নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

রমজান সংযম, সংগম, নাকি ধর্ষণ আর সংঘর্ষের মাস!?


নারীবাদ আর নাস্তিক্যবাদ চর্চাকারীদের প্রতি প্রতিটি ধর্মপ্রাণ প্রাণীর বিদ্বেষ আছে, আছে অহরহ অভিযোগ৷ মানুষ না বলে প্রাণী কেন বলছি? মানুষ বলতে ইচ্ছে করেনা কারণ আছে তার অনেক৷ যাই হোক, এত অভিযোগের পরও তারা দেখাতে পারেনা কোন এক নাস্তিক কিংবা নারীবাদী কাউকে ধর্ষণ করেছে, করার পর মেরে ফেলেছে৷ কোথাও দেখাতে পারেনা শিশুদের জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে৷ কিন্তু প্রতিদিনের পত্রিকা রমরমা ধর্ম প্রাণীদের অত্যাচারে৷ দেখা যায় মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রকে বলাৎকার করছে, যৌন হয়রানি করছে, নয়তো শিশুর পেটে শিশু আসার পর প্রমাণ করে দিচ্ছে এ কাজ মাদ্রাসা শিক্ষকের৷ কি করবে শিশুরা!! মাদ্রাসায় অমানুষিক পেটানো হয়, যার ভয়ে শিশুরা মুখ খুলে না৷ ধর্ষণ করে ভয় ঢুকানো হয়, না ছেলে না মেয়ে উভয়েরই হতে হয় ধর্ষনের শিকার৷ দেখা যায় এই ধর্ষক আর ধর্ষকের বিরাট সমর্থকেরাই পর্দা, বৈধ্য-অবৈধ্য নিয়ে ঝড়ো সয়লাপ করে, কেউ দুজনের মতে যৌনতায় লিপ্ত হলে তাদের ফাঁটে কিন্তু ধর্ষণে তাদের বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই৷

বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই এ কথা কিভাবে বলতে পারি? পারি তাদের আচরনে৷ তারা ধর্ষণের বিরুদ্ধে কখনোই রাস্তায় নামেনি, মিছিল করেনি কিন্তু নাস্তিক নারীবাদীদের জন্য সব সময় রাস্তা সরগরম করেছে, করেছে ধর্মের নামে কিছু বললে৷ তারা তাদের বিরুদ্ধে নামে যারা মানুষের ক্ষতি করেনা, তারা তাদের বিরুদ্ধে নামে না, যারা করে৷ ধর্মপ্রাণীদের মধ্যে কি নারী আর কি পুরুষ! যার মেয়েকে ধর্মীয় গুরু ধর্ষণ করেছে সেও নাস্তিককে ঘৃনা করে, করে নারীবাদীকে৷ও অথচ ধর্মীয় গুরু দর্ষণ করেছে বললে সন্তান মেরে চুপ করে দেয় কখনো কখনো৷ এই ঘৃনার লোকেরাই তাদের সন্তানের জন্য কথা বলছে, আন্দোলন করছে, নিজের জীবনকে বিসর্জন দিচ্ছে, চাপাতির কথা জেনেও নিজের মাথাটা চাপাতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে, সন্তান সহ তাদের জন্যই এরা মরছে যদিও মরলে বলছে কুকুর৷ অথচ যারা তাদের সন্তানের ভবিষ্যত খাচ্ছে মাংস ছিড়ে খাচ্ছে, তাদের বিপদে যারা রাস্তায় নামেনি তারাই হয়েছে তাদের প্রতিবেশী, তারাই হয়েছে তাদের কাছে ভালো৷

একবার যদি এভাবে ভাবা হয় যে আমরা ধর্ম পালন করছি অথচ ধর্মের মাঝে ধর্ষক, ধর্মের মাঝে খুনি, ধর্মের মাঝেই এত বিবিষিকা৷ না আসে ঈশ্বর বাঁচাতে, না আসে আল্লাহ৷ জেলে যাচ্ছে ধর্ষণ করে ধার্মিকের দল, যাচ্ছে খুনিরা৷ আবার ছাড়াও পাচ্ছে কিন্তু যারা খুন করেনি, যারা ধর্ষণ করেনি তারা জেলে গিয়ে ছাড়া পাচ্ছেনা৷ তাহলে এ অঞ্চলে সন্তানের সুরক্ষা হবে কি করে!? ধর্মহীনরা যদি এমনই হবে তাহলে ধর্মের প্রয়োজন কী! ধর্মতো আছে কাপড় নিয়ে, কল্পনা নিয়ে আর ধর্ষণ করে, খুন করে, সেই খুনি ধর্ষকদের সমর্থন করে৷ কার সন্তানকে তারা ধর্ষণ করছে? আমদেরইতো সন্তান!! কার সন্তানকে তারা খুন করছে? আমাদেরইতো!! তাহলে ধর্মহীনরাইতো উত্তম৷ তারা কারো ক্ষতি করছেনা বরং আমাদের জন্য লড়ে, আমাদের জন্য মরে৷

ইসলামে মেয়েদের পর্দা ফরজ৷ তাদের যুক্তি বেপর্দা হওয়াই ধর্ষণ বাড়ছে৷ আচ্ছা এখানে সেই ধর্ষণ করছে কারা? সাপোর্ট দিচ্ছে কারা বলুন!? কোন এক পর্দা করা মেয়ে নাস্তিকের হাতে ধর্ষিত হয়েছে? বলুন! কোন এক শুধু মুসলমান কেন যে কোন মেয়ে বেপর্দার কারণে নাস্তিক কিংবা মুক্তচিন্তকদের হাতে ধর্ষিত হয়েছে? ধর্ষণ করে খুন করেছে এই নাস্তিক নারীবাদী মুক্তচিন্তকরা? বলতে পারবেন না জানি৷ বলতে পারবেন তা৷ কারণ পত্রিকার পাতায় পাতায় আপদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দেবে৷ কাপড় আর পর্দার উদাহারণ এখানে ধোপে টিকবে না৷ আপনারা অধিকার বললে যৌনতা বুঝেন, যৌনতা বললে অবৈধ্য বুঝেন, বৈধ্য বললে কাপড় বুঝেন৷ আপনারা নাস্তিকতা বললে আতংক বুঝেন, আতংককে বুঝেন ধর্ম৷ বাস্তব বলতে কল্পনা বুঝেন, আপনারা মানুষ বুঝেন না, সত্য রোচেন না৷ আপনারাই আপদ সৃষ্টি করেন, বিপদে বৃষ্টি স্মরেণ৷ আপনাদের ভেতরেই আপনাদের সন্তানের ধর্ষকের জন্ম, আপনারাই ধর্ষক, আপনারাই আপনার সহ সন্তানের খুনি৷ আপনারাই সমর্থক৷

সংযম নাকি সংগম নাকি ধর্ষণ!? এ প্রশ্ন এখন সুবোধের৷ চারদিকে চলছে ধর্ষণ৷ ইফতারি খাওয়ার দাওয়াতের নামে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করলো কে? মাদ্রাসায় ছয় শিশুকে এক সাথে ধর্ষণ কোন মাসে, কত তম সাধনার দিনে? সীতাকুন্ডে আদিবাসী দুই ত্রিপুরার মেয়েকে ধর্ষণ করে মেরে ফেললো কখন কারা মারলো, দিনের পর দিন কারা চুপ থাকলো অথচ দোকান বন্ধ করতে উচ্চস্বরে মাইকিং করলো, কারা? নাস্তিকের ফাঁসি চাই , নাস্তিক নিপাত যাক, দেশ ছাড়ো বলে চিৎকার করলো কারা? পর্দা নিয়ে বড় বড় বয়ান আর বয়, কই মাদ্রাসার শিশু ধর্ষণ আর শিশু হতে বৃদ্ধ পর্যন্ত কারো যে রেহাই নেই সে বয়ান কই৷ রোজার দিনে থেমে নেই বাংলাদেশে ধর্ষণ, এ ধর্ষকের নাম পরিচয় কী!? দেখাতো যায় এরা নাস্তিক নাকি মুসলমান? নারীর পর নারী ধর্ষণ করে নারীদের সম্মান, এ কেমন সম্মান! যে ধর্ম পালনকারী নারীরা তবুও দোষ দেখছে না তাদের মানুষ বলি কিভাবে? নাস্তিকরা ধর্মের ধার্মিকদের মতই বারোটা মাস পার করে, তাদের বারো মাসেই খুন ধর্ষণ নাই অথচ ধার্মিকদের একটা মাস সংযমের জন্য বেঁধে দেয়া কেনো? বাকী এগারো মাসের হিসাব কি তবে অসংযমী হওয়া যাবে? এই একটি মাসেওতো ছাড় নেই৷ শুধু উপোষ করলাম হয়ে গেলো? রোজা যত বাড়তে থাকে, রক্তারক্তি তত বেশি বাড়তে থাকে, এমন ক্ষুধার পেটে উন্মাদের কি বা কারণ? সংঘর্ষ আর ধর্ষণ চলেতো চলে কিন্তু নামে সংযম৷ কখনো কখনো শুনি রোজার বা রমজানের পর বিশাল আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে! সংযমে কি অসংযমের ডাক, নাকি অসংযমে সংযমের তখন বুঝিনা, আর ত্রিশ দিনের এক দিন একদিন পাড় করতে করতে বুঝিনা সংযমের কি ধর্ষণের ৷ এটার প্রমাণনাতো কেউ করবে না, করতে হবে তাদের যারা সংযম বলে মাস নির্ধারিত করে ধর্ষণ করছে, চুপ থেকে সমর্থন দিচ্ছে৷ সংযম হবার কথা ছিলো কে দোকান বন্ধ করলো না করলো, পর্দা করলো কিনা এসব দেখা নয়৷ সংযম হবার কথা ছিলো, নিজেদের কেউ ধর্ষণ করে , সংঘর্ষ করে, চুপ থেকে সমর্থন করে অক্ষর উল্টে ধর্মকে ধর্ষণ করে দিচ্ছে কিনা৷ অনেকে বলে সংগমেের মাস৷ ধর্ষণ আর সংগম কখনো এক নয়৷ ইসলামের ভাষায় যদি বলি- ধর্ষণের মত অত পবিত্র শব্দ নয়৷ অবৈধ্য সম অধিকারের নামে এই সংগম একটি অপবিত্র শব্দ৷ তাই সুবোধের প্রশ্ন! রমজান সংযম, সংগম, নাকি ধর্ষণ আর সংঘর্ষের মাস!? রামা-দানকে রমজান বলার সুবিধা না হয় এখন না বললাম.....

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঙালী ফকির চাষী
কাঙালী ফকির চাষী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 29, 2017 - 2:02পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর