাইকোলজিকাল মাইনসেট বিশ্লেষণ করা হবে। আলি সিনা অন্তত আমাদের নবীজির রোগ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। খুব ভাল হইত যদি একবার যীশুু খ্রিস্ট সহ অন্যান্য নবী রাসুল দের মানসিক রোগের নাম নির্ধারণ করতেন ।

আমাদের ইসলাম যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে যদি তাকে এভাবে এগিয়ে যেতে দেয়া হয় তাহলে চরম পরিণতি শুভকর হবে না, কারো জন্যই না। কারণ ইসলাম মানে সমর্পণ বা সাবমিশন তবে শুধু ব্যক্তিগত ভাবে নিজেকে সাবমিশন না - একটা পর্যায়ের পরে চরমপন্থী মুসলমানরা যারা ইসলামে বিশ্বাসী নয় তাদেরকেও ইসলামের আল্লাহর কাছে সমর্পণ করবার জন্য উঠে পড়ে লেগে যাবে - দেশে রাজনৈতিক ইসলাম বা শরিয়া আইনের আরোপের মাধ্যমে। লেখকের বর্ণনায় ইসলামের এই ধরণের আচরণগত সমস্যার পেছনে ইসলাম প্রচারকারী মহানবীর শৈশব থেকে বড় হয়ে উঠার প্রক্রিয়ায় বিবিধ ঘটনাবলী অবচেতন মন গঠনে যেভাবে প্রভাব ফেলেছে তা ইসলামকে এই রকম রূপ দেন করেছে - লেখকের ভাষায়

“The word “Islam” means “submission.” The Qur’an says: “No believing man and no believing woman has a choice in their own affairs when Allâh and His Messenger have decided on an issue.”(Q.33:36) The truth is that even non-believing people have no choice. They must submit or be killed. Muhammad interpreted dissent as betrayal. For narcissists, dissent is intolerable. In response they panic and feel threatened. Painful memories of being abandoned as a child rise up to shake their precariously balanced personalities. They feel deeply hurt and seek revenge.”

লেখক আলী সিনা মন্তব্য করেন যে ইসলাম কোন ধর্ম নয় এটি একটি পলিটিকাল আইডিওলজি । তবে লেখকেরই মন্তব্যের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করেন SPENGLER (যার আসল নাম David P. Goldman) তিনি বলেন যে ইসলাম শুধুমাত্র পলিটিকাল আইডিওলজি না এটা একটি ধর্মও । আর এ কারণেই এটা খুবই ভয়ংকর ব্যাপার। …. আর তাই পশ্চিমা বিশ্ব কমিউনিজম এর বিরূদ্ধে একসময় যে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছিল আজ ইসলাম পশ্চিমা বিশ্বকে ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি করেছে।” ( Islam: Religion or political ideology?, Asia Times, August 10, 2004, Retrieved February 5, 2012 )

Ali Sina তার বইয়ের সমাপনীতে তিনটি সম্ভাব্য বিকল্পের কথা বলেছেন প্রথমত কিছু না করি তাহলে কি হবে। আমরা যদি কিছুই না করি ইসলামের ব্যাপারে সত্য বলার ক্ষেত্রে তাহলে পরিণতি কোন দিকে গড়াবে তা কারো বুঝতে বাকি থাকার কথা না । ক্রমবর্ধমান মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি যারা পশ্চিমের জীবন যাত্রার সাথে কোনো ভাবে একীভূত হতে নারাজ একটা পর্যায়ে আগামী কয়েক দশকে তারা সবার উপরে ইসলামি আইনের বর্বরতা চাপাতে চেষ্টা করবে।

দ্বিতীয় সম্ভাব্য পরিনতি কি হচ্ছে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ হানাহানি পরিনতিতে পশ্চিমা বিশ্ব থেকে মুসলমানদের গণ হারে বিতারিত করণ এই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ । এই ক্ষেত্রে ও চরমপন্থী মুসলিমদের বর্বরতার কাছে পশ্চিমা বিশ্ব অবদমিত হবে কারণ ইসলামি বর্বরতার মাঝে কোন বিবেক বুদ্ধির বালাই নাই - আল্লার নামে সবি জায়েয অনদিকে পশ্চিমা সভ্যতার উন্নত মানবিকতা চর্চা তাদের ইসলাম নৃশংসতা র কাছে পরাজিত করবে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এমন রেকর্ড অনেক আছে লেখকের ভাষায় “When civilization and barbarity collide, brute force always wins. History is full of cases where large empires were conquered by a bunch of swordsmen and robbers.’

তৃতীয়ত সম্ভাব্য পরিণতি ইসলাম সম্পর্কে সবাইকে সত্য বলা। ইসলামকে মতাদর্শ গত দিক দিয়ে (ideologically) মোকাবেলা করা। ইসলাম আমাদের বাকস্বাধীনতা কেরে নেবার আগেই তা করতে হবে। আমরা খুব সহজেই দেখতে পারছে এই তৃতীয় সম্ভাব্য সুযোগটি আমদের সবার জন্যে সবচেয়ে ভাল। এই প্রক্রিয়ায় মানবসভ্যতা জন্য এক্স মুসলিমরা সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে অবদান রাখতে পারবে (আজ আমি বলব রাখছে), কারণ একই সময়ে অনেক মুসলমান তখন বিরোধিতা করতে থাকবে। এটা হবে উইন উইন ওয়ার কারণ আমরা জিতে যাব কারণ আমাদের শত্রু বন্ধু তে বদলে যাবে। কোন রক্তারক্তির দরকার নাই। কোন বন্দুকের গুলি ছোড়ার দরকার নাই। ইসলামকে ideologically মোকাবেলা করতে হলে এটাকে প্রশ্ন করতে দিতে হবে। যারা ইসলামের সমালোচনা কে বাধা দিবে তারা মানবজাতির শত্রু কারণ তারা নিজেদের, মুসলমাদের এবং আমাদের সবার কবর খুড়ছে। ইসলাম একটা তাসের ঘরের মত নড়বড়ে অবস্থায় আছে একটু সমালোচনায় এটা ধসে পড়বে।

পত্রিকার পাতা খুললেই আমরা যখন তখন দেখতে পাই কিভাবে এখানে-ওখানে আত্মঘাতী বোমা হামলা এবং যত্রতত্র মানুষের ইসলাম ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মকান্ড দেখা যাচ্ছে। যা থেকে আমরা খুব ভাল ভাবেই আঁচ করতে পারছি যে সবকিছু কোন দিকে গড়াচ্ছে। এখন দেখেও না দেখার ভান করার কোন মানে হয়না - যদি আমরা ন্যূনতম ভবিষ্যতের মানব সভ্যতার প্রতি কোনরকম দায় বদ্ধতা স্বীকার করি- আমাদের নিজ অবস্থান থেকে ইসলামের মতাদর্শ সম্পর্কে সত্য কথা অকপটে বলতে হবে ।

সব এক্স মুসলিম নিবেদিত প্রাণ মুক্তমনাদের প্রতি অভিনন্দন।

(এই সাথে এখানে গুগলের একটু সমালোচনা করে নিচ্ছি যে কোন ভাল বই আজকাল বইটি র নাম এবং .pdf দিয়ে সার্চ করলে ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টা অত্যন্ত ‘নিন্দাজনক”)।

Comments

সলিম সাহা এর ছবি
 

আপনার লেখার সারমর্ম যা বুঝলাম, তাতে আপনি ইসলামকে নিয়ে ভিত সন্ত্রস্ত। আসলে, আবু জেহেল, আবু লাহাবরাও একই রকম সন্ত্রস্ত ছিল ইসলামের সততার আইনের কাছে। শেষ পর্যন্ত তারা পরাজিত হয়েছে। বর্তমানে আপনারাও যারা ইসলামের সততার আইনকে ভয় পাচ্ছেন, অদূর ভবিষ্যতে আপনারাও পরাজয় স্বীকার করবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

 
নরমপন্থী এর ছবি
 

হা তাদের কাবা ঘরের পৈত্রিক হজ্জ ব্যাবসা হারাবার ভয় ছিল । তাই বাস্তবে তাই হয়ে ছিল। আল্লাহ কোরআনে বলেছেন সন্ত্রাসের মাধ্যমে তাকে বিজয়ী করেছে। আর আমার ভয় মনব সভ্যতাকে লৌহ যুগের নৈতিকতায় নামিয় আনবে ইসলাম । পাথর ছুড়ে নারী হত্যা, যৌনদাসী ব্যাবসা চালু হবে, বাইতুল মোকাররম মসজদের সামনে সবাই এক সাথে মানুষ জবাই করা দেখবে। আর মানুষ হারাবে তাদের নিজেদের বিবেচনা বোধ।

 
সলিম সাহা এর ছবি
 

যে ভাবেই পর্যালোচনা করুন না কেন। ইসলামের কাছে পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরেছেন, তাই বিএনপি এর মতো আবোল তাবোল বকছেন আরকি। আপনারা আবোল তাবোল বকতে থাকুন, আর ইসলাম সবাইকে পরাস্ত করে জয় লাভ করতে থাকুক।

 
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
 

ইসলামের নামক মতবাদের সর্বপ্রথম বলি ছিলেন মুহাম্মদ নিজে, দ্বিতীয়' বলি তার একান্ত পরিবার-সদস্য ও তৃতীয় বলি হলেন তার অনুসারী মুসলমান সম্প্রদায়, যা আমি আলোচনা করেছি এখানে:

http://www.dhormockery.net/2017/02/blog-post_64.html

http://www.dhormockery.net/2012/10/blog-post_9285.html

সুতরাং , 'ইসলামের জয়' এর অর্থই হলও সাধারণ মুসলমানদের চরম পরাজয় ও দুর্দশার সম্প্রসারণ। ইন্টারনেট প্রযুক্তি আজ সাধারণ মুসলমানদের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ইসলামের যে গভীর ও অন্ধকার দিকগুলো তাঁরা কোন দিনই জানতে পারতেন না, আজ তাঁরা ইচ্ছে করলেই তা জানতে পারবেন। প্রয়োজন মুক্ত মন ও তথ্য-উপাত্তের যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ। আজ যে সমস্ত এক্স-মুসলিম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে 'ইসলামের' গভীর ও অন্ধকার দিকগুলো সাধারণ মুসলিমদের অবহিত করানোর চেষ্টা করেছেন, তা সাধারণ মুসলমানদের দুর্দশা লাঘবের নিমিত্তেই। যতদিন পর্যন্ত সাধারণ মুসলমানরা এই সত্যটি উপলব্ধি করে ইসলামের অভিশাপ থেকে উত্তরণের চেষ্টায় সফলকাম হতে না পারবেন, ততদিন পর্যন্ত তাঁদের মুক্তি মিলবে না।

@ নরমপন্থী,
আপনার লেখাটি সুন্দর হয়েছে। মুহাম্মদ যাকে আবু জেহেল (মহা-মূর্খ) উপাধি দিয়েছিলেন, তিনি আসলে ছিলেন আবুল হাকাম (মহা-জ্ঞানী)। মুহাম্মদের চরিত্রের এক বিশেষ দিক ছিল এই যে, যে সমস্ত জ্ঞানী লোকেরা তার মতবাদের সমালোচনা ও বিরুদ্ধাচরণ করতেন, তিনি তাঁদের বিভিন্ন "তাচ্ছিল্য-পূর্ণ" উপাধিতে ভূষিত করতেন। যা ইসলাম বিশ্বাসীরা পরম একাগ্রতায় এখনো অনুশীলন করে চলেছেন। সত্যিকারের 'আবু জেহেল (মহা-মূর্খ)' দের স্থান হবে মানব ইতিহাসের আস্তা-কুড়ে। সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

গোলাপ মাহমুদ

 
নরমপন্থী এর ছবি
 

ধন্যবাদ গোলাপ মাহমুদ ধর্মকারী তে আপনার লেখা পড়তাম অনেকদিন পরে আপনার কেমেন্ট এখানে পেয়ে খুবই ভাল লাগল। একজন ফরাসি দার্শনিক বলেছেন “Muslims are the first victims of Islam. [...] To liberate the Muslim from his religion is the best service that one can render him.”.
আমিও বিশ্বাস করি কথাটা ।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নরমপন্থী
নরমপন্থী এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 10 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, আগস্ট 14, 2017 - 7:28পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর